

র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও সদর দক্ষিন এলাকা হতে ইয়াবা ও গাঁজা সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
৪ মে রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন পূর্ব কাশিপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সুমন
মিয়া (২৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৫ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে
৪ মে রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জগপুর (পশ্চিম পাড়া) এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ
সময় আসামীর কাছ থেকে ৪২ পিস ইয়াবা ও ১২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো, ১। মোঃ সুমন মিয়া (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পূর্ব কাশিপুর গ্রামের
মোঃ আঃ মালেক এর ছেলে এবং ২। আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার
জগপুর (পশ্চিম পাড়া) গ্রামের মৃত সরাফত আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা টাউন হলের মুক্তিযোদ্ধা কর্ণারে 'ইভেন্ট ৩৬০' কুমিল্লায় প্রথম বারের মতো আয়োজিত 'কুমিল্লা ম্যারাথন' দৌড় প্রতিযোগিতার লোগো উন্মোচন ও প্রতিযোগিতার তারিখ ঘোষণা করেছে। 'কুমিল্লা ম্যারাথন' দৌড় প্রতিযোগিতাটি আগামী ২০২৫ সালের ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় 'কুমিল্লা ম্যারাথন' দৌড় প্রতিযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন বছরব্যাপি এ-কার্যক্রম নিয়ে বিশদ বর্ণনা করেন 'ইভেন্ট ৩৬০' এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাইক্লিস্ট মাহমুদুল হাসান ইফাজ।
কুমিল্লাকে ব্র্যান্ডিং করতে ও সুস্থসবল তরুণ প্রজন্ম গড়তে বিশেষ করে ডিজিটাল ডিভাইস আসক্তি ও মাদক বিরোধী সমাজগঠন এবং কুমিল্লা ম্যারাথনকে সফল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে দীপ্ত অঙ্গিকারের কথা উল্লেখ করেন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারি কুমিল্লার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের নেত্রীবৃন্দ ও আয়োজক কমিটির তরুন-তরুনিরা।
আবৃত্তিকার রুবেল কুদ্দুস এর সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহজাহান চৌধুরী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান, সংবাদিক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংগঠক দেলোয়ার হোসেন জাকির, সাবেক ক্রিকেটার ও সংগঠক মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহেল, লোগো ডিজাইনার ও রোটারিয়ান আল মাহমুদ, রোটরিয়ান ও সমাজকর্মী আবদুল্লা হিল বাকী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান ও সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। আয়োজন সহযোগে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা সাইক্লিস্ট ও কুমিল্লা রানার্স এর অর্ধশত সদস্য।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিভাগের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে ঢাকা থেকে ফেরার পথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য নোয়াখালীর একটি যাত্রীবাহী বাস আটকে দিয়েছে কুমিল্লার বিক্ষুদ্ধ জনতা। কুমিল্লাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ায় বাসটি আটকে দেওয়া হয়।
শনিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় লাল সবুজ নামের বাসটি আটকে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সরি বলায় বাসটি ছেড়ে দেন বিক্ষুব্ধরা। কুমিল্লা জেলা পুলিশের দক্ষিণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ঢাকায় বিভাগের আন্দোলন শেষে বাসে করে নোয়াখালীর দিকে ফেরেন আন্দোলনে অংশ নেওয়া নোয়াখালীর মানুষ। শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী ফেরার পথে কুমিল্লা অংশে এলে কুমিল্লাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিতে থাকেন বাসের জানালা খুলে। তাতে ক্ষুব্ধ হন কুমিল্লার বিভাগ আন্দোলনের অংশীজনরা।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে নোয়াখালীগামী লাল সবুজ পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এলে ফুটওভার ব্রিজের নীচে আটক করেন কুমিল্লার বিক্ষুদ্ধ জনতা।
খবর পেয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম ঘটনাস্থলে যান তার ফোর্স নিয়ে। পরে স্থানীয় গণ্যমান্যদের মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়া নোয়াখালীর মানুষেরা সরি বলায় বাসটিকে ছেড়ে দেন আটককারীরা।
সহকারী পুলিশ সুপার মুস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, বাসে থাকা লোকজন জানালা দিয়ে মাথা বের করে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ায় বিক্ষুদ্ধরা বাসটিকে আটক করেন। পরে সরি বলায় বাসটি ছেড়ে দেন বিক্ষুব্ধরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
হাসনাত আবদুল্লাহ'র প্রতি হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কুমিল্লা দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের আহত, শহীদ পরিবার ও ছাত্র-জনতা।
মঙ্গলবার (২০শে মে) দুপুরে দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পরে দেবীদ্বার পৌর মার্কেট গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহ'র কে হত্যার হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আওয়ামীলীগ দোসরদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় বক্তারা বলেন, গতকাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাইকে নিয়ে এই ধরনের কথা বলায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না হাসানাত আব্দুল্লাহ কে ছিলেন, আজকে তারা স্বাধীনভাবে প্রেস ক্লাবে কথা বলতেছে কার জন্য।
তারা আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে তারা ১৭ সেকেন্ডের জন্য তাদের স্থান প্রেস ক্লাবে হয় নাই। কিন্তু আজকে তারা স্বাধীনভাবে সবকিছু করতেছে এসব বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলপ্রসু। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না যে জাতি বিপ্লবীদের অমর্যাদা করে সে জাতি ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তাদেরকে অনুরোধ করবো আপনারা আপনাদের সম্মান রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
বর্ণাঢ্য
আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
আজ বুধবার (২৮ মে) সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলীর নেতৃত্বে
বেলুন উড়িয়ে এবং আনন্দ র্যালির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কার্যক্রম শুরু হয়।
র্যালিটি
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ^বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়ক ও ক্যাম্পাস
প্রদক্ষিণ করে মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়। র্যালি শেষে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়ানো হয়,
পরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে নিয়ে কেক কাটেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার
আলী। কেক কাটার পর বেলা ১১.৩০ ঘটিকায় মুক্ত মঞ্চে এক আলোচনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী। বিশেষ
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল, মাননীয় ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল হাকিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব
করেন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম এম শরীফুল করীম।
সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, 'আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা মিশন নিয়ে এসেছি। আমার মিশন হচ্ছে দুর্নীতিমুক্ত রেখে সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে যা দরকার তা বাস্তবায়ন করা। আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই যেখানে শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি থাকবে না, গবেষণা হবে তাদের প্রধান মাপকাঠি। এখন পর্যন্ত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৩জনের মধ্যে ১০১জন শিক্ষকের প্রোফাইল ব্ল্যাঙ্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাজ শুধু পড়াশোনা করানো নয়। তাই আমরা সকলেই পড়ানোর পাশাপাশি গবেষণা করে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার অঙ্গিকার করি।'
উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মাসুদা কামাল বলেন, ‘আজকে এখানে প্রত্যেকেই স্মৃতিচারণ করছে, আমি স্মৃতিচারণের দিকে যাব না। আমি একজন প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক হিসেবে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনের পর এবারের আয়োজনটা একটু ভিন্ন হয়েছে। আজকে এই দিনটি দেখার জন্য আমাদের আব্দুল কাইয়ুমের জীবন গেছে এবং আরো অনেকই আহত হয়েছেন। এখন অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হচ্ছে তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। আমাদের অতিতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।'
ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'এবারের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আমাদের মনে বিশেষ এক অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। এই অনুভূতির জন্য আমাদেরকে ১৮ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। আজকের এই দিনে আসতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্যের ত্যাগকে আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। সেই সাথে আমি প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মকর্তা, কর্মচারীদের ত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজকে আমরা এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি। আজকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে আমাদের একটাই অঙ্গীকার হোক, আমরা সকলেই একে অপরের সহিত মিলেমিশে, কোনো বিভাজন না করে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাব। মনে রাখবেন আপনার সন্তান যদি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য প্রথম চয়েস না রাখে তাহলে আমাদের পরিশ্রম বৃথা। তাই চলুন একসাথে কাজ করি, একসাথে এগিয়ে যাই।'
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, 'শুরুর দিক থেকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আছি। এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অনেক স্মৃতি রয়েছে। তবে গত ১৫-১৬ বছর তো আমরা অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলাম, সে ইতিহাস আর কী বলব। শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে আমাদের পক্ষে মাত্র চারটি ভোট পড়তো। সবাই আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করতো, এমনকি পত্র-পত্রিকায়ও এটা নিয়ে লেখা হতো।'
অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর দিকের সময় নিয়ে স্মৃতিচারণ করে বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস এক ঐতিহ্যের ইতিহাস। শুরুতে আমাদের কিছুই ছিল না, বিগত ১৯ বছরে আমাদের ইতিহাস হয়েছে, গৌরব হয়েছে। আমরা পনেরোজন শিক্ষক শুরু করেছিলাম, কারো পিএইচডি ডিগ্রি ছিল না। এখন প্রতিমাসে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা পিএইচডি ডিগ্রির জন্য আবেদন করছে। বিগত ১৫-১৬ বছরে আমরা অনেক অবহেলার শিকার হয়েছি। আজকের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে প্রতিজ্ঞা করতে চাই, ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে একটা নতুন মাইলফলক গড়তে চাই।'
অনুষ্ঠানে
আরও উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং বিভিন্ন
হলের প্রভোস্টগণ সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৯০
বোতল ফেন্সিডিল’সহ
০১ জন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১১,
সিপিসি- ২
কুমিল্লা।
র্যাব জানায়, রোববার দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর বিশেষ অভিযানে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর রামপুর এলাকা থেকে ৩৯০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মোঃ সেলিম (৩৭) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় ফেন্সিডিল পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী সেলিম (৩৭) চট্টগ্রাম জেলার ডাবলমুরিং থানার জিলানী কলোনী গ্রামের মকবুল আহমদ এর ছেলে।
র্যাব-১১,
সিপিসি-২,
কুমিল্লার
কোম্পানী
অধিনায়ক
উপ-পরিচালক
লেঃ
কমান্ডার
মাহমুদুল
হাসান
জানান,
গ্রেফতারকৃত
আসামী
দীর্ঘদিন
ধরে
কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী
এলাকা
হতে
মাদকদ্রব্য
ফেন্সিডিল
সংগ্রহ
করে
কাভার্ড
ভ্যান
যোগে
দেশের
বিভিন্ন
জেলায়
মাদক
ব্যবসায়ী
ও
মাদক
সেবীদের
নিকট
পাইকারি
ও
খুচরা
মূল্যে
বিক্রয়
করে
আসার
কথা
স্বীকার
করে।
তার
বিরুদ্ধে
সদর
দক্ষিণ
থানায়
আইনানুগ
ব্যবস্থা
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ধর্মপুর এলাকায় সেনাবাহিনী
২৩ বীর এর নেতৃত্বে সোমবার রাত দেড় টায় যৌথবাহিনীর একটি অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ছাদের ট্যাঙ্ক থেকে ১
টি ওপেন বোল্ট শটগান, ২টি দা, ৬ টি ধারালো ছুরি এবং ১ টি স্মার্ট ফোনসহ অবৈধ অস্ত্রধারী
মোঃ সাইফুল ইসলাম আরিফ (২৬) কে তার নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে উক্ত অবৈধ অস্ত্রধারীকে কুমিল্লা
কোতয়ালী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
জানা যায়, অস্ত্রধারী আসামী বিভিন্ন
সময়ে সহিংস কর্মকান্ড সহ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলি চালায়।
উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ
হতে যৌথবাহিনীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং আইন শৃংখলা
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ইউপি সদস্য আলাউদ্দিনকে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি শেখ ফরিদকে (৪৫) ঢাকার মগবাজার রেলগেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গতকাল শুক্রবার (৮ আগস্ট) মধ্যরাতে অভিযান চালিয়েছে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শেখ ফরিদ নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ আলীয়ারা গ্রামের বাসিন্দা।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা শাকতলা এলাকায় র্যাব অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১১ এর কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম এ তথ্য জানান।
মেজর সাদমান বলেন, নাঙ্গলকোটের আলিয়ারা গ্রামে দুই পরিবারের মধ্যে বংশপরম্পরায় বিরোধ চলে আসছিল। গত ২৫ জুলাই গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেদিন দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫ জন গুলিবিদ্ধসহ মোট ২৫ জন আহত হন।
এ ঘটনার রেশ ধরে ৩ আগস্ট দুপুরে আলিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন তার চাচাতো ভাইয়ের জানাজার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে একটি সিএনজিতে তুলে নিয়ে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরে ৫ আগস্ট নিহত আলাউদ্দিনের ছেলে বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল:
দীর্ঘ
পাঁচ বছর পর আবারও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হলো বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য
আয়োজন। সোমবার (১৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩২’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস ছিল উৎসবমুখর, প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত
অংশগ্রহণে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
উৎসবের সূচনা হয় সকাল সাড়ে ৯টায়, ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বৈশাখী চত্বরে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে বর্ষবরণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সকাল
১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। ছেলেদের
জন্য আয়োজন করা হয় মোরগ লড়াই আর মেয়েদের জন্য ছিল মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা, যা
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
সকাল
সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন লোকগান, নৃত্য,
কবিতা আবৃত্তি ও নাটিকা। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ বাংলা নববর্ষকে ঘিরে
নিজ নিজ স্টলে পরিবেশন করে ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি — পাটিসাপটা, চিতই, দুধচিটা, মালপোয়া
প্রভৃতি।
ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “বাংলা নববর্ষ এদেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা। এটি আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতি চেতনা জাগ্রত করবে।”
প্রো-ভাইস
চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধরে রাখার
দায়িত্ব আমাদের সকলের। এমন আয়োজন সেই দায়িত্ব পালনকে আরও বেগবান করে।”
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, নতুন বছর আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে
দিয়েছে। অতীতের অন্যায়-অবিচার থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের
পথে।
প্রায়
পাঁচ বছর পর কুবিতে এই আয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা
গেছে। দিনভর চলা নানা আয়োজনে মুখর ছিল গোটা ক্যাম্পাস।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ২১নং ওয়ার্ড শাকতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ উৎসব উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় শাকতলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদল এর আহ্বায়ক কে.এম শাহীনুর হোসাইন শাহীন। তিনি বই বিতরণ উৎসবটি উদ্বোধন করেন।
এ সময় শাকতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ২১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মাহবুবুর রহমান এবং ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ শোয়েব আহমেদ জুয়েল, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আক্তার হোসেন ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মন্ডলী। এ সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকার স্বনামধন্য আরও ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারে শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার হওয়া করিম ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হক মিলে করিম ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখেন।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার আমলী আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন চার ঘাতক।
পুলিশ জানায়, নিখোঁজের একমাস পাঁচদিন পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শ্বশুর বাড়ির একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় করিম ভূঁইয়ার (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত করিম ভূঁইয়া উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মন্ত্রীবাড়ি এলাকার মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি গত ১৩ আগস্ট সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
গ্রেপ্তারদের জবানবন্দী সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ আগস্ট রাতে স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে করিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেন শ্যালক ইসরাফিল। সেখানে প্রথমে তিন ভাই মিলে তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেন। এ সময় তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় স্ত্রী তাছলিমা সেই রক্ত মুছে ফেলেন। পরে বড় ভাইয়ের বিল্ডিংয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে মরদেহ ফেলে দেওয়ার কথা বলা হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় প্রথমে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়। সকালে মরদেহ ভেসে উঠলে আবারও স্ত্রী এবং ভাইয়েরা মিলে খাল থেকে তুলে এনে হাত-পা বেঁধে বড় ভাইয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বড় ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তারা শনিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেন।
দেবিদ্বার থানার ওসি সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, স্ত্রী তাছলিমার পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে ভালো ব্যবহার করে ডেকে নিয়ে তিন ভাইসহ চারজনে মিলে করিম ভূঁইয়াকে হত্যা করে। নিহতের ভাই আমির হোসেন থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে। পরে সন্দেহভাজন আসামিদের ওপর নজরদারি ও গ্রেপ্তারের ভিত্তিতেই মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়। নিহত করিম ভুইয়া প্রায় স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও মেয়েকে পাশবিক নির্যাতন করতেন। এতে তারা অতিষ্ঠ হয়ে এ হত্যাকান্ডটি ঘটায়।
মন্তব্য করুন