

রোহিঙ্গা
নাগরিকের ভুয়া পাসপোর্ট তৈরীতে সহায়তাকারী আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৪ টি পাসপোর্টসহ
অন্যান্য কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
গত
১৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় রুজুকৃত রোহিঙ্গা নাগরিকের পাসপোর্ট তৈরির
মামলা সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত মুল আসামী রোহিঙ্গা নাগরিক মোঃ ইয়াছির(১৯) কে বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালতে সে তাকে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করে জবানবন্দি
প্রদান করে। উক্ত জবানবন্দির সুত্র ধরে কুমিল্লা ডিবি ও কোতয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে
অত্র মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬)কে সহ অত্র মামলায় সন্দিগ্ধ আসামী
মোশারফ(৩৫) ও শরীফ(২৫) কে গ্রেফতার করা হয়। এজাহারনামীয় আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬) কে রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করা হয়। আসামী মোশারফ(৩৫)কে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা
হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান আল-মদিনা ট্যুর এ্যান্ড ট্রাভেলস হতে ৬ টি ভুয়া পাসপোর্ট
ও পাসপোর্ট জমার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
এ
সংক্রান্তে কোতয়ালী মডেল থানায় পাসপোর্ট আইনে আলাদা একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
ভুয়া পাসপোর্ট তৈরিতে সহায়তাকারী অপর আসামী কম্পিউটার অপারেটর শরীফ(২৫) কে মুরাদনগর
কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় নকিব ট্রাভেলস হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান হতে ৮ টি ভুয়া
পাসপোর্ট ও কিছু পাসপোর্ট জমার কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানের মালিক
নাসির উল্ল্যাহ(২৮) কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে মুরাদ নগর থানায় পাসপোর্ট আইনে অপর একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২৪৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন কালাকচুয়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী আব্দুল মান্নান (৫০) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২৪৭ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী আব্দুল মান্নান (৫০) ভোলা জেলার দৌলতখান থানার মধ্যম জয়নগর গ্রামের মৃত রুস্তম আলী বেপারী এর ছেলে। আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী
ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে আজ
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজারের
পশ্চিমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে গাড়ি চালকদের বিশ্রামাগারের পাশে রাস্তার উপর ঢাকা অভিমুখী হানিফ-পাহাড়িকা ডিলাক্স
নামক বাস তল্লাশী করে ১৫ কেজি গাঁজাসহ মোসা: কল্পনা আক্তার (৩০) ও কুলসুম আক্তার (২৪)
নামীয় দুইজন আসামিকে আটক করা হয়।
আসামী মোসা: কল্পনা আক্তার ও কুলসুম
আক্তার দুটি কাপড়ের ব্যাগে ৭.৫ কেজি করে মোট ১৫ কেজি গাঁজা নিয়ে কুমিল্লার নিমসার বাজার থেকে হানিফ-পাহাড়িকা ডিলাক্স
নামক বাসে ওঠেন।
আসামিরা জানান যে, সংসার চালানোর জন্য
টাকার বিনিময়ে এটি ঢাকায় পৌঁছে দিবেন।
আটককৃত আসামি মোসা: কল্পনা আক্তার
(৩০) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার বুরবুরিয়া
গ্রামের মো: মাসুদ রানার স্ত্রী। অপর আসামি কুলসুম আক্তার (২৪) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার দুর্গাপুর গ্রামের নুর মোহাম্মদের
স্ত্রী।
আসামীদের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক মো: মুরাদ
হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২৪৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন দয়াপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ সোহাগ (২৬)
এবং ২। মোঃ হাসান (২৬) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের
কাছ থেকে ২৪৪ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ সোহাগ (২৬)
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার শ্রীপুর গ্রামের মোঃ মোসলেম মিয়া এর ছেলে এবং ২। মোঃ
হাসান (২৬) ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া থানার পূর্ব চন্দ্রপুর গ্রামের মোঃ ইয়াছিন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কাভার্ড ভ্যান যোগে দেশের
বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১,৯৫০ পিস ইয়াবাসহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১১ জুলাই রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন মতিনগর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ কাইয়ুম মিয়া
(২৪), ২। মোঃ লিমন হোসেন (২৪), ৩। মোঃ সোহাগ হোসেন (২৬) এবং ৪। মোঃ ইয়াছিন (২৩) নামক
চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ১,৯৫০ পিস ইয়াবা ও মাদক
পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ কাইয়ুম মিয়া (২৪) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মতিনগর গ্রামের মোঃ সাদেক
মিয়া এর ছেলে, ২। মোঃ লিমন হোসেন (২৪) একই গ্রামের মোঃ নুরু মিয়া এর ছেলে, ৩। মোঃ সোহাগ
হোসেন (২৬) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার তালতলী গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম এর ছেলে
এবং ৪। মোঃ ইয়াছিন (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বারপাড়া গ্রামের মোঃ হালিম
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা
দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত
অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান
অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে কোতয়ালী
মডেল থানা পুলিশ।
গতকাল (১৮মে)
সন্ধ্যায় কোতয়ালী
মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ২নং উত্তর দূর্গাপুর ইউপিস্থ আড়াইওড়া উত্তর পাড়া কালী মন্দির সংলগ্ন ধৃত আসামী খালেক মিয়ার চা দোকানের উত্তর পাশে খালেক মিয়ার মালিকানাধীন একচালা ছাপরা ঘরের ভিতরে তল্লাশী করে ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী নিলুফা বকুল
ও মোঃ মালেককে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো- কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন
আড়াইওড়া(উত্তর পাড়া, কালী মন্দির সংলগ্ন) এলাকার খোকন মিয়ার
স্ত্রী নিলুফা
বকুল (৫০) এবং একই এলাকার মৃত আলী আশরাফ এর
ছেলে মোঃ
মালেক(৫০)।
এ
ঘটনায় কুমিল্লা কোতয়ালী
মডেল থানায়
মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৮ কেজি গাঁজা এবং ৭৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর)
সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পশ্চিম মাঝিগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
আসামী ১। মোঃ মেহেদী হাসান (২২) এবং ২। মোঃ পারভেজ (২৪) নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১৮ কেজি গাঁজা, ৭৩ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি ইজি বাইক (অটো) উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ মেহেদী হাসান (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সাতরা গ্রামের মোঃ আলমগীর
এর ছেলে এবং আসামী মোঃ পারভেজ (২৪) একই গ্রামের মোঃ শাহীন এর ছেলে।
র্যাব জানান, আসামীদ্বয়কে
জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ইজি বাইক (অটো)টি ব্যবহার করে
কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লা’সহ অন্যান্য জেলায়
মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১
এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের
মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনার কুমিল্লা জেলার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনশুমারির কুমিল্লা জেলার রিপোর্ট ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা. অমৃত কুমার দেবনাথ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং স্বাগত বক্তব্যসহ জনশুমারির জেলার তথ্য তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান।
পরে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান জনশুমারি ও গৃহগণনার কুমিল্লা জেলার রিপোর্টের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। জেলা প্রশাসক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের বইটি ব্যবহারের ওপর গুরত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে জনশুনানির রিপোর্টে বলা হয়, ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী কুমিল্লার বর্তমান জনসংখ্যা ৬২ লাখ ১২ হাজার ২শ ১৬ জন। জনসংখ্যায় পুরুষের তুলনায় নারী সংখ্যা বেশি।
বর্তমানে কুমিল্লা মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার কারী ৭১ দশমিক ৪২ ভাগ। এর মধ্যে নারী চেয়ে পরুষ ব্যবহারকারী সংখ্যা বেশী। ইন্টারনেট ব্যবহার কারী কুমিল্লায় ৫০ দশমিক ২৯ ভাগ।নারী চেয়ে পুরুষ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেশী।
এদিকে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন জেলার ৯৯ দশমিক ৩৪ ভাগ মানুষ। যেখানে ১৯৯১ সালে ছিলো ১২ দশমিক ১৪ ভাগ। এছাড়াও জনশুমারিতে উঠে আসা জেলার নানা তথ্য তুলে ধরা হয় এই রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা তিতাসে সাময়ন আরিয়ানকে হত্যা অভিযোগে একজনকে মৃত্যুদণ্ড; আরেকজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
আজ বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরবেলা কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী এ রায় দেন।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিল্লাল পাঠান হলেন- কুমিল্লা তিতাস উপজেলার বিরামকান্দি পাঠান বাড়ী'র মোঃ খেলু পাঠানের ছেলে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি শেফালী আক্তার (৪৩) হলেন একই উপজেলার কলাকান্দি উত্তর পাড়া মাষ্টার বাড়ীর জামাল মিয়ার স্ত্রী।
মামলার বিবরণে জানা যায়- পূর্ব আক্রোশের বশবর্তী হইয়া আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে ভিকটিম সায়মন আরিয়ান (৭) কে হত্যা করিয়া কলাকান্দি বালুর মাঠে (কাঁশ বনে) লাশ গুম করে।
জানা যায়- ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট বিকেলবেলা ভিকটিম সায়মন আরিয়ান আসামি শেফালী আক্তারের ছেলে রাফি'র সাথে খেলাধুলা করার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ীতে ফিরে না আসায় বাদীনি তাঁর আত্মীয় স্বজনের সহায়তায় সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি না পেয়ে বাদীনি তিতাস থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন এবং পরদিন ঘটনাস্থলে ভিকটিমের অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট নিহতের গর্ভধারিনী মাতা খোর্শেদা আক্তার (৪০) বাদী হয়ে তিতাস থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোঃ নয়ন মিয়া ও সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ জাহিদুল হক এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার সাব-ইন্সপেক্টর জীবন বিশ্বাস তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট আসামি শেফালী আক্তার ও একই বছর ৩১ ডিসেম্বর আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠানকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করিলে আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠান ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৬৪ ধারার বিধানমতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তৎপর তদন্তকারী কর্মকর্তা জীবন বিশ্বাস ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর আসামি বিল্লাল পাঠান ও শেফালী আক্তার এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারের জন্য বিজ্ঞ আদালতে আসিলে চলতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারী তাহাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জগঠনক্রমে রাষ্ট্র পক্ষে ১৫জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ বিল্লাল পাঠান এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মহামান্য হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যুদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধানমতে তাকে ৫ (পাঁচ) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায়ে আরও উল্লেখ করেন যে, "মৃত্যুদণ্ড না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ প্রদান করা হল"।
আসামি শেফালী আক্তার এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদয়ের আরো ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধানমতে তাকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। রায়ে আরও উল্লেখ করেন যে, আসামি শেফালীর উভয় দণ্ড একসাথে চলবে।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোঃ ইকরাম হোসেন বলেন, শালি-দুলাভাইয়ের অন্তরঙ্গ মুহুর্ত দেখে পেলায় আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশু সায়মন আরিয়ানকে হত্যা করে। আমরা আশা করছি শীঘ্রই উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণে প্রবাসী “আবু বকর” হত্যা মামলায় জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
গত (৮ নভেম্বর) শনিবার সদর দক্ষিণ উপজেলার আবদুল্লাহপুর গ্রামে ২ দুর্বৃত্তের হামলায় প্রবাসী “আবু বক্কর” গুরুতর আহত হন। অতঃপর প্রবাসী “আবু বক্কর” -কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হইলে গত শুক্রবার সকালে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ভিকটিম মারা যাওয়ার পুর্বেই এই বিষয়ে ভিকটিম “আবু বক্কর”-এর স্ত্রী সদর দক্ষিণ থানায় একটি মামলা করেন। আতঃপর উক্ত মামলার এজাহার নামীয় মুল আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তি ও সনাতন সোর্স এর সহযোগিতায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় মুল আসামী “রাব্বি” ওরফে বাপ্পি (৩০) ও “পারভেজ”(২২) –কে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া রাব্বি ও পারভেজ সদর দক্ষিণ উপজেলার আব্দুল্লাহপুর পূর্ব পাড়া গ্রামের এনায়েতুল্লাহ ছেলে। উভয় আসামী ভিকটিম আবু বক্করকে কিভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে তার বর্ননা দিয়ে আমলি আদালত -৬ স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবিদ্বারে সর্বসাধারণের
গাড়ি ভেবে পুলিশের টহল গাড়িতে ডাকাতির করতে গিয়ে অস্ত্রসহ এক ডাকাতকে গ্রেফতার করা
হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ জুন) ভোর রাতে দেবিদ্বার-চান্দিনা
সড়কের উপজেলার নবিয়াবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় তার কাছে থাকা দুই রাউন্ড কার্তুজ ভর্তি ১টি
দেশীয় এলজি বন্দুক ও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত আসামী মোশারফ হোসেন (৩৫) বুড়িচং
উপজেলার হালগাঁও গ্রামের আবদুল মতিন মিয়ার ছেলে।
দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
মো. নয়ন মিয়া এসব তথ্য জানিয়েছেন।
থানাসূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার
দিবাগত রাতদেড়টার দিকে দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়কের নবিয়াবাদ এলাকার ভূইয়া বাড়ির সামনে
সর্বসাধারণের গাড়ি ভেবে থানার একটি টহল গাড়ি থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টা করে একটি সংঘবদ্ধ
ডাকাত চক্র। পরে টহল গাড়িতে থাকা এএসআই আবদুল কাদের ও এসআই মিশন বিশ্বাস ডাকাত মোশারফকে
অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও অন্তত ১০/১২জন ডাকাত
পালিয়ে যায়।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো: নয়ন মিয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার মোশারফ অর্ধশতাধিক ডাকাতি করেছে
বলে জানিয়েছে। ডাকাতিকালে তার সঙ্গে আরও ১০/১২ ছিল, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ডাকাতির
অভিযোগে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। মোশারফের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায়
অস্ত্র ও ডাকাতির ১০টি মামলা রয়েছে। তার কাছ থেকে কার্তুজ ভর্তি দেশীয় বন্দুক উদ্ধার
করা হয়েছে। মোশারফসহ ৫ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত১ ০/১২ জনের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার
থানায় অস্ত্র ও ডাকাতির দুটি মামলা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তাকে কুমিল্লা জেলহাজতে
পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন