

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় ২
জন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৫ জুন) সকাল সোয়া ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী এলাকায়। কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, লিচুবাহী একটি
ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন থেকে একটা কাভার্ডভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলে
মারা যান ট্রাকে থাকা ২ জন।
কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, চট্টগ্রামমুখী লিচুবাহী ট্রাকটি বেপরোয়া গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এতে কাভার্ডভ্যান ও লিচুবাহী ট্রাকটি রাস্তার পাশে পড়ে
যায়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান ট্রাকের ভেতরে থাকা দুইজন। প্রাথমিকভাবে এখনও
শনাক্ত করা যায়নি তাদের পরিচয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত দুইজন হলো: ট্রাকের চালক
ও চালকের সহযোগী।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, চলচ্চিত্র শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে ত্রয়োবিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সংগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসাবে কাজ করবে। পাশাপাশি এই চলচ্চিত্র উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্র সম্পর্কে ধারণা লাভের সুযোগ পাবে।
বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে চলচ্চিত্রের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; চলচ্চিত্র সামাজিক পরিবর্তনেরও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এই অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল।
মন্তব্য করুন


দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জান-মাল ও
সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার
লক্ষ্যে দেশব্যাপী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ মধ্যরাত হতে ৩০ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ
সকাল ৮ টা পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড রাজধানীর
উত্তরার ৮ নম্বর সেক্টর এবং দক্ষিণখান এর মধ্যবর্তী বাইদা বস্তি এলাকায় যৌথ অভিযান
পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং এর হোতা শীর্ষ সন্ত্রাসী আলতাফ হোসেন
ওরফে ঠোঁট-কাটা আলতাফ ও তার ১৩ জন সহযোগী মোঃ সোহাগ, মোঃ শামীম, মোঃ নবী, মোঃ
সুলতান, মোঃ সোহেল, মোঃ আশিক, মোঃ সুমন ইসলাম, মোঃ শাহিন, মোঃ শরিফুল, মোঃ সাগর,
মোছাঃ ময়না বেগম, সেলিনা, মোছাঃ রহিমাকে নগদ অর্থ, মাদক এবং বেশ কিছু দেশীয়
অস্ত্রসহ আটক করে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদকসহ ১০ টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও, গত ৫
আগষ্ট ২০২৪ তারিখ উত্তরা পূর্ব থানার অস্ত্র লুটের সাথে আলতাফ এবং তার বাহিনীর
সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, এই বাইদা বস্তি অপরাধের এক অভয়ারণ্য যা ব্যবহার করে মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং এর নিয়ন্ত্রক ঠোঁট-কাটা আলতাফ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করত। আটককৃত সন্ত্রাসীদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সাংবাদিকদের
অধিকার প্রশ্নে সরকারের দায়িত্ব নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে গণমাধ্যমের মালিকরা দায়িত্ব
এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন,
দায়িত্ব পালনে সরকারের ব্যর্থতা আছে, পাশাপাশি অন্য যাদের দায়িত্ব আছে কি দায়িত্ব পালন
করছে, এটাও বড় ব্যর্থতা। তাদের ব্যর্থতাও তুলে ধরা হবে। জুলাই-আগস্টে ছয়জন সাংবাদিক
নিহত হয়েছেন, তারা যেমন গুলিতে নিহত হয়েছেন।
আবার
বিরূপ পরিস্থিতিতে কাজ করার সময় এসব সাংবাদিকের কোনো প্রটেকটিভ ইক্যুইপমেন্ট দেওয়া
হয়নি।
আজ
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে জার্নালিস্ট সাপোর্ট
ডেস্ক হ্যান্ডওভার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল
আলম বলেন, যেসব সাংবাদিকরা সামনে থেকে সংবাদ সংগ্রহ করলেন, গুলির মধ্যে কাজ করলেন তাদের
একটি হেলমেট নেই, তাদের একটি প্রটেক্টিভ ভেস্ট ছিল না, টিয়ার গ্যাস থেকে রক্ষা পেতে
কোনো ব্যবস্থা ছিল না। আশ্চর্যের বিষয় হলো সংবাদপত্রের মালিকদের যে সংগঠন নোয়াব একজন
সাংবাদিকের নিরাপত্তা সামগ্রী দেন না।
কয়েকদিন
আগে অনেক বড় অনুষ্ঠান করেছেন। সেখানে তারা অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু তারা কোনো সাংবাদিকের
নিরাপত্তা সামগ্রী নিয়ে কথা বলেননি। ছয়জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন তারা এটা কোনো বিবৃতি
দেননি। তারা তাদের কর্মী নিয়ে কোনো দায়িত্ব পালন করেননি।
ঐক্য
প্রশ্নে তিনি বলেন, কয়েকদিন পর আমি সাংবাদিকতায় ফিরতে চাই। আমিও মনে করি সব সাংবাদিকরা
ঐক্যবদ্ধ থাকুক। কিন্তু সেটা হতে হবে সবার জন্য। কয়েকজন লোকের জন্য সিলেক্টিভ ঐক্য
নয়।
সবার
জন্য ঐক্য থাকতে হবে। সাংবাদিক যখন যুদ্ধক্ষেত্রে যায় সবার কাছে থেকে সাপোর্ট চায়,
তার জন্য বিশেষ কোনো পরিস্থিতি থাকে না। তারা তাদের পাঠকের জন্য খবর সংগ্রহ করবে, খবর
সার্ভ করবে। সব এক রকম হতে পারে না। একজন সম্পাদককে অফিস থেকে টেনে হিছড়ে বের করে আনা
হবে তথ্য ঐক্যের কথা বলা হবে না, একটা বিবৃতি দেবো না, এটা হতে পারে না। ঐক্য তখনও
থাকতে হবে।
ফেডারেল
সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় অন্য
কেউ যখন মাঠে দাঁড়াতে পারছিল না তখন সাংবাদিকরা মাঠে থেকেছে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের
পর সেই সাংবাদিকদের মূল্যায়ন করা হয়নি, জায়গামতো পদায়ন করা হয়নি। এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের
সঠিক ব্যবহার করা হয়নি।
সরকারি একটি গণমাধ্যমে ফ্যাসিস্ট বসানো হয়েছে, এখনো বহাল। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ডিআরইউ নেতাদের সাক্ষাতের খবর রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমটিতে প্রকাশের অনুরোধ করা হলে ডিআরইউ নেতার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান এখনো এমন সাহস কোথায় থেকে পায়, তার জবাব চান ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের এ শীর্ষনেতা।
সিনিয়র
সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, এখন সাংবাদিক আক্রান্ত। সাংবাদিক আক্রান্ত হলে আর সাংবাদিকতা
থাকে না। এখন তাই হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দুই শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা
মামলা দেওয়া হয়েছে। অনেককে জেলে পাঠানো হয়েছে। কোনো সাংবাদিককে হত্যা মামলার আসামী
করে জেলে থাকবে এটা কোনোভাবে ভালো দেখায় না। কেউ সাংবাদিকতার নামে দালালি করলে তার
বিরুদ্ধে দালাল হিসেবে বিচার করা হোক, হত্যা মামলা নয়।
তিনি
সাংবাদিকদের ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, জুলাই পরবর্তী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে
সাংবাদিকদের ইউনিটি ধরে রাখতে পারলেও প্রেসক্লাব ধরে রাখলে পারলো না। কাউকে বাদ দিল,
কারো সদস্য পদ স্থগিত করলো। প্রেসক্লাবের নির্বাচনটাও শেষ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, সরকার সফলতার সঙ্গে এবং দ্রুত অনেক তদন্ত সম্পন্ন করেছে, কিন্তু সাগর-রুনির তদন্ত
করতে পারলো না। শুরুতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তা রক্ষা করতে পারেনি। আগের
সরকারের সময়ে বারবার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। কী এমন হলো কেউ
প্রতিবেদন দিতে পারছে না। তদন্ত প্রতিবেদন না দিতে না পারলে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে
সরে যাওয়া হোক।
জুলাই
আন্দোলন পরবর্তী কোন কোন গণমাধ্যমের অফিস দখল করা হয়েছে, মহল বিশেষের চাপে সাংবাদিকদের
চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কেন চাকরিচ্যুত করা হয়েছে সে কথাটিও বলা হয়নি। এগুলো সাংবাদিকের
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলে বলে মন্তব্য করেন সোহরাব হাসান।
ডিআরইউ
সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, সাংবাদিকরা ঘরে, বাইরে এবং অফিসে নির্যাতন ও নিগ্রহের শিকার
হচ্ছে। বেতনের নিরাপত্তা না থাকার কারণে পকেটে টাকা থাকে না। এজন্য পরিবারে নির্যাতনের
শিকার হন। খবর সংগ্রহ করতে বাইরে গিয়ে গন্তব্যে পৌছতে না পেরে নিগ্রহের শিকার হন। আর
পকেটে টাকা না থাকার কারণে ভালো রিপোর্টটি না দিতে পেরে নিগ্রহের শিকার হন। শুধু আইনি
নিরাপত্তা নয়, সাংবাদিকের বেতন-ভাতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে ব্যক্তি, পরিবার,
সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
রাজনৈতিক
পালা বদলে সাংবাদিক হত্যা মামলায় দুই শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নিয়ে
দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গে টেনে ডিআরইউ সভাপতি বলেন, এখন উষ্ণ পরিবেশে উষ্ণ দাবি তোলা
হচ্ছে। অতীতে ভিন্ন মত হওয়ার কারণে যখন ৭ নম্বর ক্রমিকের নয়া দিগন্ত পত্রিকা ৫৭ নম্বরে
নামিয়ে দেওয়া হয় তখন কোনো কথা উঠে না, এখন কথা উঠছে। আগেও এ ধরনের কথা উঠা দরকার ছিল।
ঢাকা
সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইইজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, অতীতে যাদের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের
নিয়ে কাজ করা হয়েছে, সাগর-রুনি হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া দিয়ে কর্মসূচি শুরু
হয়েছে তখন মনে করেছে সাংবাদিকদের স্বার্থ ও নিরাপত্তায় দাবি জানাতে থাকলে সরকার বিরক্ত
হবে। তাই কারা আন্দোলন-কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসে। এজন্য সাগর-রুনির হত্যার বিচার করা
যায়নি। সাংবাদিকের অধিকার ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক
মাইনুল হাসান সোহেল।
অনুষ্ঠানে
আরও বক্তব্য রাখেন ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এমএম বাদশাহ, ডিআরইউ এর সাবেক নারী বিষয়ক
সম্পাদক নাদিয়া শারমিনসহ ইউনিসেফের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে
ইউনিসেফের পক্ষ থেকে ডিআরইউকে জার্নালিস্ট হেল্প ডেস্ক হস্তান্তর করা হয়। পেশাগত দায়িত্ব
সম্পর্কিত যে কোনো আইনি সহায়তা দেবে এ হেল্প ডেস্ক। আইনি কোনো সহায়তা চেয়ে ডেস্কে ফোন
করার সঙ্গে এ হেল্প ডেস্ক যেখানে যে ধরনের সহায়তা প্রয়োজন সহায়তা দেবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সার্বিক গুণাবলির প্রতিফলন
ঘটিয়ে বাহিনীর ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে বিজিবির নবীন সৈনিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি
বলেন, ‘সততা, বুদ্ধিমত্তা, নির্ভরযোগ্যতা, আনুগত্য, তেজ ও উদ্দীপনা একটি বাহিনীর শৃঙ্খলা
ও পেশাগত দক্ষতার মাপকাঠি।
নবীন
সৈনিকরা এসব গুণাবলির প্রতিফলন ঘটিয়ে বাহিনীর ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখবে।’
আজ
বুধবার ( ১৪ জানুয়ারি ) সকালে মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, যিনি কৃষি মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বপ্রাপ্ত
উপদেষ্টা, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বিজিবির প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান
'বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজ (বিজিটিসিএন্ডসি)'-এর ‘বীর উত্তম মজিবুর রহমান
প্যারেড গ্রাউন্ডে’ ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ২৩০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই বাহিনী কালের পরিক্রমায় আজ একটি সুসংগঠিত,
চৌকস, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার দেশপ্রেমিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।
তিনি
বলেন, ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে বিজিবি দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কি.মি.
দীর্ঘ সীমান্ত সুরক্ষার মাধ্যমে দেশমাতৃকার অখণ্ডতা রক্ষা ও সীমান্তের নিরাপত্তা বিধানে
কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।
এছাড়াও
চোরাচালান রোধ, মাদক ও মানবপাচার রোধসহ যে কোনো আন্ত:সীমান্ত অপরাধ দমন, দেশের অভ্যন্তরীণ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বিজিবি
অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে দেশবাসীর আস্থা অর্জনে সক্ষম
হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নবীন
সৈনিকদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘শৃঙ্খলা হচ্ছে সৈনিক জীবনের অলংকার
। আদেশ ও কর্তব্য পালনে যে কখনো পিছপা হয় না সেই প্রকৃত সৈনিক।’
তিনি
বিজিবি’র চারটি মূলনীতি ‘মনোবল, ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা’-এ
উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত হয়ে বিজিবি’র ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুশৃঙ্খল ও সুচারুরূপে
পালন করে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার সুমহান দায়িত্ব পালনে সদা জাগ্রত থাকতে
নবীন সৈনিকদের আহ্বান জানান।
আসন্ন
সাধারণ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন
করার জন্য প্রায় ৮.১৭ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত থাকবেন। তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশের
৪৬৭টি উপজেলায় ৩৭ হাজার ৩৫৩ জন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হবে।’
তিনি
নবীন সৈনিকদের নতুন জীবনে পদার্পণের শুভলগ্নে তাদের স্বাগত জানান। এছাড়া তিনি তাদের
কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন।
বিজিটিসিএন্ডসি
বিগত ৪৪ বছর ধরে বিজিবির নতুন রিক্রুটদের প্রশিক্ষণ দিয়ে 'সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী'
হিসেবে গড়ে তুলছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ৭২টি ব্যাচকে
সফলভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে এই প্রতিষ্ঠান।
প্রায়
চারমাস ব্যাপী ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচে ৩ হাজার ২৩ জন (পুরুষ ২ হাজার ৯৫০, মহিলা ৭৩) রিক্রুটকে
মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
বর্তমান
অন্তবর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনায় এবং বিজিবি সদর দপ্তরের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে
প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলে এই চ্যালেঞ্জিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হয়েছে।
সব
বিষয়ে সেরা নবীন সৈনিক হিসেবে রিক্রুট আল ইমরান (১৫৫) প্রথম স্থান অর্জন করেন। এছাড়া
শারীরিক উৎকর্ষতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন শপিকুল ইসলাম (২৭৬৯) ও লুবনা খাতুন (১৫১৫)
এবং শ্রেষ্ঠ ফায়ারার শফিকুর রহমান তামিম (১৩৪৭) ও
নাহিদা আক্তার (১৫৩১)।
উপদেষ্টা
নবীন রিক্রুটদের নান্দনিক কুচকাওয়াজ ও সফল আয়োজনের জন্য বিজিবি মহাপরিচালক সহ সংশ্লিষ্ট
সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান।
সমাপনী
কুচকাওয়াজে বিজিবি’র প্রশিক্ষিত সদস্যদের অংশগ্রহণে আকর্ষণীয়
ট্রিক ড্রিল এবং বিজিবি’র সুসজ্জিত বাদকদল কর্তৃক মনোজ্ঞ ব্যান্ড
ডিসপ্লে করা হয়।
তিনি
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর অব্যাহত অগ্রযাত্রা এবং নবীন সৈনিকদের সর্বাঙ্গীন সাফল্য
কামনা করেন।
নবীন
রিক্রুটদের নান্দনিক কুচকাওয়াজ ও সফল আয়োজনের জন্য বিজিবি মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে
আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান উপদেষ্টা।
এরপর
নবীন সৈনিকদের চৌকস দল কর্তৃক মাননীয় উপদেষ্টা’কে সশস্ত্র সালাম প্রদানের মাধ্যমে
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপদেষ্টা নবীন সৈনিকদের শপথ গ্রহণ ও প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ
পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।
এ
সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নাসিমুল গনি, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল
মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বিজিটিসিএন্ডসি'র কমান্ড্যান্ট উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিবাদ
ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় শহীদ ওসমান হাদির পরিবারকে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। হাদির এক বোনকে ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স ও গানম্যান দেওয়া
হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক পুলিশি সুরক্ষা থাকবে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় ও পুলিশের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানায়, জুলাই যোদ্ধা, আন্দোলনের সমন্বয়ক,
সংসদ-সদস্য প্রার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা
নিশ্চিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনে সম্মুখসারিতে থাকা কয়েকজনকে
ইতোমধ্যে গানম্যান দেওয়া হয়েছে এবং অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।
নিরাপত্তা পাওয়া
ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির
আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র
যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। এছাড়া জামায়াতের
আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান
পার্থ ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে গানম্যান চেয়ে আবেদন করেছেন।
সূত্র জানায়,
আবেদনের ভিত্তিতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপির মনোনীত সংসদ-সদস্য
প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন, জাফির তুহিন, জেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার
হোসেন মঞ্জু এবং এলডিপির সভাপতি কর্নেল অলি আহমদসহ আরও কয়েকজনকে শিগগিরই গানম্যান ও
অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
স্বাভাবিক রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে নির্বাচন বানচালের
ষড়যন্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা গত বছরের ৫ আগস্টের
পর থেকেই ধারাবাহিক হুমকির মুখে রয়েছেন।
গোয়েন্দা তথ্য
অনুযায়ী, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পলাতক নেতাকর্মীরা দেশে ও বিদেশ থেকে
জুলাই যোদ্ধাদের হুমকি দিয়ে আসছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকেও হত্যার আগে
দীর্ঘদিন বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গত ১২ ডিসেম্বর তাকে গুলি করা হলে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, লিখিত আবেদন ছাড়া নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। গত রোববার পর্যন্ত
১২ জন লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। দু-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত আইজিপি
খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, জুলাই যোদ্ধা ও সংসদ-সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে যারা নিরাপত্তা
ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের গানম্যান দেওয়া হচ্ছে। আর যারা ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স
চেয়েছেন, তাদের বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা
হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের আগে গ্রাহক প্রতি মোবাইল সিমের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৫তম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী একজন মোবাইল গ্রাহক তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারেন।
তিনি বলেন, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর এনআইডির বিপরীতে মোবাইল গ্রাহক প্রতি সিম নিবন্ধনের সংখ্যা ১০টিতে নামিয়ে আনা হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গ্রাহক প্রতি সিমের সংখ্যা আরো কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, একজনের সিমকার্ড ব্যবহার করে অন্যজন অপরাধ করে। এতে করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তি অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। এজন্য ব্যক্তি পর্যায়ে রেজিস্ট্রেশন করা সিমকার্ড কমিয়ে আনা হবে। কোনো ঘটনা ঘটার পর দেখা যায় সিমটি সেই ব্যক্তির নয়। সেজন্য নির্বাচনের আগে সিমকার্ডের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে।
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আপত্তি আসে নাই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আগেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোতে নিয়োগ ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ ও পদায়ন করা হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। তিনি এ সময় নির্বাচন সুষ্ঠু ও ভালোভাবে সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব “নাসিমুল গনি “, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পুনরুত্থান কর্মসূচির উদ্বোধন করে বলেছেন, যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ ছাত্র, জনতা, রিকশাচালক, শ্রমিকরা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন-সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট মাসজুড়ে আমরা গত বছরের প্রতিটি দিনকে আবারও পুনরুজ্জীবিত করব। এই অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে আবার নতুন করে শপথ নেব এবং এটা আমরা প্রতি বছর করব, যাতে স্বৈরাচার আর যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে।
আজ মঙ্গলবার (১ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আজ ইতিহাসের এক গৌরবময় ক্ষণ। এক বছর আগে, এই জুলাই মাসে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন শুরু করেছিল তা এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থান রচনা করে আমাদের মুক্তির স্বাদ দিয়েছিল। জুলাই ছিল দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে এক অমোঘ ডাক, জনতার এক জাগরণ। সেই আন্দোলনের মর্মবাণী ছিল- “ফ্যাসিবাদের বিলোপ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ, রাষ্ট্রকে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থাণের স্বপ্ন ছিল নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ এই মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, আমরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে স্মরণ করার যে অনুষ্ঠানমালা নিয়েছি, এটা শুধু ভাবাবেগের বিষয় নয়, ক্ষোভ প্রকাশের বিষয় নয়। আমরা ১৬ বছর পরে বিরাট বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলাম অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এবং যে কারণে অভ্যুত্থান হয়েছিল, তাৎক্ষণিক তাঁর যে লক্ষ্য ছিল সেটা আমরা পূরণ করতে পেরেছি। কিন্তু তাঁর পেছনে ছিল একটা বিরাট স্বপ্ন- নতুনভাবে রাষ্ট্রব্যবস্থা বিনির্মাণ, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ।
স্বৈরাচার যেন আর কখনও ফিরে আসতে না পারে সে বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা প্রতি বছর এই সময়টা উদযাপন করব যাতে পরবর্তীতে আবার এই অভ্যুত্থান করার জন্য ১৬ বছর আমাদের অপেক্ষা করতে না হয়। আমরা প্রতি বছর এটা করব, যাতে স্বৈরাচারের কোনো চিহ্ন দেখা গেলেই তাৎক্ষণিক ভাবে আমরা তার বিনাশ করতে পারি।
সেটার জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থান পুনরুত্থান কর্মসূচি পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের প্রথম পাতা মেলার আগেই যেন আমরা তাকে ধরে ফেলতে পারি। ১৬ বছর যেন আমাদের অপেক্ষা করতে না হয়।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে জুলাই গণঅভ্যুত্থাণে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে গভীর গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, সেই সব তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, রিকশাচালকদের—যারা রাস্তায় নেমে গণতন্ত্রের পতাকা উঁচিয়ে ধরেছিলেন; সাহস, ত্যাগ আর দৃঢ়তার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন’।
জুলাইকে ঐক্যের মাসে পরিনত করার আহ্বান জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে সরকার প্রধান বলেন, আমরা আজ মাসব্যাপী যে কর্মসূচির সূচনা করছি, তা শুধুই স্মরণ নয় বরং একটি নতুন শপথ। গত বছরের জুলাইয়ে এ দেশের সকল শ্রেণি-পেশা-বয়সের মানুষের মধ্যে যে ঐক্য তৈরি হয়েছিল, আমরা চাই, এই জুলাইয়ে সেই ঐক্য আবার সুসংহত হোক।
তিনি বলেন, ‘আমাদের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য— জনগণকে গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার দাবি জানানো এবং রক্তের বিনিময়ে পাওয়া সংস্কারের এই সুযোগকে হারিয়ে না ফেলা। আমাদের সামনের পথ অনেক কঠিন, কিন্তু মস্ত বড় সম্ভাবনাও আছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জনগণ যখন জেগে ওঠে, তখন কোনো শক্তিই তাদের রুখে দিতে পারে না। সেই বিশ্বাস নিয়েই আমি আপনাদের আহ্বান জানাই—আসুন, এই জুলাই মাসকে পরিণত করি গণজাগরণের মাসে; ঐক্যের মাসে’।
জুলাই-আগস্টের পুনরুত্থান কর্মসূচির সাফল্য কামনা করে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের স্বপ্ন আবার নতুন করে জেগে উঠুক। আমাদের ঐক্য সর্বমুখী হোক, অটুট হোক আমাদের এই অনুষ্ঠানমালার লক্ষ্য।
উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী এবং শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে
হবে। সংবিধানে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর সংস্কার পরিষদের শপথ বা অন্যান্য বিষয় আসবে।
তিনি বলেন, ‘গণভোটে জনগণের রায়কে সরকার সম্মান করে। তবে আদেশের মধ্যে এমন কিছু প্রশ্ন
অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা জুলাই সনদের রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ ছিল না। চারটি ভিন্ন প্রশ্নের
জন্য একটি মাত্র ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’
ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল, যা যৌক্তিক ছিল না।’
আজ
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধীদলীয়
নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার
পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জুলাই
জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে যে ‘আরোপিত আদেশের’
কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন,
‘সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন বা
সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে নয়, সংবিধান ও আইন মেনেই পরিচালিত হয়।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, সরকার ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে তা
কোনো অবৈধ বা আরোপিত আদেশের মাধ্যমে নয়, বরং সাংবিধানিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই
বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি
বলেন, সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি
অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন সংক্রান্ত কোনো বিষয়
অধ্যাদেশের মাধ্যমে আনা যায় না। অথচ গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি করা ‘জুলাই জাতীয় সনদ
(সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’ কোনো অধ্যাদেশ বা আইন নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ‘এই আদেশের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়া এবং রাষ্ট্রপতির
কাছে অধিবেশন আহ্বানের দাবি অসাংবিধানিক।
চলতি
অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল আনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথম দিনেই সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ
উত্থাপিত হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সামনে দীর্ঘ ছুটি থাকায় এই অধিবেশনে সময় পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে কার্য উপদেষ্টা কমিটির
সিদ্ধান্ত হলে আগামী বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল উত্থাপন করা যেতে পারে।
বিরোধীদলীয়
নেতাকে কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, আমরা জাতির কাছে অঙ্গীকার করেছি যে রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয়
সনদের প্রতিটি শব্দকে সম্মান করব। আসুন, সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া
অনুসরণ করে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যাই। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭৩ অনুচ্ছেদ
অনুযায়ী ভাষণ দিয়েছেন। আমাদের বিরোধীদলীয় বন্ধুরা সেই ভাষণ শুনতে চাননি, তারা সংসদ
কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেছেন। কিন্তু সেই ভাষণের ওপর আলোচনার জন্য তারা ৫০ ঘণ্টা বরাদ্দ
করার প্রস্তাব দিয়েছেন। যদি রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা হয়, তাহলে সংখ্যানুপাতে
সময় বরাদ্দ করা হবে।
এর
আগে ডা. শফিকুর রহমান অবিলম্বে প্রেসিডেন্সিয়াল আদেশের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের
অধিবেশন ডাকার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)
ময়নুল হাসান ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. মাইনুল হাসানকে তাদের পদ থেকে
সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের স্থলে নিয়োগ পেয়েছেন বাহারুল আলম ও শেখ সাজ্জাদ আলী।
আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে বাহারুল আলমকে পুলিশ মহাপরিদর্শক ও শেখ সাজ্জাদ
আলীকে ডিএমপির কমিশনার হিসেবে নিয়োগের কথা জানানো হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব আবুল
হায়াত মো. রফিক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা
অনুযায়ী বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বাহারুল আলমকে
(বিপি-৬০৮৬০০০৭৮৬)- অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা- সরকারি, বেসরকারি
প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে ২ (দুই)
বছর মেয়াদে বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা
হলো। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ
জারি করা হলো।
অপর এক প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন,
২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) শেখ মো.
সাজ্জাত আলীকে (বিপি-৬১৮৬০০০৭৮৪)- অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা- সরকারি,
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে
২ (দুই) বছর মেয়াদে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পুলিশ কমিশনার পদে চুক্তিভিত্তিক
নিয়োগ প্রদান করা হলো। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।
জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।
পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধানসহ
সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন বাহারুল আলম। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ সদর
দপ্তরের শান্তি রক্ষা বিভাগে পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৫ সালে
আফগানিস্তানে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনের সিনিয়র পুলিশ অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করেন।
এর আগে ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, কসোভো ও সিয়েরা লিওনে দায়িত্ব পালন করেন। দুই দফা পদোন্নতিবঞ্চিত
এই কর্মকর্তা ২০২০ সালে অবসরে যান।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘আজকের এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ। দেশের মানুষ এই সংসদের
দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।’
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদের স্পিকারের
বক্তব্যের পর শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।
তিনি
বলেন, ‘আজ থেকে স্পিকার আর কোনো দলের নন, তিনি পুরো সংসদের অভিভাবক। দেশের স্বাধীনতাপ্রিয়
গণতান্ত্রিক মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে
আমরা এই সংসদকে অর্থবহ করতে চাই।’
তিনি
আরো বলেন, ‘গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার
কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। জনগণকে দুর্বল জনগোষ্ঠীতে পরিণত করা হয়েছিল এবং সংসদকে মানুষের
অধিকার লুণ্ঠনকারীদের ক্লাবে পরিণত করা হয়েছিল।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘বিগত দেড় দশকে যারা নিজেদের এমপি পরিচয় দিতেন, তারা কেউ জনগণের ভোটে নির্বাচিত
ছিলেন না। কিন্তু আজকের সংসদ জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংসদ। এটি
বাংলাদেশের জনগণের সংসদ।’
তারেক
রহমান বলেন, বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়, বরং সুনির্দিষ্ট যুক্তি ও বিতর্কের মাধ্যমে
সংসদকে প্রাণবন্ত করে তুলতে চাই আমরা। এক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি
বলেন, জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে সংসদ পরিচালনায় আমরা স্পিকারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা
করবো।
বক্তব্যের
শেষদিকে স্পিকারকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন
ও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন