

র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও সদর দক্ষিন এলাকা হতে ইয়াবা ও গাঁজা সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
৪ মে রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন পূর্ব কাশিপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সুমন
মিয়া (২৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৫ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে
৪ মে রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জগপুর (পশ্চিম পাড়া) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ
সময় আসামীর কাছ থেকে ৪২ পিস ইয়াবা ও ১২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো, ১। মোঃ সুমন মিয়া (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পূর্ব কাশিপুর গ্রামের
মোঃ আঃ মালেক এর ছেলে এবং ২। আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার
জগপুর (পশ্চিম পাড়া) গ্রামের মৃত সরাফত আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন ।
মন্তব্য করুন


সময়ের পরিক্রমায় কুমিল্লার বন্যার পরিস্থিতির কোন কোন দিকে কিছুটা উন্নতি হলেও কোন কোন দিক এখন পর্যন্ত রয়ে গিয়েছে আগের মতই ।
তবে আশাজাগানিয়া বিষয়টি হলো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচেষ্টা এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্যের হাত এগিয়ে দেওয়া বর্তমান পরিস্থিতিতে আগের চেয়ে অনেকটা আশার আলো নিয়ে এসেছে।
সাধারণ
মানুষ থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি অন্যান্যদের মতো সহায়তার হাত
নিয়ে এগিয়ে এসেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটলিয়ন।
কুমিল্লায়
বন্যা দুর্গত অঞ্চলে মানুষের খাদ্য সহায়তা
দিতে এগিয়ে এসেছে র্যাব ১১, সিপিসি ২ কুমিল্লা।
সোমবার
দুপুর থেকে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের ফকির বাজার উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, কালিকাপুর ডিগ্রি কলেজ আশ্রয় কেন্দ্র ও বকশিমুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, আগ্গাপুর মোর্শেদা বেগম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্র, ছয় গ্রাম
উচ্চ বিদ্যালয়, ছয়গ্রাম মাদ্রাসা ও পাঁচোড়া বিদ্যানিকেতনে ১৫ শত মানুষের মাঝে খাদ্য
সহায়তা দিয়েছে র্যাব ১১ সিপিসি-২ কুমিল্লা।
উল্লেখিত
আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে বুড়িচং উপজেলার পিতাম্বর,বাকশিমুল, কালিকাপুর, দক্ষিণ কালিকাপুর,বলরামপুর,মাধবপুর,মাশড়া,খোদাইতলি,জগৎপুর,যদুপুর,হরিপুরসহ
বিভিন্ন এলাকার লোকজন আশ্রয় নিয়েছেন।
র্যাব ১১ সিপিসি ২ কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এসকল ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


২৮ এপ্রিল (রবিবার) জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে বুধবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি বর্ণাঢ্য র্যালী, আলোচনা সভা, দিনব্যাপী লিগ্যাল এইড মেলা ও ২০২৪ সেরা প্যানেল আইনজীবী পুরস্কারসহ ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান, জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ নাসরিন জাহান এর সভাপতিত্বে এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব এফ এম শেফায়েত ছালাম এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা বিশেষ জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বিশেষ জজ (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) বেগম সামছুন্নাহার, জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক (জেলা জজ ও দায়রা জজ) মোছাঃ মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, শ্রম আদালত কুমিল্লার চেয়ারম্যান (জেলা ও দায়রা জজ) হাবিবুর রহমান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রোজিনা খান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছাঃ ফরিদা ইয়াসমিন, যুগ্ম জেলা জজ তাওহীদা আক্তার, যুগ্ম জেলা জজ মোঃ ইমাম হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান বিপিএম, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার সোনিয়া হক, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মেহেদী হাসান, জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির নব-নির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন ও নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া, অতিরিক্ত জিপি সাহিদা আনোয়ার, সিনিয়র তথ্য অফিসার নাছির উদ্দিন ও সিনিয়র জেল সুপার মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন প্রমুখ।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ নাসরিন জাহান বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ২৮ এপ্রিল রবিবার দেশের আপামর জনসাধারণকে সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৪ উদযাপিত হবে।
তিনি অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের বিচার প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রম ও জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য দিবসটি কার্যকরভাবে পালন করতে সকলকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
সভায় বিজ্ঞ বিচারকগণ, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি, সিনিয়র জেল সুপার, সিনিয়র তথ্য অফিসারসহ রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ দিবসটি সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনসহ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সার্বিক সহযোগীতার অঙ্গীকার করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে প্রস্তুতিমূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মণ্ডপে প্রবেশ ও প্রস্থান পথ, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থার প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। তিনি পূজা উদযাপন কমিটিকে পুলিশকে সহায়তা করার জন্য দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। স্বেচ্ছাসেবকদেরও সর্বোচ্চ সতর্কতা ও তৎপরতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন তিনি।
পুলিশ সুপার বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সর্বদা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। পূজাকে ঘিরে কোনো নিরাপত্তার শঙ্কা নেই। তবে গুজব, অপপ্রচার বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে সতর্ক থাকতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্যে প্রতিক্রিয়া না দেখানোর অনুরোধ করছি। তিনি আরও জানান, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যাতে সর্বস্তরের মানুষ শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) পংকজ বড়ুয়া, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বজ্রপাতে চার উপজেলায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে পৃথক সময়ে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা, সদর দক্ষিণ, বুড়িচং ও দেবিদ্বার উপজেলায় চারজনের মৃত্যু হয়।
বজ্রপাতে
মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কুমিল্লা দেবিদ্বার উপজেলার
ধামতী গ্রামের মোখলেছুর রহমান (৫৮), চান্দিনা উপজেলার
বরকইট ইউনিয়নের কিছমত-শ্রীমন্তপুর গ্রামের সুন্দর আলীর ছেলে দৌলতুর রহমান (৪৭),বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের পাচোরা গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার আলম হোসেন এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ার ইউনিয়নের উত্তর সূর্যনগর গ্রামের আতিকুল ইসলাম ( ৫০) ।
সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও স্থানীয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত
করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
আদর্শ সদরে, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে কালির বাজার ইউনিয়নের কালির বাজার মডেল
হাসপাতালটি পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক
লিটন দেবনাথকে ক্লিনিকটিতে অবৈধভাবে ফার্মেসি, অপারেশন, রোগী ভর্তি, রক্ত সঞ্চালন,
অনুমোদন বিহীন রক্ত পরীক্ষা, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কোন
চিকিৎসক বা নার্সের নিয়োগ না থাকা এবং নিজেই
চিকিৎসক সেজে রোগীদের প্রেসক্রিপশন প্যাডে চিকিৎসা প্রদান করার কারণে তৎক্ষণাৎ
তাকে গ্রেফতার করে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
মোবাইল
কোর্টটি পরিচালনা করেন, আদর্শ সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
রোমেন শর্মা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইউএইচএফপিও ডাঃ আহমেদ মঞ্জুরুল ইসলাম, কুমিল্লা
সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মেহেদী হাসান, মোঃ আমিরুল ইসলাম, (উপ-পুলিশ
পরিদর্শক) ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ি, জীবন চক্রবর্তী (হেলথ ইন্সপেক্টর), আবুল কালাম
আজাদ (স্যানিটারি ইন্সপেক্টর)।
উপজেলা
স্বাস্থ্য অফিস, গ্রামীন কল্যাণ জাগুল ঝুলি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পরিদর্শনের আবেদনের
ভিত্তিতে পুনঃ পরিদর্শনে গিয়ে, সেখানে পরিচালিত ফার্মেসিটির নিবন্ধন না থাকায় তা বন্ধ
করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রোমেন শর্মা জানান, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। বড় রকমের কোন অসঙ্গতি পেলে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হচ্ছে। আমরা আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিচ্ছি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
উপজেলা
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহমেদ মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, মানসম্মত
স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে, মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সকল আদেশ বাস্তবায়নে
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সদা প্রস্তুত। কুমিল্লার আদর্শ সদরে প্রতি মঙ্গলবার জনসাধারণের
স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি বিষয়ক অভিযোগ সমূহ উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসে সরাসরি দাখিল এবং
গন শুনানির ব্যবস্থা রয়েছে। বিধি মোতাবেক
সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং বেসরকারি পর্যায়ে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের
লক্ষ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত অভিযানসহ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর নিবন্ধন এবং "শাপলা কলি" প্রতীক প্রাপ্তি উপলক্ষে কুমিল্লা নগরীতে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর পুলিশ লাইন মোড় থেকে আনন্দ মিছিলটি শুরু হয়ে ফৌজদারী হয়ে কুমিল্লা জিলা স্কুলের সামনে শেষ হয়।
আনন্দ মিছিলটিতে অংশগ্রহণ করেন এনসিপি'র বিভিন্ন স্তরের নেতা–কর্মী, ছাত্র–জনতা ও সাধারণ জনগণ। এসময় বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা।

নাভিদ নওরোজ শাহ বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির নিবন্ধন ও প্রতীক প্রাপ্তি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের অধিকার রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দেশব্যাপী উন্নয়নমূলক রাজনীতির ধারক হয়ে উঠবে। "শাপলা কলি" প্রতীক ঐক্য, শান্তি ও নবজাগরণের প্রতীক। দেশের তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতির ইতিবাচক ধারা ও নৈতিক নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করাই এনসিপির প্রধান লক্ষ্য। এটি মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনও বয়ে আনবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় ট্রাকচালককে হত্যার প্রধান আসামি দ্বীন ইসলাম ডালিমকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা।
রোববার রাতে ঢাকার বনানী থানাধীন কাকলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডালিমের বাড়ি দাউদকান্দি উপজেলার পূর্ব হাউষদি গ্রামের পাঁচগাছিয়া এলাকায়।
আজ সোমবার সকালে নগরীর শাকতলা র্যাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তথ্য জানান র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম।
র্যাব জানায়, গত ৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পূর্ব হাউষদি গ্রামে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় ট্রাকচালক আলামিন মিয়া (৩৫) হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত দ্বীন ইসলাম ডালিম চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। নিহত আলামিন মাদক বিক্রির প্রতিবাদ ও বাধা দেওয়ায় আসামির সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জেরেই ডালিম ও তার সহযোগীরা আলামিনকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ অক্টোবর সকালে পূর্ব হাউষদি গ্রামের আল মদিনা মসজিদের সামনে আলামিনের উপর ডালিম ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
তারা এলোপাতাড়ি মারধর করে আলামিনকে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরদিন নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।পরে র্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। জানা যায়, মামলার প্রধান আসামি দ্বীন ইসলাম ডালিম ঢাকার বনানী থানাধীন কাকলীতে অবস্থান করছে।
রোববার রাতে র্যাবের একটি দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় কাকলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাকে দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৮০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৮ মার্চ ভোরে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া
থানাধীন তেঁতুলতলা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১। মোঃ আব্দুল
মালেক (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৮০ কেজি
গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ১ টি পিকআপ এবং ১ টি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। তবে
চালক সহ ২ জন কৌশলে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ আব্দুল মালেক (৩৮) পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মোস্তফাপুর গ্রামের মৃত আব্দুস
সাত্তার এর ছেলে। আসামী বর্তমানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন থানাধীন বিজয়পুর গ্রামে
বসবাস করে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা,
মুন্সিগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত
অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান
অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর ভূঁইয়া ট্রাক হোটেল এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে গাঁজা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত যুবক হলেন সাতক্ষীরা জেলার গোনা গ্রামের মো. তুহিন হোসেন (২৭)। তার পিতা মো. রওশন আলী (৫৫)। জানা গেছে, তুহিন হোসেনের নামে পূর্বে কোনো মামলা ছিল না।
সেনা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম আর্মি ক্যাম্পের জেসিও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মনজুরুল হকের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। এতে ১.৫ কেজি গাঁজা, নগদ ১০ হাজার ৮৭০ টাকা এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রাক হোটেল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা রয়েছে। দূরপাল্লার ট্রাক চালক ও সহকারীরা এখানে খাবার খেতে এসে মাদক গ্রহণ করেন। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তারা গাড়ি চালানোয় সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। এর আগেও এ এলাকায় একাধিকবার
অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অভিযান শেষে গ্রেপ্তারকৃত তুহিন হোসেনকে জব্দকৃত মালামালসহ চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনা ও পুলিশ উভয়ই জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে
মন্তব্য করুন