

কুমিল্লায়
১টি পিস্তল ও ২টি ম্যাগজিনসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে চান্দিনা থানার পুলিশ।
আজ
(১৯ ফেব্রুয়ারি) চান্দিনা থানায় কর্মরত এসআই মোহাম্মদ জহির উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন ৫নং কেরনখাল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড
ছয়ঘরিয়া সাকিনস্হ এইচএনবি ব্রীক ফিল্ডের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের
দক্ষিন পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে ১টি মিয়ামী বাস সংকেত দিয়ে
থামিয়ে গাড়ীর সিটে বসা একজন যাত্রীর দেহ তল্লাশী করে তার ডান হাতে ধরা ১টি কালো রংয়ের
ব্যাগ থেকে ২টি ম্যাগজিনসহ ১টি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এ সময় আসামি মোঃ কামাল হোসেন
কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ কামাল হোসেন (৪৭), পিতা-মৃত করিম উল্ল্যাহ,
মাতা-মৃত সফিয়া প্রঃ সাফিয়া খাতুন, সাং-তুলাপুষ্কুরনী, পো-কাদের বাজার, থানা-চৌদ্দগ্রাম,
জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় চান্দিনা থানার মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন আছে।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন বৈষম্যবিরোধী মামলার ঘটনায় জড়িত পলাতক ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ২০২৫) ভোরে আকস্মিকভাবে কুমিল্লা নগরীর ঈদগাহ সিএনজি গলিতে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য মিছিল করে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক ৫টা ৩০ থেকে ৫টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে দুটি সিএনজিতে ৮ থেকে ১০ জন ছাত্রলীগ কর্মী গোপনে সেখানে আসে। তারা গলির ভেতর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত মিছিল করে পার্কের গেট হয়ে দ্রুত সিএনজিতে করে স্থান ত্যাগ করে।
ঘটনার খবর পেয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ যৌথভাবে দিনভর অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ওই মিছিলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১২ জন ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কুমিল্লা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মন্তব্য করুন


১৬ কেজি গাঁজাসহ ডিএনসি-কুমিল্লার হাতে
আটক ০২ নারী।
ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী
ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে ১৪ ফেব্রুয়ারি
২০২৫ তারিখ সকাল ০৮:০০ ঘটিকায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার এলাকায় কুমিল্লা
টু ঢাকাগামী এশিয়া ট্রান্সপোর্ট নামীয় বাসে তল্লাশি করে ১৬ কেজি গাঁজাসহ মোসা: রুনু
আক্তার(৩৭) ও আঞ্জুমান আক্তার সুমাইয়া(২০) কে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামি রুনু আক্তার (৩৭) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার মুরাদপুর মৃত চারু মিয়ার মেয়ে।
অপর আসামী আঞ্জুমান আক্তার সুমাইয়া(২০) কোতয়ালী থানার মৃত সুমন মিয়ার মেয়ে এবং রাব্বি
হোসেনের স্ত্রী।
জানা যায়, অল্প
সময়ে অধিক উপার্জনের লোভে তারা বারবার মাদক বহনের কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
চোখ ফাঁকি দেয়ার জন্য মাদক ব্যবসায়ীরা কৌশল হিসেবে মহিলাদের মাদক বহনের কাজে ব্যবহার করছেন।
আসামীদের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক মো: মুরাদ
হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা
দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া ২৮ টি অস্ত্র ও ৬৬৭ টি গুলি উদ্ধার করছে আনসার ভিডিপি কুমিল্লার কমান্ড্যান্ট রাশেদুজ্জামান ।
তিনি জানান, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করে এসব উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আনসার জেলা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ তারিখে কুমিল্লার বিভিন্ন থানা ও কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স থেকে অস্ত্র লুট হয়। পরে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আনসার ভিডিপি সদস্যরা এসব অস্ত্র উদ্ধারে কাজ শুরু করে। কুমিল্লা জেলা অফিসের তত্ত্বাবধানে ২৮ টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬৬৭ রাউন্ড গুলি, ১১ টি খালি ম্যাগজিন, হ্যান্ডকাফ ও চাবি উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা কমান্ডেন্ট আরো জানান, আমাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায়- ড্রেনের ভেতর, বন জঙ্গল থেকে খোঁজাখুঁজি করে এবং এলাকার মসজিদের মাইকে জানান দিয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে এসব অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সাথে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আনসার ভিডিপি কুমিল্লা রেঞ্জ পরিচালক আশীষ কুমার ভট্টাচার্য জানান,শুধু কুমিল্লায় নয় নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং চাঁদপুরেও বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, থানা পাহারা এবং ট্রাফিকিংয়ের কাজে আনসার ভিডিপি সদস্যরা সচেষ্ট রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩১ কেজি ৫শত গ্রাম কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (১১ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন শশীদল এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ বিল্লাল ও মোঃ মেহেদী হাসান নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩১ কেজি ৫শত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ বিল্লাল (৩০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার রঘুরামপুর গ্রামের মোঃ জলিল এর ছেলে এবং ২। মোঃ মেহেদী হাসান (২০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার বায়েক গ্রামের মোঃ রশিদ আহম্মদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব -১১, সিপিসি-২।
১৮ এপ্রিল রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক
দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কোটেশ্বর এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ রাশেদুল রিমন (২৪) ও ২। মোঃ ওয়াসিম আকরাম
(২১) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি
গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ রাশেদুল রিমন (২৪) কুমিল্লা জেলার
চান্দিনা থানার সুহিলপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাব এর ছেলে এবং ২। মোঃ ওয়াসিম আকরাম
(২১) বি.বাড়িয়া জেলার সদর থানার সুলতানপুর গ্রামের শেখ ভানু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার
করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায়
মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১
এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের
মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় বাস চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছে বাস মালিক সমিতি। এতে জেলার প্রায় ৪০টি সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নগরীর জাঙ্গালিয়া, শাসনগাছা ও চকবাজার বাস টার্মিনাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এতে কুমিল্লা-ঢাকা, কুমিল্লা-চট্টগ্রাম, কুমিল্লা-সিলেট, কুমিল্লা-চাঁদপুরসহ অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সড়কগুলোতে বাস চলাচল বন্ধ থাকে।
জানা গেছে, জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল থেকে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কে আইদি পরিবহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। পরিবহন নেতাদের দাবি, কুমিল্লা নগরীর তিনটি বাস টার্মিনাল ব্যবহার করে প্রতিদিন কয়েক হাজার বাস ও মিনিবাস চলাচল করে। তবে আইদি পরিবহন যথাযথ রুট পারমিট ছাড়াই টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাইছে।
এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় কর্মস্থলগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেককে বিকল্প যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
আইদি পরিবহণের চেয়ারম্যান মীর পারভেজ আলম অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে কুমিল্লা-চাঁদপুর রুটে তাদের বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু শুরু থেকেই কুমিল্লা বাস মালিক গ্রুপের একটি সিন্ডিকেট তাদের চলাচলে বাধা দেয়। এ কারণে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন রুট পারমিট দেয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে বাধ্য হয়ে জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল বন্ধ রেখে দুই কিলোমিটার দূরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বাস সার্ভিস চালু করা হয়। আইনি কোনো বাধা না থাকলেও এখনো কুমিল্লা জেলা প্রশাসন থেকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা বাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আইদি পরিবহণ চাঁদপুর জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতি পেলেও কুমিল্লা থেকে রুট পারমিট নেয়নি। এর পরও তারা কুমিল্লার বাস টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাচ্ছে।
তিনি জানান, একাধিকবার তাদের বাধা দেওয়া হলেও বিজয় দিবসের দিন হঠাৎ করে কিছু বাস টার্মিনালে আনা হয়। বুধবারও সেখান থেকে বাস চলাচল করেছে। বৃহস্পতিবার আবার বাস আনার চেষ্টা করলে সকাল থেকে নগরীর তিনটি টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে দেড় কোটির
বেশি মূল্যমানের চোরাইপণ্য জব্দ করেছে বিজিবি।
আজ সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রেস
বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এ এম জাহিদ
পারভেজ।
বিজিবির এই কর্মকর্তা জানান, জেলার
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা বিওপির বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় একটি চোরাচালান বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের
অভ্যন্তরে নোয়াপুর নামক স্থান হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০৯ পিস বিভিন্ন প্রকার ভারতীয়
মোবাইলফোন এবং ২৭০০টি মোবাইলফোনের ডিসপ্লে আটক করা হয়। যার মূল্য- ১ কোটি ৫৪ লাখ ৬৩
হাজার ৭০০ টাকা। জব্দকৃত সকল অবৈধ দ্রব্যসামগ্রী আইনি প্রক্রিয়া শেষে কাস্টমসে জমা
করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় দিন দুপুরে এক প্রবাসীকে সিআইডি পরিচয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় লুট করা হয় প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, আইফোন। পরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ফোন করে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে চক্রটি। এ ঘটনার পর পৃথক অভিযানে চান্দিনা পৌরসভা শ্রমিকদল নেতাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।সোমবার (১৪ জুলাই) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার দুপুর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে প্রবাসীকে উদ্ধার করার পাশাপাশি চক্রের ৫ সদস্য আটক করা হয়। সেদিন রাতেই ৬ জনকে আসামি করে চান্দিনা থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসী মো. সোহেল সরকার।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- চান্দিনা উপজেলা সদরের মহারং মুন্সিবাড়ি এলাকার মৃত আজিজ মুন্সির ছেলে সোহেল মুন্সি (৩৯)। তিনি চান্দিনা পৌরসভা শ্রমিকদল যুগ্ম আহবায়ক ও ১ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিকদল সভাপতি।
অন্যরা হলো- মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার মালাপদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ শেখের ছেলে সোহাগ আহমেদ (৩৫), টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার হাড়িয়া গ্রামের মো. চাঁন মিয়ার ছেলে মো. রাসেল মিয়া (২৯), নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার বীর চরমধুয়া গ্রামের মো. লিয়াকত আলীর ছেলে মো. হানিফ (২৭) ও কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার শ্রীমন্তপুর গ্রামের মো. ইসমাইলের ছেলে মো. ফয়সাল (২৭)।
সংঘবদ্ধ এই আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের কাছ থেকে লুট হওয়া প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
ভুক্তভোগী প্রবাসী মো. সোহেল সরকার নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার দক্ষিণ বটতলী গ্রামের মো. জব্বার সরকারের ছেলে। গত ১১ জুলাই রাতে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসে সরাসরি শ্বশুরবাড়ি চান্দিনার ছায়কোট গ্রামে আসেন।
তিনি জানায়, গত রোববার দুপুর দেড়টার দিকে ৫-৬ জন লোক আমার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আমাকে খোঁজেন। এসময় তারা নিজেদের সিআইডি পরিচয় দেন। আমি ঘর থেকে বের হয়ে আসতেই তারা আমাকে ঝাপটে ধরে এবং আমার কাছে অবৈধ মাল আছে বলে জানায়। পরে তারা আমার শ্বশুরের ঘর থেকে বিদেশ থেকে আনা প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি আইফোন ও একটি স্মার্ট ফোনসহ আমাকে বাড়ি থেকে তুলে আনে। তারা আমাকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনার কাঠেরপুল এলাকায় এনে ২ লাখ টাকা দাবি করে এবং আমার স্ত্রীকে ফোন দেয়। আমার স্ত্রী চান্দিনা সেনা ক্যাম্পে গিয়ে বিষয়টি জানালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আমাকে তাদের কবল থেকে উদ্ধার করে এবং সঙ্গে সঙ্গে সোহেল মুন্সিসহ ২ জনকে আটক করে।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, সেনাবাহিনীর সদস্যরা দুইজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে। এরপর আমরা অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে আটক করি। সোমবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
(সূত্র: ইত্তেফাক)
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ একই পরিবারের চারজন নিহতের ঘটনায় উল্টো পথে আসা হানিফ পরিবহনের সেই বাসটিকে জব্দ করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে জেলার দেবিদ্বার উপজেলার খাদঘর মানামা হোটেলের সামনের মাঠ থেকে বাসটি জব্দ করা হয়।
ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, শুক্রবার দুর্ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বাসটিকে শনাক্ত করা হয়। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছিল, হানিফ পরিবহনের ঢাকা মেট্টো-ব-১২-২১৯৭ নম্বরের বাসটি উল্টো পথে চলাচল করার কারণেই সিমেন্ট বোঝাই কাভার্ড ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারের ওপর উল্টে পড়ে, তারপর ওই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল।পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, বাসটি জব্দ হলেও চালক বা হেলপার কাউকে পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পর বাসটিকে খাদঘর এলাকায় রেখে আত্মগোপনে চলে যান চালক এবং হেলপার। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড ইউটার্নে সিমেন্টবোঝাই একটি কাভার্ড ভ্যান প্রাইভেট কারের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের চারজন নিহত হন।
নিহতরা হলেন, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোহাম্মদ ওমর আলী (৮০), তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫), বড় ছেলে ব্যাংক এশিয়ার কর্মকর্তা মো. আবুল হাশেম (৫০) ও ছোট ছেলে আবুল কাশেম (৪৫)। প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন বড় ছেলে ব্যাংক কর্মকর্তা আবুল হাশেম। একই দুর্ঘটনায় লরির নিচে থাকা সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রীও আহত হন। আহতরা ঢাকা ও কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নিহত ওমর আলীর ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা করেছেন। মামলায় কাভার্ড ভ্যান ও হানিফ পরিবহন বাসের অজ্ঞাতনামা চালকদের আসামি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং কুমিল্লার উন্নয়ন-অভিমুখী ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনগণের হাতে পৌঁছে দিতে বর্ণাঢ্য মিছিল ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয় থেকে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এক বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর চর্থা চৌমুহনীতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
এই গণসংযোগ-মুখী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল নগরবাসী, নতুন ভোটার, ব্যবসায়ী-শ্রেণি, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী নাগরিক—সকলের মাঝে রাষ্ট্র মেরামত সংক্রান্ত ৩১ দফা এবং বিশেষভাবে কুমিল্লার উন্নয়নে হাজী ইয়াছিনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরা। নেতৃবৃন্দের মতে—এটি ছিল জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির একটি ক্ষেত্রভিত্তিক প্রয়াস।
মিছিলে অংশ নেন কুমিল্লা মহানগর, সদর দক্ষিণ ও আদর্শ সদর উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
মিছিল চলাকালে নেতারা জনতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বার্তা লিফলেটের মাধ্যমে তুলে ধরেন। লিফলেটগুলোতে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার প্রতিটি পয়েন্টের বাস্তবিক প্রভাব তুলে ধরা হয়। এলিট রাজনীতি থেকে জনগণের রাজনীতিতে ফেরার যে স্লোগান বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে উচ্চারিত হয়েছে—এই কর্মসূচিও ছিল তারই ধারাবাহিকতা।
সমাবেশে বক্তারা কুমিল্লার অতীত-বর্তমান সামাজিক–অর্থনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন—কুমিল্লা মহানগর একটি ঐতিহ্যবাহী শহর হলেও এখনো নাগরিক সেবা, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, তরুণদের কর্মসংস্থান, ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষা সুবিধা উন্নয়নে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে সুশাসন, জবাবদিহিতা, এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ত অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন মডেল দরকার। সমাবেশে হাজী ইয়াছিনের কুমিল্লার জন্য প্রস্তাবিত পরিকল্পনার তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে কুমিল্লা–০৬ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা হাতেহাতে লিফলেট নিয়ে অংশ নেন এবং নাগরিকদের মাঝে সরাসরি বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন