

মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় আজ মোবাইল
কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার
(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা। তাকে সহায়তা করেন চৌদ্দগ্রাম
থানা পুলিশের একটি টিম।
মোবাইল কোর্টের আওতায় মিয়া বাজার এলাকার
চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- গ্রামীণ রেস্তোরাঁ এন্ড সুইটস,
ঈশিতা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি, আফতাব সুইটস এন্ড কনফেকশনারি এবং হীরা সুইটস এন্ড কনফেকশনারি।
অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিএসটিআই লাইসেন্স,
সঠিক ওজন-পরিমাপ, মূল্য তালিকা এবং খাদ্যসামগ্রীর গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ
উল্লেখ রয়েছে কিনা তা যাচাই করা হয়।
এ সময় দেখা যায়, তিনটি প্রতিষ্ঠানে (গ্রামীণ, ঈশিতা ও হীরা সুইটস) বিএসটিআই লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও মিষ্টি ও দই জাতীয় খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছে।
আফতাব সুইটসে টোস্ট ও ব্রেডের জন্য
বিএসটিআই অনুমোদন থাকলেও মিষ্টিজাত পণ্যের জন্য কোনো লাইসেন্স নেই।
কোনো প্রতিষ্ঠানেই ওজন-পরিমাপ যন্ত্রের
ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট নেই। মিষ্টিজাত দ্রব্যসামগ্রীর মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের
তারিখ অনুপস্থিত।
উল্লেখিত অপরাধসমূহের প্রেক্ষিতে মোবাইল
কোর্ট আইন, ২০০৯ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অভিযুক্ত চারটি প্রতিষ্ঠানকে
মোট ২৮,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা আদায় করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে
এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের বাসিন্দা ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড.মোশারফ হোসেন এর মেয়ে আদ্রিতা বিনতে মোশারফ (২১) ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
রাজধানীর শাহবাগ থানার ফুলার রোডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক কোয়ার্টারে আদ্রিতা বিনতে মোশারফ (২১) নামে এক শিক্ষার্থী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
রোববার (৩১ মার্চ) ভোরে দক্ষিণ ফুলার রোডের ১৯ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাজিরুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ভোরে ফুলার রোডে আবাসিক কোয়ার্টারের ওই বাসায় গিয়ে দেখা যায়, বিছানায় শায়িত অবস্থায় রয়েছেন ওই শিক্ষার্থী। তখন তার পরিবারের কাছ থেকে জানা যায়, ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়েছিলেন তিনি। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, কী কারণে ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে পরিবার তেমন কিছুই জানাতে পারেনি। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৯৯ বোতল ফেন্সিডিল’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৪ মার্চ রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সাইফুজ্জামান
বুলবুল (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৯৯ বোতল
ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ সাইফুজ্জামান বুলবুল (৩৮) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সবজিকান্দি গ্রামের
মৃত মফিজুল ইসলাম এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


একটি শিশুর শৈশবের চিত্রাঙ্কন হচ্ছে অভিভাবক বা শিক্ষক।
আমরা যেভাবে চাইব সেভাবে তারা গড়ে উঠবে। আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে রূপদান করবে। তাই বলে ভূল রূপদান যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারি কিন্তু চিন্তাভাবনা নয়, কারণ তাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। আসলে কোমল শিশুরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু চাপিয়ে দিলে তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে যায়। নিজে থেকে কিছু করার বা চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। হারিয়ে ফেলে তার সৃজনীশক্তি।
তাদের মানসিক বিকাশ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিত্রাঙ্কন হতে পারে তার অন্যতম মাধ্যম।
শিশুরা
তার আশপাশের সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, পরিবেশ তার ছবির ভাষায় তুলে ধরবে ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই)
পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে কুমিল্লার রসমালাই। ২০২৪ সালে কুমিল্লার রসমালাই সহ মোট চারটি
পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। পণ্যগুলো হলো টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম,কুমিল্লার
রসমালাই, বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল এবং কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।
বৃহস্পতিবার (২ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার রসমালাই জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেন। এসময় তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়াসহ জেষ্ঠ্য সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে জিআই সনদ প্রদর্শন করেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু:
মুশফিকুর রহমান বলেন, কুমিল্লার ইতিহাস ঐতিহ্যের ভাণ্ডার অনেক প্রাচীন। কুমিল্লার রসমালাই
জিআই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে এটির বৈশ্বিক স্বীকৃতি মিলেছে। এই স্বীকৃতির
মাধ্যমে পণ্যটির বাণিজ্যিকীকরণের সুবিধা বাড়লো। এই রসমালাই এখন দেশের বাইরেও রপ্তানি
করা যাবে। আমরা কুমিল্লার খাদি, বিজয়পুরের মৃৎশিল্প নিয়ে জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদনের
জন্য কাজ শুরু করবো। এছাড়াও কুমিল্লার বরুড়ার লতি, হোমনার শ্রীমদ্দির বাঁশি নিয়েও
পরবর্তীতে এগিয়ে যাবো।
কুমিল্লার রসমালাইয়ের জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে অনির্বাণ সেনগুপ্ত কুমিল্লা জেলা প্রশাসনসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
কুমিল্লার বহুল আলোচিত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়'-এর শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নিহতের স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়ের জামিন আবেদন আবারো নামঞ্জুর করেছেন আদালত। ২৩ জুন (মঙ্গলবার) দুপুরে কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ (চতুর্থ) আদালতের বিচারক মো. সামছুল আলম দীর্ঘ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
শুনানিতে বাদীপক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শরীফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট তাফসীরুল আলম এবং রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত জেলা পিপি মো. মোস্তফা জামান জসিম ও মো. ইকরাম হোসেনসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জামিনের তীব্র বিরোধিতা করে যুক্তি উপস্থাপন করেন। অপরদিকে, আসামিপক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ সালাউদ্দিনসহ আরও দুজন আইনজীবী জামিনের পক্ষে তাদের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন। শুনানির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক ও বাদানুবাদে আদালতের এজলাস সাময়িক উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক সবাইকে শান্ত হওয়ার নির্দেশ দেন এবং আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এ সময় আদালতের এজলাসে নিহত ফারিহার বাবা ও মামলার বাদী মো. হানিফ এবং মা কোহিনূর বেগম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, গত ১০ মে কুমিল্লার ১ নম্বর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে আসামি মেহেদী হাসান হৃদয় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ২০ মে একই আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে কারাগারে থাকা অবস্থায় এর আগেও একবার জামিন আবেদন করা হলে তা নামঞ্জুর হয়েছিল। জেলা জজ আদালতেও এবার তার জামিন মেলেনি।
মামলার ফাইলিং আইনজীবী তাফসীরুল আলম জানান যে, ঘটনাটি দেশজুড়ে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং এটি একটি স্পষ্ট হত্যাকাণ্ড যা তারা আদালতকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন। আসামির জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় ন্যায়বিচারের পথ সুগম হয়েছে উল্লেখ করে তিনি এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সাথে আদালতের এই আদেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মামলার চূড়ান্ত রায়ে ন্যায়বিচার পেতে প্রশাসন ও সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন নিহত ফারিহার বাবা মো. হানিফ ও মা কোহিনূর বেগম।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামে একটি বহুতল ভবনের স্বামী ও শ্বশুরের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিয়া ও হৃদয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা আবদুর রহিমের ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে ফারিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী ও পরিবারের লোকজন ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। ফারিয়ার পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয় এবং এ নিয়ে একাধিকবার ফারিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীস্থিত বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার এর স্বত্বাধিকারী ও ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয় এর উপদেষ্টা লিটন ঘোষ এর মমতাময়ী মাতা স্বর্গীয় মীরা রাণী ঘোষ এর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত শুক্রবার বিকেলবেলা নগরীর রাণীর বাজারস্থি শ্রী শ্রী রাসস্থলীতে শ্রী শ্রী গীতা শিক্ষালয় এর আয়োজনে এ স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ওই অনুষ্ঠানে ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয় এর উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য এডভোকেট স্বর্ণকমল নন্দী পলাশ ও ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয় এর কর্ণধার আশীষ কুমার দাশ এর সঞ্চালনায় অতিথি বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য, মহেশ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শ্যামল কৃষ্ণ সাহা। এসময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা শ্রীকাইল ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ দেব, কুমিল্লা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত দাশ টিটু ও প্রচার সম্পাদক রিংকু ঘোষ, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়মিত সদস্য এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার ও এডভোকেট সনজীবন পাল এবং ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয় এর সাধারণ সম্পাদক অনন্য ভৌমিক সহ ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয়ের প্রায় তিন শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।
এতে স্বর্গীয়া মীরা রাণী ঘোষের বর্ণাঢ্য জীবনের স্মৃতিচারণ, গীতা পাঠ ও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে পুষ্প পলাউ, দধি ও মিষ্টিসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার বিতরণ করা হয়। সবশেষে কুমিল্লা মহেশ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নবনিযুক্ত ট্রাস্টি শ্যামল কৃষ্ণ সাহাকে ফুলেল শুভেচছা জানান ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ যে, ত্রিশূল গীতা শিক্ষালয় এর উপদেষ্টা লিটন ঘোষ এর মমতাময়ী মাতা স্বর্গীয় মীরা রাণী ঘোষ (৮৪) বার্ধক্যজনিত কারণে গেলো ৯ এপ্রিল বুধবার দিবাগত রাত ৩টা ৫০ মিনিটে ইহলোকের মায়ামমতা ত্যাগ করে পরলোকগমন করেন। মৃত্যুকালে তিনি চার পুত্র-এক কন্যা, নাতি-নাতনি ও আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কবি সাহিত্যিকেরা বলে গেছেন, যদি কখনো মনের ব্যামো হয়, তাহলে আবহাওয়ার বদল করতে হয়। সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাহিত্যের অঙ্গনে ছেলেমেয়েরা কবি সাহিত্যিকদের দেয়া সেই প্রেসক্রিপশনই অনুসরণ করলেন। তাইতো তারা নিয়মিত ক্লাস, এসাইনমেন্ট, পরীক্ষার একঘেয়েমি থেকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচার জন্য বান্দরবানের প্রকৃতি থেকে ঢু মেরে আসলো।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ রাতে প্রকৃতির অনন্য নিদর্শন বান্দরবানের এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষাসফরের শুভকামনা এবং সাময়িক বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আলী হোসেন চৌধুরী।
দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোরে শিক্ষাসফরের বাসটি বান্দরবান পৌঁছায়। সেখান তারা অপরূপ সৌন্দর্যে বেষ্টিত মেঘবাড়ি রিসোর্টে অবস্থান নেন। পাহাড় ঘেরা সবুজ মেঘের রাজ্যে সবাই মিলে একসাথে তাদের সকালের নাস্তা শেষ করেই তারা বেড়িয়ে পড়েন প্রকৃতির টানে। চাঁদের গাড়িতে করে পাহাড়ের বুক চিড়ে তারা ছুটে চলে নীলগিরি আর নীলাচলের দিকে। পথিমধ্যে তারা বিভিন্ন ঝর্ণা, এবং পাহাড়ী ছড়ার মায়াবী সৌন্দর্য উপভোগ করে। উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এর কথা মাথায় রেখেই “considers man and nature as essentially adapted to each other, and the mind of man as naturally the mirror of the fairest and most interesting properties of nature.” তারা গিরিবালার সৌন্দর্য অবলোকন করেছেন, সেখানকার ইতিহাস আর সংস্কৃতি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। শুধু পাহাড় দেখেই তারা তৃপ্ত হয়নি, ফিরতি পথে তারা সমুদ্র সৈকতে (পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত) তাদের পদচিহ্ন এঁকে দিয়ে এসেছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার শিদলাই ইউনিয়নের পুমকারা গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
নিহত ২ শিশু হলো পুমকারা গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে ইমরান (৮) এবং একই গ্রামের আবদুল আওয়ালের ছেলে জোনায়েদ (৮)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই এবং একই সঙ্গে খেলাধুলা ও চলাফেরা করত বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ইমরান, জোনায়েদ ও তাদের সমবয়সী আরেক শিশু বাইজিদ বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। একপর্যায়ে ইমরান ও জোনায়েদ পানিতে ডুব দেওয়ার পর আর ওপরে ভেসে না উঠলে সঙ্গে থাকা বাইজিদ চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে ডাকতে থাকে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াসিন মিয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পুকুরে নেমে দুই শিশুকে উদ্ধার করেন।
পরে স্বজন ও স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর অবস্থায় তাদের ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুই শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জ্যোতি প্রকাশ বিশ্বাস বলেন, 'পানিতে ডুবে যাওয়া দুই শিশুকে স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।'
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ডিএমএ মজিদ বলেন, 'খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলি এবং পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। একসঙ্গে দুটি শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক।'
এদিকে একসঙ্গে চাচাতো দুই শিশুর অকাল মৃত্যুতে পুমকারা গ্রামে শোকের মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে। প্রতিবেশীরা জানান, কয়েক মুহূর্ত আগেও একসঙ্গে খেলাধুলা করা দুই শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় নানার
বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নদীতে ডুবে মাহিরা নামের আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি
ঘটেছে শনিবার (২৭ জুলাই) সকালে তিতাস উপজেলার বাঘাইরামপুর গ্রামে।
নিহত মাহিরা উপজেলার বন্দরামপুর গ্রামের
মুছা সরকারের মেয়ে।
নিহতের নানা জালাল উদ্দীন বলেন, প্রতিদিনের
মতো মাহিরা বাড়ির অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলতে বের হয়। তার কিছুক্ষণ পর অন্যসব শিশুরা
ফিরে এলেও তাদের সঙ্গে মাহিরাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। অনেক খোঁজাখুঁজির
পর কোথাও না পেয়ে বাড়ির পাশে নদীর তীরে কাদা-পানির মধ্যে মাহিরাকে ভাসতে দেখি। তাৎক্ষণিকভাবে
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৩০ কেজি গাঁজা ও ৩ বোতল বিদেশী মদ সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
২৮ আগস্ট রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন
উত্তর রামপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী ১। মোঃ মোজাম্মেল
হোসেন (২৯) এবং ২। মোঃ মাসুদ (৩২) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময়
আসামীদের কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা, ৩ বোতল বিদেশী মদ ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি
প্রাইভেটকার গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মোজাম্মেল
হোসেন (২৯) নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার বিন্না দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত কালাচাঁন
মিয়া এর ছেলে এবং ২। মোঃ মাসুদ (৩২) ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার বারহা গ্রামের মৃত হারুন
অর রশিদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও বিদেশী
মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন