

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
এক দিনে ১ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
৭ জানুয়ারি কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পৃথক পৃথক স্থান হতে সর্বমোট ১,০১,০৮,১৭৫/- (এক কোটি এক লক্ষ
আট হাজার একশত পঁচাত্তর) টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী পন্য
সামগ্রী জব্দ করে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ, বিজিবিএমএস, পিবিজিএমএস,পিএসসি।
ভিডিও- কুমিল্লায় অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে বিজিবি
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্ধারণের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা
তারেক রহমান-কে দিয়েছে সরকারি সংসদীয় দল। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবন-এর এলডি হলে আয়োজিত
সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
এর
আগে সংসদের সরকারি দলের সভাকক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সংসদীয় দলের
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা তারেক রহমান।
সংবাদ
সম্মেলনে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, “স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের জন্য আমরা সংসদ
নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনিই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। আশা করছি আগামীকালই বিষয়টি
জানা যাবে। সংসদ উপনেতার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।”
তিনি
জানান, সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। সংসদে এমপিরা
কীভাবে আচরণ করবেন এবং কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
চিফ
হুইপ বলেন, যেহেতু বর্তমানে সংসদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নেই, তাই প্রথমে খালি চেয়ার
দিয়ে অধিবেশন শুরু হবে। পরে সংসদ নেতা জ্যেষ্ঠ কোনো নেতাকে সভার সভাপতিত্বের জন্য প্রস্তাব
করবেন, অন্য একজন তা সমর্থন করবেন এবং তার সভাপতিত্বেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের
প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
তিনি
আরও জানান, ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার জন্য এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-কে প্রস্তাব
দেওয়া হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে এখনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে জানান
চিফ হুইপ। তিনি বলেন, এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সব দলের সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ
কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি নির্ধারণ করবে কোন অধ্যাদেশ বহাল থাকবে এবং কোনগুলো বাতিল
হবে।
নূরুল
ইসলাম মনি জানান, প্রথম দিনের অধিবেশনে কার্য উপদেষ্টা কমিটি, প্রিভিলেজ কমিটি ও হাউস
কমিটি গঠন করা হবে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে অধিবেশন মুলতবি করা হবে। ডেপুটি স্পিকার
নির্বাচনের পর পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী গঠন করা হবে।
তিনি
বলেন, শোকপ্রস্তাবের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-সহ দেশি-বিদেশি বরেণ্য
ব্যক্তিদের স্মরণ করা হবে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের সম্পর্কেও আলোচনা থাকবে।
সংবাদ
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকার দলীয় হুইপ জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন
আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ.বি.এম
আশরাফ উদ্দিন (নিজাম)।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় যৌথ বাহিনীর এক অভিযানে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই স্থানীয় নেতাকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নলছিটি থানার সূত্র জানায়, বুধবার গভীর রাতে সেনাবাহিনীর নলছিটি ক্যাম্পের একটি দল পৌর এলাকার অনুরাগ গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন তানভীর, সঙ্গে ছিলেন ক্যাপ্টেন সাইয়ার ও লেফটেন্যান্ট সৌরভ। অভিযানের সময় দুইজনকে আটক করা হয় এবং পরদিন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন গৌরিপাশা গ্রামের আনসার মল্লিকের ছেলে গিয়াস মল্লিক (৩৫) এবং একই এলাকার সোবহান আকনের ছেলে সোহরাব আকন (৩৫)। গিয়াস মল্লিক পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব এবং সোহরাব আকন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একই পদে দায়িত্বে রয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৪২টি ইয়াবা ট্যাবলেট, প্রায় ৬০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের নলছিটি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের পৌর কমিটির সদস্যসচিব সোহেল খান বলেন, কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় সংগঠন নেবে না। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যদি রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের আগে কম সংস্কার চায় তাহলে ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর একটু বেশি সংস্কার চাইলে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাবেক দুই মার্কিন রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মিলাম ও ড্যানিলোভিচ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে ড. ইউনূস সাবেক রাষ্ট্রদূতদের বলেন, ছয়টি কমিশনের সুপারিশ করা সংস্কারের বিষয়ে সংলাপ শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই মাসের সনদে সই করবে। জুলাই সনদ আমাদের পথ দেখাবে। অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই মাসের সনদে প্রদত্ত সুপারিশের কিছু অংশ বাস্তবায়ন করবে। বাকিগুলো রাজনৈতিক সরকারগুলো বাস্তবায়ন করবে।
এ সময় ড. ইউনূস অলাভজনক গোষ্ঠীর কাজ এবং বাংলাদেশে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমর্থন করার জন্য দুই কূটনীতিকের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাধীনতা অধিকারের কাজ এবং দেশকে গণতান্ত্রিক উত্তরণে সহায়তা করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এর কাজ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন দুই সাবেক রাষ্ট্রদূত।
১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন মিলাম। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশে ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বড় সুযোগ এনে দিয়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রদূত জন ড্যানিলোভিচ বলেন, ভুয়া সংবাদ এবং বিভ্রান্তির হুমকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের ইতিবাচক বক্তব্য ও গুরুতর প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তারা বর্তমান বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট এবং তাদের জন্য সাহায্য হ্রাসের প্রভাব,সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রচেষ্টা এবং আসন্ন নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও আলোচনা করেন।
মন্তব্য করুন


১১তম
ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে রাতে মিশর যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাত ১টায় তিনি কায়রোর
উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সম-সাময়িক
ইস্যুতে ব্রিফিংকালে এ কথা জানান উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
ব্রিফিংয়ে
উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও সিনিয়র সহকারী
প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।
উপ-প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন,
বাংলাদেশ ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশের সরকার প্রধান এতে যোগ দেবেন। এর মধ্যে রয়েছে
ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান।
মালয়েশিয়ার শিক্ষামন্ত্রী ও নাইজেরিয়ার একজন উচ্চপস্থ কর্মকর্তা প্রতিনিধিত্ব
করবেন। ইনভেস্টিং
ইন ইয়ুথ অ্যান্ড সাপোর্টিং স্মল মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ, শেপিং টুমরো'স ইকোনমি’ সম্মেলন
ভবিষ্যতের অর্থনীতির জন্য যুব ও এমএসএমই ইস্যুতে সংস্থাটির গুরুত্বকে তুলে ধরে।
এজন্য এই সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের তরুণদের নিয়ে বৈশ্বিক
সস্মেলনে কাজ করতে তিনি সেখানে যাচ্ছেন। এসএমই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কীভাবে কাজে
লাগানো যায়, সেই
বিষয়গুলো এখানে আলোচনা হবে।
সম্মেলনে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, তুরস্কের
প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান,
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং মিশরের
প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি উপস্থিত থাকার কথা।
ডি-৮
অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন,
যা ডেভেলপিং-৮ নামেও পরিচিত। সংস্থাটি বাংলাদেশ, মিশর,
ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান
এবং তুরস্কের মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রতিষ্ঠিত। কায়রোতে
অনুষ্ঠিতব্য ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘ইনভেস্টিং ইন ইয়ুথ অ্যান্ড সাপোর্টিং স্মল মিডিয়াম
এন্টারপ্রাইজ, শেপিং
টুমরোস ইকোনমি’।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছিল, আর সেই স্বাধীনতা রক্ষা
করেছে ২০২৪ সালের ছাত্রদের আন্দোলন। এর মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে। যেমন,
শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন, চিকিৎসা সুবিধা যেন সবাই পায়, রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করতে
পারে, যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
রোববার
(২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় চট্টগ্রামে নগরীর পলোগ্রাউন্ডে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক
রহমান বলেন, সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না। মানুষ পরিবর্তন
ও রাজনৈতিক অধিকার চায়। আমাদের দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সমালোচনার
মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না।
চট্টগ্রামে
জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে খালেদা
জিয়াকে দেশনেত্রী উপাধি দেওয়া হয়েছিল। এ চট্টগ্রামের সঙ্গে আমি এবং আমার পরিবারের আবেগের
সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে। যার মাধ্যমে শিক্ষা ও চিকিৎসার সুবিধা
পায়।
বিএনপি
চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি একমাত্র দল, যারা যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই দেশের মানুষের
ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করাই বিএনপির রাজনীতির
মূল লক্ষ্য। সরকার গঠনে সমর্থ হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে চাই। আমরা স্বাস্থ্যসেবা
মানুষের ঘরে পৌঁছে দেব। সারা দেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে।
কৃষক
ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করতে
হলে কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। এ জন্য কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এ জন্য আমরা কৃষক ও
কৃষাণীদের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। ওই কার্ড ব্যবহার করে তার স্বল্পমূল্যে
ঋণ নিতে পারবে।
নারীকে
কর্মহীন রেখে দেশকে প্রত্যাশিত লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় জানিয়ে তারেক রহমান বলেন,
খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিল তখন মেয়েদের অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা বেতনে করা
হয়েছিল। আমরা নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে চাই। গ্রামগঞ্জসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারীদের
কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, যে পরিকল্পনা গ্রহণ
করেছে, সরকারে গেলে ধীরে ধীরে সেগুলো বাস্তবায়ন করব। পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়ন করতে
হয় তাহলে বিএনপিকে সরকার গঠন করতে হবে। আপনারা বিএনপির পাশে থাকেন।
বিএনপি
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি এক লাখ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও
খাল খনন করবে। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির
টুঁটি চেপে ধরবে বিএনপি সরকার। অপরাধী যেই হোক ছাড় দেওয়া হবে না। বিএনপি সরকার গঠন
করলে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে।এর আগে দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে চট্টগ্রামে
পলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী মহাসমাবেশস্থলে তারেক রহমানের গাড়ি প্রবেশ করে। কঠোর নিরাপত্তার
মধ্যে তারেক রহমান মঞ্চে উঠলে মুহুর্মুহু করতালিতে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। হাস্যোজ্জ্বল
বিএনপি চেয়ারম্যানও হাত নেড়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। এটি তারেক রহমানের
নির্বাচনী প্রচার দ্বিতীয় পর্ব; গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু
করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
মন্তব্য করুন


আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিকভাবে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার এ রুটে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে এবং সকাল ৮টার পর থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে গত মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) থেকে এ রুটে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির কথা থাকলেও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ চলমান থাকায় তা হয়নি।এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদত আলী বলেছিলেন, আমাদের সফটওয়্যারের কাজ চলছে। বুধবার বা বৃহস্পতিবার টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) এসিওপিএস মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,বাংলাদেশ রেলওয়ে এ রুটে ট্রেন চলাচলের নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ নামে ট্রেনটি চলবে। ট্রেনটির নম্বর ৮১৩/৮১৪। এতে ৭৮০টি সিট থাকবে। ১৬/৩২ লোডের ট্রেনটি ঢাকা থেকে সোমবার ও কক্সবাজার থেকে মঙ্গলবার বন্ধ থাকবে।
‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ঢাকা থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে কক্সবাজারে পৌঁছাবে ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে।
আর কক্সবাজার থেকে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে ঢাকা (কমলাপুর) রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবে রাত ৯টা ১০ মিনিটে।
রেলওয়ে সূত্র আরো জানিয়েছে, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে শোভন চেয়ার (নন-এসি সিট) শ্রেণিতে প্রতিটি সিটের ভাড়া ৫০০ টাকা ও এবং স্নিগ্ধা (এসি সিট) শ্রেণিতে প্রতিটি সিটের ভাড়া ৯৬১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রথম শ্রেণি চেয়ার ৬৭০ টাকা, প্রথম শ্রেণির বার্থ/সিট ১ হাজার ১৫০ টাকা এবং এসি বার্থের টিকিটের দাম জনপ্রতি ১ হাজার ৭২৫ টাকা।
তবে ননস্টপ ট্রেনের ক্ষেত্রে শোভন চেয়ার ৫০ টাকা ভাড়া বাড়বে। একই সঙ্গে স্নিগ্ধা, প্রথম শ্রেণি, এসি বার্থের ভাড়াও ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়বে।
মন্তব্য করুন


নৌ
দুর্ঘটনা ও ফেরি পারাপারে ঝুঁকি এড়াতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ
এবং নৌপরিবহণ বিষয়ক মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, এখন থেকে ফেরিতে বাস তোলার
আগে অবশ্যই শতভাগ যাত্রীকে বাস থেকে নামিয়ে দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যাত্রীসহ বাস
ফেরিতে তোলা যাবে না।
রবিবার
(২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত
উচ্চপর্যায়ের এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান।
তিনি
জানান, ফেরিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকে রেলিং লাগানো বাধ্যতামূলক
করা হবে। অনেক সময় ফেরিতে গাড়ি ওঠানামার সময় বা ঢেউয়ের কবলে পড়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে,
যা রেলিং স্থাপনের মাধ্যমে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আমরা মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে দায়বদ্ধ। অনেক সময় ফেরিতে
যাত্রীসহ বাস দুর্ঘটনায় পড়লে বড় প্রাণহানি ঘটে। এটি রোধ করতেই যাত্রীদের নামিয়ে খালি
বাস ফেরিতে তোলার নিয়ম কঠোরভাবে পালন করা হবে।’
সচিবালয়ের
এই সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন। এই নির্দেশনার ফলে ফেরি ঘাটগুলোতে জননিরাপত্তা আরো জোরদার হবে বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আমার ওপর ভরসা রাখুন, দেশের কোথাও কারও ওপর হামলা হবে না ।
দুপুর ২টার পর ড. ইউনূসকে বহনকারী বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
দেশে ফেরার পর তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। এ ছাড়াও সেখানে উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তারা ছিলেন।
এ সময় শুরুতেই কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে স্বরণ করেন ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, নতুন এই বাংলাদেশ যাতে দ্রুত গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে সেদিকে আমাদের কাজ করতে হবে।
নোবেলবিজয়ী আরো বলেন, এই স্বাধীনতাটা আমাদের রক্ষা করতেই হবে। শুধু রক্ষা না এর সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তা নাহলে এই স্বাধীনতার কোনো দাম নেই।
তিনি আরও বলেন, আজকের এই দেশ তরুণ প্রজন্মের হাতে। তোমরা যেভাবে এটা স্বাধীন করেছো, তোমরাই এটা গড়ে তুলবে।
এর আগে বুধবার (৭ আগস্ট) তিনি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের চার্লস দ্য গল বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন তিনি। বিমানবন্দরে তাকে কড়া নিরাপত্তা দেন ফ্রান্সের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার ইউনূস সেন্টার থেকে বলা হয়েছিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশে ফিরবেন। এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।
অলিম্পিক কমিটির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্যারিসে গিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন, তার একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে।
জানা গেছে, ড. ইউনূস সরকারপ্রধান হিসেবে আজ রাত ৮টায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষকে (বেপজা) বিদেশি বিনিয়োগ আনতে নির্দেশনা দিয়েছেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশে প্রচার বাড়ানোর তাগিদও দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে বেপজার ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেন সংস্থাটির নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ নির্দেশনা দেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, গ্যাস অনুসন্ধান ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে জ্বালানি আমদানির মাধ্যমে সুবিধা নিতে পারে কি না তা খতিয়ে দেখা উচিত। বেপজায় সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনা অনুসন্ধানের নির্দেশনাও দেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতির জন্য একটি টিম তৈরি করুন এবং বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরুন। এর জন্য প্রয়োজনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করুন।
বিদেশে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, বিশেষ করে যারা চীন ও জাপানে আছেন তাদেরকে যুক্ত করে সেসব দেশের বিনিয়োগ আনা যায় কি না সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে বলেন প্রধান উপদেষ্টা। বিনিয়োগকারীরা যেন ভাষাগত সমস্যা অতিক্রম করে এ দেশে বিনিয়োগ করতে পারে, এ নিয়ে বিদেশে থাকা শিক্ষার্থীরা সহায়তা করতে পারে বলেও জানান তিনি।
বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন, গত ৩ সপ্তাহে চীনা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রস্তাব এসেছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষায় ২ হাজার ৫৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ফল প্রকাশ করে বলা হয়, আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) লিখিত পরীক্ষা গত ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ২ হাজার ৫৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এছাড়াও তৃতীয় পরীক্ষকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রাখা হয়েছে ৩৪৫ জনকে।
উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এখন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি পরে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে সনদ পেতে তিন ধাপে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
প্রথমত, আইনের উপর স্নাতক উত্তীর্ণের পরপরই আইনজীবী হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছর পেশায় রয়েছেন এমন একজন সিনিয়রের অধীনে ইন্টিমেশন জমা দিতে হয়।
দ্বিতীয়ত, ইন্টিমেশন জমা দেওয়ার পর ছয় মাস অতিক্রম হলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পূর্ণ করে এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।
এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা লিখিত পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পান।
আর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন।
সবশেষে সনদ লাভের পর সংশ্লিষ্ট জেলা বার এ যোগদানের মধ্য দিয়ে আইন পেশা শুরু করতে পারেন।
আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
মন্তব্য করুন