

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাধাইয়া বাজার ফুটওভার ব্রিজের পশ্চিম পাশে একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালানো হয়। খালেক মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে সন্দেহজনক গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি করলে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আটক রাসেল মিয়া (২৯) বরগুনা সদর উপজেলার সাহেরো হাওলা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মো. রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে এসআই (নিঃ) মো. মনিরুল ইসলাম চৌধুরী জব্দ তালিকা প্রস্তুত করেন। উদ্ধারকৃত মাদক ও ব্যবহৃত গাড়ি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের শারজাহ থেকে হায়দরাবাদগামী একটি ফ্লাইটে মাঝআকাশে বোমা হামলার হুমকি পাওয়া গেছে। হুমকি শনাক্ত হওয়ার পর পাইলট দ্রুত রুট পরিবর্তন করে বিমানটি জরুরি ভিত্তিতে মুম্বাইয়ে অবতরণ করান। এ ঘটনায় ১৮০-এর বেশি যাত্রী এবং ছয়জন ক্রুকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা আগে মদিনা–হায়দরাবাদ ফ্লাইটেও একই ধরনের হুমকি আসে, যা পাওয়ার পর বিমানটি আহমদাবাদে জরুরি অবতরণ করে এবং তল্লাশি চালানো হয়। আহমদাবাদ জোন-৪-এর উপ-পুলিশ কমিশনার অতুল বানসাল জানান, যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিমানের চারপাশ ও অভ্যন্তরে সতর্ক তল্লাশি সম্পন্ন হয়েছে। হুমকির কারণে ইন্ডিগোর নতুন ক্রু রোস্টারিং প্রণালীর কারণে প্রতিষ্ঠানটি বিপর্যয়ে পড়ে; বৃহস্পতিবার একদিনে ভারতে ৩০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে দিল্লি থেকে ৩৩টি, হায়দরাবাদ থেকে ৬৮টি, মুম্বাই থেকে ৮৫টি এবং বেঙ্গালুরু থেকে ৭৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে। এবার সারা দেশে প্রায় ৩২ হাজার মণ্ডপে পূজার আয়োজন হয়েছে।
পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৭১ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি মাসের শুরু থেকে অল্প কয়েকটি স্থানে ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে এসব ঘটনা প্রশমিত বা প্রতিকার করা হচ্ছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সব স্থানে পূজা উদযাপন কমিটি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। যেসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো মূলত সাধারণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বা স্থানীয় বিরোধের ফলাফল।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের এক বিবৃতিতে ২ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উল্লেখিত সংঘটিত নয়টি ঘটনার তিনটিতে জিডি, ছয়টিতে মামলা দায়ের হয়েছে এবং ছয়জন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। এরমধ্যে তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে পুলিশ দৃঢপ্রতিজ্ঞ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
মন্তব্য করুন


নারীর
ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নারী প্রধান পরিবারের
নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। পাইলট কর্মসূচির
আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী প্রধান পরিবার এই কার্ড
পাবে।
সোমবার
(৯ মার্চ) রাজধানীর সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
তিনি
জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার
মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা।
মন্ত্রী
বলেন, পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়া হবে।
পাইলট
প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচিটি
বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ জন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি
দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ওয়ার্ড
কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা,
বাসস্থান এবং ব্যবহৃত গৃহস্থালি সামগ্রীসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য
ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।
পাইলট
পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে প্রক্সি মিনস
টেস্ট বা দারিদ্র সূচকের ভিত্তিতে পরিবারগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
যাচাই-বাছাই
শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন
করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি
বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচনে দুর্নীতি
বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই।
ফ্যামিলি
কার্ডের আওতায় প্রতিটি নারী প্রধান পরিবারকে একটি স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। এতে কিউআর
কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের
পাঁচজন সদস্য সুবিধা পাবেন।
পাইলটিং
পর্যায়ে যোগ্য উপকারভোগীরা মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। এই অর্থ জি-টু-পি
পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
এ
কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা
হয়েছে বলেও জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী।
মন্তব্য করুন


ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চার দিনব্যাপী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চারদিনের সম্মেলনে দুই দেশ সীমান্ত হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাসহ বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয়।
বিজিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। অপর দিকে বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিহতের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশসহ হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএসএফ মহাপরিচালকের প্রতি জোর আহ্বান জানান। এ ছাড়া আঙ্গরপোতা-দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে সীমান্তে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করার বিষয়ে বিএসএফ মহাপরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
সম্মেলনে যেসব বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ একমত হয়েছে, সেগুলো হলো—
১. সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো, হত্যা, আহত বা মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যৌথ টহল বৃদ্ধি, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে, এমন তাৎক্ষণিক এবং আগাম গোয়েন্দা তথ্য একে অপরের মধ্যে আদান-প্রদান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণের মধ্যে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, বিভিন্ন ধরনের আর্থসামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং সীমান্তে যেকোনো হত্যা সংঘটিত হলে তার যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২. আলোচনায় সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা, কাঁটাতারের বেড়া, প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত হয়, এমন কোনো স্থাপনা বা বাংকার নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ পরিদর্শক দলের পরিদর্শন এবং যৌথ আলোচনার দলিলের ভিত্তিতে নির্মাণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বন্ধ থাকা অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপারে যথোপযুক্ত পর্যায়ে জয়েন্ট ভেরিফিকেশনের (যৌথ যাচাই) মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা হবে।
৩. বিভিন্ন ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ দমন, বিশেষ করে ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও গবাদিপশু পাচার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানব পাচার, স্বর্ণ, অস্ত্র, জাল মুদ্রার নোট প্রভৃতি চোরাচালান রোধ এবং এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।
৪. আন্তর্জাতিক সীমানা আইন লঙ্ঘন করে উভয় দেশের নাগরিক ও বাহিনীর সদস্যদের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ফলে সৃষ্ট ভুল–বোঝাবুঝি ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্তে উভয় বাহিনীর নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করা থেকে বিরত রাখতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
৫. মানব পাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, বিশেষ করে মানব পাচারের মতো অমানবিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত উভয় দেশের অপরাধী বা দালালচক্রের কার্যক্রম প্রতিরোধে পরস্পরকে সহায়তা এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত দেশের আইন অনুযায়ী উদ্ধার ও পুনর্বাসন করা হবে।
৬. উভয় পক্ষ ‘সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার’ আওতায় পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে উভয় বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষ আগামী দিনে যৌথ খেলাধুলা, জয়েন্ট রিট্রিট সেরিমনিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।
৭. এ ছাড়া আগরতলা থেকে আখাউড়ার দিকে প্রবাহিত সীমান্তবর্তী চারটি খালের বর্জ্য পানি অপসারণে উপযুক্ত পানি শোধনাগার স্থাপন, জকিগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে রহিমপুর খালের মুখ উন্মুক্তকরণ, আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান এবং তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির
টুঁটি চেপে ধরবে বিএনপি।
আজ
২৫ রবিবার ( জানুয়ারি ) দুপুর চট্টগ্রামের
পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি পলোগ্রাউন্ড মাঠে এসে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি হাত
নেড়ে সবাইকে অভিবাদন জানান।
বিএনপি
চেয়ারম্যান বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করা হবে দেশের
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। অপরাধী নিজ দলের হলেও কোনো ছাড় নয়। তারেক রহমান বলেন, কেবলমাত্র সার্টিফিকেট নয়, কর্মসংস্থান
ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে বিএনপি।
বিএনপি
প্রধান বলেন, কৃষক ভালো থাকলে ভালো থাকবে বাংলাদেশ। এ সময় তিনি খেটে খাওয়া মানুষকে
সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তারেক
রহমান বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সমালোচনা করলে দেশের মানুষের কোনো উপকার হবে না।
এরও আগে রবিবার সকালে চট্টগ্রামে রেডিসন ব্লু হোটেলে যুব সংলাপে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের
সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে
তিনি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, নারীর ক্ষমতায়নসহ দেশ গড়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তরুণদের
পরামর্শ গ্রহণ করেন তিনি।
চট্টগ্রাম
পলোগ্রাউন্ড মাঠে সমাবেশ শেষে ফেনীতে পাইলট স্কুল খেলার মাঠে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
হাইস্কুল মাঠ, সোয়াগাজী ডিগবাজির মাঠ ও দাউদকান্দি উপজেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে পৃথক
নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। এরপর নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বালুর মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে
যোগ দেবেন।
মন্তব্য করুন


গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র
থেমে নেই বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর
নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি
যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চেনার দিন। তেমনি ২০২৪
সালের ৫ আগস্ট ছিল শত্রু চিহ্নিত করার দিন। বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকলে
আর কেউ দেশের স্বাধীনতাকে বিপন্ন করতে পারবে না। রাজধানী ঢাকার রাজপথে আজ লাখো জনতার
মিছিল। দেশের পক্ষের শক্তিকে ৭ নভেম্বরের অন্তর্নিহিত শিক্ষায় দীক্ষিত করার মিছিল আজ।
লাখো জনতার আজকের এ মিছিল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আহত অসংখ্য ছাত্র-জনতা এবং হাজারো
শহীদের স্বপ্নের একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ী মিছিল।
বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী অপশক্তি জেনে রাখুক, রাজধানীর রাজপথে আজ কারো বিরুদ্ধে প্রতিবাদের
ঝড় তোলার মিছিল নয় বরং বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার মিছিল। নিজের ভোট প্রয়োগের অধিকার
আদায়ের মিছিল। বাংলাদেশে আর কখনো যেন ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচার ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য
প্রত্যেক নাগরিকের সরাসরি ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সক্ষমতা অর্জন জরুরি। স্থানীয় সরকার থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নির্বাচিত
হতে ইচ্ছুক জনপ্রতিনিধিদের যতক্ষণ জনগণের ভোটের প্রতি মুখাপেক্ষী না করা যায়, ততক্ষণ
পর্যন্ত জনগণ গণতন্ত্রের সুফল পাবে না। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ মুক্ত করে যতক্ষণ পর্যন্ত
জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে না আনা যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণ গণতন্ত্রের সুফল পাবে না।
গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশে-বিদেশে, প্রশাসনে তারা চক্রান্ত
চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র রমজান উপলক্ষে অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম
উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ।
আজ শনিবার পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা
জানান।
বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস রমজান আজ
আমাদের মাঝে সমাগত। পবিত্র এ মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে;
সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের অপূর্ব সুযোগ হয়।
ধনী-গরিব সবার মাঝে
পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার আহবান জানিয়ে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগবিলাস,
হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছৃঙ্খলতা ও সংঘাত পরিহার এবং জীবনের সর্বস্তরে পরিমিতিবোধ,
ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি। সিয়াম পালনের
পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করি এবং ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকি।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ আমাদের জাতীয় জীবনে পবিত্র মাহে
রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। মাহে রমজান আমাদের জীবনে বয়ে আনুক
অনাবিল শান্তি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন, আমিন।
মন্তব্য করুন


আজ
সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের
নিকলিতে। একদিন আগে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল নওগাঁর
বদলগাছীতে।
বৃহস্পতিবার
(১১ জানুয়ারি) পৌষ মাসের ২৭ তারিখ। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা খুব বেশি কমার সম্ভাবনা
নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে আগামী সপ্তাহে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন
তারা।
বৃহস্পতিবার
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার
হোসেন বলেন, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত
থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর
পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক
যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং অন্যত্র এটি অপরিবর্তিত
থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


আজ (৬ মে) থেকে সারা দেশে টানা সাত-আট দিন বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া
অধিদপ্তর। কোথাও কোথাও কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া
অধিদপ্তর।
পরবর্তী
পাঁচ দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতে বলা হয়েছে,
এ সময়ও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। সে হিসেবে আগামী এক সপ্তাহ টানা
বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওবিদ
মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত ওই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিন দেশের বিভিন্ন জেলায় ভারি বৃষ্টি, কোথাও কোথাও
বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দমকা হাওয়াসহ শিলাবৃষ্টির আভাস রয়েছে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
এ
সময়ের শুরুতে দিনের তাপমাত্রা কমতে এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পরে তা
অপরিবর্তীত থাকবে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে যৌতুকবিহীন ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
বিয়ে পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা জুহাইরুল হাসান।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্ব ইজতেমায় যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বায়নের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমা।আজ বাদ আসর ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
প্রতিবছর বিশ্ব ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতের আগের দিন যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়। এ বছরও বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এবার ১৪২ জন নারী-পুরুষের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
আগামী রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।
মন্তব্য করুন