

ডিভোর্স আজকাল এর যুগে এক নিত্যনৈমিত্তিক
ঘটনায় পরিণত হয়েছে । বিভিন্ন ইস্যু তুলে ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চলে মনোমালিন্য যা
শেষ অবধি গড়ায় ডিভোর্সে। জরিপে দেখা গেছে এমন বিচ্ছেদের পেছনে বেশিরভাগ সময় পরকীয়া
থাকে প্রধান কারণ।
তবে কুরকুরে চিপস না আনার কারণে
বিচ্ছেদ ?
এমন অদ্ভুত কারণেও যে হতে পারে
বিচ্ছেদ তার প্রমাণ মিললো ভারতের উত্তরপ্রদেশের আগ্রায়।
মঙ্গলবার (১৪ মে) এক প্রতিবেদনে
এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
স্ত্রীর পছন্দের চিপস আনতে ভুলে
গিয়েছেন স্বামী। আর এতেই রেগে বাপের বাড়ি চলে গেছেন ওই স্ত্রী। তবে এখানেই শেষ না।
রীতিমতো ডিভোর্স চেয়ে ছুটে গেছেন পুলিশের কাছেও।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫ রুপির
কুরকুরে চিপস অনেক পছন্দের ওই স্ত্রীর। এজন্য তার অনুরোধ ছিল প্রত্যেক দিন যেন সেই
চিপস আনা হয়। যা নিয়ে এর আগেও তাদের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল। এবার সেই চিপসটি আনতে ভুলে
যায় স্বামী। আর তা নিয়েই বাধে ঝগড়া। একপর্যায়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই যুবতী। তিনি
বলেন, তিনি স্বামীর কাছ থেকে ডিভোর্স চান।
যদিও এমন অভিযোগ শোনার পর অবশ্য
পুলিশ এই দম্পতিকে ফ্যামিলি কাউন্সেলিংয়ের জন্য রেফার করেছে।
জানা গেছে, গত বছরই বিয়ে হয়েছে
ওই দম্পতির। তবে যুবতীর ডিভোর্সের দাবির বিপরীতে তাদের মতভেদ মেটানোর এবং সংসার রক্ষা
করার প্রচেষ্টায় পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের ফ্যামিলি কাউন্সেলিংয়ে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় জাকজমকপূর্ণ ইফতার মাহফিল এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন।
এবার
এতিম ও আলেম-উলামা এবং কূটনীতিকদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দু’টি
ইফতার মাহফিলে থাকবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার
(৫ মার্চ) তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান।
তিনি
জানান, প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে ৬ মার্চ শুক্রবার কূটনীতিকদের
সম্মানে একটি এবং ৭ মার্চ এতিম ও আলেম-উলামাদের সম্মানে আরেকটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন
করছেন প্রধানমন্ত্রী। এই দুই ইফতার মাহফিল যমুনায় অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী
রাজনীবিদদের সম্মানে ৮ মার্চ এবং গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সম্মানে ১০ মার্চ রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যুমনায় ইফতার পার্টির সময়সূচি নির্ধারিত থাকলেও সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে
তা বাতিল করা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
প্রতিবছর
রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ইফতার
মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করে
তারেক রহমান নিজের বাসায় পরিবারের সাথেই ইফতার করছেন। রাষ্ট্রীয়ভাবে জাকজমকপূর্ণ ইফতার
অনুষ্ঠান হচ্ছে না।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার এবং বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে লাফেভ বিদায়ী সাক্ষাৎকালে এ আশ্বাস দেন।
হেলেন লাফেভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে পরামর্শ ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে অর্থ উদ্ধার এবং তা বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে।
‘চুরি করা টাকা ফেরত দেওয়া কঠিন, কিন্তু এটা অসম্ভব নয়,’ বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা অবশ্যই এটি করব।’
এসময় একজন শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে লাফেভের দায়িত্ব পালন ও সেবার প্রশংসা করেন প্রধান উপদেষ্টা। একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তার আন্তরিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি।
জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে হেলেন লাফেভ বলেন, ‘আমি ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে খুবই গর্বিত।’
এসময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিকেনের একটি চিঠি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করেছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ ক্যাম্প থেকে উত্তর আমেরিকার দেশে পুনর্বাসন ত্বরান্বিত করছে।
আলোচনায় বিচারিক সংস্কার, দক্ষিণ এশীয় বিদ্যুৎ সংযোগ, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, স্বৈরচারী সরকার আমলে বাংলাদেশ থেকে চুরি হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা, বেসামরিক আমলাতন্ত্রের সংস্কার এবং শ্রম সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে।
তাঁর সরকার ব্যাপক শ্রম সংস্কার করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার প্রয়াসে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফর করবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ নারী নেতৃবৃন্দের জন্য আয়োজিত আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম ‘সাউথ এশিয়া ইয়ং উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট একাডেমি’তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লার উদীয়মান নারী নেত্রী সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী।
সুইডেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিস্ট্যান্স (IDEA) এই ফেলোশিপের আয়োজন করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অর্থায়নে এবং জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন (UN Women)-এর সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের তরুণ নারী নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন।
ফেলোশিপটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর, শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয়। তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নেতৃত্ব বিকাশ, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী বলেন, “আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমার জন্য গৌরব ও সম্মানের। দেশের তরুণ নারীদের অবস্থান ও সক্ষমতা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার এই দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব ইনশাআল্লাহ। এই অভিজ্ঞতা আমাকে ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনে সমৃদ্ধ করবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ নারী নেতৃত্ব গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবেও কাজ করবে।”
সুমাইয়া বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষক এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য-প্রযুক্তি সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মহানগর মহিলা দলের সহ-সভাপতি এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের তরুণ রাজনৈতিক ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সুমাইয়া ইতোমধ্যে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
এই ধরনের আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বাংলাদেশের তরুণ নারীদের সক্ষমতা ও নেতৃত্বের দক্ষতাকে বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরছে। সুমাইয়া বিনতে হোসাইনীর মতো নেতৃত্বগুণে সমৃদ্ধ নারীরা আগামী দিনের পরিবর্তনের রূপকার হয়ে উঠবেন—এমনটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।
মন্তব্য করুন


সন্ধান মিলেছে এক ভয়ঙ্কর বৃক্ষনারীর কিন্তু এ নারীদেহের বেশির ভাগ অংশই গাছ দিয়ে তৈরি। জনশ্রুতি আছে ছাড়া পেলে নাকি জঙ্গলের মধ্যে দৌড়ে বেড়ায় এ অশরীরী ।
কানাডার লাব্রাডর এবং নিউফাউন্ডল্যান্ডের কাছে কোন্নে নদীর কাছে গ়ড়ে উঠেছে মিয়াওপুকেক ফার্স্ট নেশন রিজ়ার্ভ। আর এখানকার ঘন জঙ্গলের মধ্যেই খোঁজ মিলেছে ভয়ঙ্কর এ নারীরূপী গাছের।
নারীর দেহের সঙ্গে গাছটিকে আলাদা করা যাচ্ছে না। পা দুটিও যেন গাছেরই অংশ। কোমর, পেট থেকে গলা পর্যন্ত যেন গাছের মধ্যে ঢুকে রয়েছে। তবে নারীদেহটি মু্ণ্ডহীন। গাছটি সোজা দাঁড়িয়ে থাকলেও নারীর দেহটি বেঁকে গিয়ে বাঁদিকে হেলে রয়েছে। যেন গাছ থেকে নিজেকে আলাদা করার চেষ্টায় ছিলেন ওই নারী। মাথা আলাদা করতে পারলেও দেহের সর্বাংশ আটকে পড়েছে গাছের ভিতর। গাছের বাইরের দিকে মাথা বার করতে গিয়ে তা কাটা পড়েছে বলেও মনে করা হয়। জঙ্গলের ভিতর বহু দিন এই গাছ থাকলেও তা নজরে পড়ে ২০২২ সালে।
মিয়াওপুকেক রিজ়ার্ভে ঘন জঙ্গলের ভিতর এমন একটি গাছ রয়েছে যার বাকল, গুঁড়ি বেরিয়ে এমন আকার ধারণ করেছে এক নজরে যা দেখলে মনে হয় গাছটি কোনও নারীকে নিজের ভিতরে টেনে রাখার চেষ্টা করছে।
অনেক আগে মিয়াওপুকাক রিজ়ার্ভে ঘুরতে গিয়েছিলেন শেন ম্যাকডোনাল্ড এবং অ্যাডা জন নামে দুই পর্যটক। জঙ্গলের ভিতর হাইক করতে গিয়ে এই অদ্ভুত গাছ নজরে পড়ে তাঁদের। দেখামাত্রই অবাক হয়ে যান তাঁরা।
শেন এবং অ্যাডা দুজনেই তখন নারীর নকল মাথা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। শ্যাওলা দিয়ে নারীর চোখ, মুখও তৈরি করেন। মাথার সঙ্গে নকল চুল তৈরি করে গাছের সঙ্গে নকল মাথাটি লাগিয়ে দেন তাঁরা। এরপর গাছের ছবিটি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন শেন এবং অ্যাডা। তারপরেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয় ঝড়। আবার অনেকেই ভয় পেয়ে যান ,কেউ আবার অনেকে বিষয়টি নিয়ে মজা করতে শুরু করেন।
নেটব্যবহারকারীরা এক চরিত্রের সঙ্গে মুখের মিল খুঁজে পান ।‘দ্য ওয়াকিং ডেড’নামের এক জনপ্রিয় জ়ম্বি ধারাবাহিকের একটি চরিত্র আলফা। বিষয়টি নজরে পড়ে মিয়াওপুকেকের পর্যটন এবং সংস্কৃতি বিভাগের ডিরেক্টর কোলিন লাম্বার্টের। এরপরই কোলিন একটি প্রতিযোগিতার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। কোলিন এক পুরনো সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই ধরনের গাছ যে জঙ্গলের ভিতর ছিল তা আমিও জানতাম না। কোলিন চ্যালেঞ্জ করেছিলেন, জঙ্গলের ঠিক কোন জায়গায় গাছটি রয়েছে তা খুঁজে বার করতে হবে। গাছটি খুঁজে পেলে তার সামনে দাঁড়িয়ে একটি ছবি তুলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করতে হবে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী হাইকারদের জন্য আকর্ষণীয় উপহারেরও বন্দোবস্ত করা হয়েছিল।
কোলিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিযোগিতার আয়োজন অবশ্য ফলপ্রসূ হয়। গাছের সন্ধানের জন্য হাইকারদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সমাজমাধ্যমেও হাইকারদের তোলা ছবি ছড়িয়ে পড়ে। এখন এই বৃক্ষনারীকে দেখতেই জঙ্গলে হাইক করছেন অনেকে।
মন্তব্য করুন


ফিফা
প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগামী জানুয়ারিতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় যুব উৎসবে যোগ
দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।
এখানে
প্রাপ্ত এক খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ফাঁকে প্রধান
উপদেষ্টার সঙ্গে বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতা ও সংস্থার প্রধান কর্মকর্তার বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়।
অধ্যাপক
ইউনূস ফিফা প্রধানকে উৎসব সম্পর্কে অবহিত করেন এবং স্বনামধন্য মহিলা ফুটবল দলকে বাংলাদেশে
আনতে তার সহায়তা কামনা করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা এখন বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে বাকুতে চার দিনের এক সরকারি সফরে রয়েছেন।
গতকাল
সোমবার (১১ নভেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের
একটি ফ্লাইটে প্রধান উপদেষ্টা বাকুতে পৌঁছান।
তিনি
কপ২৯-এর বিভিন্ন অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং বিভিন্ন সাইডলাইন ইভেন্টে বক্তব্য রাখবেন।
মন্তব্য করুন


গত ৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। প্রেসিডেন্ট গভীররাতে গোটা সিয়ারা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।
মানুষের
হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে
আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয়
পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক
সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।
হাজার
হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ
মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের
বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন
হাজার হাজার যুবক।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা
ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।
এই
মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের
হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে
তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।
গভীর
রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা
করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী
সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক
এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
জুলিয়াস
সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি
আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন
কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বর্তমানে
গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের
মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের
হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু
খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে
পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে
থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।
কুশ
ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী।
তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০
থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির
ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
এই
মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের
হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত
অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
চিকিৎসকদের
মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে
সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত
অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে
জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন
হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে
দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা
বাহিনী।
সিয়েরা
লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের
কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির
প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে
বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না
বলে দাবি করেছেন বায়ো।
গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।
মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।
বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।
কুশ
ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী।
তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই
মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের
হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত
অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
২০২০ সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০
থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির
ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার যুবক।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


জনগণের
চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান।
আজ
বুধবার (০৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী,
উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্তি প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালু করার
কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে স্বাস্থ্য
সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে। এই ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার কথা
বলেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারি
বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনসমূহ চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে স্বাস্থ্য কেন্দ্র করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা
হয়েছে।
অতিরিক্ত
প্রেস সচিব জানান, শুধু এলজিইডি’র পরিত্যক্ত ভবন বা বিল্ডিং রয়েছে ১৭০টি।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি ও তার অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার এরকম যেসব পরিত্যক্ত
ভবন বা বিল্ডিং রয়েছে, সেগুলো ক্লিনিক ও স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
এই ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
দেশের
জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতিবছর ৩৪
লাখ নবজাতক জন্ম গ্রহণ করে।
আতিকুর
রহমান রুমন জানান, প্রতিবছর নবজাতক জন্মের যে পরিসংখ্যান, সেটি নিয়ে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ
করা হয়। এ প্রেক্ষিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে তৎপর হতে বলা হয়েছে।
বিএনপির
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী, যার মধ্যে নারী ৮০ শতাংশ এবং
পুরুষ ২০ শতাংশ, নিয়োগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী
নিয়োগের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে।
দুর্গম
এলাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসকদের যাওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী
তাগাদা দিয়েছেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
বৈঠকে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মাত্র ৪২ ঘণ্টার মধ্যে এটি প্রবল আকার ধারণ করেছে। ক্যাটাগরি ৪-এ পৌঁছানো ঘূর্ণিঝড়টিকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে, ঘূর্ণিঝড় বেরিল দক্ষিণ-পূর্ব ক্যারিবীয় অঞ্চলের কাছে পৌঁছে গেছে এবং স্থানীয়দের নিরাপদে আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, ‘বেরিল’ এখন পর্যন্ত আটলান্টিক মহাসাগরে রেকর্ড করা প্রথম এবং জুন মাসে রেকর্ড করা একমাত্র ক্যাটাগরি ৪ হারিকেন।
হারিকেন এবং ঝড়-জলোচ্ছ্বাস বিশেষজ্ঞ মাইকেল লোরির মতে, ‘বেরিল এই অঞ্চলে বছরের এই সময়ের জন্য একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং বিরল হারিকেন। আঘাত হানার আগেই এটি ঐতিহাসিক হয়ে উঠেছে।’
ঘূর্ণিঝড় বেরিল রোববার রাত কিংবা সোমবার (১ জুলাই) ভোরে ক্যারিবীয় উইন্ডওয়ার্ড উইন্ডওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জে ভয়াবহ তাণ্ডব চালাতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউএস ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি)।
ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলের কাছাকাছি বড় এবং ধ্বংসাত্মক ঢেউ নিয়ে আসতে পারে উল্লেখ করে এনএইচসি বলছে, ঘূর্ণিঝড় সতর্কীকরণ এলাকায় যেখানে মূল অংশটি আছড়ে পড়তে পারে, সেখানে এবং তার কাছাকাছি উপকূলীয় অঞ্চলে ৬ থেকে ৯ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ভিয়েতনামে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের
হ্যানয়ের বাংলাদেশ দূতাবাস টাইফুন ইয়াগি সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে হ্যানয়ের
বাংলাদেশ দূতাবাস ভিয়েতনামে বসবাসরদের জন্য সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিয়েতনামে
বসবাসরত সব বাংলাদেশি নাগরিকদের সদয় জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে, শক্তিশালী টাইফুন
ইয়াগি ইতোমধ্যে ভিয়েতনামে আঘাত হানতে শুরু করেছে এবং তার প্রভাবে আগামী ২ দিন উত্তর
ও মধ্য-ভিয়েতনামে ভারী বর্ষণ এবং বন্যা সংঘঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জরুরি মুহূর্তে
সব-প্রকার দোকান-পাট বন্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বিধায় আপদকালীন সময়ের জন্য প্রয়োজনীয়
খাবার ও ওষুধ সংগ্রহে রাখা যেতে পারে। টাইফুন আক্রান্ত এলাকায় ভ্রমণ না করে এই সময়ে
নিরাপদে যার যার বাসস্থানে অবস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপডেটের জন্য স্থানীয়
সংবাদ মনিটর করুন। ভিয়েতনামের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা
রয়েছে বিধায় ভিয়েতনাম ভ্রমণে ইচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিককে এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে ভ্রমণ
করার জন্য অনুরোধ করা হলো। বাংলাদেশ দূতাবাস, আগামী সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) যথারীতি
খোলা থাকলেও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে স্বাভাবিক সেবা প্রদানে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এমতাবস্থায়
জরুরি প্রয়োজনে দূতাবাসের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
দূতাবাসে যোগাযোগের নম্বর : +৮৪-৮৯৬৩২১৮৬৮ (দূতালয় প্রধান)
টাইফুন ইয়াগি কালীন জরুরি সাহায্যের
জন্য ভিয়েতনামের নিম্নের নম্বরে যোগাযোগ করুন-
১১২ (জীবন বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকি দেখা দিলে)
১১৩ (পুলিশ সহায়তা)
১১৫ (এম্বুলেন্স সহায়তা)
মন্তব্য করুন