

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিনহাদুল হাসান রাফিকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ।
আজ শুক্রবার ( ১ আগস্ট) ভোর রাতে ফেনী জেলা থেকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মিনহাদুল হাসান রাফি গতকাল কলকাতা থেকে গোপনে কুমিল্লা এসেছিলেন। এ খবর পেয়ে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী চারটি মামলা রয়েছে।
কুমিল্লা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোঃ আব্দুল্লাহ তার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাফিকে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লাকে একটি বাসযোগ্য -আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দীর্ঘদিন এই অঞ্চলে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লার উন্নয়ন নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করবো।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আমার স্বপ্ন আমার কুমিল্লা শীর্ষক উন্নয়ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ কুমিল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। কুমিল্লা নোয়াখালী অঞ্চলকে নিয়ে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন অবিলম্বে করতে হবে। আমি সংসদে গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবো।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর সঞ্চালনায় পরিকল্পনা প্রস্তাব উপস্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বপন, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজীব, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইউম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সারসহ মহানগর ও জেলার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মনিরুল হক চৌধুরী আরো বলেন, ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা বিমানবন্দরটি বন্ধ হয়ে আছে। বিমানবন্দরের পাশেই রয়েছে কুমিল্লা ইপিজেড। প্রতিনিয়ত এখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতায়াত করে। বিমানবন্দর চালু হলে ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে তথা এ অঞ্চলের প্রবাসীদের দুঃখ দুর্দশা লাঘব হবে। অচিরেই কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু করা আমার অন্যতম পরিকল্পনার অংশ।
সিটি করপোরেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মেগাসিটিতে রূপ নেয়নি। সিটি করপোরেশনের সীমানাও বৃদ্ধি করা হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে কুমিল্লা সিটিকে মেট্রোপলিটন সিটিতে রূপদান ও সীমানা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
নগরীর যানজট প্রসঙ্গে বলেন, যানজট কুমিল্লা নগরীর বর্তমানে প্রধান সমস্যা। পুরোনো শহরে সংকীর্ণ রাস্তায় ছোট পরিকল্পনায় যানজট নিরসনে সুদূরপ্রসারী সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে দরকার বৃহৎ পরিকল্পনা। শহরকে বিকেন্দ্রীকরণ করে দক্ষিণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানান্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করলে মানুষ দক্ষিণমুখী হবে। উত্তরে গোমতী পাড় হয়ে উপশহর করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, ভিক্টোরিয়া কলেজের আলাদা ক্যাম্পাস স্থাপন করলে শহরে মানুষের চাপ কমবে।
পয়োনিষ্কাশন নিয়ে তিনি জানান, জলাবদ্ধতা এখন কুমিল্লার অন্যতম সমস্যা। বিশেষ করে বর্ষায় জলাবদ্ধতা লেগেই থাকে। এক্ষেত্রে পুরোনো দখলকৃত খাল উদ্ধার ও খনন, ড্রেন বড় করা ও খনন করা, বড় খালের সাথে লিংকেজ করে দিলে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব। আমি নির্বাচিত হলে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তাছাড়া অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙ্গে পড়েছে। জগন্নাথপুরে যে বর্জ্য প্রতিদিন ফেলা হয় তা পাহাড়ের আকার ধারণ করেছে। এতে ওই বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ নানাবিধ রোগবালাইয়ে ভুগছে। শুনেছি ওই এলাকায় বর্জ্যের গন্ধে কেউ আত্মীয়তাও করতে চায় না। এক্ষেত্রে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি। এর জন্য আমার 'ওয়েস্ট রিসাইকল প্রজেক্ট' বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
কোটবাড়ি ও লালমাই পাহাড়কে ঘিরে রয়েছে স্যাটেলাইট সিটি ও ইকো ট্যুরিজম হাব বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তিনি বলেন, এছাড়াও ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প সড়ক পথ ও সরাসরি রেললাইন (কর্ডলাইন) স্থাপনের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। আমি অনেকদিন ধরে সরাসরি রেললাইন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) নিকট পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছি। আশাব্যঞ্জক হলো এডিবি সরাসরি রেললাইনে অর্থ দিতে রাজি হয়েছে। সরকারের সাথে এ নিয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। অচিরেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি।
গত রবিবার (২ নভেম্বর) রাতে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।
বিজিবি-৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক “লে. কর্নেল মো. জিয়াউর রহমান” বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কুমিল্লার আদর্শ সদর ও ব্রাহ্মণপাড়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত থেকে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।
তিনি জানায়, জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৭৯ লাখ ৫২ হাজার টাকার মোবাইল ফোন ডিসপ্লে ও ২৫ লাখ ৪৮ হাজার টাকার বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক তৈরির সরঞ্জামসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী।
আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন।
পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় তিতাস উপজেলায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
আজ ভোরে উপজেলার শাহাপুর এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে যৌথবাহিনী বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে শাহাপুর এলাকা থেকে একটি ৯ মি.মি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, একটি রামদা এবং ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করে যৌথবাহিনী।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গুলি ও অন্যান্য সরঞ্জাম যথাযথ প্রক্রিয়ায় তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ওসি (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন জানান, আটক তিনজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চলমান অপারেশন অপারেশন ডেভিল হান্টে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে গত গেল ২৪ ঘন্টায় আরো ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে গেল চার দিনে মোট ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
মন্তব্য করুন


পরকীয়া প্রেমে বাঁধা দেওয়ায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণে রাজ গোয়ালি মোঃ ইয়াছিন মিয়া (২৫) কে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া (৩৭) ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি সেলিম মিয়া (৪৭) হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরমূড়া) গ্রামের মৃত আলী মিয়ার ছেলে।
রায় ঘোষণাকালে দন্ডপ্রাপ্ত উভয় আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়- নিহতের খালাতো ভাইয়ের স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন আক্তার (৩৭) এর সহিত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া'র পরকীয়া প্রেম বাধা দেওয়ায় আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে ২০২০ সালের ১৮ মে দিবাগত রাত সোয়া ৯টায় স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়ে বাড়ী ফেরার সময় প্রথমে ভিকটিমের বড়ভাই বাদী মোঃ মিজানুর রহমানকে ধারালো চুরি দিয়ে ঘাই মারে পরে ভিকটিম ইয়াছিন মিয়ার বুকে ধারালো অস্ত্র ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এরপর নিহতের স্বজনরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ইয়াছিনকে উদ্ধার করে কুমেক হসপিটাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরামূড়া) গ্রামের মোঃ শাহজাহান খানের ছেলে নিহতের বড়ভাই মোঃ মিজানুর রহমান (৩৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত আলী মিয়ার তিন ছেলেসহ ৫ জনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ জসিম উদ্দিন ও কুমিল্লা পিবিআই এসআই (নিঃ) আব্দুর রজ্জাক সর্দার তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার ৩ দিনপর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২১ মে আসামি মোঃ শাহজাহান ও ১১ জুন আসামি সেলিম মিয়াকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করে দন্ডিত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর দণ্ডবিধির ৩৪১/৩২৪/৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বিচারে আসলে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জ গঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে এবং আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামিদ্বয়কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে দোষী সাবস্ত ক্রমে আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়াকে মৃত্যু দণ্ড এবং আসামি মোঃ সেলিম মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: সেই সাথে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন আদালত।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট নুরুল ইসলাম বলেন আমরা আশাবাদী শীঘ্রই উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
এদিকে, এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামি পক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী এডভোকেট জালাল উদ্দীন টিপু বলেন রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
১০ম
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-২৫-এর চূড়ান্ত পর্বে চ্যাম্পিয়ন
হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল। বৃষ্টি-বিঘ্নিত ফাইনালে টস জিতে
শিরোপা নিশ্চিত করে তারা।
বসুন্ধরা
ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রতিপক্ষ ছিল
বগুড়া পুলিশ লাইন হাই স্কুল। তবে প্রবল বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ম অনুযায়ী, টস জয়ী দলকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয় — সে হিসেবে
চ্যাম্পিয়নের মুকুট যায় কুমিল্লার ঘরে।
পুরস্কার
বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল
বাশার সুমন, হাসিবুল হোসেন শান্ত, মেহরাব হোসেন অপি, দিপু রায় চৌধুরী, গেম ডেভেলপমেন্ট
ম্যানেজার আবু ইমাম কাওসার, গেম ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কামরুল হাসান এবং
জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ।
এই
আসরে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল দুর্দান্ত পারফর্ম করে জেলা পর্যায়ে ৪টি, বিভাগীয় রাউন্ডে
৩টি এবং ন্যাশনাল রাউন্ডে আরও ৩টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। সেমিফাইনালে তারা
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কে ১০২ রানে হারায়। ঐ ম্যাচে ব্যাট হাতে আফনান ইন্তেহাদ
১২০ বলে করেন দারুণ ১৪৪ রান। বল হাতে সেরা ছিলেন প্রান্ত দেবনাথ, যিনি ২৫ রান দিয়ে
শিকার করেন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
আসরের
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কারও গেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের আফনান ইন্তেহাদের
হাতে।
চ্যাম্পিয়ন
দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন আইয়ুব হোসেন ইমন এবং ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মোঃ
নেওয়াজ খান। দলের সার্বিক সাফল্যের পেছনে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং জেলা ক্রিকেট
কোচ হাবীব মোহাম্মদ মোবাল্লেগ জেমসের অবদানও ছিল অনস্বীকার্য।
উল্লেখ্য,
এর আগেও ২০১৯ সালে জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কুমিল্লা হাই স্কুল। সেই
ধারাবাহিকতায় আবারও দেশের সেরা হওয়ার কৃতিত্ব দেখাল কুমিল্লার স্কুল ক্রিকেট।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এডভাইজর পদে যোগদান করেছেন কুমিল্লা বোর্ডের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জামাল নাছের।
আজ বুধবার সকালে তিনি সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে যোগদানপত্র জমা দেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অধ্যাপক জামাল নাছের ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এর পূর্বে তিনি কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ, কুমিল্লা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক, উপ-পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।
১ জানুয়ারি থেকে তিনি কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক নাছেরের যোগদানের বিষয়ে সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, অধ্যাপক জামাল নাছের সিসিএন পরিবারের অকৃত্রিম বন্ধু। প্রায় দেড় যুগ ধরে তিনি সিসিএন পরিবারের ছায়াসঙ্গী হিসেবে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। তাঁর যোগদানের ফলে সিসিএন-এর চলমান অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে বলে আমি বিশ্বাসী।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা-৬ (সদর, আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র ক্রয় করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাঁর সমর্থনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহকালে উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এ বারী সেলিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম চৌধুরী, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, মাহবুবুর রহমান দুলাল, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য রিয়াজ খান রাজু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লবসহ মহানগর ও উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মনোনয়নপত্র ক্রয় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি। তিনি বলেন, “আমরা কুমিল্লা-৬ নির্বাচনী আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী দলীয় চিঠিসহ যথাসময়ে এই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “হাজী ইয়াছিন দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষের পাশে থেকে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের ত্যাগী, পরীক্ষিত ও নির্যাতিত এই নেতার অবদান ও জনপ্রিয়তা বিবেচনা করে আগামীর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে কুমিল্লা-৬ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবেন।”
এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা হাজী ইয়াছিনের মনোনয়ন প্রত্যাশায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং আগামী নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করার আশাবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদন:
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে খেলায় অংশ নেন প্রাক্তন ফুটবলার, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় প্রীতি ম্যাচের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: সাইফুল ইসলাম।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আফাজ উদ্দিন, এডহক কমিটির সদস্য আহসান উল্লাহ স্বপন, আরিফ খান, খালেদ সাইফুল্লাহ, মাহির তাজওয়ার ওহি।
প্রীতি ফুটবল ম্যাচে লাল দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, সবুজ দলের অধিনায়ক ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম।
কাকভেজা বৃষ্টিতে খেলায় মেতে উঠেন বিভিন্ন পেশার এ মানুষেরা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) কুমিল্লা পদুয়া বাজার (বিশ্বরোড) এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আমিরুল কায়সারের নির্দেশে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া খানমের তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
এতে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুকদার এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার জাহান।
জানা গেছে, কুমিল্লা নগরীর সকল ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে জেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে পদুয়া বাজার বিশ্বরোডে ওভারব্রিজের চারপাশের ফুটপাত ও সড়কে গড়ে ওঠা প্রায় ১০০টি অবৈধ দোকান ও বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার উচ্ছেদ করে সড়কটি দখলমুক্ত করা হয়।
এ সময় উচ্ছেদ অভিযানে সহায়তা করে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, সাংবাদিকবৃন্দ, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী এবং বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্যরা।
মন্তব্য করুন