

দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে উন্নত দেশ সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাঙ্গালী চালকদের সংগঠন ড্রাইভ সেইফলি, রেইস টু ভিক্টোরি গ্রুপের উদ্যোগে সচেতনতামূলক মিলন মেলা।
গেল ৯ই নভেম্বর রবিবার বিকেল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত, সিঙ্গাপুরের গ্রেন্ডলিন স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সিঙ্গাপুরে চালক পেশায় কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে ড্রাইভ সেইফলি, রেইস টু ভিক্টোরি গ্রুপের আয়োজনে অনুপ্রেরণামূলক এই অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক চালকের অংশগ্রহনে অত্যন্ত সফলভাবে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রবাসী বাঙালিদের পরিচিত মুখ, সিঙ্গাপুর সরকার কর্তৃক প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত নাজমুল খান। সংগঠনের গ্রুপ এডমিনদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোঃ শাজাহান, জাহিদ হাসান, শাওন, হাসান,নেহাল, সুমন ।
এসময় বক্তারা, সিঙ্গাপুরে কর্মরত চালকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইন মানার প্রেরণা জাগানো, এবং নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এজেন্ট ছাড়া কিভাবে একজন ড্রাইভারকে ফ্রি ভাবে আনা যায় এ ধরনের অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। এছাড়াও সিঙ্গাপুরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার ও সৌহার্দ্য গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় গ্রুপের ১০ জন এডমিনের সম্মিলিত উদ্যোগে। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শাওন, মোঃ শাজাহান, মোঃ জাহিদ হাসান, হাসান এবং নেহাল, সুমন, আবুল খায়ের।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরে ভারতের কেরালায় প্রাইমারি অ্যামেবিক মেনিনজোএনসেফালাইটিস (Primary Amoebic Meningoencephalitis বা PAM)-এর সংক্রমণে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। পিএএম সাধারণত নেগেলেরিয়া ফাউলেরি (Naegleria fowleri) নামের একটি ক্ষুদ্র অ্যামিবার সংক্রমণে হয়, যা প্রায়শই ‘মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবা’ নামে পরিচিত।
কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভীনা জর্জের মতে, গত বছরের মতো, এ বছর কোনো ক্লাস্টার আউটব্রেক হয়নি। যদিও এ বছর ৬৯টি পিএএম সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘ক্লাস্টার নয়, একক ঘটনা…আমরা ক্লাস্টার দেখেছি, তবে ২০২৫ সালে নয়… ২০২৪ সালে। একই পানির উৎস ব্যবহারের কারণে ক্লাস্টার ছিল…এখানে ক্লাস্টার নেই, তবে ৬৯টি কেস রয়েছে। ’
প্রাইমারি অ্যামেবিক মেনিনজোএনসেফালাইটিস (পিএএম) কী?
কেরালা সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের মতে, প্রাইমারি অ্যামেবিক মেনিনজোএনসেফালাইটিস হলো একট ধরনের ‘অ্যামেবিক এনসেফালাইটিস’ — এটি একটি বিরল কিন্তু মারাত্মক কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সংক্রমণ, যা মিঠা পানি, হ্রদ ও নদীতে থাকা মুক্ত-জীবিত অ্যামিবার কারণে হয়।
পিএএম- সংক্রমণ মস্তিষ্কের টিস্যু ধ্বংস করে,মস্তিষ্ক গুরুতরভাবে ফুলে যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যু হয়। এটি সাধারণত সুস্থ শিশু, কিশোর ও যুবকদের মধ্যে ঘটে।
পিএএম কীভাবে সংক্রমিত হয়?
প্রাইমারি অ্যামেবিক মেনিনজোএনসেফালাইটিস সাধারণত দূষিত পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। সংক্রমণের ১-২ সপ্তাহের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
কেরালার স্বাস্থ্য বিভাগের মতে, পিএএম দূষিত জলাশয়ে সাঁতার কাটা বা ডুব দেওয়ার পাশাপাশি সাইনাসাইটিসের চিকিৎসায় নেটি পট ব্যবহারের মাধ্যমেও সংক্রমণ হতে পারে।
পিএএম-এর লক্ষণ:
পিএএম-এর লক্ষণগুলো ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিসের মতোই হয়, যেমন: মাথা ব্যথা, জ্বর, বমি এবং বমিভাব, যা রোগ শনাক্ত করা কঠিন করে।
পিএএম-এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
কেরালা স্বাস্থ্য বিভাগের মতে, ‘ব্রেন-ইটিং অ্যামিবা’ দ্বারা সৃষ্ট এই সংক্রমণের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—
১. পিএএম সাধারণত পূর্বে সুস্থ (ইমিউনোকম্পিটেন্ট) শিশু ও তরুণ-তরুণীদের আক্রান্ত করে।
২. এই রোগ বছরের উষ্ণ মৌসুমে এবং উষ্ণ আবহাওয়ায় বেশি দেখা যায়।
৩. পিএএম রোগীদের সাধারণত সংক্রমণের ১-৯ দিনের মধ্যে উষ্ণ, মিঠা পানিতে সাঁতার কাটা, ডুব দেওয়া, গোসল করা বা খেলার ইতিহাস থাকে।
৪. কখনো কখনো রোগী ঘ্রাণ বা স্বাদ বুঝতে পারে না।
৫. পিএএম-এর লক্ষণগুলো অধিকাংশ সময় তীব্র ব্যাকটেরিয়াল মেনিনজাইটিসের লক্ষণের সঙ্গে আলাদা করে চেনা যায় না।
৬. এটি হঠাৎ শুরু হয় এবং কয়েক ঘণ্টা থেকে ১-২ দিনের মধ্যে তীব্র রূপ নেয়।
৭. নিউরো-অলফ্যাক্টরি (ঘ্রাণ-স্নায়ু) পথ দিয়ে নেগেলেরিয়া ফাউলেরি দ্রুত মস্তিষ্কে প্রবেশ করে। যার ফলে অভিযোজিত রোগপ্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া দুর্বল হয়ে যায় এবং রোগ খুব দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ে।
মন্তব্য করুন


পূর্ব আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের উত্তর উপকূলে একটি ফেরি ডুবে ৯০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন।
সোমবার (৮ এপ্রিল) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নামপুলা প্রদেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, ফেরিতে ১৩০ জনের মতো আরোহী ছিলেন। কলেরার প্রকোপ থেকে বাঁচতে তারা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র রওনা হয়েছিলেন। আরোহীদের মধ্যে পাঁচজনকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নামপুলা সেক্রেটারি অব স্টেট জেইম নেটো বলেছেন, এসব মানুষ কলেরার প্রাদুর্ভাব থেকে বাঁচতে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তবে ফেরিতে অনেক মানুষ উঠে পড়ে। এই জন্য একপর্যায়ে এটি ডুবে যায়। নিহতদের মধ্যে অনেক শিশু রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইতিমধ্যে ,এই ঘটনার অনেক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, সমুদ্রসৈকতে মানুষের লাশ সারি সারি করে রাখা হয়েছে। তবে এসব ভিডিওয়ের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি বিবিসি।
পর্তুগিজ টিভি আরটিপি জানিয়েছে, ফেরিটি লুঙ্গা থেকে মোজাম্বিক দ্বীপে যাচ্ছিল।
গত বছরের জানুয়ারি থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে কলেরার ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব দেশের মধ্যে মোজাম্বিকের নামপুলা প্রদেশে সবচেয়ে বাজেভাবে কলেরা প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, মোজাম্বিকের বিগত ২৫ বছরের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে ভয়াবহভাবে কলেরা ছড়িয়ে পড়েছে। গত বছরের অক্টোবর থেকে দেশটিতে ১৩ হাজার ৭০০ জনের কলেরা শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া এই সময়ে কলেরা আক্রান্ত হয়ে ৩০ জনের মৃত্যুর হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন
ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসেছেন ভুটানের
পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী লিয়নপো ডি. এন. ধুংগেল।
আজ বুধবার সকালে
তিনি ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। ভুটান সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার শেষ
বিদায়ে অংশ নেবেন।
হযরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম সামাদ বাসসকে জানান, বিমানবন্দরে
ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাগত জানান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) নতুন নিয়োগ পাওয়া সদস্য “এ কে এম আফতাব হোসেন” প্রামাণিককে শপথ পড়িয়েছেন প্রধান বিচারপতি “ সৈয়দ রেফাত আহমেদ” । আজ বুধবার (২২ অক্টবর ) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল “হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী”। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক “ মোবাশ্বের মোনেম’’, কমিশনের সদস্য অধ্যাপক “ফেরদৌস আরফিনা ওসমান”, কমিশন সচিবালয়ের সচিব “আবদুর রহমান তরফদার” এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ১৩ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশে তাঁর নিয়োগের বিষয়টি জানায়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত ক্ষমতা বলে রাষ্ট্রপতি এই কর্মকর্তাকে সদস্যপদে নিয়োগ করেছেন। সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার মধ্যে যা আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত তিনি সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য পদে বহাল থাকবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। এই নিয়োগের ফলে পিএসসির সদস্যসংখ্যা ১৯–এ দাঁড়াল।
মন্তব্য করুন


বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থাকা ‘মুফতি’ কাভি এবার আরও চমকপ্রদ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর একসময় তার স্ত্রী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছিল।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে কাভি ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে নানা দাবি করেন। সেখানে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে কারিনা কাপুরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ হয় এবং ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সে সময় করিনার বয়স ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
কাভির বক্তব্য অনুযায়ী, শরিয়ত অনুযায়ী মুসলমানদের হিন্দু নারীদের বিয়ে করার সুযোগ রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী তিনি কারিনা কাপুরকে নিকাহ করেছিলেন। তিনি বলেন, “কারিনা কাপুর আমার স্ত্রী ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের ভাবি ছিলেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, ‘সেঠ শাহিদ’ নামটি কারিনাকে প্রভাবিত করেছিল এবং সে সময় তিনি বড় তারকা না হওয়ায় তাদের নিকাহ সম্ভব হয়েছিল।
মুফতি কাভির আরও বক্তব্য, কারিনা কাপুর ও সাইফ আলী খানের বিয়ের সময় ভারতের কিছু আলেম ওই বিয়েকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে তিনি নিজে সেটিকে হালাল বলে ফতোয়া দেন। এর পেছনে কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন—কারিনা তার নিকাহে ছিলেন বলেই তিনি প্রকাশ্যে ওই বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেন।
পডকাস্টে কাভি আরও বলেন, এখনো যদি অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পক্ষ থেকে নিকাহের প্রস্তাব আসে, তবে তিনি প্রস্তুত।
তবে কারিনা কাপুরকে স্ত্রী দাবি করলেও, তাদের মধ্যে কখন ও কীভাবে তালাক হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি কাভি।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মোহাম্মদ ইসহাক দার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) বৈঠকে দুই নেতা
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান
বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সার্কের মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবনের
ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপপ্রধানমন্ত্রী দার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়ে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আন্তরিক
শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও উষ্ণ শুভেচ্ছা
জানিয়ে শরিফের সঙ্গে অতীতে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি বার আমাদের
সাক্ষাতে সার্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অভিন্ন, সার্ক আমাদের উভয়ের
কাছেই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।
ইসহাক দার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির
সুযোগ তুলে ধরে বলেন, আমাদের দুই অর্থনীতি পরিপূরক। বহু ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ
করতে পারি। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন ও কমিউনিটি ভিত্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে অধ্যাপক
ইউনূসের ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান যে, আপনার মতো একজন সরকারপ্রধান
রয়েছে— আপনি এমন একজন নেতা যিনি বিশ্বকে অনুপ্রাণিত
করেন।
সফরকালে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও জ্বালানি উপদেষ্টাসহ কয়েকজন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আহ্বান
জানিয়ে বলেন, আমি সার্ককে উৎসাহিত করি এবং পাকিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের
সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের একটি হিসেবে দেখি।
তিনি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে
ধরে বলেন, যখন পাকিস্তানি শিল্পীরা বাংলাদেশে গান পরিবেশনা করেন, সবাই তাদের প্রশংসা
করে। এই চেতনার ওপরই আমাদের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
১৩ বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসা পাকিস্তানের
কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন ইসহাক দার। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে নৌ ও বিমান যোগাযোগ
উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে।
ইসহাক দার বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ফ্লাই
জিন্নাহ ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া পিআইএও বেসরকারিকরণের
পর ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে।
বৈঠকে উভয় নেতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন
যে, বাণিজ্য বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়াকে আরও স্থিতিশীল
ও সমৃদ্ধ করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক
বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ
উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ শীর্ষক রেজোল্যুশন (প্রস্তাবনা) সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত
হয়েছে। ১১২টি দেশ এই রেজোল্যুশনটিতে কো-স্পন্সর করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
প্রথম মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে
শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি গৃহীত হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশ
‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজোল্যুশনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করে আসছে, যা শান্তি
ও অহিংসার সংস্কৃতিকে উন্নীত করার জন্য আটটি বিশেষ ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করে, সে অনুযায়ী
কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহ্বান রয়েছে এতে। এছাড়া সাধারণ পরিষদের সভাপতির
নেতৃত্বে ২০১২ সাল থেকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘে একটি উচ্চ পর্যায়ের
ফোরামের আয়োজন করে আসছে।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার
(২ মে) জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
বাংলাদেশের পক্ষে এটি উত্থাপন করেন। শুক্রবার (৩ মে) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন
এ তথ্য জানায়।
স্থায়ী মিশন বলছে, চলতি বছর
আলোচ্য রেজোল্যুশনটি একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কেননা এ বছরে শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা
এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি ২৫তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।
প্রস্তাবনাটি উপস্থাপনের
সময় রাষ্ট্রদূত মুহিত বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে শান্তির সংস্কৃতির অব্যাহত
প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আজ বিশ্ব ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্ব এবং মানবিক মর্যাদা
অবজ্ঞার মুখোমুখি। এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও সহিংসতা থেকে উত্তরণে মানবমনে সম্প্রীতি
ও সহমর্মিতার ভাবকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, সমতা ও সব মানুষের সমমর্যাদার চেতনাকে সমুন্নত
করতে হবে এবং সর্বোপরি যুদ্ধের চেয়ে শান্তিকে অনেক বেশি লাভজনক করে তুলতে হবে।
যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের
নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির
ধারণা প্রবর্তনের বাংলাদেশের উদ্যোগটি আমাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত। বৈষম্য,
বর্ণবাদী অসহিষ্ণুতা এবং পরাধীনতা আমাদের একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করে।
এ কারণেই আমরা শান্তির প্রসারকে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির একটি মৌলিক নীতিতে পরিণত করেছি।
এবারের রেজোল্যুশনে শান্তির
সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচির ২৫তম বার্ষিকী যথাযথভাবে পালন ও উদ্যাপনের
জন্য সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে দিনব্যাপী একটি উচ্চ পর্যায়ের ফোরাম আহ্বান করার জন্য
অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া এ রেজোল্যুশনে সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র, জাতিসংঘের
আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
এবং মিডিয়াসহ অন্যান্য অংশীজনদের শিক্ষা ও জনসচেতনতা সম্প্রসারণসহ অন্যান্য আয়োজনের
মাধ্যমে যথাযথভাবে এই বার্ষিকীটি পালনের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
রেজোল্যুশনটির বিবেচনার পূর্বে
শান্তির সংস্কৃতির ওপর সাধারণ পরিষদে একটি সাধারণ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বহুসংখ্যক
সদস্য রাষ্ট্র বক্তব্য দেয়। এ সময় তারা শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি
বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে।
সবশেষে প্রতিনিধি দলগুলো
জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক
নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানায়।
মন্তব্য করুন


বেনাপোল স্থলবন্দরের গুরুত্বের কারনে যাত্রীদের দাবির মুখে এবার বেনাপোল-মোংলা রেলপথে আজ থেকে যাত্রী সেবা শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। আপাতত দিনে একটি ও সপ্তাহে ৬ দিন রেল চলবে এ রুটে। সময় ও অর্থ সাশ্রয়ে এপথে উপকৃত হবেন যাত্রীরা।
জানা যায়, বেনাপোল রুটে যাত্রী সেবা বাড়াতে ব্যবসায়ী ও পাসপোর্টধারীদের দাবির মুখে
রেল কর্তৃপক্ষ বেনাপোল-খুলনা-মোংলা রুটে চালু করেছে যাত্রী সেবা।
ট্রেন চলাচলের জন্য চার হাজার
কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত নতুন রেলপথ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
‘নতুন এই রুটে ‘মোংলা কমিউটার’ নামে একটি ট্রেন চলাচল করবে। খুলনা থেকে যশোর হয়ে বেনাপোল
পর্যন্ত চলাচল করে বেতনা এক্সপ্রেস নামে একটি লোকাল ট্রেন। সেই ট্রেনটি ফেরার পথে খুলনার
ফুলতলা জংশন থেকে মোংলার দিকে যাত্রা করবে, তখন ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত ট্রেনটি
‘মোংলা কমিউটার’ নাম ধারণ করে চলবে।
ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন
মঙ্গলবার।
খুলনা থেকে ভোর ৬টায় বেনাপোলে
পৌঁছাবে সকাল সাড়ে ৮ টায় । পরে বেনাপোল থেকে ৯ টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে মোংলা পৌঁছাবে
দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে। পরে দুপুর ১ টায় মোংলা থেকে ছেড়ে ট্রেনটি বেনাপোল পৌছাবে বিকাল
সাড়ে ৪ টায়।
২০১০ সালে একনেকে অনুমোদনের
প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে। উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
দীর্ঘ ৯১ কিলোমিটার নতুন এ রেলপথে ৫.১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ১১টি প্লাটফর্ম, ১০৭টি কালভার্ট, ৩১টি ছোট ব্রিজ ও ৯টি আন্ডারপাসের নির্মাণ সম্পন্ন।
বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী নেতা আমিনুল হক জানান, বানিজ্যিক কারনে মোংলা বন্দর। যেতে হয়। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় দ্রুত পণ্য খালাস কাজে বিঘ্ন ঘটতো। এখন রেল সেবা চালুতে দ্রুত পণ্য খালাসে সহায়ক হবে।
বেনাপোল রেল নিরাপত্তা বাহিনীর ইনচার্জ আসাদুজ্জামান রানা জানান, বেনাপোল-মোংলা রেল সেবা চালুতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক রেল ষ্টেশনের ব্যস্তত বাড়বে। এতে যাত্রীদের নিরপত্তা ব্যবস্থাও বাড়ানো হয়েছে।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক রেল ষ্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান জানান, বেনাপোল ও মোংলা বন্দরের গুরুত্ব বিবেচনা করে মোংলা কমিউটার চালু হয়েছে। বেনাপোল রেল স্টেশন থেকে সকাল ১০টায় ৭১৬ জন যাত্রী নিয়ে মংলার উদ্দেশ্যে ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে।
মন্তব্য করুন


উত্তর কোরিয়ার
নেতা কিম জং উন তার প্রশাসনের উপ-প্রধানমন্ত্রীকে ‘অযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে বরখাস্ত করেছেন।
রিয়ংসং মেশিন কমপ্লেক্স কারখানা উদ্বোধনের সময় কিম জং উন জনসম্মুখে মন্ত্রীর কার্যদক্ষতার
অভাবের উদাহরণ হিসেবে বলেন, ‘ছাগল দিয়ে গরুর গাড়ি চালানো যায় না।’
কেসিএনএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বক্তব্য দেওয়ার সময় কিম উপ-প্রধানমন্ত্রী ইয়াং সুং
হো-কে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
কিম তার বক্তব্যে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন, রুঢ় ও অযোগ্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের’ কঠোর সমালোচনা
করেন। তিনি বলেন, বন্ধুবর ভাইস প্রিমিয়ার, বেশি দেরি হওয়ার আগে অনুগ্রহ করে নিজেই পদত্যাগ
করুন। কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা নেই।
কিম আরও বলেন, গরুর গাড়ি টানার জন্য গরু দরকার, ছাগল নয়। এটি আমাদের সরকারি কর্মকর্তা
নিয়োগ প্রক্রিয়ার ভুল।
উল্লেখ্য, কিম জং উন প্রায়ই ‘অলস’ ও দায়িত্বহীন কর্মকর্তাদের জনসম্মুখে সমালোচনা করেন।
বিশেষত তার অর্থনৈতিক নীতিমালা কার্যকর করতে ব্যর্থ কর্মকর্তারা তার রোষের মুখে পড়েন।
তবে, রিয়ংসং মেশিন কমপ্লেক্স কারখানা উদ্বোধনের সময় কিমের এ ধরনের মন্তব্য বিশেষ নজর
কাড়ছে।
কিম কারখানা পরিদর্শনকালে বলেন, সরকারি ক্যাডাররা দীর্ঘদিন ধরে অল্পতেই হার মেনে নেওয়া,
দায়িত্বহীনতা ও নিস্পৃহতার মনোভাব দেখিয়ে আসছেন। কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের
জন্য মন্ত্রী ইয়াং-এর ওপর ভরসা রাখা যায় না।
উদ্বোধনের পর নতুন কারখানা থেকে উত্তর কোরিয়ার মোট যন্ত্রপাতি উৎপাদনের ১৬ শতাংশ সরবরাহ
হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কারখানার কর্মীরা সবুজ ইউনিফর্ম ও ধূসর টুপি পরে।
গত মাসে কিম তার দলের মধ্যে ‘অশুভ’ উপকরণ নির্মূলের অঙ্গীকার করেন এবং সরকারি গণমাধ্যম
জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন দল তাদের সদস্যদের মধ্যে একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের হামোন্টন মিউনিসিপ্যাল এয়ারপোর্টের আকাশসীমায় দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে একজন পাইলট নিহত হয়েছেন এবং অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।স্থানীয় সময় রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, সংঘর্ষে জড়িত হেলিকপ্টার দুটি ছিল এন্সট্রম এফ-২৮এ এবং এন্সট্রম ২৮০সি মডেলের। প্রতিটি হেলিকপ্টারে একজন করে পাইলট ছিলেন।সংঘর্ষের পর একটি হেলিকপ্টার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় নিচে পড়ে যায়, আর অন্যটি কাছাকাছি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই এক পাইলটের মৃত্যু হয়। অপর পাইলটকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।হামোন্টন পুলিশের প্রধান কেভিন ফ্রিল জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। বিধ্বস্ত একটি হেলিকপ্টারে আগুন ধরে গেলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আকাশে দুটি উড়োজাহাজের সংঘর্ষের পর একটি হেলিকপ্টার হঠাৎ দিক হারিয়ে মাটির দিকে নেমে আসে। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে হামোন্টন মিউনিসিপ্যাল এয়ারপোর্ট এলাকা সাময়িকভাবে সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।আটলান্টিক কাউন্টির অন্তর্গত হামোন্টন শহরটি কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত এবং এটি ফিলাডেলফিয়া শহর থেকে প্রায় ৩৫ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এফএএ এবং ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) যৌথভাবে বিষয়টি তদন্ত করছে। প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি, পাইলটদের মধ্যে যোগাযোগের সমস্যা কিংবা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবহাওয়া পরিষ্কার থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদন পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। নিহত ও আহত পাইলটদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে আকাশপথে সংঘর্ষজনিত দুর্ঘটনার নজির রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটন ডিসিতে একটি সামরিক হেলিকপ্টারের সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। সাম্প্রতিক এই দুর্ঘটনা নতুন করে আকাশযান নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন