

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
এসএসসি
পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থী অনামিকা দেবনাথ।
মোট ১৩০০ নম্বরের মধ্যে অনামিকার প্রাপ্ত নম্বর ১২৬৪।
অনামিকার
বাড়ি কুমিল্লা নগরীর দিগম্বরীতলা এলাকায়। পড়ালেখার সূত্রে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজেই
থাকতো সে।
অনামিকার
বাবা দিলীপ কুমার দেবনাথ ঢাকায় একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন এবং মা বীণা
দেবনাথ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ঝাকুনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,কুমিল্লা:
১৯৭১ সালের ১৮ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় দেউশ মন্দভাগ বাজারে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে।
১৯৭১ সালের ১৪ অক্টোবর সালদা নদীতে প্রথম আক্রমণের পর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘সি’ কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ওহাবের ৭ নং প্লাটুনকে দেউশ-মন্দভাগ এলাকায় প্রতিরক্ষা অবস্থান নিতে নির্দেশ দেন। এলাকাটি দক্ষিণ-পশ্চিমে চান্দলা খাল ও দক্ষিণ-পূর্বে সালদা নদী ঘিরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সুবেদার ওহাবের নেতৃত্বে প্রায় ৬০ জন মুক্তিযোদ্ধা, ২টি এমজি, ৭-৮টি এলএমজি এবং ৬০ মি.মি. মর্টারসহ দৃঢ় প্রতিরক্ষা অবস্থান গ্রহণ করেন।
শত্রুপক্ষ ৩৩ বালুচ রেজিমেন্টের একটি কোম্পানি ১৭ অক্টোবর রাতে সালদা নদী পথে অগ্রসর হয়। ১৮ অক্টোবর ভোরে চান্দলা খালে মাছ ধরায় নিয়োজিত আবু মিঞা প্রথমে শত্রুর নৌবহরের শব্দ শুনে মুক্তিযোদ্ধাদের সতর্ক করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শত্রুর প্রথম নৌকাটি প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশ করলে নায়েক আতাউর রহমান গুলি চালিয়ে আক্রমণ শুরু করেন। মুহূর্তেই মুক্তিবাহিনীর সব পোস্ট সক্রিয় হয় এবং সুবেদার ওহাব নিজে এমজি পজিশনে থেকে ফায়ার নিয়ন্ত্রণ করেন। ভয়াবহ গুলিবর্ষণে পাকিস্তানি সেনাদের ৭-৮টি নৌকা ধ্বংস হয়, বহু সেনা নিহত ও আহত হয়। ভোরের আলো ফোটার পর সুবেদার ওহাব ও তাঁর সহযোদ্ধারা লে. সীমাসহ প্রায় ১৫-২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। নিহত এক হাবিলদারের পকেট থেকে উদ্ধারকৃত চিঠিতে লেখা ছিল- “এখানে মুক্তিবাহিনী নামক বাহিনী আচমকা এসে আক্রমণ করে পালিয়ে যায়, এদের দেখা যায় না।”
এই চিঠি মুক্তিবাহিনীর গেরিলা কৌশলের সার্থকতা প্রকাশ করে।
আহতদের মধ্যে হাবিলদার আকরাম নামের এক সৈনিক জানায়, তাদের নৌকায় মেজর আফ্রিদি ছিলেন যিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিখোঁজ হন। সুবেদার ওহাব আহত আকরামকে হত্যা না করে চিকিৎসার জন্য ক্যাম্পে পাঠান—যা মুক্তিবাহিনীর মানবিক আচরণের উদাহরণ।
অতঃপর সকাল ৯টার দিকে পাকিস্তানি বাহিনী পশ্চিম ও দক্ষিণ দিক থেকে প্রতিআক্রমণ শুরু করে। সুবেদার ওহাবের এমজি ও এলএমজি পোস্ট থেকে গুলি ও মর্টার বর্ষণে শত্রু ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে পিছু হটে যায়। এরপর শুরু হয় আধাঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আর্টিলারি গোলাবর্ষণ, যা অধিকাংশই খাল ও বিলের পানিতে গিয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ হতাহত না হলেও তাদের দৃঢ় অবস্থান শত্রুকে হতাশ করে।
দুপুরে শত্রু ৪টি হেলিকপ্টার নিয়ে আকাশ থেকে গুলি বর্ষণ করে। এই হামলায় কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হলেও মুক্তিযোদ্ধারা অক্ষত থাকে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও সুবেদার ওহাব পরে হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করে যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠান।
এই অভিযানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৫০-৫২ জন নিহত ও ৫০-৫৫ জন আহত হয়, যার মধ্যে ২ জন অফিসারও ছিলেন। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একক অভিযানে শত্রুপক্ষের সর্বাধিক হতাহতের অন্যতম নজির। পাকিস্তানি সেনারা পরবর্তীতে সুবেদার ওহাবকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ধরিয়ে দিলে ৫০,০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে।
দেউশ-মন্দভাগ অভিযান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়—যেখানে সুবেদার ওহাবের নেতৃত্ব, মুক্তিযোদ্ধাদের কৌশল, সাহস ও আত্মত্যাগ প্রমাণ করেছিল যে আধুনিক অস্ত্র নয়, স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষাই বিজয়ের মূল শক্তি।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ
অভিযানে ৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ।
শনিবার রাতে (০১ জুন ২০২৪ ইং)
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে মোঃ ফারুক (৩২) ও মোঃ
ফাহিম (২১) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে র্যাব-১১, সিপিসি-২ ।
এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে
৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়,
গ্রেফতারকৃত মোঃ ফারুক (৩২) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ঘোষতল গ্রামের মৃত আব্দুর
রহমান এর ছেলে এবং মোঃ ফাহিম (২১) ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার খামারগাও গ্রামের
মোঃ চান মিয়া এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃদের হতে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন
ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট
পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন ও তার মা তাহমিন বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২ কুমিল্লা কোম্পানি। আটক হওয়া সন্দেহভাজনের নাম আব্দুর রব (৭৩)।
সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১ সিপিসি-২ এর কুমিল্লা কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম। জানা গেছে, আব্দুর রব (৭৩) পেশায় কবিরাজ। তার বাড়ি লাঙ্গলকোট উপজেলায়। নিহতের সঙ্গে সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছিল আব্দুর রবের বলে জানায় র্যাব।
র্যাব-১১ সিপিসি-২ এর কুমিল্লা কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, ‘সন্দেহভাজন একজনকে লাঙ্গলকোট থেকে দুপুরে আটক করা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’
এর আগে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতে নিজ বাসা থেকে লোক প্রশাসন বিভাগের ওই শিক্ষার্থী ও তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, এটি ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’।
সুমাইয়ার মৃত্যুতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আজই তার পঞ্চম সেমিস্টারের শেষ পরীক্ষা ছিল। সেই পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়েছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধনও করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এদিন দুপুরে নগরীর পূবালী চত্বর এলাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করে তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত কয়েকটি টেলিকম দোকানে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা
করে অবৈধ অশ্লীল ভিডিও কন্টেন্ট বিক্রির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামিরা হলেন- কুমিল্লা নগরীর রেইসকোর্স এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে এম. আর টেলিকমের
মালিক জহিরুল ইসলাম (৩৬) ও পশ্চিম রেইসকোর্স এলাকার মোঃ আব্দুর রশিদের ছেলে মা টেলিকমের
মালিক জাকির হোসেন (৪৫)।
অভিযানে
তাদের দোকান থেকে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সংরক্ষিত বিভিন্ন ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত
দ্রব্যাদির মধ্যে রয়েছে ২টি হার্ডডিস্ক, ৩টি পেনড্রাইভ, ৬টি মেমোরি কার্ড ও একটি কার্ড
রিডার।
গ্রেফতারকৃত
আসামিদের স্থানীয় থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামতও পুলিশের
কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ
ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে
(কুবি) গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ‘এ’
ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর
১২টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে ১টায় শেষ হয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৯টি কেন্দ্রে
ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্র গুলো হল : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস,
ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, শিক্ষাবোর্ড
মডেল কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়, গভঃ ল্যাবরেটরি হাই স্কুল,
বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুল এবং বার্ড স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১০ হাজার ১৩৪ জন।
পরীক্ষা শেষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের
মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, আজকে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন
হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হল ঘুরে দেখেছি। কেন্দ্রগুলোতেও
পরীক্ষার পরিবেশ অত্যন্ত ভাল ছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করা ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট
ও পুলিশ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস
সদস্যরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী প্রত্যেকেই
নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি আন্তরিক ছিল বলেই ‘এ’-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন
হয়েছে। সামনের পরীক্ষাতেও সুন্দর পরিবেশ বজায়
থাকবে। পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী,
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট,
সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় নির্বাচন, জুলাই সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ পাঁচ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লা জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
রবিবার সকাল ১১টায় কুমিল্লা টাউন হল থেকে একটি মিছিল বের হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।
এর আগে টাউন হল প্রাঙ্গণে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান এডভোকেট, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন, কুমিল্লা-৫ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মোবারক হোসেন, উত্তর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক আলমগীর সরকার, মহানগরী সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি ও লাকসাম উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ড. সরোয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী, উত্তর জেলা সেক্রেটারি ও দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শহিদসহ অন্যান্য নেতারা।
বক্তারা বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন প্রয়োজন পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, জুলাই সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।” তারা আরও বলেন, “খুনি ফ্যাসিস্টদের বিচার ও রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের মাধ্যমেই সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব।”
বক্তারা প্রয়োজনে পিআর বাস্তবায়নের জন্য গণভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং জনগণের গণদাবি বাস্তবায়নে সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা এটিএম মোহাম্মদ মাসুম বলেছেন, বাংলাদেশের মাটিতে আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার আসতে না পারে সেজন্য পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জুলাই সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, খুনি ফ্যাসিস্টদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিদ্যমান রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার করলেই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত হবে। প্রয়োজনে পিআর বাস্তবায়নের জন্য গণভোট দিন। রায় পিআরের পক্ষে আসে নাকি বিপক্ষে আসে যাচাই করুন। জনগণ যদি পিআর মানে তাহলে আপনাদেরও মানতে হবে। আর জনগণের রায় যদি পিআরের বিপক্ষে যায় তাহলে আমরা জামায়াতে ইসলামী মেনে নেব।
শুক্রবার বিকালে নগরীর আইটি কনভেনশন হলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াত আয়োজিত পি আর পদ্ধতি ও জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে নির্বাচনসহ ৫দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্য সেমিনারে প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমানের পরিচালনায় সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, বিগত ৫৪ বছরে যারা-ই ক্ষমতায় এসেছে, তারা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে কোনো কাজ করেনি।যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা লুটপাট, অনিয়ম, রাজনীতিহীনতা, চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র ও দেশকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার অপরাজনীতি করেছে। ফলে জনগণ এখন তাদের প্রতি অত্যন্ত বিরক্ত। দেশের জনগণ এমন একটি শাসকগোষ্ঠী চায় যারা জনগণের দুঃখ-কষ্ট বুঝবে, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখবে।’
সেমিনারে এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগরীর জামায়াতে সহকারী সেক্রেটারী যথাক্রমে মু. কামারুজ্জামান সোহেল, কাউন্সিল মোশারফ হোসাইন, নাছির আহম্মেদ মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, অর্থ সম্পাদক আমির হোসাইন ফরায়েজী, মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য, অধ্যাপক মজিবুর রহমান, মোহাম্মদ হোসাইন, কাজী নজির আহম্মেদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ৩৫ লাখ টাকা লুটের মূলহোতা সোলাইমানকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৩।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে রাজধানীর তুরাগের দলিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-৩ এর সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনদ বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানায়, গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তোফায়েল আহম্মেদ (৫৫) নামে এক ব্যক্তি গাড়ি ও জমি বিক্রির নগদ ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে ঢাকার টিকাটুলি থেকে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এশিয়া এয়ারকন পরিবহনের বাসটি দাউদকান্দি উপজেলার শহীদনগর এলাকায় পৌঁছালে একটি মাইক্রোবাস বাসটির গতিরোধ করে।
পরে ২-৩ জন ব্যক্তি ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে বাসে উঠে তোফায়েলকে হাতকড়া পরায় এবং জোর করে নামিয়ে আনে। এক পর্যায়ে তারা তার টাকা ভর্তি ব্যাগ ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঢাকার দিকে পালিয়ে যায়।
র্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানায়, ঘটনার পরদিন দাউদকান্দি থানায় একটি মামলা রুজু হয়।
এ মামলায় এর আগেই র্যাব-৩ রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে ইমরান হোসেন শাওন (২৯) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোলাইমানের নাম উঠে আসে।
গ্রেপ্তার সোলাইমান মাদারীপুরের কালকিনি থানার সাহেব রামপুর গ্রামের কালাম ব্যাপারীর ছেলে। তিনি ঘটনার সময় ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটির চালক ছিলেন।
র্যাব-৩ এর এই কর্মকর্তা জানান, সোলাইমানকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দস্যুতার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কথা নিশ্চিত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলায় চ্যাম্পিয়ন
কুমিল্লার বাঘা শরীফ বলী।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে অনুষ্ঠিত
জব্বারের বলী খেলার ১১৫তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয় কুমিল্লার বাঘা শরীফ ও রাশেদ।
ফাইনালে প্রায় ১১ মিনিট
লাড়াইয়ের পর কুমিল্লার
বাঘা শরীফের কাছে হার মানতে হয় রাশেদের।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি
হয়ে রাঙামাটির সৃজন চাকমাকে হারিয়ে ফাইনালে যান রাশেদ। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে রাসেলের
এর প্রতিপক্ষ ছিলেন কুমিল্লার
বাঘা শরীফ।
এদিকে
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয় পান সৃজন চাকমা। এর আগে বিকেল চারটায় শুরু হয় বলী
খেলার ১১৫ তম আসর। এতে অংশ
নেন ৮৪ জন বলী ।
মন্তব্য করুন


আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১ টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর
২৩ বীর এর অধীনস্থ আদর্শ সদর সেনা ক্যাম্প হতে টহলদল আদর্শ সদর উপজেলার শাসনগাছা রেলগেট
এলাকায় এক মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা বিক্রেতাকে হাতেনাতে আটক করে, তবে সেনাবাহিনীকে দেখে
ক্রেতারা পালিয়ে যায়।
মাদক ব্যাবসায়ী মোঃ রাসেল (২৫) তাঁর
নিকট হতে মোট ১৮০০ পিস ইয়াবা (প্রতি প্যাকেটে ৩০০ পিস), ১টি মোটরসাইকেল (মাদক পরিবহনের
জন্য ব্যবহৃত) সহ তাকে যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন