

কিশোরগঞ্জের
কটিয়াদীতে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি)
দুপুরে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মন্ডলভোগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
মো. বজলুর রহমান (৬০) ওই গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে জুবায়ের (২৫)
পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ
জানায়, দুপুরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবার সঙ্গে অটোরিকশা চালক ছেলে জুবায়েরের কথা
কাটাকাটি হয়। এ সময় বাবাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় উত্তেজিত জুবায়ের।
আশঙ্কাজনক
অবস্থায় তাকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
মৃত ঘোষণা করেন।
চান্দপুর
ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহিদুল হক উজ্জ্বল জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে
কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবা ও ছেলের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে উত্তেজিত হয়ে ছেলে তার বাবাকে
ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাবাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর
পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অভিযুক্ত জুবায়েরকে
ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
কটিয়াদী
মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান করছে। অভিযুক্তকে ধরতে
অভিযান চালাচ্ছে হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


দুর্নীতি
দমনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বিএনপি- এমন মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপি
আয়োজিত ‘বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশ এবং জনগণকে পক্ষে নিতে না পারলে দেশের অস্তিত্ব নিয়ে
ভবিষ্যতে প্রশ্ন দেখা দেবে। বিভাজন ও বিভক্তি রেখে দেশ গড়া সম্ভব নয়। যেকোনো মূল্যে
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় দৃষ্টিকোন
থেকে নয়, আইনের মাধ্যমে বিচার করা হবে। দুর্নীতি দমনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বিএনপি।
সরকার গঠনে সক্ষম হলে স্বাবলম্বী মা এবং স্বাবলম্বী পরিবার গড়ে তুলা হবে। শিক্ষা খাতের
পরিকল্পনার বিষয়ে তারেক রহমান বলেছেন, স্কুলে কয়েকটি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা হবে।
বাচ্চারা নিজেরাই ঠিক করবে কোন ভাষা শিখবে। ইংরেজির পাশাপাশি আরো একটি ভাষা শিখতে হবে।
তরুণদের
জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনাও ব্যক্ত করেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি
কার্ড দেয়া হবে। রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা যেভাবে জনগণের কাছে নেওয়া যায় তাই করা হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৩ লাখের মতো মসজিদ আছে। মসজিদগুলোতে যে ইমাম-মুয়াজ্জিন
সাহেবরা আছেন, তাদের সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।
অনেকেই
অনেক কথা বলছে, কিন্তু ক্ষমতায় গেলে কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে তা বিএনপির মতো বিস্তারিত
কেউ তুলে ধরেনি বলেও মন্তব্য করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


গতকাল ০৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে তাঁর বসুন্ধরাস্থ কার্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও শিক্ষা-বান্ধব পরিবেশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচন-পূর্ব সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের ধারাবাহিক অগ্রগতি, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে সম্মানিত উপাচার্য মহোদয় বিস্তারিতভাবে আলোকপাত করেন।
এ প্রসঙ্গে সম্মানিত আমীরে জামায়াত বলেন, জাতীয় জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়—এটি আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। দেশ, শিক্ষা ও তরুণ প্রজন্মের কল্যাণে সকল পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা তিনি প্রত্যাশা করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা ৬ (সদর, সদর দক্ষিণ ও ক্যন্টনম্যান্ট) সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী সমর্থনে রাষ্ট্র কাঠামো বিনির্মাণে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেছে বিএনপি নেতা কর্মীরা। সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা মহানগর ও দক্ষিণ জেলার বিএনপির আয়োজনে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালিত হয়। লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি নগরীর টমছমব্রীজ থেকে শুরু করে সালাউদ্দিন মোড় হয়ে কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
মহানগর বিএনপি নেতা সোহেল মজুমদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কুমিলা মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সংগঠক ড. শাহ মোহাম্মদ সেলিম, কৃষক দলের সভাপতি মোস্তফা জামান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হক ভুঁইয়া স্বপন, মহানগর বিএনপির সিনিয়ার যুগ্ন আহবায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়সালুর রহমান পাভেল, সাবেক প্যানেল মেয়র আব্দুস সালাম মাসুক, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মাহবুব, খলিলুর রহমান, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আকতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, বিএনপি নেতা জাফর ইকবাল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ খোকা প্রমুখ। এসময় মহানগর ও দক্ষিণ জেলার বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন কুমিল্লা ৬ আসনের জন্য মনিরুল হক চৌধুরীকে মনোনীত করায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা কুমিল্লা মহানগর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ মনিরুল হক চৌধুরীর তথা ধানের শীষের প্রার্থীর জয়ের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ। তারা বলেন, কোন ষড়যন্ত্রই ধানের শীষের বিজয় আটকাতে পারবেনা। আগামী ফেব্রুয়ারী নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে ধানের শীষের প্রার্থীকে আমরা বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ।
মন্তব্য করুন


সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি
গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ‘মার্চিং অর্ডার’ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সচিব সভায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এ নির্দেশনা দেন।
উপদেষ্টার
নির্দেশনাগুলো হলো:
১. সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি
গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ‘মার্চিং অর্ডার’ দিয়েছেন।
২. সংস্কার কর্মসূচি প্রণয়নে প্রয়োজন
অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও মতামত গ্রহণ করতে হবে।
৩. জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা
বৈষম্যহীন মানবিক দেশ গড়ার যে প্রত্যয়, যে ভয়হীন চিত্ত আমাদের উপহার দিয়েছে, তার ওপর
দাঁড়িয়ে বিবেক ও ন্যায়বোধে উজ্জীবিত হয়ে আমাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা
নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।
৪. নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য গৎবাঁধা
চিন্তা-ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে, চিন্তার সংস্কার করে, সৃজনশীল উপায়ে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দিয়ে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
৫. দুর্নীতির মূলোৎপাটন করে, সেবা সহজীকরণের
মাধ্যমে জনগণের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।
৬. সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার
নিশ্চিত করতে হবে।
৭. সরকারি ক্রয়ে যথার্থ প্রতিযোগিতা
নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দুর
করতে হবে।
৮. সৃষ্টিশীল, নাগরিক-বান্ধব মানসিকতা
নিয়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়/বিভাগ স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কর্মসূচির সময়াবদ্ধ
কর্মপরিকল্পনা দাখিল করবে, যা নিয়মিত মূল্যায়ন/পরিবীক্ষণ করা হবে।
৯. ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সৃষ্ট
নতুন বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্বব্যাপী যে আগ্রহ, ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, দেশের স্বার্থে
তা সর্বোত্তম উপায়ে কাজে লাগাতে হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের গঠন করা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জনসাধারণের জন্য প্রকাশ
করা হয়েছে। আট খণ্ডের এ প্রতিবেদনে রয়েছে- কমিশনের সুপারিশ, জুলাই জাতীয় সনদ, রাজনৈতিক
দল ও জোটগুলোর মতামত, আলোচনার সারসংক্ষেপ, বিভিন্ন নথিপত্র এবং কমিশনের করা জনমত জরিপের
ফলাফল।
আজ মঙ্গলবার
( ০৯ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অন্তর্বর্তী
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর গত বছরের অক্টোবর থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১১টি সংস্কার কমিশন
গঠন করা হয়। প্রথম ছয়টি কমিশনের কার্যক্রম শেষের দিকে এলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূসকে সভাপতি এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান প্রফেসর আলী রীয়াজকে সহ-সভাপতি
করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসন সংস্কার
কমিশনের প্রধানরা ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব পালন করতে না পারায় ওই দুই কমিশনের জ্যেষ্ঠ
সদস্যদের জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
চলতি বছরের
১৫ ফেব্রুয়ারি কমিশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর পর রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের
সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা চলে। এর ধারাবাহিকতায় ৩১ জুলাই চূড়ান্ত করা হয় জুলাই জাতীয়
সনদ ২০২৫, যা পরে ১৭ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত
হয়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করার জন্য সরকার সম্ভাব্য সবকিছু করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) জার্মান রাষ্ট্রদূত “ রুডিগার লোটজের “ সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় প্রধান উপদেষ্টা জার্মান রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, তিনি এখানে অবস্থানকালে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সনদে সই করার জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত করে একটি চমৎকার কাজ করেছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত—যা ঐক্য এবং পরিবর্তনের জন্য একটি অভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেখিয়েছিল। এটি আসন্ন নির্বাচনের আগে আস্থা তৈরিতে সহায়তা করে।’
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানান এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছে এটা খুবই উৎসাহব্যঞ্জক। তিনি সরকারের সংস্কার প্রচেষ্টার, বিশেষ করে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশংসা করেন।
রুডিগার লটজ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে বসে কথা বলতে দেখে ভালো লাগছে। নির্বাচনের পরও দেশের এসব সংস্কার উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।’
রাষ্ট্রদূত জার্মানিতে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর ক্রমবর্ধমান সংখ্যার কথাও উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন


প্রতি বছরের মতো এবারও পেঁয়াজের বাজারে আগুন। নভেম্বরের শুরুতে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। ফলে বাজারের স্থিতিশীলতা ফেরাতে পেঁয়াজ আমদানির সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)।
ট্যারিফ কমিশনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১১০ টাকা ছাড়ানোয় দ্রুত আমদানির অনুমতি দিলে দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্য সচিব ও কৃষি সচিবের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।
বাজার বিশ্লেষণে কমিশন জানায়, পেঁয়াজের উচ্চমূল্যের সুবিধা কৃষক নয়, বরং মধ্যস্বত্বভোগীরা ভোগ করছে। তাদের প্রভাব কমাতে আমদানির সুযোগ দিলে ভোক্তারা ন্যায্য দামে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের পেঁয়াজ আমদানির ৯৯ শতাংশ আসে ভারত থেকে। এছাড়া তুরস্ক, মিয়ানমার, পাকিস্তান, চীন ও মিসর থেকেও কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ আসে। গত অর্থবছরে দেশে মোট ৪ লাখ ৮৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে, যেখানে স্থানীয় উৎপাদন ছিল প্রায় ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার টন।
তবে সংরক্ষণের সমস্যা ও পচনজনিত কারণে উৎপাদিত পেঁয়াজের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বেড়ে যায় বলে জানিয়েছে ট্যারিফ কমিশন।
বর্তমানে পেঁয়াজ আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে। তবে দাম আরও বেড়ে গেলে সরকার শুল্ক হ্রাসের দিকেও যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চ-এর মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির বিষয়ে সবশেষ তথ্য জানিয়েছে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড।
আজ
শনিবার ( ১৩ ডিসেম্বর ) মেডিকেল বোর্ড থেকে
পাঠানো আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ওসমান হাদির মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে। যেহেতু অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে, সেহেতু এখন কনজারভেটিভভাবেই ম্যানেজ করতে হবে।
তার কিডনির কার্যক্ষমতা ফেরত এসেছে। তবে সার্বিকভাবে তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।’এতে
বলা হয়, ওসমান হাদিকে গতকাল (১২ ডিসেম্বর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে
অপারেশনের পরে এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর
করা হয়।
মেডিকেল
বোর্ডের অবজারভেশন ও সিদ্ধান্ত সমূহ—
১.
রোগীর মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেহেতু সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ সম্পন্ন
হয়েছে, তাই বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে। ব্রেন প্রোটেকশন প্রটোকল
অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব সাপোর্ট চালু থাকবে। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে
পুনরায় ব্রেনের সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।
২.
ফুসফুসে ইনজুরি বিদ্যমান রয়েছে। চেস্ট ড্রেইন টিউব দিয়ে অল্প পরিমাণ রক্ত নির্গত হওয়ায়
তা আপাতত চালু রাখা হয়েছে। ফুসফুসে সংক্রমণ ও এআরডিএস প্রতিরোধের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা
অবলম্বন করে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট অব্যাহত রাখা হবে।
৩.
কিডনির কার্যক্ষমতা বর্তমানে ফিরে এসেছে। এটি বজায় রাখার জন্য পূর্বনির্ধারিত ফ্লুইড
ব্যালেন্স যথাযথভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।
৪.
পূর্বে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধা ও রক্তক্ষরণের মধ্যকার অসামঞ্জস্যতা (ডিআইসি) দেখা দিলেও
বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ অবস্থা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে এবং
প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত ও রক্তজাত উপাদান সঞ্চালন অব্যাহত থাকবে।
৫.
ব্রেন স্টেম ইনজুরির কারণে রক্তচাপ ও হৃৎস্পন্দন ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
বর্তমানে যে সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে, তা চলমান থাকবে। হৃৎস্পন্দন বিপজ্জনকভাবে কমে গেলে
তাৎক্ষণিকভাবে টেম্পোরারি পেস-মেকার স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট টিম সম্পূর্ণ প্রস্তুত
রয়েছে।
৬.
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার, রেডিওলজি, আইসিইউ, অ্যানেস্থেশিয়া,
নিউরোসার্জারি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের চিকিৎসক ও সাপোর্টিভ স্টাফদের অসাধারণ
ও মানবিক অবদানের জন্য এই মেডিকেল বোর্ড তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।
৭.
বর্তমানে রোগীর সার্বিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
৮.
বোর্ড এই মেডিকেল সামারিটা রোগীর ভাই ও নিকট আত্মীয়দের বিস্তারিতভাবে অবহিত করেছে।
তারা চাইলে গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসীকে এ বিষয়ে অবহিত করতে পারেন। মেডিকেল টিমের
পক্ষ থেকে ওসমান হাদির জন্য দোয়া করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
৯.
অপ্রয়োজনে কেউ হাসপাতালে এসে ভিড় করবেন না। কোনো ধরনের ভিজিটর অনুমোদিত নয়।
১০.
কোনো ধরনের অনুমানভিত্তিক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করে মেডিকেল বোর্ডের প্রতি
আস্থা রাখার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে। রোগীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদা
রক্ষায় সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হলো।
১১.
আমাদের মেডিকেল টিম সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তার চিকিৎসা চালিয়ে
যাচ্ছে। তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য মেডিকেল বোর্ড ও পরিবারের পক্ষ থেকে সবার নিকট দোয়া
চাওয়া হয়েছে।
গতকাল
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় অস্ত্রধারীরা ওসমান হাদিকে গুলি
করে। তখনই তাকে উদ্ধার করে ২টা ৩৫ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ
জানায়, ওসমান হাদি এবং তার সঙ্গে আরেকজন রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। তাদের রিকশা কালভার্ট
রোড এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলযোগে দু’জন এসে ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি
করে পালিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাদিকে রাতেই এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া
হয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর চকবাজারের রহমতগঞ্জ ডালপট্টি মহল্লার একটি আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলায় আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন। তিনি জানান, বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া মাত্রই ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। এরপর মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে, ৪টা ৪৮ মিনিটে প্রথম ইউনিট পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তী সময়ে আরও ছয়টি ইউনিট এসে তৎপরতায় যোগ দেয়।
এখনও আগুন কীভাবে লেগেছে বা কতটুকু ক্ষতি হয়েছে তা জানা যায়নি বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার অম্বরনগর ইউনিয়নে খনন করা
বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপের তিনটি স্তরে মিলেছে জ্বালানি গ্যাস। বাংলাদেশ
পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) আশা করছে এ
থেকে দৈনিক এক কোটি (১০ মিলিয়ন) ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে ।
সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে বিষয়টি
নিশ্চিত করে বাপেক্সের ভূ-পদার্থিক বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার ওহিদুল
ইসলাম বলেন, ওয়াছেকপুর গ্রামে খনন করা বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপে মিলেছে গ্যাসের
অস্তিত্ব। ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল শুরু হওয়া খননকাজের পর ডিএসটি টেস্ট শেষে এখন চলছে
সর্বনিম্ন স্তরের উৎপাদন টেস্ট। প্রাথমিকভাবে কূপটির তিনটি স্তরে পর্যাপ্ত গ্যাস
আছে। এ টেস্ট শেষে জানা যাবে এখানে মজুত থাকা মোট গ্যাসের পরিমাণ।
বাপেক্স সূত্রে আরো জানা যায়, কূপটিতে তিন হাজার ১১৩ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা
হয়, যার মধ্যে এক হাজার ৯২১ থেকে এক হাজার ৯৭৩ মিটার পর্যন্ত প্রথম স্তর, দুই
হাজার ৫৪৮ মিটার থেকে দুই হাজার ৫৮৫ মিটার পর্যন্ত দ্বিতীয় স্তর এবং তিন হাজার ৮১
মিটার থেকে তিন হাজার ১০১ মিটার পর্যন্ত তৃতীয় স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব মিলেছে।
বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপের তিনটি স্তর থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন
ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
হাওলাদার ওহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের লক্ষ্যমাত্রার থেকে বেশি গ্যাস মিলতে পারে বলে
ধারণা করছি। এখন পর্যন্ত টার্গেট চারটি জোনের মধ্যে তিনটি জোন থেকে বাণিজ্যিকভাবে
গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করছি।’
বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শামসিয়া মুক্তাদির বলেন, ‘প্রাকৃতিক
গ্যাসের সন্ধানে বাপেক্স দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছে। বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপটিতে
খনন কাজ শুরু এ বছরের ২৯ এপ্রিল। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকায়
আমাদের খনন কাজেও কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। দিনশেষে আমরা সফল হতে পেরেছি।’
বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপের প্রজেক্ট ডিরেক্টর মো. প্রিন্স আল
হেলাল বলেন, এখান থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করার
লক্ষ্যমাত্রা ছিলো। তবে লোয়ার জোনে গ্যাসের কন্ডিশন দেখে মনে হচ্ছে, আরও ভালো কিছু
আশা করা যাবে। উৎপাদন টেস্ট শেষে মোট গ্যাসের মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ড্রিলিং ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এটি খনন করতে আমাদের নানা
প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে। সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে আমরা আজ আলোর মুখ দেখছি।
একসময় গ্যাসকূপ খননের কাজে বিদেশি শ্রমিক ও কর্মকর্তারা যুক্ত থাকতেন। কিন্তু এখন
তার পরিবর্তন হয়েছে। এ কূপ খননের সঙ্গে জড়িত প্রায় দুই শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী
সবাই বাংলাদেশের। এটাও আমাদের জন্য অনেক আনন্দের।’
এর আগে, ১৯৭৬ সালে বেগমগঞ্জ-১ ও ১৯৭৮ সালে বেগমগঞ্জ-২ গ্যাসকূপ খনন করা হলেও সেগুলো
থেকে গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। ২০১৪ সালে বেগমগঞ্জ-৩ কূপ খনন করা হয় এবং
সেখান থেকে এখনো প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক
সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এখানে বেগমগঞ্জ-৫ ও বেগমগঞ্জ -৬ কূপ
খননের পরিকল্পনা রয়েছে বাপেক্সের।
মন্তব্য করুন