

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় জেলা মাসিক রাজস্ব সম্মেলন এবং জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সারের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বি এম মশিউজ্জামানের সঞ্চালনায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপজেলাসমূহের রাজস্ব আদায়, ইজারা প্রদান, রাজস্ব সংক্রান্ত মামলার অগ্রগতি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসক কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
সম্মেলনে সরকারি রাজস্ব আদায়ে সকল কর্মকর্তাকে আরও বেশি সচেষ্ট থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়। আলোচনায় ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ও দাবি, নামজারি মোকদ্দমা পরিস্থিতি, ভূমি অফিসের ব্যবস্থাপনা, খাসজমি বন্দোবস্ত ও উদ্ধার ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয় এবং করণীয় বিষয়াদি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বি এম মশিউজ্জামান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ শাহরিয়ার, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি পরিদর্শক সাদেকুর রহমান, বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) গণ।
সভায় জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার গোমতী নদী রক্ষা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, গোমতীর আইলে অবৈধ উচ্ছেদ নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে এবং ইতোমধ্যে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মরা গোমতীর অবৈধ দখলদারদের একটি তালিকাও তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করার তাগিদ দেন জেলা প্রশাসক।
তিনি এক্ষেত্রে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্ব স্ব ইউএনওদের আবারও উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দেন। এছাড়াও, গোমতী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের কথাও সভায় জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন পদুয়ার বাজার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হতে শনিবার রাতে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ডিএমপি ঢাকা জেলার মিরপুর থানার ৬৮নং জনতা হাউজিং, শাহ আলীবাগ এলাকার মৃত ওসমান গনির ছেলে মাঃ ইমামুল হক @শুক্কুর এবং কক্সবাজার জেলার কক্সবাজার সদর থানার পূর্ব মুক্তার পোল, ০৬ নং ওয়ার্ড এর মৃত দানু মিয়ার ছেলে দিদারুল আলম (৫০)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় জানায়, তারা উভয়েই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তারা সাধারণ পেশার আড়ালে এসকল মাদকদ্রব্যের পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয় পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী মোঃ ইমামুল হক শুক্কুর ড্রাইভার পেশার আড়ালে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। এই চক্রটি পারস্পারিক যোগসাজসে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যের বড় আকারের চালান দীর্ঘদিন যাবৎ ট্রাক, পিকআপ, কার্ভাড ভ্যান সহ অন্যান্য যানবাহন ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের পণ্যদ্রব্য পরিবহনের আড়াঁলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কুমিল্লা ও ঢাকা সহ পাশর্^বর্তী জেলা সমূহে সরবরাহ করে থাকে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় আরো জানায় এই বিপুল পরিমান ইয়াবা এর চালান ঢাকাসহ পাশর্^বর্তী বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে গোয়েন্দা কার্যক্রম ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর আভিযানিক দল মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য মোঃ ইমামুল হক @শুক্কুর ও দিদারুল আলম’দ্বয়কে গ্রেফতার পূর্বক তাদের দেখানো মতে সদর দক্ষিণ থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকার ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক হতে গ্রেফতার করে ০১ টি ব্যাগে সর্বমোট ৪০,০০০ পিস উদ্ধার করে যার আনুমানিক মূল্য ০১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে মাদক চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্তদের বিষয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসংক্রান্তে জড়িত অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য র্যাব-১১ এর গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, একজন পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করে, ডিসি জেলার সামগ্রিক বিষয় দেখে। কিন্তু আগামীর বাংলাদেশ গড়বেন শিক্ষকরা।
আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সম্মেলন কক্ষে শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় নকল শুরু করেছিল শিক্ষকরা, বন্ধও করেছিল শিক্ষকরা। আবার হাসিনা সরকার আসার পর দেশে নকলে সয়লাব হয়ে গেছে। এখন থেকে নকল করে পরীক্ষা আর চলবে না। সেক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, দেশনায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমার প্রতি আস্থা রেখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়ত্ব আমাকে দিয়েছেন। এই মন্ত্রণালয় আমার জন্য এবাদতখানা। আপনারা শিক্ষকরা যদি একজন ছাত্রকে মানুষ বানাতে পারেন সেটা আপনার জন্য সদকায়ে জারিয়া। এজন্য আপনাদের জন্য এটা এবাদতখানা।
নকল বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী আমলের মতো পরীক্ষা এদেশে আর হবে না। তখন শিক্ষকদের হাতে ২টা কলম থাকতো। ১টা কালো, আরেকটা লাল। কালো কলম দিয়ে শিক্ষকরা ছাত্রদের খাতায় লিখে দিতো। শিক্ষকরা নকল সরবরাহ করতো। এখন থেকে তা বন্ধ। আগামীর পরীক্ষা হবে নকলমুক্ত পরীক্ষা।
মন্ত্রী বলেন, সামনে এসএসসি পরীক্ষা। প্রতিটা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। শুধু পরীক্ষার সময়ই না, সর্বদা প্রতিটা প্রতিষ্ঠান ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শামসুল ইসলাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সিনিয়র সহ সভাপতি আমিরুজ্জামান ভুঁইয়াসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।
পরবর্তীতে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে পৃথক মতবিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
পৃথক দুইটি অভিযানে কোতয়ালী মডেল থানা এলাকা হতে জাবেদ মিয়া হত্যা মামলার যাবজ্জীবন
সাজাপ্রাপ্ত দুইজন আসামী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৯ সেপ্টেম্বর রাতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন ফৌজদারী মোড় ও বাটপাড়া চৌমুহনী এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে
জাবেদ মিয়া হত্যা মামলার দুইজন যাবজ্জীবন যাজাপ্রাপ্ত আসামী ১। মোঃ আল আমিন এবং ২। রতন দত্ত কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ আল আমিন (৪১) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ সেলিম মিয়া
এর ছেলে এবং ২। রতন দত্ত (৩৮) একই জেলার কোতয়ালী মডেল থানার কালিয়াজুরি গ্রামের হরিপদ
দত্ত এর ছেলে।
র্যাব জানান, আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, গত ২৭/০১/২০১২ ইং তারিখে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় ও তার অন্যান্য সহযোগীরা মিলে চাঁদা দাবীর বিষয়ে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাইয়া ভিকটিম মোঃ জাবেদ মিয়া (২৫) কে হত্যা করে। উক্ত ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার বিচারকার্য শেষে বিজ্ঞ আদালত গত ১৮/০৭/২০২৪ ইং তারিখে পেনাল কোড ৩০২/৩৪ ধারায় বর্ণিত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের রায় প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করে আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর অভিযানে ৩২.৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ শনিবার (২৮ জুন) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১। বিলকিছ (২৮), ২। আয়েশা বেগম (৪২), ৩। গিয়াস উদ্দীন (২৮) এবং ৪। আব্দুল খালেক (২৯) নামক ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৩২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। বিলকিছ (২৮) নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার কাছারকান্দি গ্রামের হযরত মিয়া এর মেয়ে, ২। আয়েশা বেগম (৪২) একই গ্রামের মৃত বাদশা মিয়া এর মেয়ে, ৩। গিয়াস উদ্দীন (২৮) নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার দূর্গাপুর গ্রামের মৃত হাফেজ আহমেদ এর ছেলে এবং ৪। আব্দুল খালেক (২৯) একই থানার একলাছপুর গ্রামের আব্দুস সোবহান এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত
এক্সপ্রেস ট্রেনে মা-মেয়েকে জুস খাইয়ে অচেতন করেন এক অজ্ঞান পার্টির সদস্য। তাদের কানের
দুল ও নাকের ফুল খুলে নেওয়ার সময় পাশের এক যাত্রী বিষয়টি আঁচ করতে পারেন। পরে সেই সদস্যকে
আটক করে তার ব্যাগে থাকা জুস পান করানো হলে অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনিও।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে বিরামপুর-সৈয়দপুর
রেলপথে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ফুল মিয়া (৫৫) রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুর
এলাকার বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী যাত্রী দুজন ঠাকুরগাঁওয়ের
পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই গ্রামের কৌশিলা রায় (৫০) ও তার মেয়ে বীথি রানী (২৮)।
এ বিষয়ে রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বিরামপুর
থেকে ট্রেনে ওঠেন কৌশিলা ও তার মেয়ে। তাদের পাশের আসনে ছিলেন ফুল মিয়া। আলাপের একপর্যায়ে
তিনি জুস খেতে দেন মা-মেয়েকে। জুস খাওয়ার পরপরই তারা অচেতন হয়ে পড়েন। এ সময় তাদের অলংকার
খুলে নেন তিনি। পাশের আসনের যাত্রী অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বিষয়টি
বুঝতে পেরে ফুল মিয়াকে আটক করেন। অভিযোগ অস্বীকার করলে যাত্রীরা তাকে তার ব্যাগে থাকা
জুস পান করান। কিছুক্ষণ পর ফুল মিয়া নিজেও অচেতন হয়ে পড়েন। পরে ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশকে
খবর দেওয়া হলে রেলওয়ে পুলিশ ভুক্তভোগী মা-মেয়েসহ ফুল মিয়াকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে
ভর্তি করে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মাহমুদ-উন নবী বলেন, ভুক্তভোগী ও আসামির জ্ঞান এখনো পুরোপুরি ফেরেনি। ভুক্তভোগীর
ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ফুল মিয়ার নামে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে
থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা মহানগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকায় ২৩ বীর এবং র্যাব-১১ (সিপিসি-২) এর যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ নাজমুল ইসলাম শামীম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায় , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মোঃ নাজমুল ইসলাম শামীমের বাসভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তার বাসা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থানীয়ভাবে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশি ও বিদেশি গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত গোপন আস্তানাগুলোতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে র্যাব-১১ (সিপিসি-২) কর্তৃক আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জিপিএস ও লোকেশন ট্র্যাকিং পরিচালনা করে সন্দেহভাজন শামীমকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া নাজমুল ইসলাম শামীম মহানগরীর ২১ নং ওয়ার্ডের জাঙ্গালিয়া এলাকার মরহুম আব্দুল হালিমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র / পাইপগান, ৬০ রাউন্ড শটগান কার্তুজ, ( ১২ বোর × ৭০ মিমি – ৪০ রাউন্ড ও ১২ বোর × ৭৬ মিমি – ২০ রাউন্ড) । ১৮ রাউন্ড মেশিনগান গোলাবারুদ (৭.৬২×৫৪ মিমি, POF নির্মিত), ১ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ (৭.৬২×২৫ মিমি, টোকারেভ: S&B নির্মিত), ১ রাউন্ড রিভলভার/ এয়ারগান গোলাবারুদ, ১০টি ছুরি, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল। এছাড়া দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ৮টি মানিব্যাগ, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সন্দেহভাজন শামীম জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লা শহরের একজন চিহ্নিত বড় চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করতে সাহস পান না, তবে একাধিক সূত্র থেকে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই সেনাবাহিনী তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে।
সন্দেহভাজন শামীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় কমপক্ষে ৭টি মামলা বিদ্যমান।
অস্ত্রসহ তাকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, এই অভিযানটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের অধিনায়কত্বে ২৩ বীর কর্তৃক পরিচালিত একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও সফল অভিযান, যা কুমিল্লা অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়নে নানা পন্থায় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ক্রয় করা বসত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক এমপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। বসতজমির কলাগাছ কেটে নেয়া, বসতঘর কুপিয়ে ঘরের বাসিন্দাদের মারধর-মালামাল লুট, আবার সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করে আওয়ামী দোসর বানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে বির্তকিত করে তার ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনদের বিরুদ্ধে।
ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ছোট ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, আমার বড় ভাই ধামতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিগত ২০২২ সালের ২২ জুন দুয়ারিয়া এলাকায় ৫২ শতক জায়গা হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের কাছ থেকে কেনার জন্য বায়নাপত্র করে এবং সম্পত্তির মূল্য বাবদ ৪৩ লক্ষ টাকার চেক তাদের প্রদান করেন। তারা পরে টাকা বুঝে নিয়ে আমাদেরকে জায়গা ভোগ দখল বুঝাইয়া দিলে আমরা গত দুই বছর যাবৎ উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল করে সেখানে কলার বাগান করি। আমরা বহুবার তাদেরকে সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বললেও মকবুল হোসেন প্রবাসে থাকার বাহানা দিয়া ‘অদ্যবধি তারা আমার ভাইয়ের নামে উক্ত সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। চলতি বছরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরেই তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারা এমপি আবুল কালাম আজাদের অনুসারি ছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের বায়না করা ৫২ শতক জমির ৫ পাঁচ শতাধিক কলা গাছ কেটে নিয়ে জমির চারপাশে তার কাটা বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের নেতৃত্বে আলামিন বাশার ও আলামিনসহ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা । পরে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কিছুদিন তারা চুপচাপ থাকে। এছাড়া আমরা এই বিষয়ে থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।
সোহরাব আরো জানান, পরবর্তীতে ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫ টায় আমাদের জমিতে নির্মিত দুটি ঘরে বসবাসরত মো: জুয়েল (১৮) ও মো: হোসাইনকে (১৮)মারধর করে দুটি ঘর ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নেয় হুমায়ুন কবির বাহিনী। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে দেবিদ্বার থানায় ৭ জনের উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনায়ও জড়িত ছিলেন ধামতী ইউনিয়নের দুয়ারিয়া গ্রামের মো: বাচ্চু মিয়ার ৩ ছেলে মো: হুমায়ুন কবির, মকবুল হোসেন ও মহসিন, মৃত. খোরশেদ মিয়ার ছেলে এছাড়া আবু বকর ও আবু সাইদ, হোসেন মেম্বারের ছেলে আল আমিন ও মো: খলিল, জসিমের ছেলে মো: রিফাত এবং শাহ জালালের ছেলে মো: সিয়াম প্রমুখ। হামলা–ভাংচুর করেও জায়গা দখল করতে না পেরে ১৪ নভেম্বর আমার ভাইকে আওয়ামী দোসর বানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হুমায়ুন কবির বাহিনী। আমরা তো বসতজমি দখল করিনি, জমিটি ক্রয় করেছি।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মিঠু আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত আওয়ামী নেতাকর্মীদের রোষানলে পড়েন তিনি। চলতি বছরের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজাদ এমপি হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদে নিজ কার্যালয়েও তিনি যেতে পারতেন না এমপি আজাদ সমর্থিত নেতাকর্মীদের হুমকির কারণে। এরপরই চেয়ারম্যান মিঠুর লোকজনকে একাধিকবার মারধর করা হয়। সম্প্রতি তার বসতজমিটিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। মহিউদ্দিন মিঠু দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য চেয়ারম্যান । বর্তমানে মহিউদ্দিন মিঠু চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন সংযোগে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ইন্সপেক্টর শাহীন ইসলাম জানান, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন। তিনি হয়তো এ বিষয়ে বলতে পারবেন।
দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ জানান, মিঠু সাহেবের বসতজমিতে হামলার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি। পরিবেশ যাতে ঘোলাটে না হয় সে জন্য সর্তক করা হয়েছে।আর বসতজমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার বরল
এলাকায় একটি কোল্ডস্টোরেজ থেকে অবৈধভাবে মজুত করা জব্দকৃত ৪ লাখ ২৭ হাজার পিস ডিম
নিলামে বিক্রি করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমান আদালতের নিলামে বিক্রয়কৃত
ডিমের মূল্য ২৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমাই উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
তিনি জানান, জেলাপ্রশাসকের নির্দেশনায়
বিভিন্ন কোল্ডস্টোরেজে অবৈধ মজুদ আছে কি না জানতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ
হিসেবে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় লালমাই উপজেলার বরল এলাকার মেঘনা কোল্ডস্টোরেজে
অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ডিমের মজুদ সন্ধান পান ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমান
আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মারজানা আক্তার তাৎক্ষনিকভাবে অবৈধভাবে মজুদকৃত ডিম
নিলামে বিক্রি করেন এবং অবৈধ মজুদারির দায়ে কোল্ডস্টোরেজকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
কৃষি বিপনন আইন অনুযায়ী ডিমের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১০ থেকে
১৫ দিন মজুদ রাখতে পারবেন। এখানে গিয়ে দেখা গেছে- মাসের পর মাস ধরে মজুদ করা হয়েছে। তার মানে এসব অবৈধ মজুদ। এর আগেও এই কোল্ডস্টোরেজ
থেকে ২১ লাখ ডিমের বিশাল অবৈধ মজুদ জব্দ করে বাজারজাত করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
প্রকাশ্য নিলামে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ প্রায়
৬ টাকা পিস দরে ৪ লাখ ২৭ হাজার পিস ডিম কিনে নেন লালমাই উপজেলার ব্যবসায়ি লোকমান হোসেন।
তিনি জানান, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
প্রকাশ্য নিলামে ডিম বিক্রি করেন। আমি ৪ লাখ ২৭ হাজার ডিমের টাকা জমা দিয়ে নিলাম থেকে
ডিম কিনেছি।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জে ভৈরবের মেঘনা নদীতে নৌকাডুবির
ঘটনায় নিহত পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে পাশাপাশি কবরে দাফন
করা হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।
এতে নয় জনের মৃত্যু হয়। জীবিত উদ্ধার হয়েছিল ১১ জন।
সোমবার (২৫মার্চ) কুমিল্লার দেবিদ্বার
উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামে সোহেল রানার বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীর পাশে তাদের দুই সন্তানকে
সমাহিত করা হয়।
আজ সকালে সোহেল ও তার ছেলে রায়সুলের
মরদেহ উদ্ধার হয়। গত শনিবার সোহেলের স্ত্রী মৌসুমী আক্তার ও গতকাল রোববার মেয়ে মাহমুদার
মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোহেল কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামের আব্দুল আলিমের
ছেলে।
সোহেলের সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল কিশোরগঞ্জ
জেলার ভৈরব হাইওয়ে থানা।
এদিকে সোমবার বিকালে সোহেলের বাড়িতে
গিয়ে দেখা যায়, সবাই মরদেহের অপেক্ষায় আছেন। তিনজনের মরদেহ বাড়িতে আনার খবরে ভিড় করেন
এলাকার লোকজন। সন্ধ্যার কিছু আগে অ্যাম্বুলেন্সে সোহেল ও তার দুই সন্তানের মরদেহ গ্রামের
বাড়িতে আনা হয়। বাদ মাগরিব জানাজা শেষে বাবা-মায়ের কবরের সাথে দুই শিশু সন্তানকে পাশাপাশি
কবরে দাফন করা হয়। এর আগে রোববার একই স্থানে মৌসুমী আক্তারের মরদেহ দাফন করা হয়।
গত শুক্রবার বিকেলে সোহেল তার স্ত্রী,
দুই সন্তান ও ভাগনি মারিয়াকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের সোনারচর দ্বীপ গ্রাম দেখতে
গিয়েছিলেন। ফেরার পথে নৌকায় থাকা অন্য পরিবারের লোকজন ছবি তোলার জন্য মাঝিকে অনুরোধ
করলে মাঝি তার হাতের বৈঠা ছেড়ে ছবি তুলে দিচ্ছিলেন। এ সময় নৌকাটি কিছুটা নিয়ন্ত্রণহীন
হয়ে পড়ে। তখন বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবাহী একটি বাল্কহেড ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে নৌকা
উল্টে যায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সদর উপজেলার বিষ্ণপুর সীমান্তে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচারকালে নগদ ২৮ লক্ষ টাকা সহ
একজন পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি’র কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর অধীন বিবিরবাজার বিওপি’র
আওতাধীন কটকবাজার পোস্টের একটি বিশেষ টহল দল গতকাল শুক্রবার (১৩ জুন ২০২৫) সন্ধ্যা
৬টা নাগাদ সীমান্ত এলাকার বিষ্ণপুর নামক স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটককৃত
ব্যক্তির হলেন- কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন তেতাভূমি গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে ফোরকান উদ্দিন (৩৫)
বিজিবি
সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত শূন্য রেখা থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সন্দেহজনকভাবে
ঘোরাফেরা করার সময় ফোরকানকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে
উদ্ধার করা হয় ২৮ লক্ষ নগদ টাকা এবং দুটি মোবাইল ফোন।
বিজিবি
জানায়, আটক ব্যক্তি এ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচারের চেষ্টা করছিল। জব্দকৃত অর্থ
ও মালামালের মোট মূল্য ২৮ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা।
আটক
ফোরকান উদ্দিনকে নগদ টাকা ও জব্দকৃত আলামতসহ কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা
হয়েছে।
বিজিবি
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব
রক্ষা ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
চোরাচালান ও হুন্ডি প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন