

দীর্ঘ
১০ বছর পলাতক থাকার পর ডাকাতি মামলার এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শুক্রবার
(১০ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকেব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরথানার ইসলামপুর পুলিশ
ফাঁড়ির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
গ্রেপ্তার
আসামি মুর্শিদ ওরফে মোরশেদ (৩৫)। তিনি উপজেলার কেনা গ্রামের চেনু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ
জানায়, ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি দায়ের করা একটি ডাকাতি মামলার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে
ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযান
চলাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোরশেদ পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় বাড়ির পাশের
একটি ধানক্ষেত থেকে তাকে ঘিরে ফেলে আটক করা হয়।
পুলিশ
আরও জানায়, মোরশেদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চুরি ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ মোট তিনটি মামলা
বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
বিজয়নগর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল হক বলেন, ‘গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয়
আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল ২ জুন থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম টিকিট বিক্রির বিষয়টি ঘোষণা করেছেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ জুনকে ঈদের দিন ধরে আগামী ২ জুন আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
এবার দুই সময়ে ট্রেনের আসন বিক্রি
করা হবে। পশ্চিমাঞ্চলের আসন বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে। আর পূর্বাঞ্চলের আসন বিক্রি
শুরু হবে দুপুর ২টায়। বরাবরের মতো এবারও শতভাগ আসন অনলাইনে বিক্রি করা হবে। ঈদের আগে
বিশেষ ব্যবস্থায় ৫ দিনের ট্রেনের আসন বিক্রি করা হবে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ
রেলওয়ের নেয়া কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়, এবার ঢাকা থেকে বহির্গামী ট্রেনের মোট আসনসংখ্যা
হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি, যা শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে। রোববার থেকে যাত্রা শুরুর ১০
দিন আগের আন্তঃনগর ট্রেনের আসন অগ্রিম হিসেবে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বিক্রি করা হবে।
যেভাবে টিকিট কাটবেন
অনলাইনের চাপ কমাতে এবার দুই শিফটে টিকিট বিক্রি করা হবে। এবার পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট
বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে, আর পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে প্রতিদিন দুপুর
২টা থেকে।
রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই যাত্রীরা টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে রেলওয়ের
ওয়েবসাইটে একবার রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে। যারা আগে রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তারা শুধু
লগইন করেই টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। পরে ওয়েবসাইটের উপরের দিকে রেজিস্ট্রেশন
ট্যাব ক্লিক করতে হবে। এতে রেজিস্ট্রেশন নামে নতুন একটি পেজ আসবে। এ পেজে ব্যক্তিগত
তথ্যাদি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঘরগুলো পূরণ করতে হবে। মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি চলে আসবে।
সেটি সঠিকভাবে পূরণ করে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করতে হবে।
সব তথ্য ঠিক থাকলে রেজিস্ট্রেশন সফল হবে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে নামে নতুন একটি পেজ আসবে।
এখানে ইউজার অটো লগইন হয়ে যাবে।
টিকিট কেনার পদ্ধতি
প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ
করতে হবে। অটো লগইন না হয়ে থাকলে প্যানেলে ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড পূরণ করে লগইন বাটনে
ক্লিক করতে হবে। লগইনের পর যে পেজ আসবে তাতে কাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন,
গন্তব্য স্টেশন, শ্রেণি পূরণ করে ফাইন্ড টিকিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। পরের পেজে ট্রেনের
নাম, সিট অ্যাভেইলেবিলিটি (আসন আছে কি নেই) ও ট্রেন ছাড়ার সময় দেখাবে।
ট্রেন অনুযায়ী ভিউ সিটস বাটনে
ক্লিক করে আসন খালি থাকাসাপেক্ষে পছন্দের আসন সিলেক্ট করে কন্টিনিউ পারচেজে ক্লিক করতে
হবে। ভিসা, মাস্টার কার্ড কিংবা বিকাশে পেমেন্ট করলে একটি ই-টিকিট অটো ডাউনলোড হবে।
পাশাপাশি যাত্রীর ই-মেইলে টিকিটের কপি চলে যাবে। ই-মেইলের ইনবক্স থেকে টিকিট প্রিন্ট
করে ফটো আইডিসহ ই-টিকিট প্রদত্ত টিকিট প্রিন্ট ইনফরমেশন দিয়ে সংশ্লিষ্ট সোর্স স্টেশন
থেকে যাত্রার আগে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
কোন তারিখে ট্রেনের কোন টিকিট
২ জুন দেয়া হবে ১২ জুনের টিকিট, ৩ জুন দেয়া হবে ১৩ জুনের,
৪ জুন ১৪ জুনের, ৫ জুন ১৫ জুনের এবং ৬ জুন ১৬ জুনের টিকিট দেয়া হবে। ফিরতি টিকিট দেয়া
হবে ১০ জুন থেকে। ১০ জুন দেয়া হবে ২০ জুনের টিকিট, ১১ জুন ২১ জুনের, ১২ জুন ২২ জুনের,
১৩ জুন ২৩ জুনের এবং ১৪ জুন ২৪ জুনের টিকিট দেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


দেশি-বিদেশি
চিকিৎসকদের যুক্ত রেখেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ
সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ড. রেজা কিবরিয়ার যোগদান
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
মির্জা
ফখরুল বলেন, আপনারা জানেন, ম্যাডাম অসুস্থ এবং আমাদের চিকিৎসকরা কাজ করছেন, আপ্রাণ
চেষ্টা করছেন। দেশি-বিদেশি সব চিকিৎসকদের যুক্ত রেখেই তারা চিকিৎসাটা করছেন। আল্লাহ
তাআলার কাছে আমরা সবসময় গোটা দেশবাসী এই দোয়া করছি যে, আল্লাহ তাআলা তাকে যেন সুস্থ
করে দেন এবং তিনি যেন সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে আসেন।
গত
রোববার থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভর্তি আছেন। সেখানে
পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়ায় তার অবস্থা সংকটময় বলে বিএনপির
তরফ থেকে জানানো হয়। এরপর বৃহস্পতিবার থেকে খালেদা জিয়াকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট
(সিসিইউ) নিয়ে চিকিৎসকরা নিবিড়ভাবে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতত্বে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি
মেডিকেল বোর্ডের অধীনে খালেদা জিয়া চিকিৎসা কাজ চলছে।
এই
বোর্ডে তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের জনহোপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়
এবং যুক্তরাজ্যে লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরাও রয়েছেন। লন্ডন থেকে তার জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক
রহমান সর্বক্ষণ মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গেও
তিনি যোগাযোগে সমন্বয় করছেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর হাজারীবাগের জিগাতলায় একটি ছাত্রী হোস্টেল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ধানমণ্ডি শাখার নারী নেত্রী জান্নাতারা রুমী (৩২)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে জিগাতলা এলাকার একটি নারী হোস্টেলের পঞ্চম তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুমীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। পরে সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত রুমী এনসিপির ধানমণ্ডি শাখার একজন নারী নেত্রী ছিলেন।
এদিকে মৃত্যুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া রুমীর কয়েকটি পোস্ট ঘিরে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া সর্বশেষ স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছিলেন,
“ইয়া আল্লাহ, হাদি ভাইকে আমাদের খুব দরকার”,
যার সঙ্গে দুটি কান্নার ইমোজি যুক্ত ছিল।
এর একদিন আগে দেওয়া আরেকটি পোস্টে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন,
“একদিন ভোর হবে, সবাই ডাকাডাকি করবে কিন্তু আমি উঠব না—কারণ আমি ভোরে উঠি না।”
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কুমিল্লা সেক্টর এর উদ্যোগে কুমিল্লায় গোমতী নদী তীরবর্তী বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের উদ্ধার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে ।
২২ আগস্ট ২০২৪, বৃহস্পতিবার কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীন এ বিবির বাজার বিওপির দায়িত্বপূর্ণ গোমতী নদীর তীরবর্তী বন্যাদুর্গত এলাকার অসহায় মানুষদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদে পৌঁছে দেয়ার কাজ করছে বিজিবি।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আরাফাত হোসেন অনি এ ব্যাপারে জানানোর পাশাপাশি আরো বলেন, বিজিবির উদ্যোগে বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে।
এছাড়া গোমতী নদীর তীরে ফাটল দেখা দিলে নদীর ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় জনসাধারণকে সাথে নিয়ে বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ নির্মাণ করছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান
আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ ফাঁসির আসামিকে নিয়ে রায় দিয়েছেন
যেখানে বলা হয়েছে মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে কোনো ফাঁসির আসামিকে কনডেম সেলে
নেয়া যাবেনা ।
রুল শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও এস এম শাহজাহান বিশেষজ্ঞ মত নেন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি
জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন। আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শিশির
মনির। রুল শুনানি শেষে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত
হওয়ার আগে দণ্ডিত বা দণ্ডিতদের কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালের ২
সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা কারাগারের কনডেম সেলের
তিন কয়েদি। তারা হলেন- সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সুনামগঞ্জের আব্দুল বশির ও খাগড়াছড়ির
শাহ আলম। ওই রিট শুনানি করে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার
আগে দণ্ডিতদের কনডেম সেলে রাখা কেন আইনত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ
প্রাপ্তদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা সংক্রান্ত কারাবিধির ৯৮০বিধিটি কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা
করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। সেই সঙ্গে কনডেম সেলে রাখা বন্দিদের কী ধরনের
সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, সে বিষয়ে প্রতিবেদন চান আদালত।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা
অনুসারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির
৪১০ ধারা অনুসারে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে
আপিল করার সুযোগ পান। হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপিল
বিভাগে আবেদন করতে পারেন।
আপিল বিভাগের রায়েও মৃত্যুদণ্ড
বহাল থাকলে সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ (পুনর্বিবেচনা)
আবেদন করার সুযোগ আছে। এ ছাড়া সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে মৃত্যু-দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি
রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। ক্ষমার এই আবেদন রাষ্ট্রপতি যদি নামঞ্জুর
করেন অথবা দণ্ডিত যদি আবেদন না করেন তাহলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারে সরকার।
অথচ বিচারিক আদালতে মৃত্যু দণ্ডাদেশের পরপরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কনডেম সেলে বন্দী
রাখা হচ্ছে।
রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ
শিশির মনির বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক সাজা কার্যকর করার
আইনগত বিধান নেই। এজন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
নিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের
১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এসব প্রক্রিয়া
শেষ করতে ১০-১২ বছর পার হয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার
পরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কনডেম সেলে বন্দী রাখা হয়। অথচ অনেকের পরবর্তীতে
সাজা কমে। অনেকে খালাসও পান। রুল শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ ছিল।
মন্তব্য করুন


বীরশ্রেষ্ঠ
নূর মোহাম্মদ শেখের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আগামীকাল বৃহস্পতিবার। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ
শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা (বর্তমান
নাম নূর মোহাম্মদনগর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আমানত শেখ এবং
মা’র নাম জেন্নাতুন্নেছা। বাল্যকালেই বাবা-মাকে হারান তিনি।
সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন তিনি। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্মভূমি
মহিষখোলার নাম পরিবর্তন করে ২০০৮ সালের ১৮ মার্চ নূর মোহাম্মদনগর করা হয়।
বীরশ্রেষ্ঠ
নূর মোহাম্মদের কর্মময় জীবন থেকে জানা যায়, ১৯৫৯ সালের ১৪ মার্চ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান
রাইফেলস (ইপিআর) এ যোগদান করেন তিনি। যা বর্তমানে ‘বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ’
(বিজিবি) হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করার পর ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই
যশোর সেক্টরে বদলী হন তিনি। পরবর্তীতে ল্যান্স নায়েক হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি। ১৯৭১
সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। নূর মোহাম্মদ শেখ
যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নের্তৃত্বে
পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ শত্রুমুক্ত করেন। ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের
গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে গুলিতে সহযোদ্ধা
নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হলে নূর মোহাম্মদ শেখ হাতে এলএমজি এবং কাঁধে আহত সাথীকে নিয়ে
শত্রু পক্ষের দিকে এগিয়ে যান এবং গুলি ছুড়তে থাকেন। এ সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর
ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে মারাত্মকভাবে জখম হন তিনি। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ নূর মোহাম্মদ
আশংকাজনক অবস্থায়ও নিজের জীবনের কথা না ভেবে যুদ্ধ চালিয়ে যান এবং গুলি চালাতে চালাতে
সামনের দিকে অগ্রসর হন। এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। এদিন পাকিস্তানি হানাদার
বাহিনীকে প্রতিরোধ এবং দলীয় সঙ্গীদের জীবন ও অস্ত্র রক্ষা করতে গিয়ে শহীদ হন নূর মোহাম্মদ
শেখ। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুরে তাকে
সমাহিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বীরশ্রেষ্ঠ’
খেতাবে ভূষিত হন তিনি।
নূর
মোহাম্মদের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে নূর মোহাম্মদ নগর ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার
ও স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে কোরআনখানি, স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ ও গার্ড অব অনার
প্রদান, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা
করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যন্ত কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দক্ষিনাঞ্চল বটতলি, সাতবাড়িয়া ও বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের পানিবন্দী মানুষের মাঝে টানা তৃতীয় দিনের মতো কয়েক হাজার মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার, ঔষধ সামগ্রী ও বাচ্চাদের কাপড় বিতরণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন শাওন, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম ভূইয়া ইমন সহ একটি টীম নাঙ্গলকোটের বটতলি ইউনিয়নের উল¬াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্যাম্প স্থাপন করে এই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
মন্তব্য করুন


দেশের
বাজারে টানা সপ্তমবারের মতো বেড়ে সোনার দামে নতুন রেকর্ড করেছে। এবার সোনার দাম ভরিতে
এক হাজার ৫৭৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (২২ ক্যারেটের)
সোনা বিক্রি হবে দুই লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকায়। আগামীকাল রবিবার থেকে সারা দেশে সোনার
নতুন এ দর কার্যকর হবে।
শনিবার
(২৭ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
সোনার দাম বাড়ার এ তথ্য জানায়।
এতে
বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সে কারণে সোনার
দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস।
নতুন
মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দুই লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা নির্ধারণ
করা হয়েছে।
এ
ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে
রুপার দামও বেড়ে রেকর্ড করেছে। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ছয় হাজার ৬৫ টাকা।
২১
ক্যারেটের রুপার দাম ভরি পাঁচ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ভরি চার হাজার
৯৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম তিন হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার
(১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুরের মডার্ন মোড় থেকে অজ্ঞান অবস্থায় সংসদ সদস্য প্রার্থী
আজিজার রহমানকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তাজহাট
থানা পুলিশ সময় সংবাদকে জানায়, বিকেলে পিংকি এন্টারপ্রাইজের একটি বাসে ঢাকা থেকে গাইবান্ধায়
ফিরছিলেন গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান। পথে বাসের মধ্যে অজ্ঞানপার্টির
সদস্যরা কৌশলে তাকে ডিম খাওয়ায়। এরপর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
পরে
অজ্ঞানপার্টির লোকজন তাকে বাস থেকে রংপুর মডার্ন মোড়ে নামিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন
নিয়ে ফেলে রেখে চলে যান। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে তাজহাট থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার
করেছে।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিকে ডাস্টবিনের সঙ্গে তুলনা করেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সম্প্রতি
একটি পোশাকের দোকানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন এই ঢালিউড নায়িকা।
সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, অপু বিশ্বাস অনুষ্ঠানে পছন্দের পোশাকের
রং থেকে শুরু করে নিজের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত জীবন ও ব্যবসা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা
করেছেন। এছাড়াও তিনি ঢালিউডের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বলেছেন, ২০০৭-২০০৮ সালে যখন ইন্ডাস্ট্রিতে
এসেছিলাম, তখন একটি ফুল-ফ্লেজড চলচ্চিত্র দেখেই ভক্ত তৈরি হতো। কিন্তু ২০১৬ সাল থেকে
ইন্ডাস্ট্রিতে নোংরামি শুরু হয়েছে। আর ইন্ডাস্ট্রি এখন ডাস্টবিন হয়ে গেছে।
তিনি
আরও বলেন, পৃথিবীতে হলিউড আছে, বলিউড আছে, পাশের দেশ টলিউড আছে। সব জায়গায় পক্ষ-বিপক্ষ
আছে। কিন্তু আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে নোংরামি ছাড়া কিছু নেই। মোট কথা, ইন্ডাস্ট্রি এখন
ডাস্টবিন ছাড়া কিছুই না।
এইদিন
অনুষ্ঠানে লেহেঙ্গা পরে হাজির হন অপু বিশ্বাস। নিজের বিয়ের পোশাকের স্মৃতিচারণা করতে
গিয়ে তিনি বলেন, লেহেঙ্গার রং ছিল হালকা, তবে ব্লাউজটি ছিল রঙিন।
অন্যদিকে,
অপু বিশ্বাস বর্তমানে নতুন দুটি ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। সম্প্রতি তাকে লাল
শাড়ি ছবিতে দেখা গেছে।
মন্তব্য করুন