

দেশের
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং
সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য
মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রবিবার
(২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট
জেলা প্রশাসকদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে
বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল,
শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে
বলে আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জানমালের ব্যাপক
ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ
অবস্থায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার
স্বার্থে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর মহানগর এলাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর
জেলায় ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের
জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের চাহিদার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে।
চিঠির
সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পাঠানো সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত
চাহিদাপত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর কর্মসূচিকে
কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি
সেনাবাহিনীকে মাঠে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেনাসদস্যরা বেসামরিক প্রশাসনকে
সহায়তার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে আন্তর্জাতিক
মঞ্চে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার
রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে
রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন অপসারণের কথা স্মরণ
করেন।
তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের
অন্যান্য পণ্যও আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান। বর্তমানে রাশিয়ায় বাংলাদেশের মোট
রপ্তানির ৯০ শতাংশ তৈরি পোশাক।
বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায়
বাংলাদেশে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং খাদ্য নিরাপত্তা,
জ্বালানি অনুসন্ধান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সহায়তা বাড়ানোসহ পারস্পরিক স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনা করেন।
বাংলাদেশের খাদ্যশস্য এবং সারের বড় একটি অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি
করা হয় উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক
অংশীদার।
গত বছর রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন টনেরও বেশি গম
আমদানি করেছে এবং চলতি বছর আমদানির পরিমাণ ইতোমধ্যে ২ মিলিয়ন টন অতিক্রম করেছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি
কোম্পানি গ্যাজপ্রম ভোলা দ্বীপে এবং দেশের অভ্যন্তরে আরও পাঁচটি গ্যাস কূপ
অনুসন্ধান করতে আগ্রহী।
তিনি আরও জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ
চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি আগামী বছর চালু হতে পারে।
তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে এলএনজি রপ্তানিতে আগ্রহী।
প্রধান উপদেষ্টা অর্থনৈতিক ও শিক্ষা সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের
মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


দেশের
সব বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সেই সঙ্গে কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার (০৯ জুন)
সকালে আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে
বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম
বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা
হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের
ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।
তাপপ্রবাহ
নিয়ে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, নীলফামারী, চুয়াডাঙ্গা ও খুলনা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু
তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে দিন ও রাতের
তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আবহাওয়ার
সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমিবায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম ও
সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমিবায়ু আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে
আরো অগ্রসর হয়ে সারা দেশে বিস্তার লাভ করতে পারে।
এদিকে
গতকাল সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি ঝরেছে সিলেটে ৫৪ মিলিমিটার।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরে
পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে গিয়ে ময়লার স্তূপে তিন বস্তা
পবিত্র কোরআন শরীফ পেয়েছেন। বস্তাতে প্রায় শতাধিক কোরআন শরীফ ছিল। এ ঘটনায় স্থানীয়দের
মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
খবর
পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এ কে এম সলিম উল্লাহ
সেলিম ও চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।
বুধবার
(১ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুর শহরের মিশন রোড রেলক্রসিং সংলগ্ন শাহী জামে মসজিদের দক্ষিণ
পাশে অবস্থিত রেলওয়ের লেক এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থানে এ তিন বস্তা পবিত্র কোরআন
শরীফ পাওয়া যায়।
এলাকাবাসীরা
জানান, চাঁদপুর পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা মিশন রোড শাহী জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে
লেকের পাড়ে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার সময় তিনটি বস্তার সন্ধান পান। পরে
বস্তাগুলো খুলে দেখা যায়, সেখানে বিপুল পরিমাণ পবিত্র কোরআন শরীফ রাখা রয়েছে। খবর পেয়ে
স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
১২
নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কাদের দেওয়ান মিন্টু জানান, উদ্ধার হওয়া তিনটি বস্তায় প্রায়
এক থেকে দেড়শো পবিত্র কোরআন শরীফ রয়েছে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয়দের সহায়তায় কোরআন
শরিফগুলো উদ্ধার করে যথাযথভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পবিত্র
কোরআন শরীফের সঙ্গে এমন আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় ও জঘন্য কাজ। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের
সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা উচিত বলে মনে করেন স্থানীয়
এলাকাবাসী।
চাঁদপুর
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন,
খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উদ্ধার করা পবিত্র কোরআন শরিফগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে।
আলেম সমাজের সঙ্গে আলোচনা করে এগুলোর যথাযথ ব্যবস্থাপনা করা হবে। পাশাপাশি যারা পবিত্র
ধর্মগ্রন্থের প্রতি অবমাননাকর আচরণ করেছে, তাদের শনাক্ত করতে তদন্ত করা হবে এবং আইন
অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
সুবর্ণচরে মাদকের টাকা না পেয়ে নিজের
বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন, বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি
দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করেছে পুলিশ।
আজ
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে
উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজারসংলগ্ন পাঞ্চায়েত বাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আটক
জাবেদ চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের
বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা সাবেক আহ্বায়ক এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান।
পুলিশ
সুপারের কার্যালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জাবেদের মা ছালেয়া খাতুন
(৬৮) দাবি করেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং মাদকের টাকা না পেলে তিনি
প্রায়ই তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন
করেন ও বাড়িতে ভাঙচুর
চালান।
অভিযোগে
বলা হয়, গত ২২ জুলাই
রাত ৮টার দিকে জাবেদ মাদকের টাকা দাবি করে মায়ের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করেন
এবং একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এ সময় পরিবারের
সদস্যরা বাধা দিলে তাঁদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত
অভিযোগে ছালেয়া খাতুন আরও বলেন, জাবেদ নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং মাদকের অর্থ জোগাড়ের জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পিচ্ছি মাসুদ, সুমন ও দেলোয়ার নামে
কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে জাবেদ তাঁদের বাড়িকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং বাধা দিলে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে
মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযোগ
অনুযায়ী, গত ২৭ মে
রাতে সংঘবদ্ধভাবে তাঁদের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়, যাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিযুক্তরা
আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী
বৃদ্ধা তাঁর লিখিত অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
থানা
হাজতে আটক থাকায় অভিযোগের বিষয়ে আবদুল্লা আল মামুন জাবেদের
বক্তব্য জানা যায়নি।
এ
বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল হাসান বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করা হয়েছে এবং শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়া হবে।
আজ শুক্রবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, টিকিট
জটিলতায় মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান,
বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কর্মসংস্থান তৈরি, ভিসা সহজীকরণ এবং উচ্চশিক্ষা, রোহিঙ্গা
সমস্যা নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম
বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের দুই দেশের অর্থনীতিতে অবদান গুরুত্বপূর্ণ। টিকিট জটিলতায়
মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে। এই অঞ্চলকে শান্তিপূর্ণ
দেখতে আসিয়ানকে আরও কার্যকর করতে চায় মালয়েশিয়া।
এর আগে
দুপুর দুইটার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত
জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে
গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ
করবেন আনোয়ার ইব্রাহিম।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি
আজ (১ অক্টোবর ২০২৪) ইসিবি চত্ত্বরে ঢাকা জেলার জন্য স্থাপিত মেডিকেল ডিসপেনসারিতে
উপস্থিত হয়ে ভিডিও টেলি কনফারেন্স (ভিটিসি) এর মাধ্যমে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় নতুন
করে স্থাপিত আরও ৩০টি মেডিকেল ডিসপেনসারির শুভ উদ্বোধন করেন।
এরপর তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে মতবিনিময়
করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের
কল্যাণার্থে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড কর্তৃক সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী,
বিমান বাহিনী এবং সেনাকল্যাণ সংস্থার অর্থায়নে দেশের বিভিন্ন জেলায় ৩১টি মেডিকেল
ডিসপেনসারি পরিচালিত হচ্ছে।
আজ আরও ৩০টি নতুন মেডিকেল ডিসপেনসারির কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে দেশের ৬১টি জেলায় অবসরপ্রাপ্ত ১,৫৫,২৬৪ জন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তদ্বীয় পরিবারবর্গের চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি আরও সহজতর হবে।
উল্লেখ্য, অবশিষ্ট ৩টি জেলায় সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত মেইন ড্রেসিং স্টেশন (এমডিএস) হতে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যগণ ও তদ্বীয় পরিবারবর্গ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকেন। প্রতিটি জেলায় মেডিকেল ডিসপেনসারি স্থাপনের ফলে তাদের অর্থ ও সময় উভয়ই বাঁচবে এবং দূর-দূরান্ত থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের ঔষধ সংগ্রহের সমস্যাও অনেকাংশে লাঘব হবে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গের চিকিৎসা সেবায় সিএমএইচ সমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাইভেট হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের রেশন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক এ বিষয়ে আরো বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও পরিবারবর্গের জীবনযাত্রার মান বহুলাংশে উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন জেলার বেসামরিক প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ (ভিটিসির মাধ্যমে), সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যগণ ও তাদের পরিবারবর্গ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরায়
পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচাতো দুই ভাই নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার
(২৬ মে) সকাল ৬টার দিকে খুলনা-পাইকগাছা সড়কের তেতুলিয়া জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহতরা
হলেন- তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের নাসিম আলী ফকির (৩২) ও মেহেদী
হাসান ফকির (২৫)। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।
স্থানীয়রা
জানান, নিজেদের খামারের জন্য মাছ আনতে ভোরে মোটরসাইকেলে চুকনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন
নাসিম ও মেহেদী। পথে তেতুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের
সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরসাইকেলটি পিকআপের নিচে আটকে
গেলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন চালক নাসিম আলী ফকির। গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদী হাসানকে উদ্ধার
করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। তবে পথেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
তালা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন।
মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আর্জেন্টাইন
মহাতারকা লিওনেল মেসিকে রুখতে ঘানার তান্ত্রিক বিশেষ এক মন্ত্র বা টোটকা তৈরি করেছিলেন।
উদ্দেশ্য ছিল মেসি তথাআর্জেন্টিনাকে আটকে দেওয়া। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! মেসিকে
হারানোর সেই মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা তো দূরের কথা, নিজেদের দেশ ঘানাকেই বিদায়
নিতে হলো টুর্নামেন্ট থেকে। তান্ত্রিকের কোনো মন্ত্রই বাঁচাতে পারল না আফ্রিকান ব্ল্যাক
স্টারদের।
রাউন্ড
অব ৩২-এর রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ঘানার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে ১-০ গোলের দারুণ জয়ে শেষ ষোলোর
টিকিট কেটেছে লাতিনআমেরিকার পরাশক্তি কলম্বিয়া।
কানসাস
সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আফ্রিকান দলটির ওপর চেপে বসে কলম্বিয়া।
একের পর এক আক্রমণেঘানার রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে তারা। ম্যাচের শুরুর ধাক্কাটাই আর
সামলে উঠতে পারেনি ঘানা। মাত্র ১৪ মিনিটের মাথায় জনআরিয়াস চমৎকার এক গোল করে কলম্বিয়াকে
এগিয়ে নেন (১-০)। এই ১ গোলের লিড নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করে দুই দল।
বিরতির
পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ঘানা। অন্যদিকে ব্যবধান বাড়ানোর খোঁজে ছিল কলম্বিয়াও।
ম্যাচের ৫৬ মিনিটে লুইস দিয়াজঘানার জালে বল জড়ালেও অফসাইডের কারণে রেফারি তা বাতিল
করে দেন। এর ঠিক দুই মিনিট পর, ৫৮ মিনিটে দিয়াজের আরওএকটি দুর্দান্ত শট রুখে দিয়ে
ঘানাকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন তাদের গোলরক্ষক।
ম্যাচের
শেষ মুহূর্তে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে বেশ কিছু আক্রমণ করেছিল ঘানা, কিন্তু কলম্বিয়ার
রক্ষণ ভাঙা সম্ভব হয়নি। ফলে ১-০গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।
তাতে
ঘানাকে বিদায় করে টুর্নামেন্টের সেরা ষোলোতে জায়গা করে নিল কলম্বিয়া। কোয়ার্টার
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আগামী ৭জুলাই দিবাগত রাত ২টায় (৮ জুলাই রাত) ভ্যাঙ্কুভারের
বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে লাতিন আমেরিকার এইদলটি।
মন্তব্য করুন


আগামী
দিনে র্যাবকে একটি জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল বাহিনী হিসেবে পুর্নগঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী
আজ (১৮ মে) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তরে র্যাব ফোর্সেস এর ২২তম
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।
মন্ত্রী
বলেন, র্যাবকে একটি জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল বাহিনী হিসেবে পুর্নগঠনের লক্ষ্যে বর্তমান
গণতান্ত্রিক সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- র্যাব
সদস্যদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার সময় আন্তর্জাতিক
মানদন্ড রক্ষা করে ন্যূনতম বল প্রয়োগ, মানবাধিকার প্রশিক্ষণ, অপরাধ দমনে এআই (Al) এর
ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এ লক্ষ্যে অতিশীঘ্রই র্যাব
ফোর্সেস এর জন্য জঙ্গল সলিমপুরে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা; পরিবর্তনশীল
অপরাধের ধরন ও কৌশল বিবেচনায় সময়োপযোগী কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা ও কার্যক্রমকে
আরও উন্নতকরণ; জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনআস্থা অর্জন; মানবাধিকার,
আইনের শাসন ও পেশাগত নৈতিকতার মানদণ্ড বজায়
রেখে নিরাপদ ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখা; স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত
করার লক্ষ্যে দ্রুত র্যাব আইন প্রণয়ন, ইত্যাদি।
মন্ত্রী
আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় সরকারের এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যেটি ক্ষতিগ্রস্ত
হয়নি। প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তার বেআইনি কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে
দায়ী করা যাবে না। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব সুনাম ও গৌরব বজায় রেখে কাজ
করে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের কোন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না। সারাবিশ্বের নিকট
প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা রয়েছে।
এর মাধ্যমে আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে একটি এলিট
ফোর্সের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সে বিবেচনায় র্যাবের বিদ্যমান আইন পরিবর্তন ও সংশোধনপূর্বক
এটিকে যুগোপযোগী ও বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যাতে করে এলিট ফোর্সটির সদস্যদের
পেশাদারিত্বের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। একইসঙ্গে র্যাবের
বিদ্যমান নাম পরিবর্তনের কথাও বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে এলিট ফোর্সের প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবে
২০০১ সালের বিএনপি সরকারের মেয়াদে র্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,
র্যাব যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তখন র্যাবকে কেবল সে উদ্দেশ্যেই ব্যবহার
করা হয়েছে। পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় র্যাবকে রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ
করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে র্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি এবং সংস্কৃতি
বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির।
স্বাগত বক্তৃতা করেন র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ।
অনুষ্ঠানে
তিন বাহিনীর প্রধানগণ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ
সহ বিভিন্ন সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
চাটখিল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভীমপুর গ্রামে সরকারি খাস জায়গায় এক মাদক ব্যবসায়ীর
গড়ে তোলা কুঁড়েঘরে বিলাসবহুল জীবনযাপনের অভিযোগ উঠেছে। ছোট্ট কুঁড়েঘর হলেও সেখানে বসানো
হয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) এবং পুরো আস্তানাজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে অত্যাধুনিক
নজরদারি ক্যামেরা।
স্থানীয়দের
অভিযোগ, এই মাদক আস্তানার মূলহোতা ববিতা আক্তার সুমাইয়া (৩৫)। প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায়
থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। অভিযোগ রয়েছে, একসময়
ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সহায়তায় ব্যবসা শুরু করলেও বর্তমানে স্থানীয় প্রভাবশালীদের
সহযোগিতায় তা চালিয়ে যাচ্ছেন।
পুলিশ
সূত্রে জানা যায়, ববিতা আক্তার সুমাইয়ার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তাকে
পূর্বে কয়েক দফা ইয়াবাসহ আটক করা হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও একই কার্যক্রমে জড়িয়ে
পড়েন।
স্থানীয়দের
মতে, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বেদে পল্লীকে কেন্দ্র করে অবাধে মাদক বিক্রির কারণে
এলাকার ছাত্র ও যুবসমাজ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। তারা এই মাদক চক্রের পেছনের গডফাদারদের
আইনের আওতায় এনে অবৈধ আস্তানা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন।
চাটখিল
পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বি কে হানিফ বলেন, অভিযুক্তের প্রভাব এতটাই বেশি যে পুলিশ,
সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা কিংবা সাধারণ মানুষ—কেউই তার বিরুদ্ধে সহজে অবস্থান নিতে
পারছে না। বহিরাগত উপস্থিতি টের পেলেই তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে ওঠে।
পুলিশ
জানায়, ববিতা আক্তার সুমাইয়ার নামে থানায় সাতটি মামলা রয়েছে এবং তাকে ছয়বার আটক করা
হয়েছে। প্রতিবার জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও মাদক ব্যবসা শুরু করেন। তাকে ধরতে গিয়ে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়দের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
চাটখিল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মোন্নাফ জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা
রয়েছে এবং সম্প্রতি তাকে আটকও করা হয়েছিল। তবে তার এ ধরনের বিলাসবহুল জীবনযাপনের বিষয়টি
আগে জানা ছিল না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন