

৪ মহানগর ও ৬ জেলার কমিটি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
সোমবার (০৪ নভেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়েছে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিবৃতিতে ।
এতে জানানো হয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটি, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, সিলেট মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, ময়ময়নসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ও শেরপুর জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পেয়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আংশিক আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে আমিনুল হককে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ।
আর বরিশাল মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মনিরুজ্জামান খান ফারুককে। সিলেট মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হয়েছেন রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরে অভিবাসন ও বিনিয়োগ অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আগামীকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সফর। এই সফরে অনেকগুলো সমঝোতা স্বাক্ষর হবে। এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হবে। সফরের মূল ফোকাস অভিবাসন নিয়ে আলাপ, দ্বিতীয় ফোকাস হচ্ছে বিনিয়োগ।
রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফর নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচবি শফিকুল আলম বলেন, মালয়েশিয়া আমাদের জনশক্তি খাতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। আমরা আমাদের অভিবাসন এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পারি-যাতে মালয়েশিয়া আমাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি নেয়। এগুলো নিয়ে কিছু আলাপ হবে এবং এটার আলোকে কিছু চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তিনি বলেন,মালয়েশিয়ার বড় বড় যেসব কোম্পানি আছে—তাদের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে কথা হবে। আগামী ১২ আগস্ট একটি বিজনেস কনফারেন্স আছে। এরপর ১৩ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টাকে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান (ইউকেএম) সম্মানসূচক ডিগ্রি দেবে। এই অনুষ্ঠানে আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীম উপস্থিত থাকবেন । মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১২ আগস্ট একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আছে। সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে সুসম্পর্ক আছে, সেটা একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহা-পরিচালক শাহ আসিফ রহমান বলেন, আগামী ১১ থেকে ১৩ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। তার সঙ্গে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল যাচ্ছেন। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন হারুন।
তিনি আরও জানান, সফরের প্রথম দিন প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হবে, সেখানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল প্রধান উপদেষ্টাকে গ্রহণ করবেন। ১২ আগস্ট পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। বৈঠকের পর দুদেশের প্রতিনিধি পর্যায়ে বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য যে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হবে তা হলো প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা; এলএনজি ও পেট্রোলিয়াম সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণসহ জ্বালানি সহযোগিতা; বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ মালয়েশিয়া (আইএসআইএস); বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) ও চিপ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিমোস (এমআইএমওএস) এর সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক চেম্বার এফবিসিসিআইর সঙ্গে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক চেম্বারের মধ্যে সমঝোতা।
সম্ভাব্য এক্সচেঞ্জ নোটগুলো হলো হালাল ইকোসিস্টেম, দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমি এবং উচ্চ শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বিষয়ক নথি সই।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মালয়েশিয়ায় তিন দিনের সরকারি সফর শেষে আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) দেশে ফিরেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি রাত ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে গত সোমবার তিনি কুয়ালালামপুরে যান।
বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন অধ্যাপক ইউনূস। এছাড়াও তিনি একাধিক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশ
সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অফিসকক্ষে
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সহযোগিতা
চান।
মন্ত্রী
বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটি জাইকা'র মাধ্যমে মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের
তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। জাপানের
সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জাপান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর
ট্রাফিক সেফটি নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা
করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেয়া হবে।
বৈঠকে
দু'দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ,
ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের
শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে তাঁর নতুন পোর্টফলিও'তে
দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপানের
অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর
ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টটি গতবছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপি'র সঙ্গে আরো কাজ করতে
আগ্রহী।
চলতি
বছর হলি আর্টিজান হামলার দশ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে
অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাপানি
নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।
তিনি
বলেন, জাপানের পক্ষ থেকে যে কোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবো।
বৈঠকে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের
প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) কোমিন কেন, প্রথম সচিব (ইকোনমিক) মোচিদা যুত প্রমুখ উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


শরীয়তপুরের
নড়িয়া উপজেলার ঘরিষার ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী
বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
শনিবার
(২৭ ডিসেম্বর) রাতে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ মতিউর রহমান সাগরকে
ফুল দিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদ্য পদত্যাগী সহ-সভাপতি আফজাল ফকির, স্বাস্থ্যবিষয়ক
সম্পাদক শাজাহান মল্লিক এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চান মিয়া কোতোয়ালের
নেতৃত্বে তারা বিএনপিতে যোগ দেন। এ সময় বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর নতুন যোগদানকারীদের
ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
এর
আগে ২২ ডিসেম্বর পনু সিকদার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুল রাড়ীর নেতৃত্বে আরও অর্ধশত
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দেন।
ঘরিষার
ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মাঝির সভাপতিত্বে এবং ছাত্রদলের সভাপতি
ইমরান সরদারের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নড়িয়া উপজেলা বিএনপির
সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মতিউর রহমান সাগর।
এ
সময় বিএনপিতে নতুন যোগদানকারীরা, আফজাল ফকির, শাজাহান মল্লিক ও চান মিয়া কোতোয়াল বলেন,
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের
নেতৃত্বে একটি সুখী-সমৃদ্ধ আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে তারা বিএনপিতে যোগদান
করেছেন।
তারা
আরও বলেন, এই এলাকায় সাগর ভাইয়ের নেতৃত্বে জননেতা আলহাজ্ সফিকুর রহমান কিরণকে ধানের
শীষ প্রতীকে বিজয়ী করা হবে এবং ঘরিষা তথা নড়িয়াকে বিএনপির শক্তিশালী ঘাঁটিতে পরিণত
করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
নড়িয়া
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ মতিউর রহমান সাগর বলেন, বিএনপি শান্তিপূর্ণ
ও সুস্থধারার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে।
শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের
নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে বিএনপি কাজ করে যাচ্ছে। নড়িয়া-সখিপুরের শান্তির
প্রতীক আলহাজ সফিকুর রহমান কিরণকে বিজয়ী করতে তারা বদ্ধপরিকর। এ কারণে নতুন যোগদানকারীদের
বিএনপির পতাকাতলে স্বাগত জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আজ রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে শুরু হবে ভোট উৎসব। উৎসবের আবহ থাকলেও, একই সঙ্গে নানা শঙ্কা ও উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছে নির্বাচনী মাঠে।
কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনসহ সারা দেশের মোট ৩০০টি সংসদীয় আসনে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবার দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় ভোটযজ্ঞে অংশ নেবেন কোটি কোটি ভোটার।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, কাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে: চলবে। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।" কুমিল্লায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, মোতায়েন ৭৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট:
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১১টি সংসদীয় গআসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ
নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী মাঠে সার্বিক তদারকির জন্য মোট ৭৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্বাহী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। নিরাপত্তা জোরদার, মাঠে সব বাহিনী নির্বাচন ঘিরে কুমিল্লায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
কুমিল্লায় ভোটার সংখ্যা লাখে লাখে:
নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনে প্রায় দেড় হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ৪৮ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটার। ভোটের আগের শেষ দিনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জমজমাট থাকলেও, ভোটগ্রহণ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহের
পাশাপাশি উদ্বেগও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা ও প্রত্যাশা: ভোটের আগের দিন কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ স্পষ্ট। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের আশঙ্কা ভোটারদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশাড়সব শঙ্কা পেরিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দেবে আগামীকালের ভোট।সব মিলিয়ে, রাত পোহালেই কুমিল্লাসহ সারাদেশে শুরু হচ্ছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। এখন দেখার বিষয়, ভোটারদের অংশগ্রহণ ও প্রশাসনের ভূমিকার মধ্য দিয়ে এই নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।
কুমিল্লার ১১টি আসনের ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি:
বিগত কয়েকটি জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচনের সময় সহিংসতার বিষয় মাথায় রেখে কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের ১৭টি উপজেলার ১ হাজার ৪৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৩৪টি কেন্দ্র। এর মধ্যে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের শতভাগ ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


বিবেক হচ্ছে কুমিল্লাস্হ একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজের মানুষের সহযোগিতার কল্যাণে এ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ বছর ধরে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে কাজ করে আসছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান হলেন ইউসুফ মোল্লা টিপু যিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব।
শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে বিবেকের একটি টিম কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বারেশ্বর গ্রামে অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এসে দাঁড়িয়েছে।
বন্যায় কুমিল্লার আমড়াতলি ইউনিয়নের একটি পরিবার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিবারটির ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা নিয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু ।
সহযোগিতার
হাত নিয়ে বিবেকের এই উদ্যোগ সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা এবং কুমিল্লাকে নিয়ে হাজী ইয়াছিনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে একটি গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকালে নগরীর ছাতীপট্টি অজিত গুহ কলেজ এলাকা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় হাজী ইয়াছিন উপস্থিত না থাকলেও তার পক্ষে নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচি পরিচালনা করেন। কর্মসূচিটি ছাতীপট্টি থেকে শুরু হয়ে চকবাজার–তেলিকোনা হয়ে গুধীরপুকুর পাড়ে গিয়ে শেষ হয়।
গুধীরপুকুর পাড়ে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়া এখন সময়ের দাবি। জনগণের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই ৩১ দফার লক্ষ্য।
তারা জানান, হাজী ইয়াছিন কুমিল্লার মানুষের পাশে থেকে যে উন্নয়ন–ভিশন দিয়েছেন, তা আগামী দিনে কুমিল্লার আধুনিক নগর বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
বক্তারা আরো বলেন, কঠিন সময়েও হাজী ইয়াছিন দলের প্রতি যে নিষ্ঠা ও ত্যাগ দেখিয়ে গেছেন তা কুমিল্লার বিএনপিকে প্রেরণা দেয়। সংগঠনের প্রতিটি নেতা–কর্মীর মাঝে তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রয়েছে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, আতাউর রহমান ছুটি, মাহাবুবর রহমান দুলাল, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, সদর দক্ষিণ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু সায়েম মজুমদার, সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়া জুয়েল—সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকরা জানান, আগামী দিনগুলোতে এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে আরও বিস্তৃত আকারে পরিচালিত হবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভোটার হতে আইনি কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন
কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি জানান, ইসি চাইলে যেকোনো সময় যে কাউকে ভোটার
করতে পারে।
আজ
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ইসি মাছউদ এ কথা বলেন। তবে ভোটার হতে তারেক রহমান শনিবার (২৮
ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে আসবেন কিনা তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি ইসি মাছউদ বলেন।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তারেক
রহমান। এর আগে ২২ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক
শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান দেশে ফিরে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোটার হবেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। তবে নির্বাচনের পূর্বাভাসে তিনি জান-মালের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) কালবেলার প্রতিবেদকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার সময় তাহেরী বলেন, “লুট হওয়া অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। ফেসবুকে আমার সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব নিয়ে আমি শঙ্কিত। আসন্ন নির্বাচনে জান-মালের নিরাপত্তা নিয়ে আমি ভাবছি।”
নির্বাচন চলাকালীন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত আছে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা ২২ জানুয়ারি শুরু হবে। তখনই বুঝতে পারব নির্বাচনী মাঠ সমান আছে নাকি কোনো দিকে হেলে পড়েছে।”
সম্পদ ও হলফনামা:
তাহেরী বলেন, “আমার জমানো টাকা থেকে যে সুদ আসে, সেটি আমি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করি না। আমার স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, নিজের নামে আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ। এসব স্বর্ণ আমি বিভিন্ন সময়ে উপহার হিসেবে পেয়েছি এবং স্ত্রীর ও মেয়েদের জন্য নিজের নামে ক্রয় করেছি। পরিবারের প্রধান হিসেবে সকল সম্পত্তি নিজের নামের।”
ভোটের উৎসাহ ও প্রত্যাশা:
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী আরও জানান, “সাধারণ মানুষ আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ। আশা করি উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটেই আমি এমপি হিসেবে জয়ী হবো।”
হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত এই প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। ‘মোমবাতি’ প্রতীকে তিনি নির্বাচন করবেন। বৃহত্তর সুন্নিজোট তাকে সমর্থন দিয়েছে। তাহেরির বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। মাধবপুরে তার শ্বশুরবাড়ি।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের দেশে হিন্দু-বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্মের
মানুষেরা আছে। ধর্ম টেনে আনলে পক্ষপাতিত্ব হয়ে যাবে। রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার ঠিক
নয়।
আজ
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাঁও দাখিল মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী
গণসংযোগে এসব মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘১৫ বছর মামলা আর পুলিশের তাড়ায় ছিলাম। এমন কেউ নেই বিএনপির যে মামলা হয়নি।
৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে দিয়েছে সাড়ে ৭ হাজার। অনেক কষ্ট
হয়েছে, টাকা খরচ হয়েছে। হাসিনা পালানোর পর মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ যা করেছে
তা আমাদের দলের কেউ করবে না।’
তিনি
আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির পার্থক্য হলো—বিএনপি
পরীক্ষীত দল। আমাদেরকে আপনারা সবাই চেনেন। ক্ষমতায় এলে মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া
হবে। কার্ড দিয়ে ন্যাযমূল্যে চাল-ডাল, আটা পাবেন। হাসপাতালে গেলে চিকিৎসা পাবেন। সন্তানদের
শিক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারবেন। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। সার-বিষ ন্যায্যমূল্যে
পাওয়া যাবে।’
মন্তব্য করুন