

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১ টি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে তিনজনকে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে কুমিল্লার ১১ টি আসনের বিএনপির প্রার্থী দেওয়া হবে । কুমিল্লা- ৭ (চান্দিনা) রেদোয়ান আহমেদকে বিএনপি'র দলীয় প্রার্থী ঘোষণা ।
বিএনপি'র চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি'র কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা ৪ (দেবিদ্বার) সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা -৬ আসনে (আদর্শ সদর উপজেলা ,সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস) বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ।
বিএনপি'র চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি'র কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া দৈনিক আমার দেশ কে বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। আমি খুবই আনন্দিত। এই আসনটি আমি বিএনপি উপহার দেব। বাকি আসনগুলোতে আজকে দেওয়া হবে।
কুমিল্লা সদর আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমি ধানের শীষের বিজয় দলকে উপহার দেব।
কুমিল্লা সদর আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে। বুধবার এগারোটায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন তিনি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস 'সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৫' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
আজ রোববার
(২০ জুলাই)) সেনা সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন
তিনি।
প্রথম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাগণ পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
পদোন্নতি পর্ষদের বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা শুরুতেই স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনানীদের, যাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। এছাড়াও, তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে সকল আহত ও শহীদ সেনা সদস্যদের। একই সাথে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যূত্থানে শহীদ ও আহত সকল ছাত্র জনতাকে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস পদোন্নতির জন্য অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া সৎ, নীতিবান, পেশাদার এবং নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন অফিসারগণই উচ্চতর পদোন্নতির দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে যে সকল অফিসার সামরিক জীবনের বিভিন্ন স্তরে যোগ্য নেতৃত্ব প্রদানে সফল হয়েছেন সে সকল অফিসারকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচন করার নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা।
ড.
ইউনূস বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে সেনা সদস্যগণ বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব বেশ কিছু সময় ধরে পালন করে আসছেন। দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ত্যাগের জন্য তিনি সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি এবং চীফ অব জেনারেল স্টাফ।
নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনা প্রধান অধ্যাপক
ড. ইউনূসের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
এসময়
সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাগণের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
মন্তব্য করুন


মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত শেষে মাদকবিরোধী বক্তব্য দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
সোমবার মাউশির সহকারী পরিচালক তপন কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্কুল-কলেজসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী প্রচারণা জোরদার করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জাতীয় সংগীত শেষে নিয়মিত মাদকবিরোধী সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও অনুরোধ করা হলো।
এর আগে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা দেয়া হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, ঐক্যবিহীন সংস্কার কিংবা সংস্কারবিহীন নির্বাচন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে
পারবে না।
আজ শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর
কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’
শীর্ষক জাতীয় সংলাপে দেওয়া ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আপনারা এই সংলাপে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছেন; ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’।
সংস্কার বিষয়ে আমাদের মধ্যে ঐকমত্য প্রয়োজন। এই তিন লক্ষ্যের কোনোটিকে ছাড়া কোনোটি
সফল হতে পারবে না। ঐক্যবিহীন সংস্কার কিংবা সংস্কারবিহীন নির্বাচন বাংলাদেশকে এগিয়ে
নিতে পারবে না।
সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একই
সঙ্গে চলতে থাকবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, নির্বাচনের
প্রস্তুতির কাজ মূলত নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু সংস্কারের কাজে সকল নাগরিককে অংশগ্রহণ
করতে হবে। যারা ভোটার তারা তো অংশগ্রহণ করবেনই, তার সঙ্গে যারা ভবিষ্যতে ভোটার হবেন
তারাও সর্বাত্মকভাবে সংস্কারের কাজে নিজেদেরকে
নিয়োজিত করুন। সংস্কারের কাজটা নাগরিকদের
জন্য সহজ করতে আমরা ১৫টি সংস্কার কমিশন গঠন করে দিয়েছিলাম। তাদের প্রতিবেদন জানুয়ারি
মাসে পেয়ে যাব। প্রত্যেক সংস্কার কমিশনের দায়িত্ব হলো প্রধান বিকল্পগুলো চিহ্নিত
করে তার মধ্য থেকে একটি বিকল্পকে জাতির জন্য সুপারিশ করা। যার যার ক্ষেত্রে সংস্কারের
মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কীভাবে রচিত হবে তা বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে সুপারিশমালা তৈরি করে
দেওয়া, নাগরিকদের পক্ষে মতামত স্থির করা সহজ করে দেওয়া। কমিশনের প্রতিবেদনে সুপারিশ
করলেই আমাকে-আপনাকে তা মেনে নিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। এজন্য সর্বশেষ পর্যায়ে জাতীয়
ঐকমত্য গঠন কমিশন গঠন করা হয়েছে। যেমন একটা উদাহরণ দেই। কোন বয়সে একজন নাগরিক ভোটার
হতে পারবে তার জন্য নানা দেশে নানা বয়স নির্ধারণ করা আছে। নির্বাচন সংস্কার কমিশন
নিশ্চয়ই এরকম একটা বয়স সুপারিশ করবে। সে বয়স আমার পছন্দ হতেও পারে না-ও হতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ধরুন আমি
তরুণদের তাড়াতাড়ি ভোটার করার পক্ষে। যে যত তরুণ, পরিবর্তনের প্রতি তার আগ্রহ তত বেশি-এই
হলো আমার যুক্তি। তরুণরা সংখ্যায়ও বেশি। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা আগ্রহী। নিজের ভবিষ্যৎ
নিয়ে তার মতামত নেওয়ার জন্য আমি মনে করি ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারিত হওয়া উচিত।
নির্বাচন সংস্কার কমিশন কী সুপারিশ করবেন তা আমার জানা নেই। কিন্তু দেশের বেশিরভাগ
মানুষ যদি কমিশনের সুপারিশ করা বয়স পছন্দ করে, ঐকমত্যে পৌঁছার জন্য আমি তা মেনে নেব।
সবকটা কমিশন মিলে আমাদের সামনে বহু সুপারিশ তুলে ধরবে। আমরা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছি
যে যার যাই মতামত হোক না কেন আমরা দ্রুত একটা ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত করে সংস্কারের কাজগুলো
করে ফেলতে চাই। নির্বাচনের পথে যেন এগিয়ে যেতে পারি সেই ব্যবস্থা করতে চাই।
মন্তব্য করুন


সাভারে
পরিত্যক্ত ‘সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টার’ থেকে আবারও উদ্ধার হলো আগুনে পোড়া
দুইটি পোড়া মরদেহ।
রবিবার
(১৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোড মহল্লায় অবস্থিত ওই পরিত্যক্ত কমিউনিটি
সেন্টারের টয়লেটের ভেতরে মরদেহ দুটি দেখতে পান স্থানীয়রা।
পুলিশের
প্রাথমিক ধারণা, নিহতদের একজন নারী এবং অপরজন ছেলে শিশু হতে পারে। তবে মরদেহ দুটি পুড়ে
যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, সাভার কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রসাব করার জন্য কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে
প্রবেশ করলে পোড়া মরদেহ দেখতে পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সাভার
মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।
সাভার
মডেল থানার ওসি (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
এর
আগেও একই কমিউনিটি সেন্টার থেকে একাধিক অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার হলেও এখনো কোনো ঘটনার রহস্য
উদঘাটন হয়নি, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় ৫০০ টাকা বাজি ধরে ঠান্ডা পানিতে একটানা ১১২ বার ডুব দেওয়ার পর বাবুল মোল্লা (৪০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের পালট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে কাচারিবাড়ি বাজারে কয়েকজনের সঙ্গে ৫০০ টাকা বাজি ধরে বাবুল মোল্লা ঠান্ডা পানিতে বারবার ডুব দেন। ডুব দেওয়া শেষে হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে রাজাপুর মেডিকেলে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেল বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ঠান্ডা পানিতে অতিরিক্তবার ডুব দেওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানা গেছে এবং ঘটনার বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


যৌতুকের
টাকা না পাওয়ায় ৪০ জন বরযাত্রী নিয়ে খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আসর থেকে বর নিয়ে চলে যাওয়ার
অভিযোগ উঠেছে। বিয়ের বর ছিলেন, নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের বামনগাঁও
গ্রামের মো. শরীফ মিয়ার ছেলে মো: হাসেন মিয়া (২৫)।
এ
ঘটনায় আজ (১/১২/২৩) দুপুরে ভুক্তভোগী কনের বাবা বাদী হয়ে বর ও বরের বাবাসহ ৩ জনকে অভিযুক্ত
করে কলমাকান্দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১/১২/২৩) বিকেলে নেত্রকোনার
কলমাকান্দায় রংছাতি ইউনিয়নের বটতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ
ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ১ সপ্তাহ আগে বামনগাঁও গ্রামের মো: হাসেন মিয়ার বিয়ে ঠিক
হয় পার্শ্ববর্তী রংছাতি ইউনিয়নের বটতলা গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে। বিয়ে ঠিক হওয়ার সময়
কনের বাবা বিয়ের খরচ বাবদ বরের পরিবারকে ৪০ হাজার টাকা দেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে
এ বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বর তার আত্মীয়-স্বজনসহ ৪০ জন বরযাত্রী নিয়ে আসেন। খাওয়া-দাওয়া
শেষে বিয়ের কার্যক্রম শুরু হলে বরের পক্ষ থেকে আরো ৭০ হাজার টাকা যৌতুক চাওয়া হয়। কনের
পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে রাজি না হলে বিয়ের আসর থেকে বরের লোকজন বরকে নিয়ে চলে যান।
এ
বিয়ে উপলক্ষে দুই লাখ টাকা খাওয়া-দাওয়া ও ডেকোরেশন বাবদ খরচ হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ
করেন কনের বাবা।
কলমাকান্দা থানার ওসি আবুল
কালাম গণমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার দুপুরে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ভারী বৃষ্টিপাতজনিত ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসে বিপর্যস্ত বৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে দেশটির হাজার হাজার ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে এবং বহু রাস্তাঘাট নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ও যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে সরকার এক বিরল পদক্ষেপ নিয়েছে—বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত হাতিকে কাজে লাগানো হচ্ছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য। ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ও হাতির ব্যবহার মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আচেহ প্রদেশে এক অভিনব দৃশ্য দেখা যায়। স্থানীয় বেসরকারি সংবাদমাধ্যম কমপাস টেলিভিশন জানিয়েছে, আচেহ-এর প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা (বিকেএসডিএ) বন্যায় রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়া অঞ্চলে চারটি হাতি পাঠিয়েছে। এই এলাকাগুলোতে ভয়াবহ বন্যায় বড় বড় গাছের গুঁড়ি এবং ধ্বংসস্তূপ জমে রাস্তা পুরোপুরি অচল হয়ে আছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাদা ও ধ্বংসস্তূপের কারণে ভারী যন্ত্রাংশ নিয়ে ওই অঞ্চলে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণেই বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাতিদের ব্যবহার করা হচ্ছে গাছের গুঁড়ি ও ধ্বংসাবশেষ টেনে সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় সচল করার জন্য। বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) জানিয়েছে, দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ভয়াবহ বন্যায় প্রায় ৩২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া এই দুর্যোগের ফলে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পড়েছেন। সংস্থাটি আরও জানায়, বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় এই বাস্তুহারাদের উত্তর ও পশ্চিম সুমাত্রাসহ আচেহ অঞ্চলের নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এদিকে, ইন্দোনেশিয়ার এই চরম দুর্যোগের সময় প্রতিবেশী দেশ চীন সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে। দেশটি ইন্দোনেশিয়ায় জরুরি মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, এই প্রজন্মই দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের
রক্ষাকবচ।
তিনি
তার ভেরিফাইড ফেসবুকে ‘কয়েকটি কথা’শিরোনামে
আজ (৯ মে) একটি পোস্টে এই কথা বলেছেন।
তিনি
সেখানে লিখেছেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা বারবার লীগ নিষিদ্ধের আইনি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে
ছাত্ররা রাজি ছিল না, এটা বলে বেড়াচ্ছেন। মিথ্যা কথা। ক্যাবিনেটে প্রথম মিটিং ছিল আমার।
আমি স্পষ্টভাবে এই আইনের অনেকগুলো ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম। নাহিদ-আসিফও আমার পক্ষে
ছিল স্বভাবতই। দল হিসেবে বিচারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলে একজন উপদেষ্টার জবাব ছিল
ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের মত পশ্চাৎপদ উদাহরণ আমরা আমলে নিতে পারি কি-না। এই যুক্তি যিনি
দিয়েছিলেন, একটি দলের এক্টিভিস্টরা আজ সমানে তার পক্ষে স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রদের
কুপোকাত করতে। অথচ, উনার সাথে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। মিছে বিরোধ লাগানোর অপচেষ্টা
করে কোনো লাভ নেই।
বলে
রাখা ভালো, দু’জন আইন ব্যাকগ্রাউন্ডের
উপদেষ্টা (একজন ইতোমধ্যে মারা গিয়েছেন) ও আমাদের বক্তব্যের পক্ষে ছিলেন। সংস্কৃতি উপদেষ্টাও
পক্ষে ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে কথা হয়েছে। দল হিসেবে লীগের বিচারের প্রভিশন
অচিরেই যুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন উক্ত উপদেষ্টা। উনাকে ধন্যবাদ।
মিথ্যা
বলা বন্ধ করুন। ঘোষণাপত্র নিয়ে আপনাদের দুই মাস টালবাহানা নিয়ে আমরা বলব। ছাত্রদের
দল ঘোষণার প্রাক্কালে আপনারা দলীয় বয়ানের একটি ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনা শুরু করেছিলেন।
সমস্যা নেই, আমরাও চাই সবাই স্বীকৃত হোক। কিন্তু, এখন সেটাও হতে দিবেন না। দোষ আমাদেরও
কম না। আমরা আপনাদের দলীয় প্রধানের আশ্বাসে আস্থা রেখেছিলাম।
পুনশ্চ:
আমরা নির্বাচন পেছাতে চাইনা। ডিসেম্বর টু জুনের মধ্যে নির্বাচন হবেই।
আপনারা
যদি মনে করেন, ছাত্ররা নিজেদের আদর্শ ও পরিকল্পনা নিতে পারে না বরং এখান থেকে ওখান
থেকে অহি আসলে আমরা কিছু করি। তাহলে আপনারা হয় ছাত্রদের খাটো করে দেখছেন, নয়তো ছাত্রদের
ডিলেজিটিমাইজ করার পরিকল্পনায় আছেন। সেই আগস্ট থেকেই আমরা জাতির জন্য যা ভালো মনে করেছি,
সবার পরামর্শ নিয়েই করেছি। বরং, উক্ত দলকেই আমরা বেশি ভরসা করেছি। সবার আগে উনাদের
সাথেই পরামর্শ করেছি। ভরসার বিনিময়ে পেয়েছি অশ্বডিম্ব। সব দোষ এখন ছাত্র উপদেষ্টা নন্দঘোষ!
আমরা
উক্ত দলকে বিশ্বাস করতে চাই। উক্ত দলের প্রধানকে বিশ্বাস করতে চাই। উনি আমাদের বিশ্বাসের
মূল্য দিয়ে লীগ নিষিদ্ধ প্রশ্নে ও ঘোষণাপত্র প্রকাশে দেশপ্রেমিক ও প্রাগমাটিক ভূমিকা
রাখবেন বলেই আস্থা রাখি। উক্ত দলকে নিয়ে কে কি বলবে জানি না কিন্তু আমরা চাই উক্ত দল
ছাত্রদের সাথে নিয়ে দেশের পক্ষে, অভ্যুত্থানের শত্রুদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐকমত্যের
নেতৃত্ব দিক। দেশপ্রেমিক ও সার্বভৌমত্বের পক্ষের শক্তি হিসাবে নেতৃত্ব দিলে ছাত্ররা
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় উনাদের সাথে চলবেন।
ঐক্যবদ্ধ
হোন। নেতৃত্ব দিন। এই প্রজন্মকে হতাশ করবেন না।‘এই
প্রজন্ম দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ।’
মাহফুজ
আলম ২০২৪ এর জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
সংগঠক ছিলেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটির একজন সমন্বয়ক ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলন থেকে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মাহফুজ আলম।
মন্তব্য করুন


দেশজুড়ে বিরাজমান শীতল পরিস্থিতি আগামী শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। এ বিষয়ে তিনি সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিশ্লেষণমূলক পোস্ট প্রকাশ করেন।পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সোমবার রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি আগামী চার দিন সারাদেশে একই ধরনের কুয়াশা ও ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে তিনি ধারণা দেন।পলাশ জানান, সোমবার দুপুর ২টায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পাওয়া কুয়াশার চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দেশের ৬১টি জেলার আকাশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার উপস্থিতি রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণাংশ, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকায় তুলনামূলকভাবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা লক্ষ্য করা গেছে। অধিকাংশ জেলায় দুপুর ৩টার আগে সূর্যের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম এবং অনেক জায়গায় সারাদিন সূর্য আড়ালেই থাকতে পারে। এছাড়া মঙ্গলবার দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এ অবস্থায় নৌযান চলাচলে বিশেষ সতর্কতার আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের নদ-নদীর ওপর মাঝারি থেকে অত্যন্ত ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ফলে সব ধরনের নৌযানকে ধীরগতিতে এবং বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা ও মেঘনা নদীর ওপর কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।এছাড়া সন্ধ্যা ৭টার পর রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানান তিনি। এসব অঞ্চলের সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে পঞ্চগড়–রংপুর–বগুড়া–সিরাজগঞ্জ–টাঙ্গাইল–ঢাকা মহাসড়কে কুয়াশার প্রভাব বেশি পড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও রোগমুক্তি কামনায় কুমিল্লায় মানবিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত রয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কুমিল্লার বিভিন্ন এতিমখানায় পশু সদকা প্রদান করা হয়েছে এবং দোয়া, কুরআন খতম ও খাবার বিতরণ চলছে ধারাবাহিকভাবে।
বুধবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হয় এ কর্মসূচির ৭ম দিনের আয়োজন। কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে বিভিন্ন এতিমখানার প্রধানদের হাতে সদকার পশু—খাসি ও ছাগল—তুলে দেওয়া হয়। এ উদ্যোগের পৃষ্ঠপোষক বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলার সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, শহীদুল্লাহ রতন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ূম, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব চৌধুরী, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদুল কবির সাজ্জাদ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর ছাত্রদল নেতা রবিন খান। এছাড়াও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন এতিমখানার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে কুমিল্লার ১৬টি মাদ্রাসায় সদকা বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সদকা প্রদান শেষে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন কান্দিরপাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ক্বারী মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। তিনি দোয়ার মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
এছাড়া ধারাবাহিক এ দোয়ার ৭ম দিনেও নগরীর কান্দিরপাড় দলীয় কার্যালয়ে দিনব্যাপী কুরআন খতম ও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদ্রাসার এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
নেত্রীর জন্য ধারাবাহিক আয়োজনে হাজী ইয়াছিনের প্রশংসা করে বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি শুধু ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি—বরং নিজে সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে এ আয়োজনগুলো বাস্তবায়ন করছেন। সাধারণ মানুষ, এতিম শিশু, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী—সবাইকে এ মানবিক উদ্যোগে যুক্ত করেছেন।
দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশব্যাপী মানুষের ভালোবাসা ও প্রার্থনা বেগম খালেদা জিয়ার পাশে রয়েছে। কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে সাধারণ মানুষ—সবাই তার সুস্থতা কামনা করছে।
এই কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় আয়োজক পক্ষ থেকে জানানো হয়—আগামীতেও কুমিল্লার বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিমখানা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সদকা বিতরণ অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় দোয়া ও প্রার্থনা আয়োজন চলবে নিয়মিত।
ছবিঃ কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনায় বিভিন্ন এতিমখানায় পশু সদকা প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন