

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে চা বিক্রির পাশাপাশি লেখাপড়া করে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে স্মৃতি পারভীন নামে এক ছাত্রী। প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চায়ের দোকানে চা বিক্রি করে রাতে পড়ালেখা করে জিপিএ-৫ পাওয়া স্মৃতির স্বপ্ন ভবিষ্যতে নার্স হয়ে অসহায় রোগীদের সেবা করা। কিন্তু ১৮ বছর বয়সী ছোট স্মৃতির নার্স হওয়ার ছোট স্বপ্ন বাস্তব রূপ পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে,স্মৃতি পারভীন উপজেলার ময়না গ্রামের হারুন শেখের মেয়ে। তিন ভাইবোনের মধ্যে স্মৃতি দ্বিতীয়। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের উপজেলার একমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের কারিগরি শাখা থেকে সে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর আগে সে উপজেলার ময়না ইউনিয়নে অবস্থিত ময়না এ সি বোস ইনস্টিটিউশন থেকে মাধ্যমিকে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়।স্মৃতি পারভীন জানায়, প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ময়না বাজারে অবস্থিত চায়ের দোকানে চা বিক্রি করে। এরপর রাত ১০টা পর্যন্ত বড় বোন মনিকা পারভীন চা বিক্রি করে। এভাবে পালাক্রমে দুই বোন চায়ের দোকান চালায়। প্রতি কাপ চা ৫টাকা। এতে যা লাভ থাকে তাতেই সংসার চলে।
স্মৃতি আরও জানায়, তাদের বাবা তেমন কিছু করে না বললেই চলে। ওই চায়ের দোকানই তাদের উপার্জনের প্রধান অবলম্বন। ছোট ভাই এবং নিজের পড়ালেখার খরচ, সংসারের খরচ, ওষুধের খরচ চায়ের দোকান থেকেই চালানো হয়। স্মৃতির ইচ্ছে একজন নার্স হওয়ার। তবে সংসার খরচ চালানোর পর তেমন একটা টাকা অবশিষ্ট থাকে না। এজন্য নার্স হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে কি না তা ভবিষ্যতের আর বড় বোনের ওপর ছেড়ে দিয়েই দীর্ঘশ্বাস ফেলে চায়ের পেয়ালায় হাত লাগায় মেধাবী স্মৃতি।
মন্তব্য করুন


মেয়ের
কলেজে হোস্টেলের সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ জন্য বাবা আরিফুর রহমান চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া
থেকে রওনা দিয়েছিলেন মেয়ের কলেজের উদ্দেশে। কক্সবাজারের চকরিয়ায় নানাবাড়ি থেকে মেয়ে
সুমাইয়াও রওনা দিয়েছিলেন কলেজের পথে। রাঙ্গুনিয়া থেকে বাসে উঠে মেয়ে কত দূর এসেছে,
তা জানতে মুঠোফোনে কল করেন বাবা। ফোন ধরেন অচেনা এক তরুণ। বলেন, মুঠোফোনের মালিক বেঁচে
নেই।
চট্টগ্রামের
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় দাঁড়িয়ে এ কথা বলতে বলতে কান্নায়
ভেঙে পড়েন আরিফুর রহমান। বলেন, ‘আমার মাথায় তখন আকাশ ভেঙে পড়ল। কী শুনলাম আমি। বাড়ি
থেকে বের হওয়ার সময়ও তো সুমাইয়ার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। তারপর শুনলাম এই খবর। আমি
অসুস্থ মানুষ। এই শোক কীভাবে বইব? মেয়ে স্বপ্ন দেখত, পড়াশোনা শেষ করে চাকরি নিয়ে পরিবারের
পাশে দাঁড়াবে, কিন্তু মেয়েটিই এখন নেই। এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না।’
গতকাল
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে
নিহত হন আরিফুর রহমানের কলেজপড়ুয়া মেয়ে সুমাইয়া জান্নাত (২০)। উপজেলার চুনতি বাজার
এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
মেয়ের
মৃত্যু কোনোভাবেই মানতে পারছেন না মা ইয়াছমিন আক্তার। থামছে না তাঁর আহাজারি। গতকাল
দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
মেয়ের
মৃত্যু কোনোভাবেই মানতে পারছেন না মা ইয়াছমিন আক্তার। থামছে না তাঁর আহাজারি। গতকাল
দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেপ্রথম আলো
চট্টগ্রাম
সরকারি মহিলা কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়ার
বাড়ি বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের আরব শাহ ঘোনাপাড়া জমিদারবাড়ি এলাকায়। বাবা
আরিফুর রহমান পেশায় মসজিদের ইমাম। মা ও ভাইবোনদের নিয়ে সুমাইয়ারা থাকতেন কক্সবাজারের
চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় নানার বাড়িতে। আর বাবা কাজের সূত্রে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়।
তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সুমাইয়া সবার বড়।
গতকাল
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে
নিহত হন আরিফুর রহমানের কলেজপড়ুয়া মেয়ে সুমাইয়া জান্নাত (২০)। উপজেলার চুনতি বাজার
এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে হাইওয়ে পুলিশ জানায়, লোহাগাড়ার চুনতি বাজার এলাকায়
কক্সবাজারগামী ইম্পিরিয়াল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে এবং চট্টগ্রামগামী পূরবী পরিবহনের
অন্য একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং
কয়েকজন যাত্রী আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হন সুমাইয়া জান্নাত। লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের
কর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক
মৃত ঘোষণা করেন।
গতকাল
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, মেয়ের
লাশের সামনে আহাজারি করছেন মা ইয়াছমিন আক্তার। পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন বাবা আরিফুর রহমান।
কান্না করতে করতে ইয়াছমিন আক্তার বলছিলেন, ‘কলেজের হোস্টেলে আজ (গতকাল) সিট বরাদ্দ
দেওয়ার কথা ছিল। নোটিশ দিয়ে জানানো হয়েছিল, অভিভাবক নিয়ে যেতে হবে। এ জন্য সুমাইয়ার
বাবা রাঙ্গুনিয়া থেকে কলেজে আসছিলেন। তিনি অপেক্ষা করবেন বলে মেয়েটি সকাল সাতটায় ভাত
খেয়ে তাড়াহুড়া করে বাড়ি থেকে বের গেল। যাওয়ার সময় বলেছিলাম, এত তাড়া কিসের? পাঁচ মিনিট
পর বের হও, কিন্তু মেয়ে কথা শোনেনি।’ ইয়াছমিন আক্তারের আক্ষেপ, ‘পাঁচ মিনিট
পর বের হলে হয়তো আমার মেয়েটা বেঁচে যেত।
দোহাজারী
হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে
পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলেজছাত্রীর
লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই দুই বাসের চালক পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


টানা
ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে দেশের অন্তত ১৫টি জেলায় আগামী ২৪ থেকে
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন
বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
সোমবার
(২০ জুলাই) কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী (দায়িত্বরত কর্মকর্তা) ইমন কল্যাণ দাস স্বাক্ষরিত
বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে
বলা হয়েছে, বর্তমানে কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও মারকুলি (সুনামগঞ্জ), সুরমা
নদীর ছাতক (সুনামগঞ্জ) এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) স্টেশনে নদীর পানি
বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তথ্য অনুযায়ী,
আগামী একদিন দেশের অভ্যন্তরে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে এবং তৎসংলগ্ন
উজানে ভারতের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস
রয়েছে।
এর
পরিপ্রেক্ষিতে বন্যা সতর্কতায় বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের
তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী দুদিন বৃদ্ধি
পেতে পারে ও তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ হতে ৪৮ ঘণ্টায় নদীসমূহ কিছু
স্থানে বিপৎসীমার ওপর প্রবাহিত হতে পারে এবং লালমনিরহাট, নীলফামারি, রংপুর, গাইবান্ধা,
কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও আকস্মিক অথবা স্বল্পমেয়াদী বন্যা
পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
গত
২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরদিকে কুশিয়ারা
নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে; যা আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮
ঘণ্টায় নদীসমূহ কিছু স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার
নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে
অথবা উদ্ভুত বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।
২৪
ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, জিঞ্জিরাম,
সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী দুদিন বৃদ্ধি
পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ভুগাই, কংস ও সোমেশ্বরী নদীসমূহ শেরপুর, ময়মনসিংহ
ও নেত্রকোনা জেলায়; এবং সারিগোয়াইন, যাদুকাটা নদীসমূহ সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার কিছু
স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী
বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি অথবা উদ্ভুত বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।
গত
২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা নদ-নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরদিকে
পদ্মা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে; যা আগামী ৫ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে
৭২ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ
ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল
কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।
২৪
ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগের আপার করতোয়া,
আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা, মহানন্দা, যমুনেশ্বরী, আত্রাই ও ঘাঘট নদীসমূহের পানি
সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরদিকে করতোয়া ও ছোট যমুনা নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে;
যা আগামী ৩ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় আত্রাই ও ছোট যমুনা নদী
নওগাঁ ও নাটোর জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল
কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
গত
২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে,
অপরদিকে হালদা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে ও মাতামুহুরী নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল
রয়েছে। উক্ত নদীসমূহের পানি সমতল আগামী এক দিন বৃদ্ধি ও পরবর্তী দুদিন দ্রুত বৃদ্ধি
পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামীকাল
(১৫ অক্টোবর) প্রকাশ করা হবে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন।
ঘরে
বসে ফলাফল যেভাবে জানা যাবে -
প্রার্থীরা অনলাইনে বা মোবাইল ফোনে
এসএমএসের মাধ্যমে তাদের ফলাফল জানতে পারবেন।
মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC
লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার
স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফলাফল।
এ ছাড়াও,
http://www.educationboardresults.gov.bd, http://www.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট
থেকেও ফলাফল জানা যাবে। রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে প্রবেশ করে ফলাফল শিট ডাউনলোড
করা যাবে।
এবছর এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শুরু
হয়েছিল গত ৩০ জুন। মোট পরীক্ষার্থী সাড়ে ১৪ লাখের মতো। সাতটি পরীক্ষা হওয়ার পর সরকারি
চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে কয়েক দফায়
পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তখন পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। এ ছাড়া ব্যবহারিক
পরীক্ষাও বাকি।
পরে সিদ্ধান্ত হয় যে ১১ আগস্ট থেকে
নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরে তা হয়নি। সচিবালয়ের ভেতরে ঢুকে পরীক্ষার্থীরা
বিক্ষোভ ও ঘেরাও করলে এবারের এইচএসসি বা সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করতে বাধ্য
হয় শিক্ষা বিভাগ। মাঝপথে বাতিল করা এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে
এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বিষয় ম্যাপিং করে।
মন্তব্য করুন


সিলেটের
হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগে এবার ৩৪ দিনে পাওয়া গেছে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার
৬৭২ টাকা। এ ছাড়া দুই ভরি এক রতি স্বর্ণ, ১৫ ভরি দুই আনা রৌপ্য এবং ১৯টি দেশের বৈদেশিক
মুদ্রাও পাওয়া গেছে। সংবাদআর্কাইভ
শনিবার
(১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে গণনা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সিলেট
সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
এর
আগে, শনিবার সকাল ১০টায় মাজারের তিনটি দানের ডেগ ও তিনটি দানবাক্স সিলগালা অবস্থায়
খোলা হয়।
গণনা
শেষে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দানবাক্স ও ডেগ থেকে মোট ৭০ লাখ ৮৮
হাজার ৬৭২ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুই ভরি এক রত্তি স্বর্ণ এবং ১৫ ভরি ২ আনা
রৌপ্য পাওয়া গেছে।
তিনি
জানান, দানবাক্স থেকে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে, ব্রিটিশ পাউন্ড ৩১ পাউন্ড
১১ পয়সা, ভারতীয় রুপি ৩ হাজার ২৪৮ রুপি, পাকিস্তানি রুপি ৬০ রুপি, সৌদি রিয়াল ৭০
রিয়াল, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৮৩ রিঙ্গিত, মার্কিন ডলার ৪ ডলার, নেপালি রুপি ১০০ রুপি,
ওমানি মুদ্রা ১০০০ বায়সা ও ১ রিয়াল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ৬৪ দিরহাম ২২ সেন,
ইরাকি দিনার ২৫০ দিনার, তুর্কি লিরা ৯০ লিরা, ভিয়েতনামের ডং ১০০০ ডং, জাপানি ইয়েন
১০০০ ইয়েন, কাতারি রিয়াল ১১২ রিয়াল ৫০ পয়সা, লেবাননের পাউন্ড ১০ পাউন্ড, মিশরীয়
পাউন্ড ১০ পাউন্ড, ইউরো ৪০ পয়সা, বাহরাইনি মুদ্রা ১ পয়সা এবং কানাডীয় ডলার ১ ডলার।
এর মধ্যে ভারতীয় রুপির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, ৩ হাজার ২৪৮ রুপি।
জেলা
প্রশাসক জানান, নজরানা হিসেবে পাওয়া গরু, ছাগল, হাঁস ও মুরগির পৃথক হিসাব মাজার কর্তৃপক্ষের
কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
প্রসঙ্গত,
গত ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে গিয়ে আয়-ব্যয়ের
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ নেন সিলেটের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার
আলম। পরবর্তীতে তার নির্দেশে ১৮ জুন পুরাতন তিনটি ডেগে সিলগালা ও নতুন দানবাক্স বসানো
হলে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এ অবস্থার মধ্যেই সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার
করে নেয় সরকার।
তবে,
প্রত্যাহারের আদেশ হলেও গত ২২ জুন সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের
প্রকাশ্যে মাজারের দানের টাকা গণনা করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য
ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে গত ২৬ জুন সিলেট সার্কিট হাউজে
এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাজারের পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী
স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
এক
মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত জমা দেওয়ার কথা বললেও গঠনের পর প্রায়
দেড় মাস পার হয়ে গেলেও কমিটি এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা রূপরেখা দিতে
পারেনি।
মন্তব্য করুন


তারল্য
সংকট কাটিয়ে ওঠতে ইসলামী ব্যাংককে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ‘বিশেষ ঋণ’
দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি ব্যাংকটিতে সৃষ্ট অস্থিরতা এবং গ্রাহকদের আমানত তুলে
নেয়ার চাপে এই জরুরি সহায়তা দেয়া হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ
সহায়তা দেওয়া হয়।
ঈদের
পর ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিরতার মধ্যে বিপুল
সংখ্যক গ্রাহক তাদের আমানত তুলে নেন। এতে ব্যাংকটিতে তারল্য সংকট দেখা দেয়। পরবর্তীতে
অনেক গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় ব্যাংকটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ
ব্যাংকের নির্ধারিত সিআরআর (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) পূরণ করতে পারেনি।
এ
অবস্থায় গত সপ্তাহে ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে
আবেদন করে ব্যাংকটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার সহায়তা
অনুমোদন দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে মোহাম্মদ আজাদ নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোহাম্মদ আজাদ আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোহাম্মদ আজাদ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে।
এ দিকে রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে বাদীপক্ষের স্বজনদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ আজাদের সঙ্গে স্ত্রী তানিয়া বেগমের পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই দিবাগত রাতে আজাদ তার স্ত্রী তানিয়া বেগমের হাত-পায়ে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে বৈদ্যুতিক শক দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তানিয়ার মৃত্যু হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। নিহত তানিয়া বেগম তিন সন্তানের জননী ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা মায়া বেগম বাদী হয়ে তার জামাতা মোহাম্মদ আজাদকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত শুরু করে। তদন্তের পাশাপাশি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন আলামত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করা হয়। তদন্তে তানিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি হত্যাকাণ্ড হিসেবে উঠে আসে।
পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত মঙ্গলবার মোহাম্মদ আজাদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার বলেন, দীর্ঘদিন পর তারা আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তারা দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদাত আলী জানিয়েছেন,দেশজুড়ে নাশকতা এড়াতে ও ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় লোকাল, মেইল ও কমিউটারসহ ছয়টি ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
আরো বলা হয়, হরতাল-অবরোধে নাশকতা এড়ানোর জন্য পার্বতীপুর-রাজশাহী-পার্বতীপুর রুটে চলাচল করা উত্তরা এক্সপ্রেসটির চলাচল ২২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে রাজশাহী থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত উত্তরা এক্সপ্রেস এবং ইশ্বরদী থেকে রহনপুর পর্যন্ত কমিউটার ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে চিঠি দিয়েছে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
পশ্চিম অঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার গণমাধ্যমকে বলেন, মূলত ট্রেনটি অনেক রাতে যাত্রা করে। আমরা ট্রেনটির নিরাপত্তা দিতে পারছি না। ট্রেনটির নিরাপত্তার কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বকাপের
সেমিফাইনাল মঞ্চে আর্জেন্টিনার ইতিহাস ঈর্ষণীয়। শেষ চারে যতবারই উঠেছে, প্রতিবারই ফাইনালের
টিকিট নিশ্চিত করেছে আলবিসেলেস্তেরা। চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার
সুযোগ পাচ্ছে লিওনেল স্কালোনির দল।
রোববার
(১২ জুলাই) কানসাসে অনুষ্ঠিত শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে সুইজারল্যান্ডকে
৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে
শেষ চারে উঠেছে ইংল্যান্ড। আগামী বুধবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি
হবে ফুটবল বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
একদিকে
টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য, অন্যদিকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিজেদের
শতভাগ সাফল্যের রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখার চ্যালেঞ্জ—দুই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।
১৯৩০:
যুক্তরাষ্ট্রকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে
প্রথম
বিশ্বকাপেই সেমিফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রকে ৬-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে
জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা।
১৯৮৬:
বেলজিয়ামকে ২-০ গোলে হারিয়ে
মেক্সিকোর
আজতেকা স্টেডিয়ামে ডিয়েগো ম্যারাডোনার জোড়া গোলে বেলজিয়ামকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা।
পরে পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে তারা।
১৯৯০:
টাইব্রেকারে ইতালিকে বিদায়
স্বাগতিক
ইতালির বিপক্ষে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে
জয় পায় আর্জেন্টিনা। গোলরক্ষক সার্জিও গয়কোচিয়া ছিলেন সেই জয়ের নায়ক।
২০১৪:
নেদারল্যান্ডসকে টাইব্রেকারে হারিয়ে
গোলশূন্য
১২০ মিনিটের পর টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা। সার্জিও রোমেরোর দুর্দান্ত
নৈপুণ্যে দীর্ঘ ২৪ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে দলটি।
২০২২:
ক্রোয়েশিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে
লিওনেল
মেসির অনবদ্য পারফরম্যান্স ও জুলিয়ান আলভারেজের জোড়া গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে ফাইনাল
নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। পরে ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে
আলবিসেলেস্তেরা।
এবার
প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে এবার আর্জেন্টিনার সামনে
ইংল্যান্ডের কঠিন পরীক্ষা। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিজেদের নিখুঁত রেকর্ড ধরে রেখে
আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিতে পারবে কি না, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।
মন্তব্য করুন


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশপথে টানানো, তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগসহ ১০ দফা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্ণিত শর্তাবলি আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। আর এ ১০ নির্দেশনা হলো :
১. বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশ পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।
২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।
৩. যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধু ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনাভাবেই নামে উল্লিখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না।
৪. ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটারগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধু সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনোভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।
৫. বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যা সংখ্যা অনুযায়ী সব শর্তাবলি বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
৬. হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।
৭. হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।
৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ব্যতীত চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া যাবে না। বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসেডিউর করা যাবে না।
৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
১০. নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশ্যই ‘Operation Theatre Etiquette’ মেনে চলতে হবে।
মন্তব্য করুন


সংবিধানের
বহুল আলোচিত ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সংশোধিত বিধান অনুযায়ীই
ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
আহমদ।
বৃহস্পতিবার
(২০ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ৩৫ বছর পরে সাংবিধানিক মতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে। এখানে বিরোধী দলের পক্ষ
থেকেও প্রার্থী আছে, সরকারি দলের পক্ষ থেকেও আছে। মাঝে অনেকবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়
নির্বাচন হয়েছে। গণতান্ত্রিক ধারায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে নির্বাচন হওয়াটা উচিত।
তিনি
বলেন, আশা করি দেশের মানুষ প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক চর্চা দেখতে পাবে এবং এর মধ্য দিয়ে
আমাদের গণতন্ত্রের আবার নতুনভাবে সূচনা হবে।
সংবিধানের
৭০ অনুচ্ছেদের কারণে গণতান্ত্রিক মতপ্রকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে—
বিরোধী দলের এ অভিযোগ প্রসঙ্গে এরপর সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত
যে সংসদীয় কমিটি গঠন করেছি, সেই কমিটিতে বিরোধীদলীয় সদস্যরা এখনও যোগদান করেননি।
ভবিষ্যতে সংবিধানের যে সংশোধনী আসবে, ৭০ ধারাতেও পরিবর্তন আসবে। সেটা জুলাই জাতীয়
সনদে রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে।
এসময়
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এই সংশোধিত ৭০ অনুচ্ছেদের
বিধান অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে।
বর্তমান
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দিলে
তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যায়। এই বিধানকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও
সাংবিধানিক বিতর্ক চলে আসছে এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে এ অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন করে
আলোচনার ঝড় উঠেছে।
মন্তব্য করুন