

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম বলেছেন, দুর্গাপূজা নিয়ে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। তারা নিশ্চিন্তে পূজা করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে ফারইস্ট টাওয়ারের ট্যুরিস্ট পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম এ কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি মো. ময়নুল ইসলাম জানান, জঙ্গি হামলারও কোনো আশঙ্কা নেই। তারপরেও পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। নিরাপত্তায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
পূজার সময় কোথাও কোনো ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন আইজিপি মো. ময়নুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, হ্যাক হওয়া পোস্টের কারণে যদি কোনো
মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
তিনি
জানান, তার ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল হ্যাক করে সেখান থেকে মায়েদের
নিয়ে অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্য ছড়ানো হয়।
আজ
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) শেরপুরের শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী
জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, হ্যাকিংয়ের ঘটনার পর একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি নিয়ে
হৈচৈ শুরু করে মিছিল করেছে। যারা প্রকৃত অর্থে মায়েদের সম্মান করে না, তারাই এই পরিস্থিতিকে
ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।
নারীদের
প্রতি অবমাননাকারীদের কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, যারা নারীদের অপমান করে,
তারা মানুষ হিসেবে আচরণ করছে না। ‘মা’ সম্বোধন করে তিনি বলেন, যারা নারীদের
অসম্মান করছে, তারাও কোনো না কোনো মায়ের সন্তান। তাদের প্রতি অনুরোধ—নিজেদের
মা, স্ত্রী ও বোনদের সম্মান করতে শিখুন।
মন্তব্য করুন


মহান
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের
জন্ম শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে
তাজউদ্দীন পরিবার।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন তাজউদ্দীনের
জ্যেষ্ঠ কন্যা শারমিন আহমদ এবং পুত্র তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইংএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ
সময় শারমিন আহমদের লেখা ‘তাজউদ্দীন আহমদ : নেতা ও পিতা’ বইয়ের একটি কপি প্রধান
উপদেষ্টাকে উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭টি দেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চলছে।
আজ সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে তেজগাঁও কার্যালয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার বৈঠক চলছে।
এ বৈঠকে সমসাময়িক ইস্যু ও অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের জন্য প্রস্তুত, ভোটাররাও প্রস্তুত। সবাই প্রস্তুত
থাকার পরও যখন কানে কানে এসে কেউ জিজ্ঞেস করে, নির্বাচন কি হবে? তখন বুঝতে হবে—
এরা গত ১৬ বছরের প্রেতাত্মা।
আজ
বুধবার ( ২১ জানুয়ারি ) ফরিদপুরে অম্বিকা অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে
আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতাকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
ভোটের
ব্যাপারে জনমনে উৎসাহের কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এই পর্যন্ত যে পাঁচটা জেলায় আমি
গিয়েছি, সব জেলাতেই মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার ব্যাপক আগ্রহ দেখেছি। তার একটা বড় কারণ
হচ্ছে সরকার নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি
আরো বলেন, আরেকটা অনেক বড় কারণ হচ্ছে— রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের পক্ষে জনমত
গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ধন্যবাদ জানাই।
উপদেষ্টা
আরো বলেন, আজকে আমরা এমন একটা সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যখন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আর বিগত ৫৪
বছরের বাংলাদেশের একটা সংযোগ আমাদেরকে স্থাপন করতে হবে এবং সেই সংযোগটা করতে হবে এত
বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে। ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আর
এই সবকিছুর জন্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে মত দিতে হবে।
উপদেষ্টা
আরো বলেন, আগামী ১২ তারিখে দুইটা ভোট দিতে হবে। একটাতে আপনার এলাকার যোগ্য সংসদ সদস্য
নির্বাচন করবেন। মনে রাখতে হবে, ভোট শুধু অধিকার নয়, ভোট মানে দায়িত্বও। আর এবারের
গণভোট মানে দেশের পদ্ধতি বদলের সুযোগ। শুধু ব্যক্তি বদলালে দেশ বদলায় না, পদ্ধতি বদলাতে
হবে। যাতে যে কেউ ক্ষমতায় আসুক, সে যেন দানব হয়ে উঠতে না পারে।
কিছু
কিছু পরিবর্তন সংবিধানে আনতে হবে, যাতে সংবিধানের ‘জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’—
কথাটি সার্থক হয় বলেও জানান তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে
বক্তব্য দেন।
তিনি
বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়
পরিবর্তন এবং সংস্কার আনতে পারেন আপনারাই। অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ
নিয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য গঠনের চেষ্টা করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দীর্ঘ সময় বিভিন্ন
পর্যায়ে আলোচনা করেছে। এবার সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে আপনাদের মতামতের জন্য গণভোটের আয়োজন
করেছে। নির্বাচিত সরকারকে এগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। এখন দেশের ভবিষ্যৎ আপনাদের
হাতে।
তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, এবারের গণভোটের বিষয়গুলো সুষ্ঠুভাবে
আপনাদের জানানোর জন্য প্রত্যেকটি বিভাগে, প্রতিটি জেলায় আমরা প্রচারণা চালাচ্ছি। প্রত্যন্ত
অঞ্চলের জন্য আমরা পৃথক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
তিনি
আরো বলেন, গতকাল মঙ্গলবার ৪৯৫টি উপজেলায় এবং ৪ হাজার ৫০০টি ইউনিয়নে ভোটের রিকশা চালু
করা হয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে রাস্তায় রাস্তায় মানুষকে বোঝানো হবে যে, পরিবর্তনের জন্য
আমাদের হ্যাঁ বলতে হবে। ‘হ্যাঁ’ বলার কোনো বিকল্প নেই।
ফরিদপুরের
জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আয়োজনে আরো বক্তব্য রাখেন পুলিশ
সুপার মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের নেতা, বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির জেলা প্রতিনিধিরা।
এর
আগে উপদেষ্টা গণভোট ও নির্বাচনে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য আয়োজিত এক র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি শেষে ভোটের গাড়ির স্ক্রিনে প্রধান উপদেষ্টার গণভোট বিষয়ক ভিডিওচিত্র প্রদর্শন
করা হয়।
মন্তব্য করুন


সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক বিকেলে শুরু হবে। কমিশনের প্রথম বৈঠক বিএনপির সঙ্গে হবে বলে জানা গেছে।
আজ
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন।
বিএনপি জানিয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেবেন।
মন্তব্য করুন


সংস্কার গভীর না হলে দেশে আবারও স্বৈরাচার
আসতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, সংস্কার মানে শুধু কয়েকটা
কাগজের সংস্কার নয়, মনের গভীরতর জায়গার সংস্কার করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকালে রাজধানীর
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জুলাই বিপ্লবের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশে জাতিসংঘ
মানবাধিকার মিশনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশকে একেবারে নতুন করে গড়ে তুলতে
হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শুধু ওপরে একটি প্রলেপ দিয়ে নয়,
গভীর থেকে পরিবর্তন আনতে হবে। সেই গভীরতম পরিবর্তন যদি না করি, যেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে
আজ আমরা কথা বলছি, আবার ঘুরেফিরে সে চলে আসবে—যতই আমরা সামাল দিই, যতই সংস্কার করি।
আমাদের আরও গভীরের সংস্কার দরকার। এই সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, জুলাই গণহত্যার বিচার এমনভাবে
করা হবে যেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে কখনো নীরবতা দমন বা দেশের জনগণকে ধ্বংস
করা না যায়।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, সংস্কার কর্মসূচির পাশাপাশি আমরা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ীদের আইনের আওতায়
আনতে কাজ করছি। কিন্তু বিচার মানে শুধু শাস্তি নয়—বিচার মানে এই নিশ্চয়তা প্রদান
করা যে রাষ্ট্রক্ষমতা আর কখনো জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে না।
রাজনৈতিক ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যে জাতীয়
ঐকমত্য গড়ার চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই ঐকমত্য এমন একটি
ব্যবস্থাকে নিশ্চিত করবে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন
নিশ্চিত করে।
আমাদের লক্ষ্য একটাই, একটি বাংলাদেশ
গঠন করা, যেখানে প্রতিটি নাগরিক শান্তিতে, মর্যাদায়, গর্বে ও স্বাধীনতায় বাঁচতে পারে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে
রোহিঙ্গা সংকট পর্যন্ত, এমনকি গত বছরের জুলাই-আগস্টের সংকটকালীন সময়েও জাতিসংঘ সব সময়
বাংলাদেশের পাশে ছিল বলেও উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিস্টরা
দেশ ছেড়ে পালালেও ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনো কাটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, একদল অপকর্ম করে পালিয়েছে, আরেকদল সেই অপকর্মের
দায় কাঁধে তুলে নিয়েছে। কেউ চাঁদাবাজি করে জনগণের ক্ষোভের কারণ হয়েছে, আবার কেউ আরও
বেশি শক্তি নিয়ে একই কাজ করছে।
আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে ইসলামী ও সমমনা আট দলের বিভাগীয় সর্বশেষ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ছোট্ট একটি দেশ। বিপুল সম্পদে পরিপূর্ণ ছিল। আফসোস, স্বাধীনতার
৫৪ বছরেও এ দেশের মানুষ সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি, কারণ বর্গীরা
চলে যাওয়ার সময় দেশের ভেতরে চিলগুলো ছুঁ মেরে জনগণের সম্পদ নিয়ে চলে গেছে। দেশের সম্পদ
লুণ্ঠন করে বাইরে পাচার করেছে। দেশে–বিদেশে ‘বেগম পাড়া’
গড়ে তুলেছে। তিনি বলেন, কেউ কেউ পালাতে গিয়ে খালে–বিলে আশ্রয় নিয়েছে। আবার রসিক সিলেটবাসীর
কাছে কেউ কেউ কলাপাতায় ধরা পড়েছে। এভাবেই অপকর্মের দায় নিয়ে ফ্যাসিস্টরা বাংলাদেশ থেকে
পালিয়েছে। কিন্তু ফ্যাসিজমের কালো ছায়া বাংলাদেশ থেকে যায়নি। একদল দখলদার হয়ে জনগণের
ঘৃণা কুড়িয়েছে, আরেকদল বেপরোয়া দখলদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। একসময় বিরোধী রাজনৈতিক
নেতাদের, আলেম–ওলামাকে জেল, নির্যাতন, ফাঁসি ও দেশছাড়া করার যে প্রবণতা
ছিল, সেটি এখনো থামেনি।
জামায়াতের আমির সতর্ক করে বলেন, বাঁকা পথে প্রশাসনিক ক্যুর মাধ্যমে নির্বাচন ক্রেডিট হাইজ্যাক করার কালো সূর্য ডুবে গেছে। এই সূর্য আর বাংলাদেশে উঠবে না। এই কালো সূর্যের মুখ বাংলাদেশ আর দেখবে না। এখন নতুন সূর্যের উদয় হবে।
তিনি
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেন, জনগণ তাদেরকে আগামী নির্বাচনে লাল কার্ড দেখানোর জন্য প্রস্তুত
হয়ে গেছে। এই লাল কার্ড দেখা থেকে বাঁচতে গিয়ে যদি কেউ আগামী নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার
চেষ্টা করে, আমরা মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে বলছি, তাদের সকল ষড়যন্ত্র এ দেশের সংগ্রামী
জনগণ ভণ্ডুল করে দেবে। তিনি বলেন, তারা কোনো সংস্কারে রাজি না। তারা সনদ বাস্তবায়নে
রাজি না। তারা গণভোটেও প্রথমে রাজি ছিল না। তারপরও গণভোট একদিনেই হতে হবে, তা তারা
বাধ্য করেছে সরকারকে। এখন আবার কোথাও কোথাও আমরা ক্ষীণ সুর শুনতে পাচ্ছি। যারা এতদিন
নির্বাচনের জন্য নির্বাচন–নির্বাচন করে জনগণকে বেহুশ করে তুলেছিল,
এখন তারা ভিন্ন সুরে কেউ কেউ কথা বলতে শুরু করেছে। এ লক্ষণ ভালো নয়। তারা বুঝতে পেরেছেন।
জোটের
বাইরে থাকা ইসলামি দলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আমি বন্ধুদের অনুরোধ করব সকল জাল ছিন্ন
করে আপনারা আপনাদের আঙিনায় চলে আসুন। এই আঙিনা আপনাদের আঙিনা। এখন যেখানে ঘোরাফেরা
করছেন এটা আপনাদের আঙিনা না। তাদের সঙ্গে আপনাদের মানায় না। আপনারা বড় বেমানান হয়ে
গেছেন। আপনারা ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসুন। আমরা আপনাদের বুকে জড়িয়ে কবুল করব, অভিনন্দন
জানাবো। খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ইসলামী
আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম পীর সাহেব চরমোনাই, বাংলাদেশ খেলাফত
মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ,
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা সারওয়ার কামাল আজিজী, বাংলাদেশ খেলাফত
আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি–জাগপার
কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রাশেদ প্রধান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) সভাপতি অ্যাডভোকেট
আনোয়ারুল হক চাঁন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


৫ আগস্টের পর গিরগিটির মতো ভুয়া সমন্বয়ক
তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক
মো: সারজিস আলম।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার
দিকে মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে মাদারীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের
সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক মো: সারজিস আলম বলেছেন, এসব
ভুয়া সমন্বয়কদের আলাদা করতে হবে। তাদের মধ্যে সুবিধাবাদী চরিত্রটা পূর্বেও ছিল এখনও
আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এদেরকে আলাদা করা না হলে সমন্বয়কের নাম ভাঙিয়ে আমাদের ইমেজকে
খেয়ে ফেলবে। দেশের অনেকে জেলায় এমনটা হচ্ছে।
ভুয়া সমন্বয়কদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মো:
সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদের মধ্যে কেউ যদি ভবিষ্যতে ফ্যাস্টিস হওয়ার চিন্তা করেন কিংবা
ক্ষমতার অপব্যবহার করার চেষ্টা করেন, তাদেরকে বহিষ্কার করে আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্ররা কেউ আলাদা হবেন না। সবাই একত্রে থাকবেন।
তা না হলে পরিণতি খারাপের দিকে যাবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি
কার্ড’ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার ( ২২ জানুয়ারি ) সকালে সিলেটে এক
পাঁচ তারকা হোটেলের কনফারেন্স রুমে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি
এ কথা বলেন।
তারেক রহমান জানান, ফ্যামিলি কার্ডটি মূলত পরিবারের
প্রধান নারীর নামে দেওয়া হবে।
কার্ডের সুবিধাদি তুলে ধরে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে
প্রতিটি পরিবারকে মাসে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে।
তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোকপাত
করে তিনি আরও বলেন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের সক্ষমতা বাড়াতে দেশের কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাকে
আধুনিকায়ন করা হবে। একইসঙ্গে বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেবে বিএনপি।
‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক
এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এ সময় তারেক রহমান তরুণদের কথা শোনেন এবং তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
এই মতবিনিময় শেষে তারেক রহমান সিলেটের সরকারি আলিয়া
মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন।
মন্তব্য করুন