

নাটোরের সিংড়ায় পচা-বাসি মাংস বিক্রির দায়েভ্রা ম্যমাণ আদালত মো. মারফত আলী নামে এক মাংস ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। একই সঙ্গে জব্দ করা হয় ৮০ কেজি পচা মাংস।
২১ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে সিংড়া বাজারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা খাতুন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ওই মাংস ব্যবসায়ীকে এ জরিমানা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিংড়া পৌরসভার মেয়র মো. জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কে এম ইফতেখারুল ইসলাম ও সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মাংস ব্যবসায়ী মো. মারফত আলী সিংড়া পৌরসভার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা।
তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে মায়ের দোয়া গোশতের দোকান নামে।
সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা খাতুন বলেন, সিংড়া বাজারের মুরগি হাটি এলাকায় পচা-বাসি গরুর মাংস বিক্রির খবর পাওয়ায় সিংড়া পৌরসভার মেয়র মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ও ভেটেরিনারি সার্জনসহ ঘটনাস্থলে যান।
পরে পচা-বাসি মাংস বিক্রির কথা স্বীকার করেন ব্যবসায়ী মারফত আলী। এসময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫২ ধারায় তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয় জব্দকৃত ৮০ কেজি পচা মাংস।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং কুমিল্লার উন্নয়ন-অভিমুখী ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনগণের হাতে পৌঁছে দিতে বর্ণাঢ্য মিছিল ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয় থেকে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এক বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর চর্থা চৌমুহনীতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
এই গণসংযোগ-মুখী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল নগরবাসী, নতুন ভোটার, ব্যবসায়ী-শ্রেণি, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী নাগরিক—সকলের মাঝে রাষ্ট্র মেরামত সংক্রান্ত ৩১ দফা এবং বিশেষভাবে কুমিল্লার উন্নয়নে হাজী ইয়াছিনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরা। নেতৃবৃন্দের মতে—এটি ছিল জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির একটি ক্ষেত্রভিত্তিক প্রয়াস।
মিছিলে অংশ নেন কুমিল্লা মহানগর, সদর দক্ষিণ ও আদর্শ সদর উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
মিছিল চলাকালে নেতারা জনতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বার্তা লিফলেটের মাধ্যমে তুলে ধরেন। লিফলেটগুলোতে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার প্রতিটি পয়েন্টের বাস্তবিক প্রভাব তুলে ধরা হয়। এলিট রাজনীতি থেকে জনগণের রাজনীতিতে ফেরার যে স্লোগান বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে উচ্চারিত হয়েছে—এই কর্মসূচিও ছিল তারই ধারাবাহিকতা।
সমাবেশে বক্তারা কুমিল্লার অতীত-বর্তমান সামাজিক–অর্থনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন—কুমিল্লা মহানগর একটি ঐতিহ্যবাহী শহর হলেও এখনো নাগরিক সেবা, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, তরুণদের কর্মসংস্থান, ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষা সুবিধা উন্নয়নে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে সুশাসন, জবাবদিহিতা, এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ত অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন মডেল দরকার। সমাবেশে হাজী ইয়াছিনের কুমিল্লার জন্য প্রস্তাবিত পরিকল্পনার তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে কুমিল্লা–০৬ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা হাতেহাতে লিফলেট নিয়ে অংশ নেন এবং নাগরিকদের মাঝে সরাসরি বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিতে যোগদান করেছেন সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, রাকসুর সাবেক
ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য প্রফেসর ড. আবু
সাঈদ।
আজ
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বুধবার বিকেলে গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারম্যান কার্যালয়ে বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন।
মন্তব্য করুন


প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর বা
ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে
দায়িত্ব পেয়েছেন মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম।
অন্যদিকে ডিজএফআই’র বর্তমান ডিজি মেজর
জেনারেল ফয়জুর রহমানকে লে. জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল করা
হয়েছে।
আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর) ডিজিএফআই’র প্রধান পদে পরিবর্তন আনা হয়।
২৪ ইনফ্রেন্টি ডিভিশনের জিওসি মেজর
জেনারেল মাইনুর রহমানকে লে. জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে আর্টডক-এর জিওসির দায়িত্ব দেওয়া
হয়েছে। এ ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি পদে রদবদল করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনারা সবাই আমার মা’র
জন্য দোয়া করবেন।
তারেক
রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম
খালেদা জিয়া, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না
লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।’
তিনি
বলেন, ‘অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপসহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা,
বাংলাদেশের মা। আজ দেশ গভীরভাবে শোকাহত এমন একজন পথপ্রদর্শককে হারিয়ে, যিনি দেশের গণতান্ত্রিক
পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন।’
‘আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী
মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার,
ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘ত্যাগ ও সংগ্রামে ভাস্বর হয়েও, তিনি ছিলেন পরিবারের সত্যিকারের অভিভাবক;
এমন একজন আলোকবর্তিকা যাঁর অপরিসীম ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে কঠিন সময়েও শক্তি ও প্রেরণা
জুগিয়েছে। তিনি বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সর্বোচ্চ নিপীড়নের
শিকার হয়েছেন। তবুও যন্ত্রণা, একাকিত্ব ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও তিনি অদম্য সাহস,
সহানুভূতি ও দেশপ্রেম সঞ্চার করেছিলেন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে।’
তিনি
বলেন, ‘দেশের জন্য তিনি হারিয়েছেন স্বামী, হারিয়েছেন সন্তান। তাই এই দেশ, এই দেশের
মানুষই ছিল তাঁর পরিবার, তাঁর সত্তা, তাঁর অস্তিত্ব। তিনি রেখে গেছেন জনসেবা, ত্যাগ
ও সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিক্রমায় চিরস্মরণীয়
হয়ে থাকবে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন। তাঁর প্রতি দেশবাসীর
আবেগ, ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।’
মন্তব্য করুন


মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটে ৯টি যানবাহনসহ ‘রজনীগন্ধা’ নামের ফেরিডুবি ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় ১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক রেহেনা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক রেহেনা আক্তার বলেন, আজ বুধবার সকাল সোয়া ৮ টায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। ডুবে যাওয়া ফেরি থেকে ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি ১ জনকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনায় জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে মোট ৫ সদস্যদের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক রেহেনা আক্তার আরও বলেন, ফেরি উদ্ধারের জন্য দৌলতদিয়া ঘাট থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা রওনা হয়েছে।
এর আগে ৬ জনকে জীবিত উদ্ধারের তথ্য দিয়েছিলেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, যানবাহন নিয়ে ফেরি ডোবার সংবাদ সকাল ৮টা ১৬ মিনিটে পাই। খবর পেয়েই আরিচা ফায়ার স্টেশন থেকে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এছাড়া ঢাকার সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশন থেকে ডুবুরিরা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৬ জনকে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তায় মোট ৪২৮টি ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়—সে লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
তিনি জানান, প্রথম ধাপে বর্তমানে যেসব বাহিনী মাঠে রয়েছে, তাদের মোতায়েন বহাল থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এই সেলে প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৭৩০ জন (এর মধ্যে স্থলভাগে এক হাজার ২৫০ জন), পুলিশের এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্টগার্ডের তিন হাজার ৫৮৫ জন, র্যাবের সাত হাজার ৭০০ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার ৩৯০ জনসহ মোট আট লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি এবারের নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী ২০০টি, নৌবাহিনী ১৬টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি, র্যাব ১৬টি এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৬টি ড্রোন ব্যবহার করবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বাহিনীর ডগ স্কোয়াডও মাঠে থাকবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে—এমন যে কোনো দুষ্কৃতিকারী কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার যেকোনো অপচেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকার শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) জানান সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুনের ঘটনায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সচিবালয়ের সামনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সচিবালয়ে আগুনের ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫ থেকে ১১ জন পর্যন্ত হতে পারে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের ৬ তলায় আগুন লেগে তা উপরে ছড়িয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের ৬ তলায় আনুমানিক রাত ১টা ৫০ মিনিটে আগুন ধরে। ১টা ৫২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ১টা ৫৪ মিনিট থেকে তারা তাদের কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরো বলেন, কি হয়েছে তা আমরা দেখবো। পুরোটা সার্চ করার পরে কিছু পাওয়া যায় কিনা আমরা জানাবো।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য পাইপ নিয়ে সচিবালয়ের সামনের রাস্তা পার হওয়ার সময় একজন ফায়ার ফাইটার ট্রাকচাপায় শাহাদতবরণ করেন। উপদেষ্টা এসময় মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ইন্টারনেটের ব্যবহার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা হল এটা খোলা থাকবে। ইন্টারনেট যদি
কেউ বন্ধ করে, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
আজ
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি
এ কথা বলেন ।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অনেক পুরনো শব্দ। কিছু কিছু
শব্দ আছে যেগুলো সব সময় ব্যবহার হয়। কেউ বলবে ফিল্ড লেভেল, কেউ বলবে ফিল্ড লেভেল না।
কিন্তু আমরা আমাদের চেষ্টা করে যাচ্ছি। নির্বাচনটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডেই হবে।’
দেশের
১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন কাজ বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বলেন, ‘আপনারা সবসময় বলেন, আইনশৃঙ্খলা কন্ট্রোল করি না। দেখেন এখানে আপনারা কয়জন সাংবাদিক,
এই কয়জনের কথা বলাটা বন্ধ করতে অনেক সময় লেগে যায়। তো দেশের ১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা
রক্ষা করা অনেক ডিফিকাল্ট কাজ।’
তিনি
জানান, নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে। তাদের প্রস্তুতি মতো
কাজ এগিয়ে গেলে আমাদের নির্বাচনটা হবে খুবই সুষ্ঠু, উৎসবমুখর এবং একেবারে ফেয়ার। এখানে
কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না।
ফেসবুকসহ
সামাজিক মাধ্যমে বর্তমানে যে মাত্রার স্বাধীনতা দেখা যাচ্ছে, বিগত আমলে তা ছিল না বলেও
মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ফেসবুক বা ইন্টারনেট বন্ধ করা এখন আর গ্রহণযোগ্য
নয়। সবাই স্বাধীনভাবে লিখবেন, মত প্রকাশ করবেন। আগে সাংবাদিকেরাও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে
ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে গিয়ে প্রশ্ন করার সাহস পেতেন না। এখন সেই পরিবেশ বদলে
গেছে।
সাংবাদিকদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের মুখ একেবারে খোলা। সত্যি কথা প্রকাশ করার জন্যই তো আপনারা।
আপনারা যদি সত্য তথ্য প্রকাশ করতে না পারেন, জনগণ সঠিক তথ্য পাবে না। তাই আমরা চাই,
সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করুক, সত্য কথা বলুক।
নির্বাচনকালীন
সহিংসতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এই সময় যে সহিংসতাগুলো
হচ্ছে, তার অনেকটাই নিজেদের দলের ভিতরেই। একই দল বা একই সংগঠনের ভেতরের দ্বন্দ্ব থেকেই
অনেক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সচেতন হতে
হবে। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো
রয়েছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ
সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
সভায়
স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন ও জেলা
প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশসহ
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা বহুল আলোচিত দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং ভাগনি যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে ৫ বছর, শেখ রেহানাকে ৭ বছর এবং টিউলিপ সিদ্দিককে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় শোনার আগেই আদালত এলাকা ঘিরে বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। আদালতের গেট, বারান্দা ও প্রবেশপথজুড়ে পুলিশ, ডিবি ও বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। সন্দেহজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেও দেখা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
দুদকের পক্ষ থেকে মামলার সমন্বয়কারী পাবলিক প্রসিকিউটর মঈনুল হাসান রায়ের আগে সাংবাদিকদের বলেন, “সাক্ষ্য-প্রমাণে আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের, তবে রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করেছে।”
মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের একটি ১০ কাঠার প্লট অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন। তখন শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৫ জনকে আসামি করা হলেও পরে তদন্তের মাধ্যমে আরও দু’জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ জনে।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক পরিচালক নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ এবং তদন্তের পর যুক্ত হওয়া দু’জন—সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
গত ৩১ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে মোট ৩২ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অবশেষে আজ এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা শিখা অনির্বাণে এসে পৌঁছালে সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীপ্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনীপ্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান তাকে স্বাগত জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা শিখা অনির্বাণে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে তার মন্তব্যসহ স্বাক্ষর করেন।
শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে তার নিজ কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবস পালন করেন। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং মহাপরিচালকরা প্রধান উপদেষ্টাকে কার্যালয়ে স্বাগত জানান। এরপর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীপ্রধান প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন