

নাটোরের সিংড়ায় পচা-বাসি মাংস বিক্রির দায়েভ্রা ম্যমাণ আদালত মো. মারফত আলী নামে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। একই সঙ্গে জব্দ করা হয় ৮০ কেজি পচা মাংস।
২১ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে সিংড়া বাজারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা খাতুন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ওই মাংস ব্যবসায়ীকে এ জরিমানা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিংড়া পৌরসভার মেয়র মো. জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কে এম ইফতেখারুল ইসলাম ও সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মাংস ব্যবসায়ী মো. মারফত আলী সিংড়া পৌরসভার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা।
তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে মায়ের দোয়া গোশতের দোকান নামে।
সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা খাতুন বলেন, সিংড়া বাজারের মুরগি হাটি এলাকায় পচা-বাসি গরুর মাংস বিক্রির খবর পাওয়ায় সিংড়া পৌরসভার মেয়র মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ও ভেটেরিনারি সার্জনসহ ঘটনাস্থলে যান।
পরে পচা-বাসি মাংস বিক্রির কথা স্বীকার করেন ব্যবসায়ী মারফত আলী। এসময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫২ ধারায় তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয় জব্দকৃত ৮০ কেজি পচা মাংস।
মন্তব্য করুন


সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা
শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব 'শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা'
উদযাপন করছে।
গতকাল (১৭ অক্টোবর ২০২৪) পার্বত্য চট্টগ্রামের
বান্দরবান জেলার সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহার, মংসুইপ্রুপাড়া বৌদ্ধ বিহার, সেন বৌদ্ধ
বিহার, আমতলী বৌদ্ধ বিহার; খাগড়াছড়ি জেলার শালবন বৌদ্ধ বিহার, বোয়ালখালী ও
দীঘিনালা উপজেলায় এবং রাঙ্গামাটি জেলার শৌধর্ম বৌদ্ধ বিহার, রেস বাজার ও
রাঙ্গামাটি সদরে উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবটি পালিত হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম ও
কক্সবাজার জেলার ১১ টি উপজেলায় বৌদ্ধ ও রাখাইন সম্প্রদায়ের জনগণ ২৯১ টি বৌদ্ধ
বিহারে শান্তিপূর্ণভাবে প্রবারণা উৎসব পালন করে। পাশাপাশি রামু উপজেলার বাকখালী
নদীর তীরে 'কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব' সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও বরিশাল জেলার
১৪ টি বিহারে শান্তিপূর্ণভাবে প্রবারণা উৎসব পালিত হয়।
আজ (১৮ অক্টোবর ২০২৪) কক্সবাজার সদর উপজেলায় আরেকটি 'কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব' আয়োজন করা হয়েছে এবং চট্টগ্রাম ইপিজেড-এর সিমেন্সের মাঠে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা একটি সমাবেশের আয়োজন করেছে। উক্ত সমাবেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। 'শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা' উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সহযোগিতার জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


চলমান বন্যায় দেশে ১১ জেলায়িই হয়েছে। এ ছাড়াও ৫৬ লাখ ৩৭৫ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে
চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা ফারুক ই আজম এ তথ্য জানান।
ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, এখন
পর্যন্ত বন্যা আক্রান্ত জেলার সংখ্যা ১১টিই আছে। ১১ জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা
৫৬ লাখ ১৯ হাজার ৩৭৫ জন। পানিবন্দি পরিবার ১২ লাখ ৭ হাজার ৪২৯টি। এখন পর্যন্ত বন্যায়
মোট ২৭ জন মারা গেছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় ১০ জন, ফেনীতে একজন, চট্টগ্রামে ৫ জন, খাগড়াছড়িতে
একজন, নোয়াখালীতে ৫ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া একজন, লক্ষ্মীপুরে একজন এবং কক্সবাজারে তিনজন
মারা গেছেন।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই শহীদ হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি
আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর ) বিকেলে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে
এ কথা জানান।
এ
সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, হাদি হত্যা মামলা চলাকালীন এ যাবত ১১ জনকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো— ঘটনার মূল হোতা ফয়সাল করিম মাসুদের
বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ
শিপু, গার্লফ্রেন্ড মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল,
সিবিয়ন দিও, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম রাজু ও মো. আব্দুল হান্নান।
তিনি
আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৬ জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে
এবং ৪ জন সাক্ষীও ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য প্রদান করেছে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জব্দকৃত উল্লেখযোগ্য আলামতসমূহ হলো— হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুইটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড
গুলি, ম্যাগাজিন ও ছোরা, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ভুয়া নম্বর প্লেট, ঘটনাস্থল
থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত গুলির খোসা, বুলেট, ভিডিওচিত্র সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য
আলামত এবং প্রায় ৫৩টি একাউন্টের মোট ২১৮ কোটি
টাকার স্বাক্ষরিত চেক।
তিনি
আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত রয়েছে— তা উদঘাটনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর সদস্যদের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মো.
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য, সাক্ষীদের জবানবন্দি
ও উদ্ধারকৃত আলামত পর্যালোচনা ও সার্বিক বিবেচনায় মামলাটির তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
আগামী
১০ দিনের মধ্যে (৭ জানুয়ারি ২০২৬) এ মামলার চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা
প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


চুয়াডাঙ্গায় শুভ ‘বড়দিন’ ও ‘থার্টি ফাস্ট নাইট’ উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গান-বাজনা কিংবা ডিজে পার্টি ,আতশবাজি ফোটানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. কিসিঞ্জার চাকমা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কবির হোসেন, চুয়াডাঙ্গা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা: মার্টিন হীরক চৌধুরী, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার ডিডি ইয়াসিন সোহাইল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদাত হোসেন। এছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক থার্টি ফাস্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে, বাড়ির ছাদে গান-বাজনা কিংবা ডিজে পার্টি, ফানুস ও আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। প্রতিবছরই থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষকে স্মরণীয় রঙ্গিন করতে এবং বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রচুর পরিমাণে ফানুস উড়ানো হয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফানুস উড়ানোর জন্য আগুন ধরে বাসস্থানসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফানুস উড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কেউ যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই ২টি বড় উৎসবকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে একাধিক টিম কাজ করবে। উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য চুয়াডাঙ্গাবাসীর সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, ফ্রি ও ফেয়ার।
নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। তবে কেউ সহিংসতা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির
চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে,
এবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এবার যে পরিমাণ
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে, অতীতে কোনো নির্বাচনে তার নজির নেই।
ভোটকেন্দ্রে
সিসিটিভি, ড্রোন নজরদারির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি
ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা
হয়েছে।
যেসব
ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, এবার বিশেষ ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভোট প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ
রাখা হয়েছে। আমাদের জ্যেষ্ঠ সচিব প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
ভোটারদের
নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টিকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য প্রশাসন
ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বোরকা
পরিহিত ভোটারদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে পরিষ্কার
নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী আনসার সদস্য থাকবেন এবং প্রয়োজন হলে তারাই
বিষয়টি দেখভাল করবেন।
সভায়
সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


প্রায় দেড়শ
বছরের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী সৌদি আরবের সবচেয়ে প্রবীণ নাগরিক শেখ নাসের বিন রাদ্দান
আল রশিদ আল ওয়াদাইয়ের ইন্তেকাল করেছেন।
পরিবারের দাবি
অনুযায়ী, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৪২ বছর। গত ১১ জানুয়ারি সৌদি আরবের দাহরান
আল এলাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পরিবারের তথ্যমতে,
আধুনিক সৌদি আরব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠারও বহু আগে ঊনবিংশ শতকে আল রশিদের জন্ম
হয়েছিল। তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মরুপ্রধান সমাজ থেকে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক
সৌদি আরবের রূপান্তর এবং একাধিক সৌদি শাসকের শাসনকাল প্রত্যক্ষ করেছেন।
পরিচিতজনদের
ভাষ্যে, তাঁর দীর্ঘ জীবনের মূল ভিত্তি ছিল দৃঢ় ধর্মবিশ্বাস ও পরিবার। জীবদ্দশায় তিনি
৪০ বারেরও বেশি পবিত্র হজ পালন করেন। মৃত্যুকালে তিনি ১৩৪ জন সন্তান, নাতি-নাতনি ও
তাঁদের বংশধর রেখে গেছেন। তিনি সাত বিয়ে করেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১১০ বছর বয়সে তিনি
শেষবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরে সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল
হকের বাড়িতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে
বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী।
আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন। এর আগে তিনি
ওই ঘটনায় গুরুতর আহত কয়েকজনকে দেখতে ঢামেকের জরুরি বিভাগে আসেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের কোনো ছাড় নয়। এটার ক্ষেত্রে
আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা তো নিচ্ছিই, যারা জড়িত তাদের সর্বোচ্চ বিচারের আওতায় আনা হবে।
তাদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় এ ব্যবস্থা করা হবে। এর আগে হাসপাতাল ঘুরে আহত ছাত্রদের খোঁজখবর নেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আইজিপি বাহারুল আলম ও ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত
আলী।
তারা সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢামেকের
অর্থোপেডিক বিভাগ ও বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের ৬ষ্ঠ তলার ৬১৭ নং ওয়ার্ডে
আহতদের দেখতে যান এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে পৌনে ১১টার দিকে তারা হাসপাতাল ত্যাগ
করেন।
হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত ১০ জনকে ঢাকা
মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- শুভ
শাহরিয়া (১৬), ইয়াকুব (২৪), সৌরভ (২২), কাশেম (১৭), হাসান (২২), রৌহান আহমেদ (২২),
ওমর হামজা (২২), ছাব্বির খান মিলন (২২) নাঈম (২১) ও ইয়াকিব (২৩)।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা-১৭ আসন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামসহ স্থানীয় বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বৈঠকে নির্বাচনী প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় তারেক রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনা দেন এবং আসন্ন নির্বাচনে দলীয় ঐক্য বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপিকে আরও সংগঠিত ও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর শেষে আজ
(২৫ অক্টোবর ২০২৪) দেশে প্রত্যাবর্তন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সফরকালে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তিরক্ষা মিশনের সাথে সংশ্লিষ্ট
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাপ্রধানসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক
কর্মকর্তা, এবং কানাডার উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিবর্গের সাথে
সাক্ষাৎ করেন।
গত ১৭ অক্টোবর ২০২৪ সেনাবাহিনী প্রধান
নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনস বিভাগের
আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল Mr. Jean Pierre Lacroix, ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্ট
বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল Mr. Atul Khare, জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত
হাইকমিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল Ms. Ilze Brands Kehris, আন্ডার সেক্রেটারি
জেনারেল, ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্যাল ও পিস বিল্ডিং অ্যাফেয়ার্স এর পক্ষে মধ্যপ্রাচ্য,
এশিয়া এবং প্যাসিফিক বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল Mohammed Khaled
Khiari এবং ডাইরেক্টর অব অফিস ফর পিস কিপিং স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপ General Jai
Menon এর প্রত্যেকের সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। সেনাপ্রধানের সাথে সাক্ষাৎকালে
তাঁরা বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের
ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সকল বৈঠকে সেনাপ্রধান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের
অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণী/ফোর্স কমান্ড পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব
বাড়াতে গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, সেনাবাহিনী প্রধান RAB ফোর্সেসে প্রেষণে নিয়োজিত
থাকাকালীন সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদেরকে
শান্তিরক্ষা মিশনে নির্বাচিত না করার বিষয় সকলকে অবহিত করেন। এছাড়াও, তিনি বাংলাদেশের
চলমান পরিস্থিতিতে অন্তবর্তীকালীন সরকারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর
চলমান কর্মকান্ডের উপর আলোকপাত করেন। সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সরকার এবং সেনাবাহিনীর
পার্বত্য চট্টগ্রামে আর্থ-সামাজিক ও শান্তি শৃংখলার উন্নয়নে গৃহীত নানামুখি ইতিবাচক
দিক তুলে ধরেন। তিনি বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী কন্টিনজেন্টসমূহ
কর্তৃক স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনার বিষয়ও
তাদের অবগত করেন। মিশনে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের মধ্যে শান্তিরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ
বিনিময়, আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ মিশন সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়াদি গুরুত্বের সাথে
আলোচিত হয়। সেনাবাহিনী প্রধান জাতিসংঘের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিশ্ব শান্তিরক্ষায়
বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের জোরালো ভূমিকা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, সেনাপ্রধান
নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন পরিদর্শন করেন এবং স্থায়ী প্রতিনিধির সাথে
সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
গত ২২ অক্টোবর ২০২৪ সেনাপ্রধান ওয়াশিংটন
ডিসির পেন্টাগনে যুক্তরাষ্ট্রের চীফ অব স্টাফ অব দি আর্মি General Randy A. George
এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা দুই দেশের সেনাবাহিনীর
স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন, প্রশিক্ষণ সহায়তা, দ্বি-পাক্ষিক
সম্পর্কোন্নয়ন ও পারস্পরিক আস্থা সৃষ্টি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা,
দুর্যোগ পরবর্তী মানবিক সহায়তা, যৌথ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়াদি আলোচনা করেন। এ সময়
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাপ্রধানের বৈদেশিক নীতি বিষয়ক উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, সেনাবাহিনী
প্রধান যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব ডিফেন্স অফিসের ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা বিষয়ক
সহকারী সামরিক সচিব Dr. Ely Ratner এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময়ে ইন্দো-প্যাসিফিক
দেশসমূহ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা
বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের
বিশেষ সহকারী এবং দক্ষিণ এশিয়া সংক্রান্ত জ্যেষ্ঠ পরিচালক Ms Lindsey W. Ford সহ জাতীয়
নিরাপত্তা পরিষদের দক্ষিণ এশিয়া সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণও
উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের সহকারী সচিব Mr.
Donald Lu এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে সেনাপ্রধান দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা
পরিস্থিতি, এবং সরকারের সমর্থনে সেনাবাহিনীর বিবিধ কার্যকলাপ সম্পর্কে অবহিত করেন।
উক্ত বৈঠকে স্টেট ডিপার্টমেন্টের অন্যান্য
উর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
কানাডা সফরকালে সেনাপ্রধান ভাইস চিফ
অব কানাডিয়ান ডিফেন্স স্টাফ Lieutenant General Stephen R Kelsey এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করেন। সাক্ষাৎকালে তিনি বাংলাদেশী শিক্ষার্থী, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর
সদস্যদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সহজতর করার জন্য কথা বলেন। তিনি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে
সহযোগিতা জোরদার করা বিশেষ করে সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষনার্থী
বিনিময়ের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও, কানাডিয়ান পার্লামেন্টের নাগরিকত্ব ও ইমিগ্রেশন
বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য মাননীয় সংসদ Salma Zahid সেনাপ্রধানের সাথে সাক্ষাৎ
করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কথা
বলেন। সেনাপ্রধান বিশেষ করে ছাত্রদের এবং কর্মরত/অবসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারগণের ভিসা
প্রক্রিয়া সহজতর করা, শিক্ষা বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে MOU স্বাক্ষর,
কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ পরিচর্যাকারী পাঠানোর মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতার বিষয়ে
গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও, বাংলাদেশে মনোনীত কানাডার হাইকমিশনার HE Ajit Singh এবং
কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাহিদা সোবহান সেনাপ্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
উল্লেখ্য,
সেনাবাহিনী প্রধান গত ১৫ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা গমন
করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


কৃষি
ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, ভারত-পাকিস্তান
যুদ্ধ ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। এখানে কোন ধরনের
সমস্যা নেই। কৃষকরা ভালোভাবে ধান কাটতে পারবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে বিরল উপজেলার মোকলেছপুর ইউনিয়নের ঢেলপীর ব্লকে বোরো ব্রি
ধান-৮৮ কাটার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
কৃষি
উপদেষ্টা বলেন, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। যখন আমাদের সাড়ে ৭ কোটি
মানুষ ছিল; সেই সময়ে কৃষিজমির সংখ্যা বেশি ছিল। কিন্তু এখন লোকসংখ্যা ১৮ কোটি, ফলে
কৃষি জমি কমে গেছে। উন্নত জাত এবং কৃষকদের কঠোর ও বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের কারনে
ধানের উৎপাদন ভালো।
কৃষি
জমির ব্যাপারে কৃষি উপদেষ্টা বলেন, নতুনভাবে আইন করা হবে। ভূমি ব্যবহার নীতিমালা, কৃষি
জমি সুরক্ষা আইন নতুনভাবে করার চিন্তা-ভাবনা আছে, কিছুদিনের মধ্যেই তা করা হবে। ভাটা
যেন না চলে; সেজন্য আমরা নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করছি।
এ
সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তরিকুল ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার
শহীদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ
আলীসহ রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন