

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জান- মাল ও
সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার
লক্ষ্যে দেশব্যাপী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ অক্টোবর ২০২৪ (শনিবার)
রাত আনুমানিক সাড়ে ৯ টার দিকে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ডিএমপির মোহাম্মদপুর
থানাধীন বছিলা হাউজিং এর মিনি সুপারশপে চাঞ্চল্যকর দুর্ধষ ডাকাতি ঘটনার প্রধান
আসামি মোঃ আসলাম ওরফে রুবেল আলমকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তার তথ্য অনুযায়ী তার আরেকজন সহযোগী
পরিকল্পনাকারি মজিদকে যৌথবাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের ডাকাতির কথা স্বীকার করে। ডাকাতি হওয়া সুপারশপের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায়, ডাকাতদলের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। এ সময় তারা দোকানের কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা নিয়ে যায়। গ্রেফতারের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের উন্নত চিকিৎসা এবং আহতদের ও শহীদদের
স্বজনদের পুনর্বাসনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি আলাদা বিভাগ গঠন করা
হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেট-খামারবাড়ি এলাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্বজন ও আহতদের সঙ্গে বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি
এ কথা জানান।
অনুষ্ঠানে
বক্তব্য দিতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, শহীদ ও আহত পরিবারের অনেকেই তাদের কষ্ট ও অভিজ্ঞতার
কথা তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে সবাইকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া
সম্ভব হয়নি। এজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
তিনি
আরও বলেন, আপনারা যখন আপনাদের কষ্ট ও ব্যথার কথা জানাতে সবার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা
করেছিলেন, তখন আমরা একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাই। ১৯৭১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান
ও মর্যাদা রক্ষার জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
গঠন করেছিল। ইনশাআল্লাহ, জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে সেই মন্ত্রণালয়ের
আওতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্বজন ও আহতদের জন্য একটি আলাদা ডিপার্টমেন্ট করা
হবে, যাদের দায়িত্ব হবে এ মানুষগুলোর দেখভাল করা।
তারেক
রহমান বলেন, ওই বিভাগ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি
সহায়তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে পরিবারগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ যত্ন
ও সম্মান পায়।
বিএনপির
চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামী দিনে সরকার
গঠন করতে সক্ষম হলে এ শহীদ পরিবারে যারা আছেন, জুলাই যোদ্ধা যারা আছেন, তাদের যে কষ্টের
কথাগুলো যে কজন মানুষ তুলে ধরেছেন, এ কষ্টগুলো যাতে আমরা কিছুটা হলেও সমাধান করতে পারি,
যাকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি, তাকে তো ফিরিয়ে আনতে পারবো না, কিন্তু যারা পেছনে রয়ে গিয়েছেন
সেই পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা যেন দেখভাল করতে পারি, তারাও মুক্তিযোদ্ধা,
তারাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য।
‘একাত্তর সালে এ দেশের মানুষ এ দেশের
স্বাধীনতা অর্জনের জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যোদ্ধারা ত্যাগ
স্বীকার করেছিলেন। ঠিক একইভাবে ২৪ এর যে যোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন, তারা স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব
রক্ষায় যুদ্ধ করেছেন।
স্বাধীনতা
স্বার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছিল ৭১ সালে, তাকেই আবার রক্ষা করা হয়েছে ২০২৪ সালে। মুক্তিযুদ্ধ
মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আমরা আরেকটি ডিপার্টমেন্ট করব, যাদের কাজই হবে এ মানুষগুলোর দেখভাল
করা’, যোগ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য ও পণ্য সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখার
জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয় থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চারটি বিভাগের ৩১টি জেলার কর্মকর্তাদের
সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত হয়ে এই নির্দেশ দেন তিনি।
ভিডিও কনফারেন্সে তিনি কর্মকর্তাদের
নিজ নিজ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, কৃষি
পণ্য সংরক্ষণ, সার সরবরাহ এবং শিল্প এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য নিবিড়ভাবে
কাজ করার নির্দেশ দেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কর্মকর্তারা এই ভিডিও
কনফারেন্সে যোগ দেন। কনফারেন্সে ১৯ জন বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ পুলিশ
প্রধান, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার পর্যায়ের কর্মকর্তা বক্তব্য রাখেন।
কনফারেন্সের সমাপনী বক্তব্যে প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, কর্মকর্তাদের বক্তব্য ও মতামত আগামীদিনে
সরকারকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে। এটা আমার জন্য প্রথম সুযোগ ছিল আপনাদের সঙ্গে
কথা বলার। অনেক কিছু শিখলাম, অনেক বিষয়ে নিজেকে অবহিত করলাম। এটা আমাদের কাজে সহায়ক
হবে।’
ড. ইউনুস বলেন, সামনেই রমজান আসছে,
রমজানকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্যের দিকে আপনারা বিশেষভাবে নজর রাখবেন। শুধু দ্রব্যমূল্য
নয়, জিনিসপত্র আনা-নেওয়া আরও কীভাবে সহজ করা যায় সে বিষয়েও কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার
যে ১৫টি কমিশন গঠন করেছে, তার মধ্যে বেশ কয়েকটি কমিশন খুব শিগগিরই তাদের প্রতিবেদন
দেবে। এসব প্রতিবেদনের পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে, নাগরিকদের সঙ্গেও
আলোচনা হবে। এর মধ্যে দিয়ে দেশে নির্বাচনের একটি আবহও তৈরি হবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মন্ত্রী পরিষদ
সচিব শেখ আব্দুর রশিদ।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ায় মরদেহ জিয়া উদ্যানে নেয়া হয়েছে। সেখানেই
স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা
হবে।
বুধবার
(৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে তার মরদেহবাহী গাড়ি জিয়া উদ্যানে পৌঁছায়। এরপর ফ্রিজার
ভ্যান থেকে তার মরদেশ নামানো হয়। তারপর একটি ভ্যানে করে খালেদা জিয়ার মরদেহ সমাধি চত্বরে
নেয়া হয়।
এর
আগে, বিকেল ৩টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। জানাজায় সারাদেশ থেকে আসা লাখ লাখ মানুষ অংশ নেয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল
মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধান,
তারেক রহমান ও বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মানিক মিয়া
অ্যাভিনিউতে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার, যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ, রাশিয়া, চীন, ইরান, কাতারসহ
৩২ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।
এ
দিন সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটের দিকে কঠোর নিরাপত্তায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা
জিয়ার মরদেহ নেয়া হয়। রাষ্ট্রীয় প্রোটকলে লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো ফ্রিজার
ভ্যানে করে তার মরদেহ আনা হয়।
এর
আগে, বেলা ১১টার দিকে ছেলে গুলশানে তারেক রহমানের বাসা থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী
ফ্রিজার ভ্যানটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। তার আগে সকালে রাজধানীর
এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ গুলশানে নেয়া হয়।
প্রসঙ্গত,
গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়ার মৃত্যুবরণ
করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায়
ভুগছিলেন।
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক–সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন যে সরকার এখন প্রবাসীদের নিজস্ব ব্যবহারযোগ্য ফোন ছাড়াও বিদেশ থেকে অতিরিক্ত দুইটি নতুন মোবাইল আনার সুযোগ দিচ্ছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ফোন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে কোনো নতুন আইন করা হয়নি, অথচ সামাজিকমাধ্যমে এ নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। গুজব ও ভিত্তিহীন প্রচারণা থেকে দূরে থাকতে তিনি প্রবাসীদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, বিদেশ থেকে একাধিক ফোন আনলেই ট্যাক্স দিতে হবে—এমন কোনো নতুন নিয়ম চালু হয়নি। পূর্বের সরকার যেখানে প্রবাসীদের ব্যবহৃত ফোনের সঙ্গে মাত্র একটি নতুন সেট আনতে দিত, বর্তমান সরকার সুবিধা বাড়িয়ে দুইটি নতুন সেট আনার অনুমতি দিয়েছে। অর্থাৎ, প্রবাসীরা এখন ব্যক্তিগত ফোনসহ মোট তিনটি ডিভাইস আনতে পারবেন। তবে যদি দুইটির বেশি নতুন ফোন আনা হয়, তাহলে শুধু অতিরিক্ত সেটের জন্যই শুল্ক দিতে হবে। এনবিআর ব্যাগেজ রুল সংশোধনের মাধ্যমেই এই নতুন সুবিধা কার্যকর হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এই সুবিধা কেবল তাদের জন্য যারা বিএমইটি (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়) থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে গেছেন। অন্য যাত্রীদের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে।
ফোন রেজিস্ট্রেশন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, নতুন কোনো আইন না হলেও ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে যে কেউ নতুন মোবাইল ব্যবহার করলে ৬০ দিনের মধ্যে সেটি নিবন্ধন করতে হবে—এটি দেশের সব নাগরিকের জন্যই প্রযোজ্য। অপহরণ, হুমকি, চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণের মতো অপরাধ ঠেকাতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য কাউকে হয়রানি করা নয়, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গুজব ও গিবত ইসলামের দৃষ্টিতে মারাত্মক পাপ। কেউ কেউ মিথ্যা প্রচার করছে যে প্রবাসীরা নাকি দেশে সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাকতে পারবেন—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি এসব অসত্য ও কুৎসামূলক প্রচারণা বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমকে নির্বাচন কমিশন শোকজ করেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) পঞ্চগড়-১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সূত্র জানায়, জামায়াতের আমিরের জনসভা উপলক্ষে এলাকায় তোরণ, বিলবোর্ড ও ব্যানার স্থাপন করা হয়। এই ধরনের প্রচার সামগ্রী নির্বাচন আচরণবিধির নিয়মের পরিপন্থী হওয়ায় সারজিস আলমের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। সন্তোষজনক জবাব না এলে নির্বাচন কমিশন তার অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ
শনিবার (১৯ জুলাই) রাতে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে জামায়াত আমিরকে দেখতে আসেন প্রেস
সচিব। সাক্ষাতের পর গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।
প্রেস
সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের খোঁজখবর নিচ্ছেন। এখানে আসার
আগে আমি উনার (প্রধান উপদেষ্টার) হয়ে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে কয়েকবার কথাও বলেছি।
তিনি
বলেন, জামায়াত আমির সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।
প্রেস
সচিব শফিকুল আলম আরও বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশের সব দলের রাজনৈতিক নেতারা সুস্থ থাকুন,
ভালো থাকুন। দেশ গড়ার কাজে সবাই অবদান রাখুন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
হারানো অস্ত্রের সন্ধান দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়া হবে।
এ সময় তিনি জানান,
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুমানিক ৭০০ অস্ত্র উদ্ধার এখনো বাকি রয়েছে।
আজ রোববার (১০
আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা
সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হারানো
অস্ত্রগুলো উদ্ধার করতে আমরা একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি৷ যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হারানো
অস্ত্রের সন্ধান দিতে পারবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। দ্রুত এ সংক্রান্ত একটি কমিটি
গঠন করা হবে, যা পরবর্তীতে মিডিয়ায় জানিয়ে দেওয়া হবে।
গাজীপুরে সাংবাদিক
তুহিন হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক৷ এ ধরনের
ঘটনা ঘটুক সমাজে কেউ চিন্তাও করতে পারে না৷ জাতি হিসেবে আমরা খুব অসহিষ্ণু হয়ে গেছি৷
আগে সমাজে কোনো খারাপ কাজ ঘটলে লোকজন ঝাঁপিয়ে পড়ত সেটা প্রতিহত করার জন্য৷ কিন্তু আজকাল
সেটা খুব কমে গেছে৷ এখন সবাই ভিডিও করে৷ অপরাধ প্রতিহত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব৷ সবসময়
সব জায়গায় তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকেন না৷ সে সময় উপস্থিত জনতারই
প্রাথমিকভাবে অপরাধ প্রতিরোধ বা প্রতিহত করা উচিত। উপদেষ্টা এ সময় গাজীপুরের ঘটনায়
জড়িতদের বেশিরভাগকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান।
নিউমার্কেট থেকে
১১০০ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব অস্ত্র যারা তৈরি করেন, তাদের আরও
সতর্ক হতে হবে। তারা জানে- কারা এসব ব্যবহার করছে। যারা এগুলো করছে তাদের আইনের আওতায়
আনা হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও
বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নয়। এর
সঙ্গে যুক্ত রয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন,
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সর্বোপরি জনগণ। আশা করি, আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ
নির্বাচন উপহার দিতে পারব। উপদেষ্টা এ সময় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের
নিরাপত্তার জন্য অস্ত্রসহ একজন বাড়তি আনসার সদস্য (গানম্যান) নিয়োজিত থাকার সিদ্ধান্তের
কথা জানান।
ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, পিএসসি প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীরের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্টদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি আজ সোমবার (২৮
অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে সাক্ষাত করেছেন।
বৈঠককালে উভয় নেতা দু’দেশের বিদ্যমান
পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার পাশাপাশি মানবাধিকার, সুশাসন, দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক
স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠক শেষে, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জানান, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা
সংস্থা-‘সার্ক’কে সত্যিকারার্থে কার্যকর আঞ্চলিক সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব
দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নেপালের সাথে আমাদের সম্পর্ক
দীর্ঘদিনের। দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সম্ভাবনার নানা বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা
করেছি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নেপালের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে মানবাধিকার,
সুশাসন, দ্বি-পাক্ষিক ও আঞ্চলিক সম্পর্কের
প্রতিফলন আগামী দিনগুলোতেও আমরা দেখতে চাই।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে অবস্থানরত ডেনমার্ক, নরওয়ে ও সুইডেন এর রাষ্ট্রদূতগণের সাথে জাতীয় নাগরিক পার্টি - এনসিপি নেতৃবৃন্দের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নরওয়েজিয়ান রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্রান্ডসেন এর বাসভবনে প্রাতরাশের আমন্ত্রণে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইক্স, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার সহ সকলে মিলিত হন।
এনসিপি’র প্রতিনিধি দলে ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক ও আন্তর্জাতিক সেল প্রধান সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, যুগ্ম সদস্য সচিব ও আন্তর্জাতিক সেল উপ-প্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও ইউরোপ ডেস্কের দায়িত্বে থাকা নাভিদ নওরোজ শাহ্।
আলোচনায় উঠে আসে সমসাময়িক রাজনীতির নানান আলাপ। রাষ্ট্রদূতগণ সংস্কার ও জুলাই সনদ নিয়ে ঐকমত্যের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। সেই সাথে আগামী নির্বাচন ঘিরে এনসিপি’র প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়। উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারো
নেই।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মব জাস্টিসের ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। কাল দেখলাম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হত্যা হয়েছে। তারা তো সবচেয়ে শিক্ষিত, তাদের সচেতনতা আসতে
হবে। একজন অন্যায় করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার
কারও নেই। একজন অন্যায় করলে আইনের হাতে তাকে তুলে দেন। নিরপরাধ লোক যেন কোনো অবস্থায়
হেনস্তা না হয় জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে দায়ের করা মামলাগুলোয়
বিপুল সংখ্যক আসামি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, এখন পুলিশ মামলা করছে না, করছে সাধারণ জনগণ। আগে পুলিশ মামলা দিতো,
এই সময়ে কোনো পুলিশ একটা মামলা দিয়েছে? আগে পুলিশ ১০ জনের নাম দিয়ে ১০০ জনের নাম দিতো
অজ্ঞাত। আজ পর্যন্ত কিন্তু পুলিশ (মামলা) দিচ্ছে না। এটা কিন্তু সাধারণ পাবলিকরা দিচ্ছে।
মিডিয়াতেও বলছি, পেপারে দিয়েছি যে সাধারণ লোক যেন হেনস্তা না হয়। তদন্ত ছাড়া কাউকে
এরেস্ট করা হবে না। ডিবিকে আজকেই নির্দেশনা দিয়েছি। পরিচয় তারা নিজেরা দেবে, তারপর
ধরবে। এখানে ধরার কথা শুধু অপরাধীদের সাধারণ মানুষদেরকে তো ধরবে না। বাংলাদেশ পুলিশকে
পুরোনো রূপে মানবিক পুলিশ হতে উজ্জীবিত করে কীভাবে তাদের পুরোনো গৌরব ফিরে পাওয়া যায়
এবং জনবান্ধব পুলিশ যেন বাস্তবে হয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। থানা পর্যায়ে লোকজনকে অনেক
সময় বিভিন্ন কাজের জন্য গিয়ে তাদের যে সমস্যা সেটা সমাধান করতে পারে না, সবসময় সমাধান
সম্ভবও নয়। কিন্তু তারপরেও কীভাবে সমাধান করা যায় এটা বলা হয়েছে। প্রধানত আলোচনা হয়েছে
তাদের যে পুরোনো ফর্মে যেন পুলিশ যতো তাড়াতাড়ি ফিরে যেতে পারে। তারা যেন জনবান্ধব পুলিশ
হতে পারে। জনগণের একটা আশা, তারা যেন জনবান্ধব পুলিশ হতে পারে। সবার একটা আশা জনবান্ধব
পুলিশ। ট্রাফিকে যে একটা সমস্যা হচ্ছে, এই ট্রাফিকটা কীভাবে উন্নত করা যায়, চাঁদাবাজি
কীভাবে বন্ধ করা যায় এ সম্পর্কে বলা হয়েছে। চাঁদাবাজিটা যদি বন্ধ হয় জিনিসপত্রের দামটা
একটু সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। এই চাঁদাবাজি যেন না হয়, প্লাস এই ঘুষ এবং দুর্নীতিতে
আমাদের সমাজটাকে গ্রাস করে নিছে। এটাকে কীভাবে বন্ধ করা যায় এগুলো সম্পর্কে তাদের সঙ্গে
আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন