

কমনওয়েলথের সহকারী মহাসচিব প্রফেসর লুইস ফ্রান্সেচি জানিয়েছেন কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশের পাশে থাকবে ।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন তিনি।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সারা পৃথিবী থেকে সমর্থন পেয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার কেয়ারটেকার সরকার নয়, এটি বিপ্লবী সরকার তাই শুধুমাত্র নির্বাচন দেওয়াই এই সরকারের কাজ নয়। ইতোমধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য বিভিন্ন কমিশন গঠন করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার শেষে নির্বাচন দেওয়া হবে। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে যে গণহত্যা হয়েছে তার বিচার প্রক্রিয়া চলমান আছে। এই বিচার প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে কমনওয়েলথের সহযোগিতা প্রয়োজন।
পাশাপাশি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন উপদেষ্টা।
সহকারী মহাসচিব প্রফেসর লুইস ফ্রান্সেচি বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সংস্কারসহ সরকারের চলমান সংস্কার উদ্যোগের প্রতি সম্ভাব্য সব উপায়ে কমনওয়েলথের সমর্থনের আশ্বাস দেন।
তিনি বৈষম্যমুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য কমনওয়েলথের অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন।
লুইস ফ্রান্সেচি বলেন, তারা সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছে এবং তারা শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, গণমাধ্যম, সাইবার নিরাপত্তা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশকে স্বৈরাচারী বা অগণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা থেকে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে।
এ বিষয়ে কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
দেশের স্বার্থরক্ষা হয় এমন যেকোনো কাজ করতে অন্তবর্তী সরকার প্রস্তুত বলেও উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মুহম্মদ মেহেদী হাসান, কমনওয়েলথের অ্যাডভাইজার অ্যান্ড হেড অব এশিয়া ড. দিনুসা নিহারাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


মহিষের উৎপাদন বাড়ানো আহ্বান জানিয়ে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, একসময় কৃষি কাজে প্রাণী হিসাবে মহিষকে
বিবেচনা করা হতো আর এখন মহিষ মাংস ও দুধ দিয়ে আমাদের আমিষ ও প্রোটিনের চাহিদা পূরণ
করে যাচ্ছে।
আজ শুক্রবার
(২৫ অক্টোবর) সকালে সাভারের বিসিডিএমে ১১তম এশিয়ান বাফেলো কংগ্রেস-২০২৪ এর উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।
প্রফেসর ওমর ফারুকি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
বক্তব্য রাখেন, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর, প্রাণিসম্পদ
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ রেয়াজুল হক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের
মহাপরিচালক ড.এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন,ইন্টারন্যাশনাল বাফেলো ফেডারেশনের মহাসচিব অ্যান্তনিও
বর্গোসি, এশিয়ান বাফেলো এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি ড.অশোক কুমার বালহারা, ড.যাদব,
ড.হিরন্ময় বিশ্বাস প্রমুখ।
মহিষের গুরুত্ব উল্লেখ করে উপদেষ্টা
ফরিদা আখতার আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ হলেও এর জীববৈচিত্র্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ
ও বৈচিত্র্যময়। মহিষ পালন গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং দুধ ও মাংস উৎপাদনে
মহিষ সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। ভোলার চড়ে
হাজার হাজার মহিষ পালন করে মহিষের দুধের দই তৈরি হচ্ছে।
বক্তারা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিশেষ করে
বাংলাদেশে মহিষের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানালে উপদেষ্টা
বলেছেন, ইতিপূর্বে পলিসি লেভেলে মহিষ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কম গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এবিষয়ে
কিভাবে মহিষের উৎপাদন বাড়ানো যায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সে লক্ষ্যে বিভিন্ন
পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
মহিষসহ গবাদি পশুর উপর জলবায়ু পরিবর্তনের
প্রভাবকে অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহিষ পালন বিভিন্ন
প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাই অক্সাইড হ্রাসে অবদান রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, উন্নত
বিশ্ব মহিষের উৎপাদন বাড়িয়ে দুধ সরবরাহ বৃদ্ধি ও পুষ্টির যোগান দিচ্ছে। এক্ষেত্রে ইতালিতে মহিষ ফার্মিং অত্যন্ত সফল এবং লাভজনক একটি
খাত উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশেও মহিষ ফার্মিং করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
ইতালির মহিষ ফার্মিং মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশেও মহিষ পালনের মাধ্যমে লাভবান হওয়া সম্ভব।
মন্তব্য করুন


দেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদ নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তালিকা অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট ভোটার ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন। নারী ভোটার ৫ কোটি ৯৭ লাখ ৪ হাজার ৬৪১ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯৩২ জন।
শনিবার (২ মার্চ) এ তালিকা প্রকাশ করে ইসি।ভোটার তালিকা হালনাগাদে ২ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোটার বেড়েছে। গত বছর ২ মার্চ দেশে মোট ভোটার ছিল ১১ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ৪৪০ জন।
এর আগে এ বছর ২১ জানুয়ারি ২০২৩ সালের হালনাগাদ করা খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ইসি। সেই সময় হালনাগাদে যুক্ত হয়েছিল ২০ লাখ ৮৬ হাজার ভোটার যুক্ত হয়েছিল। ওই তালিকার পর দাবি আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি শেষে ২ মার্চ ভোটার দিবসে নতুন ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ইসি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত সিসিএন শিক্ষা পরিবার তথা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, সিসিএন মডেল কলেজের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুইদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান দেয়া হয়েছে। দেশে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে দূর্গত অঞ্চলের মানুষের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ওই অনুদান প্রদান করা হয়েছে। জানা যায়, সিসিএন পরিবারের প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একদিনের বেতন বন্যার্তদের সহযোগিতায় প্রদান করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং এই বিষয়ে সিসিএন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী কে অবহিত করেন। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যোগ করার ঘোষণা দেন। এদিকে কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতির শুরু থেকেই সিসিএন শিক্ষা পরিবারের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীরাও বন্যা দূর্গতদের পাশে দাড়িয়েছে। তারা ত্রাণ সরবরাহ, বন্যা দূর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে পৌছে দেয়া, জরুরী চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানের প্রক্টরিয়াল টিম ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে জেলার বন্যাদূর্গত উপজেলা চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া এলাকা সহ অন্যান্য এলাকায় সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ সোমবার বলেছেন, অন্তর্বর্তী
সরকার দেশে আরও বিদেশী ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ব্যাপক শ্রম সংস্কারে
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শ্রম সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড়
শ্রম ও ব্র্যান্ড প্রতিনিধিদল তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে
সাক্ষাত করতে গেলে তিনি একথা বলেন।
প্রফেসর
ইউনূস প্রতিনিধি দলকে বলেন,
“আমরা আমাদের শ্রম আইনকে বৈশ্বিক মানদণ্ডের সম মানসমম্পন্ন করতে চাই। এটা আমার
অঙ্গীকার।” তিনি
বলেন, অন্তর্বর্তী
সরকার কেবলমাত্র দেশের শ্রম আইন সংস্কার করতে এবং এ ব্যাপারে স্থানীয় ও
আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার গোষ্ঠী,
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ নিরসনের জন্য একজন বিশেষ
দূত নিয়োগ করেছে।
প্রতিনিধিদলের
নেতৃত্বে ছিলেন মার্কিন শ্রম বিভাগের ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি থিয়া মেই লি ও
যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক শ্রম বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি কেলি ফে রড্রিগেজ।
দুই
জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন,
যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক শ্রম অধিকার গোষ্ঠী এবং বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও জুতা
ক্রয়কারী শীর্ষ আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো শ্রম আইন সংস্কার ও বাংলাদেশের কারখানায়
শ্রমিক-বান্ধব পরিস্থিতি তৈরিতে অধ্যাপক ইউনূসের পদক্ষেপকে সমর্থন করে।
সরকার
ও স্থানীয় ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৮-দফা চুক্তিসহ পদক্ষেপগুলোর কথা উল্লেখ করে
কেলি ফে রড্রিগেজ বলেন,
প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গত সাড়ে তিন মাসে শ্রম খাতের
জন্য যা করেছেন, ‘সেগুলো সবই তার বিস্ময়কর
সাক্ষ্য।
মার্কিন
কর্মকর্তারা মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে লাখো গার্মেন্টস ও পাদুকা শ্রমিককে সুরক্ষা
দেওয়ার জন্য কারখানায় ইউনিয়ন অধিকার প্রতিষ্ঠা ও প্রতি বছর মজুরি পর্যালোচনার
আহ্বান জানান।
পোশাক
কারখানায় ন্যূনতম মজুরির সুবিধাদান প্রসঙ্গে থিয়া মে লি বলেন, ‘এটি ব্যবসার
জন্য ভালো ও অর্থনীতির জন্যও ভালো।’
তিনি বলেন, কর্মী
ইউনিয়ন হল ‘গণতন্ত্রের
প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র।’
তিনটি
শীর্ষ মার্কিন ব্র্যান্ড পিভিএইচ,
ক্যালভিন ক্লেইন এবং গ্যাপ ইনকর্পোরেটেডের সিনিয়র কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত
ছিলেন।
পিভিএইচ
কর্পোরেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইকেল ব্রাইড বলেছেন, তারা
বাংলাদেশে শ্রম সংস্কারকে সমর্থন করেছেন। তারা কম্বোডিয়ায় অনুরূপ প্রচেষ্টাকে
সমর্থন করেছেন।
প্রফেসর
ইউনূস ব্র্যান্ডগুলোকে প্রতি জানুয়ারিতে তাদের অর্ডারের মূল্যবৃদ্ধি ঘোষণা করার
আহ্বান জানান, যাতে
বাংলাদেশের নির্মাতারা সেই অনুযায়ী শ্রমিকের মজুরি বাড়াতে পারে।
বৈঠকে
মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মেগান বোল্ডেবও ছিলেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র
প্রফেসর ইউনূসের ব্যাপক শ্রম সংস্কারকে পূর্ণ সমর্থন করে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আপনার
সাথে অংশীদার হতে চাই।’
মন্তব্য করুন


খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ সকলকে মানবতার মহান ব্রতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আগামীকাল (২৫ ডিসেম্বর) ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে দেওয়া আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বাণীতে তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে এ সম্প্রদায়ের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিষ্ট এই দিনে বেথেলহেমে জন্মগ্রহণ করেন। পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন ছিল যীশু খ্রিষ্টের অন্যতম ব্রত। মহামতি যীশু বিপন্ন ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন। তার জীবনাচরণ ও দৃঢ় চারিত্রিক গুণাবলির জন্য তিনি মানব ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


নিজের হাতে থাকা ২৫ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের
জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১২) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে ব্রিফ
করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।
জনপ্রশাসন সচিব জানান, সব মন্ত্রণালয়ের
কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এ জন্য সাত দিন সময় দিয়ে এখন
থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। গত কয়েক বছর যারা পদোন্নতি থেকে
বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের দাবিগুলো শুনে শিগগিরই সিদ্ধান্ত হবে। মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরগুলোকে
দ্রুত ফাংশনাল করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
জনপ্রশাসন সচিব বলেন, যেসব মন্ত্রণালয়ে
আগে মন্ত্রী ছিলেন সেসব মন্ত্রণালয়ের কাজ যাতে স্থবির হয়ে না যায়, সচিবরা সেসব কাজ
নিজ উদ্যোগে যাতে শুরু করেন তা নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, সার, বিদ্যুৎ, কৃষি, জ্বালানি,
বন্দর, খাদ্যসহ জরুরি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে সাত দিনের মধ্যে তালিকা করে কাজ শুরু করতে
হবে এবং তালিকাগুলো প্রধান উপদেষ্টাকে দিতে হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় ১ জন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৪ বার অংশ নিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (৩১
অক্টোবর) অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সভাপতিত্বে
উপদেষ্টা পরিষদের
বৈঠকে এ
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কয়েকদিন আগে
১ জন প্রার্থী
৩ বার বিসিএস
দিতে পারবেন—এমন সিদ্ধান্ত
হয়েছিল। এ
সিদ্ধান্ত পরিবর্তন
করা হয় উপদেষ্টা
পরিষদের বৈঠকে।
তেজগাঁওয়ে প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয়ে
উপদেষ্টা পরিষদের
বৈঠকে ৪
বার বিসিএস
পরীক্ষার সিদ্ধান্ত
হওয়ার পর
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ
থেকে বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ করা
হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা
হয়েছে—
সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত,
আধাস্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ
সরকারি কর্তৃপক্ষ,
পাবলিক নন-ফিন্যানশিয়াল করপোরেশনসহ
স্বশাসিত সংস্থাসমূহে
সরাসরি নিয়োগের
ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ
বয়সসীমা নির্ধারণ
অধ্যাদেশ, ২০২৪-
এর আলোকে
‘সরকারি চাকরি
আইন, ২০১৮’-এর
ধারা-৫৯-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
কর্তৃক ‘বাংলাদেশ
সিভিল সার্ভিস
(বয়স, যোগ্যতা
ও সরাসরি
নিয়োগের জন্য
পরীক্ষা) বিধিমালা,
২০১৪’পুনর্গঠনপূর্বক বাংলাদেশ
সিভিল সার্ভিস
পরীক্ষায় একজন
প্রার্থী সর্বোচ্চ
৪ বার অংশ
নিতে পারবে।
এতে আরও
বলা হয়,
এই বিধি
সংযোজনের বিষয়ে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে
উপদেষ্টা পরিষদ
নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রতি সপ্তাহে ২০০ জন শহীদের পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ
সম্পাদক সারজিস আলম।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারকে আর্থিক
সহযোগিতার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ শিরোনামে ফাউন্ডেশনের
পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা করা শুরু হবে শনিবার। এদিন চারটি সেগমেন্টে চেক হস্তান্তরের
কাজ চলবে। ৮ বিভাগেই শহীদ পরিবারকে সহযোগিতার কাজ করা হবে। প্রথম ধাপে ঢাকা বিভাগ নিয়ে
কাজ চলছে। ভুয়া নম্বর থেকে কল দেয়া হচ্ছে, যা আমাদের নয়। ১৬০০০ নম্বরটি থেকে শহিদ
পরিবারে কল দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক টাকার হিসাব যেন দিতে পারি, সেভাবে কাজ চলছে। আহতদের
তালিকায় রয়েছে ২৪ হাজার। নিহত ১৬শ’র বেশি। তথ্য বারবার যাচাই করা হচ্ছে। আহতদের পুনর্বাসনের
কাজও করা হবে।
নভেম্বরের মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হলে ডিসেম্বরে সবার কাছে সহযোগিতা
পৌঁছে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ এবং আহতদের
পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন