

মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা নেই। প্রধান
উপদেষ্টা যে সময় বলেছেন সে সময়ই নির্বাচন হবে। নির্বাচনের জন্য
যে পরিবেশ সেটা ঠিক করা হবে এবং সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। অতীতের যে কোন
নির্বাচনের তুলনায় ভালো নির্বাচন হবে।
আজ শনিবার (১৯ জুলাই) সকালে কুমিল্লা বার্ডে
ময়নামতি অডিটোরিয়ামে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ইভেন্ট ল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ
শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা জানান।
পিআর পদ্ধতিতে সংসদ নির্বাচন বিষয়ে প্রেস
সচিব বলেন, বিষয়টি নিয়ে সকল রাজনৈতিক দল ও কমিশন গুলো কথা বলছে এবং সবাই
খুব আন্তরিকতার সাথেই বিষয়টি আলোচনা করছে।
"The Next Wave" প্রতিপাদ্যে কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) দ্বিতীয়বারের মত আয়োজিত TEDxComilla University অনুষ্ঠানে স্পিকার
হিসেবে ছিলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হায়দার আলী, এসট্রো
ফটোগ্রাফার জুবায়ের কাওলিন, চরকির সিইও রেদওয়ান রনি, লেখক ডেলএইচ খান, গায়ক আসিফ আকবর,
সংবাদ উপস্থাপক ফারাবি হাফিজ সহ অন্যান্য।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্লাহর রহমতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ তথা বিএনপির বিজয় হবে। জনগণের বিপুল সমর্থন ও জাতীয় ঐক্য
সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে বিএনপি এমন একটা সরকার পরিচালনা করবে যে সরকারের মালিক হবে সকল
জনগণ।
আজ
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় চকরিয়ার সাহারবিল ইউনিয়নের বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, জনগণ তাদের রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পাবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের
মধ্য দিয়ে।
আপনার
ভোট আপনি দিবেন, যাকে খুশি তাকে দিবেন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে দিবেন। গণতন্ত্রকে
শক্তিশালী করবেন। বাংলাদেশে যেন আর কোনদিন এই কথা শুনতে না হয় কেউ গুম হয়েছে।
কোন
মাকে যেন তার সন্তান হারানোর বেদনা অনুভব করতে না হয়। বিএনপি এমন একটা বাংলাদেশ বিনির্মাণ
করবে যে বাংলাদেশে আর কোন মানুষ গুম হবেনা। যারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন তাদের
মর্যাদাবান করতে হবে।
তিনি
আরো বলেন, বিএনপি কর্মসূচি, বিএনপির প্ল্যান, পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্র চিন্তা যদি মানুষের পছন্দ হয় তাহলে অবশ্যই তারা বিএনপিকে
ভোট দিবে।
অন্য
যে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন করছেন তারাও তাদের কর্মসূচি, পরিকল্পনা প্রকাশ করবে। জনগণ
তাদেরটা পছন্দ করলে তাদেরই ভোট দিবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য। এমনই হওয়া উচিত।
কিন্তু একটা দল তা না করে তাদের ভোট দিলে মরলে পরে জান্নাত পাবেন বলে ধোঁকাবাজি করছে
তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আপনাদের সাথে আছি। আমি জেলে
থাকার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারিনি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেবার আমার
স্ত্রী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদকে আমার চাইতে বেশি ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। এ কারণে
আমি এবং আমার পরিবার আজীবন আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সুতরাং এতে করে বুঝতে পারি আপনারা
আমাকে ভালোবাসেন। এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে আমার জীবন বিপন্ন হতে
বসেছিল। আমরা গণতন্ত্রকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কেউ মুক্ত পরিবেশে কথা বলতে পারেনি। তাদের
ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন- মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী,
সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজসহ অসংখ্য
নেতাকর্মী।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, গোপালগঞ্জের বহু মানুষ আ. লীগ আমলে নিপীড়িত-বঞ্চিত
হয়েছেন।
আজ
শনিবার (১৯ জুলাই) তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে
এ আহ্বান জানান।
তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও বিচারে সহযোগিতা করুন। কিন্তু,
নাগরিক হিসাবে সকলের মানবাধিকারের পক্ষে থাকুন। কোনো এলাকাকে ঘেটো (একঘরে) বানানোর
চেষ্টা করবেন না। গোপালগঞ্জের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক
মানুষ নিম্নবর্গের হিন্দু। তারা লীগের আমলে নিপীড়িত ও বঞ্চিত হয়েছেন। আমাদের উচিত,
বাংলাদেশজুড়ে লীগের হাতে নিপীড়িত ও বঞ্চিতদের সাথে মৈত্রী করা। হাসিনার পরাজয় রাজনৈতিক না কেবল, নৈতিক ও বটে। নৈতিক
পরাজয়ের পর তার রাজনৈতিক পরাজয় ঘটেছিল। ফলে, আমরা হাসিনার বিরুদ্ধে গিয়ে নৈতিক উচ্চতা
হারাতে পারি না।
তিনি
বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর নূতন বাংলাদেশে আমরা মানবিক মর্যাদা, বৈষম্যহীনতা আর সুবিচারের
যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পূরণ করা আমাদের কর্তব্য।
ঐক্যের
আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ বলেন, অনেকেই এখনও ভাঙার কাজে ব্যস্ত। কিন্তু গড়ার
কাজে কাউকে পাওয়া যায় না। অথচ, পুরানো বন্দোবস্ত মচকে গেছে। এখন আর এটাকে ভাঙ্গা যাবে
না বরং ভাঙ্গতে গেলে আরো বেঁকে যাবে, বেঁকে যাচ্ছে। আবার যখন সময় আসবে তখন ভাঙ্গা যাবে।
কিন্তু এক্ষণে গড়ার কাজে আমাদের মনোনিবেশ করা উচিত। গণ-অভ্যুত্থানের পর আমাদের অপ্রস্তুতি
ছিল, বিহ্বলতা আর অনভিজ্ঞতা মিলে আমরা ফ্যাসিবাদী বন্দোবস্তের পূর্ণাঙ্গ বিলোপ ঘটাতে
পারিনি। কিন্তু, এ সুযোগে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী আকারে নিজেদের হাজির করা ও জবাবদিহিমূলক
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজটা করতে পারলে আমরা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ
বিলোপের পথে হাঁটতে পারব।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


আজ (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে যাবেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক
হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মুন্সিগঞ্জ যাবেন সমন্বয়ক সারজিস আলম।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তারা এ তথ্য জানান।
গতকাল সমন্বয়ক ফেসবুকে হাসনাত আবদুল্লাহ
জানান, প্রিয় চট্টগ্রামবাসী! আগামীকাল (রোববার) ৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর। এ সফরের অংশ হিসেবে আমাদের একটি সমন্বয়ক
টিম প্রত্যেকটি জেলার অভ্যুত্থান ঘটানো ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবে।
সফরের প্রথম জেলা হিসেবে আগামীকাল চট্টগ্রামে দুটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ছাত্র-জনতার
সঙ্গে মতবিনিময় নিয়ে প্রথম সভাটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
একইদিনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময়
নিয়ে দ্বিতীয় সভাটি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘির ময়দানে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।
রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ ছাত্র-জনতার সঙ্গে আগামীকাল দেখা হবে, ইনশাআল্লাহ।
মুন্সিগঞ্জে’শিরোনামে আরেকটি স্ট্যাটাস
দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।
তিনি ফেসবুকে লেখেন, আগামীকাল রোববার
(৮ আগস্ট) থেকে শুরু হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর।
যেখানে আমাদের একটি সমন্বয়ক টিম প্রত্যেকটি জেলার অভ্যুত্থান ঘটানো ছাত্র-জনতার সঙ্গে
মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবে। ঢাকা বিভাগীয় সফরের প্রথম জেলা হিসেবে আগামীকাল মুন্সিগঞ্জে
সেই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময়
সভা হবে মুন্সিগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে বিকেল ৩টায়। রক্তের বন্ধনে
আবদ্ধ ছাত্র-জনতার সঙ্গে আগামীকাল দেখা হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের (৩০০ ফিট এলাকা) সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় লাখ লাখ নেতাকর্মী তাকে অভিবাদন জানান। তিনিও
হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের অভিবাদনের জবাব দেন।
বৃহস্পতিবার
(২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টা ৫০ মিনিটে সংবর্ধনাস্থলের মঞ্চে ওঠেন তিনি।
এর
আগে, কড়া নিরাপত্তায় বিমানবন্দর থেকে ৩০০ ফিটের সংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেন তারেক
রহমান। সবার আগে বাংলাদেশ' ব্রান্ডিংয়ে লাল-সবুজের একটি বাসে করে সেখানে পৌঁছান তিনি।
এ সময় রাস্তার দুই পাশে নেতাকর্মীরা তাকে অভিবাদন জানান।
এদিকে,
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাসে ওঠার পূর্বে তারেক রহমান জুতা খুলে মাটিতে পা রাখেন এবং
হাতে এক মুঠো মাটি নেন।
এর
আগে, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সপরিবারে দেশে পৌঁছান তারেক রহমান। এ সময় তার
সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
প্রসঙ্গত,
রাজধানীর পূর্বাচলের জুলাই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেয়ার পর মা খালেদা জিয়াকে দেখতে
এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় কুমিল্লায় চলছে ধারাবাহিক বিশেষ প্রার্থনা, কুরআন খতম, খাবার বিতরণ ও সদকার কর্মসূচি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে টানা আটদিন ধরে এ আয়োজন রাজধানীর বাইরে অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয়–মানবিক উদ্যোগ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কুমিল্লা-৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের উদ্যোগে এ ধারাবাহিক কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। তার সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত, বিশেষ মোনাজাত, খাবার বিতরণ এবং বিভিন্ন এতিমখানায় গবাদিপশু সদকার আয়োজন করা হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) কান্দিরপাড় বিএনপি কার্যালয়ে দিনব্যাপী কুরআন খতম অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশেষ দোয়ায় দেশনেত্রীর দীর্ঘায়ু, রোগমুক্তি এবং দেশের শান্তি–স্থিতিশীলতা কামনা করা হয়। এর আগে দুপুরে বিভিন্ন এতিমখানার শিশুদের খাবার পরিবেশন করা হয়। অংশগ্রহণকারী নেতারা জানান, মানবিক এই আয়োজনে কুমিল্লার মানুষ ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত হচ্ছেন, যা দেশনেত্রীর প্রতি জনগণের ভালোবাসার প্রতিফলন।
দলীয় কার্যালয়ে দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তব দেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, মাহবুবুর রহমান দুলাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহবায়ক কাজী শাহিনুর, মহানগর যুবদলের সদস্য–সচিব রুমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য–সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানাসহ অন্যরা।
জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান সাইদ, মহানগর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিব, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রবিন, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
নেতারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও রাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাই তার রোগমুক্তি প্রত্যাশায় কুমিল্লা বিএনপি ও অঙ্গ–সংগঠনগুলো মানবিক ও ধর্মীয় কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। দোয়া–মোনাজাতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষও দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় আন্তরিক প্রার্থনা করেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
মধ্য দিয়ে গঠিত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশে খুবই
আন্তরিক।
এ
খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পাশাপাশি টেকসই শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে
বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ইতিবাচক ভূমিকা অব্যাহত রাখার
জন্য তিনি আহ্বান জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস’ উপলক্ষে আজ দেয়া এক
বাণীতে এসব কথা বলেন।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস-২০২৫’
উদ্যাপন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড
(বিএবি) এর সকল অংশীজন এবং সহযোগী সংস্থাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। দিবসটির এবারের
প্রতিপাদ্য ‘অ্যাক্রেডিটেশন : ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের ক্ষমতায়ন (এসএমই)’, বর্তমান
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
ক্ষুদ্র
ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের মোট দেশজ উৎপাদনের একটি বৃহৎ অংশ এসএমই খাত থেকে আসে।
নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসএমই খাতের
প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা, ক্রেতা ও ভোক্তার
পরিবর্তনশীল চাহিদা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এ সকল
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রয়োজন সম্মিলিত বৈশ্বিক উদ্যোগ।
তিনি
আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থা জাতীয় গুণগতমান অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পণ্য
ও সেবার সরবরাহ ব্যবস্থার সকল পর্যায়ে গুণগতমান নিশ্চিতকরণ, দক্ষ কারিগরি জনবল সৃষ্টি,
বাণিজ্যে কারিগরি বাধা অপসারণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করে এ
সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিএবি এ
লক্ষ্যে কাজ করে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ল্যাবরেটরি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সনদ প্রদানকারী
সংস্থা এবং পরিদর্শন সংস্থাসহ মোট ১৫৫টি সরকারি, বেসরকারি এবং বহুজাতিক সংস্থাকে আন্তর্জাতিক
মান অনুসারে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে।’
প্রধান
উপদেষ্টা ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা
করছি।
মন্তব্য করুন


২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘আমীর’ নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম গতকাল ১ নভেম্বর (শনিবার) রাতে সংগঠনের ‘আমীর’ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, ৯ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশের সদস্যদের (রুকনদের) নিকট থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোটগ্রহণের কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত টিম ভোট গণনা শেষ করেন। গতকাল ১ নভেম্বর (শনিবার) রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংগঠনের ‘আমীর’ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘আমীর’ নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।
মন্তব্য করুন


সারা
দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
শুরু হয়েছে। প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্রের
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু
হওয়া পরীক্ষা শেষ হয়েছে দুপুর
১টায়।
এসএসসি,
দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল)
পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০
লাখ ২৪ হাজার ১৯২
জন। দেশজুড়ে ২৯ হাজার ৭৩৫টি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৭০০টি
কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে, এসএসসিতে পরীক্ষার্থী ১৬ লাখ ৬
হাজার ৮৭৯ জন, দাখিলে
২ লাখ ৯০ হাজার
৯৪০ জন, এসএসসি (ভোকেশনাল)
পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ ২৬
হাজার ৩৭৩ জন। আর
বিদেশের ৮ কেন্দ্রেও অনুষ্ঠিত
হচ্ছে পরীক্ষা।
মন্তব্য করুন