

পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা কর্তৃক কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার ও মিয়াবাজার এলাকা হতে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ১২.৮ কেজি গাঁজা ও ১০৯ বোতল ফেন্সিডিল’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৭ নভেম্বর শুক্রবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ৬০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২.৮ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের মৃত সাচ্চু মিয়া এর ছেলে মোঃ ইমরান হোসেন (২৯) এবং একই গ্রামের মোঃ আব্দুল মান্নান এর ছেলে মোঃ ইসলাম (২৮)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ১৮ নভেম্বর শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মিয়াবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানার দৌলতপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক এর ছেলে মোঃ রনি (৩০) এবং একই থানার ধরপদ (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কাফ, ফেন্সিডিল, গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রোববার ভোরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-২) ও যৌথ বাহিনী অভিযানে শীর্ষ মাদক কারবারি পিচ্চি রাজাসহ ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে ৩ জন নারী মাদক কারবারিও রয়েছেন।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানায়, র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শিহাব করিম।
র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শিহাব করিম জানিয়েছেন, রোববার ভোরে জেনেভা ক্যাম্পে এ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে র্যাব-২ ও যৌথ বাহিনী ছিল। এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, দুটি পিস্তল, ২০ রাউন্ড গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযানে ৩ জন নারী মাদক কারবারি ও শীর্ষ মাদক কারবারি পিচ্চি রাজাসহ ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
বলেছেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা শুধু বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারাবিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত
মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস।
‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’ উপলক্ষে
এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা দাবি
থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান
মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন,
৭ জুন ‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
একটি অনন্য মাইলফলক। ৬ দফার মাধ্যমেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির
রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির দাবি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
তিনি এই মহান দিনে জাতির
পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাঙালির
মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন আমি তাদের স্মৃতির প্রতি
জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা
বাঙালির সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে যে আন্দোলনের সূত্রপাত
হয়, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে। রচিত হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের
ভিত্তি। এরপর ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন, ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন ও ১৯৬২
সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে সর্বদলীয় সম্মেলনে ঐতিহাসিক ৬ দফা
প্রস্তাব পেশ করেন। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রানীতি, রাজস্ব
ও করনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, আঞ্চলিক বাহিনী গঠনসহ এই ৬ দফার মধ্যেই তিনি পূর্ব বাংলার
রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার তুলে ধরেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল
বাঙালির স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের রূপরেখা।
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা
ঘোষণার পর শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং তাকে বারবার গ্রেফতার
করে। তা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু ৬ দফার দাবি থেকে পিছপা হননি।
রাষ্ট্রপতি জানান, বঙ্গবন্ধু
রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন।
এজন্য তিনি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নপূরণ তথা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবার প্রতি আহ্বান
জানান।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন
শ্রেণি-পেশার লাখো জনতার অংশগ্রহণে জুলাই বিপ্লবী ও আধিপত্যবাদবিরোধী ‘ইনকিলাব মঞ্চ’র
মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।
আজ
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ জানাজা অনুষ্ঠিত
হয়। জানাজা পড়ান তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক।
জানাজায়
অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন
আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টাসহ
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনতা।
এছাড়াও
জানাজায় ছিলেন শরিফ ওসমান হাদির পরিবারের সদস্য এবং তার সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা। জানাজার আগে সংসদ ভবন প্লাজার সামনের মাঠ কানায়
কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। অনেকেই সংসদ ভবনের মাঠে প্রবেশ করতে না পেরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের
রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাদির জানাজায় অংশ নেন। জানাজার
পর ওসমান হাদিকে দাফন করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের
কবরের পাশে নিয়ে আসা হবে।
নজরুলের
পাশেই সমাহিত করা হবে জুলাই বিপ্লবী হাদিকে। জানাজার আগে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বক্তব্য
রাখেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও হাদির ভাই আবু বকর সিদ্দিক। আবু
বকর সিদ্দিক তার বক্তব্যে হাদির স্মৃতিচারণ করেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেন। এসময়
সেখানে কান্নার রোল পড়ে যায়।
চব্বিশের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা ওসমান হাদি পরে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’
গড়ে তুলে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আলোচনায় আসেন। বিভিন্ন
টেলিভিশনের টক শোতেও নিয়মিত আমন্ত্রণ পেতে থাকেন তিনি। তার যুক্তিতর্কের অনেক ক্লিপ
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮
আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।
তিনি
গত নভেম্বরে নিজের ফেসবুক পেজে বলেছিলেন, দেশি-বিদেশি অন্তত ৩০টি নম্বর থেকে তাকে ফোনকল
করে এবং মেসেজ পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ওই পোস্টে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের
‘খুনি’ ক্যাডাররা তাকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখছে। তবে প্রাণনাশের
আশঙ্কা সত্ত্বেও ইনসাফের লড়াই থেকে পিছিয়ে যাবেন না তিনি।
১২
ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় প্রচারে যাওয়া
ওসমান হাদিকে গুলি করে মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসী। রিকশায় থাকা হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ
হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর তাকে
নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। অবস্থা গুরুতর দেখে সেখান থেকে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে
যায় সরকার। চিকিৎসকদের সর্বাত্মক চেষ্টার পরও মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে হেরে যান হাদি।
বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যুর খবর জানান চিকিৎসকরা।
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল সন্দেহভাজন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখ। তারা ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সূত্র।
মৃত্যুর
পর ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওসমান হাদির লাশ বাংলাদেশে আনা হয়। সেখান থেকে লাশ জাতীয় হৃদরোগ
ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের হিমঘরে নেওয়া হয়।
হাদির
মৃতুতে আজ রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হচ্ছে। দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত
প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে
জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মাসুদ হত্যা মামলা ও চাঁদাবাজি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি হালিম মিয়া (৩০) নামে এক আসামি পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে পালিয়েছে।
শনিবার (০৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের খাগাতুয়া গ্রামে।
আসামি হালিম মিয়া ওই গ্রামের কাদির মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, খাগাতুয়া গ্রামের মাসুদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি হালিম মিয়া। হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও চাঁদাবাজি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন হালিম মিয়া। শনিবার সন্ধ্যায় খাগাতুয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে হালিমকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু তার হাতে হাতকড়া পড়ানোর আগেই এএসআই আশরাফুল আরিফের হাতে কামড় দিয়ে আসামি হালিম মিয়া পালিয়ে যান।
পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেফতারের অভিযান চলছে বলে জানান নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলম।
মন্তব্য করুন


‘বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে’ আহতদের দেখতে সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে যান। বাচ্চাদের সুচিকিৎসা সরকারের প্রধান ম্যান্ডেট। এই বাচ্চাদের যদি
নিরাপদ জীবন দিতে না পারি তাহলে আমরা অকৃজ্ঞ জাতি হবো।
এ
সময় উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে তিনি বলেন, এ আন্দোলনে আহত-নিহতদের হাসপাতালের রেজিস্ট্রার
থেকে তথ্য নিয়ে সবার ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। আহতের পুনর্বাসনের জন্য যা যা করার সমাজকল্যাণ
মন্ত্রণালয় তার নৈতিকতার জায়গা থেকে করবে। আহতদের পুনর্বাসিত করবে মন্ত্রণালয়।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) ছাত্র আন্দোলনে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে এসব কথা
বলেন তিনি।
তিনি
এ সময় আহতদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।
এ
সময় উপস্থিত চিকিৎসকদের বলেন, সুচিকিৎসার জন্য যা যা করতে হবে সব করার অঙ্গীকার ব্যক্ত
করেন। তিনি যত্ন, ভালোবাসা, সুচিকিৎসা ও সেবার মান এবং আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জানান
কর্তব্যরত চিকিৎসকদের।
তিনি
বলেন, আমরা নতুন করে ডাক্তারদের পেলাম নতুন করে চিকিৎসা সেবা দেখলাম। এই ডাক্তার ও
সেবাই চায় নতুন বাংলাদেশ।
উপদেষ্টা
উপস্থিত মিডিয়ার প্রতিনিধিদের কাছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের তথ্য দেয়ার
অনুরোধ জানান। এর জন্য মন্ত্রণালয় একটি সেল খোলা কথাও জানান উপদেষ্টা।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সফিকুর রহমান, ঢাকা মেডিক্যালের
উপ-পরিচালক ডা. মো. খালেকুজ্জামান, সহকারী পরিচালক ডা. আশ্রাফুল আলম, ডা. আব্দুর রহমান
ও ডা. আ. সামাদ সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে নিয়োজিত চেক প্রজাতন্ত্রের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত মান্যবর ড. এলিসকা জিগোভা এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ সেনাসদরে সেনাপ্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চেক প্রজাতন্ত্রের বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধির বিষয়ে মতবিনিময় করেন। মান্যবর রাষ্ট্রদূত প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ বিশেষত সরকারী পর্যায়ে (G2G) প্রযুক্তি হস্তান্তর (TOT), যৌথ উদ্যোগ (Joint Venture) এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের সম্ভাব্য উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয় তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.
শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের উদ্দেশে বলেন,
‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক
অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তী সময় নির্বাচনের ফলাফলকে শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে
গ্রহণ করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
তিনি
বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত আপনার
রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং কর্মীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণের
আহ্বান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।’
তিনি
বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার দল যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ
ও সহযোগিতা প্রদান করেছে, তার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি,
প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের
প্রশ্নে আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে
আরো শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল—উভয়েরই
দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।’
তিনি
বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক
ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন
করবে।
নীতিগত
বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা
নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে—এমনটাই
আমাদের আকাঙ্ক্ষা।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে আপনি অতীতে যে ভূমিকা রেখেছেন ভবিষ্যতের দিনগুলোতে
তা অব্যাহত রাখবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি। আমি মহান আল্লাহ
তায়ালার কাছে আপনার ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি দল মিথ্যা কথা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে। তারা
বলছে, জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে।
তিনি
বলেন, আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব, কিন্তু বিগত সরকারের সময় কি হয়েছিলো আমার
ভোট আমি দেব, তোমার ভোট আমি দেব।
আজ
রোববার ( ০১ ফেব্রুয়ারি ) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার
মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ড কাজীপাড়া আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব
কথা বলেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যারা এনজিও থেকে সুদে ঋণ নিয়েছেন তাদের কিস্তি দিতে হচ্ছে।
ক্ষমতায় আসলে সেই কিস্তির দায়িত্ব বিএনপি নেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা
করা হবে।
তিনি
বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে।
সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন জনগণের হাতে আবার দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে।
ভোটারদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের হাতেই দেশ, আপনারাই দেশের প্রকৃত মালিক। তাই ভুল করার
সুযোগ নেই। সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ভোট প্রয়োগ করতে হবে।’
এ
সময় আলীফা আক্তার গোলাপী নামে এক নারী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মাটির ব্যাংকে জমানো
টাকা এবং কয় হালি মুরগির ডিম উপহার দেন।
পথসভায়
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। বক্তৃতাকালে মির্জা ফখরুলের
বক্তব্যে বারবার করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
মন্তব্য করুন


১২
ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য বগুড়ায় দলের নেতাদের
নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বগুড়ার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের
নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
বগুড়া-৬
আসনে নির্বাচন উপলক্ষে এ মতিনিবময় সভায় বগুড়া জেলা বিএনপি’র
সিনিয়র নেতারা ছাড়াও দলটির সদর উপজেলা ও শহর কমিটির পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর
শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া
জেলা বিএনপি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তারেক রহমান দলীয় নেতাদের
নির্বাচনের বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এবারের নির্বাচন সহজ হবে না।
ধানের
শীষের ভোট চাইতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেতে হবে।
বর্তমানে
দলে নিজের অবস্থান অর্থাৎ দলের প্রধানের দায়িত্ব পালনের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন,
আমার পক্ষে আগের মত আপনাদের সময় দেওয়া সম্ভব হবে না এবং বগুড়ায় অবস্থান করাও সম্ভব
হবে না। এক্ষেত্রে আপনাদের প্রত্যেককে ধানের শীষের কান্ডারীর ভূমিকা পালন করতে হবে।
বগুড়াবাসীর
প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, দল যখন ক্ষমতায় ছিল
তখন বগুড়ার জনগণের উন্নয়নে আমরা কাজ করেছি।
আবার
যখন বিরোধী দলে ছিল তখন শীতবস্ত্র বিতরণ এবং বন্যার্তদের সহায়তাসহ নানা ধরনের কাজ করা
হয়েছে।
আগামীতে
সরকার গঠন করলে বগুড়ার উন্নয়নের নিশ্চয়তা দিয়ে তিনি বলেন, বগুড়ার কোথায় কি করতে হবে
সেটি তিনি জানেন।
১২
ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদানের পাশাপাশি ফলাফল সংগ্রহ পর্যন্ত
দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়ে দলের স্থানীয় নেতাদের তিনি বলেন, আপনাদের সতর্ক ও সজাগ
থাকতে হবে।
দলীয়
সূত্রগুলো জানায়, বগুড়া-৬ আসনে প্রার্থী তারেক রহমানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল
নির্ধারণের জন্যই এ সভা আহ্বান করা হয়। সভা শেষে দুপুর ১২টার পর তিনি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে
রওনা হন।
মন্তব্য করুন


নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বরং মানুষ
হিসেবে এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করে সাংবিধানিক অধিকার চাওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে হিন্দু
সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন হামলার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী
মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা করতে যাচ্ছি, যেখানে সবাই এক পরিবার। এটা হলো মূল জিনিস। এখানে
পরিবারের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা, বিভেদ করা, এটার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমরা মুসলমান,
হিন্দু, বৌদ্ধ হিসেবে বিবেচিত নই; মানুষ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত
হোক। আপনারা যদি টেনে টেনে নিয়ে আসেন আমি ওমুক, আমি তমুক, এটা আবার পুরোনো জায়গায় চলে
গেলো। আপনারা বলেন যে আমি মানুষ, আমি বাংলাদেশের মানুষ, আমার সাংবিধানিক অধিকার এই,
আমাকে দিতে হবে। সব সরকারের কাছে এটাই চাইবেন। সব সমস্যার গোড়া হলো আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো
পচে গেছে। এ কারণেই এসব গোলমাল হচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করতে হবে। ন্যায়বিচার
হলে কে বিচার পাবে না আমাকে বলেন। কোন ধর্মের, কোন জাতের, আইনে কি বলা আছে যে মুসলমান
সম্প্রদায় হলে এই আদালতে হবে, হিন্দু হলে ওই আদালতে যাবে। সবার জন্য আইন একটা, কার
সাধ্য আছে সেখানে বিভেদ করে যে এ রকম একটা, ওই রকম একটা। এটা এমন রোগ, মূলে যেতে হবে।
আপনারা যদি বলেন আমাদের সংখ্যালঘুরা, এটা বললে মূল সমস্যা থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি।
আমাদের বলতে হবে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটা পেলে বাকস্বাধীনতা
প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটিই হলো আমাদের মূল লক্ষ্য।
সনির্বন্ধ অনুরোধ আপনারা বিভিন্ন খোপের (বিভেদ) মধ্যে চলে যাইয়েন না। এই খোপ হলে, খোপের
মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি লেগে যাবে। এক হয়ে আসেন। এক আইন, আমাদের আইনি অধিকার দিতে
হবে। বলেন, আপনারা আইনি অধিকার পান না, বিচার হয় না। এটাই হলো আসল জিনিস। বিচারব্যবস্থা
আমাদের দিকে তাকায় না, পুলিশ আমাদের দিকে তাকায় না। কারণ, আমি অধিকারটা … করতে পারি
নাই। আমাদের নীতিটা আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারি নাই। খোপ খোপ করতে আরম্ভ করবেন, তারাও
মজা পেয়ে যাবে। ওই মজার খেলাতে আমাদের আর নিয়ে যাইয়েন না। আমরা এসেছি, আমরা এক মানুষ,
আমাদের এক অধিকার। এর মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যাবে না। একটু সহযোগিতা করেন আমাদের,
একটু ধৈর্য্য ধরেন। কী করতে পারলাম, কী পারলাম না সেটা পরে বিচার কইরেন। যদি না পারি
আমাদের দোষ দেবেন।
এর আগে সনাতন ধর্মের ধর্মীয় নেতারা
বিভিন্ন সময় তাদের ওপর হামলার কথা তুলে ধরেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের কাছে এসব
সমস্যার স্থায়ী প্রতিকার চান। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়
প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তাদের আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন