

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা ৬ (সদর, সদর দক্ষিণ ও ক্যন্টনম্যান্ট) সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী সমর্থনে রাষ্ট্র কাঠামো বিনির্মাণে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেছে বিএনপি নেতা কর্মীরা। সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা মহানগর ও দক্ষিণ জেলার বিএনপির আয়োজনে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালিত হয়। লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি নগরীর টমছমব্রীজ থেকে শুরু করে সালাউদ্দিন মোড় হয়ে কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
মহানগর বিএনপি নেতা সোহেল মজুমদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কুমিলা মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সংগঠক ড. শাহ মোহাম্মদ সেলিম, কৃষক দলের সভাপতি মোস্তফা জামান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হক ভুঁইয়া স্বপন, মহানগর বিএনপির সিনিয়ার যুগ্ন আহবায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়সালুর রহমান পাভেল, সাবেক প্যানেল মেয়র আব্দুস সালাম মাসুক, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মাহবুব, খলিলুর রহমান, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আকতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, বিএনপি নেতা জাফর ইকবাল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ খোকা প্রমুখ। এসময় মহানগর ও দক্ষিণ জেলার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন কুমিল্লা ৬ আসনের জন্য মনিরুল হক চৌধুরীকে মনোনীত করায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা কুমিল্লা মহানগর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ মনিরুল হক চৌধুরীর তথা ধানের শীষের প্রার্থীর জয়ের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ। তারা বলেন, কোন ষড়যন্ত্রই ধানের শীষের বিজয় আটকাতে পারবেনা। আগামী ফেব্রুয়ারী নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে ধানের শীষের প্রার্থীকে আমরা বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ।
মন্তব্য করুন


পূর্ণমন্ত্রী
হিসেবে শপথ নিলেন ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া ২৫ জন। আজ মঙ্গলবার
(১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটে তারা শপথ নেন। তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন।
পূর্ণ
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু
মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এ
জে ড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আওয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল
হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী,
জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী
এ্যানী, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দিপন দেওয়ান, আ
ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, শেখ রবিউল আলম, নিতাই রায় চৌধুরী,
ফকির মাববুব আনাম।
এর
আগে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শপথগ্রহণ
অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশীয় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ বিপুলসংখ্যক দেশি ও বিদেশি অতিথি
অংশগ্রহণ করেছেন। এবার বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী
ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এর
আগে সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার
(সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে তার ভেরিফাইড ফেসবুক
পেজে গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি
স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে
তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়া সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন।
তার রোগমুক্তির জন্য দল–মত–নির্বিশেষে দেশের সব শ্রেণির মানুষ
আন্তরিকভাবে দোয়া করছেন। একইসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা তার সুস্থতার জন্য দোয়ার পাশাপাশি
চিকিৎসায় সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তারেক
রহমান লেখেন, দেশি–বিদেশি চিকিৎসক দল পেশাদারিত্বের পাশাপাশি
সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। বন্ধুপ্রতীম বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকেও উন্নত
চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আগ্রহ জানানো হয়েছে। সবার দোয়া ও ভালোবাসার
জন্য জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার দ্রুত
আরোগ্যের জন্য দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।
স্ট্যাটাসে
নিজের অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ
পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো
এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন
নয়।’
পরিস্থিতি
অনুকূলে এলেই দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হবে বলে
আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।
রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে
আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা পছন্দের প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত।
২১ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে থেকে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার এপিএস এম এ মতিন খান পেয়েছেন তালা প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।
কুমিল্লা ৭ চান্দিনা আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চান্দিনা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আতিকুল আলম পেয়েছেন কলস মার্কা। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এলডিপির সাবেক মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ।
কুমিল্লা ৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম।
কুমিল্লার ১১টি আসনে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করছেন ৮০ জন প্রার্থী। ৮০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭৬ জন তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এর মধ্যে তিনজন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এবং একজন হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, কুমিল্লার ১১টি আসনে ২৫টি দলের ৭৬ জন প্রার্থী এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। একজন প্রার্থী হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসেছেন, এটা যাচাই-বাছাই করছি।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষ্যে কোনো ধরনের
নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রার জন্য সব ধরনের প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।
আজ
বুধবার (৪ জুন) রাজধানীর উত্তর শাহজাহানপুর গবাদিপশুর হাট পরিদর্শনের পর তিনি সাংবাদিকদের
বলেন, ঈদের সময় কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।
রাজধানীর
কমলাপুর রেলস্টেশন ও উত্তর শাহজাহানপুর পশুর হাট পরিদর্শনের পর মহাখালী বাস টার্মিনাল
পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও অবাধ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি
নেওয়া হয়েছে।
মহাখালী
বাস স্ট্যান্ডে তিনি বলেন, ‘পরিবহণ খাতের মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠকে ঈদযাত্রাকে
নিরাপদ ও আরামদায়ক করার জন্য ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী সদস্যরা পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মিলে সড়ক ও মহাসড়কে জোরদার পাহারা দেবেন যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত
হয় এবং ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের কোনো ঘটনা না ঘটে।
তিনি
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন, যারা মটরসাইকেলে তিনজন যাত্রী বহন
করবে বা হেলমেট পরবে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম আরো বলেন, বাসগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা অতিরিক্ত যাত্রী
পরিবহন কোনোটাই ছাড় দেয়া হবে না। মালিক-শ্রমিকরাও এই নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়নে সহযোগিতা
করবেন। অন্যথায় নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের এই তথ্য জানানো
হয়েছে।
দুপুরে
তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে বুধবার
(১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন আসিফ
মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম।
জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা
ছিলেন আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম। আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাহফুজ
আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে।
সোমবার (১২ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে
আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা
নাহিদ ইসলাম বলেন, আজকের বৈঠকে মৌলিকভাবে এই বিভাগের বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আমরা বলতে চাই, সাইবার সিকিউরিটি আইনের
যে ধারাগুলো নিয়ে সমালোচনা রয়েছে সেগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে। এ সময় তিনি বলেন, কোটা
সংস্কার আন্দোলনের সময়ে যেসব স্টার্টআপ শিক্ষার্থীদের পক্ষ নেওয়ায় বিরূপ আচরণের শিকার
হয়েছে, তাদের বিনিয়োগ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা হবে। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন শিক্ষামূলক
প্রতিষ্ঠান ‘টেন মিনিট স্কুল’-এর
জন্য পাঁচ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব গত ১৬ জুলাই বাতিল করে আইসিটি বিভাগের আওতাধীন
সরকারি সংস্থা স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড। টেন মিনিট স্কুলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও
আয়মান সাদিক সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের পক্ষ নিয়ে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন।
এর পরই বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল করা হয়।
এদিকে আন্দোলনকালে ইন্টারনেট শাটডাউন
নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে রবিবারে। কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার
কথা।
এর পেছনে যদি সাবেক প্রতিমন্ত্রী বা
কোনো সংস্থাপ্রধান জড়িত থাকেন, তাহলে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে কি না—তা জানতে চাওয়া হলে নাহিদ ইসলাম বলেন,
অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আজকের মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন আসবে। এরপর যদি মূল্যায়ন
করে আরও তদন্ত প্রয়োজন হয়, সেটি করা হবে। এতে যদি সরকারের কোনো লোক, সংস্থা বা মন্ত্রী
কেউ জড়িত থাকেন, অবশ্যই বিচার করা হবে। ইন্টারনেটে অবাধে তথ্যপ্রবাহ হয়, এটি মানবাধিকার।
কিন্তু এই ইন্টারনেট বন্ধ করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে, শত শত মানুষকে মেরে ফেলা
হয়েছে। এ বিভাগের প্রকল্পে দুর্নীতি ও অবহেলার সুযোগ নেই।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
নির্বাচনকে সকলের জন্য অংশগ্রহণমূলক, শঙ্কামুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র
বাহিনীকে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব
পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায়
তিনি এ নিদের্শনা প্রদান করেন।
আন্ত:বাহিনী
জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান
উপদেষ্টা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাঁকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে: জেনারেল এস এম
কামরুল হাসান অভ্যর্থনা জানান।
সভার
শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল
ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সাথে দেশের
আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন। সভায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়।
মতবিনিময়
সভায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ
এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
নির্বাচনে সততা পালিয়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি সততা ধরে রাখতে। আপনার ভোট বড় আমানত।
সেটা আমাকে দেবেন। কারণ আমি আপনাদের চেনা লোক।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে সালন্দর ইউনিয়নের
কালীতলা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে একথা বলেন তিনি।
মহাসচিব বলেন, আমরা ভিক্ষা আর দয়ায় বাঁচতে চাই না,
কাজ করে বাঁচতে চাই। সেজন্য প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
আমাদের ছেলেগুলো শুধু পড়াশোনা করে এমএ-বিএ পাস করতে
চায়, কিন্তু পাস করে চাকরি মেলে না। প্রশিক্ষণ নিয়ে বাইরের দেশে গিয়ে ভালো আয় করা সম্ভব।
ছাত্রদের ওইদিকে মনোযোগী করতে হবে। সঠিক পথে যেতে হবে। এতে আমাদের উন্নতি হবে।
তিনি আরও বলেন, ১৫ বছর এসব কথা আমরা বলতে পারি নাই।
আমাদের শুধু পিটিয়েছে আর মামলা দিয়েছে৷ এখন আমরা কাজ করতে চাই। আপনারা সংগঠন গড়ে তুলবেন।
সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করতে চাই।
সবজি রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা হবে। নারীদের কুটির
শিল্পে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁও আমার জন্মস্থান। আমার
বাবা, আমি ও আমার ছোট ভাই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আওয়ামী লীগের আমলে ছোট ভাই চেয়ারম্যান
থাকা সত্বেও তাকে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয় নাই। আমরা কাজ করতে পারি নাই। সরকার চলে যাওয়ায়
পর আমরা শহরের রাস্তার কাজগুলো নিয়ে এসেছি। আপনারা অতীতে ভোট দিয়েছেন এবারও দেবেন।
আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। বাপের জমিজমা বিক্রি করে রাজনীতি করি। বাপের জমিজমা
যা ছিল অর্ধেক শেষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন, আপনারা আমাকে সুযোগ করে দেবেন। এসময় দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা-১০
(লালমাই–নাঙ্গলকোট) সংসদীয় আসনে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম
ভূইয়া এলাকাবাসীর জন্য ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ নিয়েছেন। চাঁদাবাজি ও অনিয়ম
দূর করতে তিনি স্থাপন করেছেন ‘অভিযোগ বক্স’।
গত সোমবার নাঙ্গলকোট
উপজেলার লোটাস চত্বর (বটতলা) এলাকায় তিনি এই ‘অভিযোগ বক্স’ স্থাপন করেন। যেখানে এলাকার
নাগরিকরা নির্ভয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে পারবেন।
অভিযোগ বক্সে
লেখা রয়েছে, ‘বিএনপি’র কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজি বা অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকলে,
দয়া করে নির্ভয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দিন।’ নিবেদক- মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, এমপি।
এ উদ্যোগকে
ঘিরে কুমিল্লা ও আশপাশের এলাকায় এরই মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ
মনে করছেন, এটি চাঁদাবাজি, হয়রানি ও অন্যান্য অনৈতিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা
রাখবে। তারা আরও আশা করছেন, অভিযোগগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করা হলে এলাকায় শান্তি ও
নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।
স্থানীয়দের
মতে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এই পদক্ষেপ জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা
এবং স্বচ্ছ রাজনীতির প্রতি অঙ্গীকারকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন,
সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে এ উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং চাঁদাবাজি বা অনিয়মের
মতো সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন