

কুমিল্লা
মুরাদনগরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমপাল গ্রামবাসীর কাছে
আতঙ্কের আরেক নাম ছিল সুমন সরকার । সেই সুমন সরকারকে স্ত্রী হত্যা মামলার অভিযোগে পুলিশ আটক করেছে।
শুক্রবার যাত্রাবাড়ী প্রথম স্ত্রীর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁও থানা পুলিশ।
কুমিল্লা
মুরাদনগর আমপাল গ্রামের মৃত আলিম সরকারের ছেলে সুমন সরকার। নিহত রিমা সুমনের দ্বিতীয়
স্ত্রী, তার দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রহমান বলেন, মামলার প্রধান আসামী নিহতের স্বামী সুমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত
১৯ জুন সোনারগাঁও থানাধীন সাদিপুর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশ থেকে নিহত রিমার লাশ
একটি পলিথিন মোড়ানো বস্তা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে দায়িত্বরত দুই গেটম্যানকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, বরখাস্ত হওয়া ওই দুই গেটম্যান নিয়মিত গাঁজা সেবন করতেন এবং ঘটনার রাতেও তারা বহিরাগতদের নিয়ে নেশায় মত্ত ছিলেন।
গত শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের দিন রাতের বিভীষিকাময় এ দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই ঝরে যায় ১২টি প্রাণ। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। স্বজন হারিয়ে শোকস্তব্ধ পুরো এলাকা।
দুর্ঘটনার পর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি। পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে দায়িত্বরত গেটম্যানদের গাফিলতিকেই এ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।এদিকে, গেটম্যানদের কক্ষে গিয়ে মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং গাঁজা সেবনের উপকরণ বিছানার পাশেই পড়ে থাকতে দেখা গেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, গেটম্যানদের জন্য নির্মিত সরকারি কক্ষগুলোতে নেই কোনো নিয়মিত মনিটরিং। এই সুযোগে সেখানে প্রায়ই বসে নেশার আসর। ঘটনার দিন রাতেও গেইটম্যান মেহেদী ও হেলাল বহিরাগতদের নিয়ে গাঁজা সেবন করছিলেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এ রেলক্রসিংয়ে অব্যবস্থাপনা চলছে। দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অবহেলার কারণেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শেখ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, “গেটম্যানদের ঘরে কোনো ধরনের নেশা করা হয় না। দুর্ঘটনার বিষয়টি প্রকৌশল বিভাগ ভালো বলতে পারবে। কারণ এটি তাদের আওতাধীন।”এ বিষয়ে কুমিল্লা রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ইনচার্জ ফরহাদ সরকার বলেন, “গেটম্যানদের ঘরে যদি মাদক সেবন হয়, সেটি প্রথমে দেখবে স্টেশন মাস্টার। কারণ তারা তো আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে সেবন করবে না। তবে যদি অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এদিকে, ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্ত প্রতিবেদনেই উঠে আসবে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ।কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান জানান, তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জেলা প্রশাসন বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত দুই কিশোরের লাশ উত্তোলন করেছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কাজের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে গতকাল শনিবার (২৬ অক্টোবর) তাদের লাশ কবর থেকে তোলা করা হয়েছে।
তারা হলেন, দাউদকান্দির সুকিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মো. রিফাত (১৬)। রিফাত উপজেলার সুন্দলপুর হাই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। অপরজন দিনমজুর মো.বাবু মিয়া (২৩)। বাবু মিয়া উপজেলার তুজারভাঙ্গা গ্রামের অটোরিকশা চালক আব্দুল মান্নানের ছেলে।
গত ৪ আগস্ট দাউদকান্দিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রিফাত বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। ওইদিন রাতেই মারা যান রিফাত। পরদিন রিফাতের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করে তার পরিবার।
এ ঘটনার ১৪ দিন পর ১৮ আগস্ট রিফাত হোসেনের মামা পরিচয়ে আব্দুর রাজ্জাক ফকির বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত হত্যার ঘটনায় কুমিল্লার আদালতে আরেকটি হত্যা মামলা করেন তার মা নিপা বেগম। মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
দুই মামলাতেই সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন, পৌর মেয়র নাইম ইউসুফ সেইন-সহ ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের চার শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
অপরদিকে, গত ৫ আগস্ট বিকেলে দাউদকান্দি মডেল থানার সামনে দিনমজুর মো. বাবু মিয়া (২৩) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়। নিহত দিনমজুর বাবুর প্রতিবেশী লিটন আহম্মেদ পাভেল বাদী হয়ে ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না থাকায় আদালতের নির্দেশে তাদের দুজনের লাশ উত্তোলন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তাদের লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দাউদকান্দি মডেল থানার উপপরিদর্শক হারুনুর রশিদ।
দাউদকান্দি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে আইনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আবার লাশ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
নগরীতে তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর কুমিল্লা।
আজ সোমবার কান্দিরপাড় ভিক্টোরিয়া কলেজ রোড়ে জম-জম টাওয়ারে অবস্থিত তিনটি প্রতিষ্ঠান জম-জম ক্যান্টিন, ক্যাফে কর্ণার এবং গোল্ডেন স্পুন চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (MRP) চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানটি
পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো.
কাউছার মিয়া।
উক্ত
অভিযানে সহযোগিতা করেন ক্যাব কুমিল্লা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মাসাউদ আলম, অফিস সহকারী
ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল।
সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া জানান, পণ্যের মূল্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত এমন অভিযান চলবে। ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় আমরা সর্বদা সচেষ্ট।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনায় পৃথক অভিযানে আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। তাদেরকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতের বিভিন্ন সময় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতারকৃতরা হলো- চান্দিয়ারা ভূইয়া বাড়ির মৃত তৈয়ব আলী ভূইয়ার ছেলে ফারুকুল ইসলাম ভূইয়া, সে চান্দিনা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি। বেলাশ্বর কচুয়ারপাড় গ্রামের মৃত জলফু মিয়ার ছেলে চান্দিনা পৌর তাঁতী লীগ সভাপতি মো. মাহাবুব আলম, হাসিমপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেম এর ছেলে বাতাঘাসি ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা নজরুল ইসলাম লিটন। এদিকে মাধাইয়া ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা নাওতলা গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে কামরুল হাসান (কুট্টি) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপরদিকে বেলাশ্বর গ্রামের কুটু মিয়ার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম কে বিস্ফোরক আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ মো. জাবেদ উল ইসলাম জানান, আটককৃতদের মধ্যে ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। অপর ৩ জনকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রবিউল হাসান অমি,প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুমিল্লা
ইউনিটের ১১ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উক্ত কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে মো:
আমিরুল কায়ছার (জেলা প্রশাসক,কুমিল্লা)। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে মোস্তাক মিয়া (বিএনপির
কেন্দ্রীয় কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ডায়াবেটিস সমিতির সাধারণ
সম্পাদক), সেক্রেটারি হিসেবে জামিল আহমেদ খন্দকার ( বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক )।
উক্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন
মীর আবু জাফর শামসুদ্দিন দিদার, শাহাজাদা এমরান, অধ্যাপক এ,কে , এম এমদাদুল হক মামুন,
সৈয়দ মোতাহের আলী দিলাল, মোহাম্মদ মাসউদ আলম, অধ্যাপক মো.মনিরুল ইসলাম, ফেরদৌস সায়েম
ভূইয়া ও গোলাম ইউসুফ চৌধুরী।
উক্ত কমিটি ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অনুমোদন
করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির মো. আশরাফ আলম, এনডিসি। এস.জি(ইউ.এ)-১৮৪৫/০১৩
স্মারকে এই কমিটি অনুমোদন করেন।
মন্তব্য করুন


আসফিয়া আমান, প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (BAIUST)-এর শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও বৈশ্বিক সচেতনতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত বাইউস্ট গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল (BGAC)-এর ৬ষ্ঠ কার্যনির্বাহী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। নতুন নেতৃত্বে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আইন বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আল আমামিন সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিবিএ বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাত্রি দে। সংগঠনের অগ্রযাত্রাকে আরও বিস্তৃত, কৌশলগত ও ফলপ্রসূ করার প্রত্যয়ে এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সদস্যদের উপস্থিতিতে আয়োজিত সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা, কর্মপরিকল্পনা ও মানোন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
সভাপতি মো. আল আমামিন সরকার তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, আজকের বিশ্ব বাস্তবতায় কেবল সনদ নির্ভর শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীকে পূর্ণাঙ্গ করে তোলে না; বরং প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিসর, যুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ, নীতিগত অবস্থান গ্রহণের সক্ষমতা এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সাহস। তিনি উল্লেখ করেন, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সমসাময়িক বৈশ্বিক ইস্যু, কূটনীতি ও নীতিনির্ধারণের অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতাকে বাস্তবতার সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারে। তিনি আরও দৃঢ়ভাবে বলেন, “আমরা শুধু একটি সংগঠন পরিচালনা করতে চাই না; আমরা এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই, যারা চিন্তায় প্রগতিশীল, সিদ্ধান্তে দায়িত্বশীল এবং নেতৃত্বে আত্মবিশ্বাসী।”
সাধারণ সম্পাদক রাত্রি দে তাঁর বক্তব্যে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব এবং ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি জানান, নতুন কমিটি সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণাভিত্তিক আলোচনা, প্রতিযোগিতামূলক অংশগ্রহণ এবং বৃহত্তর নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ সম্প্রসারণে অগ্রাধিকার দেবে। তাঁর মতে, একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে ওঠে সমন্বয়, দায়বদ্ধতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। সভার সমাপ্তিতে সদস্যরা প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন যে, তারা একযোগে কাজ করে বাইউস্ট গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলকে আরও উচ্চতায় পৌঁছে দেবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার করেছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, (২৩ জানুয়ারি) শুক্রবার ভোর ৫টা ৩০ মিনিট ও সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার বিওপি’র অধীন গোলাবাড়ী ও কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহল দল পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বড়বাড়ি এলাকায় এবং প্রায় ১০০ গজ অভ্যন্তরে থ্রীস্টার তেলের পাম্প নামক স্থানে মালিকবিহীন অবস্থায় একটি মিনি পিকআপ জব্দ করা হয়। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় শাড়ী, বাসমতি চাউল, রেডবুল ও আমুল বাটার উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত চোরাচালানি পণ্যের আনুমানিক বাজার মূল্য ৬১ লাখ ১৬ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি আরও জানায়, জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম ফকিরবাজার এলাকায় অপরাধী চক্রের একটি টর্চার সেলের সন্ধান পায় সেনাবাহিনী।
আর সে টর্চার সেল থেকে দেশীয় অস্ত্র ও এলজিসহ সালাউদ্দিন খান (৩৮) নামে একজনকে আটক করে সেনাবাহিনী।
২৩ বীর সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম স্টেশনের কর্মকর্তা মেজর মাহিন জানান, সালাউদ্দিন খানসহ স্থানীয় সন্ত্রাসীরা কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষকে জোরপূর্বক ধরে এনে টর্চার সেলে অমানবিক নির্যাতন চালাতো। টর্চার সেলে অস্ত্র মজুত রাখা ও নির্যাতনের অভিযোগটি আগেই আমরা পেয়েছি। পরে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। রোববার রাতে উপজেলার ফকির বাজারে রিয়াজ হুসাইন কামালের ‘লন্ডন বাড়ি'র টর্চার সেলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। এ সময় অস্ত্রসহ মূল হোতা সালাউদ্দিনকে আটক করা হয়। তবে সালাউদ্দিনের সহযোগীরা সেনাবাহিনীর অবস্থান টের পেয়ে পালিয়ে যায়। সালাউদ্দিন খান স্বীকারোক্তি দিয়েছে। মানুষকে টার্গেট করে টর্চার সেলে এনে জিম্মি করতো তারা। নির্যাতন চালিয়ে আদায় করতো অর্থ। সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটককৃত সালাউদ্দিন চৌদ্দগ্রাম থানার গুণবতী কালিয়াতর (বিষ্ণুপুর) গ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ৮৯ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
আজ (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে অভিনব কৌশলে পিকআপের
পিছনে মালামাল পরিবহণের ক্যারেটের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। জুয়েল
রানা এবং ২। মোঃ আকাশ নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামী’দ্বয়ের
কাছ থেকে ৮৯ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। জুয়েল রানা (৩১) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার চন্ডীপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে এবং ২। মোঃ আকাশ (৩২) একই থানার উত্তর বাসুদেরপুর গ্রামের মোঃ খোকন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে দিনাজপুর সহ অন্যান্য জেলায় মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ
করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল - প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কার্যক্রমে সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রাতের অন্ধকারে কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, নির্ধারিত নিয়ম ও সময় উপেক্ষা করে রাতের বেলায় নির্মাণ কাজ চলায় এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
ডিসির বাসভবন সড়ক সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, রাতের সময় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নির্মাণকাজ সাধারণত নির্ধারিত কর্মঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।
আইন ও বিধি অনুযায়ী অবস্থান
সরকারি নির্মাণকাজে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR), শ্রম আইন ২০০৬, এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় রাতের বেলায় ভারী নির্মাণকাজ চালানো হলে তা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬–এর পরিপন্থী হতে পারে।
এ ছাড়া কারাগারের মতো সংবেদনশীল স্থাপনার আশপাশে রাতের নির্মাণকাজ চললে তা সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়দের উদ্বেগ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের বেলায় কাজ চলার কারণে চলাচলে বিঘ্ন, শব্দদূষণ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুপস্থিত
এ বিষয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সচেতন নাগরিকদের মতে, সরকারি নির্দেশনা ও আইনগত বিধি মেনে স্বচ্ছভাবে নির্মাণকাজ পরিচালনা না হলে তা জনস্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত হবে
মন্তব্য করুন