

অনলাইনে ৩০০ ডলার থেকে ১০ হাজার ডলার বিনিয়োগ করলেই দিনপ্রতি আয় ৬ ডলার থেকে ২০০ ডলার। এছাড়াও এমএলএম পদ্ধতিতে রেফারেন্স বোনাস মিলবে ৩০ ডলার থেকে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত।
উচ্চ মুনাফার প্রলোভেনের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন অনেকে। মিরপুর মডেল থানার এমন একটি মামলার সূত্র ধরে তদন্তে নেমে চারজন সাইবার অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ।
গ্রেপ্তাররা হলো—আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৬), মো. ইমরান শেখ (২৮), মো. মাহবুবুর রহমান সাদিক (৩২) ও শাহনেওয়াজ শরীফ শামীম (৩৪)।
গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকার সাভার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি জানায়, উচ্চ রেফারেল কমিশন এবং ৩ মাসে জমা টাকা দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ এই চক্রের ফাঁদে পা দেয়। বিভিন্ন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে প্রায় ৬-৭ কোটি টাকা প্রতারক চক্রের সদস্যরা হাতিয়ে নিয়েছেন।
যেভাবে প্রতারণা করতো-
গ্রেপ্তাররা অনলাইনে uscommunitytrad.com সাইটের মাধ্যমে তাদের ইনভেস্টমেন্ট সংগ্রহের মার্কেটিং কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তারা সাধারণ গ্রাহকদের উচ্চ হারে মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্কিম প্যাকেজে ইনভেস্টমেন্ট করতে প্রলুব্ধ করেন।
তাছাড়াও একজন বিনিয়োগকারী যদি অন্য কাউকে বিনিয়োগ করাতে পারেন তাহলে প্যাকেজ ভেদে বিভিন্ন রকমের কমিশন দেওয়া হতো। সেখানে রয়েছে তাদের অসংখ্য বিনিয়োগ স্কিম প্যাকেজ।
ডিবি জানায়, প্রতারকরা প্রায় ৬ মাস ধরে সাধারণ মানুষকে অ্যাকাউন্ট তৈরি ও তাতে ক্রিপ্টোকারেন্সির সহায়তায় ডলার ডিপোজিট করতে সহায়তা করতেন। ডিপোজিট করা টাকা ডিজিটাল হুন্ডির মাধ্যমে দেশের বাইরে পাচার হয়ে যেত। যার প্রভাব পড়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেন অবৈধ।
যেসব স্কিমে নেওয়া হতো বিনিয়োগ
সিলভার প্যাকেজে ৩০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে বলা হতো প্রতিদিন রিটার্ন পাবে ৬ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ৩০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০০ দিন।
গোল্ড প্যাকেজে ৫০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ১০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ৫০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০১ দিন।
ডায়মন্ড প্যাকেজে ১০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ২০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ১০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০২ দিন।
প্লাটিনাম প্যাকেজে ২০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ৪০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ২০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০৩ দিন।
এক্সক্লুসিভ প্যাকেজে ৫০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ১০০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ১০০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০৪ দিন।
ভিআইপি প্যাকেজে ১০০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে বলা হতো প্রতিদিন রিটার্ন ২০০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ১০০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে। এই প্যাকেজের মেয়াদ ছিল ১০৫ দিন।
ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, চক্রটি আমেরিকান কোম্পানির নাম ধারণ করে উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে এমএলএম স্কিমে বিনিয়োগের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত প্যাকেজের আওতায় ডলারের বিপরীতে টাকা বিনিয়োগ করতেন। আর সেই টাকা নিয়ে পলাতক হয়ে যান চক্রের সদস্যরা। এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি।
ডিবি সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতারণার নতুন কৌশল হিসেবে চক্রটি নতুন একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হ্যাচারি প্রজেক্টের কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে এক লাখ টাকা করে বিনিয়োগ গ্রহণ করছে। তারা এই টাকার বিপরীতে প্রতি মাসে আট হাজার করে পচিশ মাসে দ্বিগুণ মুনাফাসহ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এটি ছিল তাদের প্রতারণার নতুন একটি ফাঁদ।
গ্রেপ্তারদের মোবাইলে হ্যাচারি প্রজেক্টের নামে অন্য একটি স্কিমের তথ্য পাওয়া গেছে। যার মাধ্যমে লাখ টাকা করে নেওয়া শুরু করেছিলেন তারা।
ডিবিপ্রধান বলেন, আমরা গ্রেপ্তারদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছি। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত তাদের বিষয়ে তথ্য নিয়ে গ্রেপ্তার করা হবে। আর কত সংখ্যক লোকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, বিষয়টি জানার চেষ্টা করা হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ঘানা এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সফররত ঘানার পররাষ্ট্র ও আঞ্চলিক সংহতি বিষয়ক মন্ত্রী শার্লি আয়োরকর বোচওয়ে-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে একমত হয় বাংলাদেশ ও ঘানা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, “বাংলাদেশ ও ঘানা কৃষি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ফার্মাসিউটিক্যালস, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, পাট, চামড়া ও গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে।” গণভবনে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঘানার পররাষ্ট্র ও আঞ্চলিক সংহতি মন্ত্রী শার্লি আয়োরকার বোচওয়ের মধ্যে বৈঠকে এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আফ্রিকান দেশগুলির সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আফ্রিকান দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য এবং টেক্সটাইল পণ্য আমদানি করতে পারে।
ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ ও ঘানার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে তিনি দুই দেশের মধ্যে কৃষি, ওষুধ, আইসিটি এবং কৃষিভিত্তিক খাদ্য পণ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তিনি আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য কমনওয়েলথের মহাসচিব হিসেবে আসন্ন নির্বাচনে তার দেশের প্রার্থীতার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন। এবার আফ্রিকার দেশগুলো থেকে কমনওয়েলথ মহাসচিব নির্বাচিত হবেন।
কমনওয়েলথ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সংস্থা এক সময় নিষ্ক্রিয় ছিল। কিন্তু কমনওয়েলথ এখন বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ প্রশিক্ষণ (সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে) বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলেন, কমনওয়েলথের মহাসচিব পদে যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির মধ্যে বৈঠক হয়েছে।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বুধবার (সেপ্টেম্বর ২৫) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের সাইডলাইনে এই বৈঠক হয়।
বৈঠকে উভয় নেতা দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
এর আগে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের সাইডলাইনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম জানিয়েছেন, ছাত্র-জনতার
গণঅভ্যুত্থানের পর এখনো কাজে যোগদান না করা পুলিশ সদস্যদের চাকরিতে রাখার কোনো সুযোগ
নেই।
সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের
নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশের মহাপরিদর্শক
(আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম এ কথা জানান।
অনেক পুলিশ কর্মকর্তারা এখনও কাজে ফেরেননি। কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা দেশের
বাইরে পালিয়ে গেছেন, না দেশে আছে সেই তথ্য কেউ জানে না। তাদের ব্যাপারে পুলিশের অবস্থান
সম্পর্কে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, যারা বিভিন্ন মামলায় আসামি হয়েছেন, যাদের সম্পৃক্ততা
আমরা পেয়েছি, এরই মধ্যে আমরা সেসব সদস্যদের অনেককেই গ্রেফতার করেছি। ১৭ জন পুলিশ সদস্যকে
গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে সিনিয়র কর্মকর্তারাও রয়েছেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও
রয়েছেন। যারা মামলার আসামি হয়েছেন, আবার অনেকেই যারা বিভিন্ন কারণে কর্মস্থলে থাকছেন
না। আমাদের দ্বিতীয় বিপ্লব যেটাকে আমরা বলছি, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আমাদের যে বিপ্লব
সংগঠিত হয়েছে তারপরে যারা আন্দোলনে অতিরিক্ত (দমন নিপিড়ন) করেছে তারা কিন্তু নেই। এ
সংখ্যাটা নিতান্তই অল্প। আমরা ইউনিট অনুযায়ী স্টপ করে রেখেছি। এ সংখ্যাটা মাত্র ১৮৭
জন। ২ লাখ ১৪-১৫ হাজার বাহিনীর সদস্য সেখানে ১৮৭ জন তারা বিভিন্ন কারণে গরহাজির (অনুপস্থিত)
হতে পারে।
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম আরও বলেন, যারা গরহাজির
(অনুপস্থিত) সদস্য তাদের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে ডিপার্টমেন্টাল অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে। কেন
তারা গড়হাজির সেই কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছে? তাদের কর্মস্থলে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া
হয়েছে। তারা যদি না আসে আমাদের ব্যবস্থা ক্লিয়ার। তাদের আর চাকরিতে রাখার কোনো সুযোগ
নেই।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


কেউ যাতে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ল' অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (রুলা) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ঐতিহ্য তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, জাতিকে নেতৃত্ব দিতে, জনসাধারণের সেবা করতে এবং বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখে চলেছে রাবি আইন অনুষদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা স্মরণ করি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের, যাদের অসীম সাহসিকতায় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের শহিদদের শ্রদ্ধা জানাই। যাদের অসীম আত্মত্যাগ এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছে। তাদের আর্তনাদ ছিল 'আমরা ন্যায়বিচার চাই'। এখন একটি ন্যায্য সমাজের অন্বেষণ প্রতিধ্বনিত হয়। আইনজীবীরা সংবিধানের প্রথম সারির রক্ষক। আইনজীবীরা কণ্ঠহীনদের প্রতিনিধিত্ব করেন। ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠায় অসীম ভূমিকা রাখেন আইনজীবীরা। তিনি বলেন, আইনজীবীরা বিচার বিভাগ ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন। বিচার বিভাগ সংস্কারের জন্য একটি ব্যাপক রোডম্যাপ ঘোষণা করেছি। এই উদ্যোগটি আমাদের বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করতে এবং সততা ও দক্ষতার সাথে জনগণের সেবা করার ক্ষমতাকে শক্তিশালী করার ভিত্তি। বিচার বিভাগীয় সংস্কারের জন্য মূল লক্ষ্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে শক্তিশালী করা। বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় তৈরির প্রক্রিয়া ঘোষণা করেছি। যা বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং যোগ্যতা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য একটি বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কাউন্সিল গঠনে সরকারের কাছে প্রস্তাব করেছি।
মন্তব্য করুন


খেজুরের রস পান করে নড়াইল সদরের একটি বিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
রোববার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় এ ঘটনাটি ঘটে জেলা সদর উপজেলার শাহাবাদ এলাকায়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা প্রত্যেকে শাহাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ওই বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীরা জানায়, সকালে স্কুলে আসার পরে ১০টায় ১০-১২ জন শিক্ষার্থী মিলে পাশের একটি জমিতে কয়েকটি খেজুরের গাছে উঠে রসের হাঁড়ি নামিয়ে আনে। এরপর সবাই সেটি পান করে। কিছুক্ষণ পর ৬ জনের তীব্র পেটে ব্যথা শুরু হয়। কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যায়। এর মধ্যে একজন বমি করতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক অসুস্থদের অন্যদের সহায়তায় নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
খেজুরের রসের মধ্যে অন্য কিছু ছিল কি না তা শিক্ষার্থীরা জানে না, তবে রস খাওয়া কয়েকজন সুস্থ আছে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা প্রত্যেকে শাহাবাদ, দলজিতপুরের বাসিন্দা।
নড়াইল সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রেশমী খাতুন জানান, শিক্ষার্থীরা বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মাত্রা বেশি না হওয়ায় ওয়াশ করার প্রয়োজন পড়েনি। একজন বমি করেছে, অবস্থা খারাপ হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে।
আপাতত তাদের ভর্তি করে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবি ও চৌদ্দগ্রাম থানাধীন সৈয়দপুর এলাকা হতে ৬১ কেজি গাঁজা’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০২ ডিসেম্বর শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১১ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার উত্তর রাচিয়া গ্রামের মৃত চারু মিয়া এর ছেলে মোঃ তোতা মিয়া (৬৫)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০২ ডিসেম্বর শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন সৈয়দপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: ১। বরগুনা জেলার সদর থানার হাজারবিঘা গ্রামের মোঃ কুদ্দুস হাওলাদার এর ছেলে মোঃ সজল (২০); ২। সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার ব্রাহ্মণগাও গ্রামের মোঃ জোয়াদ আলী এর ছেলে মোঃ ইলিয়াস (২০) এবং ৩। লক্ষীপুর জেলার রামগতি থানার চর আফজল গ্রামের মোঃ কামাল এর ছেলে মোঃ শাকিল (১৯)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ বরগুনা, সুনামগঞ্জ, লক্ষীপুর, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী তোতা মিয়া’এর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় এবং সজল (২০), ইলিয়াস (২০) এবং শাকিল (১৯) দের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ম্যাগজিনসহ এনামুল হক (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয় র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয় শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের উপরচকপাড়া এলাকা থেকে।
র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে (১০ জানুয়ারি) রাতে শিবগঞ্জের শাহাবাজপুর ইউনিয়নের উপরচকপাড়া এলাকায় এনামুলের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। সে সময় তার ষ্টোর রুমে একটি ধানের ড্রাম থেকে ১টি বিদেশি অস্ত্র, ২১ রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগজিনসহ হাতেনাতে এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে।
র্যাবের পক্ষ থেকে দায়ের করা অস্ত্র মামলায় এনামুল হককে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন।
মন্তব্য করুন


সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার জুলাইয়ের চেতনার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এ চেতনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য মত প্রকাশের স্বাধীনতা। বই প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো সেন্সরশিপের প্রশ্নই আসে না।
একজন পুলিশ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে উপদেষ্টা আজ এসব কথা বলেন। (খবর তথ্য বিবরণীর)
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, গতকাল থেকে একজন পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে একটি সংবাদ ছাপা হয়েছে-বই প্রকাশের আগে পুলিশ বা বাংলা একাডেমি পরীক্ষা করতে পারে। এ বিষয়ে আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, বই ছাপার আগে পুলিশ বা অন্য কারো সেটা নিরীক্ষা করার প্রশ্নই আসে না। যে পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে এটা গতকাল থেকে বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হয়েছে তার কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সব রকম বিভ্রান্তি দূর করার জন্য জানানো যাচ্ছে- বই প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো সেন্সরশিপের প্রশ্নই আসে না। সরকার মত প্রকাশ ও লেখার স্বাধীনতায় পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল ফেন্সিডিল’সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
(০২ জুলাই) তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) এবং ২। মনি আক্তার (২৯) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা, ৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে (০২ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) কক্সবাজার জেলার সদর থানার মধ্যম মাইজপাড়া গ্রামের শামসুল আলম এর ছেলে, ২। মনি আক্তার (২৯) নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার গুরুবদী গ্রামের হানিফ মিয়া এর মেয়ে এবং ৩। মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ভরজালা গ্রামের মৃত আলী আকবর এর ছেলে। আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন