

দলে
না রাখায় কোচের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় তিন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে। মাথায় গুরুতর
আঘাত এবং কাঁধের হাড়ে চিড় ধরেছে কোচ এস ভেঙ্কটারামনের। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব পুদুচ্চেরি
(সিএপি) অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ তিনি। শেষ খবর, অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের খুঁজছে পুলিশ।
ভারতের
সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ওই ক্রিকেটাররা চলতি সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফির দল থেকে বাদ পড়ে
ক্ষুদ্ধ হয়ে আক্রমণ করেন। মাথায় গুরুতর আঘাতের পর ২০টি সেলাই লেগেছে কোচের। গভীর ক্ষত
হয়েছে কাঁধে। গত সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে সিএপি কমপ্লেক্সের ইনডোর নেটের
ভেতর ঘটে হামলা। স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয়
সেদারাপেট থানার উপ-পরিদর্শক এস. রাজেশ বলেছেন, ‘ভেঙ্কটারামনের কপালে ২০টি সেলাই দেয়া
হয়েছে, তবে তার অবস্থা স্থিতিশীল। অভিযুক্ত ক্রিকেটাররা পালিয়ে গেছে, আমরা তাদের
খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। বিস্তারিত তথ্য পর্যায়ক্রমে জানানো হবে।’ভেঙ্কটারামন
আক্রমণকারী তিন স্থানীয় খেলোয়াড়ের নাম উল্লেখ করেছেন। কার্তিকেয়ন জয়সুন্দরম, প্রথম
শ্রেণির খেলোয়াড় এ. অরবিন্দরাজ ও এস. সন্থোষ কুমারন। তিনজনকে উসকানির অভিযোগে তিনি
পুদুচ্চেরি ক্রিকেটার ফোরামের সচিব জি. চন্দ্রনকেও দায়ী করেছেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)“ বাহারুল আলম” বলেছেন, ফ্যাসিবাদ সরকার গত বছর ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে গেছে। যদি পলাতক ফ্যাসিবাদগোষ্ঠী আবার দেশে বিশৃঙ্খলা বা অপরাধের চেষ্টা করে, তবে জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে।
আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন ফেসবুক পেজে দেখা যাচ্ছে, আগামী ১৩ নভেম্বর ফ্যাসিবাদীদের পক্ষ থেকে আন্দোলন বা ব্লকেডের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইজিপি জানান, “পলাতক ফ্যাসিবাদগোষ্ঠী যে ফেসবুক পেজ থেকে অপপ্রচার চালাচ্ছে, সেই সব পেজের বিষয়ে গোয়েন্দা বিভাগ কাজ করছে।”
আইজিপি আরও বলেন, “দেশে আইন মান্যতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ৯০ শতাংশ মানুষকে নিয়ম মেনে চলতে হবে, বাকি ১০ শতাংশ আইন না মানলেও তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। স্বাধীনতা মানে সামাজিক মাধ্যমে কাউকে গালাগাল করা বা রাস্তা বন্ধ রাখা নয়। এই ধরনের কৃত্য প্রতিরোধে নাগরিক সমাজেরও ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি নির্বাচনের নিরাপত্তা বিষয়েও বলেন, “২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশে সন্ত্রাসী বা অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে না পারে, তার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই প্রথম নির্বাচনের নিরাপত্তা বিষয়ে পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আনুমানিক দেড় লাখ পুলিশ নির্বাচনের সময় দায়িত্বে থাকবে এবং নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করবে।”
আইজিপি আরও যোগ করেন, “জনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচন বানচালের চেষ্টা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে আমাদের সব কর্মকাণ্ড আইনসঙ্গতভাবে পরিচালিত হবে। দেশের ভবিষ্যৎ ও জনগণের সুষ্ঠু ভোটের নিশ্চয়তা দিতে আমরা এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”
মন্তব্য করুন


লুট
হওয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং ফ্যাসিস্ট টেরোরিস্টদের দমনের লক্ষ্যে অবিলম্বে ‘অপারেশন
ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’ শুরুর সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে বলে
জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
এ সিদ্ধান্তের পরই রাজধানীতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’
শুরু হয়েছে।
শনিবার
(১৩ ডিসেম্বর) দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে তল্লাশি
করতে গেছে। এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, আজকের সভায় রুটিন আলোচনার পাশাপাশি আগামী নির্বাচনের
সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ
সদস্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদিসহ জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা
ব্যবস্থা গ্রহণ এবং লুট হওয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী
সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর
উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হচ্ছে। এ লক্ষ্যে একটি ছোট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয়
নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের
অবিলম্বে গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে,
খুব দ্রুত দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা যাবে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকেই
কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে জনগণের সার্বিক সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলেও তিনি
আশা প্রকাশ করেন। হাদির ওপর হামলার আসামিদের ধরার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং দ্রুত
তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, হাদির ওপর হামলাটি আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার একটি অপপ্রয়াস।
এ ধরনের যে কোনো চেষ্টা সরকার কঠোর হাতে দমন করবে। তিনি জানান, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ
করবেন, অর্থাৎ প্রার্থীরা, তারা ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স চাইলে অনুমতি দেয়া
হবে। যেসব প্রার্থী ইতোমধ্যে তাদের অস্ত্র জমা দিয়েছেন, তাদের অস্ত্র ফেরত দেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ফের বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হলেন ব্যান্ড সঙ্গীতের গুরু নগর বাউল “ জেমস “। কনে আমেরিকা প্রবাসী “নামিয়া আমিন “। আর বর্তমানে তিনি নামিয়া আনাম। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ব্যান্ডতারকার এটি তৃতীয় বিয়ে।
জেমস-নামিয়ার পরিচয় ২০২৩ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে। নগর বাউলের তখন আমেরিকা ট্যুর চলছিল। লস অ্যাঞ্জেলেসের সেই শো'তে নামিয়ার সাথে পরিচয় আর ঘনিষ্ঠতা অবশেষে পরিণয়ে গড়ায়। আমেরিকা ট্যুর শেষে জেমস ফিরে আসেন বাংলাদেশে। কিছুদিন যেতেই মনের টানে নামিয়াও ছুটে আসেন। তারপর ২০২৪ সালের ১২ জুন বিয়ের গাঁটছড়া বাঁধেন। এরপর থেকে জেমসের ঢাকার বনানীর বাসাতেই বাস করছেন দুজনেই। এরইমধ্যে আসে দারুণ এক সুখবর। ২০২৫ সালের ৮ জুন জেমস- নামিয়ার সংসারকে আলোকিত করে নিয়ইয়র্কের হান্টিং টং হসপিটালে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ৩টা ৩৫মিনিটে জন্ম নেয় প্রথম ছেলে সন্তান “ জিবরান আনা “।
দুজনের বোঝাপড়াটা দারুন। নামিয়ার পিতা নুরুল আমিন আর মাতা নাহিদ আমিন আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। নামিয়া যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে উঠেছেন। সেখানে একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবেও তাঁর খ্যাতি রয়েছে। এর আগে চিত্রনায়িকা রথি ও বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী বেনজীরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন জেমস।
২০১৪ সালে দ্বিতীয় স্ত্রী বেনজির সাজ্জাদের কাছ থেকে জেমস পেশাগত কারনেই আলাদা হয়েছেন। কেননা বেনজীর তাদের একমাত্র কন্যা সন্তান জাহানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে স্থায়ীভাবে বসবাস করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছিলেন। আর জেমস কোনভাবেই গান আর দেশ ছাড়বেন না। তখন সমঝোতার ভিত্তিতেই দুজনের ছাড়াছাড়ি হয়।
আর প্রথম স্ত্রী রথির ঘরে জেমসের এক পুত্র সন্তান দানিশ ও কন্যা জান্নাত রয়েছে। এরা দুজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে নিজ জীবনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই বয়সে পুত্র সন্তান জেমসের জীবনে টানিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমনটাই মন্তব্য করছেন জেমসের কাছের স্বজন-বন্ধুরা।
নতুন জীবন নিয়ে জেমস বলেন, ‘আল্লার অশেষ কৃপায় ভালো আছি। যতদিন বাঁচি, যেন গান গেয়ে যেতে পারি। দোয়া চাই সবার কাছে। সবাই আমাকে প্রার্থনায় রাখবেন।’
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়েছিল,আনসাররা সে সময় তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘সে সময় তারা দূতাবাস, বিমানবন্দর ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সেজন্য নিঃসন্দেহে তারা সাধুবাদ ও প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।’
আজ সকালে (২০ অক্টোবর) রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটায় অবস্থিত ১৯ আনসার ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত দরবারে দেওয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অঙ্গীভূত আনসারদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। ব্যাটালিয়ন ও অঙ্গীভূত আনসার উভয়ই তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে। এ সময় তিনি ভবিষ্যতে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব সন্তোষজনক না হলেও উন্নতির দিকে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। সেখানে আনসার বাহিনীরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এর অন্যতম কারণ হলো দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীতে সংঘটিত বন্যা এবং ময়মনসিংহ ও শেরপুরের চলমান বন্যা পরিস্থিতি। কুমিল্লা দেশের অন্যতম বৃহৎ সবজি উৎপাদনকারী জেলা। বন্যার কারণে এ উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সবজির দাম বেড়েছে।
এরআগে উপদেষ্টা রাজশাহী মহানগরীর নওহাটা ও খড়খড়ি বাজার পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন দ্রব্যমূল্যের খোঁজখবর নেন। বাজারে যাতে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি না থাকে, সে ব্যাপারে তিনি উপস্থিত ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়া কেউ চাঁদাবাজি করলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করারও পরামর্শ প্রদান করেন।
এদিন তিনি রাজশাহী মহানগরীর আমচত্বরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) আঞ্চলিক সার সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার
(১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের ১/ডি ব্লকের ৮৬ নম্বর
রোডে অবস্থিত গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন।
ভোটপ্রদান
শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আজকে আনন্দের দিন। ঈদের মতোই
একটা উৎসব চলছে।
এ
সময় তিনি দেশবাসীকে একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সবাইকে
অনুরোধ করব- এবারের গণভোটে অংশ নেওয়ার জন্য। সবাইকে মোবারকবাদ। এ সময় উপস্থিত সবাই
প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদ মোবারক বলে শুভেচ্ছা জানান।
গুলশানের
এ আসনটিকে ভিআইপি আসন হিসেবে গণ্য করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় একই কেন্দ্রে ভোট
দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও মেয়ে।
মন্তব্য করুন


প্রচণ্ড গরমে দেশব্যাপী জারি রয়েছে তিন দিনের জন্য সতর্কতামূলক হিট
অ্যালার্ট। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যশোরে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা
মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। অন্যদিকে রাজধানী ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও এদিন ছিল
৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দাবদাহে দেশের বিভিন্ন
স্থানে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তীব্র দাবদাহের কারণে হিটস্ট্রোক বা
সানস্ট্রোকে সারা দেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এই যখন অবস্থা, তখন গরমের দেশ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এদিন
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর
কোনোটিরই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ছিল না।
এছাড়া ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে ২১ ডিগ্রি, বাহরাইনের রাজধানী মানামার
তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি, ইরানের তেহরানে ২৬ ডিগ্রি, সিরিয়ার আলেপ্পোতে ২৫ ডিগ্রি,
তুরস্কের আঙ্কারায় ১১ ডিগ্রি, ইরাকের বসরাতে ৪০ ডিগ্রি, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে
২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সৌদির জেদ্দাতে ৩৩ ডিগ্রি, কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটিতে ৩৬
ডিগ্রি, ওমানের মাস্কাটে ২৮ ডিগ্রি, ইয়েমেনের রাজধানী সানাতে ২৫ ডিগ্রি এবং
ইসরায়েলের তেলআবিবে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াভিত্তিক অ্যাপ ‘অ্যাকুওয়েদার’-এর তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব
আমিরাতের আবুধাবিতে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জর্ডানের রাজধানী
আম্মানের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি, ইরাকের বাগদাদের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি, লেবাননের
রাজধানী বৈরুতের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি, কাতারের দোহারে তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি,
তুরস্কের ইস্তাম্বুলের তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহ
অন্য সময়ের রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। এপ্রিলের পাশাপাশি এবার মে মাসও উষ্ণতম মাস হতে
যাচ্ছে। মে মাসে তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে
দেশের আবহাওয়া বিভাগ।
একনজরে দেখে নিন হিটস্ট্রোকের লক্ষণগুলো
প্রচণ্ড মাথাব্যথা : হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকলে প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। এ
ছাড়া গরমে মানুষের মাইগ্রেন ট্রিগার করতে পারে। এটি হিটস্ট্রোকের অন্যতম একটি
লক্ষণ হতে পারে।
বেশি তৃষ্ণা অনুভব ও অতিরিক্ত ঘামানো : হিটস্ট্রোকের আগে অনেক বেশি তৃষ্ণা অনুভব হবে, সেইসঙ্গে
ডিহাইড্রেটেড এবং আড়ষ্টতা অনুভব হতে পারে। শরীর নিজেকে ঠান্ডা করার জন্য অতিরিক্ত
ঘাম তৈরি করতে পারে।
হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পাওয়া : হিটস্ট্রোকের আগে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেতে পারে।
শ্বাসকষ্ট : হিটস্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ হলো শ্বাসকষ্ট এবং দ্রুত ও ভারী
শ্বাস-প্রশ্বাসও।
দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া : তীব্র গরমের কারণে শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কাজ করে। এতে শরীরে
ক্লান্তি ও দুর্বলতা তৈরি হয়। ব্যক্তি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে। এগুলো হিটস্ট্রোকের
লক্ষণ।
পেশিতে ব্যথা : হিটস্ট্রোকের আগ মুহূর্তে পেশিতে ব্যথা অনুভব হতে পারে। যদিও
সাধারণ ব্যথা ভেবে অনেকে এটাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না।
কথা জড়িয়ে যাওয়া : হিটস্ট্রোকের আগে যেসব লক্ষণ দেখা যায়, তারমধ্যে একটি হলো কথা
জড়িয়ে যাওয়া। ব্যক্তি অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করতে পারে।
বমি বমি ভাব : মাথাব্যথা, দ্রুত হৃৎস্পন্দন ও হাইপারভেন্টিলেশন থেকে অক্সিজেনের
অভাব ইত্যাদির কারণে হিটস্ট্রোকের আগে বমি বমি ভাব হতে পারে।
বিরক্তি-বিভ্রান্তি : মাত্রাতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোকের আগে মানুষ বিরক্ত বোধ
করতে পারে, রাগান্বিত হতে পারে, অযৌক্তিক কথা বলতে পারে এবং এমনকি প্রলাপ বকতে
করতে পারে।
ঘাম না হওয়া : হিটস্ট্রোকের আরেকটি লক্ষণ হলো প্রচণ্ড গরমেও ঘাম না হওয়া।
সাধারণত এর মানে হচ্ছে, শরীরে ঘাম হওয়ার মতো পানি আর নেই বা শরীরের প্রাকৃতিক শীতল
প্রক্রিয়াটি কাজ করছে না।
চিকিৎসকদের মতে, হিটস্ট্রোক এড়াতে শরীর হাইড্রেট রাখার কোনো বিকল্প
নেই। তাপমাত্রা বেশি হলে ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের পোশাক পরে ঘরের বাইরে যেতে হবে।
সূর্যের আলো থেকে চোখকে রক্ষা করতে সানগ্লাস ব্যবহার করা। প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ
পানি পান করতে হবে। তবে কৃত্রিম চিনিযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভারতের সাথে আমদানিকৃত ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ১৬৫০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ সিরাজগঞ্জে এসে পৌঁছেছে। চুক্তিকৃত ৫০ হাজার টন পেঁয়াজের প্রথম চালান এটি।
এর আগে, গতকাল রবিবার (৩১ মার্চ) বিকেলে ভারত থেকে ৪২টি রেলওয়ে ওয়াগনে এ পিঁয়াজ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এসে পৌছায়। এরপর কাগজ পত্র যাছাই বাচাই শেষে রাত্রে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্য রওনা হয়।
সোমবার(১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পেয়াজ নিয়ে সিরাজগঞ্জ বাজার রেল ইয়ার্ডে পৌঁছায় রেলওয়ে ওয়াগনগুলো। সকাল ৯টা থেকে পিঁয়াজ খালাস করা শুরু হয়। খালাসকৃত পিঁয়াজ ঢাকা, গাজিপুর ও চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট জায়গা থেকে টিসিবি এর মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রিকরা হবে। এতে প্রায় ৩০টি জেলায় পিঁয়াজের মুল্য স্থিতিশীল হবে।
টিসিবি ডিলার আব্দুর রব রাইস এজেন্সির মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিনের নিয়মিত ডিলার। টিসিবির নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থান থেকে ভোক্তাদের মাঝে ৪০ টাকা করে পিঁয়াজ বিক্রি করা হবে এবং একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ কেজি করে নিতে পারবেন।
টিসিবি'র অতিরিক্ত পরিচালক গোলাম খোর্শেদ জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের সাথে টিসিবির কর্তৃক ৫০ হাজার মেট্রিক টন আমদানির প্রথম চুক্তি হিসাবে ১৬৫০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ সিরাজগঞ্জে পৌছানোর পর ডিলারদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। তার মধ্যে ১০০০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ ঢাকা জেলায় ১০০ জন ডিলার এবং বাকী ৬৫০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ গাজিপুর ও চট্রগ্রামে পর্যায়ক্রমে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মন্তব্য করুন


মাদকের গডফাদারদের ধরে আইনের আওতায় আনতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আজ সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, শুধু বাহক নয়, মাদকের সঙ্গে জড়িত বড় বড় গডফাদারদের ধরতে হবে। চলমান যৌথ অভিযানে এ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে এবং দৈনিক অগ্রগতির রিপোর্ট প্রদান করতে হবে। এ বিষয়ে সাফল্যের ওপর নির্ভর করে অধিদপ্তরের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ, দুর্নীতি থেকে দূরে থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, দুর্নীতি না কমাতে পারলে এ সরকারের সাফল্য আসবে না। মাদক ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনে। তাই মাদক নির্মূলে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতার পরিবর্তন করে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ইউনিফর্ম আছে কিন্তু অস্ত্র বা হাতিয়ার নেই। তাই সফল অভিযান পরিচালনার স্বার্থে তাদের অস্ত্র দেয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া যেসব অভিযান পরিচালনার সময় হামলার আশঙ্কা রযেছে, সেসব জায়গায় পুলিশসহ অভিযান পরিচালনার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মশিউর রহমান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


পবিত্র
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় নৌযাত্রা নিশ্চিত করতে
রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব
আহসান এমপি। তিনি সরাসরি মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে লঞ্চ চলাচল ও যাত্রী ব্যবস্থাপনা
তদারকি করেন।
বৃহস্পতিবার
(১৯ মার্চ) সকালে প্রতিমন্ত্রী সদরঘাটের বিভিন্ন পন্টুন পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি
পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি একাধিক লঞ্চে উঠে যাত্রীসংখ্যা যাচাই করেন এবং কোথাও অতিরিক্ত
যাত্রীর চাপ দেখা গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।
পরিদর্শনকালে
অতিরিক্ত যাত্রী বহনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট লঞ্চগুলোকে ঘাটে অপেক্ষা না করিয়ে
দ্রুত গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। তার নির্দেশে কয়েকটি
লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী না নিয়েই টার্মিনাল ত্যাগ করে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান- কোনো অবস্থাতেই
অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে লঞ্চ চলাচল করতে পারবে না।
প্রতিমন্ত্রী
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা
অবলম্বন করতে হবে। পাশাপাশি লঞ্চ চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ
করা এবং যাত্রীদের ওঠানামায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ
সময় তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনাও
পর্যবেক্ষণ করেন। নদীপথে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটরিংয়ের জন্য স্পিডবোটের মাধ্যমে তদারকি
কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
উল্লেখ্য,
গতকাল সদরঘাটে সংঘটিত নৌ-দুর্ঘটনার পরপরই প্রতিমন্ত্রী রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে ডুবুরি দলের কার্যক্রমের অগ্রগতি
তিনি নিয়মিত তদারকি করছেন।
নৌপরিবহন
মন্ত্রণালয় জানায়, ঈদযাত্রা সামনে রেখে যাত্রীদের নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল নৌযাত্রা
নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ
সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন