

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরিফ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা করে আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বাদ জুমা দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
হাদির মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে এ ঘোষণা দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানের দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে। শরীফ ওসমান হাদির অকাল মৃত্যুতে আগামী শনিবার (২০ ডিসেম্বর) এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করছি। এ উপলক্ষে শনিবার দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাই বিপ্লবী শরিফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরে একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
মন্তব্য করুন


কৌশলের
নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ কখনো বিএনপি ধরেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক
রহমান।
শনিবার
(১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুনের শিকার পরিবারের
সদস্যদের নিয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’-এর
উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, “ষড়যন্ত্র করে কেউ বিএনপিকে দমন করে রাখতে পারবে না। সম্প্রতি নির্বাচন
কমিশনের বিতর্কিত ভূমিকা দেখেছি, কিন্তু রাজনেতিক দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিতে
চাইব।
ফ্যাসিবাদী
আমলে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেওয়া সব মামলাকে রাজনৈতিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “যারাই বিগত সময় নানাভাবে নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন,
তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই। আর গুম-খুন ও নানা নির্যাতনের পরও বিএনপির নেতাকর্মীরা
রাজপথ ছেড়ে যায়নি।”
তিনি
বলেন, “আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে অত্যাচার করা হয়েছে। হাজারো নেতাকর্মীকে হতে
হয়েছে গুমের শিকার।
তাদের
কিছু পরিবার এখানে আছে। ফ্যাসিবাদী আন্দোলনের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেড়
লক্ষের বেশি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার বোঝা ৬০ লক্ষ নেতাকর্মীকে বহন করতে
হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীকে বছরের পর বছর ঘরবাড়ি ছেড়ে থাকতে হয়েছে।
তাদের
বিরুদ্ধে মামলাগুলো ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
যে
দলের নেতাকর্মীরা আন্দোলনে অকুতোভয় ভূমিকা রাখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
বা অপপ্রচার চালিয়ে কেউ কখনো দমন করতে পারবে না জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “কৌশলের
নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ কখনো বিএনপি ধরেনি।”
মন্তব্য করুন


অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনতে বিট্রিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
বুধবার (২১ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিট্রিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এসময় ড. ইউনূস পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চান।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আমরা বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানি যে শেখ হাসিনা সরকারের সময় বাংলাদেশ থেকে প্রচুর টাকা পাচার হয়ে গেছে। যুক্তরাজ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ বড়িঘর করেছেন। পাচার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কিভাবে ফেরত আনা যায় সে বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ড. ইউনূস।’
তিনি বলেন, সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত এনে দেশ পুর্নগঠনের কাজে লাগাতে চায়।
বুধবার বিট্রিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ছাড়াও জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতির সাথে সিইসির সাক্ষাতের সময় পিছালো।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সাক্ষাতের সময়সূচি পিছিয়ে আগামী ৯ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।ওই দিন দুপুর ১২টায় বঙ্গবভনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের দপ্তর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ৪ দোকানদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে এ জরিমানা করেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন বলেন, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরে বাজার তদারকি অভিযান পরিচালনা করে অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রি ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা করা হয়। এ সময় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অতিরিক্ত দামে জুতা বিক্রির অপরাধে ৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি
সমর্থন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও বিভিন্ন বিষয়ে ঢাকার
সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করবে।
ঢাকায় মার্কিন চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স
হেলেন লাফেভ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে
সাক্ষাৎকালে এসব প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকায়
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মার্কিন কূটনীতিক
এ মন্তব্য করেন বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়।
মার্কিন চার্জ ডি'অ্যাফেয়ার্স বলেছেন-
তার দেশের সরকারপ্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানাতে পেরে খুশি এবং একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে
কাজ করার জন্য উন্মুখ। ভিসা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার প্রয়াসে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস
এই সপ্তাহে তাদের কনস্যুলার পরিষেবা পুনরায় চালু করবে। হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করে। যুক্তরাষ্ট্র স্বাস্থ্য, শিক্ষা,
শ্রম, শাসন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। ওয়াশিংটন রোহিঙ্গাদের মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসন শুরু করেছে এবং তিনি আশা করেছিলেন যে প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত
হবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের মানবিক
প্রতিক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় অবদানকারী এবং মার্কিন চার্জ ডি'অ্যাফেয়ার্স বলেছেন, মার্কিন
অর্থায়নের পরে এই বছর রোহিঙ্গাদের মাসিক খাদ্য সহায়তার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। তিনি
রোহিঙ্গাদের জন্য জীবিকার সুযোগেরও আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস কক্সবাজারের
ক্যাম্পে বসবাসকারী ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার জন্য অব্যাহত অর্থায়নসহ বাংলাদেশকে সমর্থন
করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান। প্রধান উপদেষ্টা তাকে জানান, অন্তর্বর্তী
সরকারকে গভীর সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং একটি যুক্তিসঙ্গত সময়ের পরে সাধারণ
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে বন্যা
মোকাবিলায় দাতাদের মধ্যে একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মের আহ্বান
জানিয়েছেন। মানির্ক চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স শ্রমিক ও সংখ্যালঘু বিষয় নিয়ে কিছু উদ্বেগ
উত্থাপন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের প্রতিটি
নাগরিক সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত এবং অন্তর্বর্তী সরকার সব নাগরিকের মানবাধিকার সমুন্নত
রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মানবাধিকার ইস্যু, সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং র্যাপিড অ্যাকশন
ব্যাটালিয়নও আলোচনার সময় উঠে এসেছে।
মার্কিন চার্জ ডি'অ্যাফেয়ার্স বলেছেন,
তার সরকার দেশে ন্যায্যবিচার নিশ্চিত করার প্রয়াসে বাংলাদেশকে একটি প্রসিকিউটরিয়াল
সার্ভিস গঠনে সহায়তা করার চেষ্টা করছে।
মন্তব্য করুন


সড়ক,
রেলপথ, নৌপরিবহন এবং সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঢাকা বরিশাল
মহাসড়ক, দুই লেনের রাস্তা। ভাঙা থেকে বরিশাল পর্যন্ত যে রাস্তা এটায় চলাচল করা গেলেও
আরও প্রশস্ত করা দরকার। এটা সরকার উপলব্ধি করে, আমরাও উপলব্ধি করছি। আর এবার এসে সরাসরি
দেখে গেলাম।
দ্রুত
কীভাবে কাজটা শুরু করা যায় সেই পরিকল্পনা সরকারের আছে, দ্রুত আপনারা সুখবর পাবেন।
বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার, এ সরকার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায়। বিশেষ করে
অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়া একটি জাতি সমৃদ্ধ হতে পারে না। অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত
হয়।
মঙ্গলবার
(১৭ মার্চ) দুপুরে বরিশালের বাকেরগঞ্জের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত গোমা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রীর
ভাষ্য, সব গণমাধ্যম রিপোর্ট করছে, কোনো অভিযোগ নেই, ভাড়া বাড়ছে না। স্বস্তিতে মানুষ
যাচ্ছে, খুব বেশি যানজট বা অব্যবস্থাপনা সড়কে নেই। মনে রাখতে হবে, মাত্র ২/৩ দিনের
মধ্যে দেড় কোটি লোক ঢাকা ছাড়ছে। তাদের যাত্রাটা স্বস্তিদায়ক করা চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু
আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি, তাতে আমরা নিশ্চিত যে যাত্রীরা
স্বস্তিতে, স্বাচ্ছন্দ্যে আরামদায়ক যাত্রার মাধ্যমে স্বজনদের কাছে যাবে।
শেখ
রবিউল আলম আরও বলেন, গোমা সেতু এই এলাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ২৮৩ মিটারের
মতো দূরত্ব সেতুটির। আমার বিশ্বাস এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের জন্য এ সেতু একটি
যুগান্তকারী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এসময়
সড়ক ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি,
বরিশাল-৬ আসনের সাংসদ আবুল হোসেন খানসহ সড়ক বিভাগ ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত,
রাঙ্গামাটিয়া নদীর ওপর নির্মিত গোমা সেতুর কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ৯ বছর পর। সেতুটির
দৈর্ঘ্য ২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার ও প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার। মঙ্গলবার উদ্বোধনের পর সেতুটি
যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সেতুটি চালু হওয়ায় বরিশালের বাকেরগঞ্জের সঙ্গে
পটুয়াখালীর দুমকির সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। দুই জেলার প্রত্যন্ত এলাকার
অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের যাতায়াত ভোগান্তি লাঘব হয়েছে এ সেতুর মাধ্যমে। যাতায়াতের
সময়ও কমে আসবে প্রায় দুই ঘণ্টা।
২০১৭
সালে ৫৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্প হিসেবে সেতুটি অনুমোদন পায়।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে
কাজ শেষ হয়নি। শুরুতেই উচ্চতা নিয়ে আপত্তি তোলে বিআইডব্লিউটিএ। তাদের দাবি ছিল, নদীপথ
সচল রাখতে সেতুর উচ্চতা আরও বাড়াতে হবে। প্রথম নকশায় সেতুর মাঝ বরাবর সর্বোচ্চ জোয়ারের
সময় উচ্চতা ধরা হয়েছিল ৭ দশমিক ৬২ মিটার, পরে তা বাড়িয়ে ১২ দশমিক ২০ মিটার করা
হয়। এই পরিবর্তনের কারণে পুরো নকশাই সংশোধন করা হয়। নতুন নকশায় সেতুর মাঝে স্টিল
ট্রাস স্প্যান যুক্ত করতে হয়। নকশা পরিবর্তন, জমি অধিগ্রহণ ও নদী শাসনের কাজ যুক্ত
হওয়ায় প্রকল্পটির সময়সীমা পাঁচবার বাড়ানো হয়। সংশোধিত প্রকল্পে সেতুর ব্যয় দাঁড়ায়
৯২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা, যা প্রাথমিক ধারণার তুলনায় ৬০ শতাংশ বেশি।
মন্তব্য করুন


পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে আজ রবিবার ( ০৮ ফেব্রুয়ারি ) সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে
নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। এ সময় দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট
বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।
ক্রিস্টেনসেনকে
উদ্ধৃত করে মার্কিন দূতাবাস জানায়, ‘পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে চমৎকার
বৈঠক হয়েছে। আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসূ
আলোচনা করেছি।’
সূত্র
জানায়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সোমবার একটি বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারে।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে। কারণ
কিশোরগঞ্জ শিল্পভিত্তিক জেলা নয়, এটি একটি কৃষিনির্ভর জেলা। তাই কৃষিকে কেন্দ্র করেই
উন্নয়নের পরিকল্পনা করতে হবে।
আজ
মঙ্গলবার ( ০৩ ফেব্রুয়ারি ) কটিয়াদী সরকারি
কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, এতো টাকা কোথায় পাওয়া যাবে। এ প্রসঙ্গে
তিনি অভিযোগ করেন, দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে, সেই অর্থ ফেরত আনা
গেলে উন্নয়ন সম্ভব।
তিনি
আরও বলেন, ‘এখন আর কোনো দুর্বৃত্ত কারও ভোটে হাত দিতে পারবে না। কেউ কোনো ক্ষতি করতে
এলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
অবাধ,
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ভোটাধিকার
প্রয়োগে কোনো ধরনের বাধা বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
জামায়াত
আমির বলেন, জাতি পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের পথেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জামায়াতে
ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
বলেও জানান তিনি।
তিনি
বলেন, অনেকে বলেন জামায়াতের সরকার হবে বা ইসলামি দলের সরকার হবে। আমরা জামায়াতের সরকার
চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের সরকার চাই।
জেলা
জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলীর সভাপতিত্বে জনসভায় ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দসহ
ছয়টি আসনের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা অনুদান পাবেন। তবে এ অনুদান পেতে আবেদন করতে হবে অনলাইনে ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের এ টাকা দেওয়া হবে। বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন স্কুল–কলেজ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা এ টাকা পাবেন। অনুদানের টাকা বিতরণে নীতিমালা (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান প্রদানের জন্য অনুসরণীয় নীতিমালা সংশোধিত-২০২০) অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের অনুদানের টাকা পেতে আবেদন করতে হবে।
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ অনুদানের টাকা বিতরণে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে । ওই দিন থেকে অনলাইনে অনুদান পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ মঞ্জুরির অনুদানের এ টাকা পেতে আবেদন করা যাবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ–এর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ টাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আরো জানিয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি, এমপিওভুক্ত ও নন–এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা, দৈব দুর্ঘটনা এবং শিক্ষা গ্রহণের কাজে ব্যয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে দুস্থ, প্রতিবন্ধী, অসহায়, রোগগ্রস্ত, অস্বচ্ছল ও মেধাবী, অনগ্রসর এলাকার শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বা এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র সংগ্রহ, খেলাধুলার সরঞ্জাম ক্রয়, পাঠাগার স্থাপন ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বান্ধব করার জন্য অনুদানের আবেদন করা যাবে। তবে বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনগ্রসর এলাকার লেখাপড়ার মান ভালো থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে। আর বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক–কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি বা দৈব দুর্ঘটনার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, উত্তরাঞ্চল কৃষক প্রধান এলাকা। কৃষির সঙ্গে জড়িত দেশের অনেক কোম্পানি।
আমরা সেসব কোম্পানির সাথে কথা বলেছি। ঈদের পর তাদের সাথে বসব। উত্তরাঞ্চল থেকে কৃষিভিত্তিক
ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সেখানে কৃষকদের সন্তানরা চাকরি পাবেন।
সোমবার
(১৬ মার্চ) দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া খাল খনন পরবর্তী আয়োজিত
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক
রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে অনেক কথা বলেছি। বলেছি সারাদেশে ৪ কোটি পরিবারের ফামিলি
কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। আমরা সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড দিতে শুরু করেছি। মধ্যপ্রাচ্যে
অনেক মানুষ কাজ করে। তাদের বিষয়ে আমরা চিন্তা করছি। তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে
যুদ্ধ শুরু হওয়ার কারণে অর্থনীতির ওপর চাপ পড়েছে। কিন্তু আমরা যে ওয়াদা করেছি সেগুলো
এরই মধ্যে শুরু করেছি।
তিনি
বলেন, খাল কাটার কাজ শুরু করেছি। আগামী মাস থেকে কৃষকদের কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। ক্ষুদ্র,
প্রান্তিক ও মধ্য কৃষকরা কার্ড পাবেন। শহিদ জিয়া ও খালেদা জিয়া ছিলেন কৃষকদের বন্ধু।
আমরা কৃষকদের বন্ধু। কৃষক, কৃষানি ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকব। তাই তাদের ভালো রাখতে
চাই। দেশের কৃষকদের শক্তিশালী ভিত্তির ওপর রাখতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, আমরা এমন একটি দল করি, যেই দলের কাজ হচ্ছে সাধারণ মানুষের উপকারে আসে এমন কাজ।
যেই কাজ করলে সাধারণ মানুষ খুশি হয় আমরা সেই কাজ করি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সাহাপাড়া খাল
খনন শুরু হলো, খালটি ১২ কিলোমিটার খনন শেষ হলে ৩১ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন। এই খাল থেকে
পানি নিয়ে কৃষকরা ১২ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দিতে পারবে। সুবিধার আওতায় আসবে সাড়ে ৩
লাখ মানুষ। সবচেয়ে বড় বিষয় এই এলাকার কৃষকরা যে ফসল উৎপাদন করছে, তার থেকে ৬০ হাজার
মেট্রিক টন বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারবে। এই খালের দুই পাশে রাস্তা নির্মাণসহ ১০ হাজার
বৃক্ষরোপণ করা হবে। খাল খনন শেষ হলে আমি আবার পুনরায় দেখতে আসব।
প্রধানমন্ত্রী
আরও বলেন, গ্রামের মানুষদের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি। কৃষি যদি বাঁচে তাহলে কৃষক বাঁচবে,
তাহলেই দেশ বাঁচবে। খালগুলো খনন না হওয়ার কারণে ভরাট হয়ে গেছে। নদীও ভরাট হয়ে গেছে।
বর্ষার মৌসুমের অনেক খরা হয়, পানি পাওয়া যায় না। আমরা এই বর্ষার পানিতে কাজে ব্যবহার
করতে চাই। আমরা এমনভাবে পানি ব্যবহার করতে চাই, যাতে করে সমগ্র এলাকার মানুষ উপকার
পায়। আজকে খাল খনন শুরু করলাম। আগামী ৫ বছর সমগ্র দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন
করব। উজান থেকে যখন পানি আসে তখন নদীর পাশের মানুষ ও পশুর ক্ষতির পাশাপাশি ঘর-বাড়ি
নষ্ট হয়।
তিনি
বলেন, আমরা খাল খননের পর বর্ষার সময়ে অতিরিক্ত পানির ধরে রাখব। উজান থেকে নেমে আসা
পানি ধরে রাখতে পারলে আমরা সবাই উপকৃত হব। শুষ্ক কিংবা বর্ষা মৌসুমে কৃষকের পানি সরবরাহ
করতে পারি। কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমরা এত মানুষের খাবার বিদেশ থেকে আনা সম্ভব নয়।
তাই কৃষকের উপরে গুরুত্ব দিতে হবে। তাই পানিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।
পরিকল্পনার
পাশাপাশি সজাগ থাকবে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারা বিশৃঙ্খলা করতে চায় তাদের বিষয়ে
খেয়াল রাখতে হবে। এই কাজগুলো আমার পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজগুলো
করতে হবে। নির্বাচনে আপনাদের সমর্থনে যেমন আমরা সরকার গঠন করেছি। তেমনি আপনাদের সমর্থন
ছাড়া কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণই হচ্ছে সকল ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মালিক
জনগণ।
এই দেশের মালিক আপনারা। আপনারা যদি আমাদের সঙ্গে থাকেন তাহলে যে কোনো পরিকল্পনা কাজ
বাস্তবায়ন করতে পারব।
দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা
পরিষদের প্রশাসক মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার
আহমেদ কচির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার
মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ মন্ত্রী
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সমাজকল্যাণ ও নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ
হোসেন, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, দিনাজপুর-৪ আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের
হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের এমপি
সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন