

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা কর্তৃক ১২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র)/ অরুন কুমার চাকমা এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন চকবাজার কাশারীপট্রি চৌরাস্তার রঘুপুরের মিষ্টি ঘরের সামনে রাস্তার উপর তল্লাশি করে ১২ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী ১. মোঃ আরিফ (৩৮), পিতা -মোঃ হারুন মিয়া, স্থায়ী: (বাউবন মুহুরী বাড়ী, ২৬ নং ওয়ার্ড) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, জেলা –কুমিল্লা। ২. শরীফ(৩০), পিতা-রমজান আলী, স্থায়ী: গ্রাম- কাশারিপট্টি (জনের ভাগিনা, ১৫নং ওয়ার্ড) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা কে গ্রেফতার করা হয়।
এ সংক্রান্তের উক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার, এফআইআর নং-২০, তারিখ-০৭ নভেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৬(১) সারণির ১৯(খ); তে মামলা অজু করা হয়েছে। এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি ও পরবর্তীতে রাজসাক্ষী হওয় সাবেক আইজিপি চৌধুরী “ আব্দুল্লাহ আল-মামুন”- কে ৫ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি “গোলাম মর্তুজা মজুমদারের” নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় দেন। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায়ে ৬ টি অংশ রয়েছে। শুরুতে রায়ের অংশ পড়েন ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার। ট্রাইব্যুনালের বাকি ২ সদস্য বিচারপতি “মো. শফিউল আলম মাহমুদ” ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীও রায়ের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনান। রায়ে পলাতক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ভোটের ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়েছে।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাড়ে ৪টায় সিনেট ভবনে এ ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে জাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ওইদিন রাত সোয়া ১০টা থেকে ভোট গণনা শুরু হলেও তা এখনো চলমান। এবার মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৬৭-৬৮ শতাংশ।
জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৩ জন। ছাত্রদের হলের মধ্যে আল বেরুনী হলে ভোটার ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হলে ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হলে ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হলে ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হলে ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র হলে ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হলে ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র হলে ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল হলে ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হলে ৯৪৭ জন ভোটার রয়েছেন।
ছাত্রীদের হলের মধ্যে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলে ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম হলে ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা হলে ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া হলে ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল হলে ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর ছাত্রী হলে ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে ৫৭১ জন, রোকেয়া হলে ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছা হলে ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হলে ৯৮৩ জন ভোটার রয়েছেন।
এবার প্রায় ৬৭-৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। কেন্দ্রীয় সংসদে মোট ২৫টি পদে লড়েছেন ১৭৭ জন প্রার্থী। ভিপি পদে ৯ ও জিএস পদে আটজন প্রার্থী ছিলেন। ছাত্রীদের ১০টি আবাসিক হলে ১৫০টি পদের মধ্যে ৫৯টিতে কোনো প্রার্থী ছিলেন না। একজন করে প্রার্থী ছিলেন ৬৭টি পদে। সে হিসাবে মাত্র ২৪টি পদে ভোট নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলের মধ্য দুটি হলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।
মন্তব্য করুন


শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিগুলো পূরণ করা
হবে। তবে আইন ভেঙে অসন্তোষ সৃষ্টি করলে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন, শ্রম ও
কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) শ্রমিক কল্যাণ
তহবিলে গ্রামীণফোনের লভ্যাংশের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শ্রমিকদের কল্যাণে দেশের বিভিন্ন শিল্প
গ্রুপকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, যারা শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে
লভ্যাংশের নির্ধারিত অংশ দিচ্ছেন না, তাদেরও এর আওতাভুক্ত করা হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার
ভিত্তিতে তহবিল থেকে শ্রমিকদের সহায়তা দেওয়া হবে। শ্রমিকদের দাবি অনুসারে তাদের সব
সমস্যার সমাধানও করা হবে বলে জানান তিনি।
উপদেষ্টা আরও বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য
দাবি পূরণ করা হবে। তবে যেসব শ্রমিক আইন ভেঙে অসন্তোষ সৃষ্টি করবে, তাদের আইনের আওতায়
আনা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
গ্রামীণফোন লিমিটেড তাদের গত এক বছরের
লভ্যাংশের দশমিক ৫ শতাংশ হিসেবে শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ২৪ কোটি ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার ৪৪২
টাকা প্রদান করেছে। এখন পর্যন্ত এ তহবিলে ২৭৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা দিল গ্রামীণফোন লিমিটেড।
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৪৪০টি কোম্পানি
লভ্যাংশের নির্ধারিত অংশ নিয়মিত দিয়ে থাকে। শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে এখন পর্যন্ত জমা
রয়েছে ১ হাজার ২৬ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল (২৬ নভেম্বর) রবিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আর এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে।
ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়াও পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পিছিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক স্থানে পুকুরে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৪ জুন) এ ঘটনা ঘটে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
জানা যায়, শুভপুর ইউনিয়নের উনকোট গ্রামে দেড় বছর বয়সী মোহাম্মদ আবদুল্লাহ গতকাল সোমবার দুপুরে পুকুরপাড়ে খেলার সময় পুকুরে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর পুকুরে ভাসতে দেখে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এ ছাড়া সকালে চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার পশ্চিম চান্দিশকরায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে মারা গেছে দেড় বছর বয়সী আতিফা আবেদীন ইশরা।
অন্যদিকে চিওড়া ইউনিয়নের চাপিরতলা গ্রামে নানার বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে সাইফুল ইসলাম নীরব নামে ৮ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
নিহত শিশুরা হলো: শুভপুর ইউনিয়নের উনকোট গ্রামের মো. ফারুকের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বৈলপুর গ্রামের শিক্ষক শিপন আবেদীনের মেয়ে আতিফা আবেদীন ইশরা ও চিওড়া ইউনিয়নের ছোট সাতবাড়িয়া গ্রামের আবদুল কাদির সুফলের ছেলে সাইফুল ইসলাম নীরব।
ইদানীং পানিতে ডুবে অনেক শিশু মারা যাচ্ছে। এ মৃত্যু কমাতে ছোট শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের বেশি খেয়াল রাখা উচিত বলে জানান চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাঈদ আল মানসুর।
মন্তব্য করুন


বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থাকা ‘মুফতি’ কাভি এবার আরও চমকপ্রদ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর একসময় তার স্ত্রী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছিল।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে কাভি ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে নানা দাবি করেন। সেখানে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে কারিনা কাপুরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ হয় এবং ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সে সময় করিনার বয়স ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
কাভির বক্তব্য অনুযায়ী, শরিয়ত অনুযায়ী মুসলমানদের হিন্দু নারীদের বিয়ে করার সুযোগ রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী তিনি কারিনা কাপুরকে নিকাহ করেছিলেন। তিনি বলেন, “কারিনা কাপুর আমার স্ত্রী ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের ভাবি ছিলেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, ‘সেঠ শাহিদ’ নামটি কারিনাকে প্রভাবিত করেছিল এবং সে সময় তিনি বড় তারকা না হওয়ায় তাদের নিকাহ সম্ভব হয়েছিল।
মুফতি কাভির আরও বক্তব্য, কারিনা কাপুর ও সাইফ আলী খানের বিয়ের সময় ভারতের কিছু আলেম ওই বিয়েকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে তিনি নিজে সেটিকে হালাল বলে ফতোয়া দেন। এর পেছনে কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন—কারিনা তার নিকাহে ছিলেন বলেই তিনি প্রকাশ্যে ওই বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেন।
পডকাস্টে কাভি আরও বলেন, এখনো যদি অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পক্ষ থেকে নিকাহের প্রস্তাব আসে, তবে তিনি প্রস্তুত।
তবে কারিনা কাপুরকে স্ত্রী দাবি করলেও, তাদের মধ্যে কখন ও কীভাবে তালাক হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি কাভি।
মন্তব্য করুন




বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে পুলিশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৭ মার্চ) মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে খুব বেশি সময় নেই। আমরা ইতোমধ্যে সাত মাস পার করে এসেছি। আমরা বলছি, ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। কাজেই কী কী সংস্কার করতে চাই করে ফেলতে হবে।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনারাও সংস্কারের কথা বলেছেন। কারও জন্য অপেক্ষা করে কোনো ফায়দা হবে না। কাজটা করতে হবে এবং সেটা আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, দেশ বদলাতে হলে একক নির্দেশে নয়, বরং সবাইকে নিয়ে এক একটি টিম হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম হলো পুলিশ। সরকার যা কিছুই করতে চায়, শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাত দিয়েই করতে হয়। তারা সব করে দেয় না, তারা পরিবশেটা সৃষ্টি করে। যে পরিবেশটা না থাকলে কোনো কাজই আর হয় না। পুলিশের কথা প্রসঙ্গে বারবার আমরা দুটো শব্দ বলছি- আইনশৃঙ্খলা। পুলিশের হাতেই এটাকে এক্সিকিউট করতে হবে। এই পরিবেশ সৃষ্টি করা না গেলে সরকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, মানুষের অধিকার, নাগরিকের অধিকার- কিছুই থাকে না। আমরা পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়তে পারব না। তারাই সম্মুখসারির মানুষ। তারা ক্ষেত্র প্রস্তুত করলেই বাকি জিনিসগুলো হয়। আইনশৃঙ্খলা না থাকলে যত বড় বড় চিন্তাই হোক, যত টাকাই থাকুক, কোনো কাজে আসবে না।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, পুলিশ হবে বন্ধু। কারণ, আমি আইনের পক্ষের মানুষ। আমি আইন প্রতিষ্ঠা করার মানুষ। আইন হলো আমাদের সবার আশ্রয়। পুলিশ হলো আশ্রয়দাতা। আমরা এই ইমেজটা যদি প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, মানুষ অতীতের সব কথা ভুলে যাবে।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ ও রাজশাহী পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম। এ সময় আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করেছেন।
একই সঙ্গে ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম ও ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ডও অবমুক্ত করেন তিনি।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এগুলো অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান ও ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস.এম. শাহাবুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম প্রধান উপদেষ্টাকে একটি স্মারক ডাক বাক্স ও ‘ন্যাচারাল বিউটি অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ’শীর্ষক একট বই উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


মহান
মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান
এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকারের (এ কে খন্দকার) নামাজে জানাজায় অংশ নিয়েছেন
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
রবিবার ( ২১ ডিসেম্বর ) রাজধানীর বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারে এ কে খন্দকারের জানাজা
অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে খন্দকারের ফিউনারেল
প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায়
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাগণ ছাড়াও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চপদস্থ
সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন।
জানাজা
শেষে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মরহুম এ কে খন্দকারের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ
করে শ্রদ্ধা জানান। এরপর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস কফিনে পুষ্পস্তবক
অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল
হাসান মাহমুদ খাঁন একে একে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বিমানবাহিনীর একটি ফ্লাই পাস্টের
মাধ্যমে মরহুম এ কে খন্দকারের প্রতি সম্মান জানানো হয়।
জানাজার
আগে এ কে খন্দকারের পূত্র জাফরুল করিম খন্দকার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
মুক্তিযুদ্ধের
অন্যতম বীর সেনানী এ কে খন্দকার গতকাল শনিবার সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।
তিনি
ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর-উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিবাহিনীর
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এবং সাবেক মন্ত্রী।
১৯৭১
সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা
অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এ কে খন্দকার। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তাঁর কৌশলগত
সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরও সুসংহত করে।
মন্তব্য করুন