

পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা কর্তৃক কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার ও মিয়াবাজার এলাকা হতে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ১২.৮ কেজি গাঁজা ও ১০৯ বোতল ফেন্সিডিল’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৭ নভেম্বর শুক্রবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ৬০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২.৮ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের মৃত সাচ্চু মিয়া এর ছেলে মোঃ ইমরান হোসেন (২৯) এবং একই গ্রামের মোঃ আব্দুল মান্নান এর ছেলে মোঃ ইসলাম (২৮)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ১৮ নভেম্বর শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মিয়াবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানার দৌলতপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক এর ছেলে মোঃ রনি (৩০) এবং একই থানার ধরপদ (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কাফ, ফেন্সিডিল, গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যথাযথ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধান কার্যক্রম
জোরদার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, উচ্চশিক্ষা বিস্তারের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত
করা খুবই জরুরী। দেশব্যাপী উচ্চশিক্ষা বিস্তারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের
সার্বিক তত্ত্বাবধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর
আচার্য মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাত
হয় ।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে চার সদস্যের
প্রতিনিধিদলে ছিলেন-বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য স্থপতি অধ্যাপক ড. নিজামউদ্দিন আহমেদ,
ট্রেজারার অধ্যাপক আবদুস সালাম হাওলাদার এবং রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস
সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা
কার্যক্রমসহ নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
প্রেস সচিব আরো জানান, প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে
যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
শিক্ষার্থীরা যাতে উচ্চতর
ডিগ্রি অর্জন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারে সেই
লক্ষ্যে রাষ্ট প্রধান আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা
কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
এরই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণে
কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। এছাড়া শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি
দক্ষতা-ভিত্তিক কর্মসূচি চালু করার ও পরামর্শ দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের
সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ঘরে-বাইরে উভয় স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে নারীর উন্নয়ন
ও সমৃদ্ধির জন্য গৃহীত নীতিমালার সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে না।
আজ
রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’
উদযাপন এবং ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান’
অনুষ্ঠানে ভাষণকালে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি
বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক-নারী ও কন্যারা যেন আর অবহেলা, নির্যাতন
ও বৈষম্যের শিকার না হন। তারা যেন সমান সুযোগ ও মর্যাদা পান।
বাসযোগ্য
বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি জানান যে, তিনি এমন এক দেশের
স্বপ্ন দেখেন যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠবে, স্বাবলম্বী হবে এবং নেতৃত্ব
দিবে। যেখানে প্রতিটি কন্যাশিশু স্বপ্ন দেখবে এবং সেই স্বপ্নপূরণের অফুরন্ত সুযোগ পাবে।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজকর্মী ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাদের
কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রয়াত
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রগতিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’
পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ব্যারিস্টার জাইমা রহমান তার দাদীর পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ
করেন।
রাষ্ট্রপ্রধান
বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে
কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন। এ ধরনের
অপরাধ মোকাবিলায় এখনও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি
আরও বলেন, নারীর অগ্রগতি দেশ ও জাতির অগ্রগতি। বিশেষ করে পুরুষশাসিত সমাজে এই সত্যকে
স্বীকৃতি দিতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নারী উন্নয়েেনর জন্য
তিনি যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন তা বেগম খালেদা জিয়ার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী
রূপ নেয়। তিনি মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে
শিক্ষা চালু করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতি
বলেন, নারীশিক্ষার হার বাড়াতে বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তিও চালু
করেন। এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
তিনি
উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার
সুযোগ চালু করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
অর্থনৈতিকভাবে
পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে সহায়তা করার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, এটি আগামী ১০ মার্চ থেকে চালু
হবে। আশা করা হচ্ছে, উদ্যোগটি পারিবারিক অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা
রাখবে।
রাষ্ট্রপতি
নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা; কর্মক্ষেত্রে ও মজুরি বৈষম্য; দুর্বল আইনি সুরক্ষা; নিরাপত্তাহীনতা;
বাল্যবিবাহ; নারীবিরোধী মনোভাব এবং সামাজিক কুসংস্কারসহ বেশ কয়েকটি স্থায়ী সামাজিক
চ্যালেঞ্জও তুলে ধরেন।
তিনি
বলেন, সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং অপরাধের নতুন
চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি
সাহাবুদ্দিন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং বৃহত্তর সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে এসব সমস্যা মোকাবিলার
জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
তিনি
পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতা, গণমাধ্যম কর্মী এবং তরুণ প্রজন্মকে
নারীর প্রতি সমতা ও শ্রদ্ধার মূল্যবোধ প্রচারের কথাও বলেন।
তৈরি
পোশাক শিল্পে কর্মরত লাখ লাখ নারীর অবদানের কথা স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।
তাদেরকে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবেও বর্ণনা করেন।
রাষ্ট্রপতি
আরও বলেন, রাজনীতি, গণমাধ্যম, উদ্যোক্তা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রশাসন, শান্তিরক্ষা
এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা বর্তমানে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে।
বক্তব্যের
শুরুতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত গণতন্ত্র
ও জনগণের অধিকারের সকল আন্দোলন ও সংগ্রামের শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধা জানান।
অনুষ্ঠানে
‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীকালের ন্যায়বিচার: নারী ও মেয়েদের অধিকার সুরক্ষিত থাকুক’
শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
মহিলা
ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় পাঁচটি ভিন্ন বিভাগে আরও পাঁচ নারীকে সম্মাননা পদক প্রদান
করে।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আরাও
বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন; বাংলাদেশে ইউএনডিপি-এর
আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা।
পরে
রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে ফটোসেশনে যোগ দেন।
মন্তব্য করুন


তেজগাঁও এলাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় যোগদানের আগে দুই নেতা সেখানে একান্ত সাক্ষাৎ করেন বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টা এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ দেশের নেতৃত্ব দেন বলেও এতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের
গত বছরের ঢাকা সফর সদ্য রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে উত্তরণের সময়ে বাংলাদেশকে এক বড় ধরনের
মানসিক প্রেরণা যুগিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
মালয়েশিয়া সফরকালে গতকাল বুধবার দেশটির
সরকারি বার্তা সংস্থা বারনামাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। অধ্যাপক
ড. ইউনূস বারনামাকে বলেন, আনোয়ার ইব্রাহিমের এই সফর বাংলাদেশের কঠিন সময়ে জাতির মধ্যে
আশার সঞ্চার করেছিল।
বারনামা আজ সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে।
বারনামার প্রধান সম্পাদক আরুল রাজু দুরার রাজের নেতৃত্বে সংস্থাটির একদল সাংবাদিক এই
সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে।
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে অন্তর্বর্তী
সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. ইউনূস সাক্ষাৎকারে ছাত্র জনতার নেতৃত্বে
কীভাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন তা
স্মরণ করেন। এ সময়ে বাংলাদেশ যে অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছিল, তা তুলে ধরেন তিনি।
এই পরিস্থিতিকে ‘ম্যাগনিচিউড ৯ ভূমিকম্পে
আঘাত হানা’ অবস্থার সঙ্গে তুলনা করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, সবকিছু ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, ভীষণ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি, কিছুই চলছিল না- শুধু ক্ষোভ
ফুঁসে উঠছিল।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, আমাদের
এমন এক কঠিন সময়ে দেশ চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এটা ছিল অত্যন্ত কঠিন কাজ। শুধু
বিশৃঙ্খলা দূর করাই নয়, সবকিছু নতুন করে গড়ে তুলতে হয়েছে। আমরা তখন পথ খুঁজছিলাম, কীভাবে
এগোবো— এমন সময়ে সুখবর এল, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
আমাদের দেশে সফরে আসছেন।
বারনামাকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে নোবেল
বিজয়ী ইউনূস আনোয়ার ইব্রাহিমের সেই সফর নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।
আনোয়ার ইব্রাহিম ২০২৪ সালের অক্টোবর
মাসে বাংলাদেশ সফর করেন। অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশ পুনর্গঠনের দায়িত্ব
নেওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় তিনিই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি নেতা হিসেবে বাংলাদেশ
সফর করেন।
‘তিনি আমাদের আশা দিয়েছিলেন। তাঁর সফর
জনগণের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছিল। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের মানুষের কাছে খুব
পরিচিত একটি দেশ, কারণ এখানে বহু বাংলাদেশি বসবাস করেন এবং তাদের পরিবারও এখানে রয়েছে।
এটি কোনো অজানা-অচেনা দেশ নয়। তাই মালয়েশিয়ার
প্রধানমন্ত্রী এসে বললেন, ‘হ্যাঁ, আমরা তোমাদের পাশে আছি’— এটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য অনেক
অর্থবহ ছিল। তাঁর উপস্থিতি খুবই উৎসাহব্যঞ্জক ও অনুপ্রেরণাদায়ক ছিল,’ বলেন প্রধান উপদেষ্টা
ড. ইউনূস।
৮৫ বছর বয়সী ইউনূস একজন অর্থনীতিবিদ
ও সামাজিক উদ্যোক্তা। তিনি ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে দরিদ্র বিশেষত নারীদের জন্য জামানতবিহীন
ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
মালয়েশিয়া বাংলাদেশের বাইরে প্রথম দেশ
হিসেবে আমানাহ ইখতিয়ার মালয়েশিয়া প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক মডেল গ্রহণ করে।
ইউনূস ১১ থেকে ১৩ আগস্ট মালয়েশিয়ায়
তিন দিনের সরকারি সফরে আসেন। এ সময় তিনি মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি বিশেষ
করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শ্রম, শিক্ষা, পর্যটন ও প্রতিরক্ষা খাত, এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক
পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়ে পর্যালোচনা করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন।
তিনি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক
জোরদারের লক্ষ্যে দেশটির বিভিন্ন খাতের নেতৃবৃন্দ এবং বড় বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ
করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, আমি
বলতে পারি, আমাদের সফরটি দারুণ ও অত্যন্ত সফল হয়েছে। আমরা এই সফর নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট।
সবাই তাঁদের সময় নিয়ে খুব উদার ছিলেন। আমরা যেসব কর্মকর্তা, নেতা ও ব্যক্তির সঙ্গে
দেখা করতে চেয়েছিলাম, সবাই এগিয়ে এসেছেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে
বলেন, এই সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করবে এবং পারস্পরিক উপকারী
ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা সম্প্রসারিত করবে, যা ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের
পর থেকে বিদ্যমান দৃঢ় বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম
বাণিজ্য অংশীদার ও রপ্তানি গন্তব্য বাংলাদেশ। এর প্রধান রপ্তানি পণ্য হলো পেট্রোলিয়ামজাত
দ্রব্য, পাম তেল ও রাসায়নিক দ্রব্য, আর আমদানি পণ্য হলো টেক্সটাইল, জুতা, পেট্রোলিয়ামজাত
দ্রব্য ও প্রস্তুত পণ্য।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি স্মারক ডাকটিকেট, একটি উদ্বোধনী খাম ও একটি সিলমোহর অবমুক্ত করেছেন ।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্তকালে উপস্থিত ছিলেন তথ্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ড. মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম সাহাবুদ্দিন ।
এ ছাড়াও একই সময়ে সপ্তম জাতীয় কমডেকা ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকেট, একটি উদ্বোধনী খাম ও একটি সিলমোহর ও অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।
এছাড়া
এ সময় কমডেকা উপদেষ্টা, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক
বিভাগের সিনিয়র সচিব মুহাম্মদ এহছানুল হক, কমডেকা চিফ মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ
অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


একদিন বাড়ানো হবে দুর্গাপূজার ছুটি। ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা ৪ দিন ছুটি কাটাতে পারবেন।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম বলেন, বৃহস্পতিবার ছুটি ঘোষণা করা হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার বৃহস্পতিবার ছুটি ঘোষণা করে আজকের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন হয়তো জারি করবে।
আগামী ১৩ অক্টোবর রোববার পূজার ছুটি ছিল। বৃহস্পতিবার ছুটি ঘোষণা হলে সাপ্তাহিক ছুটি মিলে টানা ৪ দিন ছুটি ভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
মন্তব্য করুন


শ্রম,
কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন,
ঈদের আগে শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্য বেতন ও বোনাস পেয়েছেন। বর্তমান সরকারের সদিচ্ছায় এটি
সম্ভব হয়েছে।
তিনি
আরও বলেন, শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় আড়াই হাজার কোটি
টাকা সহযোগিতা করা হয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে সিলেটের শাহী ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই কথা
বলেন তিনি।
বর্তমান
সরকারকে শ্রমিকবান্ধব উল্লেখ করে শ্রম, কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান
মন্ত্রী বলেন, শুধু দেশের শ্রমিকরাই নয়, বরং বিদেশে অবস্থারত বাংলাদেশি সব প্রবাসী
শ্রমিকের জন্যও কাজ করছে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির সময়ের শুরু থেকেই সরকার প্রবাসীদের
পাশে রয়েছে।
আরিফুল
হক চৌধুরী বলেন, সরকার, প্রশাসন, পরিবহন শ্রমিক ও মালিক সবার সহযোগিতা থাকার কারণে
এবার মানুষ স্বস্তিতে বাড়িতে ফিরতে পারছে।
তিনি
বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সুযোগে কিছু দুষ্কৃতিকারী বাংলাদেশি হয়েও প্রবাসীদের জিম্মি
করে দেশে স্বজনদের কাছে ফোন করে টাকা চাচ্ছে, আমরা এদের শেকড় বের করেছি। প্রবাসীদের
পরিবারকেও এই ব্যাপারে সতর্ক করা হচ্ছে।
মন্ত্রী
বলেন, বন্ধ শ্রমবাজার খোলার পাশাপাশি শ্রমিকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।
আগামী মাসেই বিদেশ গমনেচ্ছু শ্রমিকদের ভাষা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
তিনি
বলেন, চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে সরকার, যাতে ঝামেলা না হয়।
শ্রম,
কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আরও বলেন, অনেক লোক দালালদের মাধ্যমে
বিপদ্গ্রস্ত হয়। এই দালালদেরকে কীভাবে নির্বৃত্ত করা যায়, সেই ব্যাপারেও পদক্ষেপ নিচ্ছে
সরকার।
এরপর
বৃহস্পতিবার ঈদ জামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর সাথে সিলেট
মহানগর পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম ও সিলেট
সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অগ্রভাগে থাকা সাহসী যোদ্ধা ও ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
শুক্রবার এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন নির্ভীক সম্মুখযোদ্ধা, বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর এবং দৃঢ়চেতা সংগঠক। অন্যায়, অবিচার, শোষণ ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন অবস্থান নিপীড়িত ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ছিল অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল উৎস।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শরিফ ওসমান হাদি মানুষের হৃদয়ে সাহস, দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের যে দীপ্তি জ্বালিয়েছেন, তা দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে তাঁর অবদান তাঁকে ইতিহাসে অমর করে রাখবে।উপদেষ্টা বলেন, তাঁর অকাল প্রয়াণ জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাঁর আদর্শ, সাহস ও দেশপ্রেম থেকে প্রেরণা লাভ করবে।উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি গত বৃহস্পতিবার রাতে আনুমানিক রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সাময়িক অসুস্থতার খবর
শুনে তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
বুধবার ( ২৫ ফেব্রুয়ারি ) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি
জানান, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রথমে জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়া
হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের প্রেক্ষিতে তার সঙ্গে সরাসরি ফোনালাপের ব্যবস্থা করা
হয়। ফোনে তারা কুশল বিনিময় করেন।
গোলাম
পরওয়ার আরও জানান, আলাপকালে জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রীকে ইফতারের দাওয়াত দেন। তিনি
প্রধানমন্ত্রীকে সপরিবারে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। দাওয়াতপত্র গ্রহণ করেছেন
বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য,
মঙ্গলবার রাজধানীর শেওড়াপাড়া এলাকায় একটি আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে যোগ দেওয়ার কথা
ছিল ডা. শফিকুর রহমানের। তবে যাত্রাপথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার কর্মসূচি স্থগিত করা
হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন