

আজ রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন প্রার্থীরা।
তফশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি বাছাই হবে। প্রত্যাহার করা যাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আর ভোটের তারিখ ১৪ মার্চ।
নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে ভোটের প্রয়োজন হবে না। তাই এরই মধ্যে দলগুলো তাদের প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেছে। এতে ভোট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম সম্প্রতি জানিয়েছেন, ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৪৮টি আসন পাবে। আর জাতীয় পার্টি পাবে দুটি আসন।
মন্তব্য করুন


এম এ হান্নান, ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহনে ৫৬ পিস ইয়াবাসহ মো: রনি নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড গজারিয়া বাংলালিংক টাওয়ার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত রনি ওই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড গজারিয়া এলাকার বাসিন্দা মৃত হেজন আলীর ছেলে।
জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন থানার এসআই মো: ইউসুফ ও সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে গজারিয়া বাংলালিংক টাওয়ার এলাকা থেকে রনিকে আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে ৫৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব উল আলম বলেন, আটককৃত রনির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে ভোলা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তায় মোট ৪২৮টি ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়—সে লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
তিনি জানান, প্রথম ধাপে বর্তমানে যেসব বাহিনী মাঠে রয়েছে, তাদের মোতায়েন বহাল থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এই সেলে প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৭৩০ জন (এর মধ্যে স্থলভাগে এক হাজার ২৫০ জন), পুলিশের এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্টগার্ডের তিন হাজার ৫৮৫ জন, র্যাবের সাত হাজার ৭০০ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার ৩৯০ জনসহ মোট আট লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি এবারের নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী ২০০টি, নৌবাহিনী ১৬টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি, র্যাব ১৬টি এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৬টি ড্রোন ব্যবহার করবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বাহিনীর ডগ স্কোয়াডও মাঠে থাকবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে—এমন যে কোনো দুষ্কৃতিকারী কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার যেকোনো অপচেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকার শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের
একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছে। উচ্চপর্যায়ের এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে দেন বাংলাদেশে
জাপানের রাষ্ট্রদূত ও জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনপ্রধান মাসাতো ওয়াতানাবে।
আজ
বুধবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি ) বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও
হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই মিশনের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সাধারণ
নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা
এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে সহযোগিতা করা।
বৈঠকে
আশা প্রকাশ করা হয়, জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে
আরও সুসংহত করবে এবং বাংলাদেশে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা
রাখবে। ভবিষ্যতে উভয় দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে
আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে
আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ
হোসেন মাসুদ ও জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
মন্তব্য করুন


মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের ৫ নম্বর পন্টুনের অদূরে ডুবে যায় ইউটিলিটি ফেরি রজনীগন্ধা উদ্ধারের জন্য নারায়ণগঞ্জ ও মাওয়া থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম ও প্রত্যয় রওনা দিয়েছে।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় উদ্ধারকারী ২টি জাহাজ রওনা দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা সেক্টরের ডিজিএম শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ জানান, দৌলতদিয়া ঘাট থেকে এসে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। ডুবে যাওয়া ফেরিকে সোজা করবে হামজা এবং বাকি কাজ প্রত্যয় ও রুস্তম এসে করবে। আমাদের ট্রাক বোর্ড দিয়ে ভেসে যাওয়া পণ্য বোঝাই ট্রাকগুলো উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসবে।
তিনি আরও জানান, হয়ত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এসে পৌঁছাতে পারে রুস্তম ও প্রত্যয় উদ্ধারকারী এই ২টি জাহাজ।
মন্তব্য করুন


আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেভাবে বারবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, তা না হলে হয়তো তাকে এত অল্প সময়ের মধ্যেই হারাতে হতো না। তার মতে, এই মৃত্যুর পেছনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের দায় রয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।ড. আসিফ নজরুল বলেন, একটি প্রহসনমূলক রায়ের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং সেখানে তাকে অমানবিক আচরণের শিকার হতে হয়। তিনি দাবি করেন, যে মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, সেটি যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সাজানো ছিল, তা সর্বোচ্চ আদালতের আপিল ও রিভিউ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়েও একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই সাজা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে দেওয়া।তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যতটুকু করার সুযোগ ছিল, তা করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস ব্যক্তিগতভাবে সব সময় খোঁজখবর রেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়াকে আবার বিদেশে পাঠানোর মতো শারীরিক অবস্থা তৈরি হলে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।আইন উপদেষ্টা আক্ষেপ করে বলেন, যদি সরকার আরও এক বা দুই বছর আগে দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ পেত, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। তবে তিনি বলেন, আল্লাহর ইচ্ছায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন, কিন্তু দেশের মানুষের ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা নিয়ে তিনি বিদায় নিয়েছেন—এটাই সবচেয়ে বড় সান্ত্বনার বিষয়।এ সময় তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন যেন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তিনি গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং বলেন, বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতার জন্য তারা কৃতজ্ঞ।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের
বাসায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন এনসিপির
উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
আজ
রবিবার ( ১৫ ফেব্রুয়ারি ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই বিষয়ে পোস্ট দেন সারজিস
আলম। এটাকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির নতুন ধারা’
হিসেবে অভিহিত করেন সারজিস।
ফেসবুক
পোস্টে সারজিস উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বিএনপির
চেয়ারম্যানের এই পদক্ষেপ দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পুরনো
প্রতিহিংসার রাজনৈতিক কালচার বাদ দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য এই মুহূর্তে
সবচেয়ে বেশি দরকার রাজনৈতিক দল এবং রাজনীতিবিদদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির
নতুন ধারা। তারেক রহমান সেই উদ্যোগ গ্রহণ করায় আন্তরিক ধন্যবাদ।
প্রসঙ্গত,
সন্ধ্যা ৭টায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসায়, পরে রাত ৮টায় নাহিদ ইসলামের
বাসায় যাবেন তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া তিন পৃথক মামলায় শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ৪৭ আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ ২৭ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে আদালত।
রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এই দিন ঠিক করেন বলে জানিয়েছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ সালাম।
প্রথম মামলাটি করা হয় গত ১৪ জানুয়ারি। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচল এলাকায় ১০ কাঠার সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার ঘটনায় দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
শেখ হাসিনার পাশাপাশি এই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—পুরবী গোলদার, আনিছুর রহমান মিঞা, শফি উল হক, খুরশীদ আলম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, সাইফুল ইসলাম সরকার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
একই ধরনের অভিযোগে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। ১৪ জানুয়ারির ওই মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এ মামলাতেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও রাজউকের একাধিক কর্মকর্তা এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে আসামি করা হয়েছে।
তৃতীয় মামলাটি করা হয় ১২ জানুয়ারি। পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে আসামির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ জনে। এখানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তার পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদও চার্জশিটভুক্ত।
গত ৩১ জুলাই বিশেষ জজ আদালত-৫ তিন মামলার সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিল। এখন ২৭ নভেম্বর এসব মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
মন্তব্য করুন


ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চার দিনব্যাপী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চারদিনের সম্মেলনে দুই দেশ সীমান্ত হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাসহ বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয়।
বিজিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। অপর দিকে বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিহতের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশসহ হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএসএফ মহাপরিচালকের প্রতি জোর আহ্বান জানান। এ ছাড়া আঙ্গরপোতা-দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে সীমান্তে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করার বিষয়ে বিএসএফ মহাপরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
সম্মেলনে যেসব বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ একমত হয়েছে, সেগুলো হলো—
১. সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো, হত্যা, আহত বা মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যৌথ টহল বৃদ্ধি, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে, এমন তাৎক্ষণিক এবং আগাম গোয়েন্দা তথ্য একে অপরের মধ্যে আদান-প্রদান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণের মধ্যে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, বিভিন্ন ধরনের আর্থসামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং সীমান্তে যেকোনো হত্যা সংঘটিত হলে তার যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২. আলোচনায় সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা, কাঁটাতারের বেড়া, প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত হয়, এমন কোনো স্থাপনা বা বাংকার নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ পরিদর্শক দলের পরিদর্শন এবং যৌথ আলোচনার দলিলের ভিত্তিতে নির্মাণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বন্ধ থাকা অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপারে যথোপযুক্ত পর্যায়ে জয়েন্ট ভেরিফিকেশনের (যৌথ যাচাই) মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা হবে।
৩. বিভিন্ন ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ দমন, বিশেষ করে ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও গবাদিপশু পাচার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানব পাচার, স্বর্ণ, অস্ত্র, জাল মুদ্রার নোট প্রভৃতি চোরাচালান রোধ এবং এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।
৪. আন্তর্জাতিক সীমানা আইন লঙ্ঘন করে উভয় দেশের নাগরিক ও বাহিনীর সদস্যদের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ফলে সৃষ্ট ভুল–বোঝাবুঝি ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্তে উভয় বাহিনীর নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করা থেকে বিরত রাখতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
৫. মানব পাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, বিশেষ করে মানব পাচারের মতো অমানবিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত উভয় দেশের অপরাধী বা দালালচক্রের কার্যক্রম প্রতিরোধে পরস্পরকে সহায়তা এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত দেশের আইন অনুযায়ী উদ্ধার ও পুনর্বাসন করা হবে।
৬. উভয় পক্ষ ‘সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার’ আওতায় পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে উভয় বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষ আগামী দিনে যৌথ খেলাধুলা, জয়েন্ট রিট্রিট সেরিমনিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।
৭. এ ছাড়া আগরতলা থেকে আখাউড়ার দিকে প্রবাহিত সীমান্তবর্তী চারটি খালের বর্জ্য পানি অপসারণে উপযুক্ত পানি শোধনাগার স্থাপন, জকিগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে রহিমপুর খালের মুখ উন্মুক্তকরণ, আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান এবং তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে র্যাব ফোর্সের ১৪৮টি দলসহ সারাদেশে ৪৩২টি টহল
দল মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার
(২২ নভেম্বর) সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান
খান এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার
গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহনকে র্যাব টহলের মাধ্যমে এস্কর্ট প্রদান করে নিরাপদে গন্তব্যে
পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ
গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন