

আজ
(২ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুরের বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সাফ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকলো
বাংলাদেশ। সাগরীকা দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন।
ম্যাচপূর্ববর্তী
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ সাইফুল বারী টিটু বলেছিলেন, ১ম ম্যাচে জয় নিশ্চিত
করে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকতে চান। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করেছেন মাঠে।
ম্যাচের
শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে নেপালের বিপক্ষে আধিপত্য
বিস্তার করে খেলে পুরোটা সময়। এই ম্যাচে সাগরীকা নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন।
ম্যাচের
৫ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। স্বপ্না রানির ফ্রি-কিক গোলরক্ষক ঝাপিয়ে রক্ষা
করেন। নেপালের গোলরক্ষক সুজাতাতামাংয়ের হাতে লেগে দিক বদলে বারে প্রতিহত হয়। ফিরতি
বলে মুনকি আক্তার বল জালে জড়াতে চেষ্টা করলেও তার শট ডিফেন্ডাররা আটকে দেন।
২
মিনিট বাদেই আবারও আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ। বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মুনকি আক্তার। তবে
নেপালের গোলরক্ষক এগিয়ে এসে তাকে থামান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে বল পান পূজা
দাস। তার মাটি কামড়ানো শট অল্পের জন্য পোষ্ট ঘেঁষে বেড়িয়ে গেলে এগিয়ে যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।
১৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া পূজার বা পায়ের
শট ক্রসবার ঘেষে বেড়িয়ে যায়।
৩৮
মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। গোলকিক থেকে বল পান স্বপ্ন রানী। তার হেডে বক্সের
কাছাকাছি ২ ডিফেন্ডারের মাঝে বল পান সাগরীকা।
২ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের উপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে জড়ান সাগরীকা।
ব্যবধান
২গুন করতে সময় নেয়নি বাংলাদেশ ৪২ মিনিটে মুনকি আক্তারের দর্শনীয় গোলে ২-০ গোলের লিড
নেয় বাংলাদেশ। বক্সের ভেতর বল ক্লিয়ার করতে এগিয়ে আসেন নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা। তবে
তার ক্লিয়ার করা বল পান ইতি খাতুন; ক্রস দেন মুনকি আক্তারকে। তিনি বুদ্বিদীপ্ত শটে
গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান। প্রথমার্ধে
ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো বাংলাদেশের। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
বক্সের ভেতর সাগরীকাকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল
করতে পারেননি আফঈদা খন্দকার। তার শট পোস্টে লাগে। তবে ফিরতি বলে শট নেন সাগরিকা। তবে
নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা গ্লাভস বন্দী করেন। শেষ পর্যন্ত ২ গোলের লিড নিয়েই বিরতীতে
যেতে হয় সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যদের।
দ্বিতীয়ার্ধে
আক্রমণের ধার বাড়ায় ২ দলই। ৫২ মিনিটেই এক গোল শোধ করে ম্যাচে ঘুড়ে দাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়
নেপাল। সুকরিয়া মিয়ার গোলে ব্যবধান কমায় নেপাল। তবে লিড বাড়িয়ে নিতে খুব বেশি সময় নেয়নি
বাংলাদেশ। ৫৬ মিনিটে সাগরিকার গোলে ব্যবধান ৩-১ করে সাইফুর বারী টিটুর শিষ্যরা।
পরের
ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আজ বলেছেন, ধারাবাহিক সংস্কারের
মধ্য দিয়ে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ নির্বাচন
কমিশন (ইসি) তার লক্ষ্য অর্জনে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ
বুধবার ( ০৭ জানুয়ারি ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও এফেয়ার্স ব্যুরো কনফারেন্স হলে ২৭টি
সিভিল সোসাইটি সংগঠন নিয়ে গঠিত প্ল্যাটফর্ম অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি
(এএফইডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচনের জন্য নাগরিক
পর্যবেক্ষণ : জাতীয় নির্বাচন, ২০২৬’ প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ২০২৬-এর নির্বাচনটাকে যদি একটি উপমা দিয়ে
বুঝাতে চাই তাহলে বলা যায়, এটা অনেকটা ট্রেনকে লাইনে ফেরত এনে আবার চালানো শুরু করার
মতন। নূন্যতম সংস্কার করে এটাকে একটা গতি দেয়ার কাজটা যদি আমরা করতে পারি, তাহলেই আমাদের
প্রথম ধাপ অর্জিত হবে। তারপরে যত নির্বাচন আসবে তখন আমাদের এই প্রক্রিয়া আরো উন্নত
হবে। কারণ আমাদের সবার প্রত্যাশা অনেক এবং সবই যৌক্তিক প্রত্যাশা। আর জনগণের সেই প্রত্যাশা
পূরনেই কমিশন কাজ করে যাচ্ছে, কেননা এটা কমিশনের অঙ্গীকার।
ইসি
সানাউল্লাহ বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমাদের একটা বিরাট শূন্যস্থান তৈরি হয়ে
গিয়েছে। তবে এই বাস্তবতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সব ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যাশার
সঙ্গে যৌক্তিকতার একটা সমন্বয় ঘটাতে হবে। আমাদের সবসময় এটা লক্ষ্য থাকে যে কিভাবে নির্বাচন
প্রক্রিয়াকে আরো উন্নত করা যায়। এবারের নির্বাচনে এসে নতুন করে অনেকগুলো বিধান সংযোজিত
হয়েছে, আইনি সংস্কার হয়েছে, বিধির সংস্কার হয়েছে। সংস্কারের মাধ্যমে সঠিক একটা নির্বাচন
ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্যেই কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। এই নির্বাচন ব্যবস্থাতে নতুনভাবে
যেসকল বিষয়গুলো প্রথমবারের মতন এবার সংযোজিত হয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে সঞ্চালনা করা গেলে
এবারের নির্বাচনটা ভবিষ্যতে একটা রোল মডেল হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা
থাকবে এবং এটাই স্বাভাবিক। কিšুত্ম তা যেন একটা নির্দিষ্ট সহনশীল পর্যায়ে থাকে সেদিকে
লক্ষ্য রাখতে হবে। এটা বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, খুব স্বাভাবিকভাবেই কিছু সামান্য ত্রুটি
হয়তো থেকে যাবে, তবে সেটাকে ধারাবাহিকভাবে সংস্কার করে এই নির্বাচন থেকে শুরু করে সামনের
বা এর পরেরগুলোকে সম্পূর্ণ নির্ভুল করে ভবিষ্যতের জন্য একটা খুব সুন্দর গ্রাউন্ড তৈরি
করতে হবে। যাতে করে বিচ্যুতির জায়গাগুলো কমিয়ে ফেলতে পারি এবং স্বচ্ছতর জায়গাগুলোকে
যেন আমরা সম্প্রসারিত করতে পারি।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
আপনারা বস্তুনিষ্ঠভাবে আপনাদের দায়িত্ব সম্পাদন করবেন, কারণ আপনারা সুষ্ঠু, সুন্দর
নির্বাচন আয়োজনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ইলেকশন কমিশনের কোথায় ভুল হচ্ছে,
কী কী সীমাবদ্ধতা আছে- সেগুলো কিন্তু আপনারাই কমিশনকে দেখিয়ে সংশোধন করে আরও উন্নতি
করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। কমিশন চায় যে অত্যন্ত মৌলিক বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে যেন কোনখানে
কোন ব্যত্যয় না হয়। নির্বাচনের নীতিমালার ভেতরে থেকে যে কাজগুলো আপনাদের করার কথা সেটা
করার জন্যব সব ধরনের সহায়তা নির্বাচন কমিশন থেকে আপনাদেরকে দেওয়া হবে। বক্তব্যে শেষে
তিনি ‘সিটিজেন অবজারভেশন ফর ইনক্লুসিভ এন্ড একাউন্টেবল ইলেকশন ইন বাংলাদেশ : ২০২৬ ন্যাশনাল
ইলেকশন’ প্রজেক্টের উদ্বোধন করেন। এলায়েন্স ফর দি ফেয়ার ইলেকশন
এন্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত আজকের অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে
ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন। সার্বিক সহায়তায় ছিল ইউরোপীয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি)।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন- এএফইডি’র কো-চেয়ার রফিকুল ইসলাম খোকন ও এডভোকেট
রোখসানা খোন্দকার, এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো মহাপরিচালক মো. দাউদ মিয়া, ফার্স্ট সেক্রেটারি
সেবাস্তিয়ান রিগার-ব্রাউন, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স
ডিয়েপাক এলমার, ইউরোপীয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির (ইপিডি) প্রকল্প পরিচালক আনাস্তাসিয়া
এস উইবাওয়া, ডেমোক্রেসিওয়াচ চেয়ারপারসন এবং এএফইডি’র বোর্ড সদস্য তালেয়া রেহমান ও এএফইডির
সদস্য সচিব মো. হারুন-অর-রশিদসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


ঢাকায় গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালু হয়েছে ‘হেল্প’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপে দেওয়া নারীর প্রতি যেকোনো সহিংসতা ওই ঘটনার প্রাথমিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।
আজ শনিবার (১৫ মার্চ) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, এই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর গণপরিবহনে কোনো নারী সহিংসতার শিকার হলে তাৎক্ষণিক সহায়তা চাইতে পারবেন, জরুরি সেবা নিতে পারবেন এবং ঘটনাটি রিপোর্ট করতে পারবেন।
প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পটি রাজধানীর বছিলা থেকে সায়েদাবাদ সড়কে বাস্তবায়ন করা হবে। মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত চলাচলকারী বাসে কিউআর কোড স্থাপন ও এই অঞ্চলে অবস্থানরত স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় সহিংসতার শিকার নারীরা এই সেবা নিতে পারবেন।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের দ্য ডেইলি স্টার ভবনের হলরুমে অ্যাপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি বলেন, ‘হেল্প’ অ্যাপে দাখিলকৃত নারীর প্রতি যেকোনো সহিংসতা এখন থেকে ওই ঘটনার প্রাথমিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে। নারী ও শিশুদের ওপর যেকোনো ধরনের সহিংসতা পীড়াদায়ক। অনেক ক্ষেত্রেই এসব ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানাতেও দ্বিধা বোধ করেন। তা ছাড়া তাদের অভিভাবকরাও নানা কারণে ঘটনাগুলো গোপন রাখেন’
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘গৃহকর্মীরা আমাদের সমাজে সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত। অনেক সময় তারাও শ্লীলতাহানির শিকার হন। সুনাগরিক হিসেবে গৃহকর্মীদের থাকার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।’
ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি রেজোয়ানুল হকের সভাপতিত্বে এই অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। এ ছাড়াও আর অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো.
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে দেশে নিরাপত্তায় নিয়ে
কোনো ঝুঁকি নেই।
আজ
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক
রহমানকে প্রয়োজনে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়া হবে জানিয়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন,
‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবার নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।
স্পেশালি
যাদের জন্য দরকার, তাদের জন্য স্পেশাল নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। সবার স্ট্যাটাস অনুযায়ী
দেওয়া হয়।’বাংলাদেশে কারো কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


ভোলায় ৪টি অস্ত্র ও ২ রাউন্ড তাজা গুলিসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রুপ বেলায়েত বাহিনীর প্রধান বেলায়েতসহ ৪ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।
সোমবার (৪ নভেম্বর) ভোরে সদরের বাপ্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় তাদের।
আটক বাকি ৩ জন হলো বেলায়েত বাহিনীর সদস্য মো. কামাল (৫২), শেখ ফরিদ (৩৭) এবং মো. আল আমিন (২১)।
কোস্টগার্ড জানিয়েছে, বেলায়েত বাহিনী চাঁদাবাজি, জমি দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছিল।
কোস্টগার্ড জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে সন্ত্রাস দমনে কাজ করছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন অধীনস্থ বিসিজি বেইস ভোলা কর্তৃক কোস্টগার্ড ও পুলিশ ভোলা জেলার সদর উপজেলাধীন বাপ্তা ইউনিয়নে যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানে ২টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ২টি গুলি ও ৪টি দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়।
আটককৃত মো. বেলায়েত হোসেনের নামে হত্যা এবং চাঁদাবাজীসহ একাধিক মামলা রয়েছে। জব্দকৃত অস্ত্র ও গুলিসহ আটককৃত ৪ জনকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
বলেছেন, জুলাই বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা
প্রদানে বদ্ধ পরিকর রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত
আজ সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে প্রধান বিচারপতি একথা
উল্লেখ করেন।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা
মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সোমবার সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত
স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিস্তিয়াগা ওচোয়া ডি চিনচেত্রুও সৌজন্য সাক্ষাত
করেন। পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তারা বাংলাদেশ ও স্পেনের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি
নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া স্পেনের রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
নিশ্চিতকরণে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ
ব্যক্ত করেন যে আগামী দিনগুলোতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের
বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশে একটি
শক্তিশালী বিচার বিভাগ গঠনে স্পেন বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলে
প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত। এছাড়া বাংলাদেশের বিচার বিভাগের
আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত।'
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, 'আজকের এই
সাক্ষাতকালে প্রধান বিচারপতি স্পেনের রাষ্ট্রদূতকে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার
অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বিচার বিভাগের আধুনিকায়ন ও বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে
উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ হতে পূর্ণ
সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। প্রধান বিচারপতি বিশেষ করে উল্লেখ করেন যে ছাত্র-জনতার
স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সংঘটিত জুলাই বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের
সর্বোচ্চ সুরক্ষা প্রদানে বদ্ধ পরিকর রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
মন্তব্য করুন


প্রায় দেড়শ
বছরের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী সৌদি আরবের সবচেয়ে প্রবীণ নাগরিক শেখ নাসের বিন রাদ্দান
আল রশিদ আল ওয়াদাইয়ের ইন্তেকাল করেছেন।
পরিবারের দাবি
অনুযায়ী, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৪২ বছর। গত ১১ জানুয়ারি সৌদি আরবের দাহরান
আল এলাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পরিবারের তথ্যমতে,
আধুনিক সৌদি আরব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও বহু আগে ঊনবিংশ শতকে আল রশিদের জন্ম
হয়েছিল। তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মরুপ্রধান সমাজ থেকে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক
সৌদি আরবের রূপান্তর এবং একাধিক সৌদি শাসকের শাসনকাল প্রত্যক্ষ করেছেন।
পরিচিতজনদের
ভাষ্যে, তাঁর দীর্ঘ জীবনের মূল ভিত্তি ছিল দৃঢ় ধর্মবিশ্বাস ও পরিবার। জীবদ্দশায় তিনি
৪০ বারেরও বেশি পবিত্র হজ পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি ১৩৪ জন সন্তান, নাতি-নাতনি ও
তাঁদের বংশধর রেখে গেছেন। তিনি সাত বিয়ে করেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১১০ বছর বয়সে তিনি
শেষবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস 'সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৫' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
আজ রোববার
(২০ জুলাই)) সেনা সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন
তিনি।
প্রথম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাগণ পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।
পদোন্নতি পর্ষদের বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা শুরুতেই স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনানীদের, যাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। এছাড়াও, তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে সকল আহত ও শহীদ সেনা সদস্যদের। একই সাথে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যূত্থানে শহীদ ও আহত সকল ছাত্র জনতাকে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস পদোন্নতির জন্য অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া সৎ, নীতিবান, পেশাদার এবং নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন অফিসারগণই উচ্চতর পদোন্নতির দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে যে সকল অফিসার সামরিক জীবনের বিভিন্ন স্তরে যোগ্য নেতৃত্ব প্রদানে সফল হয়েছেন সে সকল অফিসারকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচন করার নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা।
ড.
ইউনূস বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে সেনা সদস্যগণ বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব বেশ কিছু সময় ধরে পালন করে আসছেন। দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ত্যাগের জন্য তিনি সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি এবং চীফ অব জেনারেল স্টাফ।
নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনা প্রধান অধ্যাপক
ড. ইউনূসের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
এসময়
সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাগণের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
মন্তব্য করুন


বিশ্ববাসীর উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা পৃথিবীর জন্য আশার এক বাতিঘর
হিসেবে দাঁড়াতে চাই এবং আমাদের বন্ধু ও অংশীদারদের আহ্বান জানাই অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক
চুক্তি পুনর্লিখনের জন্য, পাশাপাশি সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের
ভূমিকা অন্বেষণ করতে, যা প্রান্তিক জনগণের জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিতে
সহায়ক।
আজ মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাতারের দোহায়
আর্থনা শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ এখন এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে, যেখানে একটি নতুন সামাজিক চুক্তি
করার সুযোগ এসেছে। এটি এমন এক চুক্তি, যেখানে রাষ্ট্র ও জনগণ, বিশেষ করে যুবসমাজ, অন্তর্ভুক্তিমূলক
ব্যবস্থা, ঐতিহ্য, ন্যায়বিচার, মর্যাদা এবং সুযোগের ভিত্তিতে একটি ভবিষ্যৎ একত্রে গড়ে
তুলবে।
তিনি বলেন, এটি এমন এক সামাজিক চুক্তি,
যেখানে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও প্রান্তিক জনগণের ক্ষমতায়ন মৌলিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত
হবে।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে একটি
সহনশীল, সমৃদ্ধ এবং টেকসই ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তবে এখন
এমন নানা হুমকি রয়েছে, যা আমাদের উন্নয়নকে বিপথে ঠেলে দিতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা এমন এক সময় পার করছি,
যেখানে বহুপাক্ষিকতা হুমকির মুখে, জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুততর হচ্ছে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা
বাড়ছে এবং মানবিক সংকট গভীরতর হচ্ছে। নতুন নতুন নীতিমালা, প্রযুক্তি এবং শাসন পদ্ধতি
আমাদের পৃথিবীকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে, যা অতীতের অনেক অনুমানকে অচল করে দিচ্ছে।
এমন প্রেক্ষাপটে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর
জোর দিয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এখন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার পুনরুজ্জীবনের
প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আসুন আমরা সাহসী হই। একটি এমন পৃথিবী গড়ি, যেখানে কেউ এতটা দরিদ্র না হয়
যে, সে স্বপ্ন দেখতে না পারে এবং কোনো স্বপ্ন এত বড় না হয় যে, তা অর্জন করা যায় না।
ভবিষ্যৎ এমন কিছু নয়, যা আমরা উত্তরাধিকার হিসেবে পাই। এটি এমন কিছু যা আমরা তৈরি করি।
এবং আমাদের প্রত্যেকেরই এতে একটি করে ভূমিকা রয়েছে। সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে,
তা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের উদ্ভাবন,
সহমর্মিতা এবং সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের সক্ষমতাও ব্যাপক।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, কাতার
যেভাবে আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের উদ্যোগ নিয়েছে, তা দেখাচ্ছে কীভাবে একটি দেশ উদ্ভাবন,
ঐতিহ্য ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট, সামাজিক বৈষম্য এবং কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ
মোকাবিলা করতে পারে।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর মূল
বক্তব্যে সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের মাধ্যমে প্রান্তিক
জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি কাতার ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন
শেখ মোজা বিনতে নাসের এবং ভাইস চেয়ারপারসন ও সিইও শেখ হিন্দ বিনতে হামাদ আল থানিকে
সময়োপযোগী ও চমৎকার এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য করুন


ফেসবুক পোস্টে
তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘মাত্র ৭ ঘণ্টায় আপনারা ১২ লাখ টাকারও বেশি পাঠিয়েছেন। এতটা অভূতপূর্বভাবে
আপনারা পাশে দাঁড়াবেন, তা সত্যিই আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল। আপনাদের প্রতি আন্তরিক
কৃতজ্ঞতা।’
জনগণের কাছে
নির্বাচনের তহবিল চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ
সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। এজন্য
নিজের বিকাশ পার্সোনাল নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রকাশ করেছেন।
তাসনিম জারা
আরও জানান, তার মোট লক্ষ্যমাত্রা ৪৬,৯৩,৫৮০ টাকা। আর ৩৪ লাখ টাকা সংগ্রহ সম্পন্ন হলেই
ফান্ডরেইজিং বন্ধ করে দেবেন তিনি।
এর আগে আরেক
পোস্টে তিনি জানান, বিকাশ একদিনে সর্বোচ্চ লেনদেনের সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। ফলে এই
মাধ্যমে এদিনের জন্য আর লেনদেন করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্য মাধ্যমগুলোতে টাকা পাঠানোর
অনুরোধ করেন তিনি।
অনুদান চেয়ে
দেওয়া পোস্টের ৪ ঘণ্টা পর তিনি জানান ৫ লাখ ২৬ হাজার টাকা পেয়েছিলেন তিনি।
জারা বলেন,
আমি এ অসততা ও মিথ্যার রাজনীতি করবো না। আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে, আইনে অনুমোদিত টাকার
বাইরে আমি এক টাকাও খরচ করবো না। অনেকে বলেছেন, এত অল্প বাজেটে নির্বাচন করা অসম্ভব।
আমি তাদের বলেছি, নতুন বাংলাদেশ গড়তে অন্য উপায় নেই।
জারা লিখেন,
নির্বাচনের খরচ যখন ১০ কোটি বা ২০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় তখন সেই টাকা তোলার জন্য
নির্বাচিত হওয়ার পর চাঁদাবাজি আর টেন্ডারবাজি করাটা তাদের জন্য ‘বাধ্যতামূলক’ হয়ে
দাঁড়ায়। এভাবেই রাজনীতিটা সাধারণ মানুষের হাত থেকে ছিনতাই হয়ে মুষ্টিমেয় কিছু সিন্ডিকেটের
হাতে চলে যায়।
এ সংসদ সদস্য
প্রার্থী আরও লিখেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী এ নির্বাচনে আমি মোট ৪৬ লাখ ৯৩
হাজার ৫৮০ টাকা ব্যয় করতে পারবো। আমি এ টাকাটা আপনাদের কাছ থেকে চাই।
এনসিপির এ নেত্রী
লিখেন, আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিকাশ নম্বর দিচ্ছি। এগুলো একদম নতুন অ্যাকাউন্ট।
কত টাকা আসছে আর কত খরচ হচ্ছে, প্রতিটি টাকার হিসাব আমি স্বচ্ছভাবে আপনাদের সামনে প্রকাশ
করবো, প্রমাণসহ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক আজ ৫ জানুয়ারি সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মনিত আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সংগঠনের মগবাজারস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংগঠনের নায়েবে আমীরগণ, সেক্রেটারি জেনারেল এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলগণসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে অভিমত প্রকাশ করা হয় যে, দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি। প্রশাসনের মধ্যে কিছু কিছু সরকারি কর্মকর্তা একটি বিশেষ দলের পক্ষে কাজ করছে বলে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযোগ আসছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এখনো প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। দেড় হাজার শহীদ, ত্রিশ হাজারের অধিক আহত ও পঙ্গুত্ববরণের মধ্য দিয়ে অর্জিত আমাদের এই প্রিয় নতুন বাংলাদেশকে কোনো ধরনের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বা কোনো গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হতে দেয়া যাবে না।
নির্বাচন কমিশন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে এবং বিশেষ কোনো দলের দিকে ঝুঁকে না পড়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়।
অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের নিরপেক্ষতা শতভাগ নিশ্চিত করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নিকট জোর দাবি জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন