

কেউ যাতে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ল' অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (রুলা) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ঐতিহ্য তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, জাতিকে নেতৃত্ব দিতে, জনসাধারণের সেবা করতে এবং বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখে চলেছে রাবি আইন অনুষদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা স্মরণ করি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের, যাদের অসীম সাহসিকতায় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের শহিদদের শ্রদ্ধা জানাই। যাদের অসীম আত্মত্যাগ এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছে। তাদের আর্তনাদ ছিল 'আমরা ন্যায়বিচার চাই'। এখন একটি ন্যায্য সমাজের অন্বেষণ প্রতিধ্বনিত হয়। আইনজীবীরা সংবিধানের প্রথম সারির রক্ষক। আইনজীবীরা কণ্ঠহীনদের প্রতিনিধিত্ব করেন। ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠায় অসীম ভূমিকা রাখেন আইনজীবীরা। তিনি বলেন, আইনজীবীরা বিচার বিভাগ ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন। বিচার বিভাগ সংস্কারের জন্য একটি ব্যাপক রোডম্যাপ ঘোষণা করেছি। এই উদ্যোগটি আমাদের বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করতে এবং সততা ও দক্ষতার সাথে জনগণের সেবা করার ক্ষমতাকে শক্তিশালী করার ভিত্তি। বিচার বিভাগীয় সংস্কারের জন্য মূল লক্ষ্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে শক্তিশালী করা। বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় তৈরির প্রক্রিয়া ঘোষণা করেছি। যা বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং যোগ্যতা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য একটি বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কাউন্সিল গঠনে সরকারের কাছে প্রস্তাব করেছি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন বলে জানায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
২৮ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে এই তথ্য জানানো হয়েছে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বিবিএস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর ন্যাশনাল রিপোর্ট প্রকাশনা অনুষ্ঠানে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন জনসংখ্যার মধ্যে পল্লী অঞ্চলে বসবাস করেন ১১ কোটি ৬০ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ জন এবং শহরের বসবাস ৫ কোটি ৩৭ লাখ ৬৩ হাজার ১০৭ জন।
মোট জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার ৩ জন ও নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৫৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৮৪ জন। শতকরা হিসাবে পুরুষ ৪৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং নারী ৫০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী বৃহস্পতিবার (৬
নভেম্বর) চার দিনের সরকারি সফরে তার নিজ জেলা পাবনায় যাচ্ছেন।
গত বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার
আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে
পাবনায় পৌছাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর জেলা সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার
গ্রহণ করবেন তিনি। পরে সেখানেই রাত্রিযাপন করবেন রাষ্ট্রপতি।
পরদিন শুক্রবার (৭ নভেম্বর) আরিফপুরে পিতা-মাতার
কবর জিয়ারত করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।
এরপর শনিবারও (৮ নভেম্বর) সার্কিট হাউজে নিকট আত্মীয়দের
সঙ্গে দেখা করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাতে সেখানেই থাকবেন তিনি।
সফরের শেষ দিন রোববার (৯ নভেম্বর) সার্কিট হাউজে
গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে হেলিকপ্টারে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয়
নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়। পাশাপাশি জেলা প্রশাসককে প্রশাসনিক ব্যবস্থার
সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় যানবাহনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়।
মন্তব্য করুন


শিগগিরই
স্থানীয় সরকার পর্যায়ে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার
আব্দুর রহমানেল মাছউদ। আজ রবিবার (১ মার্চ) রিপোটার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি
(আরএফইডি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা জানান।
নির্বাচন
কমিশনার মাছউদ বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন শিগগিরই হবে। রমজানের পরেই স্থানীয় সরকার
পর্যায়ে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে।
একরে
পর এক বিভিন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে এবং এটি সারা বছর ধরে চলতে থাকবে।’
ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ভালো হয়েছে। তবে
ভালোর ডিগ্রি নেই। আরো ভালো করা যায় কি না; আমাদের নিজস্ব ঘাটতি ছিল কি না, কমিশন সেই
বিষয়ে ভাবছে, কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আজ রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে শুরু হবে ভোট উৎসব। উৎসবের আবহ থাকলেও, একই সঙ্গে নানা শঙ্কা ও উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছে নির্বাচনী মাঠে।
কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনসহ সারা দেশের মোট ৩০০টি সংসদীয় আসনে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবার দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় ভোটযজ্ঞে অংশ নেবেন কোটি কোটি ভোটার।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে: চলবে। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।" কুমিল্লায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, মোতায়েন ৭৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট:
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১১টি সংসদীয় গআসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ
নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী মাঠে সার্বিক তদারকির জন্য মোট ৭৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্বাহী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। নিরাপত্তা জোরদার, মাঠে সব বাহিনী নির্বাচন ঘিরে কুমিল্লায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
কুমিল্লায় ভোটার সংখ্যা লাখে লাখে:
নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনে প্রায় দেড় হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ৪৮ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটার। ভোটের আগের শেষ দিনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জমজমাট থাকলেও, ভোটগ্রহণ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহের
পাশাপাশি উদ্বেগও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা ও প্রত্যাশা: ভোটের আগের দিন কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ স্পষ্ট। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের আশঙ্কা ভোটারদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশাড়সব শঙ্কা পেরিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দেবে আগামীকালের ভোট।সব মিলিয়ে, রাত পোহালেই কুমিল্লাসহ সারাদেশে শুরু হচ্ছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। এখন দেখার বিষয়, ভোটারদের অংশগ্রহণ ও প্রশাসনের ভূমিকার মধ্য দিয়ে এই নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।
কুমিল্লার ১১টি আসনের ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি:
বিগত কয়েকটি জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচনের সময় সহিংসতার বিষয় মাথায় রেখে কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের ১৭টি উপজেলার ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি কেন্দ্র। এর মধ্যে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের শতভাগ ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘পুরোনো ব্যবস্থার রাজনীতি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে”। যেই রাজনীতি হবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, মামলাবাজদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মান না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চলবেই। যত বাঁধা, ভয়ভীতি আসুক আমরা থেমে যাবো না। আমরা জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আগামীর নির্বাচনে কোনো ধরনের কারিগরি ষড়যন্ত্র জনগণ হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আনুকূল্য চাই না কিন্তু কমিশন যদি কারো প্রতি আনুকূল্য দেখায় তবে সেটি বরদাস্ত করা হবে না। কালো টাকায় কেউ মানুষকে কেনার চেষ্টা করলে মানুষ মুখে ছাঁই মেরে দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত জাতিকে কেউ কালো টাকায় কিনতে পারবে না।
আমীরে জামায়াত বলেন, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অবিচার করার কারণে, বৈষম্যের সৃষ্টি করায় মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। যারা ৭০ এর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিল তারা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বৈষম্যহীন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর তারা ক্ষমতায় বসে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল। তারা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। রক্ষী বাহিনী গঠন করে যখন যাকে ইচ্ছে তাকে খুন করা হয়েছিল, মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে পরিবারতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতি করেছিল। বিদেশী দাতা সংস্থাদের দান করা খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ লুট করা হয়েছিল। তাদের সাড়ে চার বছরের দুঃশাসন মানুষকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। কে তাদেরকে হত্যা করেছিল?- একাত্তরের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় বীরদের হাতেই তারা হত্যার শিকার হয়েছিল। কেন হত্যার শিকার হয়েছে সেই উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে। ৭২ এর ১০ জানুয়ারী, ৯৬ এর ১০ জানুয়ারী, ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী তারা তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। ৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার আগে অতীতে তাদের দল যেই খুন করেছে, জুলুম করেছে তা স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। জনগণ সরল বিশ্বাসে তাদেরকে ক্ষমতায় বসানোর পর তারা আবার নিজের রূপে ফিরে আসে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চট্রগ্রামে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল তার দলের একজন মারা গেলে ১০ জনকে হত্যা করা হবে। একজন প্রধানমন্ত্রী কতটা দায়িত্ব জ্ঞানহীন হলে এমনটা বলতে পারে। সেই সময় তারা মানুষকে হত্যা করে খালে-বিলে লাশ ফেলেছে।
পরবর্তীতে তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে মানুষকে সাপের মতো পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় হত্যার পর তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। যেই দৃশ্য দেখে পুরো বিশ্ব ব্যথিত হয়েছে। ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় এসে তারা প্রথমেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। একে একে তারা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেছিল। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে এদেশের আলেম-ওলামাদের হত্যা করেছিল। তাদের শাসনামলের ১৫ বছরে এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে আওয়ামী লীগের জুলুম থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে। যার কারণে জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে পুরো দেশবাসী ফুঁসে উঠেছিল। তারা জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। এখন তারা পলাতক থেকেই চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট এখন এদেশের তরুণ ও বিপ্লবীরা। সেই টার্গেটের অংশ হিসেবে তারা জুলাইয়ের অন্যতম শীর্ষ নেতা ওসমান হাদীকে হত্যা চেষ্টা করেছে। ওসমান হাদীর কিছু হলে বিপ্লবীরা বসে থাকবে না। আওয়ামী লীগ ভেবেছে ওসমান হাদীকে শেষ করতে পারলে কিংবা কয়েকজন বিপ্লবীকে শেষ করতে পারলে তারা সফল হবে কিন্তু না! বিপ্লবীর সংখ্যা তারা কমাতে পারবে না। বরং ক্রমেই বিপ্লবী তরুণদের সংখ্যা বাড়বে। তরুণরা আওয়ামী লীগের সকল অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। আমীরে জামায়াত, উপস্থিত যুব সমাজকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘‘রাজপথে বিজয়ে, চলো এক সাথে বাংলাদেশ গড়ি’’- স্লোগানে জামায়াতে ইসলামী সকলকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে প্রস্তুত। আজকের এই যুব ম্যারাথন অতীতের বস্তা পঁচা রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার রাজনীতির বার্তা দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা যেই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম সেই বাংলাদেশে মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ৭১ এর চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই চব্বিশে নতুন চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবেই, হবে। বুলেট-বোমাকে ভয় না করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ যুব সমাজকে দৃঢ় শপথ নিতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পরিচালনায় যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক প্রমুখ। এসময় কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী সভা শেষে, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে যুব ম্যারাথন উদ্বোধন করেন। যুব ম্যারাথনে অর্ধ লাখ তরুণ যুবক অংশগ্রহন করেন। ম্যারাথনটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু করে শাহবাগ-সাইন্সল্যাব হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


প্রায় দেড়শ
বছরের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী সৌদি আরবের সবচেয়ে প্রবীণ নাগরিক শেখ নাসের বিন রাদ্দান
আল রশিদ আল ওয়াদাইয়ের ইন্তেকাল করেছেন।
পরিবারের দাবি
অনুযায়ী, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৪২ বছর। গত ১১ জানুয়ারি সৌদি আরবের দাহরান
আল এলাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পরিবারের তথ্যমতে,
আধুনিক সৌদি আরব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও বহু আগে ঊনবিংশ শতকে আল রশিদের জন্ম
হয়েছিল। তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মরুপ্রধান সমাজ থেকে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক
সৌদি আরবের রূপান্তর এবং একাধিক সৌদি শাসকের শাসনকাল প্রত্যক্ষ করেছেন।
পরিচিতজনদের
ভাষ্যে, তাঁর দীর্ঘ জীবনের মূল ভিত্তি ছিল দৃঢ় ধর্মবিশ্বাস ও পরিবার। জীবদ্দশায় তিনি
৪০ বারেরও বেশি পবিত্র হজ পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি ১৩৪ জন সন্তান, নাতি-নাতনি ও
তাঁদের বংশধর রেখে গেছেন। তিনি সাত বিয়ে করেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১১০ বছর বয়সে তিনি
শেষবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।
মন্তব্য করুন


সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত দেড়টায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানায়, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে
মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ করা
হয়েছে।
এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে (তিন পার্বত্য জেলা বাদে ২১টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ
হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯৯ জন।
গত ২৯ মার্চ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ
৪৯ হাজার ২৯৩ জন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফলাফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা
মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।
মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।
গত বছরের ১৪ জুন এ নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়।
মন্তব্য করুন


কোনো
পরিস্থিতিতেই জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসা হবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত
করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ইরান
যুদ্ধের জেরে অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কোনো ক্ষেত্রে কেবল কিছুটা সময় প্রয়োজন হতে পারে
উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের প্রত্যাশা বর্তমান সরকারের কাছে অনেক,
সেটি আমরা বুঝতে পারি। আমরা যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলাম, তা থেকে বিন্দুমাত্র অবস্থান
পরিবর্তন করব না। তবে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ক্ষেত্রবিশেষে কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে
হয়তো সময় বেশি লাগতে পারে। তাই সবাইকে ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুরোধ করছি।’
আজ
মহাখালীর কড়াইলে বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নতুন
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা
বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এতে
সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
অনুষ্ঠানের
শুরুতে পবিত্র কোরআন, বেদ, ত্রিপিটক, বাইবেল পাঠের পর বিএনপি দলীয় সংগীত পরিবেশ করা
হয়। অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ডের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রধান অতিথির
আগে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বক্তব্য রাখেন। এরপর পরিবেশন করা
হয় জাতীয় সংগীত।
এ
অনুষ্ঠানে ১৭ জন নারীর হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কার্ড তুলে দেওয়ার পরপরই সরকারপ্রধান ল্যাপটপে একটি বাটন প্রেস করেন, সঙ্গে সঙ্গে উপকারভোগীদের
কাছে নগদ অর্থ চলে যায়। এ সময় করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।
প্রধানমন্ত্রীর
কথায়, তারা একটি দায়িত্বশীল সরকারের ভূমিকা পালন করতে চান। যে সরকার জনগণ ও দেশের জন্য
কাজ করবে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকতে চায়।
তিনি
বলেন, ‘তারই একটি অংশ হিসেবে আমাদের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনের পূর্বে
আমরা বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। বাংলাদেশের নারী সমাজের কাছে
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের
কাজ শুরু করব।
তিনি
আরো বলেন, আপনারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন, আমরা আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন
নিয়ে বিগত নির্বাচনে সরকার গঠন করার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আমাদের এই প্রতিশ্রুতি
জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছি।
নির্বাচনের
সময়ে ব্যবহৃত স্লোগান ‘করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’
বলে নিজের বক্তব্যের সমাপ্তি টানেন তারেক রহমান।
সমাজকল্যাণ
মন্ত্রী অধ্যাপক আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন,
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ
আবু ইউসুফ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে
মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, এমপি, কূটনীতিকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল শনিবার (৩০ নভেম্বর) কুমিল্লার মুরাদনগরে নিজ জন্মভূমিতে সংবর্ধিত হবেন স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, জুলাই বিপ্লবের অন্যতম এ নেতাকে বরণে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টায় মুরাদনগর ডিআর সরকারি হাইস্কুল মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এরপর যাবেন পৈত্রিক বাড়ি আকুবপুরে। অনুষ্ঠানে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করবেন। উপদেষ্টার আগমন ঘিরে উপজেলা জুড়ে উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। তরুণ এ উপদেষ্টার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে উচ্ছ্বসিত ছাত্র সমন্বয়ক ও আয়োজকবৃন্দ।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান জানান, মধ্যাহ্ন ভোজের আগে উপদেষ্টা উপজেলার কর্মকর্তাদের সাথে একটি মতবিনিময় করবেন। এরপর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে শীত বস্ত্র বিতরণ কমসূচিও রয়েছে। মুরাদনগরবাসীর পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবর্ধনার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন