

৪ মহানগর ও ৬ জেলার কমিটি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
সোমবার (০৪ নভেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়েছে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিবৃতিতে ।
এতে জানানো হয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটি, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, সিলেট মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, ময়ময়নসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ও শেরপুর জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পেয়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আংশিক আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে আমিনুল হককে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ।
আর বরিশাল মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মনিরুজ্জামান খান ফারুককে। সিলেট মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হয়েছেন রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংস্কার-নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা
হলে সংশয় কেটে যাবে।
আজ
শনিবার (২৪ মে) রাত ৮টার দিকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ
আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশ করেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার
দিকে প্রেস ব্রিফিং করেন।
সেখানে
তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশে কিছুটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। তার
ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের একটা বৈঠক হয়। সেই বৈঠক থেকে প্রধান
উপদেষ্টা একটি মেসেজ জাতিকে দিতে চেয়েছিলেন।
জামায়াতের
আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি (প্রদান উপদেষ্টা) সেটা দেননি। কিন্তু এটা খুব দ্রুত
সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে এক ধরনের আশঙ্কা বিরাজ করে। আমরা সেটাকে আমলে নিয়েছি।
একই সময়ে একজন রাজনৈতিক নেতা তার জনপ্রতিনিধিদের দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। আরেক
জায়গায় অন্যরা গুরুত্বপূর্ণ দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। সব মিলিয়ে বিষয়টা কিছুটা
কষ্টের ও বিরক্তির। যে কারণে তিনি তার দায়িত্বের ব্যাপারে বিবেচনা করবেন এমনটি প্রকাশ
করেছিলেন।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশ ভালো থাকলে আমরা সবাই ভালো থাকবো। দেশে একটা পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু এই পরিবর্তনে এখন যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে সরকারের তাদের পরিচয় হলো তারা কোনো দলকে ধারণ করবে না। এটাই হওয়া উচিত নয়। আমাদের সবার দাবি ছিল অর্থবহ একটি সংস্কার হবে। এই সংস্কার ও বিচারের মধ্য দিয়েই একটা অর্থবহ নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের সুস্থ মাঠ থাকবে, যারা অংশগ্রহণ করবে তারা ষড়যন্ত্রের শিকার হবে না, পেশী শক্তির প্রবণতা থাকবে না। সাড়ে ১৫ বছর জনগণ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে, এবার তারা ভোট দিতে পারবে সেটা নিশ্চিত হবে এটাই ছিল আমাদের দাবি।
জামায়াতের
আমির আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যে কয়েকবার বলেছেন, নির্বাচন তিনি দিতে চান
এ বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনো রোডম্যাপ
দেননি। দিন মাস ঘোষণা করেননি এটাকে কেন্দ্র করে। আমরা বলেছি, দুটি বিষয় স্পষ্ট করা
দরকার- গ্রহণযোগ্য সংস্কার হতে হবে, এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে। আমরা মনে করি, সংস্কার
ও নির্বাচনী রোডম্যাপের ঘোষণা হলে অনেকটাই সংশয় কেটে যাবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভা শেষে আজ শনিবার
(২৪ মে) উপদেষ্টা পরিষদের এক অনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের ওপর অর্পিত তিনটি প্রধান দায়িত্ব (নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার) বিষয়ে বিস্তারিত
আলোচনা হয়।
এ নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ এক বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর
শের-ই-বাংলা নগর এলাকায় পরিকল্পনা কমিশনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এসব দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের
অযৌক্তিক দাবি দাওয়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও এখতিয়ার বহির্ভূত বক্তব্য এবং কর্মসূচি দিয়ে
যেভাবে স্বাভাবিক কাজের পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করে তোলা হচ্ছে এবং জনমনে সংশয় ও সন্দেহ
সৃষ্টি করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বৈঠকে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশকে স্থিতিশীল
রাখতে, নির্বাচন, বিচার ও সংস্কার কাজ এগিয়ে নিতে এবং চিরতরে এদেশে স্বৈরাচারের আগমন
প্রতিহত করতে বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন বলে মনে করে উপদেষ্টা পরিষদ।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর
বক্তব্য শুনবে এবং সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করবে।
শত বাধার মাঝেও গোষ্ঠীস্বার্থকে উপেক্ষা
করে অন্তর্বর্তী সরকার তার ওপর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। যদি পরাজিত শক্তির ইন্ধনে
এবং বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারের ওপর আরোপিত দায়িত্ব পালনকে অসম্ভব করে তোলা
হয়, তবে সরকার সকল কারণ জনসমক্ষে উত্থাপন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের জনপ্রত্যাশাকে ধারণ করে। কিন্তু সরকারের স্বকীয়তা, সংস্কার
উদ্যোগ, বিচার প্রক্রিয়া, সুষ্ঠু নির্বাচন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে
এমন কর্মকাণ্ড অর্পিত দায়িত্ব পালন করাকে অসম্ভব করে তুললে সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে
প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
মন্তব্য করুন


দেশের
সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের
সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে
আর্থিক খাত স্থিতিশীল ও সংস্কার এবং মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার
চারটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সিদ্ধান্তগুলো
হলো-
১।
চাহিদা ও জোগানের যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে
হবে। এজন্য মুদ্রানীতিকে সংকোচমূলক অবস্থায় ধরে রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে সরবরাহ পরিস্থিতির
উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতির চাপ
থেকে স্বস্তি পেতে সবাইকে আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে।
২।
বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে তারল্য বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা
লেনদেনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যান্ড ১ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
৩।
ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্কারের
বিষয়টি চলে এসেছে। ব্যাংকিং খাতে টেকসই সংস্কারের জন্য একটি ব্যাংকিং কমিশন গঠন করে
দ্রুত কার্যক্রম নেওয়া হবে।
৪।
আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সংস্কারের বিষয়ে একটি রূপকল্প তৈরি করা হবে, যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


শনিবার
(২৪ মে) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির
সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন,প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি মূল তিনটি বিষয়ে
আলোচনা হয়েছে। সেগুলো হলো সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন।
এর
আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপির চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার
বাসভবন যমুনায় প্রবেশ করে। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন
খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাউদ্দিন আহমেদ।
দলের
স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা বলেছি, এই তিনটি বিষয়ের একটার
সঙ্গে আরেকটার কোনো সম্পর্ক নেই। কেননা সংস্কার চলমান বিষয়। এটা চলতে থাকবে। আমরা আশা
করেছি এই সরকার একটা ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটা সংস্কার প্রস্তাব দেবে। সেটা চলমান থাকবে।
ভবিষ্যতে যদি জনগণ আমাদের ক্ষমতায় বসায়, আমরা সেই সংস্কার চলমান রাখব এবং বাস্তবায়নের
প্রচেষ্টা নেব।
বিএনপির
নেতাদের মামলার বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা বলেছি, দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান থেকে শুরু করে আমরা এবং তৃণমূলের
নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি বিক্ষুব্ধ। আমরা সেই স্বৈরাচারী সরকারের কর্তাব্যক্তিদের,
যারা দায়ী, তাদের বিচার চাই।
বিচারব্যবস্থা
নিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য আমরা স্বাধীন বিচারব্যবস্থা চাই, যারা এই বিচার সম্পন্ন করবে।
আমরা বলেছি, যেসব বিচার সম্পন্ন না হবে, যদি বিএনপি ক্ষমতায় যায়, তাহলে তাদের বিচারের
আওতায় এনে স্বাধীন বিচারব্যস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।
বিএনপি
নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সংস্কার কার্যক্রম অবিলম্বে শেষ করে দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বলেও জানান খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি
বলেন, আমাদের আলোচনা বিষয়ে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। আমরা যা অনুমান করেছিলাম তার
ওপর ভিত্তি করে একটা লিখিত বক্তব্য নিয়ে এসেছিলাম। সেটা প্রধান উপদেষ্টাকে দিয়েছি।
সেই ভিত্তিতে আলোচনা করেছি।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, শুক্রবার, মে ২৯, ২০২৬, বিকাল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন সড়কের পরিস্থিতি দেখেন।
তিনি বলেন, রাজধানীর কুরবানির বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া ভালোভাবে হচ্ছে কিনা- তা দেখতে বেরিয়েছেন তিনি। নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি গুলশান এভিনিউয়ের বাসা থেকে বেরিয়ে গুলশান-১ নম্বর মোড় হয়ে হাতিঝিল, রামপুরা রোড, মালিবাগের আবুল হোটেল দিয়ে তালতলা মার্কেট হয়ে বাসাবোর দিকে গেছে। এরপর কমলাপুর স্টেডিয়াম, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, যাত্রাবাড়ী মোড়, ধোলাই খাল হয়ে শহীদ ফারুক সড়ক, দয়াগঞ্জ সড়ক দিয়ে নারিন্দা হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় দিয়ে আদালত সড়ক দিয়ে নয়া বাজার, বংশাল রোড হয়ে গুলিস্তান, শাহবাগ, এলিফেন্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে নিউ মার্কেট হয়ে সায়েন্স ল্যাবরেটরি থেকে ডান দিকে কলাবাগান, মিরপুর রোড, সিটি কলেজের সামনে দিয়ে সীমান্ত স্কয়ার হয়ে জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড দিয়ে ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোড, ২৭ নম্বর সড়ক দিয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে পান্থপথ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি হয়ে মহাখালী সড়কের পরিস্থিতিও প্রধানমন্ত্রী দেখবেন।
উপ-প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় সিগন্যাল মেনে গাড়ি থামিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে বেশ কিছু
অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে ধানমন্ডি
৩২ নম্বরে। সেখানে শোক জানাতে যাওয়া
ব্যক্তিদের ফোন চেক ও
তাদের মারধর করার মতো অভিযোগও
রয়েছে। এছাড়াও এক ব্যক্তিকে প্রায়
নগ্ন করে নাচতে বাধ্য
করার একটি ভিডিও ভাইরাল
হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
এসব
অপ্রীতিকর ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেউ জড়িত কি
না সে বিষয়ে তদন্ত
করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এর
সমন্বয়ক সারজিস আলম।
শুক্রবার
(১৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর
একুশে হলে ১৫ আগস্টের
বিভিন্ন ঘটনা ও সমসাময়িক
ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
সারজিস
বলেন, ১৫ আগস্ট রাজধানীর
ধানমন্ডি ৩২ সহ বিভিন্ন
জায়গায় কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা
ঘটেছে, যা আমাদের গণ
অভ্যুত্থানের স্পিরিটের সাথে যায় না।
তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
বাসভবনে শোক প্রকাশে ঘটে
যাওয়া বিতর্কিত কাজ নিয়ে তদন্ত
করা হচ্ছে। ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে
মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। কেউ যদি ১৫
আগস্ট ধানমন্ডিতে ফুল দিতে চায়
তাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাধা দিতে পারে
না। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর গাড়িতে হামলার অধিকার কারও নেই। তাই
এসবের সঙ্গে সমন্বয়ক বা অন্য কেউ
জড়িত থাকলে বহিষ্কার এবং ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস বলেন, ২০১৩ সালে আওয়ামী
লীগ পুলিশের মাধ্যমে হেজাফতে ইসলামের সমাবেশের সময় কান ধরে
ওঠবস করানোর সংস্কৃতি শুরু করেছিল। তবে
গতকাল ১৫ আগস্ট কান
ধরে ওঠবস করানো ও
মোবাইল চেক করাসহ ঘটে
যাওয়া কিছু কাজ বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আমরা ১৫
আগস্ট রাষ্ট্রীয় আয়োজনে শোক দিবস পালনের
পক্ষে না। তবে কেউ
ব্যক্তিগতভাবে শোক প্রকাশ করতে
চাইলে তাকে সম্মান জানাতে
হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.
শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সময়ে আমাদেরকে নিয়ে চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র চলছে তাই আমাদেরকে
আরও সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর
পূর্বাচলের সী শেল রিসোর্টে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সাবেক
ও বর্তমান সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এক ‘প্রীতি সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, মানুষের সেবা করার জন্য আমাদের মনকে সবসময় প্রস্তুত রাখতে হবে। গোটা জাতিকে আমাদের
ধারণ করতে হবে। নিজেদের সকল কাজের ব্যাপারে পরিশ্রমী ও সৎ থাকতে হবে এবং প্রজ্ঞার পরিচয়
দিতে হবে। আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় পাওয়া যাবে না।
প্রীতি সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক
ও ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার সাবেক সভাপতি আবু সাঈদ মোহাম্মদ ফারুক অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন। এ সময় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী
ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করীম, সিলেট মহানগরীর আমির ফখরুল
ইসলাম, গাজীপুর মহানগরীর আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয়
সভাপতি ডা. ফখরুদ্দীন মানিক, ইয়াসিন আরাফাত ও সালাউদ্দিন আইয়ূবী ও সাবেক কেন্দ্রীয়
দাওয়াহ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শাহিন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,ৃ বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ঢাকা মহানগরী উত্তর
জামায়াতের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার
সম্পাদক ডা.সাদেক বিল্লাহসহ ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগরীর সাবেক সভাপতি ও সেক্রেটারি
।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠন করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেভাবেই
চলার চেষ্টা করছে। মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছে কিছু পেতে পারে।
শহীদ
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার (৩১ মে) ঢাকার কৃষিবিদ
ইনস্টিটিউটে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় হেসেখেলে কাটিয়ে
দিলে দেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘জিয়াউর রহমান কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এমন স্থানে নিয়ে গিয়েছেন,
তাতে মানুষ জিয়া ও বাংলাদেশকে এক রকম মনে করত।
কঠোর
পরিশ্রম, সততার মাধ্যমে দেশে অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। জিয়াউর রহমানের সেই পথ অনুসরণ
করতে হবে।’
এ
সময় সরকারপ্রধান বলেন, ‘দেশে সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
বিষয়গুলো কিভাবে শিশুদের মাঝে তৈরি করা যায়, তা নিয়ে তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা
দেওয়া হয়েছে।
তারেক
রহমান এ সময় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান নিজ দলের নেতাকর্মীদের প্রতি।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগের মতো পরিশ্রম জারি রাখতে হবে। ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে
সরকারকে সফল করতে হবে।’
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে
নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ
অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা
করা হয়।
এ সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনের সেকেন্ড
সেক্রেটারি এলি বুট উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ
অনুযায়ী বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত
অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনা প্রবাহের তথ্য প্রচারে তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
ওপর বেশ কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর কয়েকটি প্রকাশনাও তৈরি করা হয়েছে।
সাক্ষাতকালে তথ্য উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম জানান, আগামী ৫ই আগস্ট উদ্যাপন
উপলক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও কিছু প্রামাণ্যচিত্র ও প্রকাশনা তৈরি করা হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, দেশের
গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, এ বছর বিশ্ব মুক্ত
গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে।
এ সাফল্যের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় ব্রিটিশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়ে হাইকমিশনার
তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
করেন।
সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা
হয়।
মন্তব্য করুন