

কক্সবাজারের
মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নে এক প্রবাসীর বাড়িতে সংঘটিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির
ঘটনায় মা ও তার স্কুলছাত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান
চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ভুক্তভোগীরা শনাক্ত করেছেন বলে
জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার
(৮ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার সিকদারপাড়া ডলুনিঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মাতামুহুরী
তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো
এলাকা ঘিরে ফেলে। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ছয়জনকে
গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা
হলেন, রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩), কেফায়েত হোসেন ওরফে পুইত্যা
(২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) এবং মোহাম্মদ তারেক (২৬)।
পুলিশ
পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ জানান, খবর পেয়ে মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্র ও চকরিয়া থানা পুলিশের
একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার
করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি
হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে
(ওসিসি) ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা
জানান, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল গভীর রাতে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে
প্রবেশ করে। পরে তারা ঘরের মূল দরজা খুলে অন্য সদস্যদের ঢুকতে সহায়তা করে। ডাকাতরা
পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল
লুট করে নেয়। একপর্যায়ে বাড়িতে থাকা এক নারী ও তার দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত কন্যাকে সংঘবদ্ধভাবে
ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী
স্কুলছাত্রীর মামা সাইদুল ইসলাম মারুফ বলেন, “আমার ভাগ্নির শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. রকিব জানান, ডাকাতরা প্রথমে গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে এবং পরে
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট চালায়। এরপর তারা পরিবারের সদস্যদের ওপর পাশবিক নির্যাতন
চালিয়ে পালিয়ে যায়।
সহকারী
পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাস বলেন, “প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে একদল ব্যক্তি বাড়িতে
প্রবেশ করে ডাকাতি সংঘটিত করে এবং ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান
শুরু করে। এ পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত
রয়েছে।”
চকরিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ
চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীদের
ডাক্তারি পরীক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দায়েরের কার্যক্রম
এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এদিকে, জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই
সঙ্গে এলাকায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি, রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে
বিশেষ অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের
বোচাগঞ্জে লিচু দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে
রহিম ঋশি (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে এলাকাবাসী।
রোববার
(৩১ মে) উপজেলার ছোট মালগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সকালে অভিযুক্ত ওই যুবককে আটক করে
পুলিশকে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা।
আটক
রহিম ঋশি (৩৫) পার্বতীপুর উপজেলার মহতপুর গ্রামের মন্টু ঋশির ছেলে।
স্থানীয়রা
জানান, দিনাজপুর বোচাগঞ্জ উপজেলার মালগাও গ্রামে জনি মাস্টার একটি লিচুর বাগান
লিজ নেয়। সেই লিচুর বাগান রহিম ঋশি পাহারা দিতেন। আজ সকালে শিশুটি লিচুর বাগানে থাকা
আম গাছে আম কুড়াতে গেলে রহিম ঋশি লিচু দেওয়ার কথা বলে বাগানের ভেতরে নিয়ে যায় এবং
এক থোকা লিচু দেয়। পরে শিশুটিকে ভুট্টা খেতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা
করেন তিনি। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।
এ
বিষয়ে বোচাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, জনি মাস্টারের
বাগানের এক পাহারাদার এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে।
ঘটনার খবর পেয়ে মোবাইল টিম পাঠানো হলে তারা ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে
থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। মামলার
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলা সম্পন্ন হলে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


গরমের তীব্রতা বাড়ায় শনিবার (২০ এপ্রিল)
থেকে দেশজুড়ে চলছে তিন দিনের হিট অ্যালার্টের সতর্কতা।
তাপপ্রবাহ নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের
চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন গত এক বছরে নিজেদের কাজ তুলে ধরে বলেন, গত বছর হিট মওসুমে
নিয়োগ হওয়ায় তখন বেশি কাজ করতে পারেননি। কাজ শুরু করলে রাতারাতি পরিবর্তন হবে না। আস্তে
আস্তে এই পরিবর্তনের ফল পাওয়া যাবে। দায়িত্ব
পেয়ে আমরা বসে নেই। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় যত দ্রুত সম্ভব আমরা
তা নিয়েছি। নগরবাসীর সচেতনতা বাড়াতে ‘হিট অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ চলছে। নগরে গাছ লাগানোর
পাশাপাশি তার পরিচর্যা নিশ্চিত করার বিষয়টিও আমরা দেখছি।
এ ছাড়াও নগরের তাপমাত্রা ও দূষণ কমাতে
‘টু অ্যাবেল ফরেস্ট’ (দুটি বন করার চেষ্টা) তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। কল্যাণপুর ও বনানীতে
পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আমরা নগর বন তৈরি করতে যাচ্ছি। যা একই সঙ্গে শীতলীকরণ, বায়ুদূষণ
রোধ এবং মাটির গুণাগুণ বৃদ্ধি করবে। আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ আরও কিছু সরকারি-বেসরকারি ও
এনজিওর সঙ্গে আমরা যুক্ত হয়ে বেশ কিছু কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছি।
ঢাকায় পানীয় জলের সুব্যবস্থা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করছি। পাশাপাশি জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে ‘কুলিং স্পেস’ এর ব্যবস্থা করার জন্য সিটি করপোরেশনকে পরামর্শ দিয়েছি। যেন পথচারীরা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পান। ঢাকার অন্যতম প্রবল ঝুঁকিপূর্ণ বস্তির জনগোষ্ঠী। তাদের মধ্যে তাপপ্রবাহের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি। তাদের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়াতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। এর পাশাপাশি বস্তি এলাকায় গাছ লাগানোর মাধ্যমে তাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এখন তারাই গাছের রক্ষণাবেক্ষণ করছেন। ‘গত বছর আমরা শহরের অনুন্নত অন্তত ১৫টি এলাকায় সবুজায়ন প্রোগ্রাম করেছি। যেখানে পাঁচ হাজারেরও বেশি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
তাৎক্ষণিক
গরম থেকে বাঁচতে চিফ হিট অফিসার বুশরার পরামর্শ-
চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন বলেন, আমি
চাইলেও একরাতে সব পরিবর্তন করে দিতে পারবো না। গরমে বেশি বেশি পানি পান ও শরীরের প্রতি
নজর রাখতে হবে। যেহেতু এমন গরম আগে বাংলাদেশে ইতিহাসে হয়নি, তাই এই পরিস্থিতি মানিয়ে
নিতে আগের অভ্যাস বাদ দিতে হবে। ব্যাগে পানির বোতল, হাতপাখা, ছাতার মতো জিনিসপত্র রাখা
জরুরি এখন। মাথায় টুপি পরলেও সমস্যা কিছু এড়ানো সম্ভব। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে
বের না হওয়াই ভালো। সবাইকে তরল খাবার খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। তাহলেই গরম জনিত
রোগ কিছুটা হলেও এড়ানো সম্ভব। তবে নগরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের অবশ্যই
আরও বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং পরিবেশ বান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে।
আর এদিকে তীব্র গরমে সারা দেশে আরও
৩ দিনের জন্য সতর্কতামূলক হিট অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।
মন্তব্য করুন


পবিত্র রমজান মাসে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি জানিয়েছে সরকার।
বুধবার (৫ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, রমজানে দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর সব সিএনজি স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এতে বলা হয়, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
রমজানে
রাজধানীর যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত
করতে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে পুনঃতদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর
থেকেই কাজ করে যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে আমি
প্রথম থেকেই বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সোচ্চার ছিলাম
এবং এখনো রয়েছি। এ বিষয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবার এবং গত ৪
নভেম্বর বিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বার ঘোষণা দেই, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত
হয়েছে। শুধু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে নয়, একজন সাধারণ
নাগরিক ও সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য হিসেবে আমি শুরু থেকেই বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার
দাবি করে আসছি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে জনগণের অধিকার, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। বিডিআর হত্যাকাণ্ডে
ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। অবসরপ্রাপ্ত
বিচারক, সিভিল সার্ভিস, সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে এই
কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সদস্য সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে সদস্য ৫ জন, ৭
জন, ৯জনও হতে পারে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য সংখ্যা একটু বেশি থাকবে।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কী পুনঃতদন্তের
দিকে যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেই আদেশ দিতে পারে আদালত। আর আমরা হলো
একটা শুধু প্রেস ইনকোয়ারি করতে পারি।
কতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে এমন
প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পাঁচ কার্যদিবসের সময় আমরা বলব। আগে কমিটি
গঠনের জন্য নামগুলো নিতে হবে। আপনারা জানেন এসব কমিটিতে সবাই আসতে চায় না। নাম সংগ্রহে
যদি সময় না লাগতো তাহলে অনেক তাড়াতাড়ি হয়ে যেত। নাম পাওয়ার পর তাদের সঙ্গে আলোচনা করে
তারপর আমরা সময়টা বলতে পারব।
কাজের পরিধি কী হবে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর
আলম বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনার পর বলতে পারব।
প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও সচিবের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত ড. নাসিম আহমেদসহ
বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও পূজা পরিদর্শন করতে আজ শনিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে যাবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আজ বিকেল ৩টায় প্রধান উপদেষ্টা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দুর্গাপূজা পরিদর্শন করতে যাবেন। তখন তিনি সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিনিময় সভায় অংশ নেবেন।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ গণমাধ্যমকে জানান, প্রধান উপদেষ্টা আজ শনিবার বিকেল ৩টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে যাবেন।
এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে এসএসএফসহ
বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে কাজ করছে। সাধারণ মানুষের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার
দায়িত্ব আমাদের। তা নিয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বিবিসি হিন্দিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি
এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রকাশিত
ওই সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানকার সংখ্যালঘুরা আমাদের নাগরিক। তাদের
নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এ বিষয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই। যেটা নিয়ে ভারতের
বলা প্রয়োজন সেটা হলো, গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা।
এই প্রশ্ন করা যেতে পারে, বাংলাদেশের
বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত কী ধরনের সাহায্য করতে পারে? এ বিষয়ে কথা বলা প্রয়োজন।
আরও বলতে চাই, ভারতের গণমাধ্যম আমাদের সরকারকে নিয়ে ভুল সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। ভারতের
উচিত এ বিষয়ে একটা সীমা টানা। আমরা চাই, তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনা হোক এবং সম্পর্ক উন্নয়নের
প্রশ্নেও আলোচনা হোক।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামী
লীগ জুলাই-আগস্টে যে গণহত্যা ঘটিয়েছে, সেটাকে ভারত কীভাবে দেখে, তা ভারত এখনো স্পষ্ট
করেনি। কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে। কিন্তু ভারত এ বিষয়ে
কোন কথা বলেনি। উপরন্তু, যার (শেখ হাসিনা) ওপরে এ ঘটনার দায় বর্তায়, ভারত তাকে আশ্রয়
দিয়েছে। যে ব্যক্তি তার স্বজনকে হারিয়েছে, ভারত যদি তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়, তাহলে
বাংলাদেশের জনগণ সেটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবে। আমি চাই, ভারত আমাদের সহায়তা করুক,
যাতে যারা গণহত্যা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এখানে যা কিছু
হয়েছে তা আমাদের নজরে আছে। মানুষের যে কষ্ট হয়েছে, সে সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল। এটাও
মনে রাখতে হবে, যদি সময়মতো (গণঅভ্যুত্থানের পরপর) ব্যবস্থা না নেওয়া হতো, তাহলে পরিস্থিতি
আরও খারাপ হতো। দুর্গাপূজার কথাই ধরেন। বলা হচ্ছিল, আরও সহিংসতা হবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করেছি। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হয়েছে।
আমাদের সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কথা বলেছে, আশ্বস্ত করেছে। তারাও এতে আশ্বস্ত হয়েছেন।
আমি তো বলব, অন্য কোনো সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেনি, যা আমরা
গত তিন মাসে করেছি। আগের সরকারগুলো এ বিষয়ে শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নিয়েছে। তাদের ওপর
থেকে সংখ্যালঘুদের আস্থা কমে গিয়েছিল। আমাদের এসব ঠিক করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি,
তাদের কিছু বিষয় আছে, যা এখনই সমাধান হওয়ার নয়। এজন্য আমাদের সময় দিতে হবে। আওয়ামী
লীগ সরকারের বিদায়ের পর কিছু উগ্র ও কট্টরপন্থি সংগঠনের তৎপরতা বাড়তে পারে। এ কারণে
শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতের নিরাপত্তারও সমস্যা হতে পারে—এ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনো কোনো সহিংসতা বা উগ্রবাদী সংগঠনকে সমর্থন করে না। বাংলাদেশের
মানুষ গণতান্ত্রিক সরকার চায়। আপনি যা বলছেন সেটা আওয়ামী লীগের প্রচার করা অসত্য বয়ান।
তারা বলত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর তৎপরতা বেড়ে যাবে। এসব
বলে বলে তারা এত বছর বাংলাদেশ শাসন করেছে। ভারতও এই বয়ান সমর্থন করে। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে
আওয়ামী লীগ সরকারে থাক বা না থাক, এটা দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে কেন প্রভাব পড়বে?
এর মানে হলো, ভারত এ দেশের মানুষের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছিল।
বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে এ প্রশ্ন উঠত না। যেমন- আমরা দেখি না ভারতে
কে ক্ষমতায়, বিজেপি না কংগ্রেস। সে রকমই এখানেও এটাই হওয়া উচিত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
আছে না নেই, সে প্রশ্ন থাকা উচিত নয়। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমি শুধু এটাই বলব, বিষয়গুলো
আওয়ামী লীগের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই উচিত। আমরা দুই দেশ একে অপরকে সঙ্গ দিলে উভয়ের
কল্যাণকর কাজ করা সম্ভব। আমরা কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করিনি। কোনো প্রকল্পও
বন্ধ করিনি। সবকিছু আগের মতোই চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কুমিল্লা সেক্টর এর উদ্যোগে কুমিল্লায় গোমতী নদী তীরবর্তী বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের উদ্ধার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে ।
২২ আগস্ট ২০২৪, বৃহস্পতিবার কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীন এ বিবির বাজার বিওপির দায়িত্বপূর্ণ গোমতী নদীর তীরবর্তী বন্যাদুর্গত এলাকার অসহায় মানুষদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদে পৌঁছে দেয়ার কাজ করছে বিজিবি।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আরাফাত হোসেন অনি এ ব্যাপারে জানানোর পাশাপাশি আরো বলেন, বিজিবির উদ্যোগে বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে।
এছাড়া গোমতী নদীর তীরে ফাটল দেখা দিলে নদীর ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় জনসাধারণকে সাথে নিয়ে বালুর বস্তা ফেলে বাঁধ নির্মাণ করছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


গভীর
গর্ত বা নলকূপে পড়ে যাওয়া শিশুদের দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ খাঁচা
উদ্ভাবন করেছেন নাটোরের কৃষক তারা মিয়া। সম্পূর্ণ নিজস্ব ভাবনা থেকে তৈরি করা এই উদ্ভাবনী
যন্ত্রটির কার্যকারিতা সম্প্রতি পর্যবেক্ষণ করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের
মহাপরিচালকও।
গত
রবিবার (৭ জুন) নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস
ট্রেনিং গ্রাউন্ডে এর একটি সফল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও
সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালসহ
অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে এই মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।
প্রদর্শনীর
অংশ হিসেবে ট্রেনিং গ্রাউন্ডে কৃত্রিমভাবে ৪০ ফুট গভীর একটি গর্ত তৈরি করে সেখানে ১৫
কেজি ওজনের একটি শিশুর ডামি ফেলা হয়। এরপর কৃষক তারা মিয়া তার উদ্ভাবিত খাঁচার সাহায্যে
অত্যন্ত সফলভাবে ডামিটি উদ্ধার করে দেখান। মূলত একটি সুতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত বিশেষ
লক সিস্টেম ব্যবহার করে এই খাঁচাটি গর্তে আটকে পড়া ভিকটিমকে নিরাপদে টেনে তুলতে সক্ষম।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই উদ্ভাবনের খবর ফায়ার সার্ভিসের
মহাপরিচালকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি রাজশাহীর বিভাগীয় উপপরিচালকের মাধ্যমে তারা মিয়াকে
এই প্রদর্শনীর জন্য আমন্ত্রণ জানান। পেশায় কৃষক হয়েও এমন একটি মানবিক ও কারিগরি উদ্যোগ
নেওয়ার পেছনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন তারা মিয়া। তিনি জানান, ২০২৫ সালে রাজশাহীর
তানোরে গর্তে পড়ে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। সেই ঘটনার
পর থেকেই তিনি এমন একটি যন্ত্র তৈরির কথা ভাবতে শুরু করেন, যার মাধ্যমে উদ্ধারকারীদের
জটিলতা কমিয়ে দ্রুততার সঙ্গে শিশুদের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। নিজের এই সাধারণ উদ্ভাবনটি
ফায়ার সার্ভিসের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মূল্যায়ন করায় তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করেন।
কৃষক
তারা মিয়ার এই অনন্য ও সময়োপযোগী উদ্ভাবনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ফায়ার সার্ভিস
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খাঁচাটির কারিগরি
দিকগুলো বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সংস্কার
ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে এটিকে ভবিষ্যতে ফায়ার সার্ভিসের নিয়মিত উদ্ধারকাজের উপযোগী
ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিধি আরও বড় হচ্ছে।
নতুন করে ৫ উপদেষ্টা যুক্ত হচ্ছেন। এরমধ্যে চারজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আলী ইমাম মজুমদার, লে.ক. (অব.) জাহাঙ্গীর আলম ও মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, আগামীকাল শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করাবেন।
বঙ্গভবন সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে নতুন উপদেষ্টাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যান্য উপদেষ্টাগণ উপস্থিত থাকবেন।
এর আগে, গত ৮ আগস্ট রাতে নবীন-প্রবীণের সমন্বয় গঠিত হলো দেশের বহুল আলোচিত অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বঙ্গভবনের দরবার হলে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় আরও ১৩ জন উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ গ্রহণ করেন। শপথ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও কূটনীতিকেরা দরবার হলে উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে ১১ ও ১৩ আগস্ট আরও তিন জন উপদেষ্টা শপথ নেন। তারা ঢাকার বাইরে থাকায় পরে শপথ নেন।
অন্তর্বর্তী
সরকারের উপদেষ্টারা হলেন- ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত
হোসেন, ড. আসিফ নজরুল, হাসান আরিফ, তৌহিদ হোসেন, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শারমিন মুরশিদ,
ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক), আদিলুর রহমান খান, সুপ্রদীপ চাকমা, ফরিদা আখতার, বিধান রঞ্জন
রায়, আ ফ ম খালিদ হাসান, নুরজাহান বেগম, মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
মন্তব্য করুন


সরকার রোজার শুরুতেই খেজুর ও চিনির দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ।
সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফুয়ারা খাতুনের সই করা এক সার্কুলারে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, নিম্নমানের খেজুরের দাম ধরা হয়েছে কেজিতে ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর বহুল ব্যবহৃত জাইদি খেজুরের কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা।
প্রতি কেজি অতি সাধারণ খেজুরের দর ঠিক করা হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকা। এছাড়া কেজিপ্রতি চিনির মূল্য ১৪০ টাকা ধার্য করা হয়েছে।
পাশাপাশি প্রতি কেজি চিনির মূল্য ১৪০ টাকা ঠিক করা হয়েছে। তাছাড়া প্যাকেটজাত চিনির সর্বোচ্চ দর ধার্য করা হয়েছে ১৪৫ টাকা। এসব দামে খেজুর ও চিনি বিক্রি করতে ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে নিম্নমানের খেজুরের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দামি খেজুরের দাম ঠিক করে দেয়া হয়নি। ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পিঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। আশা করি, শিগগিরই তা দেশে আসবে। এতে মসলাজাতীয় পণ্যটির দরও কমে যাবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার নিত্যপণ্যের দাম কমানোর চেষ্টায় করছে। বাজারে কোনো পণ্যের স্বল্পতা নেই। চালের দরম নিয়েও অস্বস্তি নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে মনিটরিং হচ্ছে।
মন্তব্য করুন