

কুমিল্লা প্রতিনিধি
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে যুব র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠ থেকে র্যালীটি শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালী পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মু. মোছলেহ উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল ও নাছির আহম্মেদ মোল্লা, কর্মপরিষদ সদস্য মিজানুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি কাজী নজির আহম্মেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ডিমের মূল্য
স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বাজারে অভিযান।
আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার
সংরক্ষণ অধিদপ্তর ডিমের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বাজার তদারকি
কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাতে অধিদপ্তরের ৪ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে
৪ টি টিম কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর মালিবাগ, কাপ্তান বাজার, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও
জুরাইন এলাকায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
আজ দেশের ৩০টি জেলায় অধিদপ্তরের ৩৩টি টিমের পরিচালিত এ অভিযানে
৮১টি প্রতিষ্ঠানকে ২,৩২,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানান, ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অধিদপ্তরের এসকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, শহীদ মিনার আমাদের প্রতিরোধ ও বিজয়ের
প্রতীক। এখান থেকেই শুরু করেছিলাম এবং এখানে এসেই আমরা বিজয় উদযাপন করতে পেরেছিলাম।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ পর্যায়ে শিক্ষক, সমাজকর্মী ও সংস্কৃতি কর্মীরা রাজপথে নেমে
কারফিউ ভেঙে শহীদ মিনারে প্রোগ্রাম করেন, যা আমাদের ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করে। সবদিক
বিবেচনায় শহীদ মিনার আমাদের প্রতিরোধ ও বিজয়ের অনুষঙ্গ। এখান থেকেই ৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে
এক দফা ঘোষিত হয়েছিল।
আজ
শনিবার (২ আগস্ট) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই পুনর্জাগরণ র্যালী-
২০২৫ এর শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
র্যালীটি
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন চত্বর থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, গত বছরের অভ্যুত্থানে প্রায় দুই হাজার মানুষ শহীদ হন, ২০
থেকে ২৫ হাজার মানুষ আহত হন। এই আত্মত্যাগ স্মরণেই আমাদের কার্যক্রম। যতদিন আমরা শহীদদের
স্মরণে রাখবো, আহতদের মর্মপীড়া আমরা যতদিন অনুভব করবো, ততদিন আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠনের
প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবো। শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে যেহেতু একটা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি,
বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ার একটা সুযোগ পেয়েছি, সেই সুযোগটা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। আমরা অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, যার একটি
বড় অংশ বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। অনেক কিছু পরিবর্তিত হয়েছে। হয়তো বাংলাদেশের সাধারণ
মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এক বছরে সম্ভব হয়নি। তবে আমাদের চেষ্টা ছিল, এই চেষ্টা অব্যাহত
থাকবে। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার কারণে অনেকে ন্যায্য অধিকার পাননি, বৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন,
এখন ১৬ বছর পর তারা সেই অধিকার ও ন্যায্যতার দেখা পেয়েছেন। বৈষম্যহীনতার দেখা পেয়েছেন।
২০২৪
এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ১৭ জুলাই গায়েবানা জানাজায় হামলার পর আমরা
আর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারিনি। ক্যাম্পাস থেকে আন্দোলন তখন ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলাদেশে,
বিশেষ করে ঢাকার প্রবেশপথের অন্তত আটটি পয়েন্টে তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল। মানুষ
দলমত নির্বিশেষে অংশগ্রহণ করে, অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছিল এই আন্দোলনে।
তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটা পরিবর্তনের শুরু মাত্র। কিন্তু
এক বছর-দুই বছর অথবা একটা সরকার বা দুইটা সরকারের এটা বিষয় না। সরকার আসবে-যাবে, কিন্তু
জুলাই অভ্যুত্থানের কারণে পুরাতন ব্যবস্থা ও পুরাতন বন্দোবস্তে ছেদ পড়েছে। আমরা একটা
পর্ব পেরিয়ে নতুন পর্বে রওয়ানা দিয়েছি। আমি মনে করি এই পর্বে সকল গণতান্ত্রিক ও বহুমাত্রিক
প্রকাশ এক বা দুই বছরে দেখা যাবে না। আমি মনে করি, আমাদের যেই প্রজন্ম এই গণতন্ত্রের
অভিযাত্রা সূচনা করেছে, তাদের যদি দেশের সকল সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠান স্মরণ রাখবে, যখন জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের
অবিরত চেষ্টা চালিয়ে যাবে, আমরা আশা রাখি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রূপান্তরিত
হবে।
(সূত্র-
বাসস)
মন্তব্য করুন


বিয়ের মুহূর্তগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে অভিনব কৌশল অবলম্বন করেন অনেক বর-কনে। এতে অনেক সময় ঘটে বিপত্তিও। আবার বিয়ের প্রিওয়েডিং ফটোতে অনেক বর-কনেকে এমন সব কাজ করতে দেখা যায়, যা দেখে অনেক সময় চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। আর তেমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে ভারতের গোয়ায়।
বিয়ের মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে চলন্ত এসইউভির ছাদে বিপজ্জনকভাবে শুয়ে পড়েন ২ তরুণ-তরুণী। সেই দৃশ্য দেখে ভয় পেয়ে যান এক পথচারী। গাড়ি থামিয়ে যুগল এবং আলোকচিত্রশিল্পীকে শাসনও করেন তিনি। আর ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়। যাতে দেখা যায়, কালো রঙের চলন্ত এসইউভির ওপর শুয়ে রয়েছেন এক যুগল। তরুণী শুয়ে রয়েছেন চলন্ত এসইউভির ছাদে এবং তরুণ গা এলিয়ে শুয়ে রয়েছেন গাড়ির বনেটের ওপর। জানা গেছে, কিছুদিন পরই ওই যুগলের বিয়ে। আর সে উপলক্ষ্যেই তারা প্রিওয়েডিং ফটোশুট করতে গোয়ায় গিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ
রোববার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং
২৬ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। একই সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন চারজন।
সরকারি
হিসাবে এখন পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৩৩ জন।
আর মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ৫০৩ জন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন এমন মানুষের
সংখ্যা ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪১০ জন।
গত
২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা করা হয় ২৯১ জনের নমুনা।
মন্তব্য করুন


আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত
এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম
অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে
অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ
নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারের দেখাশোনাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে বাইপাইলে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত মো. রমজান আলীর পরিবারের সাথে সাক্ষাতকালে তথ্য উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন,গণঅভ্যুত্থানের সময় যেভাবে ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে এসেছিলো, তাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। শহীদদের জন্যই আমরা বেঁচে আছি, বাক্স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি।
এ সময় তথ্য উপদেষ্টা শহীদ রমজান আলীর পরিবারের খোঁজখবর নেন। তাদেরসহ সব শহীদ পরিবারের মাসিক ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের সময় শহীদ রমজানের পরিবার থেকে তার বাবা ও ছোট বোন উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ রমজান আলী নাটোরের সিংড়ায় স্নাতক শ্রেণিতে পড়াশোনা করতেন। তার পরিবারের কেউ উপার্জনক্ষম না থাকায় বাইপাইলে একটি মাছের আড়তে কাজ করে তিনি পুরো পরিবারের খরচ চালাতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন তিনি আন্দোলনে অংশ নেন এবং ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। তবে নির্বাচনের পূর্বাভাসে তিনি জান-মালের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) কালবেলার প্রতিবেদকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার সময় তাহেরী বলেন, “লুট হওয়া অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। ফেসবুকে আমার সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব নিয়ে আমি শঙ্কিত। আসন্ন নির্বাচনে জান-মালের নিরাপত্তা নিয়ে আমি ভাবছি।”
নির্বাচন চলাকালীন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত আছে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা ২২ জানুয়ারি শুরু হবে। তখনই বুঝতে পারব নির্বাচনী মাঠ সমান আছে নাকি কোনো দিকে হেলে পড়েছে।”
সম্পদ ও হলফনামা:
তাহেরী বলেন, “আমার জমানো টাকা থেকে যে সুদ আসে, সেটি আমি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করি না। আমার স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, নিজের নামে আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ। এসব স্বর্ণ আমি বিভিন্ন সময়ে উপহার হিসেবে পেয়েছি এবং স্ত্রীর ও মেয়েদের জন্য নিজের নামে ক্রয় করেছি। পরিবারের প্রধান হিসেবে সকল সম্পত্তি নিজের নামের।”
ভোটের উৎসাহ ও প্রত্যাশা:
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী আরও জানান, “সাধারণ মানুষ আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ। আশা করি উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটেই আমি এমপি হিসেবে জয়ী হবো।”
হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত এই প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। ‘মোমবাতি’ প্রতীকে তিনি নির্বাচন করবেন। বৃহত্তর সুন্নিজোট তাকে সমর্থন দিয়েছে। তাহেরির বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। মাধবপুরে তার শ্বশুরবাড়ি।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে দুটি পৃথক স্ট্যাটাসে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন এবং তার জীবনের সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
একটি পোস্টে কনকচাঁপা উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়াকে “দেশজুড়ে কোটি কোটি সন্তান” মনে করেন। সোমবার আরও একটি সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাসে তিনি জানিয়েছেন, “ফি আমানিল্লাহ! খালেদা জিয়াকে আইসিইউতে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আল্লাহর রহমতের জন্য দোয়া করুন।” এই পোস্টের পরে অনেকেই খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া জানিয়েছেন।
এর আগে কনকচাঁপা দীর্ঘ একটি পোস্টে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং কারাবাসের সময়ের কঠিন অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছিলেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, ছোট বয়সে পরিবার হারানো, রাজনীতির চূড়ান্ত সময়ের গ্রেফতার, মিথ্যা মামলায় কারাগার, স্লো পয়জনিংয়ের ভয় এবং মৃত্যুভয়—সব পরিস্থিতিতেই খালেদা জিয়া ছিলেন অবিচল ও সাহসী।
কনকচাঁপা আরও বলেন, “অসুস্থ সন্তানের কাছে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও দেশের মানুষকে ভেবে তিনি তা ত্যাগ করেছেন। গুরুতর অসুস্থতা সত্ত্বেও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার প্রস্তাবও গ্রহণ করেননি। তিনি শুধু তার সন্তানের মা নন, সারা দেশে কোটি কোটি মানুষের প্রিয় সন্তান।”
মন্তব্য করুন


রমজানের শুরুতে কাঁচাবাজারের অতিরিক্ত দামের প্রভাব এখন কিছুটা কমতে শুরু করেছে। ১০ রোজার পর এখন কেনাকাটায় সামান্য স্বস্তি মিলছে সাধারণ মানুষের।
শুক্রবার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, শাক-সবজি, পেঁয়াজ, ডিমের দাম কমতির দিকে। তবে দাম বেড়েছে আলুর।
সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে কমেছে ফার্মের মুরগি ডিমের দামও। তবে গত সপ্তাহে বেড়ে যাওয়া চাল এবং বেশ আগে থেকে বাড়তি ডাল, তেল-চিনিসহ অন্যান্য পণ্যগুলোর দাম এখনও চড়া।
সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রোজার শুরুতে বেগুনের কেজি ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। এখন ১ কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। শসার কেজি রোজার শুরুতে ছিল ১০০ টাকারও উপরে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে। একইভাবে লাউ, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়াসহ ঝিঙা, করলার মতো সবজিগুলোর দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে বলে জানিয়েছেন বাজারের সবজি বিক্রেতারা।
এদিকে, পেঁয়াজের বাজার গত এক সপ্তাহ ধরে নিম্নমুখী। এক সপ্তাহ আগেও দেশি পেঁয়াজ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। একই পেঁয়াজের দাম এখন প্রায় অর্ধেক বা কাছাকাছি চলে এসেছে। বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। যদিও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পেঁয়াজের দাম এখনও বেশি। গত বছরের এ সময় পেঁয়াজের কেজি ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা আরো বলছেন, অতি মুনাফার আশায় অনেকেই পেঁয়াজ মজুত করেছিল। কিন্তু ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে এমন খবর বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়েছে।
তবে বিপরীত চিত্র রয়েছে আলুর বাজারে। সপ্তাহ খানেকের ব্যবধানে আলুর দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকার মতো। তবে এক মাসের ব্যবধানে বেড়েছে আরও বেশি, ১২ থেকে ১৫ টাকা। কারণ মাস খানেক আগে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছিল আলুর দর। প্রতি কেজি নেমেছিল ২৮ থেকে ৩০ টাকায়। কিন্তু কিছুটা বেড়ে গত সপ্তাহে আলু বিক্রি হয়েছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। এখন দাম আরও বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।
অন্যদিকে, বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ২৩০ টাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হলেও এখন হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা দরে। এছাড়া ফার্মের ডিমের ডজন কেনা যাচ্ছে ১২০ টাকা দরে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগে প্রতি ডজন ডিমের দর ছিল ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানে ডিমের চাহিদা কমে যায়। যে কারণে দ্রুত কমতে শুরু করেছে ডিমের দাম। গত তিন দিনের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। কোনো কোনো বাজারে এর চেয়েও বেশি কমেছে। ফলে বড় বাজারে প্রতি ডজন ডিমের দাম নেমেছে ১২০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিটি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।
মন্তব্য করুন


শিক্ষাখাতে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই জাতির উদ্দেশ্যে তার প্রথম ভাষণ।
রোববার (২৫ আগস্ট) জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য প্রতিষ্ঠিত করে গেছে বিগত সরকার। আমরা তার পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের উদ্যোগ নেবো। এটা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আপনারা জানেন দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীল, নিরাপদ ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার। একই সঙ্গে পাঠ্যক্রমকেও যুগোপযোগী করার কাজও দ্রুত শুরু করা হবে।
তার নেতৃত্বাধীন সরকার জাতীয় ঐক্যে বিশ্বাসী জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষ্যে রাজনৈতিক ঐক্যের মধ্য দিয়ে নিশ্চিত করা হবে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, আদিবাসী সবাই এ দেশের নাগরিক। সমান আইনের সুরক্ষার অধিকারী।
তিনি বলেন, তাদের সবার মানবিক অধিকারসহ অন্যান্য সব অধিকার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এজন্য আমি উপদেষ্টা পদমর্যাদা-সম্পন্ন একজন বিশেষ সহকারী নিয়োগ দিয়েছি, যার দায়িত্ব হবে জাতীয় সংহতি উন্নয়ন।
মন্তব্য করুন