

এইচএসসি
ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ (২৬নভেম্বর)প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় কেউ ফেল করলে অথবা কাঙ্ক্ষিত
ফল না পেলে, তা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন সোমবার(২৭নভেম্বর)
থেকে শুরু হবে। যা চলবে আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
শুধুমাত্র এসএমএসের মাধ্যমে এই ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ লক্ষ্যে তিনি ‘চাঁদাবাজ ডটকম’ (chandabaj.com) নামে একটি বিশেষ ওয়েবসাইট এবং একটি জাতীয় হটলাইন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণাকালে দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ভাইরাল ভিডিওতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, একটি বিশেষ ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষ প্রমাণসহ চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারবেন। তার দাবি, এই প্ল্যাটফর্ম অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং মানুষকে নির্ভয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সুযোগ দেবে।
তিনি আরও আশ্বস্ত করেন, অভিযোগকারীদের নাম-পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। পর্যাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামনে তা উপস্থাপন করে রাজনৈতিকভাবে বয়কটের আহ্বান জানানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার ভাষায়, “আমরা একগাদা প্রমাণ নিয়ে ওদের মুখের ওপর গিয়ে বলবো—এই হলো প্রমাণ, আপনি এখন রাজনীতি ছেড়ে দেন।”
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, খুব শিগগিরই এই ওয়েবসাইট ও জাতীয় হটলাইনটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ওপর চলমান চাঁদাবাজির উৎপাত বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই পরিকল্পনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেমন প্রশংসা কুড়াচ্ছে, তেমনি রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
ঢাকা-৮ আসনের এই প্রার্থী মনে করেন, শুধু কথার প্রতিবাদে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে না; বরং প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগ নিলেই অপরাধীদের কোণঠাসা করা সম্ভব। নির্বাচনে জয়ী হোন বা না হোন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে এই সেবাটি সচল রাখার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
প্রযুক্তি ও জনসচেতনতার সমন্বয়ে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে ‘চাঁদাবাজ ডটকম’ একটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


স্কুল
শিক্ষিকাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল এক শিক্ষার্থী। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি হননি
শিক্ষিকা। প্রস্তাবে সাড়া না দিলেও হাল ছাড়েনি দ্বাদশ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী। শিক্ষিকাকে
নিয়মিত অনুসরণ করার পাশাপাশি তাকে নানাভাবে হেনস্তা করারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
এক পর্যায়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় শিক্ষিকাকে আক্রমণ করে এবং ধারালো ছুরি দিয়ে শিক্ষিকার
ঠোঁট কেটে দেয়।
এমন
ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরি জেলার ঘটনা। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বর্তমানে
পলাতক।
পুলিশ
জানায়, অখণ্ড প্রতাপ নামের ওই শিক্ষার্থী দীর্ঘ দিন ধরেই ওই শিক্ষিকাকে হেনস্তা করছিল
বলে অভিযোগ এসেছে।
আগ্রা
রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে পড়ার সময়েই সে ওই শিক্ষিকাকে হেনস্তা করতে শুরু করে প্রতাপ।
শিক্ষিকার ভাইয়ের অভিযোগ, এই হেনস্তার কারণে সেই শিক্ষিকা স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন। তিনি
পরে অন্য একটি বেসরকারি স্কুলে যোগ দেন। ওই শিক্ষার্থীর মায়ের কাছে এ নিয়ে অভিযোগও
জানানো হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ জানানোর পর হেনস্তার পরিমাণ আরো বেড়ে যায়।
শিক্ষিকার
ভাই আরো অভিযোগ জানান, গত ২৬ জানুয়ারি ওই শিক্ষার্থী ধারালো অস্ত্র নিয়ে সেই শিক্ষিকাকে
আক্রমণ করে। জোর করে তার সঙ্গে কথা বলার সময়েই আক্রমণ করা হয়। তখনই সে শিক্ষিকার ঠোঁট
কেটে দেয়। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজে প্রকাশ পেয়েছে।
সেখানে
দেখা যায়, ওই শিক্ষিকা ছাত্রকে পড়ানোর জন্য জ্যোতি তিহারা এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রতাপ
তাকে বাধা দিয়ে একটি গলিতে নিয়ে যায় এবং প্রকাশ্য দিবালোকে তার ওপর হামলা করে।
আহত
শিক্ষিকা রাস্তায় কাঁতরাতে থাকলে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অবস্থার অবনতি হলে তাকে সফদরজং মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়, কিন্তু সেখানে প্লাস্টিক
সার্জন না থাকায় দ্রুত চিকিৎসার জন্য আগ্রার পুস্পাঞ্জলি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে
ওই শিক্ষিকা সেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছাত্র পলাতক। পুলিশ তার সন্ধানের ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে।
কোতোয়ালি
থানার কর্মকর্তা ফতে বাহাদুর সিং জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষিকার পরিবারের পক্ষ
থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শিক্ষিকাকে যৌন হেনস্তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ জানানো
হয়েছে ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে ধরার জন্য অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


ব্রেকআপের
পর অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তখন মনে হয় যেন জীবনের সব আনন্দ শেষ হয়ে গেছে, চারপাশের
সবকিছুই হঠাৎ ফাঁকা হয়ে গেছে। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর কষ্ট সহজে মেনে নেওয়া কঠিন,
তাই অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে সেই স্মৃতির ভেতরেই আটকে থাকেন। তবে অতীতের স্মৃতি আঁকড়ে
ধরে নিজেকে কষ্টে ডুবিয়ে রাখা কোনো সমাধান নয়। জীবনে এগিয়ে যেতে হলে সেই দুঃখকে ধীরে
ধীরে ছেড়ে দিতে হয় এবং নতুনভাবে নিজেকে গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হয়। ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা
নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নতুন সম্ভাবনা।
সোমবার
(০৯ মার্চ) বিশ্বজুড়ে অনেকেই দিনটিকে পালন করেন ‘ব্যর্থ প্রেম ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন’
হিসেবে। প্রেমে ব্যর্থতার বেদনাকে পেছনে ফেলে নতুন করে জীবন সাজানোর অনুপ্রেরণা দিতেই
দিনটির প্রচলন হয়েছে।
প্রেম
জীবনের স্বাভাবিক একটি অনুভূতি। কিন্তু সব ভালোবাসার গল্প শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায়
না। সম্পর্ক ভেঙে গেলে অনেকেই ভেঙে পড়েন, জীবনকে শূন্য মনে হয়। প্রিয় মানুষ হারানোর
কষ্টে কেউ কেউ অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন, স্বাভাবিক জীবনযাপনেও ব্যাঘাত ঘটে। অনেকে আবার
দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছেদের যন্ত্রণা ভুলতে পারেন না।
তবে
জীবন তো থেমে থাকে না। সেই বাস্তবতাই মনে করিয়ে দেয় ৯ মার্চের এই দিনটি। ‘ব্যর্থ প্রেম
ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন’ মূলত তাদের জন্য, যারা সম্পর্ক ভাঙার
কষ্টে হতাশ হয়ে পড়েছেন। দিনটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয়- একটি সম্পর্কের সমাপ্তি মানেই
জীবনের সমাপ্তি নয়। বরং এটি নতুন করে নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ। অনেকে বলেন, ভ্যালেন্টাইনস
ডে এবং এপ্রিল ফুল ডে’র মাঝামাঝি সময় হওয়ায় ৯ মার্চকে এই
দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। কারণ ভালোবাসার উচ্ছ্বাসের পর এবং মজার এক দিবসের আগে
এই সময়টিকে ধরা হয়েছে আত্মবিশ্লেষণ ও নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক হিসেবে।
এই
দিবসটির সূচনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এর পেছনে রয়েছেন আটলান্টার বাসিন্দা জেফ গোল্ডব্ল্যাট
নামের এক তরুণ। তিনিও একসময় ব্যর্থ প্রেমের কষ্টে ভেঙে পড়েছিলেন। প্রেমিকা তাকে ছেড়ে
চলে যাওয়ার পর তিনি দীর্ঘ সময় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। কোনো কিছুতেই তার আগ্রহ
থাকত না। জীবনটাই তার কাছে অর্থহীন মনে হতে শুরু করে। কিন্তু একসময় তিনি উপলব্ধি করেন,
তিনি একা নন। পৃথিবীতে এমন অসংখ্য মানুষ রয়েছেন যারা প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মানসিক কষ্টে
ভুগছেন। তখনই তার মনে হয়, যদি এমন একটি দিন থাকে যা মানুষকে ব্যর্থতার পর আবার ঘুরে
দাঁড়ানোর সাহস জোগাবে।
এই
ভাবনা থেকেই জেফ একটি কবিতা লেখেন এবং একটি ওয়েবসাইট চালু করে সেখানে তা প্রকাশ করেন।
তার সেই উদ্যোগ অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে
আলোচনা শুরু হয়। ধীরে ধীরে দিনটি মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে
সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে এই দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিচিত হয়ে
উঠছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে দিনটি নিয়ে আগ্রহ দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞরা
মনে করেন, সম্পর্ক ভাঙা জীবনের স্বাভাবিক একটি ঘটনা। এটি মানুষকে হতাশ করলেও একই সঙ্গে
শেখায় নতুন অভিজ্ঞতা। তাই অতীতের দুঃখে ডুবে না থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের
কাজ।
আজকের
দিনটি তাই মনে করিয়ে দেয়— অতীতের কষ্ট ভুলে নিজেকে নতুনভাবে
গড়ে তোলার সময় এসেছে। জীবনের সম্ভাবনা অসীম। নতুন স্বপ্ন, নতুন পরিকল্পনা আর ইতিবাচক
চিন্তা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।
তাই
পুরোনো কষ্টকে বিদায় জানিয়ে নিজেকে ভালো রাখার প্রতিজ্ঞা করার দিন আজ। ব্যর্থ প্রেম
ভুলে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন।
মন্তব্য করুন


হঠাৎ ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হলে শুক্রবার (১৪ মার্চ) ভোরে কর্মস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলার অবনতি ছাড়াও তার নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছিল।
এদিকে ওসির কর্মস্থল ত্যাগের খবর দেরিতে পেয়ে কমপক্ষে ৩০ জন পাওনাদার বিচ্ছিন্নভাবে থানায় এসে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা জানান, নান্দাইল থানায় ওসি হিসেবে গত ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর যোগ দিয়েছিলেন ফরিদ আহম্মেদ। এর পর থেকে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে তিনি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক রাতেই তুচ্ছ ঘটনায় পাঁচটি অভিযোগ মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রেকর্ডভুক্ত করার অভিযোগ ওঠে এ ওসির বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি চুরি ছিনতাইসহ আইনশৃঙ্খলার
মারাত্মক অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে পুরো উপজেলার আনাচে-কানাচে ইয়াবার কারবার, গ্রেপ্তার
বাণিজ্য চলছিল নির্বিঘ্নে।
বিভেদপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলেন না নান্দাইল থানার ওসি ফরিদ আহম্মেদ। অন্যদিকে মামলা নেওয়ার নামে বিচার প্রার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছিল নিয়মিত।
এমন অবস্থায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকালে তাকে প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠি পেয়ে ওসি ফরিদ সবকিছু গুছিয়ে আজ শুক্রবার ভোরে চলে যান জেলা শহর ময়মনসিংহে।
এসব বিষয়ে জানতে প্রত্যাহার হওয়া ওসি ফরিদ আহম্মেদের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।
জানতে চাইলে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার বলেন, ‘ওসির কাছে সাধারণ লোকজন টাকা পায়, এটি খুবই দুঃখজনক।’ এ বিষয়ে ওসির সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
আর এক রাতে ৫টি মামলা রেকর্ডভুক্ত
হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাকে তো দুটির কথা বলা হয়েছিল। বাকিগুলো তো
জানাননি।’
মন্তব্য করুন


আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান দলের নেতৃত্ব দেবেন লেগ স্পিনার রশিদ খান। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি), যেখানে অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারকে।ঘোষিত স্কোয়াডে ফিরেছেন পেস বোলার ফজলহক ফারুকি ও ব্যাটিং অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইব, যারা গত অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরের দলে ছিলেন না। এ ছাড়া অফ স্পিনার মুজিব উর রহমান এবং পেসার নাভিন-উল-হকও বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়েছেন।এর আগে ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল। আইসিসি আয়োজিত টুর্নামেন্টে এটিই এখন পর্যন্ত দলটির সর্বোচ্চ অর্জন। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আগামী বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।দল ঘোষণার পর আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নসিব খান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সর্বশেষ বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবারের আসরেও আরও ভালো ফল করার লক্ষ্য রয়েছে, বিশেষ করে এশিয়ান কন্ডিশনে খেলা হওয়ায় দলটি সুবিধা পাবে বলে তিনি মনে করেন।রশিদ খান (অধিনায়ক), ইব্রাহিম জাদরান (সহ-অধিনায়ক), রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ ইসহাক (উইকেটকিপার), সেদিকউল্লাহ আতাল, দারউইশ রাসুলি, শহীদুল্লাহ কামাল, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, গুলবাদিন নাইব, মোহাম্মদ নবী, নুর আহমেদ, মুজিব উর রহমান, নাভিন-উল-হক, ফজলহক ফারুকি ও আবদুল্লাহ আহমদজাই।
মন্তব্য করুন


র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব)
নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ।
তিনি বর্তমান মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
আগামী ৫ জুন হারুন অর রশিদ দায়িত্বভার
গ্রহণ করবেন।
বুধবার (২৯ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। পৃথক আরেক আদেশে র্যাবের বর্তমান ডিজি খুরশীদ হোসেনকে
অবসরে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার
হারুন অর রশিদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের মোল্লাকান্দি
গ্রামে। বর্তমানে তিনি পুলিশ সদরদপ্তরে অতিরিক্ত আইজিপি (হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট)
পদে কর্মরত। তার আগে তিনি পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন।
হারুন অর রশিদ ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে পরিসংখ্যান বিভাগে এমএসসি সম্পন্ন করেন। ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি
অব লন্ডন থেকে এলএলবি এবং ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
হারুন অর রশিদ ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস
পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি পুলিশের
বিভিন্ন পদে চাকরি করেছেন। পুলিশ সদরদপ্তরে ডিআইজি লজিস্টিক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হন।
ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি থাকাকালীন
তিনি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের শুদ্ধাচার পুরস্কার পান। হারুন অর রশিদ বাংলাদেশ পুলিশ পদক-বিপিএম
পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আরব আমিরাতের দুবাইয়ে যাত্রা শুরু করেছে বিশ্বের সর্বোচ্চ হোটেল সিয়েল দুবাই। ৩৭৭ মিটার উঁচু এই হোটেলটি নির্মাণ করেছে দ্য ফার্স্ট গ্রুপ, এবং পরিচালনা করবে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল গ্রুপের ভিগনেট কালেকশন।হোটেলটিতে রয়েছে মোট ৮২ তলা এবং ১,০০৪টি রুম ও সুইট। প্রতিটি তলা থেকে অতিথিরা দুবাইয়ের পাম জুমেইরা এবং মেরিনার মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।
নতুন হোটেলের রুমের ন্যূনতম ভাড়া রাতপ্রতি ১,৩১০ দিরহাম (প্রায় ৪৫,৫০০ টাকা) এবং প্রিমিয়াম স্যুইটের ভাড়া প্রায় ২,৪০০ দিরহাম।
হোটেলটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, চারপাশের আলো সহজেই ভিতরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়াও, অতিথিরা রুফটপ অবজারভেশন ডেকে বসে ৩৬০ ডিগ্রির প্যানোরামিক ভিউ উপভোগ করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে তিন বাহিনী প্রধানের উপস্থিতিতে সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা
মিশনে নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় সেনা সদস্যের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। তাদের দাফনের
জন্য নেয়া হবে গ্রামের বাড়িতে।
আরবিবার
(২১ ডিসেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানানো হয়।
নিহত
সেনাসদস্যরা হলেন, কর্পোরাল মোঃ মাসুদ রানা: এএসসি (নাটোর), সৈনিক শামীম রেজা: বীর
(রাজবাড়ি), সৈনিক মোঃ মমিনুল ইসলাম: বীর (কুড়িগ্রাম), সৈনিক শান্ত মন্ডল: বীর (কুড়িগ্রাম),
মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ) এবং লন্ড্রি কর্মচারী মোঃ সবুজ মিয়া
(গাইবান্ধা)।
আইএসপিআর
জানায়, জানাজার আগে নিহত সেনাসদস্যদের জীবন বৃত্তান্ত পড়ে শোনানো হয়। জানাজার পর
তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এরপর প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার
পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তিন বাহিনীর প্রধান নিহত ৬ সেনার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এর আগে, গতকাল শনিবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটে নিহত ৬ সেনার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে। বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বিমানবন্দরে
শান্তিরক্ষীদের মরদেহ গ্রহণ করেন। এ সময় সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন
ও সম্মান জানিয়ে স্যালুট দেন।
গত
১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা
চালায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী। শাহাদাৎ বরণ করেন ৬ শান্তিরক্ষী। আহত ৯ জনের
সবাই শঙ্কামুক্ত। এদের মধ্যে কেনিয়ার হাসপাতালে ৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম বলেছেন, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। পাশাপাশি
পরিবহন খাতে রাজনৈতিক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।
আজ শনিবার (২১ ডিসেম্বর) প্রেস ইনস্টিটিউট
বাংলাদেশে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে
প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কার বিষয়ক জাতীয় সংলাপে তিনি একথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের কথিত উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জ করে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন গড়ে উঠেছিল।
ওই আন্দোলনের মাধ্যমে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মাথায় নিরাপদ সড়কের বিষয়টি গেঁথে
গিয়েছে।
সড়ক নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।
পাশাপাশি পরিবহন খাতে রাজনৈতিক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, যেসব কাঠামোগত উন্নয়ন মানুষের
জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, সেসব উন্নয়ন অর্থহীন। তাই, আমাদের মৌলিক উন্নয়ন
পরিকল্পনায় ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রয়োজন।
সড়ক দুর্ঘটনাকে কাঠামোগত হত্যাকান্ড
হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সড়কে বিশৃঙ্খলার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক
ও কাঠামোগত দুর্বলতা অনেকাংশে দায়ী।
পরিবহন খাতে বহুমুখী সমস্যার বর্ণনা
দিয়ে তিনি বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।
এ সময়ে তথ্য উপদেষ্টা সড়ক নিরাপত্তা
নিশ্চিত করতে পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যের বরাত
দিয়ে সংলাপে জানানো হয়, ২০২০ সাল থেকে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে সড়ক
দুর্ঘটনায় ৩৭ হাজার মানুষ নিহত ও ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
সংলাপে আরও জানানো হয়, গণপরিবহন ৫৩
শতাংশ যাত্রী বহন করে, আর ব্যক্তিগত যানবাহন ১১ শতাংশ যাত্রী বহন করে। অথচ ব্যক্তিগত
যানবাহন ৭০ শতাংশ সড়ক দখল করে চলে। ৩০ শতাংশের কম জায়গায় চলে গণপরিবহন। এটি সাধারণ
মানুষের প্রতি চরম বৈষম্য।
সংলাপের শুরুতে সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা
প্রতিষ্ঠায় করণীয় বিষয়ে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি
আব্দুলাহ এম ফেরদৌস খান।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক
ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংলাপে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক
ফারুক ওয়াসিফ, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি সৈয়দ জাহাঙ্গীর ও রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের
নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


নেত্রকোনার কলমাকান্দায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত। রায় ঘোষণা করেন বিচারক মোছাঃ মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের রুক্কু মিয়া ও কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের কৈলাটি গ্রামের রুবিনা আক্তারের মধ্যে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। তবে শুরু থেকেই দম্পতির মধ্যে বনিবনা ছিল না এবং প্রায়ই কলহের অভিযোগ উঠত।
একপর্যায়ে অভিমান করে রুবিনা আক্তার বাবার বাড়িতে চলে যান। ২০২১ সালের ১৫ মে স্বামী রুক্কু মিয়া স্ত্রীকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার জন্য কৈলাটি গ্রামে যান। সেই রাতে রুবিনা আক্তার ধারালো কুড়াল দিয়ে স্বামীর মাথায় আঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। নিহত রুক্কু মিয়ার ছোট ভাই মো. আসাদ মিয়া বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি রুবিনা আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম বলেন, “এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মামলার সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে একটি শক্ত ও ইতিবাচক বার্তা যাবে। আমরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছি।”
মন্তব্য করুন