

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে মা ও মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ছেলে ও ছেলের বউয়ের ১০ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা দায়রা জজ আদালতে এই আবেদন করা হয়।
সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানাধীন ইপিজেড ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ খাজু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে (৩১ আগস্ট) রবিবার রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিহতের বড় মেয়ে হাছিনা আক্তার শিউলি বাদী হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
নিহতরা হলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর গ্রামের মৃত আবু তাহের স্ত্রী লুৎফা বেগম (৭০) ও তার মেয়ে আয়েশা আক্তার শিল্পী (৩৮)। গ্রেপ্তাররা হলেন নিহত লুৎফা বেগমের ছেলে শাহিন আলম ও তার স্ত্রী লাকি আক্তার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত লুৎফা বেগম ও তার মেয়ে আয়েশা অভিযুক্ত শাহিনের সঙ্গে একই ঘরে থাকতেন। মা-ছেলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের জেরে মতবিরোধ চলছিল।
এ নিয়ে ছেলে শাহিন তার মা ও বোনকে প্রকাশ্যে একাধিকবার মারধরও করেছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের জানালেও শাহিনের স্ত্রী লাকীর ভয়ে কেউ নিরসনে এগিয়ে আসেনি।
এসআই মোহাম্মদ খাজু মিয়া জানান, খবর পেয়ে রবিবার সন্ধ্যায় নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ে বাদী হয়ে রাতেই একটি হত্যা মামলা করেন।
তিনি আরো বলেন, সোমবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা দায়রা জজ আদালতের মাধ্যমে আসামি শাহিন ও তার স্ত্রী লাকিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পরবর্তীতে এর শুনানি হবে। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা মহানগরীর সদর দক্ষিণের
২২ নং ওয়ার্ডের পদুয়ার বাজার হাজী আক্রাম উদ্দিন হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক কুমিল্লার
উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষার কার্যক্রম
পরিচালনা করা হয় ।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপর
৩ টায় মানবিক কুমিল্লার উদ্যোগে আয়োজনে এ ক্যাম্পে চার হাজারের
অধিক মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। এছাড়াও সেবা
নিতে আসা মানুষের মাঝে প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধও বিতরণ করা হয়।
দুপুর ৩ টায় ফ্রি মেডিকেল
ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন মানবিক কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি
উদবাতুল বারী আবু। বিকাল সাড়ে ৫ টায় মানবিক কুমিল্লার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শনে
আসেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন ও
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ নেতৃবৃন্দ।
চিকিৎসা সেবায় নেতৃত্ব দেন
ড্যাব কুমিল্লার সভাপতি ডা. মিনহাজ তারেক, ডা. মোস্তাফিজ জিতু, ডা. নাজমা,ড. জনি প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাহাবুব চৌধুরী, বিএনপি নেতা শাহ আলম মজুমদার, আনোয়ার উল্লা কমিশনার, কুমিল্লা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ, ২২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন ভূঁইয়া,মহানগর যুবদলের সভাপতি ফয়সল উর রহমান পাভেল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, যুগ্ম আহবায়ক মোবারক, মনির ভূঁইয়া, সদস্য মোতালেব হোসেন,২২ নং ওয়ার্ড বি এনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে গাঁজা নিয়ে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে এসে কারারক্ষীদের হাতে ধরা পড়েছেন এক দর্শনার্থী।
রোববার সকালে কারাগারের মূল ফটকে তল্লাশির সময় এই ঘটনা ঘটে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
আটক ব্যক্তির নাম মো. সফিক (৬০)। তিনি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার রূপনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. ছাদেকের ছেলে। জানা গেছে, তিনি তার দুই ভাই বন্দি ইয়াছিন ও ইসমাইলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কারাগারে এসেছিলেন।
কারা সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে কারারক্ষী মো. আব্দুল হান্নান সফিককে তল্লাশি চালান। এ সময় তার শার্টের পকেট থেকে একটি বিড়ি গাঁজা এবং পরবর্তীতে শরীর তল্লাশি করে আরও পাঁচ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সফিক গাঁজা সেবনের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত উল্লিখিত শাস্তি প্রদান করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন বলেন, কারাগার প্রাঙ্গণে মাদকসহ কোনো প্রকার অবৈধ দ্রব্য প্রবেশ রোধে তারা সবসময় কঠোর নজরদারি চালাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, কারাগারের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদক:
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন যখন সারাদেশের মানুষ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিচ্ছেন, ঠিক তখনই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্ব পালন করেছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
প্রতিবছর ঈদে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে পুলিশ। এ সকল পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ আনন্দ ছড়িয়ে দেয়ার প্রয়াসে উন্নত মানের খাবারের আয়োজন করেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন।
তিনি ফোর্সের সাথে বড়খানা অংশগ্রহণ করেন এবং সকল ফোর্সদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
পুলিশ সুপারের এমন উদ্যোগ ছুটি বঞ্চিত পুলিশ সদস্যদের ঈদের দিনটিকে আনন্দঘন করেছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি'র (এনসিপি'র) কেন্দ্রীয় সদস্য সালাউদ্দিন জামিল সৌরভ বলেছেন, বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিভাগ সংখ্যা বৃদ্ধি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এই প্রেক্ষাপটে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই চলমান। দেশের পূর্বাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর হিসেবে কুমিল্লা একটি পূর্ণাঙ্গ বিভাগের মর্যাদা পাওয়ার উপযুক্ততা বহু আগে থেকেই অর্জন করেছে।
১. ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক গুরুত্ব:
কুমিল্লা দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর আশপাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও লাকসাম-নাঙ্গলকোট অঞ্চলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এই অঞ্চলগুলো মিলে একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক বলয় তৈরি করে, যা একটি আলাদা বিভাগের প্রাকৃতিক কাঠামো উপস্থাপন করে।
২. জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয়তা:
কুমিল্লা জেলা নিজেই বাংলাদেশের অন্যতম জনবহুল জেলা। কুমিল্লা অঞ্চল ও আশেপাশের জেলা মিলে জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটির কাছাকাছি। একটি বিভাগের মূল লক্ষ্য হলো প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো বড় বিভাগগুলোর তুলনায় এই অঞ্চলকে একটি আলাদা বিভাগে উন্নীত করলে জনগণের ওপর প্রশাসনিক চাপ কমবে এবং সেবা পৌঁছাবে আরও দ্রুত।
৩. অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
কুমিল্লা প্রাচীন কালে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল। ময়নামতি, শালবন বিহার, এবং অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এই জেলার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। কুমিল্লা শিল্প, কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়েও এগিয়ে রয়েছে। এখানকার ইপিজেড, রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প এবং কৃষিপণ্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্য। একটি বিভাগীয় শহর হিসেবে কুমিল্লার অর্থনৈতিক সক্ষমতা আরও বাড়বে।
৪. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এখানে। একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা হলে এই অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি পাবে, উন্নয়ন প্রকল্প আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে।
৫. দূরত্ব ও প্রশাসনিক জটিলতা কমবে:
চট্টগ্রাম বিভাগের অংশ হিসেবে বর্তমানে কুমিল্লা অনেক প্রশাসনিক কাজে চট্টগ্রাম নির্ভরশীল। কিন্তু কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। ফলে সাধারণ মানুষকে বিভাগীয় কাজের জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিভাগ স্থাপন হলে এই জটিলতা দূর হবে।
৬. জনআকাঙ্ক্ষা ও দীর্ঘদিনের দাবি:
কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবি অনেক পুরনো এবং জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। এই দাবি শুধু রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নয়, বরং এটি স্থানীয় মানুষের আত্মপরিচয়, মর্যাদা ও উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের এমন যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করা অনুচিত।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ছাব্বির হত্যা মামলার ৪৯ তম এজহারভূক্ত আসামী এলাহাবাদ ইউনিয়ন
এর সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী
লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সরকার (৬০) গ্রেফতার থানা পুলিশ।
শুক্রবার দিবাগত রাত ২ টায় দেবীদ্বার থানা পুলিশ গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরস্ত তার নিজ বাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার হয়। মে উপজেলার
মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক সরকারের পুত্র।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা শামসুদ্দিন মোহাম্মদ
ইলিয়াছ জানান, গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম
সরকারকে তার নিজ গ্রাম মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে ছাব্বির হত্যা
মামলার ৪৯ নং এজহার নামীয় আসামী।
গত বছরের ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের পর উল্লসিত জনতা দেবীদ্বার থানা
ঘেরাউকালে সাব্বির মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ মাস ৮ দিন
চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরার পরদিন ১৪ আগস্ট সকাল ৯ টায় সাব্বির মারা যায়। নিহত আমিনুল
ইসলাম ছাব্বির (১৭) দেবীদ্বার পৌর এলাকার মৃত আলমগীর হোসেনের পুত্র। সে
পার্শ্ববর্তী মরিচাকান্দা জিয়া স্মৃতি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির
শিক্ষার্থী ছিল। লেখা পড়ার পাশাপাশি ছাব্বির ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন।
মন্তব্য করুন


রোহিঙ্গা
নাগরিকের ভুয়া পাসপোর্ট তৈরীতে সহায়তাকারী আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৪ টি পাসপোর্টসহ
অন্যান্য কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
গত
১৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় রুজুকৃত রোহিঙ্গা নাগরিকের পাসপোর্ট তৈরির
মামলা সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত মুল আসামী রোহিঙ্গা নাগরিক মোঃ ইয়াছির(১৯) কে বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালতে সে তাকে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করে জবানবন্দি
প্রদান করে। উক্ত জবানবন্দির সুত্র ধরে কুমিল্লা ডিবি ও কোতয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে
অত্র মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬)কে সহ অত্র মামলায় সন্দিগ্ধ আসামী
মোশারফ(৩৫) ও শরীফ(২৫) কে গ্রেফতার করা হয়। এজাহারনামীয় আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬) কে রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করা হয়। আসামী মোশারফ(৩৫)কে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা
হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান আল-মদিনা ট্যুর এ্যান্ড ট্রাভেলস হতে ৬ টি ভুয়া পাসপোর্ট
ও পাসপোর্ট জমার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
এ
সংক্রান্তে কোতয়ালী মডেল থানায় পাসপোর্ট আইনে আলাদা একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
ভুয়া পাসপোর্ট তৈরিতে সহায়তাকারী অপর আসামী কম্পিউটার অপারেটর শরীফ(২৫) কে মুরাদনগর
কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় নকিব ট্রাভেলস হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান হতে ৮ টি ভুয়া
পাসপোর্ট ও কিছু পাসপোর্ট জমার কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানের মালিক
নাসির উল্ল্যাহ(২৮) কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে মুরাদ নগর থানায় পাসপোর্ট আইনে অপর একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদক:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মালবাহী লরির চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবক নিহত হয়েছে।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কংশনগর বাজার এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন (৩৬) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বারপাড়া এলাকার আব্দুল বারেকের ছেলে।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শাহ পরান এ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়রা জানায়, সকাল সাড়ে আটটায় কুমিল্লা থেকে মোটরসাইকেল দিয়ে দেবিদ্বারের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল সাদ্দাম হোসেন। পথমধ্যে কংশনগর মেতিরাফ মসজিদের পাশে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবাহী লরি মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী যুবক সড়কের উপরে পড়ে গেলে লরির একটি চাকা তার মাথাকে পৃষ্ঠ করে দেয়, এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
এ সময় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা কুমিল্লা সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে গাছ ফেলে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শাহপরান জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল ও মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেওয়া অজ্ঞাত গাড়িটি পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব হত্যা মামলার ৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৭ মার্চ র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন শাসনগাছা লেগুনা ও সিএনজি অটোরিকশাস্ট্যান্ডের দখল নিয়ে চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব (২৭) হত্যা এবং ৬ জনকে গুলিবিদ্ধ করার মামলার আসামী ১। মোঃ হালিম (৫৫), পিতা- মৃত মনু মিয়া, সাং-শাসনগাছা (মোল্লা বাড়ী), থানা-কোতয়ালী মডেল, ২। মোঃ সজল (৩০), পিতা-আব্দুর রশিদ, সাং-শাসনগাছা (দক্ষিণ বাড়ী), থানা-কোতয়ালী মডেল, ৩। মোঃ ওমর ফারুক (২৪), পিতা-কালু মিয়া, সাং-শাসনগাছা, থানা-কোতয়ালী মডেল, ৪। মোঃ বাচ্চু মিয়া (৩৫), পিতা-রাজ্জাক (মিস্ত্রি), সাং শাসনগাছা, থানা-কোতয়ালী মডেল, ৫। মোঃ ইব্রাহীম (২৫), পিতা- রফিকুল ইসলাম, সাং-বেলাশ্বর, থানা-চান্দিনা, সর্ব জেলা-কুমিল্লাদের’দের গ্রেফতার করে।
জানা যায়, ঘটনায় নিহত কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারী কলেজে অর্নাসে অধ্যায়নরত। শাসনগাছা লেগুনা ও সিএনজি অটোরিকশাস্ট্যান্ডের দখল নিয়ে শাসনগাছা মধ্যমপাড়া দফাদার বাড়ি ও মোল্লা বাড়ির দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ১৫ মার্চ ২০২৪ তরিখ মধ্যমপাড়ার আবুল কাশেমের দলের সঙ্গে মোল্লা বাড়ির ফজলে রাব্বি ও আলাউদ্দিনের দলের সংঘর্ষ এবং গোলাগুলি হয়। ঘটনাস্থলে ১ নং আসামী ফজলে রাব্বি ও ২ নং আসামী খলিলুর রহমানের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র পিস্তল দ্বারা গুলি বর্ষন করে এবং অন্যান্য সহযোগীরা ইট-পাটকেল দিয়ে আক্রমন করে। ঘটনার একপর্যায়ে, জামিল হাসান অর্নব এর বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হয় এবং মোঃ অনিক (২৮), নাজমুল (২৮), মোঃ দিপু (৩৫), নিশু (২২), মোঃ মোহন (২০) ও রিনা (৪৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুত্বর জখম হওয়ায় তাদের কে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার জামিল হাসান অর্নবকে মৃত ঘোষনা করে এবং বাকীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। ভিকটিম মারা যাওয়ার পর এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধের কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় ১টি হত্যা মামলা দায়ের করে।
র্যাব জানান, র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর আভিযানিক দল চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব হত্যা মামলার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করে। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতয়ালী মডেল থানা, কুমিল্লা বরাবর হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
সমুদ্র দেখার আনন্দযাত্রা পরিণত হলো মৃত্যুর মিছিলে। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় কুমিল্লার একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় কক্সবাজার পৌঁছানোর মাত্র ৫০ কিলোমিটার আগে ফাঁসিয়াখালী হাঁসের দিঘি সেনা ক্যাম্পের দক্ষিণে যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত পাঁচজনই কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চান্দিশকরা গ্রামের বাসিন্দা আমিনুল হকের পরিবারের সদস্য। তারা হলেন: আমিনুল হকের বোন সাদিয়া হক (কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ ১৫তম ব্যাচের ছাত্রী), আমিনুল হকের শ্যালিকা ফারজানা মজুমদার (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রী), আমিনুল হকের স্ত্রী, আমিনুল হকের বৃদ্ধা মা, আমিনুল হকের শাশুড়ি।
এছাড়া দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আমিনুল হক, তার শিশুকন্যা এবং শ্যালক। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মালুমঘাট খ্রিস্টান হাসপাতালে পাঠান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এলাকা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসটির সঙ্গে চকরিয়ার হাঁসেরদিঘী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা মারছা পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি মেহেদী হাসান দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চালাই। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং নিহতদের মরদেহ মালুমঘাট খ্রিস্টান হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ওসি মেহেদী হাসান আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দ্রুতগতি এবং অসতর্কভাবে গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। তদন্তের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়রা জানান, মহাসড়কের ওই অংশে দীর্ঘদিন ধরে গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত সেখানে স্পিডব্রেকার ও সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২
টি পাইপগান ও
৫ রাউন্ড গুলিসহ ০১
জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব- ১১,
সিপিসি-২।
র্যাব জানায়,
আজ সকালে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল
থানাধীন উলুরচর এলাকায় বিশেষ
অভিযান পরিচালনা করে
মোঃ আরমান
হোসেন (২৬)
নামক ০১
জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে।
এ সময়
আসামীর হেফাজত হতে
০২ টি
পাইপ গান
ও ০৫
রাউন্ড গুলি
উদ্ধার করা
হয়। গ্রেফতারকৃত মোঃ
আরমান হোসেন
(২৬) কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল
থানার উলুরচর গ্রামের মৃত
মোবারক হোসেন
এর ছেলে।
র্যাব-১১,সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। এ বিষয়ে জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন