

মেহজাবীন চৌধুরী ছোট পর্দার জনপ্রিয়
অভিনেত্রী। তিনি ক্যারিয়ারে অসংখ্য নাটকের মাধ্যমে ভক্তদের মন কেড়েছেন। এ অভিনেত্রী
নাটকের পাশাপাশি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেও সুনাম কুড়িয়েছেন। মেহজাবীন সব সময় হাসিখুশি
থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন এক পোস্ট করেছেন যা দেখে
অনুরাগীরা রীতিমতো অবাক হয়েছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় মেহজাবীন তার ভেরিফায়েড
ফেসবুকে পেজে লিখেছেন, ‘বেঁচে থাকার শক্তি নাই, মরে যাওয়ার সাহস নাই।’
স্ট্যাটাসটি পোস্টের পর থেকেই তাতে
প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।
এ দিক আবার অনেকে এ বিষয়টিকে নিয়ে হাসি
তামাশা করছে।
উল্লেখ্য, মেহজাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালে
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন।
মন্তব্য করুন


দুই বাংলায় জনপ্রিয়তার শিখরে থাকা অভিনেত্রী জয়া আহসান। স্বাভাবিক ভাবেই তার ব্যক্তিজীবন নিয়ে কৌতূহলী তাঁর অনুরাগীরা।
কিছু দিন আগে আনন্দবাজার অনলাইনের একটি সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান বলেছিলেন, প্রেম নিয়ে কিছু বলা যাবে না। প্রেমের কথা বলতে গেলেই গন্ডগোল হয়ে যাচ্ছে।
তবে সম্প্রতি বাংলাদেশে একটি বেসরকারি চ্যানেলে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন জয়া।
অভিনেত্রী জয়া আহসান জানিয়েছেন, বর্তমানে নিজের জীবন পুরোদমে উপভোগ করছেন। তার মতে, পরিবার শুধু স্বামী-স্ত্রীকেই ঘিরে নয় অথবা জীবনে কোনও সঙ্গী হলেই হয় না। আমার পরিবারে মা-বাবা আছেন, আমার বাড়িতে যে সব লোক কাজ করেন, তাঁরাও আছেন। আমার চারপেয়ে পোষ্য আছে।
১৯৯৮ সালে ঢাকার জমিদার পরিবারের ফয়সাল আহসানের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন জয়া। তখন জয়া মাসুদ থেকে হয়ে ওঠেন জয়া আহসান। সেই সময় ফয়সাল বাংলাদেশে খ্যাতনামা মডেল ও অভিনেতা। তাঁর মহিলা অনুরাগীর সংখ্যাও ছিল চোখে পড়ার মতো। ১৩ বছর সংসার করার পরে ২০১১ সালে দাম্পত্যে চিড় ধরে। তার পরে বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে যান তাঁরা। কিন্তু তার পর পরস্পরকে নিয়ে কখনও নেতিবাচক মন্তব্য করেননি প্রাক্তন এই দম্পতি।
ফয়সাল রূপোলি পর্দার সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছেন। তবে ফয়সাল অন্তরালে চলে গেলেও জয়া চুটিয়ে অভিনয় করে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


নতুন প্রজন্মের তারকা ফারহান আহমেদ জোভান ও তানজিন তিশা জুটি হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। হঠাৎ করেই অজানা কারণে দুজনের যৌথ পথচলায় ছেদ পড়েছে। অবশেষে সেই বিরতি ভেঙে ফের এক ফ্রেমে দাঁড়ালেন জোভান-তিশা জুটি।
আর এই কাজটি করেছেন তরুণ নির্মাতা ইমরোজ শাওন। যোবায়েদ আহসানের রচনায় সিএমভির ব্যানারে নির্মিত বিশেষ এই নাটকটির নাম ‘কাপল অব দ্য ক্যাম্পাস’।
সদ্য শুটিং শেষ হওয়া এই নাটকে জোভান অভিনয় করেছেন রাকিব চরিত্রে আর তিশারে নাম রিদা। দুজনে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস ক্লাবের নেতৃত্বে অন্যজন সাংস্কৃতিক ক্লাবের।
নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা ইমরোজ শাওন
বলেন, তার মানে
এই নয়, দুটি দলের প্রধান বলে তাদের মধ্যে মধুর বা প্রেমময় সম্পর্ক
গড়ে উঠেছে। গল্পে মূলত তাদের দেখা যাবে বিরোধী অবস্থানে। এমনকি দুর্ঘটনাও ঘটে তাদের এই বিরোধের জেরে।
গল্পটা প্রেমের বটে, তবে এটি দেখলে মূলত ক্যাম্পাস জীবনে ফিরে যাবেন দর্শকরা।
প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘কাপল অব দ্য ক্যাম্পাস’ নাটকটি শিগগিরই উন্মুক্ত হবে সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে।
মন্তব্য করুন


মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে হলুদের বিশাল সমারোহ। চারদিকে বিরাজ করছে শীত। কুয়াশা ও ঝলমলে রোদের খেলা এখন দিগন্ত বিস্তৃত হলদে বরণ সরিষার ফুলে ফুলে। সরিষা ক্ষেতের মাঝে দাঁড়িয়ে আবার অনেকেই ছবি তুলেন। সেই সব ছবি বেশ কিছু দিন ধরেই অনেকেই সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমণি। ছবির লোকেশন ট্যাগ দেখে জানা যায় বরিশালের কোন একটি স্থানে ছবিগুলো তুলেছেন পরীমনি। আর সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন বোন।
পরীমণি
ছবিগুলো শেয়ার করে বোনদের উদ্দেশে ক্যাপশনের শুরুতেই লেখেন, তোরা যখন আমার বয়সের হবি
তখন আমার মতো করে তোদের ছোটদের সঙ্গেও এমন সুন্দর কিছু মেমোরি জীবনে বাঁধাই করে রাখিস।
এসব পাগলামি জীবনকে আনন্দে বাঁচায়। ছবিগুলোর পেছনের গল্পও যুক্ত করেছেন এই পোস্টে।
পরীমণি আরও লেখেন, ছবিগুলোর পেছনের গল্পটা অনেক অ্যাডভেঞ্চারাস ছিল। গাড়িতে বাবুকে
(পরীর পুত্র রাজ্য) ঘুমে রেখে একটা আননোন মার্কেটে নাক, মুখ চাদরে ঢেকে নেমে পরলাম
শাড়ি খুঁজতে। পাই না, পাই না, পাই তো পছন্দ মতো হয় না, যাই হোক হলো। হতেই হতো আর কি!
এবার পালা শাড়ির ব্লাউজ! ওহ সেকি কাণ্ড! সেটাও ম্যানেজ করে ফেললাম শেষ মেষ। ওদিকে
রোদ চলে যায় যায়। দুপুরের খাওয়া হয়নি তখনও। পেটে খিদে নিয়ে কি আর এমন সুন্দর মাঠে নেমে
হিহি করা যায়। উড়ে এসে ঘরে ঢুকেই পেট ভরে হাঁসের মাংস দিয়ে ভাত খেলাম। তখন সূর্য গাছের
নিচে! এর মধ্যে আমরা রেডি হয়ে মাঠে হিহি-হাহা করতে করতে এতো সুন্দর কিছু মুহুর্ত ধরে
রাখতে পারলাম।
মন্তব্য করুন


সমালোচিত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল কে মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রে (রিহ্যাব) নেওয়া হয়েছে। মাদকাসক্তে জড়িয়ে পড়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) ঢাকার নিকটবর্তী একটি মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
নোবেলের পারিবারিকসূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।
কিছুদিন আগে কুড়িগ্রামে একটি কনসার্টে গিয়ে মাতাল অবস্থায় মঞ্চে জড়ানো কণ্ঠে গান গাইতে শুরু করলে দর্শক-শ্রোতারা পানির বোতল ছুঁড়তে শুরু করে।
সম্প্রতি খুলনা থেকে এক তরুণীকে নোবেল নিয়ে আসেন বলে জানা যায়। পরিবার ওই তরুণীকে নিতে ঢাকায় এলে নোবেলের সঙ্গে তাকেও মাদক সেবন করতে দেখেন। বিষয়টি তরুণীর স্বামী ফেসবুক লাইভে জানিয়েছেন।
জানা গেছে, তরুণীর স্বামী ও ভাই নোবেলের নামে মামলা দায়ের করেছেন।
মন্তব্য করুন


ছোট
পর্দার অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
সোমবার
(১১/১২/২৩) সকালে সিঁড়ি থেকে নামার সময় পড়ে গিয়ে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান অভিনেত্রী
ঊর্মিলা, সঙ্গে সঙ্গে তাকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়।
হাসপাতালের
হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস অফিসার সি এফ জামান জানান, বর্তমানে চিকিৎসকের
পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ঊর্মিলা। ১২ ঘণ্টা যাওয়ার পর বলা যাবে কবে বা কখন বাসায় ফিরতে পারবেন
ঊর্মিলা। সিটি স্ক্যানও করা হয়েছে, সেটার রিপোর্ট পাওয়ার পর বোঝা যাবে তার আঘাত কতটা
গুরুতর।
এ
বছরের মার্চেও হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ছিলেন অভিনেত্রী ঊর্মিলা।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় তুর্কি সিরিয়াল ‘কুরুলুস উসমান’ সিরিজের অভিনেতা বুরাক অ্যাজিভিট ঢাকায়
এসেছেন।
এর আগে বুরাক বৃহস্পতিবার (২৩ মে) তার সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, তিনি ঢাকার ভক্ত-অনুরাগীদের
উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
এ অভিনেতা ২৪ মে ঢাকায় এসে পৌঁছান বলে জানা গেছে।
তুর্কি সিরিয়ালের জনপ্রিয় এ অভিনেতা তিনি এখন হোটেল রেডিসন ব্লুতে অবস্থান করছেন।
একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণেই বাংলাদেশে এসেছেন কুরুলুস উসমানের নায়ক বুরাক
অ্যাজিভিট। আগামীকাল (২৬ মে) ঢাকার ভক্তদের সঙ্গে দেখা করবেন এ অভিনেতা।
এই মুহূর্তে হোটেল রেডিসন ব্লুতে অবস্থান করছেন তুর্কি সিরিয়ালের জনপ্রিয় এ অভিনেতা।
জানা গেছে, বহুজাতিক একটি প্রতিষ্ঠান তাদের রূপান্তর যাত্রার অংশ হিসেবে আমন্ত্রণ
জানিয়েছেন বুরাককে। আর সে আমন্ত্রণেই বাংলাদেশে এসেছেন কুরুলুস উসমানের নায়ক বুরাক
অ্যাজিভিট।
বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ধারাবাহিক কার্যক্রমে অংশ নিতেই সফরে আসেন তিনি। দেখা
করবেন তার ভক্তদের সঙ্গেও।
বহুজাতিক সেই কোম্পানি থেকে যারা পণ্য কিনেছেন তাদের মধ্য থেকেই ভাগ্যবান বিজয়ী
এই প্রিয় অভিনেতার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারবেন। আগামী ২৬
মে বিজয়ী ভক্তদের সঙ্গে দেখা করবেন বুরাক।
অভিনেতা বুরাক অ্যাজিভিটের তুরস্ক ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য ভক্ত রয়েছে।
তিনি উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট উসমানের চরিত্রে রূপদান করে বিশ্বব্যাপী বিনোদনপ্রেমীদের
মন জয় করেছেন। তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ১৬ মিলিয়ন মানুষ অনুসরণ করে।
বুরাক অ্যাজিভিটের ১৯৮৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তুরস্কের মারমারা
বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় পড়াশোনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


বয়স ৭৩ বছর। কিন্তু সিনেমায় তার চালচলন যেনো ২৫ বছরের নায়কদেরও হার মানায়। যেকোনো ইয়াং সুপারস্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এখনো তিনি এগিয়ে থাকছেন তিনি রজনীকান্ত। দক্ষিণী সিনেমার শক্তিমান সুপারস্টার ।
গত বছর তার অভিনীত ‘জেলার’ চলচ্চিত্র দিয়ে পেয়েছেন তুমুল সাফল্য। বছরের শীর্ষ আয় করা সিনেমার তালিকায় জায়গা করে নেয় তার ওই ছবি। এ বছরও চমকে দেওয়ার অপেক্ষায় তিনি। বছর শুরুতেই নিজের মেয়ের পরিচালনায় পর্দায় আসছেন এই সুপারস্টার। তার অভিনীত‘লাল সালাম’ এই শুক্রবার মুক্তি পাবে।
মেয়ে ঐশ্বরিয়ার পরিচালনায় ‘লাল সালাম’ নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনায় রয়েছেন রজনীকান্ত। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে। শোনা যাচ্ছে, সিনেমাটির জন্য বিপুল পরিমাণে পারিশ্রমিক নিয়েছেন অভিনেতা।
ভারতীয় বিনোদন মাধ্যম কইমই ডটকম অনুসারে, লাল সালামে রজনীকে তাঁর বর্ধিত ক্যামিওর জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করা হয়েছে। ট্র্যাক টলিউডের প্রতিবেদন অনুসারে, সিনেমাটিতে অভিনেতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যামিও রয়েছে এবং তাঁর স্ক্রিন টাইম ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। আর এ জন্য তিনি ৪০ কোটি রুপি চার্জ করেছেন।
অর্থাৎ প্রতি মিনিটে ১ কোটি রুপি নিয়েছেন অভিনেতা যা একটি নতুন রেকর্ড। দীর্ঘ ৯ বছর পর পরিচালনায় ফিরেছেন ঐশ্বরিয়া রজনীকান্ত। তাই মেয়ের সিনেমায় বিশেষ ক্যামিওর প্রস্তাব ফেরাতে পারেননি রজনীকান্ত। আর রজনীকে ঘিরেই সিনেমাটি এখন তুমুল হাইপ তৈরি করেছে। লাল সালামে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিষ্ণু বিশাল এবং বিক্রান্ত এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন এ আর রহমান।
মন্তব্য করুন


৩ বছর বিরতির পর অনেকটা নীরবেই হয়ে গেল ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০২৩’-এর আয়োজন। গেল ২৮ জানুয়ারি বসেছিল এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসর।
সেখানে ২০ প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০২৩’ এর মুকুট উঠেছে ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার, মডেল ও টিকটকার শাম্মি ইসলাম নীলার মাথায়।
এছাড়া প্রথম রানারআপ হয়েছেন আকলিমা আতিকা কণিকা ও দ্বিতীয় রানারআপ শাকিরা তামান্না।
জানা যায়, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন শাম্মি ইসলাম নীলার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ঢাকায়। দুই ভাই-বোনের মধ্যে ২৩ বছর বয়সী নীলা বড়। রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএতে পড়াশোনা করছেন তিনি।
নীলার ছোটবেলা থেকেই তার ইচ্ছা ছিল ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার। তিন বছর ধরে মডেলিং করছেন তিনি। ফ্যাশন আর বিউটি নিয়ে কয়েকটি বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের সঙ্গে ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে নিয়মিত কাজ করছেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমেও তার পরিচিতি বেশ। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর টিকটক - তিন মাধ্যমেই জনপ্রিয় নীলা। বিশেষ করে টিকটকে তার কয়েকটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে তার ৫৬ হাজার অনুসারী। ইনস্টাগ্রামে তা ছাড়িয়ে গেছে এক লাখ ১০ হাজার।
ভবিষ্যতে মডেলিং ও অভিনয় করতে চান নীলা। পাশাপাশি প্রাণীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করবেন তিনি।
প্রসঙ্গত, বিজয়ী নীলা বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন মিস ওয়ার্ল্ডের ৭১তম আসরে। এবারের মূল আয়োজনটি হবে ভারতে। এই আসরে যোগ দিতে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লি যাবেন নীলাসহ বিভিন্ন দেশের বিজয়ী সুন্দরীরা। আগামী ৯ মার্চ ভারতে অনুষ্ঠিত হবে ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০২৩’ প্রতিযোগিতা।
মন্তব্য করুন


দিন কয়েক ধরেই গুঞ্জনটা শোনা যাচ্ছিল। বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির। যদিও প্রতি বারই জল্পনায় জল ঢালেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার ফেসবুক লাইভে এসে আচমকাই কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। তার পরই দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর দেন নায়িকা।
এরই মধ্যে তাঁরা আলাদা থাকা শুরু করেছেন। এ অভিনেত্রী নিজেই আজ রাতে এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন।
নিজের ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় কেঁদে মাহি বলেন, আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে, সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।
কিন্তু কী কারণে সন্তান জন্মের মাস কয়েকের মধ্যেই স্বামীর থেকে আলাদা হচ্ছেন তিনি তা নিয়ে কিছু বলেননি তিনি ।
তিনি জানান, অনেক দিন ধরে তাঁরা আলাদা থাকছেন।
সাথে আরো বলেন, একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না। আসলে সংসার কেন ভাঙে, কেন হাজবেন্ডের সঙ্গে থাকতে পারল না বা হাজবেন্ড কেন তাঁকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা তাঁর ওয়াইফটা কেন তাঁর হাজবেন্ডকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা দুজন কেন ভালো নাই। দুজনের মধ্যে আসলে কী ঝামেলা হয়েছে—এগুলো তো আমরা আসলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বুঝব না। তাই আমরা কাউকে নিয়ে যেন জাজ না করি।
মাহি বলেন, আমি জানি এই ভিডিওটি দেখার পর অনেকেই আমাকে গালি দিবেন, অনেক বাজে কথা বলবেন। বিশ্বাস করেন আপনাদের কমেন্ট গুলো আমার কাছে তীরের মত আমার বুকে লাগবে।
ভিডিওর একপর্যায়ে মাহি তাঁর সন্তানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানান নেটিজেনদের প্রতি। মাহি বলেন,আমার ছেলেকে নিয়েও আপনারা অনেকে খারাপ কমেন্ট করেন, সেগুলো দেখে মা হিসেবে আমার বুকটা ফেটে যায়। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে এমন খারাপ কমেন্ট করবেন না সে যেমনি হোক না কেনো দেখতে ।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ও হয়তো এখন এসব বুঝতে পারে না; কিন্তু একসময় এসব বুঝবে, তখন নিশ্চয়ই কষ্ট পাবে। দয়া করে এসব করবেন না। আপনারা আমার ছেলে ফারিশের জন্য দোয়া করবেন, যেন ওকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
মন্তব্য করুন


রিমানন্ড ও জামিনা না মঞ্জুর করে
টিকটকার মামুন মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন।
টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের
(২৫)
বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
করেন বান্ধবী লায়লা আক্তার ফারহাদের (৪৮)।
এর আগে সোমবার (১০ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দাউদকান্দি থানা পুলিশ। এরপর তাকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজ (মঙ্গলবার) তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ক্যান্টনমেন্ট থানার উপ-পরিদর্শক মো: শাহজাহান। আসামিপক্ষে বেশ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন লায়লা।
মামলার অভিযোগে লায়লা উল্লেখ করেন, মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে তার গত তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন তাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা ছিল না। তাই প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়ায় এবং মামুন লায়লাকে বিয়ে করবে জানালে তাকে নিজ বাসায় থাকার অনুমতি দেন তিনি (লায়লা)।
পরে ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতে থাকেন। সেখানে লায়লার বাসায় তার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন মামুন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সর্ম্পক করেন তিনি। মামুন তার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই ওই বাসায় গিয়ে থাকতেন। লায়লা মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মামুনকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।
মন্তব্য করুন