

এইচএসসি
ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ (২৬নভেম্বর)প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় কেউ ফেল করলে অথবা কাঙ্ক্ষিত
ফল না পেলে, তা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন সোমবার(২৭নভেম্বর)
থেকে শুরু হবে। যা চলবে আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
শুধুমাত্র এসএমএসের মাধ্যমে এই ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।
মন্তব্য করুন


পর্দার
নায়িকারা সাধারণত নিজেদের গ্ল্যামারাস লুক উপস্থাপন করতেই পছন্দ করেন। তবে চরিত্রের
প্রয়োজনে সেই গ্ল্যামার ঝেড়ে ফেলে যখন তারা রাস্তায় নামেন ‘পাগল’
বা মানসিক ভারসাম্যহীন রূপে, তখন ভক্তদের চমকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। ছোট পর্দার দুই
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি এবং কেয়া পায়েল— দুজনই সম্প্রতি নিজেদের ভেঙেচুরে এমন
এক লুকে হাজির করেছেন, যা নিয়ে নেটপাড়ায় এখন তুমুল চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, পাগল সাজে
অভিনয়ে কে কাকে টেক্কা দিলেন?
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে এখন কেয়া পায়েল। সদ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে
তাকে দেখা গেছে উষ্কখুষ্ক চুল, গায়ে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে দাগ। অভিনেতা জোভান
তার পেজে ভিডিওটি শেয়ার করতেই নেটিজেনরা বিভ্রান্ত— ইনি কি আসলেই সেই গ্ল্যামারাস পায়েল?
ভিডিওতে
দেখা যায়, পায়েল জোভানকে শাসিয়ে বলছেন, “এককেরে খাইয়ালামু কিন্তু!” জোভানও মজা করে
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছেমড়ি পাগল নাকি? আমারে কয় খাইয়া লাইবো!’ জানা গেছে, এটি একটি নাটকের
শুটিংয়ের দৃশ্য। ভক্তরা অবশ্য এই লুকে পায়েলের সাহসিকতার প্রশংসা করতে ভুলেননি। কেউ
লিখেছেন, ‘বাপরে বাপ, কী মারাত্মক অভিনয়!’, আবার কারও মতে, ‘একদম পারফেক্ট মেকআপ।’
অন্যদিকে,
এই ‘পাগল’ সাজের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ‘সিলেটি ফুরি’
খ্যাত সামিরা খান মাহিও। কিছুদিন আগেই ‘বকুল ফুল’ নাটকের শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ করে তিনি
হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। জট ধরা চুল, হাতে খাবারের থালা আর শূন্য দৃষ্টি—মাহির
এই লুক দেখে তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। ভক্তরা লিখেছিলেন, ‘ওরে আল্লাহ একদমই
চেনা যাচ্ছে না, অসাধারণ হবে অভিনয়।’ আবার মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন তিনি।
ট্রল করে কেউ কেউ বলেছিলেন, ‘আপনার আগের চেহারাটা এরকমই ছিল’
বা ‘এরে এমনেই ভালো মানায়।’ তবে মাহি সেসব নেতিবাচক মন্তব্য গায়ে
না মেখে নিজের কাজের মানের দিকেই নজর দিয়েছেন বেশি।
দুই
অভিনেত্রীর এই ‘ট্রান্সফর্মেশন’ বা ভোল পাল্টে ফেলা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে
চলছে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। একদিকে মাহির ‘বকুল ফুল’-এর বাস্তবতা, অন্যদিকে পায়েলের ‘খাইয়ালামু’র
তেজ। গ্ল্যামার জগতের বাইরে এসে অভিনয়ের এই দৌড়ে কে এগিয়ে—
মাহি নাকি পায়েল? উত্তরটা নাহয় দর্শকদের হাতেই তোলা থাকল। তবে এটা নিশ্চিত, চরিত্রের
প্রয়োজনে নায়িকাদের এই সাহসিকতা বাংলা নাটকের দর্শকদের জন্য নতুন এক চমক।
মন্তব্য করুন


গুরুতর
অসুস্থ মায়ের দেখাশোনার জন্য ছুটি না পাওয়ায় ছেড়ে দিয়েছেন চাকরি এক নারী কর্মী। ভারতের
একটি বেসরকারি ব্যাংকে এই ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডিটে করা একটি পোস্টে
সেই কর্মী অফিসের ম্যানেজারের উপর একটি অভিযোগ তুলেছেন।
তিনি
লিখেছেন, ছুটি চাওয়ায় ম্যানেজার তাকে বলেন তার মা যদি ‘অসুস্থ হন, তাহলে তাকে কোনো
মেডিক্যাল বা শেল্টার হোমে রেখে অফিসে চলে আসুন।
ম্যানেজারের
এই মন্তব্য ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে, একই সঙ্গে করপোরেটের কঠিন কর্মপরিবেশ ও ব্যক্তিগত
জীবনের ‘ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
পোস্টে
বলেন, ভুল ওষুধের কারণে তার মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে, তিনি কয়েক দিনের ছুটি চেয়েছিলেন।
তবে বসের কথা অমান্য করে অফিসে না গিয়ে থাকে মায়ের পাশে থাকেন তিনি। তাই কম্পানিতে
তিনি বহু বছর কাজ করলেও ছুটি না দেওয়ায় তাকে পদত্যাগ পথ বেছে নিতে হয়। পোস্টে
তিনি আরও বলেন, এমন কর্মক্ষেত্রে ‘সঠিক’ প্রতিক্রিয়া আসলে কী হওয়া উচিত,
সেটাই বুঝতে পারছি না, সে জন্যই আমি এখানে পোস্ট করছি।
পোস্টটি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডিটে দ্রুতই ছড়িয়ে পরে, ৬০০-এর বেশি আপভোট এবং অসংখ্য মন্তব্য,
সব মিলিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে করপোরেট সংস্কৃতি, ছুটি নীতি আর ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স
আদৌ কতটা বাস্তব।
একজন
মন্তব্য করেন, এটা শুধু অসংবেদনশীল নয় বরং নিষ্ঠুরও। তার ভেতর দিয়ে কী কষ্ট গেছে,
আমি তা বুঝতে পারছি। এ ধরনের অমানবিক শোষণের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা থাকা উচিত।’
অন্য আরেকজন লেখেন, ‘এটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তিনি সংশ্লিষ্ট মন্তব্যটি করেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন যে কারাবন্দি অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। তার ভাষায়, “আল্লাহ যেন ওই জিনিসটা (শেখ হাসিনার ফাঁসি) বেগম খালেদা জিয়াকে দেখায়, যার কারণে তার আজকে এই পরিণতি হয়েছে। জেলের মধ্যে সঠিক চিকিৎসা দিতে দেওয়া হয়নি; কোনো ডাক্তার চিকিৎসা করতে গেলে তাকেও হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে। এতে ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক মত-পথের মানুষের কাছ থেকেও খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হচ্ছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, “তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার ফাঁসি যেন দেখে যেতে পারেন—সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।”
এদিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রায় ৮০ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া। ফুসফুসে সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর তার নিউমোনিয়া শনাক্ত হয়। পাশাপাশি কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস এবং ডায়াবেটিসসহ দীর্ঘদিনের অসুস্থতাগুলো তার চিকিৎসাকে আরও জটিল করে তুলেছে, কারণ একটি রোগের চিকিৎসায় অন্যটির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতিতে উদ্বেগ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনও তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেনের পাঠানো এক বার্তায় শনিবার এ প্রার্থনা জানানো হয়।
এর আগে, শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চান। তিনি নিয়মিত তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশও দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রূপান্তরের এই সময়ে খালেদা জিয়া জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস, এবং তার সুস্থতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা রোগে ভুগছেন খালেদা জিয়া। সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর তিনি ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদযন্ত্রের সমস্যার কারণে আবারো হাসপাতালে ভর্তি হন। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সিসিইউতে তার চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকালে কোটচাঁদপুর শহরের বলুহর বাসস্ট্যান্ডের পাশে তালমিল এলাকায় ট্রাকচাপায় আনিসুর রহমান আনিস (৪৫) নামে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
নিহত পুলিশ সদস্য্ কোটচাঁদপুর থানায় ওয়ারলেস অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা উপজেলার রামনগর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত মহিউদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, আনিস সকালে মহেশপুরে থাকা ভাড়া বাসা থেকে কোটচাঁদপুর থানায় ডিউটিতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তালমিল এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতব্বর জানান, দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা যাচাই করা হচ্ছে। পালিয়ে যাওয়া ট্রাক ও এর চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে।
মন্তব্য করুন


পর্দায়
একাধিকবার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এবার একেবারে নতুন রূপে ধরা দিতে চলেছেন ওপার
বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। না, বাস্তবে নয়—
পর্দাতেই দাদি হচ্ছেন শ্রাবন্তী। আসন্ন এক ওয়েব সিরিজে তিনি অভিনয় করছেন ঠাকুর মা—
অর্থাৎ দাদির চরিত্রে।
জনপ্রিয়
ওটিটি প্ল্যাটফরম হৈচৈ সম্প্রতি জানিয়েছে, চলতি মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে তাদের নতুন ওয়েব
সিরিজের শুটিং। সিরিজটি পরিচালনা করবেন অয়ন চক্রবর্তী।
জানা
গেছে, গল্পের পটভূমি বাংলার এক জেলার বনেদি পরিবার। একটি বিয়েকে ঘিরে সেখানে ধীরে ধীরে
জমে ওঠে রহস্য। সেই রহস্যের জট খুলতে উদ্যোগী হন পরিবারের ঠাকুর মা। অর্থাৎ দাদির ভূমিকায়
দেখা যাবে শ্রাবন্তীকে।
ঘোষণা
পর্বেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ঠাকুমা ও নাতনির দুরন্ত জুটি দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ
হতে চলেছে। তবে নাতনির চরিত্রে কে অভিনয় করছেন, সে বিষয়ে প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
যদিও
ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে শোনা যাচ্ছে, সেই চরিত্রে থাকতে পারেন দিব্যাণী মণ্ডল। দিব্যানী
ছোট পর্দার পরিচিত মুখ। ‘ফুলকি’ ধারাবাহিক শেষ করার পর তিনি পরিচালক
সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের একটি ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন, যার শুটিং
ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এবার তাকে দেখা যাবে ওয়েব সিরিজে। টলিপাড়ায় আলোচনায় রয়েছে শ্রাবন্তী
ও দিব্যাণীর মুখের মিল নিয়েও।
অনেকেই
মনে করছেন, পর্দায় দাদি-নাতনির রসায়ন আরো বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে এই সাদৃশ্য। এই নতুন
চরিত্র নিয়ে শ্রাবন্তী বলেন, ‘নতুন বছরে নতুন ধরনের গল্পের অংশ হচ্ছি। এবার ঠাকুমার
চরিত্রে। গ্র্যান্ডচাইল্ডের সঙ্গে রহস্য সমাধান করব।’
মন্তব্য করুন


আগামী
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং একই দিন বিকেলে
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আইন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয়
সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হবে।
আসিফ
নজরুল বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এই শপথ পরিচালনা
করবেন বলে তিনি ধারণা করেন।’ তবে বিষয়টি নিশ্চিত করে পরে জানানো
হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইন
উপদেষ্টা বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পরপরই সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুুর ১২টার
মধ্যে বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে।’
আইন
উপদেষ্টা জানান, ঐতিহ্যগতভাবে বঙ্গভবনে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হলেও এবার তা জাতীয়
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় (সাউথ প্লাজা) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি এই অভিপ্রায়
ব্যক্ত করেছে।’
আইন
উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, রাষ্ট্রপতি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ
বাক্য পাঠ করাবেন।
মন্ত্রিসভার
শপথের জন্য দক্ষিণ প্লাজাকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান এবং জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদের মতো ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর সাথে
সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ও দক্ষিণ প্লাজা বিভিন্ন কারণে স্মরণীয়।’
এ
ছাড়া প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ ওসমান হাদির জানাজাসহ নানা কারণে স্মৃতিবিজড়িত
এই স্থানটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এসব বিষয় বিবেচনা
করেই সেখানে হয়তো শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
শপথ
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিষয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘কনভেনশন অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগ আমন্ত্রণের বিষয়টি দেখছে।
তবে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ
জানানো হয়েছে। কিন্তু বিদেশি কোনো প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত কি না, সে বিষয়ে আমার জানা
নেই।’
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বগুড়া–নওগাঁ মহাসড়কে ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক সোয়া আটটার দিকে আদমদীঘি উপজেলার পূর্ব ঢাকা রোডের বড় আখিড়া মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আরজিপাড়া আচলাই গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (৪২) ও তার ভাতিজা রাসেল মোল্লা (৩৫)। তারা দুজনই একই গ্রামের বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ফজলুল প্রামাণিকের ছেলে মিজু আহমেদ (২৪)।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে শিবগঞ্জ এলাকা থেকে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় তিনজন যাত্রী নওগাঁর মান্দা উপজেলার দেলুয়াবাড়ি হাটে কচু বীজ কেনার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা অত্যন্ত কম ছিল। অটোরিকশাটি বড় আখিড়া মোড়ে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা নওগাঁগামী একটি বাস অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের ফলে অটোরিকশাটি উল্টে গিয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ঘটনাস্থলেই রফিকুল ইসলাম ও রাসেল মোল্লার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও আদমদীঘি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহত মিজু আহমেদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। দুর্ঘটনার পর অটোরিকশাচালক পালিয়ে যান।আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না করায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান সোমবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। ড. ইউনূস গত ৮ আগস্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জ্যাক সুলিভান বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং রাজনৈতিক, নির্বাচন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগের জন্য অধ্যাপক ড. ইউনূসের প্রশংসা করেন।
এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করায় অধ্যাপক ইউনুসকে ধন্যবাদ জানান তিনি এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অব্যাহত মার্কিন সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।
ফোনালাপের সময় তারা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বাংলাদেশে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা কাটিয়ে উঠতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সুলিভান অধ্যাপক ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য মার্কিন সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক সফরের সময় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, আগামী জানুয়ারির মধ্যে ছয়টি প্রধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট পাওয়ার প্রত্যাশা করছি। এরপর সংস্কার ও নির্বাচনের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন