

হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন
আজ
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিবের গণমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ
তথ্য জানানো হয়েছে।
এর
আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়।
গতকাল
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান তিনি। এ সময় বলেন,
দূরত্ব বজায় রেখে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের চিনতে পেরেছেন এবং আমাদের সালামের উত্তর দিয়েছেন।
নানা
রোগে আক্রান্ত প্রায় ৮০ বছর বয়সী
খালেদা জিয়া ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদযন্ত্রের সমস্যার
কারণে গত ২৩ নভেম্বর
ফের হাসপাতালে ভর্তি হন।
মেডিক্যাল
বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


চোখ
যতদূর যায়, কেবল সাজানো রুটির সারি। ১ কিলোমিটার, ২ কিলোমিটার করে সেই সারি দীর্ঘ
হতে হতে ছাড়িয়ে গেছে প্রায় ৬ কিলোমিটার! হাজারো মানুষের কোলাহল আর তাজা রুটির গন্ধে
ম ম করছে পুরো এলাকা। শেষ পর্যন্ত যখন মাপজোখ শেষ হলো, দেখা গেল আগের সব রেকর্ড ধুলোয়
মিশিয়ে দিয়ে ইতিহাস গড়েছে মেক্সিকোর পুয়েবলা শহর।
ঐতিহ্যবাহী
রোসকা দে রেয়েস বা থ্রি কিংস ব্রেড উৎসবকে কেন্দ্র করে গত রবিবার পুয়েবলা শহর গড়েছে
এই নতুন বিশ্বরেকর্ড। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বিচারক আন্দ্রেস রোজাস টোলেডোর তথ্যমতে,
১৯ হাজার ১০টি ছোট ছোট টুকরো দিয়ে তৈরি এই রুটির মোট দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৬ হাজার মিটার।
প্রতিটি
টুকরো ছিল প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা। পুয়েবলার মেয়র হোসে চেদ্রাউই এই বিশাল কর্মযজ্ঞের
জন্য স্থানীয় রুটি কারিগর ও গ্রান বোদেগা কোম্পানিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
খ্রিস্টীয়
বিশ্বাস অনুযায়ী, যিশুর জন্মের পর ৩ জ্ঞানী ব্যক্তির আগমনের স্মরণে প্রতি বছর ৬ জানুয়ারি
এই উৎসব পালিত হয়। মেক্সিকোর প্রথা অনুযায়ী, এই বিশাল রুটির ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয় যিশুর
ছোট ছোট প্লাস্টিকের প্রতিকৃতি। যার রুটির টুকরোয় সেই প্রতিকৃতি পাওয়া যায়, তাকে আগামী
২ ফেব্রুয়ারি ক্যান্ডেলমাস ডে বা মোমবাতি দিবসের ভোজের আয়োজন করতে হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার
দায়িত্ব আমাদের। তা নিয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বিবিসি হিন্দিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি
এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রকাশিত
ওই সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানকার সংখ্যালঘুরা আমাদের নাগরিক। তাদের
নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এ বিষয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই। যেটা নিয়ে ভারতের
বলা প্রয়োজন সেটা হলো, গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা।
এই প্রশ্ন করা যেতে পারে, বাংলাদেশের
বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত কী ধরনের সাহায্য করতে পারে? এ বিষয়ে কথা বলা প্রয়োজন।
আরও বলতে চাই, ভারতের গণমাধ্যম আমাদের সরকারকে নিয়ে ভুল সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। ভারতের
উচিত এ বিষয়ে একটা সীমা টানা। আমরা চাই, তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনা হোক এবং সম্পর্ক উন্নয়নের
প্রশ্নেও আলোচনা হোক।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামী
লীগ জুলাই-আগস্টে যে গণহত্যা ঘটিয়েছে, সেটাকে ভারত কীভাবে দেখে, তা ভারত এখনো স্পষ্ট
করেনি। কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে। কিন্তু ভারত এ বিষয়ে
কোন কথা বলেনি। উপরন্তু, যার (শেখ হাসিনা) ওপরে এ ঘটনার দায় বর্তায়, ভারত তাকে আশ্রয়
দিয়েছে। যে ব্যক্তি তার স্বজনকে হারিয়েছে, ভারত যদি তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়, তাহলে
বাংলাদেশের জনগণ সেটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবে। আমি চাই, ভারত আমাদের সহায়তা করুক,
যাতে যারা গণহত্যা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এখানে যা কিছু
হয়েছে তা আমাদের নজরে আছে। মানুষের যে কষ্ট হয়েছে, সে সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল। এটাও
মনে রাখতে হবে, যদি সময়মতো (গণঅভ্যুত্থানের পরপর) ব্যবস্থা না নেওয়া হতো, তাহলে পরিস্থিতি
আরও খারাপ হতো। দুর্গাপূজার কথাই ধরেন। বলা হচ্ছিল, আরও সহিংসতা হবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করেছি। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হয়েছে।
আমাদের সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কথা বলেছে, আশ্বস্ত করেছে। তারাও এতে আশ্বস্ত হয়েছেন।
আমি তো বলব, অন্য কোনো সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেনি, যা আমরা
গত তিন মাসে করেছি। আগের সরকারগুলো এ বিষয়ে শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নিয়েছে। তাদের ওপর
থেকে সংখ্যালঘুদের আস্থা কমে গিয়েছিল। আমাদের এসব ঠিক করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি,
তাদের কিছু বিষয় আছে, যা এখনই সমাধান হওয়ার নয়। এজন্য আমাদের সময় দিতে হবে। আওয়ামী
লীগ সরকারের বিদায়ের পর কিছু উগ্র ও কট্টরপন্থি সংগঠনের তৎপরতা বাড়তে পারে। এ কারণে
শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতের নিরাপত্তারও সমস্যা হতে পারে—এ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনো কোনো সহিংসতা বা উগ্রবাদী সংগঠনকে সমর্থন করে না। বাংলাদেশের
মানুষ গণতান্ত্রিক সরকার চায়। আপনি যা বলছেন সেটা আওয়ামী লীগের প্রচার করা অসত্য বয়ান।
তারা বলত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর তৎপরতা বেড়ে যাবে। এসব
বলে বলে তারা এত বছর বাংলাদেশ শাসন করেছে। ভারতও এই বয়ান সমর্থন করে। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে
আওয়ামী লীগ সরকারে থাক বা না থাক, এটা দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে কেন প্রভাব পড়বে?
এর মানে হলো, ভারত এ দেশের মানুষের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছিল।
বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে এ প্রশ্ন উঠত না। যেমন- আমরা দেখি না ভারতে
কে ক্ষমতায়, বিজেপি না কংগ্রেস। সে রকমই এখানেও এটাই হওয়া উচিত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
আছে না নেই, সে প্রশ্ন থাকা উচিত নয়। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমি শুধু এটাই বলব, বিষয়গুলো
আওয়ামী লীগের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই উচিত। আমরা দুই দেশ একে অপরকে সঙ্গ দিলে উভয়ের
কল্যাণকর কাজ করা সম্ভব। আমরা কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করিনি। কোনো প্রকল্পও
বন্ধ করিনি। সবকিছু আগের মতোই চলছে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরিফ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা করে আজ শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বাদ জুমা দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
হাদির মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে এ ঘোষণা দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানের দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে। শরীফ ওসমান হাদির অকাল মৃত্যুতে আগামী শনিবার (২০ ডিসেম্বর) এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করছি। এ উপলক্ষে শনিবার দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাই বিপ্লবী শরিফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরে একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু–নন্দীগ্রাম) আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, পরিচিত হিরো আলম। তিনি আমজনতা দলের মনোনয়নপত্র সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করেছেন। জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের কাছে থেকে তিনি নিজে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। হিরো আলম জানিয়েছেন, বিকেল ৫টার মধ্যে মনোনয়নপত্র পূরণ করে জমা দেবেন।মনোনয়ন উত্তোলনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে হিরো আলম বলেন, “আমি সবসময় হামলা এবং মামলার শিকার হয়ে আসছি। তাই আমার নিরাপত্তার জন্য গানম্যান প্রয়োজন। অনেক প্রার্থীই নিরাপত্তার অভাবের কারণে গানম্যান চাইছেন।” তিনি আরও যোগ করেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে আমরা সবাই চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হোক, যা বিগত কয়েকটি নির্বাচনে হয়নি।”তিনি বলেন, “অনেকে আমাকে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে নির্বাচন করতে বলেছিলেন। তবে ওই আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অংশগ্রহণ থাকায় তার প্রতি সম্মান রেখে আমি বগুড়া-৪ আসন থেকেই নির্বাচন করছি।” হিরো আলম আরও জানিয়েছেন, আগেও বগুড়া-৪ আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং এবারও একই আসন থেকেই ভোটের মাঠে থাকবেন।উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে হিরো আলম বগুড়া-৪ আসন থেকে এবং ২০২৩ সালে বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমা ঘোষণা করেছে । অনলাইনে ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১৬ এপ্রিল। জরিমানা ছাড়া ফরম পূরণ চলবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার(২১ মার্চ) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে ফরম পূরণ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণ করা যাবে ২৯ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ৩০ জুন।
ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষার্থীদের জন্য ২৬৮০ টাকা, মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ২১২০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩১ মার্চের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে আন্তর্জাতিক
মঞ্চে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার
রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে
রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন অপসারণের কথা স্মরণ
করেন।
তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের
অন্যান্য পণ্যও আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান। বর্তমানে রাশিয়ায় বাংলাদেশের মোট
রপ্তানির ৯০ শতাংশ তৈরি পোশাক।
বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায়
বাংলাদেশে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং খাদ্য নিরাপত্তা,
জ্বালানি অনুসন্ধান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সহায়তা বাড়ানোসহ পারস্পরিক স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনা করেন।
বাংলাদেশের খাদ্যশস্য এবং সারের বড় একটি অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি
করা হয় উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক
অংশীদার।
গত বছর রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন টনেরও বেশি গম
আমদানি করেছে এবং চলতি বছর আমদানির পরিমাণ ইতোমধ্যে ২ মিলিয়ন টন অতিক্রম করেছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি
কোম্পানি গ্যাজপ্রম ভোলা দ্বীপে এবং দেশের অভ্যন্তরে আরও পাঁচটি গ্যাস কূপ
অনুসন্ধান করতে আগ্রহী।
তিনি আরও জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ
চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি আগামী বছর চালু হতে পারে।
তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে এলএনজি রপ্তানিতে আগ্রহী।
প্রধান উপদেষ্টা অর্থনৈতিক ও শিক্ষা সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের
মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন
খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) ও প্রেসিডেন্ট
গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ভিভিআইপি
প্রটোকলের অংশ হিসেবে , আজ (০২ নভেম্বর ) মঙ্গলবার দুপুর থেকে তারা দায়িত্ব পালন শুরু
করেছেন।
হাসপাতাল ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে এসএসএফের ৭ জন কর্মকর্তা নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝে নেন।
এ সময় তাদের সঙ্গে পিজিআরের ডেপুটি কমান্ডার কর্নেল ইমতিয়াজ ও মেজর আহনাফ উপস্থিত ছিলেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পিজিআরের সদস্যরা হাসপাতালের গাড়ি পার্কিং এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন।
এ ছাড়া ইউনিটের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা হাসপাতালের ৪ র্থ তলায় খালেদা জিয়ার কেবিনের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছেন।
হাসপাতালে মোট কতজন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বা কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেমন হবে,
সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা নেই। প্রধান
উপদেষ্টা যে সময় বলেছেন সে সময়ই নির্বাচন হবে। নির্বাচনের জন্য
যে পরিবেশ সেটা ঠিক করা হবে এবং সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। অতীতের যে কোন
নির্বাচনের তুলনায় ভালো নির্বাচন হবে।
আজ শনিবার (১৯ জুলাই) সকালে কুমিল্লা বার্ডে
ময়নামতি অডিটোরিয়ামে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ইভেন্ট ল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ
শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা জানান।
পিআর পদ্ধতিতে সংসদ নির্বাচন বিষয়ে প্রেস
সচিব বলেন, বিষয়টি নিয়ে সকল রাজনৈতিক দল ও কমিশন গুলো কথা বলছে এবং সবাই
খুব আন্তরিকতার সাথেই বিষয়টি আলোচনা করছে।
"The Next Wave" প্রতিপাদ্যে কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) দ্বিতীয়বারের মত আয়োজিত TEDxComilla University অনুষ্ঠানে স্পিকার
হিসেবে ছিলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হায়দার আলী, এসট্রো
ফটোগ্রাফার জুবায়ের কাওলিন, চরকির সিইও রেদওয়ান রনি, লেখক ডেলএইচ খান, গায়ক আসিফ আকবর,
সংবাদ উপস্থাপক ফারাবি হাফিজ সহ অন্যান্য।
মন্তব্য করুন


নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বরং মানুষ
হিসেবে এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করে সাংবিধানিক অধিকার চাওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে হিন্দু
সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন হামলার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী
মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা করতে যাচ্ছি, যেখানে সবাই এক পরিবার। এটা হলো মূল জিনিস। এখানে
পরিবারের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা, বিভেদ করা, এটার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমরা মুসলমান,
হিন্দু, বৌদ্ধ হিসেবে বিবেচিত নই; মানুষ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত
হোক। আপনারা যদি টেনে টেনে নিয়ে আসেন আমি ওমুক, আমি তমুক, এটা আবার পুরোনো জায়গায় চলে
গেলো। আপনারা বলেন যে আমি মানুষ, আমি বাংলাদেশের মানুষ, আমার সাংবিধানিক অধিকার এই,
আমাকে দিতে হবে। সব সরকারের কাছে এটাই চাইবেন। সব সমস্যার গোড়া হলো আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো
পচে গেছে। এ কারণেই এসব গোলমাল হচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করতে হবে। ন্যায়বিচার
হলে কে বিচার পাবে না আমাকে বলেন। কোন ধর্মের, কোন জাতের, আইনে কি বলা আছে যে মুসলমান
সম্প্রদায় হলে এই আদালতে হবে, হিন্দু হলে ওই আদালতে যাবে। সবার জন্য আইন একটা, কার
সাধ্য আছে সেখানে বিভেদ করে যে এ রকম একটা, ওই রকম একটা। এটা এমন রোগ, মূলে যেতে হবে।
আপনারা যদি বলেন আমাদের সংখ্যালঘুরা, এটা বললে মূল সমস্যা থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি।
আমাদের বলতে হবে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটা পেলে বাকস্বাধীনতা
প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটিই হলো আমাদের মূল লক্ষ্য।
সনির্বন্ধ অনুরোধ আপনারা বিভিন্ন খোপের (বিভেদ) মধ্যে চলে যাইয়েন না। এই খোপ হলে, খোপের
মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি লেগে যাবে। এক হয়ে আসেন। এক আইন, আমাদের আইনি অধিকার দিতে
হবে। বলেন, আপনারা আইনি অধিকার পান না, বিচার হয় না। এটাই হলো আসল জিনিস। বিচারব্যবস্থা
আমাদের দিকে তাকায় না, পুলিশ আমাদের দিকে তাকায় না। কারণ, আমি অধিকারটা … করতে পারি
নাই। আমাদের নীতিটা আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারি নাই। খোপ খোপ করতে আরম্ভ করবেন, তারাও
মজা পেয়ে যাবে। ওই মজার খেলাতে আমাদের আর নিয়ে যাইয়েন না। আমরা এসেছি, আমরা এক মানুষ,
আমাদের এক অধিকার। এর মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যাবে না। একটু সহযোগিতা করেন আমাদের,
একটু ধৈর্য্য ধরেন। কী করতে পারলাম, কী পারলাম না সেটা পরে বিচার কইরেন। যদি না পারি
আমাদের দোষ দেবেন।
এর আগে সনাতন ধর্মের ধর্মীয় নেতারা
বিভিন্ন সময় তাদের ওপর হামলার কথা তুলে ধরেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের কাছে এসব
সমস্যার স্থায়ী প্রতিকার চান। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়
প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তাদের আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


পাবনা শহরের শালগাড়িয়া এলাকার তালবাগানে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা সিরাজুম মুনিরার পারিবারিক বাসার গেটে লাল রঙের একটি ক্রসচিহ্ন এঁকে গেছে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। এ ঘটনায় মুনিরা ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিবারের দাবি, গত ১৯ ডিসেম্বর রাতের কোনো এক সময় এই চিহ্ন আঁকা হয়।সিরাজুম মুনিরা জানান, বর্তমানে তিনি পাবনায় বসবাস করেন না। তবে তার বাবা-মা শালগাড়িয়ার ওই বাসাতেই থাকেন। শনিবার সকালে তারা বাড়ির গেটে লাল রঙে আঁকা ক্রসচিহ্নটি দেখতে পান। তবে কে বা কারা এটি এঁকেছে, তা কেউ প্রত্যক্ষ করতে পারেননি। মেয়ের দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে—এই আশঙ্কায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তাকে জানানো হয়নি।তিনি আরও জানান, রোববার রাতে বাসায় ফেরার পর পরদিন বিকেলে বাইরে যাওয়ার সময় তার নজরে বিষয়টি আসে। এরপর তিনি মৌখিকভাবে থানায় বিষয়টি অবহিত করেন।মুনিরার ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি পাবনায় সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশ নেন। সে কারণেই আন্দোলনের শুরু থেকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে তাকে ও তার পরিবারকে। এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা নিশ্চিত না হলেও ভয়ভীতি সৃষ্টি করতেই এমন কাজ করা হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন।তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তবে মৌখিকভাবে জানানোতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়ির আশপাশে নিয়মিত পুলিশ টহল দেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন জানান, এখনো এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কে বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সে সম্পর্কেও নির্দিষ্ট তথ্য নেই এবং কোনো সিসিটিভি ফুটেজও পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন