

বৈশ্বিক স্মার্টফোন সরবরাহে ১২ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো স্যামসাংকে পেছনে ফেলল বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল।
গেল বছর বিশ্ববাজারে স্মার্টফোন সরবরাহে স্যামসাংয়ের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে আইফোন নির্মাতা অ্যাপল। ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিশ্বজুড়ে সরবরাহ করা ফোনের এক পঞ্চমাংশেরও বেশি ছিল অ্যাপলের।বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর স্যামসাংসহ শাওমি, অপো ও চীনা ফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানি ‘ট্রান্সশন’ বিশ্ব বাজারের প্রায় ২০ শতাংশ জায়গা দখল করে আছে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশন।
শাওমি, অপো ও ট্রান্সশনের বৈশ্বিক স্মার্টফোন শিপমেন্ট যথাক্রমে ১৪ কোটি ৫৯ লাখ, ১০ কোটি ৩১ লাখ ও নয় কোটি ৪৯ লাখ
আইডিসি আরও জানিয়েছে, ২০২৩ সালে অ্যাপল সারা বিশ্বে ২৩ কোটি ৪৬ লাখ ইউনিট স্মার্টফোন পাঠিয়েছে, যা পুরো বাজারের ২০ দশমিক এক শতাংশ জায়গা দখল করে আছে। অন্যদিকে স্যামসাং সারা বিশ্বে ২২ কোটি ৬৬ লাখ স্মার্টফোন সরবরাহ করেছে যা স্মার্টফোন শিপমেন্টে বাজারের ১৯ দশমিক চার শতাংশ।
২০১০ সাল থেকেই শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছিল স্যামসাং। তার আগে শীর্ষে ছিল ফিনিশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি ‘নোকিয়া’। এমনকি অ্যাপল তখন শীর্ষ পাঁচেও স্থান পায়নি।
আইডিসি বলছে, গত বছর সামগ্রিকভাবে কমেছে স্মার্টফোনের বিক্রি। ২০২৩ সালে সামগ্রিকভাবে স্মার্টফোন বিক্রি হয়েছে ১২০ কোটি যা আগের বছরের তুলনায় তিন দশমিক দুই শতাংশ কম।
এটি এক দশকের মধ্যে স্মার্টফোন বিক্রি হওয়ার সর্বনিম্ন পরিমাণ। বিশেষ করে করোনা মহামারীর কারণে এবং উচ্চ সুদ হারের কারণে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মুখে রয়েছেন অনেক মানুষ। তবে এ বছর বাজার পুনরুদ্ধার হবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং।
মঙ্গলবার
(২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন এবং নতুন সরকার গঠন নিয়ে দেওয়া
এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি এই অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। গ্রেস মেং তার বিবৃতিতে বাংলাদেশের
নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং এদেশের সাধারণ মানুষকে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য
সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে
গ্রেস মেং বলেন, বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ একটি
গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আমি নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের জনগণকে তাদের সাম্প্রতিক
নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন জানাই। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনেক বাংলাদেশি এই নির্বাচন
প্রক্রিয়া অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সুসংহত
রূপ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, মানবাধিকার রক্ষা এবং দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যন্ত
আশাবাদী।
ভবিষ্যতে
যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও অর্থবহ
করতে তিনি কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।
গ্রেস
মেং মতে, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো প্রসারিত হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার
স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক
মূল্যবোধ রক্ষায় দুই দেশ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
পাশাপাশি তার নিজ নির্বাচনি এলাকায় বসবাসরত বিশাল সংখ্যক বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদের
অধিকার রক্ষা ও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই কংগ্রেস
সদস্য।
তিনি
জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের মাতৃভূমির অগ্রগতি নিয়ে সব সময়ই ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে
চান এবং মার্কিন আইনপ্রণেতা হিসেবে তিনি সেই সেতুবন্ধন আরও মজবুত করবেন।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


গত ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে তাইওয়ানে। বুধবার সকালে স্থানীয় সময় ৭টা ৫৮ মিনিটে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৪। এতে অন্তত ৪ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের পর তিন দেশ- তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও জাপানে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খবর বিবিসির।
এক জরুরি বার্তায় তারা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে সুনামি আঘাত হানতে পারে। তাইওয়ানে এর প্রভাব পড়তে পারে। উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। ২৫ বছর আগে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাইওয়ানে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত আনে। তাতে ২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল তাইওয়ানের হুয়ালিয়েন শহরের ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে। ভূপৃষ্ঠের ৩৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করেছে তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ। ভূমিকম্পে তাইওয়ানের একাধিক শহরের বেশকিছু ভবন ধসে পড়েছে। এসব ভবনের নিচেও চাপা পড়েছেন অনেকে। এছাড়া এই পাহাড়ি শহরটিতে ভূমিধ্বসের খবরও জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবারের আয়োজনে মাছ-মাংস না থাকার কারণে কনেপক্ষকে
মারধর করে বিয়ে বাতিল করেছে বরপক্ষ।
গত বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।
খবরে বলা হয়েছে, অভিষেক শর্মা নামের বর আনন্দনগরের বাসিন্দা দীনেশ শর্মার মেয়ে
সুষমাকে বিয়ে করতে আসেন। তবে সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল, এমনকি মালা বিনিময়ের অনুষ্ঠানও
সম্পন্ন হয়েছিল। বরপক্ষ যখন জানতে পারে যে খাবারের মেনুতে কোনো আমিষ খাবার
নেই, তখন তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
বর
অভিষেক শর্মা, তার বাবা সুরেন্দ্র শর্মা ও অন্যান্য আত্মীয়রা কনেপক্ষকে অকথ্য ভাষায়
গালিগালাজ করে এবং লাঠি দিয়ে মারধর করে।
এই মারধরের ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, উভয়পক্ষ হাতাহাতি ও কিলঘুষি
করছে এবং চেয়ার ছুড়ে মারছে। এমন অপ্রীতিকর ঘটনার পর বর অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে চলে
যান এবং বিয়ে বাতিল করা হয়।
কনের পরিবার বরপক্ষের বিরুদ্ধে লাঞ্ছনা ও যৌতুকের অভিযোগ দায়ের
করে। অভিযোগে বলা হয়, বরপক্ষকে প্রায় ৫ লাখ রুপি এবং সোনার আংটি যৌতুক হিসেবে
দেওয়া হয়েছিল।
কনের বাবা দীনেশ শর্মা পুলিশের কাছে জানান, যৌতুকের পাশাপাশি একটি
গাড়ি কেনার জন্য বরকে সাড়ে ৪ লাখ রুপি দেওয়া হয়েছিল।
সূত্র : এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৯ জন হজ যাত্রী নিয়ে দেশে ফিরেছে।
আজ (২১ জুন) বিজি ৩৩২ ফ্লাইটটি সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এসে পৌঁছেছে।
বিমানবন্দরে হাজীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে হজ সম্পন্ন করে দেশে ফিরতে পাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন যাত্রীরা।
এসময় বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, সব হজযাত্রী যেন সুষ্ঠুভাবে দেশে ফিরতে পারে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ফ্লাইটের মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পোস্ট ফ্লাইট অপারেশন্স শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত।
আগত হজযাত্রীদের বিমানের বোডিং গেটে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। সব হজযাত্রীকে বিমানের বুথ থেকে জমজমের পানি বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, বিমানের পরিচালক (গ্রাহক সেবা) হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কুয়েত সফর শেষে দেশে ফিরেছেন ।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)জানায়, কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত চিফ অব স্টাফের আমন্ত্রণে এ কুয়েত সফর করেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
এর আগে কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত চিফ অব স্টাফের আমন্ত্রণে সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কুয়েত সফরে যায়।
আইএসপিআর আরো জানায়, সফরকালে সেনাপ্রধান কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল পাইলট সাবাহ জাবের আল আহমেদ আলসাবাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ডা. আব্দুল্লাহ মেশাল মোবারক আব্দুল্লাহ এ. আলসাবাহ ও কুয়েত ন্যাশনাল গার্ডের সচিব লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার হাসেম আব্দুল রাজ্জাক আল-রিফাইর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, কুয়েতের আমির উপসাগরীয় যুদ্ধে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং পরে অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সেনাপ্রধান এর কুয়েত সফর নিয়ে আইএসপিআর আরও জানায়, সফরকালে সেনাপ্রধান কুয়েতে বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্টস (বিএমসি) সদর দফতর পরিদর্শনসহ এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত হন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। তিনি বাংলাদেশি মিলিটারি কন্টিনজেন্টের অফিসার এবং অন্য পদবির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ের লক্ষ্যে অফিসার্স অ্যাড্রেস এবং দরবার নেন। এছাড়াও সেনাবাহিনী প্রধান সফরকালে কুয়েত আর্মড ফোর্সেস স্টাফ কলেজ পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


পবিত্র কাবা নতুন গিলাফ বা কিসওয়ায়
মোড়ানো হয়েছে । হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে পুরান গিলাফ পরিবর্তন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) আরব নিউজের
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হজের মওসুম শুরুর আগে কাবার গিলাফ পরিবর্তন করা হয়েছে। বুধবার
এটি নতুন করে কারুকার্যমণ্ডিত কিসওয়া দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় প্রেস
এজেন্সি এসপিএ জানিয়েছে, কিসওয়া পরিবর্তনে ১০টি ক্রেন ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া এ
কাজে অংশ নিয়েছেন ৩৬ জন বিশেষ কর্মী। পবিত্র কাবার কিসওয়ার প্রস্থ আড়াই মিটার এবং দৈর্ঘ্য
৫৪ মিটার।
পবিত্র কাবার গিলাফ পরিবর্তন
ঐতিহাসিক পরম্পরা। আগে হজের দিন এটি পরিবর্তন করার রীতি ছিল। তবে বর্তমানে ১ মহররম
হিজরি নববর্ষের প্রথম প্রহরে করা হয়ে থাকে।
বিশেষভাবে তৈরি এ গিলাফে প্রতি
মিটারে দশ ধাপে ৯৯০০ সুতা লাগানো হয়। গিলাফের বাইরের কালো কাপড়ে স্বর্ণমণ্ডিত রেশম
সুতা দিয়ে ক্যালিগ্রাফি করেন দক্ষ কারিগররা। এরপর ঝারনিখ কালি দিয়ে প্রথমে কাপড়ে ক্যালিগ্রাফির
আউটলাইন দেওয়া হয়। পরে কারিগরদের দক্ষ হাতের ছোঁয়ায় হরফের ভেতর রেশম সুতার মোটা লাইন
বসিয়ে স্বর্ণের সুতা দিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে হরফ ফুটিয়ে তোলা হয়।
মক্কার উম্মুদ জুদ এলাকায় বিশেষ
কারখানায় কাবা শরিফের গিলাফ নির্মাণের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরি করা হয়। গিলাফ তৈরির
কাজে ১২০ কেজি সোনার সুতা, ৭০০ কেজি রেশমি সুতা এবং ২৫ কেজি রুপার সুতা ব্যবহার করা
হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাবার
গিলাফ কয়েক ধাপে উত্তোলন করা হয়। এটি হজযাত্রীদের কাবা প্রদক্ষিণের সময় কাবাকে ক্ষতিগ্রস্ত
এবং ময়লা থেকে রক্ষা করে। প্রতিবছর হজের আগেই গিলাফ বা কিসওয়া পরিবর্তন করা হয়।
মন্তব্য করুন


এক অন্যরকম আবেগের শব্দ মা। এর সাথে জড়িয়ে থাকে একটি মানুষের হৃদস্পন্দন। মায়ের মতো দুনিয়াতে কেউ হয় না।
এবার সেই কথাকেই যেন বাস্তবে প্রমাণ করলেন এক ছেলে। করলেন ইক অকল্পনীয় কাজ ।
নিজের গায়ের চামড়া কেটে মায়ের জন্য জুতা বানালেন। শুধু তাই নয়, নিজের হাতে সে জুতো পরিয়েও দিলেন এই ছেলে।
এই যুবকের নাম রৌনক গুর্জর। ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর বাসিন্দা সে। রৌনক গুর্জর জানান, তিনি রামায়ণের ভক্ত। রোজ একবার করে রামায়ণ পাঠ করেন। রাম তার আদর্শ। সেই গ্রন্থ পাঠ করেই মায়ের জন্য কিছু করার ইচ্ছা জাগে তার মনে। এজন্য নিজের গায়ের চামড়া দিয়ে মায়ের জুতা তৈরির পরিকল্পনা করেন।
জানা গেছে, অতীতে বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ছিলেন রৌনক। একবার পায়ে পুলিশের গুলিও খান তিনি। পরে সেই পায়ের অংশ থেকে অস্ত্রপচারের মাধ্ম্যমে কিছুটা চামড়া কেটে মায়ের জন্য জুতা বানান এই ছেলে। শুধু তাই নয়, নিজের হাতে মায়ের পায়ে পরিয়ে দেন সেই জুতা। আর এতে আবেগে মা কেঁদে ফেলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রামায়ণ অনুযায়ী, ভগবান রাম একবার বলেছিলেন, নিজের চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য যথেষ্ট নয়। সেখান থেকেই এই ভাবনাটি মাথায় আসে বলে জানায় ওই যুবক।
অন্যদিকে, জুতা পেয়ে উচ্ছ্বসিত বৃদ্ধা মা বলেন,এমন ছেলে যেন ঈশ্বর সব মাকেই দেন।
মন্তব্য করুন


ভারতের উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনৌতে ভবন ধসে নিহত হয়েছেন আটজন এবং আহত হয়েছেন আরও ২৮ জন। ঘটনাস্থলে এখনও উদ্ধারকাজ চলছে।
ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৩ টি মৃতদেহ বের করার পর লখনৌতে ভবন ধসে মৃতের সংখ্যা আটজনে পৌঁছেছে বলে রোববার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় শহরের পরিবহন নগর এলাকায় ৩ তলা ভবনটি ধসে পড়ার ঘটনায় আরও ২৮ জন আহত হয়েছেন।
রাজ্যটির স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এসডিআরএফ) জানিয়েছেন উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। জেলা প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, তারা এখন ধ্বংসস্তূপের নিচে যাতে আর কেউ আটকে না থাকেন সেদিকে নজর দিচ্ছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ভবনটি প্রায় চার বছর আগে নির্মিত হয়েছিল এবং ঘটনার সময় কিছু নির্মাণ কাজ চলছিল। শনিবার বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে যখন এ ঘটনা ঘটে তখন বেশিরভাগ নিহতরা নিচতলায় কাজ করছিলেন। আহতদের জেলার লোকবন্ধু হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে চলেছে। তীব্র গরমের কারণে অসহনীয় অবস্থায় জনজীবন । ছোট থেকে বড় সবাই এই তীব্র তাপদাহে কাহিল হয়ে পড়েছে।
তাপমাত্রার পারদ ৪০-এর নিচে নামছেই না,বরং পারদ চড়েই যাচ্ছে বিরতিহীনভাবে ।
ভয়াবহ এই গরম আবহাওয়ার পরিস্থিতির খবর যারা মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তারাও রেহাই পাচ্ছেন না কিন্তু আবহাওয়ার ভয়াবহতা থেকে ।
তীব্র গরমের কারণে টিভিতে লাইভ সংবাদ পড়ার মাঝেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন কলকাতা দূরদর্শন টিভির একজন সংবাদ পাঠিকা। শনিবার (২১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
অসুস্থ হয়ে পড়া ওই সংবাদ পাঠিকার নাম লোপামুদ্রা সিনহা। নিজের ২১ বছরের ক্যারিয়ারে এমনটি আর কখনো ঘটেনি তার। তাই ভক্তদের বিষয়টি জানাতে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন বাংলা টেলিভিশনের অতি পরিচিত মুখ লোপা।
গত ১৯ এপ্রিল শুক্রবার সকালে নিউজ বুলেটিন পড়ার সময় এই ঘটনা ঘটেছে। লোপার শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি দক্ষিণবঙ্গের দাবদাহের সংবাদ পড়ছেন।
তবে তিনি ঠিকমতো তা পড়তে পারছিলেন না। তার কথা লেগে লেগে আসছিল। একপর্যায়ে তিনি বেহুঁশ হয়ে পরেন। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
অসুস্থ হওয়া নিয়ে লোপা জানান, দূরদর্শনের নিউজ ফ্লোর সাধারণত শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। তবে ওই দিন তা কাজ করছিল না। তাই ফ্লোর মারাত্মক গরম হয়ে পড়েছিল। আর একারণেই হঠাৎ এ পরিস্হিতি ।
মন্তব্য করুন