

বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই আমাদের পরিবারের
শক্তি ও প্রেরণার উৎস।
মঙ্গলবার
(২ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ
কথা বলেন।
তারেক
রহমান বলেন, ‘বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য
যেভাবে সহযোগিতা ও শুভকামনা জানানো হচ্ছে, জিয়া পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা সবার
প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি
বলেন, ‘বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিকবৃন্দ ও বন্ধুগণের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা, পাশাপাশি
বাংলাদেশের মানুষের অপরিসীম ভালোবাসা ও দোয়া, সবকিছু আমাদের আবেগ ও অনুভূতিকে গভীরভাবে
স্পর্শ করছে।
বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশবাসীর সম্মিলিত সমর্থনই আমাদের পরিবারের শক্তি ও প্রেরণার
উৎস। মমতাময়ী দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্যের জন্য আমরা সবাই নিরন্তর দোয়া করছি। এই কঠিন
সময়ে ঐক্য, সহমর্মিতা ও সংহতির জন্য প্রতিটি মানুষের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা রইল। উল্লেখ্য,
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। অর্থাৎ আগের চেয়ে তার
অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। তবে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে।
সোমবার
গভীর রাতে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের
স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ
হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি হাসপাতালে পৌঁছান। সেখানে তারা মেডিক্যাল টিমের সঙ্গে সর্বশেষ
শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে বনানীর সামরিক কবরস্থানে বিডিআর সদর দপ্তর
পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ।
আজ
বুধবার ( ২৫ ফেব্রুয়ারি ) সকালে তিনি সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। প্রধানমন্ত্রী
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে শহীদদের আত্মার
মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বুধবার বনানীর সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর
অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতি
বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস পালন করা হয়। এ দিনে পিলখানায় সংঘটিত মর্মান্তিক
হত্যাযজ্ঞে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


শেরপুর-৩
(শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর বৈধ প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী উক্ত আসনের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট স্থগিত করা হয়েছে।
আজ
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য
জানিয়েছেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব
আদেশে বলা হয়েছে, কোনো বৈধ প্রার্থী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন বাতিল করবেন
রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ ক্ষেত্রে নতুন করে তফসিল দিতে হবে।
তবে
আগের বৈধ প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রয়োজন হবে না।
বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর বৈধ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মারা যাওয়ায় এ আসনে নতুন তফসিল দেবে
নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গণপ্রতিনিধিত্ব
আদেশের অনুচ্ছেদ ১৭-এর দফা (১)-এ বলা হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি-এমন কোনো
বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে রিটার্নিং অফিসার গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট
নির্বাচনসংক্রান্ত সকল কার্যক্রম বাতিল করবেন।
দফা
(২)-এ বলা হয়েছে, যে ক্ষেত্রে দফা (১)-এর অধীন কোনো নির্বাচনসংক্রান্ত কার্যক্রম বাতিল
করা হয়, সে ক্ষেত্রে এই আদেশের অধীন নতুন কার্যক্রম এমনভাবে শুরু করতে হবে, যেন এটি
একটি নতুন নির্বাচন।
তবে
শর্ত থাকে যে, অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করা
বা অনুচ্ছেদ ১৩-এর অধীন পুনরায় অর্থ জমা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন হবে না।
মন্তব্য করুন


বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় বিএনপির দুই নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বজলুর রহমান নামের এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে পৌর শহরের ঈমান আলী সড়কে অবস্থিত তার নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক ব্যক্তি পাথরঘাটা পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বামনা–পাথরঘাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী জানান, তদন্তের অংশ হিসেবেই তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতেও যৌথবাহিনী পাথরঘাটার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলার আসামি বিএনপি, এর সহযোগী সংগঠন এবং জামায়াত ও এর অঙ্গসংগঠনের মোট ১১ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাগুলোর আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে বাকি অভিযুক্তদের আটক করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


পিলখানা ত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী আজ সকালে জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শহিদ পরিবারসহ জাতিকে জানাতে চাই- পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে, যাতে এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আর না ঘটে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটা চেষ্টা ছিল। এ কাজটা তারাই করতে পারে, যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না।
মন্ত্রী আরো বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের একটি। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল্য উদ্দেশ্য কি ছিল, তা জানার জন্য তৎকালীন সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তার ফলাফল আজো প্রকাশিত হয়নি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়, যার রিপোর্ট আমাদের সামনে এসেছে। তবে সে রিপোর্ট বাস্তবায়নে সে সরকার তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তিনি আরো বলেন, আমরা নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করবো না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথোপযুক্ত লোক দিয়েই তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল। কমিশনের রিপোর্টে যে সুপারিশগুলো এসেছে, বিচারাধীন যে মামলাগুলো আছে, এই বিচারিক প্রক্রিয়াগুলোকে সমাপ্ত করা হবে। অন্যান্য সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় শহিদ সেনা দিবস পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিজিবি'র মহাপরিচালক এবং শহিদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ সহ আমি বনানী কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। আজ বিকালে এ উপলক্ষ্যে সেনানিবাসে ইফতার, দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারাই জীবন দিয়েছে, তারাই চিরস্মরণীয় ও চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সতর্ক ও সচেষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ
ছাড়া দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তার ব্যাপারেও আশ্বস্ত করেছে মন্ত্রণালয়টি।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গৃহীত হালনাগাদ
প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে ঢাকায়
বিদেশি দূতাবাসগুলোকে অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন পদ্মায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায়
নির্বাচন কমিশন বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানাবেন বলে কূটনীতিকদের বলা
হয় এবং তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রেরণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে ঢাকায়
দূতাবাসগুলোর প্রায় চল্লিশ জন কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী
সরকার।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি)
বিকেলে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানা।
তিনি বলেন, বৈঠকে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশের
খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। সেইসঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অধ্যাদেশ-২০২৬-এর
খসড়া চূড়ান্ত এবং বাংলাদেশ প্রাণী ও প্রাণীজাত পণ্য সংঘনিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া
নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে প্রতিবছর ২৩ মার্চকে ‘বিএনসিসি ডে’ হিসেবে
ঘোষণা; জাতিসংঘের নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তিবিরোধী
কনভেনশনের ৭০(১) ধারার আওতায় বাংলাদেশ কর্তৃক পূর্বে দেওয়া ঘোষণা প্রত্যাহার; ক্যারিবিয়
দেশ গায়ানায় বাংলাদেশের একটি নতুন কূটনৈতিক মিশন (সারফেয়ার্স/লোয়ার লেভেল মিশন)
খোলা; ২০২৫-২৮ সময়কালের জন্য আমদানি নীতি আদেশের খসড়া; নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
অধ্যাদেশ-২০২৬; কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত
এবং আন্তর্জাতিক পারিবারিক আইনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে নেদারল্যান্ডসের
হেগভিত্তিক হেগ কনভেনশন অন সিভিল অ্যাসপেক্টস অব ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড অ্যাবডাকশন-১৯৮০-এ
বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার প্রস্তাব বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে।
এসব সিদ্ধান্ত নারীদের সুরক্ষা, মানবাধিকার, ক্রীড়া
উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, বাণিজ্য ও নগর উন্নয়নে কাঠামোগত সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখবে জানান প্রেস সচিব।
মন্তব্য করুন


দেশের
গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম
খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ
প্লাজা এবং এর সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর তাঁকে শহীদ প্রেসিডেন্ট
বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে।
আজ
মঙ্গলবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. আসিফ নজরুল।
আইন
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে যত দূতাবাস আছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে সেখানে শোক বই
খোলা হবে। সভায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন এবং জানাজা সম্পর্কিত বিষয়ে সরকার সব ধরনের
সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টা সভায় বেগম জিয়ার বিষয়ে
বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন।’
মঙ্গলবার
ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মার যান রাজনীতিতে আপসহীন
নেত্রী হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসারত অবস্থায় দেশের প্রথম
নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের এই মৃত্যুতে দেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছে
গভীর শোকের ছায়া। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়,
বরং একটি যুগের অবসান।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও চলমান
রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ
বিকেল ৫টায় সাতটি রাজনৈতিক দল ও একটি সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং মঙ্গলবার
জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক
দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।
বৈঠকে অংশ নেবে এবি পার্টি, নাগরিক
ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, এলডিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় গণফ্রন্ট
এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশব্যাপী জনসংযোগ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সালেহ উদ্দিন সিফাত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসউদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, ৬ দিনব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় জনসংযোগ করবে। এসময় তারা জুলাই ঘোষণাপত্রের বিষয়ে লিফলেট বিতরণ করবে, সমাবেশ করবে এবং বিভিন্ন মাত্রায় জনসংযোগ করবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সকল শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নিয়েছে। আমরা একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কথা তুলে আনতে চাই।
জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, আজ অথবা কালকের মধ্যে সরকার জনগণের সামনে দৃশ্যমান উদ্যোগ প্রদর্শন করুক। এ বিষয়ে আমাদের মতামত চাওয়া হলে আমরাও দিতে প্রস্তুত আছি।
জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, ঘোষণাপত্র প্রদানের বিষয়ে সবার ঐক্যমত রয়েছে। কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গি বা তা কীভাবে তুলে আনা যায়, সে বিষয়ে হয়তো পার্থক্য রয়েছে। শব্দ চয়নে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে৷ সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। কিন্তু ঘোষণাপত্র নিয়ে কারও আপত্তি নেই।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে পুলিশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৭ মার্চ) মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে খুব বেশি সময় নেই। আমরা ইতোমধ্যে সাত মাস পার করে এসেছি। আমরা বলছি, ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। কাজেই কী কী সংস্কার করতে চাই করে ফেলতে হবে।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনারাও সংস্কারের কথা বলেছেন। কারও জন্য অপেক্ষা করে কোনো ফায়দা হবে না। কাজটা করতে হবে এবং সেটা আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, দেশ বদলাতে হলে একক নির্দেশে নয়, বরং সবাইকে নিয়ে এক একটি টিম হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম হলো পুলিশ। সরকার যা কিছুই করতে চায়, শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাত দিয়েই করতে হয়। তারা সব করে দেয় না, তারা পরিবশেটা সৃষ্টি করে। যে পরিবেশটা না থাকলে কোনো কাজই আর হয় না। পুলিশের কথা প্রসঙ্গে বারবার আমরা দুটো শব্দ বলছি- আইনশৃঙ্খলা। পুলিশের হাতেই এটাকে এক্সিকিউট করতে হবে। এই পরিবেশ সৃষ্টি করা না গেলে সরকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, মানুষের অধিকার, নাগরিকের অধিকার- কিছুই থাকে না। আমরা পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়তে পারব না। তারাই সম্মুখসারির মানুষ। তারা ক্ষেত্র প্রস্তুত করলেই বাকি জিনিসগুলো হয়। আইনশৃঙ্খলা না থাকলে যত বড় বড় চিন্তাই হোক, যত টাকাই থাকুক, কোনো কাজে আসবে না।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, পুলিশ হবে বন্ধু। কারণ, আমি আইনের পক্ষের মানুষ। আমি আইন প্রতিষ্ঠা করার মানুষ। আইন হলো আমাদের সবার আশ্রয়। পুলিশ হলো আশ্রয়দাতা। আমরা এই ইমেজটা যদি প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, মানুষ অতীতের সব কথা ভুলে যাবে।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ ও রাজশাহী পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম। এ সময় আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন