

আজ
(২ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুরের বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সাফ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকলো
বাংলাদেশ। সাগরীকা দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন।
ম্যাচপূর্ববর্তী
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ সাইফুল বারী টিটু বলেছিলেন, ১ম ম্যাচে জয় নিশ্চিত
করে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকতে চান। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করেছেন মাঠে।
ম্যাচের
শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে নেপালের বিপক্ষে আধিপত্য
বিস্তার করে খেলে পুরোটা সময়। এই ম্যাচে সাগরীকা নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন।
ম্যাচের
৫ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। স্বপ্না রানির ফ্রি-কিক গোলরক্ষক ঝাপিয়ে রক্ষা
করেন। নেপালের গোলরক্ষক সুজাতাতামাংয়ের হাতে লেগে দিক বদলে বারে প্রতিহত হয়। ফিরতি
বলে মুনকি আক্তার বল জালে জড়াতে চেষ্টা করলেও তার শট ডিফেন্ডাররা আটকে দেন।
২
মিনিট বাদেই আবারও আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ। বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মুনকি আক্তার। তবে
নেপালের গোলরক্ষক এগিয়ে এসে তাকে থামান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে বল পান পূজা
দাস। তার মাটি কামড়ানো শট অল্পের জন্য পোষ্ট ঘেঁষে বেড়িয়ে গেলে এগিয়ে যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।
১৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া পূজার বা পায়ের
শট ক্রসবার ঘেষে বেড়িয়ে যায়।
৩৮
মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। গোলকিক থেকে বল পান স্বপ্ন রানী। তার হেডে বক্সের
কাছাকাছি ২ ডিফেন্ডারের মাঝে বল পান সাগরীকা।
২ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের উপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে জড়ান সাগরীকা।
ব্যবধান
২গুন করতে সময় নেয়নি বাংলাদেশ ৪২ মিনিটে মুনকি আক্তারের দর্শনীয় গোলে ২-০ গোলের লিড
নেয় বাংলাদেশ। বক্সের ভেতর বল ক্লিয়ার করতে এগিয়ে আসেন নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা। তবে
তার ক্লিয়ার করা বল পান ইতি খাতুন; ক্রস দেন মুনকি আক্তারকে। তিনি বুদ্বিদীপ্ত শটে
গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান। প্রথমার্ধে
ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো বাংলাদেশের। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
বক্সের ভেতর সাগরীকাকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল
করতে পারেননি আফঈদা খন্দকার। তার শট পোস্টে লাগে। তবে ফিরতি বলে শট নেন সাগরিকা। তবে
নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা গ্লাভস বন্দী করেন। শেষ পর্যন্ত ২ গোলের লিড নিয়েই বিরতীতে
যেতে হয় সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যদের।
দ্বিতীয়ার্ধে
আক্রমণের ধার বাড়ায় ২ দলই। ৫২ মিনিটেই এক গোল শোধ করে ম্যাচে ঘুড়ে দাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়
নেপাল। সুকরিয়া মিয়ার গোলে ব্যবধান কমায় নেপাল। তবে লিড বাড়িয়ে নিতে খুব বেশি সময় নেয়নি
বাংলাদেশ। ৫৬ মিনিটে সাগরিকার গোলে ব্যবধান ৩-১ করে সাইফুর বারী টিটুর শিষ্যরা।
পরের
ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।
মন্তব্য করুন


এয়ারবাসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াউটার ভ্যান ওয়ার্শ আজ মঙ্গলবার লন্ডনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তাঁর হোটেলে সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (১০ জুন) লন্ডনের একটি হোটেলে এই সাক্ষাৎ হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা চার দিনের সরকারি সফরে আজ স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫ মিনিটে লন্ডন পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


ভূমধ্যসাগর দিয়ে নৌকাযোগে ইউরোপ যাত্রাকালে তিউনিসীয় উপকূলে অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া নয়জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস।
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ত্রিপোলিতে থাকা দূতাবাস জানায়, লিবিয়া উপকূল থেকে ৫২ জনের একদল অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগরপথে ইউরোপ যাত্রাকালে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তিউনিসিয়া উপকূলে তাদের বহনকারী নৌকাটিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
পরে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী নৌকাটি থেকে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে। জীবিত ফিরিয়ে আনে ৪৩ জনকে।
আর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর মারা যাওয়া নয়জনের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।
দূতাবাস আরো জানায়, উদ্ধারকৃত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে দূতাবাস তিউনিসিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং আইওএমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। এছাড়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎপূর্বক তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে দূতাবাসের একটি টিমকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিউনিসিয়া পাঠানোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে।
পাশাপাশি দূতাবাস বলছে, আইওএমের তথ্যমতে বিভিন্ন দেশের উপকূল হতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ গমনের চেষ্টাকালে ২০২৩ সালে তিন হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন এবং নিখোঁজ হয়েছেন।
সম্প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশ অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় লিবিয়া ও তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী তাদের নজরদারি জোরদার করেছে। ফলে বর্তমানে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপযাত্রা অত্যন্ত বিপদজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ।
ঝুঁকি নিয়ে এভাবে ইউরোপযাত্রা না করতে বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সতর্ক করেছে দূতাবাস।
এছাড়া লিবিয়ায় কর্মরত-বসবাসরত প্রবাসীদের বর্ণিত বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে অবস্থানরত তাদের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতদেরও সতর্ক করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এই নির্বাচন কোনো একক দলের বিজয়ের
জন্য নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
তিনি
বলেন, আমরা জামায়াতের শাসন কায়েম করতে চাই না, আমরা চাই একটি মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত
ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এইচজে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন
তিনি।
জামায়াত
আমির বলেন, দেশের মানুষ ১২ তারিখের নির্বাচনের পর ১৩ তারিখ থেকে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন
দেখতে চায়।
এই
পরিবর্তন আসবে সমাজের আকাঙ্ক্ষা, মায়েদের নিরাপত্তা, নারীদের সম্মান এবং দেশের সার্বিক
ইজ্জতের ওপর ভর করে।
তিনি
বলেন, আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদ মানবো না, কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারও দেখতে চাই না।
চৌদ্দগ্রামের
মানুষ ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে ভালোভাবে চেনেন উল্লেখ করে জামায়াত আমির
বলেন, তার কাজই তার পরিচয়। জনগণ যদি তাকে নির্বাচিত করে, তাহলে চৌদ্দগ্রাম মন্ত্রিপরিষদে
একজন সিনিয়র সদস্য পাবে ইনশাআল্লাহ।
নারী
ও মায়েদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা মায়ের প্রতি অসম্মান দেখায়, তাদের হাতে
কি দেশের কোটি কোটি মা নিরাপদ থাকতে পারে?
সমাজের সবাইকে নারীদের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন,
জুলাইয়ের আন্দোলনে যে যুবকরা জীবন দিয়েছে, তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শিক্ষা
দিয়েছে।
জামায়াত
আমির বলেন, ভবিষ্যৎ সরকার হবে জনকল্যাণমূলক এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে হবে আপসহীন। তিনি
বলেন, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু যারা সংশোধন হবে না, তাদের বিষয়ে কোনো মায়া
দেখানো হবে না।
কওমি
মাদ্রাসা বন্ধের অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তি’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায়
গেলে কওমি মাদ্রাসার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট আলেমদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া
হবে। দেশে বসবাসকারী সব ধর্মের মানুষ পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করবে।
তারুণ্যের
বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, এই বাংলাদেশ গড়া হবে যুবসমাজের হাতেই।
১১ দলের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ৬২ জনই তরুণ-এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ। এটা
হবে তারুণ্যের বাংলাদেশ, যৌবনের বাংলাদেশ।
ঐক্যের
সরকার গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোকেও
জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হবে। তবে শর্ত থাকবে দুর্নীতি পরিহার,
ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং জুলাই আন্দোলনের সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনে
জয়ী হলে কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক
মাদরাসা মাঠে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহীতে পদ্মা
ব্যারেজ নির্মাণ করব। আমের জন্য হিমাগার করা হবে।
তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে শুরু
হওয়া খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। পরবর্তী সময় দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে গৃহীত
বিশাল সেচ প্রকল্পগুলো উত্তরবঙ্গের কৃষিকে সমৃদ্ধ করেছিল।’
তিনি আরো বলেন, ‘পদ্মা নদীকে কেন্দ্র করে যে বিশাল
সেচ প্রকল্পের নিজস্ব বাজেট ছিল প্রায় এক হাজার কোটি টাকা, গত ১৬ বছরে সেটি পরিকল্পিতভাবে
থামিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে আজ সেই প্রকল্প বন্ধপ্রায়। আমাদের লক্ষ্য হলো এই ঐতিহাসিক প্রকল্পটিকে
আবার পূর্ণ শক্তিতে সচল করা।’
বিএনপি চেয়ারম্যান উত্তরবঙ্গের কৃষকদের আশ্বস্ত করে
বলেন, ‘এই সেচ ব্যবস্থা শুধু রাজশাহীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এই প্রকল্পের সুবিধা
রাজশাহী থেকে শুরু করে সেই পঞ্চগড় পর্যন্ত কৃষকরা যেন পায়, সেই ব্যবস্থা আমরা করব।
উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, আর কৃষক হাসলে হাসবে
বাংলাদেশ। আমরা চাই উত্তরের প্রতিটি প্রান্তরে সেচের পানি পৌঁছে যাক, যাতে আমাদের মায়েরা
ও কৃষানিরা সমৃদ্ধির মুখ দেখতে পান।’
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের সব মহিলাকে ফ্যামিলি কার্ডের
পাশাপাশি সব কৃষকদের একটি কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে কৃষিঋণ, সার, বীজসহ সব
কৃষি উপকরণ পৌছে দেওয়া হবে। রাজশাহীতে বিশেষায়িত হাসপাতাল ভোকেশন্যাল ট্রেনিং ইন্সটিউট
প্রতিষ্ঠা করা হবে।
কৃষি নির্ভর যেসব ইন্ডাস্টি প্রতিষ্ঠা করা হবে, সেখানে
সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’ সমাবেশে মিজানুর রহমান মিনু, হারুন উর -রশীদ, অ্যাডভোকেট
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আবু সাইদ চাঁদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন,
১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান একই সামাজিক-রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপট থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট ২০২৪
সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। প্রকৃতপক্ষে,
এই দুটি গণআন্দোলনের পেছনের পরিস্থিতির মধ্যে খুব সামান্যই পার্থক্য রয়েছে।
আজ শুক্রবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে
জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে
‘নভেম্বর থেকে জুলাই : বিপ্লব থেকে বিপ্লবে’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন
তিনি।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন,
স্বাধীনতার পর একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতা-এই দুই ঘটনার
পটভূমি তৈরি করেছিল। স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা দুর্নীতি
ও লুটপাটে জড়িয়ে পড়েন। এর ফলেই ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়
এবং প্রায় একই পরিস্থিতি ২০২৪ সালেও পুনরাবৃত্তি ঘটে। ১৯৭৫ সালের পর থেকেই বাংলাদেশ
একটি কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে- যখন দেশ প্রতিষ্ঠানিক গঠন, সামরিক বাহিনীকে
শক্তিশালীকরণ এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার মতো কার্যক্রম শুরু করে, এসব বিষয়গুলো
আজও প্রাসঙ্গিক।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের
অবদানের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান কল্যাণমুখী রাজনীতির
সূচনা করেন এবং একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো গঠনে কাজ করেন। আজও দেশ তাঁর স্থাপিত
ভিত্তির ওপর পরিচালিত হচ্ছে, যা আমাদের রাজনৈতিক ও নীতিগত আলোচনায় প্রতিফলিত হয়।
এ সময় জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপট ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
সভাপতি রিফাত রশিদ। আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান
মজিবুর রহমান মঞ্জু, কবি ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার, ড. আবদুল লতিফ মাসুম এবং
লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সামরিক
বাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা চেয়ে বলেছেন, আগামী
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখরভাবে আয়োজন
করতে হবে।
আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) মিরপুর সেনানিবাসে ডিএসসিএসসি কমপ্লেক্সে সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) কোর্স ২০২৫-এর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এখন নির্বাচনের
সময়। আমরা প্রস্তুত, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের সামরিক
বাহিনী, পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা প্রয়োজন। এটি একটি বড় প্রয়াস। অভ্যুত্থান
থেকে নির্বাচনের পথে যাত্রা। এটি হবে শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর, আনন্দ ও মিলনের সময়। মানুষ
তাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে পারবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আগামী ১৯ ও ২০ নভেম্বর এর (রবিবার ও সোমবার) সব পরীক্ষা স্থগিত
করা হয়েছে।
১৮
নভেম্বর (শনিবার) দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিবার্য কারণে ওই দুদিনের সব
পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থগিত এসব পরীক্ষার সংশোধিত তারিখ
সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরে জানানো হবে। এ ছাড়া পূর্ব ঘোষিত অন্যান্য পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি
অপরিবর্তিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভবন অবকাঠামোতে শৃঙ্খলা আনতে নতুন করে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ করার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসাব সভাপতি নিয়াজ আলি চিশতি, বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন প্রমুখ।
নির্মাণে ত্রুটি ও বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে ভবনে আগুন লাগে জানিয়ে সালমান এফ রহমান বলেন, আগুন লাগার মূল কারণ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট। যে ইলেকট্রিক ক্যাবল ব্যবহার করা হয় তার মান ভালো না, এই ক্যাবলের মান যেন ভালো হয় সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। এছাড়া অনেকগুলো ভবনের অবকাঠামো ভালো না। রানা প্লাজায় যে ঘটনা ঘটেছিলো, ভবনটা ধসে পড়ে। তার অবকাঠামোর পরিকল্পনা পাস করা হয় নাই। সেখানেও আমরা ব্যবস্থা করছি।
বিএসটিআইকে আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, একটা প্রতিরোধমূলক অবকাঠামো করা প্রয়োজন। ঘটনা ঘটার আগে যেন আমরা তা প্রতিরোধ করতে পারি।
তিনি আরও বলেন, অগ্নি নির্বাপণের যন্ত্রপাতি আগে আমদানি করতে হতো। তবে ইসাব (ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) জানিয়েছে এখন ফায়ার বল ও ক্যাবল দেশে তৈরি করছে। কিছুটা আমরা এক্সপোর্টও করছি। দেশে এই ধরনের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। নতুন আইন করছি সেটা হলো বাংলাদেশ বিল্ডিং কোড। আইন অনুযায়ী রেগুলেটরি অথরেটি তৈরি হবে, সেটা এখনো হয় নাই। তবে তা তাড়াতাড়ি করার চেষ্টা করবো। এটা হয়ে গেলে প্রতিরোধমূলক কাজগুলো ওই রেগুলেটরি অথরিটির মাধ্যমে করবো।
ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপোর আয়োজন করছে ইসাব। প্রদর্শনীতে বিশ্বের ৩০টি দেশের শতাধিক বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে, যারা তাদের ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটির অত্যাধুনিক পণ্যগুলো প্রদর্শন করছে।
ইসাব সভাপতি নিয়াজ আলি চিশতি বলেন, দেশের অর্থনীতি যত বড় হচ্ছে অগ্নি ঝুঁকিসহ নিরাপত্তার বিষয়টি ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে অগ্নি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম অগ্নি ঝুঁকি কমাতে নিম্নমানের পণ্য ব্যবহার না করার আহ্বান জানান।
বিজিএমইএ এ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, অগ্নি নিরাপত্তার সরঞ্জামগুলো দেশেই উৎপাদন করা সম্ভব। এ জন্য এ খাতে উদ্যোক্তার নীতি সহায়তা দেওয়া যেতে পারে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশন গঠন হয়ে গেছে। এখন ধাপে ধাপে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাবে সরকার বলে মন্তব্য
করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান
আরিফ।
আজ
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বিআইসিসিতে এশিয়ান আন্তর্জাতিক
বাণিজ্যমেলার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টা
এ এফ হাসান আরিফ বলেন, নির্বাচন কমিশনে যারা এসেছেন সবাই অভিজ্ঞ। তারা ভালো একটি
নির্বাচন উপহার দিতে পারবেন বলে তিনি আশা করেন।
উপদেষ্টা
আরও বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে কাজ চলছে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যটকরা
এ দেশে সম্পূর্ণ নিরাপদ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বেসরকারি
উদ্যোগে মেলা আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রামের মেলার আমেজ এ
মেলায় পেলাম। এ ধরনের মেলায় বিদেশিরাও আসেন। তারা বাংলাদেশে সংস্কৃতি, ঐতিহ্য দেখতে
মেলায় আসেন। মেলাগুলো আমাদের দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরার একটা জায়গা। এ মেলা আমাদের পর্যটন
বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
গত
৭ নভেম্বর থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার আদলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের চীন মৈত্রী
সম্মেলন কেন্দ্রে চলছে ১৭ দিনব্যাপী এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা। মেলা শেষ হবে আগামী
২৩ নভেম্বর।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর রাজনৈতিক আবহ এখন যেন কেবলই এক অনুভূতিতে সিক্ত—সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা। গত কয়েকদিন ধরে কান্দিরপাড় থেকে বিভিন্ন মাদ্রাসা, দলীয় কার্যালয় থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষের ঘর—সব জায়গায় প্রতিফলিত হচ্ছে এক স্বতঃস্ফূর্ত প্রার্থনার ধ্বনি। আর এই নিরন্তর দোয়ার আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কুমিল্লা–৬ আসনের প্রভাবশালী নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, বরং ধর্মপ্রাণ এক মানুষ হিসেবে তার এই দোয়ার ধারাবাহিক প্রয়াস যেন কুমিল্লার বহু মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ছিল এই কর্মসূচির টানা ৬ষ্ঠ দিন। দুপুরের পর এতিম ও দুস্থ শিশুদের জন্য খাবার বিতরণ করা হয়। এরপর বিকেলে কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি কার্যালয়ের ভেতর জমকালো কোনো আয়োজন নয়—সরল কিন্তু গভীর এক ধর্মীয় পরিবেশ। ছোট্ট জায়গার ভেতরে মানুষের কণ্ঠে কোরআন তিলাওয়াত এবং পরে সম্মিলিত দোয়া—“হে আল্লাহ… আমাদের নেত্রীকে সুস্থতা দান করো…”
এই দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এসএ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ছুটি, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, জেলা যুবদলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রুমান হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য–সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, যুগ্ম-আহবায়ক সালমান সাইদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য–সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সাজ্জাদ হোসেন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমানসহ অঙ্গ–সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাজী ইয়াছিনের এই ধারাবাহিক দোয়ার আয়োজন কেবল রাজনৈতিক আনুগত্য প্রকাশ নয়—এটি একজন মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। হাজী ইয়াছিনের এই ব্যাকুলতা নিছক আনুষ্ঠানিক আহবান নয়—এটি হৃদয়ের তাগিদ থেকে উৎসারিত। তিনি নিজের ব্যক্তিগত সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে যেভাবে এতিম শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করছেন এবং প্রতিদিন দোয়া–কোরআনখানি আয়োজন করছেন—তা আমাদের সকলের কাছে অনুপ্রেরণামূলক।
এদিকে বিকালে নগরীর কান্দিরপাড় কেন্দ্রিয় জামে মসজিদে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ মসজিদে জেলা ছাত্রদল এবং দলীয় কার্যালয়ে জেলা ও মহানগর যুবদল দেশনেত্রী বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়ার আয়োজন করেন।
মন্তব্য করুন