

দেশের
অর্থনৈতিক অঞ্চল সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশ সুরক্ষায়
বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা)
গভর্নিং বোর্ড। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন
ইপিজেডে সোয়া লাখ গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার
(০৩ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
বেজার গভর্নিং বোর্ডের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
বৈঠকে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ,
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ
রবিউল আলম এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান শিল্পায়নের সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে
সবুজ, আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকের
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি
ইপিজেডে বৃক্ষরোপণ করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ইপিজেডে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার
বৃক্ষরোপণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শিল্পায়নের
পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে পরিবেশবান্ধব
হিসেবে গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
এ
ছাড়া বৈঠকে বেজার গভর্নিং বোর্ডের ৯ম সভার সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি পর্যালোচনা
করা হয়। পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মূল্যায়ন
ও সরকারি মালিকানাধীন অব্যবহৃত শিল্প-সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়।
নারায়ণগঞ্জের
করিম জুট মিলস ও লতিফ বাওয়ানী জুট মিলসের জমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে
ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়েও বৈঠকে পর্যালোচনা করেন উপস্থিত মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা। এসব
এলাকায় আধুনিক শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি
এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়।
এর
পাশাপাশি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর আবেদন ও লাইসেন্সের ক্ষেত্রে নির্ধারিত গাইডলাইন
অনুসরণ এবং নতুন নীতিমালা প্রণয়ন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
মন্তব্য করুন