

দেশে
৩.০ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার অব সিসমোলজি (এনসিএস)
জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে আঘাত হানে।
এনসিএসের
বিবৃতি অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ২০ কিলোমিটার গভীরে। এর অবস্থান
নির্ণয় করা হয়েছে অক্ষাংশ ২৪.৮৫ ডিগ্রি উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ৯২.০৭ ডিগ্রি পূর্বে,
যা বাংলাদেশের ভেতরে পড়ে।
এনসিএস
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, ১ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা ০২ মিনিট
৩২ সেকেন্ডে বাংলাদেশে ৩.০ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। ভূমিকম্পটির গভীরতা
ছিল ২০ কিলোমিটার।
এদিকে,
আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পবিষয়ক সংস্থা ভলক্যানো ডিসকাভারিতে বলা হয়েছে, রবিবার ভোরে বাংলাদেশে
হালকা মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।
স্থানীয়
সময় ভোর ৪টা ২ মিনিটে (জিএমটি +৬) সিলেট শহর থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে ৩.০ মাত্রার
এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।
ভূমিকম্পটির
উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের তুলনামূলকভাবে অগভীর গভীরতায় প্রায় ২০ কিলোমিটার (১২ মাইল)।
তবে এ ভূমিকম্পে কোথাও কম্পন অনুভূত হয়েছে বা কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
কর্তৃপক্ষের
তথ্যমতে, ভূমিকম্পটি হালকা হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়নি এবং এখন পর্যন্ত
কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ
তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেট-ভারতীয়, ইউরেশীয় ও বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত।
ভারতীয় প্লেট প্রতি বছর প্রায় ৬ সেন্টিমিটার গতিতে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে,
অন্যদিকে ইউরেশীয় প্লেট উত্তর দিকে প্রায় ২ সেন্টিমিটার গতিতে সরে যাচ্ছে। এই ভূতাত্ত্বিক
অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত। দেশটির আশপাশে
বগুড়া ফল্ট, ত্রিপুরা ফল্ট, শিলং মালভূমি, ডাউকি ফল্ট ও আসাম ফল্টসহ একাধিক সক্রিয়
চ্যুতি রেখা রয়েছে। এসব কারণে বাংলাদেশকে ১৩টি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম,
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের জৈন্তাপুর অঞ্চলকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত
করা হয়েছে।
এদিকে
বিশ্বের অন্যতম জনবহুল রাজধানী ঢাকায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের
বসবাস করে। একে বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ শহরের একটি হিসেবে চিহ্নিত
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও রোগমুক্তি কামনায় কুমিল্লায় মানবিক ও ধর্মীয় আয়োজন অব্যাহত রয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কুমিল্লার বিভিন্ন এতিমখানায় পশু সদকা প্রদান করা হয়েছে এবং দোয়া, কুরআন খতম ও খাবার বিতরণ চলছে ধারাবাহিকভাবে।
বুধবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হয় এ কর্মসূচির ৭ম দিনের আয়োজন। কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে বিভিন্ন এতিমখানার প্রধানদের হাতে সদকার পশু—খাসি ও ছাগল—তুলে দেওয়া হয়। এ উদ্যোগের পৃষ্ঠপোষক বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলার সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, শহীদুল্লাহ রতন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ূম, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব চৌধুরী, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদুল কবির সাজ্জাদ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর ছাত্রদল নেতা রবিন খান। এছাড়াও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন এতিমখানার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে কুমিল্লার ১৬টি মাদ্রাসায় সদকা বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সদকা প্রদান শেষে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন কান্দিরপাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ক্বারী মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। তিনি দোয়ার মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
এছাড়া ধারাবাহিক এ দোয়ার ৭ম দিনেও নগরীর কান্দিরপাড় দলীয় কার্যালয়ে দিনব্যাপী কুরআন খতম ও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদ্রাসার এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
নেত্রীর জন্য ধারাবাহিক আয়োজনে হাজী ইয়াছিনের প্রশংসা করে বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি শুধু ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি—বরং নিজে সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে এ আয়োজনগুলো বাস্তবায়ন করছেন। সাধারণ মানুষ, এতিম শিশু, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী—সবাইকে এ মানবিক উদ্যোগে যুক্ত করেছেন।
দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশব্যাপী মানুষের ভালোবাসা ও প্রার্থনা বেগম খালেদা জিয়ার পাশে রয়েছে। কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে সাধারণ মানুষ—সবাই তার সুস্থতা কামনা করছে।
এই কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় আয়োজক পক্ষ থেকে জানানো হয়—আগামীতেও কুমিল্লার বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিমখানা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সদকা বিতরণ অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় দোয়া ও প্রার্থনা আয়োজন চলবে নিয়মিত।
ছবিঃ কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনায় বিভিন্ন এতিমখানায় পশু সদকা প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীসহ
দেশের সব মহানগরে নতুন
পোশাকে দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশের সদস্যরা। শনিবার (১৫ নভেম্বর) থেকে
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং দেশের অন্যান্য মহানগর পুলিশ ও বিশেষায়িত ইউনিটে
নতুন লৌহ রঙের পোশাক পরিধান শুরু হয়েছে। তবে জেলা ও রেঞ্জ পর্যায়ের
পুলিশ এখনো এই পোশাক পায়নি;
পর্যায়ক্রমে তাদের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
বৈষম্যবিরোধী
আন্দোলনে দমন-পীড়নের অভিযোগ ওঠার পর পুলিশ বাহিনীর
সংস্কার ও পোশাক পরিবর্তনের
দাবি জোরালো হয়। এর প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী
সরকার নতুন পুলিশ পোশাক অনুমোদন করে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহানগর পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই, ট্যুরিস্ট পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এবং নৌ পুলিশ সদস্যরা
নতুন রঙের পোশাক পরবেন।
ঢাকা
মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
(ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, আজ থেকেই সব
মহানগরে নতুন পোশাক পরা শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই জেলা পর্যায়েও এর বাস্তবায়ন হবে।
পুলিশ
সদর দপ্তরের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের
সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) এ এইচ এম
শাহাদাত হোসাইন বলেন, জেলা ও রেঞ্জ পুলিশও
পর্যায়ক্রমে নতুন পোশাক পরিধান করবে। তবে এপিবিএন ও এসপিবিএন আগের
পোশাকই ব্যবহার করবে।
এর
আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছিলেন, পুলিশ, র্যাব ও
আনসারের জন্য নতুন পোশাক নির্ধারণ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা
হবে।
অন্তর্বর্তী
সরকার আশা করছে, নতুন পোশাকের সঙ্গে পুলিশের মানসিকতা ও আচরণেও ইতিবাচক
পরিবর্তন আসবে। সেই লক্ষ্যেই পুলিশ বাহিনীর সংস্কারের অংশ হিসেবে স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা প্রায় ১১টা ৫৫ মিনিটে কুষ্টিয়ার লালন শাহ সেতুর ভেড়ামারা প্রান্তে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় পুলিশের বিশেষ শাখা (ডিএসবি)-এর দুই কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।নিহতরা হলেন পাবনা জেলা ডিএসবির ঈশ্বরদী জোনে কর্মরত ইন্সপেক্টর মোজাহারুল ইসলাম এবং এএসআই কায়েস উদ্দিন। বিষয়টি ভেড়ামারা থানার ওসি জাহেদুর রহমান ও ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইন্সপেক্টর মোজাহারুল ইসলামের বাড়ি রংপুর জেলার পীরগাছা থানার ইটাকুমারী গ্রামে। অন্যদিকে এএসআই কায়েস উদ্দিন রাজশাহী জেলার তানোর থানার রাতৈল গ্রামের বাসিন্দা।ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, ইন্সপেক্টর মোজাহারুল ইসলাম মাত্র একদিন আগে, অর্থাৎ সোমবার ঈশ্বরদী জোনে যোগদান করেন। বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে মঙ্গলবার সকালে তিনি এএসআই কায়েস উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন এলাকায় বের হন। এ সময় লালন শাহ সেতুর ভেড়ামারা প্রান্তে টোল প্লাজার কাছে একটি দ্রুতগামী কাভার্ড ভ্যান তাদের মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে দু’জনই গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।ভেড়ামারা থানার ওসি জাহেদুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা সম্ভব হয়নি। নিহতদের মরদেহ কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।এদিকে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহগুলো পাবনায় পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি,
কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর উপজেলায়
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজীবপুর ডাক বাংলোতে অনুষ্ঠিত এক সভার মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। যা পরবর্তী দিন অনুমোদন করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে দৈনিক মানবকণ্ঠের রাজীবপুর প্রতিনিধি মোঃ সহিজল ইসলাম (সজল)-কে সভাপতি এবং ঢাকা প্রকাশের প্রতিনিধি মোঃ জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ)-কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত করা হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজীবপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক আমিনুর রহমান (মাস্টার)। সভায় জানানো হয়, ২০২৫ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শেষ হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের মতামতের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন— মোঃ রফিকুল ইসলাম, সি. সভাপতি (আমার সংবাদ), মোঃ শরিফুল ইসলাম (দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ), মোঃ হাবিবুর রহমান আল হাবিব (বাংলাদেশ টাইমস), মোঃ মাইদুল ইসলাম (দৈনিক নাগরিক সংবাদ) ও মোঃ রফিকুল ইসলাম (বাংলাদেশ সমাচার)।
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোঃ জাহিদুল ইসলাম (ঢাকা প্রকাশ) এবং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সুজন মাহমুদ (দৈনিক খোলা কাগজ)। এছাড়া সহ-যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. হামিদুল ইসলাম (সুমন) (দৈনিক ভোরের চেতনা)।
কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিতরা হলেন— সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ সাব্বির মামুন (দৈনিক সংগ্রাম), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ শহিদুল্লাহ ফারাজী (ভোরের দর্পণ), কোষাধ্যক্ষ: জিয়াউর রহমান জিয়া (প্রতিদিনের বাংলাদেশ), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: মোহাম্মদ আল আমিন (দৈনিক জবাবদিহি), দপ্তর সম্পাদক: মোঃ রেজাউল হক (আজকের দর্পণ), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: মোঃ তারিকুল ইসলাম তারা (দৈনিক গণকণ্ঠ), সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক: মোঃ ফরিদুল ইসলাম (মনোযোগ প্রকাশ), সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক: মোঃ রাকিবুল ইসলাম (দৈনিক আমাদের খবর)।
এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন— মোঃ শাহাদাত হোসেন হিরো (আলোকিত প্রতিদিন), মোঃ সজিব মাহমুদ (নির্ভীক টিভি), মোঃ সানাউল্লাহ সরকার (মর্নিং পোস্ট), মোঃ গোলাম মোস্তফা (দৈনিক আমার কথা), মোঃ মনোয়ার হোসেন (কুড়িগ্রাম সংবাদ), মোঃ কামরুল হাসান (মনোযোগ প্রকাশ – বিশেষ), মোহাম্মদ হাবিব (প্রথম খবর) এবং মোঃ রাকিবুল ইসলাম (বড়) (দৈনিক নব দিগন্ত ডাক)।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘকে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি নারী শান্তিরক্ষী
নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রচেষ্টায়
বাংলাদেশের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
আজ
রোববার (২০ এপ্রিল) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতিসংঘের শান্তি কার্যক্রমবিষয়ক
আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যাঁ-পিয়ের লাক্রোয়া প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে
গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে
শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি যা উৎসাহিত করি তা হলো শান্তিরক্ষা মিশনে আরও বাংলাদেশি
নারীর অংশগ্রহণ।
শান্তিরক্ষী
প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষ তিন দেশের একটি। বর্তমানে বাংলাদেশের ৫,৬৭৭
জন শান্তিরক্ষী ১১টি সক্রিয় মিশনের মধ্যে ১০টিতে কাজ করছে।
জাতিসংঘ
আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জানান, নারীদের শান্তিরক্ষায় সম্পৃক্ত করার ব্যাপারে জাতিসংঘের
একটি নীতিমালা রয়েছে।
তিনি
বলেন, আমরা নারীদের নির্দিষ্ট কোনো ভূমিকায় সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না।’ তিনি উল্লেখ করেন
যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষার সব ক্ষেত্রে নারীদের নিয়োগে সমর্থন দেবে।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, প্রয়োজনে বাংলাদেশ অতিরিক্ত সৈন্য ও পুলিশ পাঠাতে
প্রস্তুত। তিনি জাতিসংঘের পিসকিপিং ক্যাপাবিলিটি রেডিনেস সিস্টেম (পিপিআরএস)-এর র্যাপিড
ডিপ্লয়মেন্ট পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুত পাঁচটি ইউনিটের কথা উল্লেখ করেন।
অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় সদর দপ্তর এবং মাঠপর্যায়ে বাংলাদেশি নেতৃত্ব
বৃদ্ধির পক্ষে মত দেন। জাতিসংঘ প্রতিনিধি বলেন, এ ব্যাপারেও তারা বাংলাদেশকে সমর্থন
দেবে।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, শান্তিরক্ষী নিয়োগে জাতিসংঘের যাচাই প্রক্রিয়া বাংলাদেশ
কঠোরভাবে মেনে চলে এবং প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহিতায় জাতিসংঘসহ অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে আরও
সহযোগিতাকে স্বাগত জানায়, যাতে মানবাধিকার প্রতিপালন আরও জোরদার হয়।
প্রধান
উপদেষ্টাকে জানানো হয়, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল
আগামী ১৩ থেকে ১৪ মে জার্মানির বার্লিনে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের
সম্মেলনে অংশ নেবে।
মিয়ানমারে
চলমান সংঘর্ষ, সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনা, বেসামরিক নাগরিক হতাহত এবং নাফ নদী সংলগ্ন
এলাকায় জীবিকা বিঘ্নিত হওয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
তিনি
সতর্ক করেন, এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে তা আরও অবনতি হয়ে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি সৃষ্টি
করতে পারে। তিনি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সম্মিলিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা সম্প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে
অবস্থিত রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের কথা স্মরণ করে বলেন, তার এই সফর রোহিঙ্গাদের নিরাপদ
ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে নতুন করে আশা জুগিয়েছে।
মন্তব্য করুন


মা
বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এর
আগে বিমানবন্দর থেকে সোয়া তিন ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রা শেষে পূর্বাচলের ৩০০ ফুট সড়কে আয়োজিত
সংবর্ধনা সমাবেশের মঞ্চে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে তারেক
রহমান মঞ্চে উঠে দাঁড়ান। এ সময় তার সামনে লাখো নেতাকর্মী–সমর্থকের
উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।
সেখানে
প্রায় ১৬ মিনিট বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন ও তার মা বেগম খালেদা জিয়াকে
দেখতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন।
বিমানবন্দর
থেকে যে জাতীয় পতাকার রঙে সাজানো বাসে করে তিনি পূর্বাচলের সংবর্ধনা মঞ্চে এসেছিলেন,
সেই বাসেই হাসপাতালে যান তিনি।
বিকাল
৪টা ২৫ মিনিটে বাসটি এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে রওনা দেয়। তবে মঞ্চ থেকে বাসে উঠতে
তাকে বেশ বেগ পেতে হয়। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর ভিড়ের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
দীর্ঘ সময় ধরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে তাকে নিরাপদে বাসে তুলে দেন।
মন্তব্য করুন


পর্দায়
একাধিকবার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এবার একেবারে নতুন রূপে ধরা দিতে চলেছেন ওপার
বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। না, বাস্তবে নয়—
পর্দাতেই দাদি হচ্ছেন শ্রাবন্তী। আসন্ন এক ওয়েব সিরিজে তিনি অভিনয় করছেন ঠাকুর মা—
অর্থাৎ দাদির চরিত্রে।
জনপ্রিয়
ওটিটি প্ল্যাটফরম হৈচৈ সম্প্রতি জানিয়েছে, চলতি মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে তাদের নতুন ওয়েব
সিরিজের শুটিং। সিরিজটি পরিচালনা করবেন অয়ন চক্রবর্তী।
জানা
গেছে, গল্পের পটভূমি বাংলার এক জেলার বনেদি পরিবার। একটি বিয়েকে ঘিরে সেখানে ধীরে ধীরে
জমে ওঠে রহস্য। সেই রহস্যের জট খুলতে উদ্যোগী হন পরিবারের ঠাকুর মা। অর্থাৎ দাদির ভূমিকায়
দেখা যাবে শ্রাবন্তীকে।
ঘোষণা
পর্বেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ঠাকুমা ও নাতনির দুরন্ত জুটি দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ
হতে চলেছে। তবে নাতনির চরিত্রে কে অভিনয় করছেন, সে বিষয়ে প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
যদিও
ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে শোনা যাচ্ছে, সেই চরিত্রে থাকতে পারেন দিব্যাণী মণ্ডল। দিব্যানী
ছোট পর্দার পরিচিত মুখ। ‘ফুলকি’ ধারাবাহিক শেষ করার পর তিনি পরিচালক
সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের একটি ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন, যার শুটিং
ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এবার তাকে দেখা যাবে ওয়েব সিরিজে। টলিপাড়ায় আলোচনায় রয়েছে শ্রাবন্তী
ও দিব্যাণীর মুখের মিল নিয়েও।
অনেকেই
মনে করছেন, পর্দায় দাদি-নাতনির রসায়ন আরো বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে এই সাদৃশ্য। এই নতুন
চরিত্র নিয়ে শ্রাবন্তী বলেন, ‘নতুন বছরে নতুন ধরনের গল্পের অংশ হচ্ছি। এবার ঠাকুমার
চরিত্রে। গ্র্যান্ডচাইল্ডের সঙ্গে রহস্য সমাধান করব।’
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেন, যারা নির্বাচন বিঘ্নিত করার হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের জন্য দরকারি সব ব্যবস্থা কমিশন গ্রহণ করবে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকার পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘বিজিবির নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ও মহড়া’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশজুড়ে ১,২১০ প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটকেন্দ্রে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও মহড়া পরিচালিত হচ্ছে।
সিইসি নাসির উদ্দীন আরও জানান, এটি তার তৃতীয় মহড়া পরিদর্শন। এর আগে পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির মহড়া তিনি দেখেছেন। তার ভাষায়, সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে যথাযথ প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তার মতে, এসব মহড়া নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সাংবাদিক, নিরাপত্তা বাহিনী ও ১৩ কোটি ভোটারের সহযোগিতা কামনা করেন সিইসি। তিনি বলেন, জাতির কাছে দেওয়া সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নির্বাচন কমিশন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, সীমান্তবর্তী ১১৫টি উপজেলার মধ্যে ৬০টিতে শুধুমাত্র বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে। সন্দ্বীপ, হাতিয়া ও কুতুবদিয়া ছাড়া বাকি সব উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে।
মহড়া শেষে শহীদ শাকিল আহমেদ হলে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সিইসি। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ২৫টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত ৭৬ জন প্রার্থী ও স্বতন্ত্র চার প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান কুমিল্লা-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে আসনভিত্তিকভাবে প্রার্থীদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতীক বরাদ্দ ঘিরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় অধিকাংশ প্রার্থী নিজে উপস্থিত না থেকে তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রতীক সংগ্রহ করেন। কুমিল্লা- ৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলাীর প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহামম্মদ, কুমিল্লা-৭ আসনের বিএনপি প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদ, কুমিল্লা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী হআবুল কালাম আরও কিছু প্রার্থী নিজ নিজ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হয়ে প্রতীক গ্রহণ করেন।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রার্থীরা প্রচারণার কৌশল নির্ধারণ ও মাঠে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা পছন্দের প্রতীক গ্রহণ করেছেন।এরমধ্যে কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ মতিন খান পেয়েছেন তালা প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। কুমিল্লা ৭ চান্দিনা আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চান্দিনা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আতিকুল আলম পেয়েছেন কলস মার্কা। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. রেদওয়ান আহমেদ।
কুমিল্লা ৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম।
কুমিল্লার ১১টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮০ জন প্রার্থী। এরমধ্যে মধ্যে ৭৬ জন তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছেন। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লার ১১টি আসনে ২৫টি দলের ৭৬ জন প্রার্থী এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। একজন প্রার্থী হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসেছেন, এটা যাচাই-বাছাই করেছি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয়
সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজের করা ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যে কথাটা আমি আগে বলেছিলাম, নির্বাচন
অত সহজ হবে না, ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। গত কয়েকদিনের ঘটনা, শুক্রবারের (হাদির ওপর
গুলি) ঘটনা এবং চট্টগ্রামে আমাদের প্রার্থীর উপরে গুলিবর্ষণের ঘটনা; এ সবকিছু নিয়েই
প্রমাণিত হচ্ছে যে, যা আমি বলছিলাম তা কিন্তু সত্য হচ্ছে আস্তে আস্তে। এজন্য দেশের
বর্তমান পরিস্থিতিতে মতভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গত শনিবার সন্ধ্যায়
রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’
শীর্ষক কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান বলেন, আমরা যদি নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে নিয়ে না আসি, আমরা যদি নিজেরা
ঐক্যবদ্ধ না হই। এ দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।
তিনি বলেন,
প্রত্যেকবার এ দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়েছে, প্রত্যেক বার আপনারা, কখনো শহীদ জিয়ার
নেতৃত্বে, কখনো দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে, আস্তে আস্তে সেই খাদের কিনারা থেকে
দেশকে আবার বের করে নিয়ে এসেছেন।
ষড়যন্ত্রের
বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বিভিন্ন সূত্রের
খবর বলছে, এ ষড়যন্ত্রগুলো আরও খারাপও হতে পারে। আমাদের ভয় পেলে চলবে না, মানুষদের সাহস
দিতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা যত ঐক্যবদ্ধ হবো, আমরা যত সামনে এগিয়ে আসব, যেকোনো
মূল্যে নির্বাচন হবে; এ পরিস্থিতি যত আমরা তৈরি করব, ষড়যন্ত্রকারীরা তত পিছু হটতে বাধ্য
হবে।
চট্টগ্রামে
ও ঢাকায় দুই সম্ভাব্য প্রার্থীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে তারেক বলেন, চট্টগ্রামে
ঘটনা ঘটেছে, গতকাল (শুক্রবার) একটা ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা দিয়ে কেউ কোনো ফায়দা লোটার অবশ্যই
প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের
আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার পেছনে কারো কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কিনা ভেবে দেখার
পরামর্শ দিয়েছেন এই নেতা।
নেতাকর্মীদের
উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, এখন আমাদের সময় এসেছে আমি কী পেলাম এটা বাদ দিতে হবে। সময়
এসেছে আমি দেশ এবং জাতির জন্য কতটুকু করতে পারলাম। আজকে আপনি যদি দেশ এবং জাতির জন্য
কিছু করেন, তাহলে আগামী দিনে আপনার
যুদ্ধে নামার
আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। দয়া করে আসুন, এ যুদ্ধে
আমাদের জিততে হবে, এ যুদ্ধে জেতার সবচেয়ে বড় সহযোগী কে? বাংলাদেশের জনগণ। বাংলাদেশের
জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ যুদ্ধে আমাদেরকে জিততে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
তারেক রহমানকে
‘গণতন্ত্রের পথপ্রদর্শক’ আখ্যা আমির খসরু বলেন, এখন যার অপেক্ষায় বাংলাদেশ, গণতন্ত্রের
টর্চ বেয়ারার তারেক রহমান আগামী ২৫ তারিখে (ডিসেম্বর) বাংলাদেশে ফিরে আসবেন। এটা আমাদের
আনন্দের সংবাদ।
নেতাকর্মীদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের নেতা ২৫ তারিখ আসছেন। সেদিন থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক
অঙ্গনে এক নতুন জোয়ার সৃষ্টি হবে। আপনাদের সবাইকে সেদিনের জন্য, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত
থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন