

গণ-অভ্যুত্থানের
শহীদের পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের সংগঠক সারজিস আলম।
রোববার
(১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীতে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়
সভায় এই অভিযোগ করেন তিনি।
সারজিস
বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যেসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে গিয়েছিল, সেগুলোর স্বাধীনতার জন্য ২০টি
অধ্যাদেশ অন্য ১১৩টি অধ্যাদেশের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিএনপি যেসব প্রতিষ্ঠানের
মাধ্যমে জুলুমের শিকার হয়েছিল, তারা ক্ষমতায় আসতে না আসতে সেগুলোকে আবার তাদের মতো
করে চালাতে চায়। এ কারণেই তারা ভুল অধ্যাদেশ বাতিল করেছে।’
অভিযোগ
করে তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও এটাই সত্য, বিএনপি আওয়ামী লীগের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায়
এসেছে। তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের অলিখিত চুক্তি ছিল। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা
ইভেন শেখ হাসিনা পর্যন্ত দেশের বাইরে বসে এখন এই কথাগুলা বলছে। ফলে যারা জুলাই যোদ্ধাদের
ওপর আক্রমণ করেছিল এবং শহীদদের হত্যার জন্য দায়ী তাদের অনেক দাগি আসামি এখন জামিন
পেয়ে যাচ্ছে।’
আসামিরা
এখন বুক ফুলিয়ে বেড়াচ্ছে দাবি করে এনসিপির সংগঠক বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারকে
হুমকি দিয়ে যাচ্ছে জামিনে বেরিয়ে আসা আসামিরা। বিএনপি যদি মনে করে, তারা বিরোধী দলের
কবর খুঁড়বে আবার নিজেরা সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটবে- তাহলে ওই কবরে তাদের জায়গাটা
হবে সবার আগে।’
শহীদ
পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের আহ্বান জানিয়ে সারজিস বলেন, ‘দয়া করে কোনো কিছুর বিনিময়ে
বিভাজিত হয়ে আকাঙ্ক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না। এই আকাঙ্ক্ষা যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাংলাদেশ
ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আপনাদের কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না। আমরা চাই সব শহীদ পরিবার
এবং আহত যোদ্ধারা আকাঙ্ক্ষার পক্ষে থাকুক। যদি আমরা এর পক্ষে কথা বলি তাহলে আমাদের
পক্ষে কথা বলতে পারেন। যদি আমরা বিপক্ষে কথা বলি তাহলে প্রয়োজনে আমাদের বিপক্ষে কথা
বলবেন।’
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার
পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। তবে চাকরিতে এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে
যুক্ত হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার ফেরিভাইড ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন,
জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। চাকরিতে
এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না। পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজন ব্যক্তিকে একবারের
জন্যই যোগ্যতার বিচারে সরকারি-আধা সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার
কথা বলা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটা বিবেচ্য হবে না। আহতদের ক্ষেত্রে
যারা সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (অন্ধ কিংবা অঙ্গহানী) এবং আর কখনো কর্মক্ষম
হতে পারবে না তাঁদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরকম আহতদের একটা বড় অংশই
তরুণ এবং বাকি জীবন তাঁদেরকে আন্দোলনের ক্ষত বয়েই বেড়াতে হবে, অনেককে দীর্ঘকাল চিকিৎসার
মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের পুনর্বাসন এবং
এই পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা দেওয়াটা আমাদের অঙ্গীকার ছিলো এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বও
বটে। কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাঁদের এই ক্ষতি
আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারবো না। আর এই পরিবারগুলো যে কোনো সুযোগ সুবিধার চেয়ে
কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়।
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ বলেছেন, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই - এই দেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের উত্থান হবে না।
সোমবার (১ জুলাই) গুলশানে
দীপ্ত শপথ ভাস্কর্যে ‘হলি আর্টিজান’-এ জঙ্গি হামলায়
নিহতদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন
র্যাব মহাপরিচালক।
র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম থেকে তিনজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিকই জঙ্গিদের বিষয়ে নজরদারি করছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জঙ্গিরা এক সময় নানা প্রচারণা করার চেষ্টা করেছে। জঙ্গিরা ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করেছে এক সময়। আমরা কিন্তু এসব বিষয়ে নজরদারি করছি। ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে আমাদের নজরদারি রয়েছে। আমরা আশ্বস্ত করতে চাই - এই দেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের উত্থান হবে না। ২০১৬ সালের এই দিনে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। এ ঘটনায় বিদেশি নাগরিকসহ পুলিশের দুই কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন। এর পরবর্তীতে র্যাব ও পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে। অনেক জঙ্গি আস্তানা ধ্বংস করতে র্যাব ও পুলিশ সক্ষম হয়েছে। অনেক জঙ্গিকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে এখন নিরাপদ একটি দেশে।
র্যাবের মহাপরিচালক আরও বলেন, র্যাব সূচনালগ্ন থেকে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে। জঙ্গিবাদের বিষয়ে র্যাবের নজরদারি রয়েছে। র্যাব এখন একটি আধুনিক এবং পেশাদার বাহিনী। ভবিষ্যতেও এদেশে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ এদেশে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। র্যাবের সেই সক্ষমতা আছে।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ঢাকা শহরে প্রবেশের জন্য
বিমানবন্দর এলাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোলপ্লাজা সাধারণের জন্য টোলমুক্ত থাকবে।
আজ
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
এদিকে,
দীর্ঘ সতেরো বছর পর বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক
রহমান। তার দেশে ফেরা উপলক্ষ্যে নানা প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। সরকার থেকে নিরাপত্তায়
নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
বুধবার
দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন দলের স্থায়ী
কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে বৃহস্পতিবার
বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তারেক রহমান। এরপর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। সেখান থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান।
সালাহউদ্দিন
আরও জানান, প্রত্যাবর্তনের পরদিন শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বাদ জুমা সাবেক রাষ্ট্রপতি
জিয়াউর রহমানের মাজার ও সাভার স্মৃতিসৌধে যাবেন তারেক রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর)
নির্বাচন কমিশনে এনআইডি কার্যক্রম শেষ করে শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন তিনি।
পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে যাবেন।
তারেক
রহমানের নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে আমরা রাজধানীর কেন্দ্রস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও
মানিকমিয়া অ্যাভিনিউতে কোনো কর্মসূচি রাখিনি বলেও উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন।
তিনি
বলেন, রাজধানীর একপাশে প্রশস্ত ৩৬ জুলাই মহাসড়কের সার্ভিস লেনের একপাশে আমরা স্থান
নির্ধারণ করেছি। সেখানে শুধু দেশবাসীর প্রতি তার (তারেক রহমান) কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দেশনেত্রী
খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করা হবে। সেই আয়োজন তারেক রহমান ছাড়া
দ্বিতীয় কোনো বক্তা থাকছেন না।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসব-উত্তর শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা।
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ইস্কাটনের লেডিস ক্লাবে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তারেক রহমান।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল।
এছাড়াও বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার, মহাসচিব এস এন তরুণ দে, উপদেষ্টা অ্যালবার্ট পি কষ্টা, মনি স্বপন দেওয়ান, অধ্যক্ষ গণেশ হাওলাদার, ভাইস চেয়ারম্যান অর্পনা রায় দাস, নিতাই চন্দ্র ঘোষ, দেবাশীষ রায় মধুসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অ্যাশেজ সিরিজ শুরুর ঠিক আগে নিউজিল্যান্ডে একটি নাইটক্লাবে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছিলেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার হ্যারি ব্রুক। নাইটক্লাবের নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে কথাকাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির এই ঘটনাটি ঘটে ওয়েলিংটনে, ইংল্যান্ডের সীমিত ওভারের সিরিজের শেষ ম্যাচের আগের রাতে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ বিষয়টি প্রকাশ করে।অতিরিক্ত মদ্যপানের সন্দেহে একটি নাইটক্লাবে প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে তর্কে জড়ান ব্রুক। একপর্যায়ে পরিস্থিতি হাতাহাতিতে রূপ নেয়, যেখানে ব্রুক নিজেও আহত হন। ঘটনার পরপরই ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক বিষয়টি দলের নিরাপত্তা বিভাগের কাছে নিজ উদ্যোগে জানান।ঘটনাটি তদন্ত করে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ২৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারকে প্রায় ৩০ হাজার পাউন্ড জরিমানা করে, যা শাস্তির দিক থেকে সর্বোচ্চ অঙ্কের মধ্যে পড়ে। তবে শাস্তি সত্ত্বেও তাকে সাদা বলের দলের অধিনায়ক হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে।অ্যাশেজ সিরিজ শেষ হওয়ার পর শুক্রবার অস্ট্রেলিয়া থেকে ইংল্যান্ডে ফিরবেন ব্রুক। এরপর ১৯ জানুয়ারি তিনি শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু করবে ইংল্যান্ড দল। গত বছরের এপ্রিল মাসে সাদা বলের অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর এটিই হবে ব্রুকের প্রথম বড় আন্তর্জাতিক আসর।ইসিবির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হ্যারি ব্রুক নিজের আচরণের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তিনি বলেন, নিজের ভুল তিনি সম্পূর্ণভাবে স্বীকার করছেন এবং এ ঘটনায় তিনি যেমন বিব্রত হয়েছেন, তেমনি দলের জন্যও অস্বস্তির কারণ সৃষ্টি হয়েছে।ব্রুক আরও বলেন, ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা তার কাছে সর্বোচ্চ সম্মানের বিষয়। সতীর্থ, কোচ এবং সমর্থকদের হতাশ করার জন্য তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। এই ঘটনা তাকে দায়িত্বশীলতা, পেশাদার আচরণ এবং দেশের হয়ে খেলার মানদণ্ড নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ভবিষ্যতে মাঠে ও মাঠের বাইরে আচরণের মাধ্যমে আস্থা ফেরানোর অঙ্গীকার করেন এই ইংলিশ ক্রিকেটার।ইসিবির এক মুখপাত্র জানান, বিষয়টি তারা আগে থেকেই জানতেন এবং আনুষ্ঠানিক ও গোপনীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর নিষ্পত্তি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় নিজের ভুল স্বীকার করেছেন এবং অনুশোচনাও প্রকাশ করেছেন বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


দেশবাসীর
প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো একনজর দেখা আর জানাজায় অংশ নেওয়ার ব্যাকুলতা নিয়ে ঢাকার
পথে সর্বস্তরের লাখো মানুষ। বাস, ট্রেন কিংবা লঞ্চ, যে যেভাবে পারছেন, গতকাল মঙ্গলবার
রাত থেকেই রাজধানীর পথ ধরেছেন।
আজ
বুধবার সকাল হতে না হতেই সেই জনস্রোত মিশতে শুরু করেছে মানিক মিয়া এভিনিউতে।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই
দেশের নানা প্রান্ত থেকে ঢাকামুখী এই যাত্রা শুরু হয়। মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে এই
স্রোত আরও জোরালো হয়। রাতে ভোলা, বরিশাল ও চাঁদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের নেতাকর্মীরা নদীপথে
সদরঘাটে এসে পৌঁছান। একই সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা
ট্রেন ও বাসগুলোতেও ছিল তুলনামূলক ভিড়। সবার গন্তব্য একটাই, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা।
তীব্র
শীত উপেক্ষা করে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাত থেকেই মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায়
জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে সংসদ ভবন চত্বর ও এর
আশপাশের সড়ক। অনেকে ফুটপাতেই রাত কাটিয়েছেন প্রিয় নেত্রীর জানাজায় সামনের কাতারে থাকার
আশায়।
জাতীয়
বার্তা সংস্থা বাসসের কথা হয় বাষট্টি বছর বয়সী কৃষক সাত্তার মিয়ার সাথে। লাঠিতে ভর
দিয়ে তিনি সুদূর বগুড়া থেকে গতকাল মঙ্গলবার রাতেই ঢাকায় পৌঁছান। থাকবার জায়গা না থাকায়
তীব্র শীত উপেক্ষা করে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের রাস্তায়। ভেজা চোখে
তিনি বলছিলেন, ‘ম্যাডাম হামাগের মা। ওনারে শেষবারের মতো দেখমু না, তা কি হয়? শরীর চলে
না, তাও মনের জোরে আসছি। ওনার জানাজায় শরিক হতে পারলেই শান্তি।’
সরেজমিনে
দেখা গেছে, সমবেত মানুষের চোখেমুখে গভীর শোকের ছায়া। দলীয় কার্যালয় ছাড়াও সড়কগুলোতে
উড়ছে কালো পতাকা। ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে আজ ভোর থেকেই মিছিল নিয়ে আসছেন নেতাকর্মীরা।
তাছাড়া দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ শেষবারের মত শ্রদ্ধা জানাতে মানিক মিয়ার
পথ ধরেছেন।
আজ
দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া এভিনিউতে খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত
হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব এই জানাজায় ইমামতি করবেন। এরপর পূর্ণ রাষ্ট্রীয়
মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাঁকে
সমাহিত করা হবে।
গতকাল
মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল
করেন (ইন্নানিল্লাহে........রাজিউন) দেশের তিনবারের এই প্রধানমন্ত্রী। জীবনের শেষ মুহূর্তে
পাশে ছিলেন তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া
আগামী মঙ্গলবার চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডনে যাত্রা করবেন।
রোববার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনে
সাক্ষাৎ শেষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।
রাত ৮টায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির
উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম
খান, সালাউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ
টুকু ও অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন চেয়ারপারসনের বাসভবনে সাক্ষাৎ করতে যান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, মহান আল্লাহ
তায়ালার অশেষ রহমতে দেশের গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী, যিনি জনগণের অত্যন্ত আদরের, দেশের
গণতন্ত্র সার্বভৌমত্ব ক্ষেত্রে আপসহীন তিনি তার চিকিৎসার জন্য আগামী ৭ জানুয়ারী লন্ডনের
উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তার চিকিৎসার জন্য। সে কারণে আমরা জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ
এসেছিলাম তাকে বিদায় শুভেচ্ছা জানাতে। এবং সেইসঙ্গে আমরা তার সঙ্গে কথা বলেছি, আলাপ
করেছি। পরম করুনাময় আল্লাহ তাআলার কাছে এই দোয়া করেছি যে আল্লাহ তা'আলা যেন তাকে
সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। এবং আমাদের গণতন্ত্রের জন্য যে সংগ্রাম
চলছে সেই সংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দেন। এবং সেই সংগ্রাম সফল করবেন বাংলাদেশের মানুষের
সেই প্রত্যাশা। আমরা আল্লাহতালার কাছে দোয়া করি তার এই যাত্রা যেন সফল হয়। তিনি সুচিকিৎসা
নিয়ে যেন আমাদের মাঝে আবার ফিরে আসতে পারেন। তিনি যেন সুস্থভাবে যেতে পারেন এবং সুস্থভাবে
ফিরে আসতে পারেন আমরা সেই কামনা করেছি। নির্দেশনা দিয়েছেন একসঙ্গে কাজ কর, জনগণের
পক্ষে কাজ কর, গণতন্ত্রের জন্য কাজ কর। আশা করি তিনি দ্রুতই সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন।
এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


যুবসমাজের
প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান
জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে আঞ্চলিক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষায়
সহযোগিতা বাড়াতে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর জোর দেন তিনি।
মঙ্গলবার ( ১৩ জানুয়ারি ) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তিন দিনব্যাপী ‘দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা
ও ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনা’ শীর্ষক আঞ্চলিক সম্মেলন (সার্চে-২০২৬)-এর
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অধ্যাপক ইউনূস।
তিনি
বলেন, ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের শিক্ষাবিদদের একত্র হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত কয়েক মাসে ঢাকায় যা ঘটেছে, তা পর্যালোচনার একটি
সুযোগ এই সম্মেলন তৈরি করেছে। এসব ঘটনা পর্যালোচনা করলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও সামগ্রিকভাবে
শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য আরও স্পষ্ট হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অধীনে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে
বাস্তবায়িত হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায়
এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান
ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা
অংশ নিচ্ছেন।
২০২৪
সালের গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই
তরুণদের নিজেদের চিন্তা ও মনন আছে। তারা ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে জীবন দিয়ে
প্রতিবাদ করেছে। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগেই এই শহরে তরুণরা কেন অস্ত্রের মুখে দাঁড়িয়ে
নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিল— তাদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা কী ছিল
তা বোঝার চেষ্টা না করলে একটি বড় সুযোগ নষ্ট হবে।
শিক্ষার্থীদের
প্রেরণার উদাহরণ হিসেবে তিনি শহীদ স্কুলছাত্র শাহরিয়ার খান আনাসের মায়ের কাছে লেখা
চিঠির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে বন্ধুদের সঙ্গে রাজপথে নামাকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে
উল্লেখ করেছিল সে।
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, এসব ঘটনা হঠাৎ কোনো বিস্ফোরণ নয়। শ্রীলঙ্কা ও নেপালেও এমন ঘটনা ঘটেছে,
তবে ঢাকায় তা ঘটেছে আরও ব্যাপকভাবে। তিনি সম্মেলন আয়োজনের জন্য বিশ্বব্যাংককে ধন্যবাদ
জানিয়ে বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতার এমন আয়োজন সার্কের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে
সার্ককে আজ প্রায় ভুলে যাওয়া হয়েছে।
তিনি
বলেন, সার্কের মূল ধারণাই ছিল পারস্পরিক বিনিময় ও একে অন্যের কাছ থেকে শেখা। প্রধান
উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি সার্ক পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানিয়ে আসছেন
এবং এ দাবি তিনি বারবার জানিয়ে যাবেন।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গণঅভ্যুত্থান
দেশের পুরোনো কাঠামোকে ভেঙে দিয়েছে। তরুণরা নিজেদের জুলাই সনদ তৈরি করেছে এবং তারা
মনে করে, দেশের সমস্যার মূল নিহিত রয়েছে সংবিধানে। সে কারণেই ভবিষ্যৎ সংবিধান নির্ধারণে
গণভোটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন এবং সেখানে তিনি জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের সময় তরুণ বিপ্লবীদের আঁকা বর্ণিল ও বিচিত্র গ্রাফিতি ঘুরে দেখেছেন।
এসময় আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ
নজরুল, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ
সহকারী মাহফুজ আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই জুলাই-অগাস্ট মাসে ছাত্রদের নেতৃত্বে বৈষম্য
বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহর ও নগরের দেয়ালে তরুণ শিক্ষার্থীদের
আঁকা সেরা গ্রাফিতি নিয়ে একটি আর্টবুক প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
সে অনুযায়ী ‘দি আর্ট অব ট্রায়াম্ফ’ নামে একটি আর্টবুক প্রকাশ করা হয়।
মন্তব্য করুন


সীমানার
প্রাচীর আর ভাষার ব্যবধান ঘুচিয়ে প্রেমের টানে শ্রীলঙ্কা থেকে ফেনীর দাগনভূঞায় ছুটে
এসেছেন এক তরুণী। কেবল আসাই নয়, সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করে বিবাহ বন্ধনে
আবদ্ধ হয়েছেন স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ফেনীর দাগনভূঞা
উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের আজিজ ফাজিলপুর গ্রামে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা
মোহাম্মদ ইয়াছিনের ছেলে এজাজ আহমেদ শিহাব এবং শ্রীলঙ্কান নাগরিক ইশারা মাট্টি ওমানের
একটি টেক্সটাইল কম্পানিতে সহকর্মী ছিলেন।
সেখানে
কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়, যা পরবর্তীতে গভীর প্রেমে রূপ নেয়।
দীর্ঘ তিন বছরের প্রণয় শেষে তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
ওমানে
বিয়ের আইনি জটিলতা থাকায় তারা নিজ নিজ দেশে ফিরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারার পরিকল্পনা
করেন। সেই মোতাবেক গত ৩১ জানুয়ারি শিহাব বাংলাদেশে ফেরেন।
তার
টানেই গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার বাংলাদেশে পা রাখেন ইশারা মাট্টি। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি
তিনি চলে আসেন দাগনভূঞায় শিহাবের বাড়িতে।
ভিনদেশি
বধূকে বরণ করে নিতে কার্পণ্য করেনি শিহাবের পরিবার। বাড়িতে আসার পর ইশারা মাট্টি স্বেচ্ছায়
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
তার
নতুন নাম রাখা হয় জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত (২৭)। এরপর পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতি মেনে
৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়রা
জানান, ভিন্ন সংস্কৃতি ও দেশের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও কেবল ভালোবাসার টানে জান্নাতের
এই সাহসী পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বর্তমানে জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত তার শ্বশুরবাড়িতে
বেশ আনন্দেই সময় কাটাচ্ছেন। ভিনদেশি পুত্রবধূকে পেয়ে খুশি শিহাবের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরাও।
জানতে
চাইলে প্রেমিক এজাজ আহমদ শিহাব বলেন, ‘ওমানে থাকা অবস্থায় আমাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
সেখানের আইনে বিয়ে সম্ভব নয় বিধায় আমরা দেশে এসে বিয়ে করেছি। সে ধর্ম পরিবর্তন করে
মুসলিম হয়েছে। তার পরিবার ও আমার পরিবার বিষয়টি অবগত রয়েছে। সে আমাকে পেয়ে অনেক খুশি
হয়েছে।’
মন্তব্য করুন