

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও দেশের আইনি কাঠামোর ধারাবাহিকতা রক্ষায় অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
মন্ত্রী আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে "জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ" বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে মূল বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। আরোও উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।
মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ববর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশগুলো নিষ্পত্তির আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও শবে বরাতের দীর্ঘ ছুটির কারণে কার্যদিবস কম থাকলেও সংসদ সচিবালয়, আইন মন্ত্রণালয়, বিজি প্রেস ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিনরাত পরিশ্রমে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সময়ের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিধি মোতাবেক (Rules of Procedure) জাতীয় সংসদের স্পিকারের বিশেষ এখতিয়ারে বিলগুলো উত্থাপন ও নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, স্থায়ী কমিটিগুলো এখনো গঠিত না হওয়ায় একটি 'বিশেষ সংসদীয় কমিটি'র মাধ্যমে এই ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হয়েছে।কমিটির সুপারিশ ও পাসের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, ৯৮টি অধ্যাদেশ অবিকল (As it is) অবস্থায় সর্বসম্মতিক্রমে পাসের সুপারিশ করা হয়েছে। ১৬টি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পরবর্তী অধিবেশনে বিল আকারে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অবশিষ্ট অধ্যাদেশগুলো সংশোধিত আকারে অথবা রহিত ও হেফাজতকরণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বিল সংখ্যা নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার প্রশ্ন ও ভুল বোঝাবুঝির জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইনমন্ত্রী ফ্লোরে জবাব দিয়েছেন যে ৯১টার মধ্যেই কিন্তু বাকি ১৭টা অন্তর্ভুক্ত। কারণ কোনো কোনো অধ্যাদেশ জারি হওয়ার ১৫-২০ দিন, এক মাস, দুই মাস পরে দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হয়েছে, কোথাও কোথাও তৃতীয় সংশোধনীও আনা হয়েছে। মূলত অধ্যাদেশ একটাই। যখন বিল আকারে উত্থাপন করা হয় জাতীয় সংসদে, সব অধ্যাদেশগুলোকে এক করে একটা বিল আকারেই উত্থাপন করা হয়েছে। এটা হয়তো বিরোধী দলীয় নেতা খেয়াল করেননি।
'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর' বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউটের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও উদার। কিউরেটর নিয়োগ ও পদত্যাগ সংক্রান্ত বিধিগুলো আরো স্বচ্ছ ও যৌক্তিক করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, আগামী অধিবেশনে এটি আরো আলোচনা ও সংশোধনের মাধ্যমে পুনরায় উপস্থাপন করার সুযোগ রয়েছে।
গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও আইসিটি আইন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "আমি নিজে গুমের শিকার। আমরা চাই না তাড়াহুড়ো করে কোনো ত্রুটিপূর্ণ আইন পাস হোক যাতে অপরাধীরা আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়ে যায়। কিছু অসঙ্গতি দূর করে সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এই আইনগুলোকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করা হবে যাতে ভুক্তভোগীদের জন্য সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী বিরোধী দল বিধি মোতাবেক ওয়াকআউট করতেই পারে। তবে সংসদের বাইরে গিয়ে অসত্য তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করা হলে তা জাতির সামনে পরিষ্কার করা সরকারের দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেন, স্পিকার বিরোধী দলীয় সদস্যদের নজিরবিহীনভাবে দীর্ঘ সময় কথা বলার সুযোগ দিয়েছেন এবং তাদের 'নোট অব ডিসেন্ট' বা আপত্তিগুলোও রিপোর্টে হুবহু সংরক্ষণ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ওয়াকআউট করা যৌক্তিক হয়নি বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ অক্টোবর) এ কর্মশালার চতুর্থ পর্যায় অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম)আবু নাছের মোহাম্মদ খালেদ, বিপিএম। সভাপতিত্ব করেন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মোঃ ফারুক হোসেন।প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। এ ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা হলো নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ভোটার, প্রার্থী ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আজকের এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করা। আমাদের লক্ষ্য—‘নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।’”
অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, প্রশিক্ষকবৃন্দ ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মাঠপর্যায়ে আরও দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবেন বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা
মন্তব্য করুন


শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ে কোনো দুর্নীতি হবে না এবং কাউকে দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আর মন্ত্রণালয়ে
আসতে হবে না।
আজ
রোববার ( ২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা
শেষে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি
বলেন, ‘শিক্ষার বিষয়ে সরকার আন্তরিক। শিক্ষকদের মূল্যায়ন এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-স্কেলসহ
সব ন্যায্য দাবি পূরণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করা হবে।’
এসময়
সেখানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘গুণগত শিক্ষার
পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। শিক্ষাকে
রাজনীতিকরণ করতে দেওয়া হবে না। এছাড়া তিন ক্যাটাগরির শিক্ষা কারিকুলামে সামঞ্জস্যতা
আনার উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্ত নেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
প্রধান বিচারপতির নেওয়া এ সিদ্ধান্ত বিজ্ঞপ্তি আকারে জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তির ভাষ্যমতে, দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন।
সিদ্ধান্ত অনুসারে, দেশের সব অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত-ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা এবং আইনজীবীরা ক্ষেত্রমত সাদা ফুলশার্ট বা সাদা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন। এক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার আবশ্যকতা নেই। এ নির্দেশনা আগামী ৮ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির বিদেশে চিকিৎসায় যত অর্থ প্রয়োজন, তা অর্থ মন্ত্রণালয়
থেকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। ঢাকায় ইতোমধ্যে এয়ার
অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে এবং তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ইনকিলাব
মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদির বিদেশে
চিকিৎসার সব ব্যয় অর্থ মন্ত্রণালয় বহন করবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন
আহমেদ। সোমবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ
উপদেষ্টা বলেন, “কালকে হাদির ব্যাপারে বলা হয়েছে, তো আমরা রেডি। এই যে হাদির ব্যাপারে,
বাইরে পাঠাবে; কালকে যখন আমাদেরকে মেসেজ দিল; আমরা বলেছিলাম, টাকা-পয়সা কোনো ব্যাপার
না। উই উইল গিভ অ্যালোকেশন। যা হোক ওটা ম্যানেজ হয়ে গেছে।”তিনি
আরও বলেন, “হাদির জন্য যখন বলেছে যে—বাইরে পাঠানো হবে; সো অবভিয়েসলি টাকার
ইনভলভমেন্ট আছে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আমরা বলেছি, যাই লাগে—হয়তো
হেলিকপ্টার নিতে হবে বা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স নিতে হবে। কিন্তু লাকিলি অর্থ মন্ত্রণালয়
তাদের নিজস্ব বাজেট থেকে দিচ্ছে।”
সালেহউদ্দিন
আহমেদ বলেন, “এই ব্যাপারে কোনো দ্বিধা ছিল না। যখন ডিসিশন নিয়েছে, বোর্ড যখন বলেছে,
তখন ইমিডিয়েটলি গভর্নমেন্ট টুক ইট আপ। এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে, আমরা বলে
দিয়েছি—যেকোনো সময় আমরা ইসে করব।”
শরীফ
ওসমান বিন হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিতে গালফস্ট্রিম জি-১০০ সিরিজের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
সোমবার বেলা ১১টা ২২ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেছে। ওই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করেই তাকে সিঙ্গাপুর
জেনারেল হাসপাতালের অ্যাক্সিডেন্ট ইমার্জেন্সি বিভাগে নেওয়া হবে।
প্রধান
উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, হাদির উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার দুদিন ধরে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড
ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালে যোগাযোগ করেছে। রোববার এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক দলের পরামর্শ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার পর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য,
গত শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় চলন্ত রিকশায় থাকা শরীফ ওসমান বিন
হাদিকে একটি মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায়
প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং অস্ত্রোপচারের পর এভারকেয়ার
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’
বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাবের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজি গ্রেড-১) এ কে এম শহিদুর রহমান,
বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি এবং এসবির অতিরিক্ত আইজি (গ্রেড-১) মোঃ গোলাম রসুল দীর্ঘ কর্মজীবন
শেষে গতকাল রবিবার অবসরে গেলেন। তাঁদের অবসর উপলক্ষে আজ সোমবার (১৬ মার্চ) বিকালে পুলিশ
হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে এক বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
ইন্সপেক্টর
জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ মোঃ আলী হোসেন ফকির অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
সভায়
অতিরিক্ত আইজিগণ, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে
বিদায়ী কর্মকর্তাগণের পেশাগত ও ব্যক্তিজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে পুলিশ কর্মকর্তাগণ
স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন।
বিদায়ী
অতিরিক্ত আইজিগণ তাঁদের বক্তব্যে জনগণের আস্থা ও সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করার
জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতার জন্য সকল সহকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সভাপতির
বক্তব্যে আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে বিদায়ী কর্মকর্তাগণ
অত্যন্ত সুনাম ও সফলতার সাথে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁরা বাংলাদেশ পুলিশের
উন্নয়নে অনন্য অবদান রেখেছেন। আইজিপি বিদায়ী কর্মকর্তাগণের সুখী, সুন্দর ও সমৃদ্ধ
অবসর জীবন এবং সার্বিক সুস্থতা কামনা করেন।
জনাব
এ কে এম শহিদুর রহমান ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ
পুলিশে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি র্যাবের মহাপরিচালক ছিলেন।
অপর
বিদায়ী অতিথি জনাব মোঃ গোলাম রসুল ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে
বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজি পদে দায়িত্ব
পালন করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
গুলশানে এক বৃদ্ধ পথচারীকে মারধরের অভিযোগে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন
রুশ বংশোদ্ভূত মডেল মনিকা কবির। ঘটনাটি ঘিরে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যও নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
গত
মঙ্গলবার বিকেলে গুলশান-২ এলাকায় টিকটক ভিডিও ধারণের সময় এক বৃদ্ধ পথচারীর ব্যাগের
কোণা তার গায়ে লাগলে মনিকা কবির ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের
দাবি, তিনি ওই বৃদ্ধকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ব্যাগ ছুড়ে মেরে
তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।
ঘটনার
একটি ভিডিও মনিকা নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে
দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এই
ঘটনার জেরে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সাজ্জাদ
আল ইসলাম। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তাকে হাজির করার জন্য সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
জারির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এদিকে
সমালোচনার মধ্যেই এক মুঠোবার্তায় দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন
মনিকা কবির। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আপনারা মেয়েদের ওপর পানি ফেলেন ! আমি চলে গেলে এখানে
কোনো বিদেশি মেয়ে আসবে না—আমি কথা দিচ্ছি। বাংলাদেশ আমাকে কষ্ট
দিলে আমিও বাংলাদেশকে কষ্ট দেব।’
তিনি
আরও দাবি করেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিদেশে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং দেশের জন্য অনেক
কিছু করেছেন বলেও মন্তব্য করেন।
রাশিয়ায়
জন্ম নেওয়া এবং মস্কোতে বেড়ে ওঠা এই মডেলের প্রকৃত নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা। পরিবারে
তাকে ‘মনিশকা’ নামে ডাকা হয়। তার মা রুশ নাগরিক ম্যারিয়া গোজেন এবং বাবা
একজন ভারতীয় চামড়া ব্যবসায়ী। বাবার ব্যবসার সূত্রে ২০১২ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসেন
তিনি।
এর
আগে খোলামেলা পোশাক ও জীবনযাপন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তাকে ঘিরে নানা বিতর্ক ছিল। তবে
গুলশানের সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে সেই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আনন্দঘন কুচকাওয়াজ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। আজ ১৬ ডিসেম্বর সকালে কুমিল্লা ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ রেজা হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুজ্জামান, পিপিএম। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কারারক্ষী, বিএনসিসি এবং রোভার স্কাউটের সদস্যরা মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেন। কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারীদের শৃঙ্খলা ও নৈপুণ্য দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কুচকাওয়াজে বিজয়ী পুলিশ সদস্যদের হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। তাঁদের সাহসিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এছাড়াও বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার গৌরবময় চেতনার উচ্ছ্বাস।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও দেশপ্রেমের চেতনা আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা।
মন্তব্য করুন


হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা রক্ষায় দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী
মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে। হিন্দু
ধর্মাবলম্বী প্রত্যেক বাংলাদেশী অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে
শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন এবং অন্যান্য সকল ধর্মাবলম্বীগণ সহযোগিতা ও
সম্প্রীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের
শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন সার্থক ও সুন্দর করে তুলবেন- এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা ও গাজপুর সিটি করপোরেশনের তিন প্রশাসক।
আজ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে ঢাকা দক্ষিণের প্রশাসক আবদুস
সালাম, উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং গাজীপুরের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার
প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বলে বাসস’কে জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস
সচিব আতিকুর রহমান রুমন। সাক্ষাতের পর ঢাকার দুই মেয়র সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
ঢাকা
দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘গত কয়েক মাসে যেভাবে
রাজস্ব খাত থেকে কালেকশন আসার কথা সেইভাবে আসেনি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর কম হয়েছে।
আমরা এই মুহুর্তে অর্থ সংকট পড়েছি। আমরা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছি।’
তিনি
বলেন, সিটি কর্পোরেশন চালানোর জন্য আমরা তাঁর (প্রধানমন্ত্রী) কাছে থোক বরাদ্দ চেয়েছি।
আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি যে, আমাদের কনসার্ন যে মিনিস্ট্রি লোকাল গভার্মেন্ট মিনিস্ট্রি
সেই মিনিস্ট্রিকেও যাতে উনি বলেন যাতে আমাদের বিভিন্ন প্রকল্পে বিভিন্ন কাজে যাতে আমাদের
সহযোগিতা করা হয়।’
আবদুস
সালাম বলেন, ‘ঢালাওভাবে তারা (বিগত প্রশাসক) যে সমস্ত ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছে সেটার ভিত্তিতে
কাজ করলে সিটি কর্পোরেশন কলাপস করবে। কোনভাবে সেটা করা যাবে না।’
ঢাকা
উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল
ইসলাম মিল্টন করপোরেশনের অর্থনৈতিক দুরাবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘ করপোরেশন এখন ভঙ্গুর
অবস্থায়। ফান্ড নেই অথচ ১৪৭০ কোটি টাকার টেন্ডার দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়েছে সাবেক প্রশাসক যিনি ছিলেন তিনি ১০ তারিখে শেষ অফিস
করে ৩৪টি ফাইল সই করে গেছেন যেখানে বিল দিতে হবে। আসলে কোন টাকাই নেই। ২৫ কোটি টাকা
আছে। রাজস্ব শাখা থেকে আমি যেটা জানতে পেরেছি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রতি মাসে
স্যালারি আসে ১৩ কোটি টাকা। ১৩ থাকবে ১২ কোটি, বিচার বিশ্লেষণ আপনারাই করবেন উন্নয়ন
কর্মকাণ্ড কিভাবে করব?’
তিনি
বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন। আমরা হতাশ নেই এভাবেই আমরা এগিয়ে যাব
জনকল্যাণে যতটুক সেবা দেওয়ার প্রয়োজন আছে আমরা সেই বা দেওয়ার জন্য আমরা নিজেকে আমরা
প্রস্তুত করব এবং জনকল্যাণে আমাদের যে অঙ্গীকার আছে সেটাকে আমরা বাস্তবায়ন করব।’
প্রধানমন্ত্রীর
নির্দেশনার বিষয়ে দক্ষিণের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রীর কথাটা হল একটাই
যে, পরিচ্ছন্ন ঢাকা এবং সবুজায়ন ঢাকা এবং মশার উপদ্রুপ থেকে নগরবাসীকে রক্ষা এই তিনটা
বিষয়ের উপরে উনি জোর দিয়েছেন।’তিনি বলেন, ‘সামনে যেহেতু বর্ষা আসতেছে
এবং সামনে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে এই কারণে মশাকে যেকোনো ভাবেই হোক নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
আর ঢাকাকে ক্লিন করতে হবে, ঢাকা শহর যে একটা বর্জ্যের একটা কারখানা হয়ে গিয়েছিলো। সেটা
থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে।’
আবদুস
সালাম বলেন, ‘ আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরে ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর ও গাজীপুর সবাই মিলে
আমরা চেষ্টা করছি যাতে অতি দ্রুত অন্তত আমাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটা সুন্দর ব্যবস্থায়
আমরা আনতে পারি। মশক নিধনে ইতিমধ্যে আমরা বিভিন্ন জায়গায় খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি
এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছি। আমি ঢাকা শহর দক্ষিণে এক মাসের জন্য একটা
ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালু করেছি।’
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, প্রবাসীরা যেন বিমান বন্দরে অতিথির মত সম্মান ও
সেবা পায় সরকার তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
আজ সোমবার (১১ নভেম্বর) হযরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিবাসী কর্মীদের জন্য একটি ডেডিকেটেড লাউঞ্জ (প্রবাসী লাউঞ্জ)
উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আপনাদের যে প্রাপ্য সম্মান, সেটি যেন জাতি দিতে পারে। সেই সম্মান দেয়ার জন্য
আজকের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রবাসী লাউঞ্জ উদ্ধোধন করা হলো। আশা করি, আরো বহু রকমের
পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যাতে করে আপনারা এখানে এসে মনে করতে পারেন যে, আপনারা শান্তিতে
আছেন, বাড়িতে আছেন, সবাই আপনাদের দেখভাল করছে, আপনাদের সেবা-শুশ্রুষা করছে৷ অর্থাৎ
আপনি এখানে মেহমানের মতো থাকবেন। আপনি সম্মান
নিয়ে থাকবেন। আপনার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়ার জন্য এই প্রচেষ্টা। আজকে যেটা শুরু করলাম
বহুভাবে একে কাজ লাগানো যাবে। আপনাদের দিয়ে তো দেশ চলে। আপনাদের তো মাথার ওপর রাখার
কথা। অপরাধী করে রাখবে কেনো? ভাবখানা এই যে, তোমরা নিজদের টাকা রোজগার করতেছ, তোমাদের
ব্যাপার! আমাদের কী তাতে?'
তিনি আরও বলেন, প্রবাসীরা টাকা যেটা
রোজগার করছে, সেটা তো বাংলাদেশেই আসছে, বাংলাদেশের জন্য রোজগার করছে। প্রবাসীরা কষ্ট
করে টাকা রোজগার করে আনছেন। আর এই কষ্টার্জিত টাকা আরকজনে বিদেশে পাচার করছে। এটা হলো
আমাদের দুর্ভাগ্য। সেখান থেকে আমাদের ফিরে আসতে হবে, আমাদের দেশের টাকা যেন দেশে থাকে,
দেশের কাজে লাগে। আমাদের প্রবাসী কর্মীরা দেশ গড়ার কারিগর। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে
তারা বড় ভূমিকা পালন করেছে। আমরা তাদের কাছে সবসময় কৃতজ্ঞ। আমরা বিশ্বাস করি, এই লাউঞ্জ
তাদের ভ্রমণকে সহজ করবে। আমরা সরকারে আসার তিন মাসের মাথায় এসে প্রবাসীদের জন্য নতুন
যাত্রা শুরু করতে পারলাম। প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নাম উল্লেখ করে তিনি
বলেন, আমরা দুজনেই বিদেশে আসা-যাওয়ার পথে এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি। বিমানবন্দর আমাদের
সবাইকে ব্যবহার করতে হয়। আমাকেও প্রায় আসা-যাওয়া করতে হয়। মনে খুব কষ্ট হয় যখন দেখি
প্রবাসীদের যাওয়া আসায় কত কষ্ট হচ্ছে। প্রবাসীদের জন্য এখন ই-পাসপোর্ট দিতে হবে। ছাপা
পাসপোর্ট দরকার নেই। পাসপোর্ট আপনার ফোনে চলে আসবে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। অফিসে যেন
যেতে না হয়। আমার এখন আর সরকারি অফিসে যেতে চাই না। বাড়িতে যেন সেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।
উল্লেখ্য, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে
এটিই প্রথম প্রবাসী লাউঞ্জ। এখানে বাংলাদেশী অভিবাসী কর্মীদের বিশ্রামের জন্য জায়গা
এবং সুলভ মূল্যে খাবার পাওয়া যাবে। সুলভ মূল্যে খাবার পরিবেশনের জন্য এতে ভর্তুকি দেবে
সরকার।
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে আইন ও প্রবাসী কল্যাণ
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, বিমান বন্দরে
প্রবাসীদের দেখভাল এবং তাদের সহায়তা করার জন্য ১০০ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইওএম
এই কর্মীদের স্পন্সর করেছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত আইওএম মিশনের ডেপুটি
চিফ ফাতিমা নুসরাত গাজালি জানান, জাতিসংঘ বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের সহায়তার জন্য
লাউঞ্জটি স্পন্সর করেছে।
মন্তব্য করুন