

ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউমের’ প্রভাবে মঙ্গল, বুধ এবং বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সোমবার (৪ ডিসেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আগামী বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল এবং নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। তাছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজশাহী, ময়মনসিংহ, বরিশাল, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের অধিকংশ জায়গায় এবং রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। তখন সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে ভুয়া কর পরিদর্শক পরিচয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন করতে এসে দুই প্রতারক ধরা পড়েছেন। পরে তাদেরকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আজ সোমবার (২৭ জুলাই) ১২টার দিকে কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে এ ঘটনা হয়।
আটককৃতরা হলেন– চান্দিনা উপজেলার বামতিয়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদ এবং দেবিদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের শামছুল হক।
কুমিল্লার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান জানায়, আবুল কালাম আজাদ নিজেকে কর পরিদর্শক পরিচয় দিয়ে অন্য এক ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে আসেন। অন্যদিকে শামছুল হক জাল সনদ ব্যবহার করে তার এক স্বজনের জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের চেষ্টা করেন। তাদের আচরণ ও কথাবার্তায় সন্দেহ হলে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরে তাদেরকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, নির্বাচন কমিশন অফিস আমাদের কাছে অফিশিয়ালি যে অভিযোগ করবে আমরা তার প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেব। তাদের অভিযোগ প্রস্তত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট ২০২৫- এ
যোগ দিতে দুবাই পৌঁছেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১১:১৫ মিনিটে
তিনি সেখানে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রীড়ামন্ত্রী
আহমেদ বেলহৌল আল ফালাসি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে দুবাইয়ে স্বাগত জানান।
ড. আহমেদ বেলহৌল আল ফালাসি ওয়ার্ল্ড
গভর্নমেন্ট সামিটে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান
এবং গত এক দশক ধরে দুবাইয়ে হয়ে আসা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত সমাদৃত এই সম্মেলনের
বিষয়ে অবহিত করেন।
উভয় নেতা দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া
ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সহযোগিতা বিনিময়সহ পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়
নিয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
তৌহিদ হোসেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ এবং ঢাকায় নিযুক্ত
আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী খাসেফ আল হামৌদি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীতে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যে ড্রেনে পড়ে স্মৃতি (৮) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরীর ছোটরা পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত স্মৃতি কালিয়াজুড়ি বদরপুর এলাকার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে মায়ের সঙ্গে ফুটপাত দিয়ে যাওয়ার সময় স্মৃতি মায়ের হাত থেকে ছিটকে জলাবদ্ধ সড়কের ভাঙা স্ল্যাবের ফাঁক দিয়ে ড্রেনে পড়ে যায়। এ সময় আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করেন। প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর কিছুটা সামনে ড্রেনের ভেতরে আটকে থাকা অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার ও সংস্কারের কাজ চলছিল। কয়েকটি স্থানে ড্রেনের ঢাকনা খোলা ছিল এবং অনেক স্ল্যাব ভাঙা অবস্থায় ছিল। টানা বৃষ্টির কারণে সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় খোলা ড্রেন ও ভাঙা স্ল্যাব পানির নিচে ঢেকে যায়, ফলে পথচারীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসী জানান, নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশের ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। অনেক জায়গায় স্ল্যাব ভাঙা কিংবা ফাঁকা থাকায় এসব ড্রেন কার্যত ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ড্রেনগুলো সংস্কার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম গেছে। এটি একটি দুর্ঘটনা।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া জানিয়েছেন, যুব প্রশিক্ষণ ও যুব ঋণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থানের
ব্যবস্থা করছে সরকার। বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় ৯ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যারা
কোনো শিক্ষা বা কাজে নেই। আগামী দুই বছরে ৫ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে।
আজ শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে
জাতীয় যুব দিবসের আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট নিয়ে এই সরকার
গড়ে উঠেছে। সংস্কার কার্যক্রমে যুবসমাজের সহযোগিতা ও মতামত প্রত্যাশা করে সরকার। ৫
আগস্টের পর যারা ট্রাফিক কাজে যুক্ত হয়েছিল, তাদের আরও প্রশিক্ষণ শেষে সহ-পুলিশ হিসেবে
নিয়োগ কার্যক্রম চলমান আছে। সাংবিধানিক ও কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে সমতা প্রতিষ্ঠার
যে লক্ষ্য সেখানে সহায়ক ভূমিকায় থাকবে যুব সমাজ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে জাতীয় যে
নৈতিক বুস্টিং হয়েছে তারই ফল হিসেবে ক্রীড়া ক্ষেত্রে আমাদের বেশকিছু অর্জন এসেছে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম নুঠুরচর গ্রামের এক ইউপি সদস্য সরকারি
রাস্তার (হালট) ইট তুলে নিয়ে নিজ বাড়িতে পাকা বাথরুম বানিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই ইউপি সদস্যের নাম আয়েশা বেগম। তিনি ওই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের
মহিলা সদস্য।
সরেজমিন
গিয়ে দেখা যায়, গোপালপুর উপজেলা গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচি(কাবিটা) মোতাবেক
(উপজেলা পরিষদ ওয়ারী) ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে (১ম ও ২য় পর্যায়)পশ্চিম নুঠুরচর গ্রামের জসিম
মিয়ার বাড়ি থেকে আজমত হোসেনের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৬শ মিটার গ্রামীন
সড়ক বা হালটে মাটি ভরাট ও ইটের সলিং করা হয়।
গ্রামের
মোড়ল আব্দুল হালিম অভিযোগ করেন, পাশেই প্যারাজানি বিল। সেখানে সহস্রাধিক একরে বোরো
ও রোপা আবাদ হয়। বিলে হালচাষ এবং সেখান থেকে ফসল ঘরে আনার জন্য সড়কটি একমাত্র অবলম্বন।
এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন গ্রামীন সড়কটি মেরামত ও ইটের সলিং করে।
প্রকল্পের
সভাপতি ছিলেন ইউপি সদস্য আয়েশা বেগম নিজেই। আর কাজের ঠিকাদারি পান স্বামী তোফাজ্জ্বল
হোসেন। কিন্তু দুই মাস আগে ইউপি সদস্য ও তার স্বামী দুজনে মিলে দিন দুপুরে রাস্তার
সকল ইট তুলে রিকসা ভ্যানে করে বাড়ি নিয়ে যায়।
গ্রামবাসীরা
ইট তোলার কারণ জানতে চাইলে বলা হয়, রাস্তা পাকা হবে। তাই ইট তুলে খোয়া বানানো হবে।
পরে সেই ইট দিয়ে তারা বাড়িতে পাকা বাথরুম বানায়।
এদিকে ইট তুলে নেওয়ায় চলতি বর্ষায় রাস্তার মাটি ধ্বসে পড়ছে। ফলে মাঠ থেকে কৃষকরা
বোরো ধান বাড়ি নিয়ে আসতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
গ্রামের
প্রবীন আব্দুল জলিল জানান, স্বামী-স্ত্রী দুইজনে মিলা সরকারি টেহায় ইচ্ছামত ইটের রাস্তা
বানাইছে। আবার তারাই দিন দুপরে রাস্তার ইট তুইলা নিয়া বাড়িতে গোছলখানা আর পাকা পায়খানা
দিছে। এরা প্রভাবশালী। কিছু কইতে গেলেই মাইরতে আসে। তাই সবাই চুপচাপ হইয়া আছে।’
গত রবিবার ওই ইউপি সদস্যের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার কাজের সাইনবোর্ডটি বাথ রুমের
পাশে পড়ে রয়েছে। এ ব্যাপারে ইউপি সদস্যের স্বামী
এবং ঠিকাদার তোফাজ্জল হোসেন জানান, তিনি ওই অর্থ বছরে ওই ইউনিয়নের ৪টি গ্রামীন সড়ক
সলিং করার কাজ পান।
কাজ
শেষে সাড়ে তিন হাজার ইট থেকে যায়। সেই ইট দিয়ে বাড়িতে পাকা বাথরুম বানিয়েছেন। বরাদ্দ
দেওয়া বাড়তি সরকারি ইট ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যায় কিনা প্রশ্নে জানান, উপজেলা
প্রশাসন তো কখনো ইট ফেরত চায়নি। এখানে সাংবাদিকদের কি সমস্যা? এদিকে ইউপি সদস্য আয়েশা
বেগম জানান, গ্রামের কিছু দুষ্ট লোক রাতের আধাঁরে রাস্তার ইট চুরি করে নিয়ে গেছে। তাই
রাস্তার ইট দিয়ে বাথরুম বানানোর প্রশ্নই আসেনা।
ইট
চুরির ঘটনা প্রশাসনকে কেন জানানো হয়নি প্রশ্নে জানান, রাস্তাটি পুনঃসংস্কার করার জন্য
নতুন প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে। তাই হারিয়ে যাওয়া ইট নিয়ে ভাবা হচ্ছেনা। গোপালপুর উপজেলা
প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইউপি সদস্যকে মাত্র তিন দিন
সময় দেওয়া হয়েছে।
এ
সময়ের মধ্যে নিজের টাকায় ইট কিনে রাস্তা চলাচলের উপযোগী না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকার যে ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে-বিচার ও সংস্কার দৃশ্যমান করার মধ্য দিয়ে তাদের
নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। এজন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন অন্তর্বর্তী সরকার
ততটুকু সময় পেতে পারে।
আজ
শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের বিরতিতে এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমন কথা বলেন।
আখতার
হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে বিচার ও সংস্কারের দৃশ্যমান রোডম্যাপ সরকারকে উপস্থাপন
করতে হবে। আমরা নির্বাচন প্রলম্বিত করার পক্ষে নয়, তবে তার আগে বিচার এবং সংস্কারকে
যেন অবশ্যই দৃশ্যমান করা হয়। সে ব্যাপারে আমরা জোরালো বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। আমরা
এখন পর্যন্ত সংবিধানের বিষয়ে আলোচনা করেছি। এখন পর্যন্ত বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন,
জনপ্রশাসন, দুদক এবং পুলিশ সংস্কার কমিশনের মতো বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারিনি। তবে
পুলিশ সংস্কার কমিশিনের রিপোর্ট কেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন
করেছি। আমাদের মতামতগুলো জানাতে চেয়েছি।
বর্তমান সংবিধানের অধীনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত সম্ভব
নয় উল্লেখ সম্ভব নয় উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র
ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিকভাবেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ
তৈরি হয়েছে। আমরা ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা বলেছি এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের কথা
আমরা বলেছি। কীভাবে নতুন একটি সংবিধান পুনর্লিখন করা যায়। গণপরিষদ নির্বাচনের বাস্তবতা
নিয়ে আমরা কথা বলেছি।
এনসিপি’র
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি বিষয়ের মধ্যে
১২৯টি বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। যেসব বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি সেসব বিষয়ে আমাদের অবজারভেশন
রয়েছে। এসব বিষয়ে সংযোজন, বিয়োজনের নোট আমরা ঐকমত্য কমিশনে দিয়েছি। আমরা মূলত এখন পর্যন্ত
তিনটি বিষয়ে কথা বলেছি। প্রথমত, প্রটেকশন অব সিটিজেন (নাগরিকদের নিরাপত্তা)। আমরা দেখেছি,
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রে নাগরিকদের নিরঙ্কুশ অধিকার কখনো স্বীকৃত হয়নি। সেসব
বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কথা বলেছি।
দ্বিতীয়ত,
আমরা শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিনিয়ত দেখেছি, যখনই ক্ষমতা
হস্তান্তরের একটি সময় এসেছে তখনই দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একটা সরকার
থেকে অন্য সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর কীভাবে হবে এই বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা
হচ্ছে।
তৃতীয়ত,
সংসদের স্থিতিশীলতার নামে আর্টিকেল ১৭ দিয়ে আমাদের কন্ঠ রোধ করে রাখা হয়েছে- এ বিষয়ে
কথা হয়েছে। আমাদের সংসদকে আরো বেশি কীভাবে কার্যকর করা যায় ওই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কথা
হয়েছে।
উক্ত বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
এনসিপি’র
পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক
সরোয়ার তুষার, জ্যেষ্ট যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী,
মুখ্য সংগঠক (দাক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।
মন্তব্য করুন


জাল
জন্মসনদ তৈরি করে প্রাপ্তবয়স্ক ৪ আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন, আদালতের অর্ডার শিটের
আদেশ কাটাকাটি ও নথি গায়েব করায় গাইবান্ধায় জেলা বারের আইনজীবী, গোবিন্দগঞ্জ কোর্টের
সাবেক জিআরওসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন গাইবান্ধা শিশু
আদালত- দুই এর বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ।
বৃহস্পতিবার
(৩ সেপ্টেম্বর) গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের জিআরও আদেশ প্রাপ্তির
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার রাতে গোবিন্দগঞ্জ আদালতে এ আদেশ পৌঁছেছে বলে জানান তিনি।
এর
আগে তিনটি মামলায় প্রাপ্তবয়স্ক চার আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন করানোর অভিযোগ ওঠে জেলা
বারের আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, আদালতের নথি গায়েব ও আদেশ
কাটাকাটির অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এরপর
শিশু আদালত বিষয়টি তদন্তভার দেন গোবিন্দগঞ্জ আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট এসএম গালিব হাসানকে। তিনি গত ১৯ আগস্ট শিশু আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল
করেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে মূল অভিযুক্ত আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের সনদ বাতিল,
তার মুহুরি হাসান আলীর নিবন্ধনপত্র বাতিল এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণে গোবিন্দগঞ্জ
চৌকি আদালতের তৎকালীন জি.আর.ও পুলিশ সদস্য আব্দুস সবুরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা
গ্রহণের সুপারিশ করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে এমন ঘটনাকে দেশের সামগ্রিক বিচার বিভাগের জন্য
কালো অধ্যায় বলে পর্যবেক্ষণ দেন আদালত।
তদন্ত
প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর শিশু আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ অভিযুক্তদের
বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চসহকারীকে বাদী
হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন




স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, থানাকে জনগণের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে হবে।
জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে যেকোনো সমস্যায় থানায় যেতে পারে ও উপযুক্ত সেবা পায়
থানার পরিবেশ ও কার্যক্রম সেভাবে রূপান্তর করতে হবে। থানায় সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভালো
ব্যবহার করতে হবে। জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে থানার কার্যক্রম আরো সক্রিয় ও যুগোপযোগী
করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম
মহানগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ, চট্টগ্রাম
মেট্রোপলিটন পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি,
বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর
এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, যানজট
নিরসনসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিংকে জোরদার করতে হবে। ইতোমধ্যে ডিএমপি এলাকায়
৭০০ জন শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী,
পুলিশ ও বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য যারা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নিয়োকিজত ছিলেন তাদের
মধ্যে আগ্রহী সদস্যদের বয়সসীমা বেঁধে দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে লাগানোর চিন্তাভাবনা
চলছে। প্রতিটি মহানগরীর যানজট নিরসনে সভা-সমাবেশের জন্য মুক্তাঙ্গন নির্দিষ্ট করে দিতে
হবে। ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরীতে সভা-সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে নির্দিষ্ট করে
দেয়া হয়েছে। একইভাবে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য মহানগরীর জন্য মুক্তাঙ্গন ঠিক করে দিতে হবে
যাতে যানজট হ্রাস পায়। তিনি এ সময় মেট্রোপলিটন এলাকায় অনুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশ করা যাবে
না মর্মে নির্দেশনা প্রদান করেন। আদালত থেকে রায় পেয়ে অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিন পেয়েছে।
এসব অপরাধী পুনরায় অপরাধে লিপ্ত হলে সাথে সাথে তাদের গ্রেফতার করতে হবে এবং কঠোর নজরদারিতে
রাখতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার অপপ্রচারসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধও বেড়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারেও
সজাগ থাকতে হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ৫ আগস্টের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। তবে হয়তো সেটা জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী খুব সন্তোষজনক
পর্যায়ে পৌঁছেনি। তিনি এ সময় পুলিশকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন ও প্রোটকল
ডিউটি কমিয়ে আনার নির্দেশ দেন।
মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা বলেন, মিডিয়াকে সত্য ঘটনা প্রচার করতে হবে। আমাদের দেশের মিডিয়ার
যে একটা সুনাম আছে, পার্শ্ববর্তী দেশের মিডিয়ার তা নেই। তারা মিথ্যাই কিন্তু প্রচার
করে সবচেয়ে বেশি। আর এই মিথ্যাটাকে কাউন্টার করতে পারেন শুধু আপনারা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার
হাসিব আজিজের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক
মো. ময়নুল ইসলাম, র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের
ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ
নূরী ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
সভায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এর কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন অতিরিক্ত কমিশনার হুমায়ূন কবীর চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের কার্যক্রম সম্পর্কে ব্রিফ করেন পুলিশ সুপার (অপারেশনস) নেছার উদ্দিন আহমেদ।
মন্তব্য করুন


লন্ডনে
চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আগামী মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে
ঢাকায় ফিরছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন দুই পুত্রবধূ। এদিন সকালে কাতারের আমিরের পাঠানো একটি বিশেষ এয়ার
অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছাবেন তিনি।
বেগম
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের দেশে
ফেরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, পাশাপাশি
থাকবে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
(ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা
উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে তার বাসভবন
পর্যন্ত যাত্রা সুগম করতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাও
থাকবে।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার ঢাকায় ফেরার উপলক্ষে
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তার জন্য
কাজ করছে। একইরকম তথ্য দিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি
জানান, আগামীকাল সোমবার (৫ মে) যাত্রা শুরু করে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বহন করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি অবতরণ করবে। এদিন
বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার যাত্রাপথে থাকবে নিশ্ছিদ্র
নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া নেতাকর্মীদের জন্যও জারি করা হয়েছে কড়া নির্দেশনা।
নির্দেশনাগুলো
হলো: অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে কোনো যানজট সৃষ্টি না করে একহাতে
জাতীয় পতাকা এবং আরেক হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে দেশনেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
এছাড়া
সাধারণের চলাচলের জন্য ওইদিন বিমানবন্দর থেকে কাকলী পর্যন্ত মূল সড়ক এড়িয়ে এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে।
আরও
বলা হয়েছে, বিমানবন্দর ও চেয়ারপারসনের বাসভবনে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। সব নেতাকর্মী
দলীয় পতাকা এবং জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তার একপাশে দাঁড়াবে। চেয়ারপারসনের গাড়ির সঙ্গে
মোটরসাইকেল এবং হাঁটা সম্পূর্ণরূপে নিষেধ।
অভ্যর্থনা
জানানোর জন্য বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অবস্থানের কথাও জানিয়েছে দলটি।
সংগঠনের
নাম ও অবস্থান:
>মহানগর
উত্তর বিএনপি, বিমানবন্দর থেকে লা মেরিডিয়ান হোটেল।
>ছাত্রদল,
লা মেরিডিয়ান হোটেল থেকে খিলক্ষেত।
>যুবদল,
খিলক্ষেত থেকে হোটেল র্যাডিসন।
>মহানগর
দক্ষিণ বিএনপি, হোটেল র্যাডিসন থেকে আর্মি স্টেডিয়াম।
>স্বেচ্ছাসেবক
দল, আর্মি স্টেডিয়াম থেকে বনানী কবরস্থান।
>কৃষকদল,
বনানী কবরস্থান থেকে কাকলী মোড়।
>শ্রমিক
দল, কাকলী মোড় থেকে বনানী শেরাটন হোটেল।
>ওলামা
দল, তাঁতী দল, জাসাস, মৎস্যজীবী দল, বনানী শেরাটন হোটেল থেকে বনানী কাঁচাবাজার।
>মুক্তিযোদ্ধা
দল ও সব পেশাজীবী সংগঠন, বনানী কাঁচাবাজার থেকে গুলশান-২।
>মহিলা
দল, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিএনপি
জাতীয় নির্বাহী কমিটির নেতারা, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিভিন্ন
জেলা থেকে আগত নেতাকর্মী, যার যার সুবিধামতো স্থানে অবস্থান করবেন।
মন্তব্য করুন