

কুমিল্লায়
১০১ পিস মোবাইল ফোনসহ একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গত
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ
অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন ২নং উত্তর দূর্গাপুর ইউপির শংকরপুর
সাকিনস্থ আইএফআইসি ব্যাংকের সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌছাঁলে ডিবি পুলিশ চিনতে পেরে
আসামী একটি প্লাষ্টিকের বস্তাসহ দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বস্তাসহ আটক করা হয়। বস্তুা
তল্লাশি করে ১০১ পিস নতুন-পুরাতন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: কুমিল্লা জেলা ব্রাহ্মণপাড়া থানার রানীগাছ গ্রামের মোঃ রুবেল মিয়া’র ছেলে
মোঃ পারভেজ মিয়া (৩০)।
গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করা হয।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
হোমনায় প্রেম সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ফয়সল (২২) কে প্রথমে শ্বাসরোধ পরে জবাই করে
হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
সোমবার
সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোঃ
জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
মৃত্যু
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা হোমনা উপজেলার রাজনগর গ্রামের মোঃ ফুল মিঞার ছেলে
মোঃ শামীম মিয়া (২৪) ও একই উপজেলার সাফলেজি গ্রামের মোঃ বেদন মিয়ার ছেলে মোঃ দুলাল
মিয়া (২০)।
মামলার
বিবরণে জানাযায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার ফয়সল আসামি
মোঃ শামীম মিয়ার কলেজ পড়ুয়া বোন মেহেদী আক্তার (১৮) এর প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে পূর্ব
পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে ২০২০ সালের ৫ জুন ফয়সল তার মামা নজরুল মিয়ার ছাদে বন্ধুদের
সাথে আড্ডা দেওয়ার সময় তার মোবাইলে আসামি শামীম ফোন করে বলে আমিরুল ইসলাম উচ্চ বালিকা
বিদ্যালয়ের নির্মানাধীন বিল্ডিংয়ে যাওয়ার জন্য। তখন ফয়সাল কাউকে কিছু না বলে শামীরের
কথামতো মামা বাড়ীর ছাদ থেকে বের হয়ে বাড়ীতে ফিরে না আসায় স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন স্থানে
খোজাখুজি করে না পেয়ে নিহতের বৃদ্ধ পিতা মোঃ মকবুল হোসেন হোমনা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি
করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে প্রথমে
আসামি মোঃ শামীম মিয়াকে গ্রেফতার করার পর শামীম জানায় প্রথমে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ
করে এবং পরে ধারালো ছুরিকাঘাতে জবাই করে ফয়সলকে হত্যা করে লাশটি বিদ্যাময়ের মাঠে মাটিতে
পুঁতে রাখা হয়।
এ
ব্যাপারে ২০২০ সালের ১৩ জুন নিহত ফয়সলের বড় বোন হোমনা থানাধীন রাজনগর গ্রামের হারুন
মিয়ার স্ত্রী সালমা আক্তার বাদী হয়ে মোঃ শামীম মিয়াসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে হোমনা
থানায় মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা
এসআই মোঃ শামীম সরকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে আসামি মোঃ
শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়াকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।
তারা
বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দির সময় শামীম জানান,
২০২০ সালের ৫ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার সময় ফয়সলকে প্রথমে শ্বাসরোধ পরে জবাই করে হত্যা
করে লাশ মাটির নিচে পুঁতে রাখে। ঘটনার ১২দিন পর গ্রেফতারকৃত আসামি শামীম এর দেখানো
মতে ভিকটিম ফয়সলের অর্ধ গলিত মরদেহ আমিরুল ইসলাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠের মাটির
নিচ থেকে হোমনা থানাপুলিশ উদ্ধার করে সূরতাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে
১০জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামিদ্বয়ের প্রদত্ত
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়া'র
বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে
প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
রায়
ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়া আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত
ছিলেন।
এ
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী অতিঃ পিপি এডভোকেট শেখ
মাসুদ ইকবাল মজুমদার ও মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল
রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন।
অপরদিকে,
আসামিপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী এডভোকেট বিমল কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, এ রায়ে আসামিপক্ষ
অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
খাদ্যে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ
ও রঙ ব্যবহার করায় বেকারিতে অভিযান চালিয়ে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা।
আজ সোমবার (১৪ জুলাই
) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার যাত্রাপুর
এলাকায় " রসনা বিলাস বেকারিতে" ভোক্তা
অধিদপ্তরের অভিযানের সময় দেখা যায় মিষ্টি ও পারুটিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ, অননুমোদিত রঙ,
মেয়াদ উত্তীর্ণ বিস্কিট পুনরায় প্যাকেটজাত করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য তৈরীসহ
নানা অনিয়মে প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০,০০০ টাকা জরিমানা
করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরো সতর্ক থাকতে নির্দেশনা
দেয়া হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্বদেন জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া।
উক্ত অভিযানে সহযোগিতা
করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো: আবুল
কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার গোমতী নদীতে ককশীট ও কলাগাছের সঙ্গে বেঁধে পাচারের জন্য ভাসিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বিজিবি। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী গোলাবাড়ি পোস্টের বিজিবি সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
কুমিল্লা ১০ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ শুক্রবার সকাল ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মাদক কারবারিরা প্রতিনিয়ত কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে মাদক পাচারের চেষ্টা করে। তার ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে আদর্শ সদর উপজেলার গোলাবাড়ী এলাকায় গোমতী নদীতে কলা গাছ ও ককশীটের সঙ্গে বেঁধে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচারের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় পানিতে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় মদ, ভদকা, বিয়ার স্কাফসহ ১০ লাখ টাকার মূল্যমানের মাদক। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মাদকদ্রব্যগুলো কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
গত বছরের ১৫ মার্চ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা আত্মহত্যা করেন। তার আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অব্যহতি পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম।
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ না মেলায় অন্যহতি দেওয়া হয় বলে জানা যায়। তবে সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকীকে (আম্মান) অভিযুক্ত করা হয়।রোববার (১০ আগস্ট) কুমিল্লার আদালতে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা, কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মিজানুর অভিযোগ পত্র জমা দেন।
প্রায় দেড় বছর পর কুমিল্লার আদালতে রোববার (১০ আগস্ট) অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি তদন্ত মিজানুর রহমান বলেন, অবন্তিকার মা সহপাঠী আম্মান ও সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে আসামি করে মামলাটি করেছিলেন। মামলাটি তদন্তে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাসহ ২৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অবন্তিকার মোবাইল ফোনে থাকা বেশ কিছু ছবি, স্ক্রিন শট, মেসেঞ্জার ও হোয়াটস অ্যাপের কিছু ক্ষুদে বার্তা জব্দ করা হয়। তার ফেসবুকে দেওয়া ‘সুইসাইড নোট’ পর্যালোচনা করা হয়েছে। মোবাইলটি ফরেনসিক ল্যাবে পাঠিয়ে প্রতিবেদন আনা হয়। আম্মান বিভিন্নভাবে অবন্তিকাকে মানসিকভাবে হয়রানি করতেন। মোবাইলে এমন কিছু ক্ষুদে বার্তাও পাওয়া গেছে। এসব হয়রানির কারণে অবন্তিকা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। সেসব উল্লেখ করেই অভিযোগ পত্র দেওয়া হয়েছে।গত বছরের ১৫ মার্চ রাতে কুমিল্লা নগরীর একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন অবন্তিকা। এর আগে ফেসবুক পোস্টে শিক্ষক দ্বীন ইসলাম ও সহপাঠী আম্মানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ করেন তিনি পরদিন ১৬ মার্চ তার মা তাহমিনা শবনম দুজনকে আসামি করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন।
অবন্তিকার মা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মেয়ের মৃত্যুর নেপথ্যে জড়িতরা শাস্তি পাবে কিনা শুরু থেকেই সন্দেহ ছিল। যে জবি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও মেয়েকে বাঁচাতে পারিনি, সেই প্রশাসন কীভাবে দায় এড়াতে পারে?’
তিনি আরও বলেন, ‘অবন্তিকার মতো অসংখ্য মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়রানির শিকার হয়। কেউ নীরবে সহ্য করে, কেউ প্রতিবাদ করে মৃত্যুর মুখে পড়ে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ২৪ শে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী সৈয়দ আজহারুল আমিনকে সভাপতি এবং এস. এন. রাসেলকে সাধারণ সম্পাদক করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার এক বছরের জন্য আংশিক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
৪ জুলাই স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।
নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন সোহান খান সুজন। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পেয়েছেন বিভিন্ন উপজেলা ও এলাকা থেকে উঠে আসা ছাত্রনেতারা। সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন আবু মুসা জুয়েল, এবং সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন হাসান মাহাদী, আমিন প্রধান ও মোঃ সাইফ হোসেন।
সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ মেহেদী হাসান (মুরাদনগর)। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়াজ মাহমুদ, বাবুল হোসেন তায়েফ ও তারেক হাসান চৌধুরী জাস্টিস দায়িত্ব পেয়েছেন। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন মেহেদী হাসান (আদর্শ সদর), সিহাব খান, আদনান আদি এবং মেহেদী হাসান আবির।
দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাইম জামান এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক জোবায়েদ হোসেন। প্রচার সম্পাদক হিসেবে আছেন আবু বকর সিদ্দিক (আসলাম সিদ্দিকি) এবং উপ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন রাহাতুল হাসান।
অর্থ সম্পাদক হিসেবে মাহমুদুল হাসান সিফাত এবং সহ-অর্থ সম্পাদক হিসেবে আরিফুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করবেন। ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারেক হাসান এবং সহ-সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আজিজুল হক। সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে আছেন নাজমুল হোসাইন এবং সহ-সমাজসেবা সম্পাদক সিফাত।
সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আরিফুল হোসাইন এবং সহ সম্পাদক হিসেবে আছেন জুয়েল মিয়া। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে আছেন সাফায়েত মজুমদার এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন জাহিদ সরকার দিপু।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন মোঃ ছায়িম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম এবং গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন জাহিদুল ইসলাম।
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সুমন সরকার। ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সায়মুন নেছা সায়মা। এ ছাড়া সহ ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন শ্রাবন্তী ইসলাম ফারিয়া এবং নাহিদা চৌধুরী। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ তারেক রহমান।
স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আব্দুল কাদের, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন রায়হান আহমেদ এবং মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন কাইয়ুম হাসান।
কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন শহিদুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন বেলায়ত, সাজ্জাদুর রহমান সজীব, মেহেদী হাসান নাঈম, ইফতেখার আহম্মেদ তালুকদার এবং জুবায়ের আহমেদ মুন্সি।
নতুন কমিটির সভাপতি সৈয়দ আজহারুল আমিন বলেন, “আমরা যারা বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, তারা বিশ্বাস করি– একটি ন্যায্য ও সমঅধিকারের বাংলাদেশ গঠনে ছাত্রদের ভূমিকা অপরিহার্য। এই দায়িত্ব যেন সে লড়াইয়েরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।”
এদিকে কেন্দ্রীয় নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, কুমিল্লার নতুন নেতৃত্ব ছাত্র অধিকার আন্দোলনকে বেগবান করবে এবং সংগঠনকে সাংগঠনিকভাবে আরও সুসংগঠিত করে তুলবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সীমান্তে ১ কোটি ১৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকার
ভারতীয় কিং কোবরা বাজি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ
বুধবার (১২ মার্চ) ভোরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার
সীমান্তবর্তী মিয়াবাজার এলাকা থেকে বাজিগুলো জব্দ করা হয়।
বিজিবির কুমিল্লা ক্যাম্পের ১০ ব্যাটালিয়নের
অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি সূত্র জানায়,
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধীনস্থ
কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহলদল বুধবার ভোর ৫টার দিকে সীমান্ত এলাকায় মাদক ও
চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়। এসময় সীমান্ত শূন্য লাইন থেকে আনুমানিক ৬ কিলোমিটার
বাংলাদেশের ভেতরে মিয়াবাজার ফুড প্যালেস সংলগ্ন এলাকায় ভারতীয় ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৮০০
পিস কিং কোবরা বাজি জব্দ করা হয়।
যার বর্তমান বাজার মূল্য ১ কোটি ১৯ লাখ ৫৬
হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লে.
কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ বলেন, ঈদকে সামনে রেখে দেশে অবৈধ অনেক মালামাল প্রবেশ করছে। আমরা সে বিষয়ে নজর
রাখছি। তারই অভিযানের ধারাবাহিকতায় ১ কোটি ১৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকার কিং কোবরা বাজি
আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হই। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা দেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (৭ অক্টোবর) সকালে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন দয়াপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ
তানজিল উরফে লাল মিয়া নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে
৪ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ তানজিল উরফে লাল মিয়া (৫২) কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানার ষাইটধার গ্রামের মৃত ইয়াসিন
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিনি কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ডিআর সরকারী
উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থীর জন্য নকল সরবরাহ করতে যাওয়ায় ৩ যুবককে
আটক করে ২ বছরের কারাদন্ডসহ অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মুরাদনগর উপজেলার
ভারপ্রাপ্ত নিবার্হী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন সুলতানা নিপা ভ্রাম্যমান
আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলো: মুরাদনগর উপজেলার
মুরাদনগর সদরের মঙ্গল মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া, ফরিদ উদ্দিনের ছেলে কাউছার ও আবদুল মালেক
মিয়ার ছেলে রিমন মিয়া।
জানা যায়, আজ রোববার এসএসসির গনিত বিষয়ের
পরীক্ষা চলাকালে ডি.আর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে সমাধান
শেষে নকলের কপি পরীক্ষা কেন্দ্রে দিতে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে আটক হয় ওই ৩ যুবক। তাদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ও নকলের কপি উদ্ধার
করে পাবলিক পরীক্ষা অপরাধ আইনে প্রত্যেককে ২ বছরের কারাদন্ড ও ১০০টাকা অর্থদন্ড প্রদান করে কুমিল্লা
কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ
ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা জানান, চলমান এসএসসি পরীক্ষাসহ সকল পাবলিক পরীক্ষা
নকলমুক্তভাবে গ্রহন করতে প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে। নকলমুক্ত শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। নকলের
বিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


এই মুহূর্তে কুমিল্লা গোমতী নদীর পানি বিপদসীমার ১১৩ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। (বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ ঘটিকায়)
আপনারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যান। আদর্শ সদর উপজেলার সকল স্কুল কলেজ মাদ্রাসা খোলা আছে। যেটা কাছে সেটাতে উঠে যান। গোমতী নদীর পাড় থেকে দয়া করে দর্শনার্থীগণ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। উপজেলা প্রশাসন আদর্শ সদর, কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংয়ের এক তরুণীর সঙ্গে কুমিল্লার
নাঙ্গলকোটের আরিম নামে এক তরুণের ৬ মাস আগে রং নাম্বারে পরিচয় হয় । তারপর ঢাকায় বিয়ে
করে।
এরপর স্ত্রীকে নিয়ে আরিফ কুমিল্লার
নাঙ্গলকোটে তার গ্রামের বাড়িতে আসলে পরিবার এ বিয়ে মানতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বাড়ি
থেকে বের হয়ে স্ত্রীকে রেলস্টেশনে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী আরিফ। স্ত্রীর দাবি নিয়ে
সেই তরুণী এখন অনশন করছে স্বামীর বাড়িতে।
প্রেমিক আরিফ (২১) কুমিল্লার নাঙ্গলকোট
উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের উরুকচাউল গ্রামের আবদুস ছাত্তারের ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণী জানান,
৬ মাস আগে রং নম্বরে তাদের দুজনের পরিচয় হয়। এরপর তাদের দেখা হয়। তারপর প্রেম। আরিফের
সঙ্গে তার বাড়িতে যান তিনি। কিন্তু আরিফের বাবা তাদের দুজনকে বের করে দেয়। এরপর প্রেমিক
তাকে নিয়ে রেলস্টেশনে যায়। সেখানে রেখে পালিয়ে যায় আরিফ। পরে স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে
অনশনে বসেছেন তিনি। স্ত্রীর অধিকার না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন।
আরিফের মা সেলিনা বেগম জানান, মেয়েটি
যদি বিয়ের প্রমাণ দেখাতে পারে তাহলে স্ত্রী হিসেবে মেনে নেবেন তারা।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী
বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
মন্তব্য করুন