

কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার একজন বাবুর্চি রান্না করার সময় দুর্ঘটনাবশত হাত ও পা ঝলসে যায়।
সোমবার রাত আনুমানিক ৯টায় ঘটে এ দুর্ঘটনা।
দুর্ঘটনার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কোনো ডিউটি ডাক্তার বা নার্সকে পাওয়া যায়নি।
উপায়ান্তর না পেয়ে আহত ব্যক্তি এবং তার সাথে আসা লোকজন হতাশ হয়ে পড়েন।
জরুরী চিকিৎসা সেবা নিতে এসে এই বিড়ম্বনার ঘটনা জানতে পেরে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেডিকেল টিমের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে ডাক্তার এবং নার্সকে হাসপাতালে নিয়ে এসে উক্ত রোগীকে যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
উক্ত সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সদর
উপজেলার ইউএনও এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেডিকেল টিমের সদস্যবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫
উপলক্ষে অমর একুশে বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।
কুমিল্লা জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত আজকের এই অমর একুশে বইমেলার শুভ উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার।
২১ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের আয়োজনে আয়োজিত এই বইমেলায় আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ এবং সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠানের পাশাপাশি গ্রাফিতি এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শনী হয়।
২১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী উক্ত বইমেলা চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আজকের অমর একুশে বইমেলায় স্টলের সংখ্যা ১৫টি।
উক্ত মেলায় দেশসেরা অনেকগুলো প্রকাশনীর পাশাপাশি থাকছে কুমিল্লার জনপ্রিয় সব বুকশপ।পাশাপাশি থাকছে পিঠা ও ক্যানভাসের স্টল।
জুলাই গণহত্যার তথ্যচিত্র নিয়ে ও থাকছে বইমেলাটিতে থাকছে বিশেষ প্রদর্শনী।
আজকের এই মেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জিলা স্কুল এর প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান,বাংলাদেশ জাতী়য়তাবাদী দল,কুমিল্লা সদর দক্ষিণ এর বিএনপি সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা জেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন রুবেল, কুমিল্লা মহানগর এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর আহবায়ক আবু রায়হান, কুমিল্লা জেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক ইমপা ফারহাসহ অন্যান্যরা।
উদ্বোধন শেষে একটি মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং পরবর্তীতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ফল পুনঃনিরীক্ষণের এইচএসসি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত
জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষণের
আবেদন করা যাবে।
আবেদন করার জন্য প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। তারপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। উদাহারণ: RSC COM123456 174 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য কমা দিয়ে সাবজেক্ট কোড এসএমএস করতে হবে।
এসএমএস সেন্ড হয়ে গেলে টেলিটক থেকে পিন নম্বরসহ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে, সেটা জানিয়ে একটি ফিরতি টেলিটকের আসবে। পিন নম্বরটি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। তারপর এতে সম্মত হলে আবারও মেসেজ অপশনে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে ‘পিন নম্বর’ লিখে স্পেস দিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর (যেকোনো অপারেটর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।
বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি তথ্যানুযায়ী- প্রতিটি পত্রের ফল পুনঃনিরীক্ষার ফি ১৫০ টাকা। সেই হিসেবে এইচএসসির প্রতি বিষয়ের (১ম এবং ২য় পত্র) পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য ফি ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ ২ পত্রের বিষয়ের ক্ষেত্রে দুটির জন্যই একসঙ্গে আবেদন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে উপসচিব মোসামৎ রহিমা আক্তার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বদলি নীতিমালা না থাকায় এবং বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান পরিপত্র ও অফিস আদেশ যুগোপযোগী করার উদ্দেশে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হলো।
নীতিমালার আওতা বিষয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার মাধ্যমিক স্তরের সরকারি শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা প্রযোজ্য হবে। সরকার জনস্বার্থে যেকোনো সময় যেকোনো শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন করতে পারবে।
তবে বদলির সময়কাল প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতি শিক্ষাবর্ষে শুধুমাত্র অক্টোবর মাসে আগ্রহী শিক্ষকদের বদলির আবেদন করতে পারবেন। এ সময়সীমা ছাড়া অন্য কোনো সময়ে বদলির জন্য আবেদন করা যাবে না। তবে অনিবার্য পরিস্থিতিতে শুধু সিনিয়র সচিব বা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ বরাবর আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শর্ত বিষয়ে বলা হয়েছে, বর্তমান কর্মস্থলে চাকরির সময়সীমা তিনবছর পূর্ণ হতে হবে এবং বদলির উপযুক্ত কারণ থাকতে হবে। শিক্ষকদের বদলি হবে শুধুমাত্র অনলাইনে। বছরের আর অক্টোবর মাসে এ বদলি আবেদন নেওয়া হবে।
এছাড়া নতুন নীতিমালায় আরো জানানো হয়, সমতলের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে পার্বত্য অঞ্চল (রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) এবং দূর্গম, চর ও হাওড় অঞ্চলে বদলি করা হলে বদলিকৃত কর্মস্থলে এক বছর চাকরির পর তিনি পুনরায় বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে তার আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
এতে বলা হয়, মহানগরী ও জেলা সদরে কর্মরত কোনো শিক্ষকের কর্মকাল একই প্রতিষ্ঠানে একাধারে ৬ বছরের বেশি হলে তাকে নিজ জেলায় অথবা পাশের জেলায় বদলি করা হবে। তবে তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি বা অন্যকোনো অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাকে বদলি করতে পারবে। বদলির ক্ষেত্রে আবেদনকারীর নিজ জেলা ও পার্শ্ববর্তী জেলায় পদায়নে গুরুত্ব দেওয়া, সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদের বিপরীতে অন্য বিষয়ে শিক্ষক বদলি বা সহ পদায়ন করা হবে না।
এতে আরো বলা হয়েছে, অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদের বিপরীতে অন্য বিষয়ের শিক্ষক বদলি বা পদায়ন করা যাবে না।
তবে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যাওয়ার একবছর আগে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী অবসরভাতা গ্রহণের সুবিধার্থে কোনো সুবিধাজনক কর্মস্থলে বদলির আবেদন করলে তার আবেদন সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে
(কুবি) গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ‘এ’
ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর
১২টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে ১টায় শেষ হয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৯টি কেন্দ্রে
ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্র গুলো হল : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস,
ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, শিক্ষাবোর্ড
মডেল কলেজ, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়, গভঃ ল্যাবরেটরি হাই স্কুল,
বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুল এবং বার্ড স্কুল। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১০ হাজার ১৩৪ জন।
পরীক্ষা শেষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের
মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, আজকে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন
হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হল ঘুরে দেখেছি। কেন্দ্রগুলোতেও
পরীক্ষার পরিবেশ অত্যন্ত ভাল ছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করা ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট
ও পুলিশ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস
সদস্যরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী প্রত্যেকেই
নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি আন্তরিক ছিল বলেই ‘এ’-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন
হয়েছে। সামনের পরীক্ষাতেও সুন্দর পরিবেশ বজায়
থাকবে। পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী,
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট,
সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


যারা উদ্যমী এবং প্ররিশ্রমী কোন বাধা বিপত্তিই তাদের দমিয়ে রাখতে পারে না। তার এক উজ্জল দৃস্টান্ত শারীরিক প্রতিবন্ধী সজীব। লেখাপড়া শেষ করে নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের সেবা করতে চায় সে। কিন্তু তার এই স্বপ্নে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে দরিদ্রতা। আদেও কি তার এই স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা এবং শিক্ষা জীবন শেষ করে সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে কিনা এমন দু:শ্চিন্তায় দিন কাটছে তার।
সজীব মহম্মদপুর আমিনুর রহমান ডিগ্রী কলেজের স্নাতক বর্ষের ছাত্র। ২০২০ সালে মহম্মদপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০২২ সালে বিনোদপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে এইসএসসি পাস করে এ বছর স্নাতক পাশ কোর্সে ভর্তি হয়েছেন। শিক্ষা জীবন শেষ করে সে শিক্ষক হয়েই শিক্ষার মানোউন্নয়ন এবং সমাজ গঠনে অবদান রাখতে চায়। এখনো প্রর্যন্তু পঙ্গুত্ব এবং অভাব তার শিক্ষার অগ্রযাত্রা কে বাধাগ্রস্থ করতে পারেনি। তবে আদৌকি তার এই স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা এবং শিক্ষা জীবন শেষ করে সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে কিনা এমন দু:শ্চিন্তায় দিন কাটছে তার পরিবারের।
সজীব মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাদুনা গ্রামের হতদরিদ্র কাঠমিস্ত্রী সুনীল মন্ডলের ছেলে। বাবা-মাসহ ৫ সদস্যের সংসারে দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সে মেজো। বড় বোন চন্দ্রিকা মন্ডলের বিয়ে হয়েছে গেছে। ছোট বোন অনিন্দিতা এ বছর এইসএসসি পাস করে অনার্সে ভর্তির অপেক্ষায় আছে। টাকার অভাবে এখনো সে ভর্তি হতে পারেনি। বাবা সুনীল মন্ডল মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কাঠমিস্ত্রীর কাজ করে যা উপার্জন করে তা দিয়ে সংসার চালাতেই হিমসিম খেতে হয়ে। মা স্বপ্না রাণী মন্ডল গৃহীণি।
তিনি বলেন, আমার প্রতিবন্ধী ছেলে এবং মেয়ের লেখাপড়ার জন্য অনেকের কাছে গিয়েছি। অনেকেই সহযোগিতা করেছে। আমি আমার ছেলে এবং মেয়ের লেখা পড়ার জন্য মানুষের বাড়িতেও কাজ করেছি। এতদিন অনেক কষ্টো করে তাদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে এসেছি কিন্তু এখন আর পারছি না। আমি আমার প্রতিবন্ধী ছেলের জন্য সমাজের সকলের সহযোগিতা চাই। কারন, কারন, সজীবের বাবারও আগের মত কাজ করার শক্তি এখন আর নাই।
বাবা সুনিল মন্ডল বলেন, ছেলের লেখাপড়ার করার ইচ্ছা আমাকে সাহস যোগায় কিন্তু সামর্থের কাছে বারবার হেরে যায় আমি। তবু তার তার ইচ্ছে পূরণে আমার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তবে সরকারি সহায়তা পেলে আমার ছেলেটা তার শিক্ষা জীবন শেষ করে হয়ত কিছু একটা করতে পারতো। তারপর আবার মেয়েটা বড় হয়ে হয়ে গেছে তাকেও সময় মত বিয়ে দিতে হবে। নানান চিন্তায় মাঝেমধ্যে দিশেহারা হয়ে পড়ি আমি।
প্রতিবন্ধী সজীব মন্ডল বলেন, ছোট বেলায় মায়ের কোলে চড়ে স্কুলে গিয়েছি। বড় হয়ে ভ্যানে। কলেজে উঠলে ভগ্নিপতির সহযোগিতায় একটি ব্যাটারি চালিত হুইল চেয়ার কিনে আসাযাওয়া করতাম। এখনো হুইল চেয়ার চালিয়েই কলেজে আসা যাওয়া করি। নিজের নামে একটি প্রতিবন্ধী ভাতা আছে তা দিয়ে এবং বাবার সহযোগিতায় ডিগ্রীতে ভর্তি হয়েছে। আমার খুব ইচ্ছে লেখাপড়া শেষ করে একজন আদর্শবার শিক্ষক হওয়ার। তার ইচ্ছে পূরণে সে সমাজের মানবিক বিত্তবান এবং সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
এ বিষয়ে আমিনুর রহমান ডিগ্রী কলেজের অফিস সহকারি তরুণ কুমার গুহ পিকিং বলেন, উদ্যমি সজীবের আগ্রহের কথা জেনে আমরা সীমিত খরচে তাকে ডিগ্রীতে ভর্তি করে নিয়েছি। অধ্যক্ষ শওকত বিপ্লব রেজা বিকো বলেন, প্রাথমিকভাবে তাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়েছে। তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। ইউএনও পলাশ মন্ডল বলেন, আমি তার খবর পেয়ে অফিসে আসতে বলেছে। তার লেখা পড়া চালিয়ে যেতে সর্বচ্চো সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


গুচ্ছভুক্ত ২৪টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ২৭ এপ্রিল শনিবার থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার জন্য যাদের ছবি/সেলফি বা উভয়টি জিএসটির ফটো গাইডলাইন অনুযায়ী গৃহিত হয়নি, তাদের ৮ এপ্রিলের রাত ১০টার মধ্যে অবশ্যই জিএসটির ফটো গাইডলাইন অনুসরণ করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ছবি/সেলফি অথবা উভয়টি আপলোড সম্পন্ন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে। অন্যথায় ভর্তি পরীক্ষায় তাদের অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ থাকবে না।
জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সকল তথ্য জানানো হয়েছে।
গুচ্ছভুক্ত ২৪টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ এপ্রিল শনিবার থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ২৭ এপ্রিল এ ইউনিট-বিজ্ঞান, ৩ মে শুক্রবার বি ইউনিট-মানবিক এবং ১০ মে শুক্রবার সি ইউনিট-বাণিজ্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এবং অন্য ২টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের জিএসটি ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনপ্রক্রিয়া গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হয়েছে। এবার মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩৪৬টি আবেদন জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের ‘ক’ ইউনিটে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৯৯টি, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ‘সি’ ইউনিটে ৪০ হাজার ১১৬টি এবং মানবিক অনুষদের ‘বি’ ইউনিটে ৯৪ হাজার ৬৩১টি আবেদন জমা পড়েছে।
মন্তব্য করুন


‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষ্যে শুক্রবার (০৭ মার্চ) দেওয়া এক বাণীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নারীদের সম্ভাবনা ও কর্মদক্ষতাকে উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বর্তমান সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের নারীরা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী সমাজের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’
ড. ইউনূস বলেন, ৮ মার্চ- আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। নারী অধিকার রক্ষায় এই দিনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতি বছর উদযাপিত হয়। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: ‘অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন-নারী ও কন্যার উন্নয়ন’।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের আকাঙ্ক্ষায় ছাত্র-শ্রমিক-জনতা যে অভ্যুত্থান সংগঠিত করেছিল গত জুলাই-আগস্টে তার সম্মুখ সারিতে ছিল নারী। লাখ লাখ ছাত্রী বিভিন্ন ক্যাম্পাসে দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়েছে। একাধিক নারী এই গণ-অভ্যুত্থানে শাহাদতবরণ করেছেন। আমি এই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারীদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। তারা এগিয়ে যাচ্ছে সর্বক্ষেত্রে। নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
তিনি আরও বলেন, নির্যাতিত, দুস্থ ও অসহায় নারীদের জন্য শেল্টার হোম, আইনি সহায়তা দিতে ‘মহিলা সহায়তা কেন্দ্র’, কর্মজীবী মহিলাদের আবাসন ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সহায়তা ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ড. উইনূস বলেন, বাংলাদেশের অদম্য মেয়েরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বমহিমায় এগিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


এসএসসি পরীক্ষার বাকি আর মাত্র ছয় দিন আর কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার সীমান্তবর্তী দুটি উপজেলার ৪৬৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন। তারা নির্ধারিত কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারবে কি না, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তা জানে না।
নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের ১৫৯ জন, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং উচ্চবিদ্যালয়ের ২৩৩ জন ও বালুখালী কাসেমিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের ৭১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। দুশ্চিন্তায় রয়েছে কক্সবাজারের উখিয়া ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী তিনটি বিদ্যালয়ের ৪৬৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের ১৫৯ জন, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং উচ্চবিদ্যালয়ের ২৩৩ জন ও বালুখালী কাসেমিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের ৭১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে এসব পরীক্ষার। তাদের পরীক্ষার কেন্দ্র ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়। ঘুমধুমের মণ্ডলপাড়া সীমান্ত থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে বিদ্যালয়টির অবস্থান।
এদিকে কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্ত এলাকায় গতকাল দু-একটি ছাড়া আর কোনো গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাননি স্থানীয় লোকজন। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন তাঁরা। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকজনও ফিরেছেন বাড়ি।
তবে এরই মধ্যে গতকাল রাত আটটা থেকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং, নয়াপাড়া, লম্বারবিল এলাকায় থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় মৎস্যচাষি মাহফুজুর রহমান রাতে প্রথম আলোকে বলেন, সীমান্তের নাফ নদীর সংলগ্ন এলাকায় তাঁর মাছের খামার রয়েছে। কিন্তু রাত আটটার পর থেকে গোলাগুলির শব্দ বেড়ে গেছে, যার কারণে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। গতকাল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার একটি জলাশয়ে একটি মর্টার শেল পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধারণা করছে, এটি অবিস্ফোরিত। স্থানীয় শিশুরা লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে এটি খুঁজে পায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম জানান, অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি বিজিবি তাদের হেফাজতে নিয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে এটি লোকালয় থেকে দূরে রাখা হয়েছে। বোমাবিশেষজ্ঞ দল এসে পরবর্তী কাজ করবে। অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি বিজিবি তাদের হেফাজতে নিয়েছে।
গতকাল আরাকান আর্মিসহ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলার মুখে নতুন করে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) দুজন সদস্য টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছেন। এই নিয়ে বাংলাদেশে আসা মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সেনাবাহিনী, শুল্ক কর্মকর্তাসহ মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০। তাঁরা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের উড়োজাহাজে নাকি নৌপথে মিয়ানমার নেওয়া হবে, সে আলোচনা চলছে। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু থেকে ১০১ জনকে গতকাল বিকেলে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে টেকনাফের হ্নীলায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ চলছে। ইতিমধ্যে বিজিপিকে হটিয়ে তুমব্রু রাইট ক্যাম্প ও ঢেঁকিবনিয়া সীমান্তচৌকি আরাকান আর্মি দখলে নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রোববার দিবাগত রাত তিনটা থেকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলি ও মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে। সোমবার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী গ্রামের একটি রান্নাঘরের ওপর মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে দুজন নিহত হন। নিহত দুজনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নারী, অন্যজন রোহিঙ্গা পুরুষ।
ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাইরুল বশর গতকাল বলেন, এখন পর্যন্ত যে পরিস্থিতি, তাতে পরীক্ষা এই কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে বিকল্প হিসেবে অন্য কেন্দ্রের কথাও ভাবা হচ্ছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ সোহেল মিয়া গতকাল বলেন, পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে আমরা বিকল্প হিসেবে চারটি বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করার প্রস্তাব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠিয়েছি। আশা করি, কেন্দ্রের বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারিত হয়ে যাবে।
তবে উখিয়া সীমান্ত এলাকার ছয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গতকাল উপস্থিতি ছিল অনেক কম। সীমান্ত থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজ উল্লাহ বলেন, গোলাগুলির শব্দ বৃহস্পতিবার শোনা যায়নি। তারপরও শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসছে না।
তবে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু-ঘুমধুম সীমান্তঘেঁষা সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে।
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সাজজাদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চাকরিতে প্রবেশের বয়সীমা ৩৫ এবং অবসরের বয়সবৃদ্ধির দাবি জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আবেদন করেন।
আর তখন করা সেই আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধির সম্পৃক্ততা থাকায় সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্দেশনা পাঠায়। নির্দেশনায় মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংশোধিত নির্দেশনা ও সময়সূচি পাঠানো হয়েছে।
গতকাল নির্দেশনায় বলা হয়, এনসিটিবি কর্তৃক ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন পরিচালনার জন্য সংশোধিত নির্দেশনা ও সময়সূচি দেওয়া হলো।
নির্দেশনা
১. আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে মাস্টার ট্রেইনার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। সে কারণে বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন পূর্বনির্ধারিত ৫ নভেম্বরের পরিবর্তে ৯ নভেম্বর থেকে শুরু হবে।
২. ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন পরিচালনার জন্য বিস্তারিত নির্দেশনা পূর্বনির্ধারিত ২৯ অক্টোবরের পরিবর্তে ৫ নভেম্বর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হবে;
৩. নির্দেশনা মোতাবেক সকল বিষয়ে বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন পরিচালনা করতে হবে এবং বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনাতে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তরণের নীতিমালা সংযুক্ত থাকবে;
৪. শিক্ষার্থীর পারদর্শিতার রিপোর্ট কার্ডটি প্রদানের সময় অভিভাবকদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের অর্জিত পারদর্শিতার পর্যায় সম্পর্কে অবহিত করতে হবে;
৫. আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ গ্রহণে ব্যস্ত থাকবেন বিধায় ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়নের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে;
৬. মূল্যায়ন পরিচালনা করবার জন্য পুনঃপ্রণয়ণকৃত সময়সূচি এতদসঙ্গে সংযুক্ত করা হলো।
যার কারণে সুরক্ষা এবং সহনশীলতা নিশ্চিতকরণে নারীদের প্রয়োজনীয়তার দিকে আমাদের গভীরভাবে নজর দিতে হবে।
মন্তব্য করুন