

মোঃ মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৪নং মডেল ইউনিয়নের উত্তর নয়াকান্দি গ্রামের অধিবাসী সাবেক প্রধান শিক্ষক মরহুম মো. ইদ্রিস মাষ্টারের কণিষ্ঠ সন্তান ও ভোলা জেলায় কর্মরত সমাজ বিজ্ঞানী (পানি সম্পদ) ও উত্তর নয়াকান্দি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর মো. মিজান সরকার ও মহসিন মিয়া সরকারের ছোট ভাই মো. ফখরুল ইসলাম রোকন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
তিনি বর্তমানে রুমা গ্যারিশন, বান্দরবানে কেএনএফ এর সাথে চলমান সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ অপারেশনে নিয়োজিত আছেন। তার এই সাফল্যে তিনি কচুয়াবাসীর নিকট দোয়া ও সার্বিক পরামর্শ কামনা করেছেন। উল্লেখ্য, ৫ বোন ও ৩ ভাইয়ের মধ্যে মো. ফখরুল ইসলাম সবার ছোট।
এদিকে কচুয়া উপজেলার উত্তর নয়াকান্দি গ্রামের গর্বিত সন্তান সেনা কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম রোকন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার পদে পদোন্নতি পাওয়ায় তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রশিক্ষণার্থীদের
সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিকভাবে
পার্বত্য অঞ্চলকে এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সম্পদে
পরিপূর্ণ পার্বত্য জেলাগুলো বাংলাদেশের সবচাইতে উন্নত অঞ্চল হতে পারতো, কিন্তু সবচেয়ে
পেছনে পড়ে আছে। এটা হওয়ার কথা না। আপনাদের ফসল, ফল-ফলাদি, ঐতিহ্যবাহী পণ্য দিয়ে অর্থনীতিতে
আপনাদের এগিয়ে যাওয়ার কথা। পার্বত্য এলাকাগুলো দুর্গম, সেজন্য যোগাযোগ করা কঠিন হয়।
আর এ কারণেই সেখানে প্রযুক্তির প্রসার দরকার। প্রযুক্তি দিয়ে এই দূরত্ব জয় করা যাবে।
পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও
সদস্যবৃন্দের জন্য আয়োজিত 'পার্বত্য জেলা পরিষদ ব্যবস্থাপনা' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ
দিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
নারী ফুটবল টিমে পার্বত্য জেলা থেকে
আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠকের স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বের
অন্যান্য দেশের টিমকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। আপনাদের এলাকার মেয়েরা কী দুর্দান্ত
খেলল! কীভাবে বলবেন পিছিয়ে আছে? যারা আপনাদের এলাকা থেকে এসেছে তাদের সাথে আমি কথা
বলেছি। কী কঠিন পরিস্থিতি! কত কষ্ট করে পাহাড় ভেঙে বাড়িতে পৌঁছাতে হয়! বাবা মা ঢাকায়
আসলে কত কষ্ট করে তাদের আসতে হয়। এই প্রতিকূলতার মধ্যেই কিন্তু তারা বিশ্বজয় করে এসেছে।’
পার্বত্য এলাকার তরুণরা যেন বিশ্ব নাগরিক
হয়ে গড়ে ওঠে এ আশাবাদ ব্যক্ত করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আপনাদের মেয়েরা ফুটবলে বিশ্বজয়
এনে দিয়েছে। তরুণরা শুধু বাংলাদেশের নাগরিক না, বিশ্ব নাগরিক হতে হবে। দুর্গম এলাকা
বলে পিছিয়ে থাকলে হবে না। সীমাবদ্ধতা থাকবে, কিন্তু মনের সীমারেখাকে বাড়িয়ে দিতে হবে।
সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে নিজ কৃতিত্ব দিয়ে পৌঁছে যেতে হবে।’ জানুয়ারিতে তারুণ্যের উৎসবে পার্বত্য
অঞ্চলের তরুণদের অংশ নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আপনাদের শিশুদের, তরুণদের
এ উৎসবে যোগ দিতে উৎসাহ দিন। স্থানীয় খেলা হোক, রচনা প্রতিযোগিতা, গান-নাচ তারা যা
পারে, যা চায় তা নিয়ে যেন অংশ নেয়। এটা সবার উৎসব। উৎসবটি বৈচিত্রময় হোক। সরকারি নির্দেশ
তাই অংশ নেবে এরকম না। তাদেরকে আপনারা উৎসাহ দিন, যেন নিজ থেকেই তারা উদ্যমী হয়ে এ
উৎসবে অংশ নেয়।
পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার
সংস্কার ও সঠিক পদ্ধতি, প্রশিক্ষণের গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি
আরও বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এক কঠিন সংকটে আছে। আপনাদের অঞ্চলে এটা আরও বেশি কঠিন।
শিক্ষকদের কষ্ট হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের কষ্ট হয়। আপনাদের পড়াশোনার দিকে মনোযোগী হতে হবে।
আমরাও চেষ্টা করব রাষ্ট্রীয় দিক থেকে কীভাবে কী করা যায়। পার্বত্য জেলার তরুণরা দুর্গম
অঞ্চলে আছে বলে বড় শহর থেকে লেখাপড়ায় পিছিয়ে থাকবে সেটা হতে দেওয়া যাবে না। লেখাপড়ায়
তাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে গরিব ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে ৭ টাকায় ব্যাগ ভর্তি সবজি বিক্রি করছে ফাইট আনটিল লাইট নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
মঙ্গলবার২০ ফেব্রুয়ারী সকালে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ।
জেলার সদর উপজেলা, ফুলবাড়ী উপজেলা এবং রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে এই ৭ টাকার সবজি বিক্রির কার্যক্রম চালানো হবে বলে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের জানান।
উদ্বোধনী দিনে ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক দরিদ্র মানুষের মধ্যে ১ কেজি করে শিম, ১ কেজি আলু, ১ কেজি বেগুন, ১টি ফুলকপি,২ আঁটি করে ধনে পাতা, পালংশাক এবং ১টি করে ডিম দেওয়া হয়।পুরো প্যাকেজটির বাজার মূল্য তিন শ টাকার বেশি হলেও দরিদ্র মানুষেরা পেয়েছেন মাত্র ৭ টাকায়।
৭ টাকার বাজার কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোহেলী পারভীন, ফুলবাড়ী উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুব হোসেন লিটু এবং ফুল সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের।
৭ টাকার বাজারে সবজি কিনতে আসা রানী আক্তার জানান, দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত দাম বাড়ায় কৃষক স্বামীর পক্ষে এক সাথে এতো বাজার করা অসম্ভব। মাত্র ৭ টাকায় তিনশত টাকার কাঁচা বাজার পেলাম।পরিবারে চারজন সদস্য নিয়ে এই বাজার দিয়ে পাঁচ দিন নিশ্চিন্তে খাইতে পারবো। তিনি আরও বলেন, 'ফুল সংগঠন রিলিফ দেয় নাই, তারা কম দামে বিক্রি করলো আর হামরা কিনি নিলাম। কমদামে এতো বাজার পেয়ে আমার খুব উপকার হইল।
ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ জানান, বেসরকারি সংগঠন ফুল এর অর্থায়নে উপজেলার অভাবী মানুষের মাঝে মাত্র ৭ টাকায় ব্যাগ ভর্তি বাজার করার সুযোগ পেলো।ফুল সংগঠন ত্রাণ না দিয়ে নামমাত্র টাকায় গরীব মানুষের বাজারের সুযোগ দিয়েছে। ফুল সংগঠনের এই মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের বলেন, দীর্ঘদিন থেকে ফাইট আনটিল লাইট(ফুল) সংগঠন গরীব মানুষের জন্য বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে আসছে। আমরা ত্রাণ প্রথা থেকে মানুষকে বেড়িয়ে এসে সম্মানের সাথে বাঁচবার জন্য ৭ টাকা করে নিচ্ছি। এছাড়াও আমাদের সংগঠন থেকে নাগেশ্বরী উপজেলা, ফুলবাড়ী উপজেলা, রাজারহাট উপজেলায় গরীব ও অসহায় মানুষদের মাঝে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সৈয়দপুর এলাকায় হোটেল ব্যবসার অন্তরালে গাঁজার বাণিজ্য করছে একটি চক্র।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে ফাঁকি দিতে হোটেল বা দোকানের বাহিরে ঝোপ ও মাটির স্তুপের মধ্যে ছোট ছোট পুটলি করে গাঁজার লুকিয়ে রাখে। মহাসড়কে চলাচলরত ট্রাক, কার্ভাডভ্যান, যাত্রীবাহী বাসের কিছু চালক ও হেলপারসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে মাদকসেবীরা ওইসব হোটেলের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। তখন হোটেল বা চা দোকানের লোকজন লুকানো স্থান থেকে চাহিদা মাফিক গাঁজার পুটলি তাদের হাতে তুলে দেয়।
শনিবার বিকেল ৩ টা ২২ মিনিটে ঢাকাগামী সিডিএম পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস উপজেলার সৈয়দপুর এলাকায় মহাসড়কের পাশের জোনাকি হোটেল সংলগ্ন (দক্ষিণ পাশে) একটি দোকানের সামনে দাঁড়ায়। পরে গাড়ির সুপারভাইজার থেকে ২০০ টাকা নিয়ে হেলপার সাইনবোর্ড বিহীন হোটেলে যায়। হেলপার যাওয়ার পরে ওই হোটেলের মালিক পাশের মাটির স্তুপ থেকে কয়েকটি গাঁজার পুটলি বের করে নিয়ে আসে।
এমন একটি সংবাদ পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই ওসমান গণি সঙ্গীয় অফিসারসহ পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হোটেলের মালিক জাহাঙ্গীর আলম (৩৮)কে আটক করে।
এসময় তার দেহ তল্লাশি করে ও ডান হাতে থাকা নীল রংয়ের পলিথিনের ভিতর রক্ষিত পেপার দ্বারা মোড়ানো ৫০টি গাঁজার রোল উদ্ধার করা হয়। যাহা কাগজ সহ প্রতিটি রোলের ওজন ২০ গ্রাম করিয়া মোট ১০০০ গ্রাম বা ০১ কেজি।
আটককৃত জাহাঙ্গীর উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের উত্তর বাবুচির্র (বসুন্ডা বাড়ি) মৃত রুহুল আমিনের ছেলে।
এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে ওসি ত্রিনাথ সাহা সংবাদ মাধ্যমকে জানান। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি-কুমিল্লার উদ্যোগে টাস্কফোর্স অভিযানে ১৮ কেজি গাঁজাসহ ১ জন আটক এবং মাদক সেবনের অপরাধে ২ জনকে মোবাইল কোর্টে কারাদন্ড প্রদান।
ডিএনসি-কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার স.ম আজহারুল ইসলাম এঁর নেতৃত্বে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ১৮ কেজি গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ১৪,০০০ হাজার টাকাসহ ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামস্থ রাজ্জাক সরদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক এর ছেলে মোকলেস মিয়া-কে আটক করা হয়। এছাড়াও একই এলাকার আব্দুর রহমান এর ছেলে হারুন অর রশিদ এবং ধন্যদৌল এলাকার মনু মিয়ার ছেলে মজিবুর রহমান সুজন-কে মদ্য পানের অপরাধে যথাক্রমে ১ মাস ও ১৫ দিন করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
আজ ভোর ৫ টায় ডিএনসি- কুমিল্লার পরিদর্শক মোঃ শরিফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি টিম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন সাদমান হোসেন এর নেতৃত্বে ২১ জন সেনা সদস্যের একটি টিম এবং সশস্ত্র আনসার সদস্যগণ উক্ত অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামি মোখলেছ মিয়া এর বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোঃ শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
কুমিল্লা মহেশাঙ্গণ শ্রী শ্রী লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক ও কুমিল্লা সরকারি কলেজের প্রাক্তন ভিপি চিত্তরঞ্জন ভৌমিক এর গর্ভধারিনী মাতা এবং চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার আবুতোরাবস্থিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধাম, শিব মন্দির ও কালীমাতা বিগ্রহ বাড়ী পরিচালনা পরিষদের প্রাক্তন উপদেষ্টা স্বর্গীয় গোপাল কৃষ্ণ ভৌমিক এর সহধর্মিণী এবং শ্রী শ্রী মা নয়নমণি শ্রীধাম পরিচালনা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শ্রী মিহির কান্তি নাথের শাশুড়ী মাতা স্বর্গীয় কিরণ বালা ভৌমিক এর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) মৃতার নিজ বাসায় শ্রাদ্ধকার্য অনুষ্ঠিত হয়।
তদুপলক্ষে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে পরদিন শুক্রবার দুপুরবেলা কুমিল্লা মহেশাঙ্গণে শাকান্নভোজ এর আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ যে, চলতি বছর ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার প্রয়াত কিরণ বালা ভৌমিক বার্ধক্যজনিত কারণে ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন। তিনি মৃত্যুকালে হারাধন ভৌমিক, চিত্তরঞ্জন ভৌমিক, অমূল্য ধন ভৌমিক, পূর্ণধন ভৌমিক, জর্নাধন ভৌমিককে ০৫ (পাঁচ) পুত্র এবং বর্ণানী ভৌমিক ও জয়ন্ত ভৌমিককে (০২) দুই কন্যা, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনি ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
মন্তব্য করুন


২৮ এপ্রিল (রবিবার) জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে বুধবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি বর্ণাঢ্য র্যালী, আলোচনা সভা, দিনব্যাপী লিগ্যাল এইড মেলা ও ২০২৪ সেরা প্যানেল আইনজীবী পুরস্কারসহ ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান, জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ নাসরিন জাহান এর সভাপতিত্বে এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব এফ এম শেফায়েত ছালাম এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা বিশেষ জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বিশেষ জজ (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) বেগম সামছুন্নাহার, জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক (জেলা জজ ও দায়রা জজ) মোছাঃ মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, শ্রম আদালত কুমিল্লার চেয়ারম্যান (জেলা ও দায়রা জজ) হাবিবুর রহমান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রোজিনা খান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছাঃ ফরিদা ইয়াসমিন, যুগ্ম জেলা জজ তাওহীদা আক্তার, যুগ্ম জেলা জজ মোঃ ইমাম হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান বিপিএম, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার সোনিয়া হক, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মেহেদী হাসান, জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির নব-নির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন ও নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া, অতিরিক্ত জিপি সাহিদা আনোয়ার, সিনিয়র তথ্য অফিসার নাছির উদ্দিন ও সিনিয়র জেল সুপার মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন প্রমুখ।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ নাসরিন জাহান বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ২৮ এপ্রিল রবিবার দেশের আপামর জনসাধারণকে সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৪ উদযাপিত হবে।
তিনি অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের বিচার প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রম ও জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য দিবসটি কার্যকরভাবে পালন করতে সকলকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
সভায় বিজ্ঞ বিচারকগণ, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি, সিনিয়র জেল সুপার, সিনিয়র তথ্য অফিসারসহ রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ দিবসটি সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনসহ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সার্বিক সহযোগীতার অঙ্গীকার করেন।
মন্তব্য করুন


তেজগাঁও থানা পুলিশ রাজধানীতে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে । এসময় তাদের কাছ থেকে এক হাজার পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- আব্দুল আজিজ (২৮), মো. সাহিদুল ওরফে জাহিদুল ইসলাম (৩০) এবং মো. রমজান আলী (৪৫)। এদের মধ্যে আজিজ ও জাহিদুল সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা। এছাড়া রমজান ও আজিজ পরস্পর বেয়াই।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা বাদাম বিক্রির আড়ালে গাঁজা বিক্রি করতেন । বাদামের প্যাকেটের মতো করেই এসব গাঁজা প্যাকেটজাত করা হতো ।
শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, গ্রেফতার তিনজনই তেজগাঁওয়ের চিহ্নিত মাদক কারবারি। তারা শুধু গাঁজা বিক্রি করতেন। গ্রেফতার আজিজের বিরুদ্ধে ২৮টি, রমজানের বিরুদ্ধে ৭টি এবং জাহেদুলের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রয়েছে।
ওসি আরো বলেন,সাধারণত বাদাম বিক্রির আড়ালেই এসব গাঁজা বিক্রি করা হয়। তারা তেজকুনি পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় গোপনে গাঁজার ব্যবসা করতেন। গাঁজা ক্রেতা-বিক্রেতার কাছে সেই বাসা গাঁজার আড়ৎ নামে পরিচিত। তারা সেখানে গাঁজাকে বাদামের প্যাকেটের মতো করেই এসব প্যাকেটজাত করে রাখতেন। এরপর খুচরা বিক্রেতারা এখান থেকে কিনে নিতেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে আনুমানিক ২ কেজি পরিমাণের এক হাজার পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয় বলে জানান ওসি মহসীন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই)
পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে কুমিল্লার রসমালাই। ২০২৪ সালে কুমিল্লার রসমালাই সহ মোট চারটি
পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। পণ্যগুলো হলো টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম,কুমিল্লার
রসমালাই, বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল এবং কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।
বৃহস্পতিবার (২ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার রসমালাই জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেন। এসময় তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়াসহ জেষ্ঠ্য সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে জিআই সনদ প্রদর্শন করেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু:
মুশফিকুর রহমান বলেন, কুমিল্লার ইতিহাস ঐতিহ্যের ভাণ্ডার অনেক প্রাচীন। কুমিল্লার রসমালাই
জিআই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে এটির বৈশ্বিক স্বীকৃতি মিলেছে। এই স্বীকৃতির
মাধ্যমে পণ্যটির বাণিজ্যিকীকরণের সুবিধা বাড়লো। এই রসমালাই এখন দেশের বাইরেও রপ্তানি
করা যাবে। আমরা কুমিল্লার খাদি, বিজয়পুরের মৃৎশিল্প নিয়ে জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদনের
জন্য কাজ শুরু করবো। এছাড়াও কুমিল্লার বরুড়ার লতি, হোমনার শ্রীমদ্দির বাঁশি নিয়েও
পরবর্তীতে এগিয়ে যাবো।
কুমিল্লার রসমালাইয়ের জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে অনির্বাণ সেনগুপ্ত কুমিল্লা জেলা প্রশাসনসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় মৌসুমি ফলসহ নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকারের তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয় ।
বৃহস্পতিবার কুমিল্লার টমছম ব্রিজ বাজার ও ঢুলিপাড়া এলাকায় অভিযানের সময় সকল স্তরের ভাউচার যাচাই করা হয়। ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয় করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযানের ফলে অন্য সময়ে ৬০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া তরমুজ যৌক্তিক মূল্যে ৩০০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হয়।
উৎসুক ভোক্তা সাধারণ যৌক্তিকমূল্যে উৎসবমুখর পরিবেশে তরমুজ ক্রয় করেন এবং তদারকি টিমের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আজ ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


যারা উদ্যমী এবং প্ররিশ্রমী কোন বাধা বিপত্তিই তাদের দমিয়ে রাখতে পারে না। তার এক উজ্জল দৃস্টান্ত শারীরিক প্রতিবন্ধী সজীব। লেখাপড়া শেষ করে নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের সেবা করতে চায় সে। কিন্তু তার এই স্বপ্নে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে দরিদ্রতা। আদেও কি তার এই স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা এবং শিক্ষা জীবন শেষ করে সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে কিনা এমন দু:শ্চিন্তায় দিন কাটছে তার।
সজীব মহম্মদপুর আমিনুর রহমান ডিগ্রী কলেজের স্নাতক বর্ষের ছাত্র। ২০২০ সালে মহম্মদপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০২২ সালে বিনোদপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে এইসএসসি পাস করে এ বছর স্নাতক পাশ কোর্সে ভর্তি হয়েছেন। শিক্ষা জীবন শেষ করে সে শিক্ষক হয়েই শিক্ষার মানোউন্নয়ন এবং সমাজ গঠনে অবদান রাখতে চায়। এখনো প্রর্যন্তু পঙ্গুত্ব এবং অভাব তার শিক্ষার অগ্রযাত্রা কে বাধাগ্রস্থ করতে পারেনি। তবে আদৌকি তার এই স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা এবং শিক্ষা জীবন শেষ করে সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে কিনা এমন দু:শ্চিন্তায় দিন কাটছে তার পরিবারের।
সজীব মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাদুনা গ্রামের হতদরিদ্র কাঠমিস্ত্রী সুনীল মন্ডলের ছেলে। বাবা-মাসহ ৫ সদস্যের সংসারে দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে মেজো। বড় বোন চন্দ্রিকা মন্ডলের বিয়ে হয়েছে গেছে। ছোট বোন অনিন্দিতা এ বছর এইসএসসি পাস করে অনার্সে ভর্তির অপেক্ষায় আছে। টাকার অভাবে এখনো সে ভর্তি হতে পারেনি। বাবা সুনীল মন্ডল মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কাঠমিস্ত্রীর কাজ করে যা উপার্জন করে তা দিয়ে সংসার চালাতেই হিমসিম খেতে হয়ে। মা স্বপ্না রাণী মন্ডল গৃহীণি।
তিনি বলেন, আমার প্রতিবন্ধী ছেলে এবং মেয়ের লেখাপড়ার জন্য অনেকের কাছে গিয়েছি। অনেকেই সহযোগিতা করেছে। আমি আমার ছেলে এবং মেয়ের লেখা পড়ার জন্য মানুষের বাড়িতেও কাজ করেছি। এতদিন অনেক কষ্টো করে তাদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে এসেছি কিন্তু এখন আর পারছি না। আমি আমার প্রতিবন্ধী ছেলের জন্য সমাজের সকলের সহযোগিতা চাই। কারন, কারন, সজীবের বাবারও আগের মত কাজ করার শক্তি এখন আর নাই।
বাবা সুনিল মন্ডল বলেন, ছেলের লেখাপড়ার করার ইচ্ছা আমাকে সাহস যোগায় কিন্তু সামর্থের কাছে বারবার হেরে যায় আমি। তবু তার তার ইচ্ছে পূরণে আমার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তবে সরকারি সহায়তা পেলে আমার ছেলেটা তার শিক্ষা জীবন শেষ করে হয়ত কিছু একটা করতে পারতো। তারপর আবার মেয়েটা বড় হয়ে হয়ে গেছে তাকেও সময় মত বিয়ে দিতে হবে। নানান চিন্তায় মাঝেমধ্যে দিশেহারা হয়ে পড়ি আমি।
প্রতিবন্ধী সজীব মন্ডল বলেন, ছোট বেলায় মায়ের কোলে চড়ে স্কুলে গিয়েছি। বড় হয়ে ভ্যানে। কলেজে উঠলে ভগ্নিপতির সহযোগিতায় একটি ব্যাটারি চালিত হুইল চেয়ার কিনে আসাযাওয়া করতাম। এখনো হুইল চেয়ার চালিয়েই কলেজে আসা যাওয়া করি। নিজের নামে একটি প্রতিবন্ধী ভাতা আছে তা দিয়ে এবং বাবার সহযোগিতায় ডিগ্রীতে ভর্তি হয়েছে। আমার খুব ইচ্ছে লেখাপড়া শেষ করে একজন আদর্শবার শিক্ষক হওয়ার। তার ইচ্ছে পূরণে সে সমাজের মানবিক বিত্তবান এবং সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
এ বিষয়ে আমিনুর রহমান ডিগ্রী কলেজের অফিস সহকারি তরুণ কুমার গুহ পিকিং বলেন, উদ্যমি সজীবের আগ্রহের কথা জেনে আমরা সীমিত খরচে তাকে ডিগ্রীতে ভর্তি করে নিয়েছি। অধ্যক্ষ শওকত বিপ্লব রেজা বিকো বলেন, প্রাথমিকভাবে তাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়েছে। তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। ইউএনও পলাশ মন্ডল বলেন, আমি তার খবর পেয়ে অফিসে আসতে বলেছে। তার লেখা পড়া চালিয়ে যেতে সর্বচ্চো সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন