

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক
এক দিনে ১ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
৭ জানুয়ারি কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পৃথক পৃথক স্থান হতে সর্বমোট ১,০১,০৮,১৭৫/- (এক কোটি এক লক্ষ
আট হাজার একশত পঁচাত্তর) টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী পন্য
সামগ্রী জব্দ করে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ, বিজিবিএমএস, পিবিজিএমএস,পিএসসি।
ভিডিও- কুমিল্লায় অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে বিজিবি
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা অত্যন্ত সুস্পষ্ট
এবং দ্বিধাহীনভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব সমূহের অনুকূলে তাদের
রায় দিয়েছেন। এই রায় থেকে এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের নাগরিকদের বৃহদাংশ আর পুরনো
ব্যবস্থায় ফিরে যেতে বা স্থিতাবস্থা বহাল রাখতে চান না। তারা চান পরিবর্তন, রাষ্ট্রব্যবস্থায়
সংস্কার।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) সকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি
এসব কথা বলেন।
গণভোটের
আগে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়ার ভাষণের উদ্ধৃতি তুলে
ধরে আলী রীয়াজ বলেন, ‘একটি জাতীয় রূপান্তর কখনোই একক সিদ্ধান্ত বা একক শাসনের মাধ্যমে
টেকসই হবে না। জনগণ রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি। পরিবর্তনের চূড়ান্ত বৈধতা আসে জনগণের
সম্মতি থেকেই। তাই দেশের ভবিষ্যৎ দিক-নির্দেশনা নির্ধারণে জনগণকে সরাসরি সিদ্ধান্ত
গ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় হলো গণতান্ত্রিক পথের মূল ভিত্তি।
এই
লক্ষ্যেই আমরা গণভোটের আয়োজন করেছি যাতে দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কারের দিশা নির্ধারণে জনগণ
সরাসরি নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারে। জনগণ আমার আহবানে সাড়া দিয়েছেন। সংস্কারের পক্ষে
জনরায় এসেছে।’
আলী
রীয়াজ বলেন, ‘গণভোটে দেওয়া জনগণের রায়কে কেবল সংখ্যার বিবেচনায় দেখলেই হবে না।
জনগণের
এই রায় হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা
আহত হয়েছেন, যারা অকুতোভয়ে লড়াই করেছেন, তারা আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন
তার স্বীকৃতি। তাদের দেওয়া দায়িত্ব পালনের জন্য জনগণের অঙ্গীকার।’
প্রায়
১৬ বছর ধরে যে বীরের রক্তস্রোত, মাতার অশ্রুধারা, নির্যাতিতের হাহাকার; তার যেন আর
পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের জনমত আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ
এই গণভোট। সার্বভৌম জনগণের যে অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছিল ২০২৪ সালে; গণভোটের মধ্যে দিয়ে
এই রায় পুনর্বার প্রকাশিত হলো। আমাদের এই বিষয়গুলো বিস্মৃতত হবার সুযোগ নেই।
আলী
রীয়াজ বলেন, ‘গণভোটের মধ্যে দিয়ে সংস্কারের ব্যাপারে যে সুস্পষ্ট গণরায় প্রকাশিত
হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলসমূহের। আর রাষ্ট্র সংস্কারের ব্যাপারে
সকল রাজনৈতিক দল অঙ্গীকারবদ্ধ। ক্ষমতাসীন দল এবং জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের
প্রতিনিধিত্বকারী দলসমূহ এবং সংসদের বাইরেও যেসব রাজনৈতিক দল আছে তাদের সকলের প্রতি
আহ্বান হচ্ছে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে এই গণরায় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে
হবে।’
মন্তব্য করুন


নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের
একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ
দেওয়া হয়েছে।
গত সোমবার
(১৯ জানুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘনসহ বিচারিক
কাজে বাধা প্রদান করার অভিযোগে এ চিঠি দেয়।
রুমিন ফারহানার
নোটিশে বলা হয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ১৭ জানুয়ারি
সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে
মঞ্চ নির্মাণ করে জনসভা করেন। ওই সময় কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ
আদালত পরিচালনা করলে রুমিন ফারহানা ও তার সহযোগীরা সংঘবদ্ধভাবে ‘মব’ সৃষ্টি করে ভয়-ভীতি
ও হুমকি প্রদান করেন। এ বিষয়ে গত রোববার সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী
রিটার্নিং কর্মকর্তা এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বে থাকা সিনিয়র
সিভিল জজের কাছে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেন।
এ বিষয়ে রুমিন
ফারহানাকে ২২ জানুয়ারি বেলা দুইটায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির অস্থায়ী
কার্যালয়ে (ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা আদালতের সিভিল) লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে।
কারণ দর্শানো
নোটিশটি রুমিন ফারহানার কাছে অতিসত্বর পাঠানোর জন্য সরাইল থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে। সরাইল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির
কারণ দর্শানোর নোটিশ রুমিন ফারহানার কাছে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে রুমিন
ফারহানাকে নিয়ে কুৎসা রটনা, অশালীন ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে আশুগঞ্জ
উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আলমগীর খাঁ এবং রুমিন ফারহানার পোশাক নিয়ে বাজে মন্তব্য করাসহ
তাকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
হাবিবুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে একই নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
আলমগীরকে বুধবার ও হাবিবুর রহমানকে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে।
এর আগে রোববার
রাতে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে
তাকে আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে
বলা হয়েছিল।
এরপর সোমবার
বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ম্যাজিস্ট্রেটকে
বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি কাউকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাইনি।
আশুগঞ্জ বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দেখানো বৃদ্ধাঙ্গুলির কথা বলতে গিয়ে আমি এ রকম দেখায়
বলেছি। আমার এক অপরাধের বিরুদ্ধে তিনবার সাজা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আমি এমন প্রশাসনের
অধীনে কিভাবে নির্বাচন করি, যারা অলরেডি বায়াসড।’
মন্তব্য করুন


যেকোনো
মূল্যে দেশে নির্বাচন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)
মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি
যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, “ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশের কল্যাণে আমরা যদি ঐকবদ্ধ না হই তাহলে দেশ ধ্বংস
হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র থামানো যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, তাই নির্বাচন যেকোনো মূল্য
নির্বাচন হতে হবে।”
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে
তিনি বলেন, “গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর যে দুষ্কৃতকারীদের
হামলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন তিনি, এই হামলার পেছনে কারও
কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কি না ভেবে দেখতে হবে।”এ সময় তিনি কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে
বিএনপির এক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন এবং বলেন, এসব ঘটনা ঘটিয়ে কেউ হয়তো ফায়দা
লোটার চেষ্টা করছে। অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, “অতীতে আওয়ামী
স্বৈরাচার যেভাবে দেশ পরিচালিত করেছেন, আমরা সেভাবে দেশ পরিচালিত করবো না। আমরা তার
পরিবর্তন আনবো, কল্যাণ করবো। সেজন্য এই দেশ গড়ার পরিকল্পনা আমরা আপনাদের সামনে তুলে
ধরেছি। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করবো।”
দলীয়
নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “মানুষের কাছে আমাদের যেতে হবে।
একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনারা মানুষের সঙ্গে মেশেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের
বসে থাকলে চলবে না।”বিএনপির দায়িত্ব ও করণীয় তুলে ধরে তারেক
রহমান বলেন, “আমাদের এখন বড় দায়িত্ব হলো বিএনপির প্রত্যেকটি পরিকল্পনা জনগণের কাছে
পৌঁছে দেওয়া। বিএনপির একজন নেতা হিসেবে, একজন কর্মী হিসেবে আমাদের পরিকল্পনাগুলো জনগণের
কাছে নিয়ে যেতে হবে। শুধু জনগণের দোরগোড়ায় নিলে হবে না, এই কাজের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে।”
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনকে মশামুক্ত নগরীতে পরিণত করতে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
তিনি বলেছেন, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই নগরবাসীকে মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত করা হবে। নগরবাসী মশারি ছাড়া নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবে।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লা টাউন হল মাঠে মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক টিপু বলেন, দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এই বিশেষ কর্মসূচি শুরু করেছে। সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত ফগিং, লার্ভিসাইডিং এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা শহরে মশার উপদ্রব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ধারাবাহিকভাবে মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হবে। যতদিন পর্যন্ত মশার অস্তিত্ব থাকবে, ততদিন এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা, ড্রেন ও নালা-নর্দমা নিয়মিত পরিস্কার করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, প্রকৌশলী আবু সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হয়েছেন ৩৩ কর্মকর্তা। এর মধ্যে
দুজনকে সুপারনিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
আজ
বুধবার (২৬ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ পদোন্নতি প্রদান
করা হয়।
উপসচিব
মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসনের স্মারক মূলে উপ-পুলিশ
মহাপরিদর্শক (ডিআইজি, গ্রেড–৩) পদে পদোন্নতি প্রদান করা হলো। জারিকৃত
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এদিকে,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি)
লটারির মাধ্যমে রদবদল করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জান-মাল ও
সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার
লক্ষ্যে দেশব্যাপী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ (২৯ অক্টোবর) আনুমানিক ৪ টার
সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড ও পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা
করে ঝিলপাড় বস্তি, হাজী রোড, মিরপুর-২ এলাকা হতে অবৈধ অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী ও
চাঁদাবাজ মোঃ মাসুম বিল্লাহ (৩২), মোঃ শাকিল আহমেদ (৩০) এবং মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান
সনেট (২৮) কে আটক করা হয়। এই অভিযানে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে দুই রাউন্ড ৯ মিঃ মিঃ
পিস্তলের এ্যামোনিশন এবং বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়।
জনসাধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান
পরিচালনা করে এই কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদেরকে আটক করা হয়।
জানা যায়, এদের বিরুদ্ধে গত ৪-৫ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের উপর আক্রমনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, বর্ণিত সন্ত্রাসীরা আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। যৌথ অভিযানে এসব চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী গ্রেফতার হওয়ায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পরবর্তীতে আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য আটককৃত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদেরকে শাহ আলী থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, ফ্রি ও ফেয়ার।
নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। তবে কেউ সহিংসতা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির
চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে,
এবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এবার যে পরিমাণ
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে, অতীতে কোনো নির্বাচনে তার নজির নেই।
ভোটকেন্দ্রে
সিসিটিভি, ড্রোন নজরদারির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি
ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা
হয়েছে।
যেসব
ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, এবার বিশেষ ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভোট প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ
রাখা হয়েছে। আমাদের জ্যেষ্ঠ সচিব প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
ভোটারদের
নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টিকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য প্রশাসন
ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বোরকা
পরিহিত ভোটারদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে পরিষ্কার
নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী আনসার সদস্য থাকবেন এবং প্রয়োজন হলে তারাই
বিষয়টি দেখভাল করবেন।
সভায়
সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


আগামী নির্বাচন ও গণভোটে শতভাগ সততা, নিরপেক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এবারের নির্বাচন গতানুগতিক কোনো নির্বাচন নয়; বরং এটি দেশ রক্ষার নির্বাচন।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সদ্য পদায়নকৃত ৫০ জেলা প্রশাসকসহ ৬৪ জেলার প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আগামী নির্বাচনকে শুধু পাঁচ বছরের সরকার গঠনের একটি নির্বাচন নয়; বরং গণভোট যুক্ত হওয়ায় এটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এটা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি নির্বাচন। জাতি বহু প্রহসনের নির্বাচন দেখেছে, সেই স্মৃতি ছাপিয়ে যেতে আমাদের ভূমিকা রাখতে হবে।”
“এটা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচন; এই নির্বাচন গণঅভ্যুত্থানকে
পূর্ণতা দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জাতির জন্য নির্ধারিত হবে
শতাব্দীর গতিপথ,” বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
এই নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ
করে তিনি বলেন, কোনোভাবেই ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাতি
নবজন্ম লাভ করবে এবং জেলা প্রশাসকরা থাকবেন ধাত্রীর ভূমিকায়।
জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আপনাদের যা যা
জানা প্রয়োজন সব জেনে নেবেন। নির্বাচনকে একই সঙ্গে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করতে
হবে।”
তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে বিপুল সংখ্যক তরুণ ও নারী ভোটার রয়েছেন,
যারা ভোট দেওয়ার উপযুক্ত হলেও গত ১৫ বছর ধরে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ইতোমধ্যে আগামী নির্বাচনের
বিষয়ে গভীর উৎসাহ দেখাচ্ছেন। তাঁরা দেখতে চান কেমন নির্বাচন হচ্ছে—এটা নিয়ে
তাঁদের গভীর আগ্রহ।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই নির্বাচনকে স্বার্থক করা গণঅভ্যুত্থানের
প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি। এই নির্বাচন একটি বিরাট অভিযান, এ অভিযানে আমাদের
জিততেই হবে।”
তিনি বলেন, “স্বাধীন জাতি হিসেবে টিকে থাকতে হলে এ লড়াইয়ে আমাদের
জিততেই হবে।”
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শেখ আব্দুর রশীদের সঞ্চালনায় বৈঠকে আরও
উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং আইন উপদেষ্টা
প্রফেসর আসিফ নজরুল।
অনুষ্ঠানে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে ঢাকার বিভাগীয়
কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক এবং বগুড়ার
জেলা প্রশাসক মো: তৌফিকুর রহমান বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম
কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে
শপথ নিয়েছেন ।
আজ
রোববার ( ২৮ ডিসেম্বর ) সকালে বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
শপথ
গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অধ্যাপক
মুহাম্মদ ইউনূস।
এছাড়া
অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং সুপ্রিম
কোর্টের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা
করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।
অনুষ্ঠানটি
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করে।
এর
আগে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত ২৩ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে
বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের বিচারপতি
জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ
শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
এদিকে
বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ গতকাল শনিবার অবসরে গেছেন। এদিন তাঁর চাকরির
মেয়াদ ৬৭ বছর পূর্ণ হয়।
আইন
পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জেলা জজ আদালতে আইনজীবী
হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৮৭ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে
অন্তর্ভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে
নিয়োগ পান এবং দুই বছর পর বিচারপতি হিসেবে তাঁকে স্থায়ী করা হয়।
২০২৪
সালের ১২ আগস্ট তাঁকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে উন্নীত করা হয়।
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি যুক্তরাজ্য থেকে
আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
মন্তব্য করুন


আগামী এক মাসের মধ্যে গুম প্রতিরোধ বিষয়ক আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। গুম বিষয়ক একটি শক্তিশালী স্থায়ী কমিশন গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি।
আজ
সোমবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে জাতিসংঘের গুম সম্পর্কিত কার্যনির্বাহী দলের (ওয়ার্কিং গ্রুপ) সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান
তিনি।
আইন উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের আমলে জাতিসংঘের গুম সম্পর্কিত ওয়ার্কিং গ্রুপ বারবার বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিল। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপকে বাংলাদেশে আসতে দেয়নি, তাদের চিঠির উত্তর পর্যন্ত দেয়নি। আমাদের সরকারের একটা কমিটমেন্ট ছিল গুমের তদন্ত ও বিচার করা। জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশে এসেছে, আমরা তাদের সঙ্গে আজ মিটিং করেছি। মিটিংয়ে বসার পর তারা আমাদের কিছু কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তারা গুম কমিশনের, তদন্ত কমিশনের প্রশংসা করেছেন, আমরা আইন প্রণয়নের যে উদ্যোগ নিয়েছি, সেটার প্রশংসা করেছেন। তারা গুম বিষয়ক কমিশনের মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলেছেন।
মন্তব্য করুন