

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে চা বিক্রির পাশাপাশি লেখাপড়া করে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে স্মৃতি পারভীন নামে এক ছাত্রী। প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চায়ের দোকানে চা বিক্রি করে রাতে পড়ালেখা করে জিপিএ-৫ পাওয়া স্মৃতির স্বপ্ন ভবিষ্যতে নার্স হয়ে অসহায় রোগীদের সেবা করা। কিন্তু ১৮ বছর বয়সী ছোট স্মৃতির নার্স হওয়ার ছোট স্বপ্ন বাস্তব রূপ পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে,স্মৃতি পারভীন উপজেলার ময়না গ্রামের হারুন শেখের মেয়ে। তিন ভাইবোনের মধ্যে স্মৃতি দ্বিতীয়। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের উপজেলার একমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের কারিগরি শাখা থেকে সে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর আগে সে উপজেলার ময়না ইউনিয়নে অবস্থিত ময়না এ সি বোস ইনস্টিটিউশন থেকে মাধ্যমিকে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়।স্মৃতি পারভীন জানায়, প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ময়না বাজারে অবস্থিত চায়ের দোকানে চা বিক্রি করে। এরপর রাত ১০টা পর্যন্ত বড় বোন মনিকা পারভীন চা বিক্রি করে। এভাবে পালাক্রমে দুই বোন চায়ের দোকান চালায়। প্রতি কাপ চা ৫টাকা। এতে যা লাভ থাকে তাতেই সংসার চলে।
স্মৃতি আরও জানায়, তাদের বাবা তেমন কিছু করে না বললেই চলে। ওই চায়ের দোকানই তাদের উপার্জনের প্রধান অবলম্বন। ছোট ভাই এবং নিজের পড়ালেখার খরচ, সংসারের খরচ, ওষুধের খরচ চায়ের দোকান থেকেই চালানো হয়। স্মৃতির ইচ্ছে একজন নার্স হওয়ার। তবে সংসার খরচ চালানোর পর তেমন একটা টাকা অবশিষ্ট থাকে না। এজন্য নার্স হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে কি না তা ভবিষ্যতের আর বড় বোনের ওপর ছেড়ে দিয়েই দীর্ঘশ্বাস ফেলে চায়ের পেয়ালায় হাত লাগায় মেধাবী স্মৃতি।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে
ছিনতাই ও অপরাধ ঠেকাতে রাস্তার পাশের চা-পান ও সিগারেটের দোকান রাত ১১টার মধ্যে
বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।
ডিএমপি
কমিশনার বলেন, রাস্তায় পুলিশের স্টিকার লেখা কোনো গাড়ি দেখলে ডিউটিরত পুলিশ অবশ্যই
যাচাই করবেন যে, সেটা আসলেই কোনো পুলিশ অফিসারের গাড়ি কি না। কারণ গাড়িতে পুলিশের
স্টিকার লাগিয়ে বা ডিএমপির লোগো লাগিয়ে সন্ত্রাসীদের চলাফেরার তথ্য পাওয়া গেছে।
যদি যাচাই করে দেখা যায় সেটা পুলিশের গাড়ি নয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত
ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ডিএমপির ক্রাইম ও ট্রাফিক বিভাগ এই বিষয়টি নজর রাখবেন।
তিনি
বলেন, কোনো সন্ত্রাসী ও জঙ্গিগোষ্ঠী যেন কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে না
পারে সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এই ধরনের অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর থাকতে
হবে।
কমিশনার
বলেন, অন্যান্য রমজানের চেয়ে এবার রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। ডিএমপির
ট্রাফিক বিভাগের সাথে ক্রাইম বিভাগও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। ট্রাফিক
নিয়ন্ত্রণ ট্রাফিক বিভাগের একার কাজ, এমনটা ভাবা যাবে না। ক্রাইম বিভাগের যাদের
সামনে রাস্তায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দেখা যাবে তিনি সেখানে কাজ করবেন।
মন্তব্য করুন


ভিশন ২০৩০’ কর্মপরিকল্পনার আওতায় ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে ক্রিকেট অঙ্গনে নিজেদের ভিত্তি মজবুত করতে চায় সৌদি আরব। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করে বিভিন্ন টেস্ট খেলুড়ে দেশ থেকে ক্রিকেটার সংগ্রহ করে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় দল গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে দেশটি।এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বাংলাদেশ থেকে ক্রিকেটার ও কোচ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে সৌদি আরব। তবে তাদের সেই প্রস্তাবে সায় দেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।ক্রিকেটবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি বিসিবির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিকেটার পাঠানোর অনুরোধ জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, প্রায় দুই মাস আগে তাঁর কাছে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।এ প্রসঙ্গে বিসিবি প্রধান আরও জানান, সৌদি আরব পুরুষ ও নারী—দুই বিভাগ থেকেই ক্রিকেটার ও কোচ চেয়েছিল। তবে দেশের ক্রিকেটের স্বার্থের সঙ্গে আপস করে এমন সহযোগিতা করা সম্ভব নয় বলেই তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন।উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে সৌদি আরব ইতোমধ্যে গলফ, ফর্মুলা ওয়ান এবং ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের মতো বড় উদ্যোগে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। এবার আইসিসি ও এসিসির সহায়তায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রিকেটে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করাই তাদের নতুন লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন


সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) কর্তৃক ৭৭,১৭,৬১৫ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমান মাদক ও বিভিন্ন প্রকার অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে।
সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর
দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলার
সীমান্ত হতে শংকুচাইল, শশীদল, সালদানদী এবং বড়জ্বালা বিওপি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সীমান্তবর্তী আখাউড়া ও কসবা উপজেলার
সীমান্ত হতে ঘাগুটিয়া, চন্ডিদার, কসবা ও মাদলা বিওপি
কর্তৃক ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
তারিখ হতে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
তারিখ পর্যন্ত মাদক ও চোরাচালান বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে ৭৭,১৭,৬১৫
(সাতাত্তর লক্ষ সতেরো হাজার ছয়শত পনেরো) টাকা মূল্যের বিপুল পরিমান ভারতীয় অবৈধ মাদক ও বিভিন্ন প্রকার
মালামাল জব্দ করে।
জব্দকৃত কিসমিস ৩১২ কেজি, গরু ৩ টি, চিনি ১,০৩৫ কেজি, বাঁজি ৮৮,২০০ পিস, বাংলাদশী স্টীলের আলমারী ১ টি, বাংলাদেশী সিএনজি ১ টি, সিগারেট ৬৭৫০ প্যাকেট, হুইস্কি ১৪ বোতল, বিয়ার ৩৬ বোতল, গাঁজা ১৮.৯ কেজি, ইস্কাফ সিরাপ ৭ বোতল, ফেন্সিডিল ৩৪ বোতল এবং ইয়াবা ট্যাবলেট ৪৯০০ পিস।
বিজিবি জানান, সর্বদা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে ৬০ বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা সর্বোতভাবে অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দ করে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লার ৬টি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন ৭০টি পরিবার নিজ বসতভিটায় বিশেষ আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সেনাবাহিনীর নির্মিত ঘর পেয়েছে।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশায় ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ঘরগুলো উপহার হিসেবে হস্তান্তর করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
এসময় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার, ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ এনামুল হক, ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলার বুড়িচংয়ে ২৯, ব্রাহ্মণপাড়ায় ১০, সদর দক্ষিণে ৬, চৌদ্দগ্রামে ১০, মনোহরগঞ্জে ১০ ও নাঙ্গলকোটে ৫ টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর ২৪ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এসব গৃহনির্মাণ বাস্তবায়ন করে।
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলপাশা ইউনিয়নের কুমাল্লা গ্রামের উপকারভোগী মো. আলম মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে অনুষ্ঠানটি সংযুক্ত হয়।
২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন কুমিল্লা জেলার ৭০টি পরিবারের মধ্যে এ ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে। মে মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৯৩ টাকা নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বৃহস্পতিবার (২ মে) বিইআরসি হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো: নূরুল আমিন। সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ নতুন দাম কার্যকর হবে। এপ্রিল মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৪৪২ টাকা।
প্রাকৃতিক গ্যাসের নতুন সংযোগ বন্ধ থাকায় গৃহস্থালি রান্নার পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ছোট-বড় শিল্পকারখানায়ও এলপিজি ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বিইআরসি প্রতি কেজি এলপিজির খুচরা দাম ১৬ টাকা ৮ পয়সা নির্ধারণ করেছে। সে অনুযায়ী সাড়ে পাঁচ থেকে ৪৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারগুলোর দাম কমেছে।
মন্তব্য করুন


এডিস
মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে
চলতি বছরে মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়াল ৩৭৭ জনে। একই সময়ে নতুন করে ৫৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী
বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
নিয়মিত প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তর জানায়, গত একদিনে ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সবচেয়ে বেশি ৩ জনের মৃত্যু
হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজন
করে মারা গেছেন। এদিন ভর্তির সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন—১২৫
জন।
এছাড়া
ঢাকা বিভাগে ৯২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৬ জন করে মোট ১৭২
জন, বরিশালে ৬৯, খুলনায় ৪১, ময়মনসিংহে ৩৭, রাজশাহীতে ২৫, সিলেটে ৪ এবং রংপুরে ২ জন
হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
প্রতিবেদনে
আরও বলা হয়, বছরের শুরু থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৩৭৭ জন। এদের
মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু ঢাকার দক্ষিণ সিটিতে—১৭২ জন। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটিতে ৬২,
বরিশালে ৪৭, চট্টগ্রামে ৩০, ময়মনসিংহে ২২, রাজশাহীতে ২০, খুলনায় ১২, ঢাকা বিভাগে ৯
এবং সিলেটে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর সর্বমোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার
৭৮৪ জনে পৌঁছেছে। এরমধ্যে বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ৪৫২ জন এবং সিলেট বিভাগে
সর্বনিম্ন ৩৬৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার এই অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইলিশ মাছ ও জাল জব্দ করা হয়েছে এবং আটক করা হয়েছে ২১ জন জেলেকে।
গতকাল সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৩টা থেকে আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে মোট ০৫টি মোবাইল কোর্ট ও ০৯টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১৪৩ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে আটক করা হয় ৩ লাখ ৮৩ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭৪ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।
জেলা মৎস্য অফিসার মাহবুবুল হক জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২১ জন জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩ জনকে ২ দিন, ৭ জনকে ৩ দিন, ৪ জনকে ৫ দিন এবং ৩ জনকে ৬ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। গোয়ালন্দ উপজেলায় ২ জনকে ৫ দিন এবং ২ জনকে ৩ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া সদর উপজেলায় একজন জেলেকে ১৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পাবনার সুজানগরে রাস্তার পাশ থেকে মিলন হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার শান্তিপুর গ্ৰামের রাস্তার পাশ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মিলন হোসেন (৩৮) সাঁথিয়া উপজেলার হইজোর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, (২৪ নভেম্বর )সোমবার রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর মিলনের কোনো খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। আজ (২৫ নভেম্বর )মঙ্গলবার সকালে সুজানগর উপজেলার শান্তিপুর গ্ৰামে রাস্তার পাশে ১ নাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহত মিলনের বাবা আব্দুল জলিল বাদী হয়ে সুজানগর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে নিহত মিলনের বাবা অভিযোগ করেছেন, গত সোমবার রাতে ফোনে ডেকে নিয়ে যায় মিলনকে। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার করে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
সুজানগর থানার (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে মরদেহ শনাক্ত করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। কীভাবে, কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে জাতীয় স্বার্থে
সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে সেজন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ কয়েকজন উপদেষ্টা বৈঠকে ছিলেন। তাদের
সঙ্গে বিদ্যমান পরিস্থিতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দেশ কীভাবে শান্তিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে
আগামীতে একটা কার্যকর নির্বাচনের দিকে এগোতে পারে, সে বিষয়ে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতি-ধর্ম, দল-মত নির্বিশেষে
এ দেশ আমাদের সবার। সবাই মিলেমিশে জাতীয় ঐক্য আরও কীভাবে সংহত করা যায়, প্রশাসনকে আরও কীভাবে গুছিয়ে আনা যায়, এসব বিষয়ে
আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, যেটাতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে, সেটাকে
লাঘব করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামীতে রমজান মাস আসছে, এটাকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা
যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে, সেসব নিয়েও কথা হয়েছে। আমরা পরামর্শ করেছি।
পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও অনেক আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু
বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। এসব আলোচনায় আমরা একমত হয়েছি যে—দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়েই দেশকে সামনে
এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আর দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে যারাই জড়িত থাকবে,
তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এর মাধ্যমে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দিতে হবে। এরজন্য
প্রয়োজন সর্বোত জাতীয় ঐক্য। দল-মত-ধর্মের ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে জাতীয় স্বার্থে আমরা
যেন ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি। আপনাদের মাধ্যমে আমরা সে আহ্বান জানাই। আমরা বৈঠকেও এ কথা
বলেছি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ন্যূনতম যে
সংস্কার দরকার, সেটা দ্রুত করে তারপর নির্বাচন আয়োজনের কথা বলে এসেছি আমরা।
বৈঠকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত
ছিলেন, দলটির দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, আব্দুল হালিম এবং
নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
মন্তব্য করুন


সাভারে পৃথক একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে অপহরণে জড়িত একটি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানের সময় অপহৃত একজন ব্যক্তিকেও নিরাপদ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোররাতে সাভার মডেল থানার গেন্ডা এলাকা থেকে অভিযুক্তদের আটক করা হয়।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মোসা. জোসনারা বেগম (৩৯), মো. টুটুল (৩৫), মো. সুমন (৩৫) ও মো. রফিক মিয়া (৪৫)।অভিযানকালে তাদের হেফাজত থেকে অপহৃত ব্যক্তি মো. মাসুম বেপারী (৩৭) কে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে একটি গামছা, একটি মাস্কিং টেপ, ভিকটিমের কাছ থেকে নেওয়া নগদ চার হাজার টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।এ বিষয়ে ওসি সাইদুল ইসলাম জানান, উদ্ধার হওয়া ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি থানার মামলা নম্বর ৭৩, তারিখ ২৯/১২/২০২৫। দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী ৩৪২, ৩৬৫, ৩২৩, ৩৮৫ ও ৩৮৬ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।তিনি আরও জানান, এই চক্রটি নারী সদস্যকে ব্যবহার করে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে অপহরণ করত এবং পরে মুক্তিপণ ও চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে অর্থ আদায় করত। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন