

প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি জায়গা চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত
মন্ত্রণালয়। গণভবনের পাশেই নির্মাণ করা হবে এই বাসভবন। ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ
শুরু করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চূড়ান্ত মতামত নিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন’ তৈরির কাজ শুরু করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর।
তবে
সেটি তৈরি হতেও দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। সে সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন
‘যমুনা’ অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবনকে প্রধানমন্ত্রীর
বাসস্থান হিসেবে নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। এটি নির্ভর করবে হবু প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের
ওপর। তিনি চাইলে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে লাগোয়া ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকেও যুক্ত
করে দেওয়া হবে।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পরই শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন হিসেবে শেরেবাংলানগরের ‘গণভবন’ নির্ধারিত ছিল। জুলাই অভ্যুত্থানের
পর সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’
হিসেবে তৈরির উদ্যোগ নেয় এবং জাদুঘর তৈরির কাজ এখন শেষের পথে।
প্রধানমন্ত্রীর
নতুন বাসভবন যে এলাকায় নির্মিত হচ্ছে, তাতে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের নকশায় কোনো ব্যত্যয়
হবে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে স্থাপত্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলরা
এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী
সরকার।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি)
বিকেলে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানা।
তিনি বলেন, বৈঠকে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশের
খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। সেইসঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অধ্যাদেশ-২০২৬-এর
খসড়া চূড়ান্ত এবং বাংলাদেশ প্রাণী ও প্রাণীজাত পণ্য সংঘনিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া
নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে প্রতিবছর ২৩ মার্চকে ‘বিএনসিসি ডে’ হিসেবে
ঘোষণা; জাতিসংঘের নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তিবিরোধী
কনভেনশনের ৭০(১) ধারার আওতায় বাংলাদেশ কর্তৃক পূর্বে দেওয়া ঘোষণা প্রত্যাহার; ক্যারিবিয়
দেশ গায়ানায় বাংলাদেশের একটি নতুন কূটনৈতিক মিশন (সারফেয়ার্স/লোয়ার লেভেল মিশন)
খোলা; ২০২৫-২৮ সময়কালের জন্য আমদানি নীতি আদেশের খসড়া; নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
অধ্যাদেশ-২০২৬; কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত
এবং আন্তর্জাতিক পারিবারিক আইনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে নেদারল্যান্ডসের
হেগভিত্তিক হেগ কনভেনশন অন সিভিল অ্যাসপেক্টস অব ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড অ্যাবডাকশন-১৯৮০-এ
বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার প্রস্তাব বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে।
এসব সিদ্ধান্ত নারীদের সুরক্ষা, মানবাধিকার, ক্রীড়া
উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, বাণিজ্য ও নগর উন্নয়নে কাঠামোগত সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখবে জানান প্রেস সচিব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার
দায়িত্ব আমাদের। তা নিয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বিবিসি হিন্দিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি
এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রকাশিত
ওই সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানকার সংখ্যালঘুরা আমাদের নাগরিক। তাদের
নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এ বিষয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই। যেটা নিয়ে ভারতের
বলা প্রয়োজন সেটা হলো, গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা।
এই প্রশ্ন করা যেতে পারে, বাংলাদেশের
বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত কী ধরনের সাহায্য করতে পারে? এ বিষয়ে কথা বলা প্রয়োজন।
আরও বলতে চাই, ভারতের গণমাধ্যম আমাদের সরকারকে নিয়ে ভুল সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। ভারতের
উচিত এ বিষয়ে একটা সীমা টানা। আমরা চাই, তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনা হোক এবং সম্পর্ক উন্নয়নের
প্রশ্নেও আলোচনা হোক।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামী
লীগ জুলাই-আগস্টে যে গণহত্যা ঘটিয়েছে, সেটাকে ভারত কীভাবে দেখে, তা ভারত এখনো স্পষ্ট
করেনি। কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে। কিন্তু ভারত এ বিষয়ে
কোন কথা বলেনি। উপরন্তু, যার (শেখ হাসিনা) ওপরে এ ঘটনার দায় বর্তায়, ভারত তাকে আশ্রয়
দিয়েছে। যে ব্যক্তি তার স্বজনকে হারিয়েছে, ভারত যদি তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়, তাহলে
বাংলাদেশের জনগণ সেটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবে। আমি চাই, ভারত আমাদের সহায়তা করুক,
যাতে যারা গণহত্যা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এখানে যা কিছু
হয়েছে তা আমাদের নজরে আছে। মানুষের যে কষ্ট হয়েছে, সে সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল। এটাও
মনে রাখতে হবে, যদি সময়মতো (গণঅভ্যুত্থানের পরপর) ব্যবস্থা না নেওয়া হতো, তাহলে পরিস্থিতি
আরও খারাপ হতো। দুর্গাপূজার কথাই ধরেন। বলা হচ্ছিল, আরও সহিংসতা হবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করেছি। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হয়েছে।
আমাদের সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কথা বলেছে, আশ্বস্ত করেছে। তারাও এতে আশ্বস্ত হয়েছেন।
আমি তো বলব, অন্য কোনো সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেনি, যা আমরা
গত তিন মাসে করেছি। আগের সরকারগুলো এ বিষয়ে শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নিয়েছে। তাদের ওপর
থেকে সংখ্যালঘুদের আস্থা কমে গিয়েছিল। আমাদের এসব ঠিক করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি,
তাদের কিছু বিষয় আছে, যা এখনই সমাধান হওয়ার নয়। এজন্য আমাদের সময় দিতে হবে। আওয়ামী
লীগ সরকারের বিদায়ের পর কিছু উগ্র ও কট্টরপন্থি সংগঠনের তৎপরতা বাড়তে পারে। এ কারণে
শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতের নিরাপত্তারও সমস্যা হতে পারে—এ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনো কোনো সহিংসতা বা উগ্রবাদী সংগঠনকে সমর্থন করে না। বাংলাদেশের
মানুষ গণতান্ত্রিক সরকার চায়। আপনি যা বলছেন সেটা আওয়ামী লীগের প্রচার করা অসত্য বয়ান।
তারা বলত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর তৎপরতা বেড়ে যাবে। এসব
বলে বলে তারা এত বছর বাংলাদেশ শাসন করেছে। ভারতও এই বয়ান সমর্থন করে। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে
আওয়ামী লীগ সরকারে থাক বা না থাক, এটা দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে কেন প্রভাব পড়বে?
এর মানে হলো, ভারত এ দেশের মানুষের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছিল।
বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে এ প্রশ্ন উঠত না। যেমন- আমরা দেখি না ভারতে
কে ক্ষমতায়, বিজেপি না কংগ্রেস। সে রকমই এখানেও এটাই হওয়া উচিত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
আছে না নেই, সে প্রশ্ন থাকা উচিত নয়। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমি শুধু এটাই বলব, বিষয়গুলো
আওয়ামী লীগের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই উচিত। আমরা দুই দেশ একে অপরকে সঙ্গ দিলে উভয়ের
কল্যাণকর কাজ করা সম্ভব। আমরা কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করিনি। কোনো প্রকল্পও
বন্ধ করিনি। সবকিছু আগের মতোই চলছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসভবনে গেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে
বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় উপস্থিত হন দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরামের
নেতারা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল
কবির খান জানান, খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর। আর স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে আছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার
জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম
খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে এলডিপির
চেয়ারম্যান অলি আহমদ সাক্ষাৎ করেছেন বলেও জানান তিনি।
বিএনপির নেতারা বলছেন, উন্নত চিকিৎসার
জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বেগম খালেদা জিয়া।
তাই তার আগে দলের স্থায়ী কমিটির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। সাক্ষাতের সময়ে দেশের
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী দিনের বিএনপির করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া কয়েকদিন
আগে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সেনাপ্রধান সাক্ষাৎ করে গেছেন। এই বিষয়ে নেতাদের সঙ্গে
আলোচনা হতে পারে। তাছাড়া তিনি কত মাস পর আবার দেশে ফিরবেন সেটি এখনও চূড়ান্ত নয়, কারণ
তিনি বিভিন্ন ধরনের রোগে ভুগছেন, ফলে তারা যাত্রা দীর্ঘ হবে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে সবার
কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার বিষয় রয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন,
এটা মূলত ম্যাডাম চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আগে আমাদের আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। সবকিছু
ঠিক থাকলে আগামী ৭ জানুয়ারি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে। ‘এটা তো
স্বাভাবিক বিষয়, ম্যাডামের সাক্ষাতে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা হবেই।
মন্তব্য করুন


গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হতে ০৯ মার্চ ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত বিলাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) বিরুদ্ধে সফল অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উক্ত অভিযানে সেনাবাহিনী কর্তৃক সার্বক্ষণিক নজরদারি ও সর্বত্র প্রভাব বিস্তারের ফলে কেএনএ সহ অন্যান্য সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো লোকালয় ত্যাগ করে। সেনাবাহিনী সফল অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের একাধিক অস্ত্রের অবস্থান, গুপ্তাশ্রয় ও আস্তানা চিহ্নিত ও ধ্বংস করে। এই অভিযানের ফলে কেএনএ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী দলগুলো আরো কোনঠাসা হয়ে পড়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে স্থানীয় জনগণ। অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকায় স্ব স্ব ক্যাম্পে প্রত্যাবর্তন করেছে সেনাবাহিনীর টহল দল। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরে বিদেশি পিস্তলসহ মো. রাসেল ও মো. ইমরান নামের ২ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ১টি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয় তাদের কাছ থেকে।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ।
এর আগে সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাদেরকে আটক করা হয় সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রাম থেকে।
গ্রেফতারকৃত রাসেল দেওপাড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে ও ইমরান একই এলাকার তাজল ইসলাম সুমনের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মাদকসহ বিভিন্ন ঘটনায় ৪টি করে ৮টি মামলা রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে রাসেল ও ইমরানকে আটক করা হয়। পরে রাসেলের কাছ থেকে ম্যাগাজিন সংযুক্ত পিস্তলটি জব্দ করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নোয়াখালীর কবিরহাটের চাঁনপুর শাহা গ্রাম থেকে একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে পুলিশ।
লক্ষ্মীপুরের এসপি মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত
সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আইনটি বাতিলের সঙ্গে সঙ্গে এর অধীনে সাংবাদিকদের
বিরুদ্ধে হওয়া সব হয়রানিমূলক মামলাও বাতিল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন, আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা
ক্লাবে ‘ডিআরইউ-দেশ টিভি বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বহুল আলোচিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়। সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে এই আইন
ব্যবহার হয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, সাইবার
সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ আইনের অধীনে সব মামলা বাতিল হয়ে যাবে,
এ মামলার জন্য সাংবাদিকদের আবেদন করা লাগবে না। তবে এ আইনের আওতায় হওয়া পর্নোগ্রাফি
ও যৌন হয়রানির মামলাগুলোর বিচার চলবে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় শহীদ পরিবারে পক্ষ
থেকে কোনো মামলা হলে সেখানে আমাদের কিছু করণীয় নেই। এক্ষেত্রেও সংবেদনশীলতার বিষয়টি
আমরা দেখতে বলেছি।
মন্তব্য করুন


আজ শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন এ এফ হাসান আরিফ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে চীনা
নাগরিকদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল একটি গোপন আইফোন সংযোজন কারখানা।
কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশ থেকে আনা যন্ত্রাংশ দিয়ে সেখানে অবৈধভাবে আইফোন তৈরি করে স্থানীয়
বাজারে সরবরাহ করা হতো।
ঢাকার উত্তরা
ও নিকুঞ্জ এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দেড় বছর ধরে সক্রিয় থাকা এই প্রতারণা
চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে বিভিন্ন
মডেলের ৩৬৩টি আইফোন, আইফোনের যন্ত্রাংশ এবং মোবাইল ফোন তৈরির নানা ধরনের মেশিনারিজ
জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য
জানান ডিবি মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।
তিনি জানান,
গত ৭ জানুয়ারি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর ও নিকুঞ্জ-১
এলাকায় একযোগে অভিযান চালায়। এ সময় উত্তরা এলাকা থেকে ৫৮টি মোবাইল ফোনসহ একজনকে এবং
নিকুঞ্জ-১ এলাকা থেকে ৩০৫টি মোবাইল ফোনসহ দুই চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে
অবৈধ মোবাইল ফোনের পাশাপাশি আইফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, পার্টস সংযোজনের মেশিন এবং
বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
ডিসি মহিউদ্দিন
মাহমুদ সোহেল আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি বিদেশ থেকে আইফোনের বিভিন্ন
পার্টস আলাদাভাবে অবৈধ পথে দেশে এনে ঢাকায় একটি গোপন ল্যাব স্থাপন করে। সেখানে যন্ত্রাংশ
সংযোজন করে আইফোনের আদলে ভুয়া মোবাইল ফোন তৈরি করা হতো এবং সেগুলো আসল আইফোন হিসেবে
বাজারে বিক্রি করা হতো। প্রায় দেড় বছর ধরে এই অবৈধ কার্যক্রম চলছিল এবং এ সময়ে বিপুলসংখ্যক
ভুয়া মোবাইল বাজারে সরবরাহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চক্রটির সঙ্গে
বাংলাদেশি কেউ জড়িত আছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্তে কয়েকজনের নাম
পাওয়া গেলেও তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
ডিবির এই কর্মকর্তা
সাধারণ মানুষকে মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কম দামে
‘অরিজিনাল আইফোন’ বিক্রির প্রলোভনে পড়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। তাই অনুমোদিত
ও অফিসিয়াল শোরুম কিংবা বিশ্বস্ত উৎস ছাড়া মোবাইল ফোন না কেনার অনুরোধ জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের (৩০০ ফিট এলাকা) সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় লাখ লাখ নেতাকর্মী তাকে অভিবাদন জানান। তিনিও
হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের অভিবাদনের জবাব দেন।
বৃহস্পতিবার
(২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টা ৫০ মিনিটে সংবর্ধনাস্থলের মঞ্চে ওঠেন তিনি।
এর
আগে, কড়া নিরাপত্তায় বিমানবন্দর থেকে ৩০০ ফিটের সংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেন তারেক
রহমান। সবার আগে বাংলাদেশ' ব্রান্ডিংয়ে লাল-সবুজের একটি বাসে করে সেখানে পৌঁছান তিনি।
এ সময় রাস্তার দুই পাশে নেতাকর্মীরা তাকে অভিবাদন জানান।
এদিকে,
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাসে ওঠার পূর্বে তারেক রহমান জুতা খুলে মাটিতে পা রাখেন এবং
হাতে এক মুঠো মাটি নেন।
এর
আগে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সপরিবারে দেশে পৌঁছান তারেক রহমান। এ সময় তার
সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
প্রসঙ্গত,
রাজধানীর পূর্বাচলের জুলাই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেয়ার পর মা খালেদা জিয়াকে দেখতে
এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় ২
জন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৫ জুন) সকাল সোয়া ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী এলাকায়। কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, লিচুবাহী একটি
ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন থেকে একটা কাভার্ডভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলে
মারা যান ট্রাকে থাকা ২ জন।
কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, চট্টগ্রামমুখী লিচুবাহী ট্রাকটি বেপরোয়া গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এতে কাভার্ডভ্যান ও লিচুবাহী ট্রাকটি রাস্তার পাশে পড়ে
যায়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান ট্রাকের ভেতরে থাকা দুইজন। প্রাথমিকভাবে এখনও
শনাক্ত করা যায়নি তাদের পরিচয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত দুইজন হলো: ট্রাকের চালক
ও চালকের সহযোগী।
মন্তব্য করুন